Advocate Anisur Rahaman

Advocate Anisur Rahaman Criminal Lawyer

29/04/2026

কবিতা:: ওরা ভয় পেয়েছিল

29/04/2026
🌿  #শান্তির_সূত্রাবলী বা ভাল থাকার বাস্তব পাঠের খোঁজে👇  🌹 #তুমি যখন নতুন ফোনের জন্য মায়ের সাথে উচু গলায় কথা বলছো…💢তখন অন...
25/04/2026

🌿 #শান্তির_সূত্রাবলী বা ভাল থাকার বাস্তব পাঠের খোঁজে👇
🌹 #তুমি যখন নতুন ফোনের জন্য মায়ের সাথে উচু গলায় কথা বলছো…
💢তখন অন্য কোন ‘‘মা’’ সন্তানের ছিড়ে যাওয়া জামা সেলাই করার টাকার কথা চিন্তা করছে।
‘‘অথচ তোমার আছে চকচকে ও সুন্দর পোষাক’’!

🌹একটা #বাইকের জন্য বাবাকে যখন ‘‘ছোট লোক’’ বলে মনে-মনে গালি দিচ্ছো…
💢তখন নজিরউদ্দীন ‘পা’ বিহিন শরীরে নিয়ে মানুষের কাছে বেঁচে থাকার জন্য হাত পেতে যাচ্ছে।
‘‘তুমি যে হাঁটতে পারো এতে তোমার সন্তুষ্টি নেই’’ ….

🌹 #রান্নায় ডাল কিংবা সবজি দেখলে তোমার মাথায় যখন রক্ত উঠে যায়…
💢তখন রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্লাসটিকের বোতল কুঁড়িয়ে ‘‘এক প্লেট ভাত আর ডালে’র বন্দোবস্ত করছে—বস্তির টোটা।
কিন্তু তখন তোমার সামনে থাকে অঢেল খাবার !

🌹 #ব্র্যান্ডের দামী শোয়েটার গায়ে দিয়েও যখন তোমার শীত মানছে না…
তখন স্টেশনের বারান্দায় সদ্য সন্তান জন্ম দেওয়া ‘‘মা’’ ছেড়া কাপড়ে শীত নিবারণের আ-প্রাণ চেষ্টা করছে…
💢‘‘তবুও তোমার মনে শান্তি নেই’’।

🌹 #বন্ধুর বাইকের পিছনে বসে তোমার বাবাকে যখন অপারগ ভাবছো…
তখন অন্য কোনো ‘‘বাবা’’ ইট ভাটার উতপ্ত আগুনের পাশে বসে আছে, সন্তানদের মুখে ডাল-ভাত তুলে দেবার জন্য।
💢 ‘ভাত খেতে পাও বলে অভাব চিনতে পারোনি।

🌹 #কমদামী ফোন ব্যবহার করো বলে- বন্ধুদের সামনে নিজেকে যখন ছোট ভাবতে থাকো…
তখন দু’হাত বিহীন মানুষটি ভাবছে কারো সাহায্য পেলে বাথরুমে যাবে…
💢 ‘‘তোমার দু’হাত আছে; ফোন আছে; টিপতে পারছো, তবুও তুমি ভালো নেই’’

🌹 #তুমি যখন কী–র্বোড তুলোধনা করে ডিপ্রেশনের এক’শ একটি কারণ খুঁজে বের করছো…
তখন তোমারই কলেজের পড়ুয়া কোন ভাই- রাতের শহরে মুখ ঢেকে রিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছে, সংসার খরচ আর মেস ভাড়া মিটানোর জন্যে।
💢অথচ ‘‘তোমার হাতে- স্মার্ট ফোন’’ !!

🌹‘‘ #বিশ্বাস করো…. ভালো না থাকার জন্য সহস্রটা কারণ তুমি বের করতে পারবে, কিন্তু ভালো থাকার জন্য একটি কারণ বের করে ভালো থাকার সাহস তোমার নেই’’— তুমি ভীতু, মহা ভীতু…

🌹 #তোমার_থেকে_নিচে_তাকাও; #ভালো_থাকতে_শিখে_যাবে।

🙏 #আসুন আমরা #ভালো থাকার এই বাস্তব পাঠগুলো আমাদের জীবনে বাস্তবায়ন করার শপথ করি ।

🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿🌿
✍️সংকলন ও সম্পাদনায় - এম এ খান

যেমন ছিল রবীন্দ্রনাথের শেষের দিনগুলো ও শেষযাত্রা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা যান আজ থেকে ৮৩ বছর আগে ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট। বাংলা...
25/04/2026

যেমন ছিল রবীন্দ্রনাথের শেষের দিনগুলো ও শেষযাত্রা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মারা যান আজ থেকে ৮৩ বছর আগে ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট। বাংলা পঞ্জিকায় দিনটি ছিল ২২শে শ্রাবণ। এদিন বেলা ১২টা ১০ মিনিটের তার অন্তিম নিঃশ্বাসের মধ্য দিয়ে অন্ত হয় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ প্রতিভাবানের জীবনের। যে জীবন কেবল সাহিত্য সৃষ্টির মহোৎসবেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, সমাজ সংস্কার থেকে শিক্ষা সংস্কার
১৯৪০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর শান্তিনিকেতন থেকে কালিম্পংয়ে পুত্রবধু প্রতিমা দেবীর কাছে গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। কিন্তু কালিম্পংয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রবীন্দ্রনাথ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসা দিতে ছুটে আসেন দার্জিলিংয়ের সিভিল সার্জন। রক্ত পরীক্ষার পর দেখা গেল প্রস্টেট গ্ল্যান্ডে সমস্যা। দ্রুতই অস্ত্রোপচার করতে হবে। কলকাতা থেকে চিকিৎসক নিয়ে কালিম্পংয়ে গেলেন প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ। রবীন্দ্রনাথকে কলকাতায় আনা হলো অজ্ঞান অবস্থায়। এ সময় প্রায় এক মাস শয্যাশায়ী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। একটু সুস্থ হয়েই রবীন্দ্রনাথ শান্তিনিকেতন ফিরে যেতে ব্যকুল হয়ে পড়লেন। শেষ পর্যন্ত শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে ১৮ নভেম্বর শান্তিনিকেতনে ফিরে আসেন।

শান্তিনিকেতনে উদয়ন বাড়িতে রবীন্দ্রনাথের জন্য সার্বক্ষণিক চিকিৎসক, নার্স রাখা হলো। তখন তার শারীরিক অবস্থাও ভালো নয়। রবীন্দ্রনাথ নিজ হাতে লিখতে পারতেন না বলে শ্রুতিলিখনের মাধ্যমে ব্যক্তিগত সচিব অনিলকুমার চন্দের স্ত্রী ও রবীন্দ্রনাথের স্নেহধন্যা রাণী চন্দকে দিয়ে লেখাতেন। এসময় রবীন্দ্রনাথ বেশ কয়েকটি কবিতার সৃষ্টি করেছিলেন।

শান্তিনিকেতন থেকে শেষবারের মতো কলকাতায় যাচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ। আশ্রমের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মীরা তাকে বিদায় জানাচ্ছেন।

এরই মধ্যে রবীন্দ্রনাথের প্রস্টেট গ্ল্যান্ডের সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করল। কয়েকদিনের মাথায় তার সুস্থ হওয়া নিয়ে সবাই সন্দিহান হয়ে উঠলেন। কারণ কিছুতেই রোগের উপশম হচ্ছে না। হোমিওপ্যাথি, অ্যালোপ্যাথি, কবিরাজি কোন ধরনের ওষুধেই কাজ হচ্ছে না। অপারেশনে একটি ভরসা ছিল কিন্তু রবীন্দ্রনাথের অপারেশনের বিষয়ে ঘোর আপত্তি। তার যুক্তি ছিল, 'এক ভাবে না এক ভাবে এই শরীরের শেষ হতে হবে তো, তা এমনি করেন হোক না শেষ। ক্ষতি কি তাতে? মিথ্যে এটাকে কাটাকুটি ছেঁড়াছিঁড়ি করার কি প্রয়োজন?'

১৯১৬ সাল থেকে রবীন্দ্রনাথ চিকিৎসা করছিলেন প্রখ্যাত চিকিৎসক অধ্যাপক স্যার নীলরতন সরকার। বলে রাখা ভালো স্যার নীলরতনও চাননি রবীন্দ্রনাথের এই বয়সে অপারেশন হোক। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথ অপারেশন পরবর্তী ধকল নিতে পারবেন না বলেই তার ধারনা। তাই তিনি ঔষধ চালিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মত দিয়েছিলেন। হঠাৎ স্ত্রী মারা যাওয়ায় গিরিডিতে চলে যান তিনি।

দেখা যাক, আরও কিছুদিন দেখা যাক এই ভেবে আরও কিছুকাল কাটল। এই সুস্থ তো এই অসুস্থ এই অবস্থা তখন রবীন্দ্রনাথের। ১৬ জুলাই রবীন্দ্রনাথের চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার জন্য শান্তিনিকেতনে আসেন ডা. বিধানচন্দ্র রায়, ডা. ললিতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডা. ইন্দুভূষণ বসু। আলোচনার এক পর্যায়ে বিধানচন্দ্র রায় রবীন্দ্রনাথকে বলেছিলেন, 'আপনি আগের থেকে একটু ভালো আছেন। সে কারণে অপারেশনটা করিয়ে নিতে পারলে ভালো হবে, আর আপনিও সুস্থ বোধ করবেন।' সবাই অপারেশনের পক্ষে মত দিলে রবীন্দ্রনাথ সবার অনুরোধে রাজি হলেন। এরপরই সিদ্ধান্ত হলো রবীন্দ্রনাথের অপারেশন করা হবে কলকাতার জোড়াসাঁকোতে।

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতেই জীবনের অন্তিম দিনগুলো কাটিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতায় ফেরা

২৫ জুলাই ১৯৪১ সাল। দিনটি শুক্রবার। রবীন্দ্রনাথ অজান্তেই যেন বুঝতে পেরেছিলেন এটিই তার শেষ যাত্রা। সাতসকালেই আশ্রমের শিক্ষার্থী, কর্মী, শিক্ষকেরা সমবেত কণ্ঠে এদিন আজি কোন ঘরে গো খুলে দিল দ্বার' গাইতে গাইতে রবীন্দ্রনাথকে অর্ঘ্য অর্পণ করল। যাওয়ার আগে মোটরগাড়িতে চেপে শান্তিনিকেতন আশ্রমের সবার সঙ্গে দেখা করলেন রবীন্দ্রনাথ। গাড়িতে করেই গোটা আশ্রম ঘোরানো হলো তাকে। আশ্রমের চিকিৎসক শচীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে ডেকে নিয়ে রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, 'শচী, আমার আশ্রম রইল, আশ্রমবাসীরাও রইলেন। তুমি দেখে রেখো।' পুরো আশ্রমের মানুষ তাকে দাঁড়িয়ে অশ্রুসজল চোখে বিদায় জানাল। বোলপুর স্টেশন থেকে ট্রেনের বিশেষ কোচে রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে যাওয়া হলো কলকাতায়।'

কলকাতার শেষ দিনগুলো যেমন ছিল

২৫ জুলাই দুপুর সোয়া ৩টার দিকে রবীন্দ্রনাথকে আনা হলো জোড়াসাঁকোর বাড়িতে। সাধারণ মানুষ না জানায় স্টেশন কিংবা বাড়িতে কোথাও ভিড় হয়নি তেমন। সারাদিনের ট্রেন ভ্রমণে গরমে বেশ কষ্ট পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ।

তাকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হলো জোড়াসাঁকোর পুরনো বাড়ির পাথরের ঘরে। ভীষণ ক্লান্তিতে স্ট্রেচারের উপরই ঘুমিয়ে পড়লেন রবীন্দ্রনাথ। বললেন, 'এখন আমাকে নাড়াচাড়া কোরো না, এইভাবেই থাকতে দাও।' তাই আর খাটে আর তোলা গেল না তখন। অপারেশন হবে বলে ঘরের জিনিসপত্র সরিয়ে পুরো ঘর পরিষ্কার করা হয়েছিল। বিকেল নাগাদ কয়েকজন স্বজন তাকে দেখতে এলেও রবীন্দ্রনাথ কারো সঙ্গে কথা বলতে পারলেন না। সন্ধ্যার দিকে খানিকটা দুর্বল অনুভব করলেও সারারাত বেশ স্বস্তিতেই ঘুমান।

২৬ জুলাই সকালটা বেশ আনন্দেই কাটল রবীন্দ্রনাথের। ৮০ বছরের কাকাকে দেখতে এলেন ৭০ বছর বয়সী ভাইপো অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কাকা আর ভাইপো মেতে উঠলেন ছোটবেলার নানা গল্পে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রবীন্দ্রনাথকে গ্লুকোজ ইনজেকশন দেওয়া হয়। ব্যথা অনুভব করে রবীন্দ্রনাথ বললেন, 'দ্বিতীয়া, গেল সব জ্বলিয়া'। সন্ধ্যার দিকেই হঠাৎ ভীষণ কাঁপুনি উঠল রবীন্দ্রনাথের। আধাঘণ্টা পর ঘুমিয়ে গেলেন তিনি।

২৭ জুলাই সকালে রাণী চন্দকে দিয়ে শ্রুতিলেখনের মাধ্যমে 'প্রথম দিনের সূর্য' কবিতাটি লেখালেন রবীন্দ্রনাথ। এরপর রাণী চন্দের হাত থেকে খাতা নিয়ে নিজেই সংশোধন করলেন। রসিকতাও বাদ গেলনা। উপস্থিত সবার উদ্দেশে বললেন, 'ডাক্তাররা বড় বিপদে পড়েছে। কতভাবে রক্ত নিচ্ছে, পরীক্ষা করছে কিন্তু কোন রোগই পাচ্ছে না তাতে। এ তো বড় বিপদ ডাক্তারদের। রোগী আছে, রোগ নেই।'

শেষবারের মতো রবীন্দ্রনাথকে দেখতে জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে মানুষের ভিড়ে ভেঙে যায় বাড়ির ফটক।

২৯ জুলাই সকালবেলা অপারেশন নিয়ে বেশ বিমর্ষ ছিলেন তিনি। বললেন, 'যখন অপারেশন করতেই হবে তখন তাড়াতাড়ি চুকিয়ে গেলেই ভালো।' রবীন্দ্রনাথ জানেন না আগামীকালই তার অপারেশন হবে। এদিন বিকেলে রবীন্দ্রনাথ একটি কবিতা লেখালেন রাণী চন্দকে দিয়ে।

৩০ জুলাই ১৯৪১, অপারেশনের দিন

সকাল থেকেই জোড়াসাঁকোতে তোড়জোড় চলছে। আজই অপারেশন হবে রবীন্দ্রনাথের। রবীন্দ্রনাথ জানেন না আজই তার অপারেশন হবে। কারণ সবকিছু নিঃশব্দে করা হচ্ছে। লম্বা বারান্দার দক্ষিণ দিক ঘেঁষে অপারেশনের টেবিল সাজানো হয়েছে। তিনি কিছুই টের পেলেন না। এদিন সকালে রাণী চন্দকে দিয়ে রবীন্দ্রনাথ লেখালেন তার সর্বশেষ সৃষ্টি। 'তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি/ বিচিত্র ছলনাজালে,/হে ছলনাময়ী।/মিথ্যা বিশ্বাসের ফাঁদ পেতেছ নিপুণ হাতে /সরল জীবনে….। একইসঙ্গে পুত্রবধুকে লিখলেন চিঠি।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডা. ললিত বন্দ্যোপাধ্যায় অপারেশনের সবকিছু ব্যবস্থা করে রবীন্দ্রনাথের ঘরে ঢুকলেন। বললেন, 'আজ দিনটা ভালো আছে। তাহলে আজ আজই সেরে ফেলি কি বলেন? রবীন্দ্রনাথ একটু হকচকিয়ে গেলেন। বললেন, 'আজই?' এরপর রাণী চন্দের দিকে পরক্ষণেই বললেন, 'তা ভালো, এরকম হঠাৎ হয়ে যাওয়াই ভালো।'

বেলা ১১টার দিকে রবীন্দ্রনাথকে স্ট্রেচারে করে অপারেশনের টেবিলে আনা হলো। ক্লোরোফর্মের বদলে অজ্ঞান করা হলো লোকাল অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে।

মাত্র ২০ মিনিটে অপারেশনের কাঁটাছেঁড়া সম্পাদিত হলো। লোকাল অ্যানেসথেসিয়া প্রয়োগের কারণে ভীষণ ব্যথা পেলেও রবীন্দ্রনাথ অপারেশনের সময় তা প্রকাশ করেননি। অপারেশন পরবর্তী গুমোট হাওয়া উড়িয়ে দিতে বললেন, 'কি ভাবছো তোমরা? খুব মজা না?'

বিকেলের দিকে বেশ ব্যথা অনুভব করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। সন্ধ্যা ৭টার ললিত বন্দ্যোপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথকে দেখতে এসে জিজ্ঞেস করলেন, 'অপারেশনের সময়ে কি লেগেছিল আপনার? স্বভাবসুলভ রসিকতায় রবীন্দ্রনাথ জবাব দিয়েছিলেন, 'কেন মিছে মিথ্যে কথাটা বলাবে আমাকে দিয়ে।' এদিন রাতে মোটামুটি ঘুম হলো রবীন্দ্রনাথের।

২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল তারিখটি বিশ্ব ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সেন্ট পিটারের সিংহাসনে বসা প্রথম আমেরিকান পোপ হিসেবে...
25/04/2026

২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল তারিখটি বিশ্ব ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সেন্ট পিটারের সিংহাসনে বসা প্রথম আমেরিকান পোপ হিসেবে পোপ লিও চতুর্দশ (Pope Leo XIV) এমন এক কাজ করেছেন যা আগে কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। ১১ দিনের আফ্রিকা সফরের অংশ হিসেবে তিনি আলজেরিয়ার আলজিয়ার্সে পা রাখেন এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মসজিদে প্রবেশ করে বিশ্ববাসীকে এক মহান সম্প্রীতির বার্তা দেন।

**কেন এই সফরটি বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে?**

* **খালি পায়ে মসজিদে প্রার্থনা:** ইতিহাসের কোনো ক্যাথলিক নেতা এর আগে এমনটি করেননি। পোপ লিও চতুর্দশ মসজিদের প্রবেশপথে নিজের জুতো খুলে সম্পূর্ণ খালি পায়ে ভেতরে প্রবেশ করেন এবং প্রধান ইমামের পাশে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ ১০ মিনিট নীরব প্রার্থনা ও ধ্যানে মগ্ন থাকেন।
* **প্রথম আমেরিকান পোপের সাহসিকতা:** শিকাগোতে জন্মগ্রহণকারী এই পোপ শুরু থেকেই তাঁর উদার মানসিকতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, খ্রিস্টান এবং মুসলিমরা শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে পারে এবং এর শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হলো আলজেরিয়া ও লেবানন।
* **ভয় নয়, ভালোবাসার আহ্বান:** পোপ লিও ক্যাথলিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা ইসলামকে ভয় না পেয়ে বরং আরও উন্মুক্ত মন নিয়ে দেখার চেষ্টা করে। তাঁর মতে, এটি কেবল একটি কূটনৈতিক সফর নয়, বরং হৃদয়ের বন্ধন তৈরির একটি প্রচেষ্টা।
* **সমালোচনার মুখেও অবিচল:** রক্ষণশীল মহলের অনেকে এই সফরের বিরোধিতা করলেও পোপ লিও প্রমাণ করেছেন যে, শান্তির পথে ঘৃণা বা তাত্ত্বিক পার্থক্যের কোনো স্থান নেই।

**বিবেকের কাছে এক বড় প্রশ্ন:**
আজকের এই যুদ্ধবিদ্ধস্ত পৃথিবীতে যেখানে ধর্মের নামে হানাহানি চলছে, সেখানে এমন একজন নেতার পদক্ষেপ কি প্রশংসার দাবি রাখে না? অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় শান্তির এই জয়গান খুব কম মানুষই প্রচার করছে। কেন আমরা এই মহান মুহূর্তটিকে স্বাগত জানাতে কার্পণ্য করছি?

আসুন, সম্প্রীতির এই মহাকাব্যকে আমরা সবাই মিলে স্যালুট জানাই। ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মের এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জন্য আপনার সুন্দর একটি মন্তব্য কমেন্টে জানান। আপনি কি আজ এই মহান পোপ এবং এই শান্তির বার্তাকে স্বাগত জানাবেন না?

-Hidayah

---

**Disclaimer:** This post highlights a historic moment of interfaith dialogue and peaceful coexistence for informational and inspirational purposes.

🔥 সত্যিটা জানুন, মিথ্যা প্রচার বন্ধ করুন!আজকাল অনেকে বলেন — “SC, ST, OBCরা সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিচ্ছে, জেনারেলরা বঞ্চিত...
21/04/2026

🔥 সত্যিটা জানুন, মিথ্যা প্রচার বন্ধ করুন!
আজকাল অনেকে বলেন — “SC, ST, OBCরা সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নিচ্ছে, জেনারেলরা বঞ্চিত!”
কিন্তু হিসাবটা একটু মিলিয়ে দেখুন:
🇮🇳 SC + ST + OBC — দেশের মোট জনসংখ্যার ৮৫%
তবু তারা পায় মাত্র ৪৯.৫% সংরক্ষণ।
আর জেনারেল — মাত্র ১৫% জনসংখ্যা
তারপরও ভোগ করে ৫০.৫% সুযোগ-সুবিধা!
তাহলে কে আসলে বঞ্চিত?
সংরক্ষণের নামে এই উল্টো প্রচার বন্ধ হোক।
আসল ন্যায়বিচার কী?
যার যতটা জনসংখ্যা, তার ততটাই অধিকার।
জনসংখ্যা অনুপাতে সংরক্ষণ = প্রকৃত সাম্য।
আপনার মতামত কী?
কমেন্টে জানান 👇

21/04/2026

ভিডিও লিংক কমেন্টে 👇🏼

মেহেদির রং শুকানোর আগেই শহীদ! উহুদ প্রান্তরের এক হৃদয়স্পর্শী ইতিহাস।উহুদ যুদ্ধের ইতিহাসের পাতায় বীরত্ব আর ত্যাগের অসংখ্য...
21/04/2026

মেহেদির রং শুকানোর আগেই শহীদ! উহুদ প্রান্তরের এক হৃদয়স্পর্শী ইতিহাস।

উহুদ যুদ্ধের ইতিহাসের পাতায় বীরত্ব আর ত্যাগের অসংখ্য কাহিনী রয়েছে, তবে কিছু কাহিনী হৃদয়ের গভীরে এমনভাবে দাগ কেটে যায় যা যুগ যুগ ধরে মুমিনদের চোখে অশ্রু ঝরায়। এটি কেবল একটি যুদ্ধের কাহিনী নয়, বরং আল্লাহর প্রতি নিখাদ ভালোবাসা এবং কর্তব্যের টানে পার্থিব সুখকে তুচ্ছ জ্ঞান করার এক অনন্য উপাখ্যান। বাসর ঘরের মায়া কাটিয়ে যে যুবক সাহাবী জান্নাতের ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন, তাঁর সেই মহান ত্যাগের অমর কাহিনী নিচে তুলে ধরা হলোঃ-

উহুদের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শেষ। বীর শহীদানদের লাশ একে একে একত্র করা হচ্ছে। আল্লাহর রাসূল (ছা.) অত্যন্ত ব্যথিত চিত্তে শহীদদের গণনা করছেন। ৭০ জন শহীদের মাঝে ৬৮ জনের দেহ পাওয়া গেল, কিন্তু তখনও দুইজন নিখোঁজ। একজন নবীজির প্রিয় চাচা হামজা (রাঃ), আর অন্যজন যুবক সাহাবী হানজালা (রাঃ)।

রাসূল (ছা.) সাহাবীদের নির্দেশ দিলেন তাঁদের খুঁজে বের করতে। ঠিক সেই মুহূর্তে একজন নারী নবীজির সামনে এসে দাঁড়ালেন। নবীজি (ছা.) তাকে চিনতে পারছিলেন না।

মহিলাটি বিনয়ের সাথে বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! গতকাল আপনি কি একটি বিয়ের খুৎবা পড়িয়েছিলেন মনে আছে? যার খুশিতে আপনি খুরমা খেজুর ছিটিয়েছিলেন?"

নবীজি (ছা.) বললেন, "হ্যাঁ, আমি তো হানজালার বিয়ে করিয়েছিলাম।"

মহিলাটি অশ্রুসজল চোখে নিজের হাত দেখিয়ে বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার হাতের মেহেদির রং আজও শুকায়নি। গতকাল বিকেলে আমাদের বিয়ে হয়েছিল, আর রাতে যুদ্ধের ডাক আসতেই হানজালা যুদ্ধের ময়দানে চলে গেছেন। বাসর রাতে তার সাথে আমার ঠিকমতো পরিচয়টুকুও হয়নি। যাওয়ার সময় তিনি শুধু বলে গিয়েছিলেন—

'যদি বেঁচে থাকি তবে দুনিয়ায় দেখা হবে, আর শহীদ হলে দেখা হবে জান্নাতে'।"

লজ্জাবনত হয়ে সেই নারী আরও বললেন, "বিদায়বেলায় তিনি যখন আমার কপালে চুমু দিয়ে যাচ্ছিলেন, আমি লজ্জায় বলতে পারিনি যে তিনি তখন নাপাক অবস্থায় ছিলেন (অর্থাৎ তাঁর ওপর গোসল ফরজ ছিল)। যুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি গোসল না করেই ময়দানে ছুটে গিয়েছিলেন।"

নবীজি (ছা.) এই আত্মত্যাগের কথা শুনে অঝোর ধারায় কাঁদতে শুরু করলেন। মহিলাটি আরজি জানালেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! শহীদদের তো সাধারণত গোসল দেওয়া হয় না, কিন্তু আমার স্বামীকে আপনি কি একটু গোসলের ব্যবস্থা করবেন?"

কিছুক্ষণ পর সাহাবীরা এসে খবর দিলেন হানজালা (রা.)-এর পবিত্র দেহ পাওয়া গেছে। রাসূল (ছা.) এবং সাহাবীরা সেখানে গিয়ে এক অলৌকিক দৃশ্য দেখলেন। হানজালার লাশের মাথা থেকে টপটপ করে পানি ঝরছে।
ঠিক তখনই জিবরাঈল (আ.) অবতীর্ণ হলেন এবং বললেন—

"ইয়া রাসূলাল্লাহ! হানজালার এই কুরবানিতে আল্লাহ তায়ালা এতটাই সন্তুষ্ট হয়েছেন যে, তিনি ফেরেশতাদের নির্দেশ দিয়েছেন তাকে আসমানে নিয়ে যেতে। ফেরেশতারা তাকে মেঘমালার স্তরে নিয়ে রুপার পাত্রে জমজমের পানি দিয়ে গোসল করিয়েছেন।"

নবীজি (ছা.) তার শরীরে জান্নাতি সুঘ্রাণ পেলেন এবং তাকে ‘গাসিলুল মালাইকাহ’ বা ‘ফেরেশতাদের দ্বারা গোসলপ্রাপ্ত ব্যক্তি’ উপাধিতে ভূষিত করলেন।

তথ্যসূত্র ও দলিলঃ-
১. আর-রাহীকুল মাখতূম (উহুদ যুদ্ধ পরিচ্ছেদ)।

২. যাদুল মা‘আদ (ইবনুল কাইয়্যিম), ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ৯৪।

৩. আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া (ইবনে কাসীর), ৪র্থ খণ্ড, পৃষ্ঠা ৪৩।

৪. মুসতাদরাক আল-হাকিম, ৩য় খণ্ড, পৃষ্ঠা ২০৪।

আলহামদুলিল্লাহ!
ইসলামের জন্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পার্থিব সব সুখ বিসর্জন দেওয়ার নামই হলো প্রকৃত ঈমান। আল্লাহ আমাদের সেই ঈমান নসিব করুন। আমীন।


© সাগর হারুন রশিদ সালাফী

ভেঙে পড়া বিশ্বাস, ভঙ্গুর ব্যবস্থা:-দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি স্বর্ণকান...
19/04/2026

ভেঙে পড়া বিশ্বাস, ভঙ্গুর ব্যবস্থা:-
দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মার আদালতে যে কথা বলেছেন এবং যে যুক্তি দিয়েছেন, তা ভারতীয় ইতিহাসে সম্ভবত আগে কখনও দেখা যায়নি।

গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে, আবগারি নীতি মামলায় নিম্ন আদালত থেকে খারিজ হওয়ার পর, কেজরিওয়াল হাইকোর্টে নিজেই নিজের পক্ষে সওয়াল করেন এবং বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মাকে মামলা থেকে সরে দাঁড়ানোর (রিকিউজাল) আবেদন জানান। তিনি বিচারপতির নিরপেক্ষতা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন যে তিনি এই আদালতে ন্যায়বিচার পাবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান, কারণ বিচারপতি নাকি আরএসএস-এর মতাদর্শকে সমর্থন করেন এবং তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একাধিকবার উপস্থিত থেকেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে বিচারপতি ২৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ মার্চ ২০২৩, ৩০ আগস্ট ২০২৪ এবং ৮ আগস্ট ২০২৫—এই চারটি তারিখে আরএসএস-এর শাখা “অধিবক্তা পরিষদ”-এর সভায় গিয়েছিলেন। তাই তিনি মনে করেন এই আদালত থেকে নিরপেক্ষ বিচার পাওয়া সম্ভব নয়।

শুনানির শেষে বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মা কেজরিওয়ালের বক্তব্যের প্রশংসা করে হাসিমুখে বলেন,
“আপনি একজন ভালো আইনজীবী হতে পারেন।”

এখন প্রশ্ন উঠছে—
দেশে কি এভাবেই প্রতিটি মামলার বিচারপ্রক্রিয়া এবং রায় নিয়ে বিচারকদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস, আচরণ, ধর্মীয় বা রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে প্রশ্ন তোলা উচিত?

তাহলে তো আরও প্রশ্ন উঠবে—
বাবরি মসজিদ মামলায় কি ন্যায়বিচার হয়েছে?

যে মামলায় “রামলালা বিরাজমান” নিজেই একটি পক্ষ ছিলেন, সেই মামলার বিচারপীঠের বিচারকদের অনেকেই যদি রামভক্ত হন, তাহলে কি তারা নিজের আরাধ্য দেবতার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারতেন?

ফৈজাবাদ জেলা আদালত থেকে শুরু করে এলাহাবাদ হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত—যেসব বিচারপতিরা এই মামলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের মধ্যে অনেকে নিজেদের সিদ্ধান্তকে ঈশ্বর বা হনুমানের প্রেরণায় নেওয়া বলেও উল্লেখ করেছেন।

তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়—
বাবরি মসজিদের সঙ্গে কি সত্যিই ন্যায়বিচার হয়েছে?

আরও নিচে গেলে—
প্রশাসন, আইনসভা, নিরাপত্তা বাহিনী—যারা মসজিদের নিরাপত্তায় ছিলেন, তারাও কি পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন না? যদি না হতেন, তাহলে মসজিদ ধ্বংস হলো কীভাবে?

শুধু বাবরি মসজিদ নয়—
মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয় যেমন শাহবানো মামলা, তিন তালাক ইত্যাদি—এসব ক্ষেত্রেও কি আদালতের সিদ্ধান্ত মুসলমানদের বিরুদ্ধে যায়নি?

তাহলে মুসলমানরা কেন এমন বিচারব্যবস্থার উপর আস্থা রাখবে, যেখানে বিচারকদের ইসলামের মৌলিক ধারণা সম্পর্কে জ্ঞান বা বিশ্বাস নেই, বরং বিরূপ মনোভাবও থাকতে পারে?

এমনকি অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রশ্ন উঠছে—

দলিত, আদিবাসী, ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষ কি “শর্মা”, “তিওয়ারি”, “মিশ্র” পদবীর বিচারকদের আদালতে ন্যায়বিচার পাবে?

লালু প্রসাদ যাদবের মামলার কথাই ধরা যাক—
যেখানে তিনজন বিচারপতি একাধিকবার তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন। কিন্তু যে চারা কেলেঙ্কারি একটি ব্রাহ্মণ মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্রের সময়ে শুরু হয়েছিল, সেই মামলায় তার কী হল?

লালু যাদব সেই দুর্নীতি প্রকাশ করেছিলেন, তদন্ত করিয়েছিলেন—তবুও তাকেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়।

তাহলে কি বিচারব্যবস্থার উপর সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক নয়?
আর শুধু আদালত নয়—
পুরো ব্যবস্থার উপরই কি প্রশ্ন তোলা উচিত নয়?

যেখানে পুলিশ কর্মকর্তারা ধর্মীয় পোশাক পরে মিছিলে অংশ নেন, যেখানে রাজনৈতিক নেতারা প্রকাশ্যে মুসলমানদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন—সেখানে মুসলমানরা কীভাবে ন্যায়বিচারের আশা করবে?

এছাড়াও প্রশ্ন রয়েছে—
কেন কিছু মানুষ বছরের পর বছর বিচার ছাড়াই জেলে থাকে?
কেন জামিন পাওয়াও কঠিন হয়ে যায়?
অথচ অন্য কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বারবার ছাড়া পেয়ে যায়?

কেজরিওয়াল যে বিষয়টি আদালতে তুলেছেন, তা একটি বড় বিতর্কের সূচনা করেছে।

এ নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত—
বিচারক নির্বাচন কীভাবে হয়?
রোস্টার সিস্টেমের ভিত্তি কী?
কোনও মামলার রায় কি আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে?

একইসাথে দেখা যাচ্ছে—
সাবরিমালা, জল্লিকাট্টু, দই-হাঁড়ি, দীপাবলির পটকা—এসব বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনেক সময় মানা হয় না।
এমনকি সুপ্রিম কোর্টের সামনে দাঁড়িয়েই প্রতিবাদ হয়—তবুও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।

বাবরি মসজিদ মামলায়ও খোলাখুলিভাবে বলা হয়েছিল যে আদালতের রায় মানা হবে না—তবুও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে—
বিশ্বাস কি ভেঙে পড়ছে না?

"সংগৃহীত"

Address

Sonarpur, Kalikapur
Kolkata

Opening Hours

Monday 9am - 5pm
Tuesday 9am - 5pm
Wednesday 9am - 5pm
Thursday 9am - 5pm
Friday 9am - 5pm

Telephone

+919830155430

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Anisur Rahaman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share