01/03/2026
কম সময়ে বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক চাপে কমিশনের আংশিক ব্যার্থতায় এস.আই.আর - ২০২৬ নিয়ে রাজ্যজুড়ে চর্চিত বিষয় হল " ডিলিটেড এবং আন্ডার এডজুডিকেশন " শব্দসমুহ। অনেকে ইনবক্স করছেন, তাই বিষয়টি একত্রে স্পষ্ট করে জানাচ্ছি যে পশ্চিমবঙ্গে সম্প্রতি ২৮.০২.২০২৬ তারিখে যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, সেটি চূড়ান্ত তালিকা হিসেবে লিখলেও ইহা একদম শেষ তালিকা নহে। "আন্ডার এডজুডিকেশন" সংক্রান্ত বিষয়গুলো এখনও স্ক্রুটনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে। মাননীয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিধি অনুসারে দিনরাত পরিশ্রম করে জমাকৃত সাপোর্টিং ডকুমেন্টসসমূহ যাচাই-বাছাই করছেন। এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর পুনরায় সংশোধিত ও আপডেটেড তালিকা প্রকাশ করা হবে। অতএব বর্তমান তালিকায় কারও নামের পাশে “আন্ডার এডজুডিকেশন” উল্লেখ থাকলে সেটিকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে ধরা সমীচীন নয়। যদি কোনো প্রকৃত ও যোগ্য ভোটারের নাম ভুলবশত “ডিলিটেড” হিসেবে প্রদর্শিত হয়,কিংবা এডজুডিকেশন ম্যাটারগুলোর পরবর্তীতে নেগেটিভ রিপোর্ট আসলে তাহলে প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ রয়েছে আগামীতে। কমিশনের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই বিষয়টির যথাযথ নিষ্পত্তি সম্ভব। উল্লেখ্য, আমার নিজের ক্ষেত্রেও পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরও প্রকাশিত ভোটার লিস্টে বর্তমানে “আন্ডার এডজুডিকেশন” দেখাচ্ছে। আমিও অতি উৎসাহের সহিত অপেক্ষা করছি। সুতরাং সকলকে অনুরোধ করছি, ধৈর্য সহকারে অফিসিয়াল আপডেটের জন্য অপেক্ষা করুন এবং কোনো গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত হবেন না। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট ফলো রাখুন, পরবর্তী নোটিফিকেশনের জন্য অপেক্ষা করুন, নিজ এলাকার বি.এল.ও মহাশয়দের টাচে থাকুন।চিন্তা হলে আপনার এলাকার জনপ্রতিনিধিদের জানান উনারা যেন আপানাদের সমস্যার বিষয়গুলো উপরমহলে, নির্বাচন কমিশনে তুলে ধরেন। আবার বলছি অপেক্ষা করুন, শান্ত থাকুন।
মিজানুল কবির
আইনজীবী, কলকাতা হাইকোর্ট
মোবাইল: ৭০২৯০৮৩৪৩৪