27/11/2025
প্রায় 100000 বছরের পুরোনো এই মমি আজও বৈজ্ঞানিক বিশ্বের জন্য এক চ্যালেঞ্জ এবং বিস্ময়ের উৎস... প্রায় 7000 বছর আগে ইউরেশিয়ার গুপ্তধন-শিকারীরা বরফের নিচে এটা খুঁজে পায়, এবং প্রায় 1000 বছর পরে তারা এই মমিটিকে নিয়ে ভারতে চলে আসে...
গবেষণার পরে বিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, এই মমিটির সঙ্গে পৃথিবীতে 1,00,000 বছর আগে বসবাসকারী কোনো বিলুপ্ত কিন্তু উন্নত প্রজাতির মানুষের সম্পর্ক ছিল...এর শরীরে থাকা আঁকা উল্কাগুলো ইঙ্গিত দেয় যে তিনি সেই প্রজাতির একজন উচ্চপদস্থ পুরোহিত ছিলেন... আরেকটি রহস্যময় বিষয় হলো, মমিটির দেহ একসময় শতাধিক টুকরো করা হয়েছিল, এবং সেগুলো এত নিখুঁতভাবে সেলাই করা হয়েছে যে প্রায় 50 বছর আগে এমআরআই করার সময় গবেষকরা প্রথম বিষয়টি জানতে পারেন...!
বিলুপ্তপ্রায় সভ্যতা নিয়ে গবেষণাকারীরা মনে করেন, অতীতে অন্য কোনো প্রজাতির পরিকল্পিত আক্রমণে এই পুরোহিতকে টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছিল...! পরবর্তীকালে সেই প্রজাতির জীবিত পুরোহিতরা অত্যন্ত উন্নত চিকিৎসা-প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৃতদেহটিকে সেলাই করে মমিতে রূপান্তরিত করে... তবে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক এবং অবিশ্বাস্য বিষয় হলো, "এই মমি মাঝে মাঝে শ্বাস নেয়...!"
এই তথ্য গবেষকদের স্তম্ভিত করে দিয়েছে... মজার বিষয় হলো, 2024 সালে এই মমির উপর গবেষণারত এক ইসরায়েলি ছাত্র অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে প্রথমবার বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং অন্য গবেষকদের অবহিত করেন... এরপর যখন মমিটি কে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হয়, তখন দেখা যায়, মমিটি প্রতিদিন ভোর 3 টায় শ্বাস নেয়... আর সবচেয়ে বড় আবিষ্কার, মমির সেই নিঃশ্বাসের শব্দটি আসলে একটি সংগীত-সঙ্কেত কোড...!
অনেক প্রচেষ্টা এবং আধুনিক সরঞ্জামের সাহায্যে এই কোডটি অক্টোবরে ডিকোড করা হয়... তখন দেখা যায়, মমি হাজার হাজার বছর ধরে যে সাউন্ড কোড তৈরি করছে তার অর্থ হলো, "বাটোগে তো কাটোগে..."
গবেষকরা তাদের শেষ রিপোর্টে উল্লেখ করেছেন, সম্ভবত এই প্রজাতির মানুষ নিজেরাই এই সাউন্ড কোডের অর্থ ডিকোড করতে পারেনি... আর সেই কারণেই হয়তো এই উন্নত প্রজাতিটি হঠাৎ বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে...!