Bhuiya Legal Solution

Bhuiya Legal Solution Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bhuiya Legal Solution, Legal Service, Secretariat Road, Dhaka.

খতিয়ানে ভুল হলে করণীয় ও আইন কী বলে।প্রথমে জানতে হবে, খতিয়ান হলো জমির মালিকানা ও দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ সরকারি রেকর্ড।বাং...
17/02/2026

খতিয়ানে ভুল হলে করণীয় ও আইন কী বলে।

প্রথমে জানতে হবে, খতিয়ান হলো জমির মালিকানা ও দাগ-খতিয়ান নম্বরসহ সরকারি রেকর্ড।

বাংলাদেশে জমির রেকর্ড প্রস্তুত হয় মূলত —
State Acquisition and Tenancy Act, 1950
Land Registration Act, 1908
এর বিধান অনুযায়ী।

🔎 খতিয়ানে কী ধরনের ভুল হতে পারে?
নামের বানান ভুল
পিতার নাম ভুল
জমির পরিমাণ কম-বেশি
ভুল দাগ নম্বর
অন্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া

⚖️ করণীয় কী?
১️⃣ রাজস্ব অফিসে আবেদন
যদি ভুলটি রেকর্ড প্রস্তুতের সময় হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে লিখিত আবেদন করতে হবে।
২️⃣ রেকর্ড সংশোধন মামলা
যদি প্রশাসনিকভাবে সমাধান না হয়, তাহলে দেওয়ানি আদালতে রেকর্ড সংশোধন মামলা করা যায়।
আইন অনুযায়ী, ভুল রেকর্ড সংশোধনের জন্য দেওয়ানি আদালতে মামলা করা যায় —
Specific Relief Act, 1877
এবং দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী।

⏳ সময়সীমা
সাধারণত ভুল জানার ৩ বছরের মধ্যে মামলা করা উত্তম (তামাদি আইনের বিধান অনুসারে)।

📌 গুরুত্বপূর্ণ কথা
খতিয়ান চূড়ান্ত মালিকানার প্রমাণ নয়; এটি প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে গণ্য।
সঠিক মালিকানা নির্ধারণে দলিল, দখল ও অন্যান্য প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ।

খতিয়ানে ভুল দেখলে অবহেলা না করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
প্রয়োজনে অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

12/02/2026

যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মিথ্যা মামলা করলে কী হয়?

11/02/2026

মামা বা চাচারা যদি সম্পত্তি দিতে না চায় তবে করনিয় কি?

বাংলাদেশে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন রোধ করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ভূমি ব্যবহার ও কৃষি জমি সুরক্ষা অধ্...
27/01/2026

বাংলাদেশে অপরিকল্পিত নগরায়ন ও শিল্পায়ন রোধ করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ‘ভূমি ব্যবহার ও কৃষি জমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ প্রণয়ন করছে। এই আইনের অধীনে অনুমতি ছাড়া কৃষিজমির শ্রেণি পরিবর্তন, বাণিজ্যিক বা আবাসিক নির্মাণ দণ্ডনীয় অপরাধ এবং ফসলি জমির মাটি কাটলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
কৃষি জমি সুরক্ষা আইনের মূল দিকসমূহ:
শ্রেণি পরিবর্তন নিষিদ্ধ: সরকারি অনুমোদন ছাড়া কৃষি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না।
যেমন:
আবাদি জমি পুকুর বা বাড়ি বানানো।

অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ:
কৃষিজমিতে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প-কারখানা বা আবাসিক ভবন নির্মাণ অবৈধ, তবে নিজস্ব জমিতে ঘর বা পারিবারিক কবরস্থানের জন্য নিয়ম মেনে অনুমতি নেওয়া যেতে পারে।
মাটি কাটা অপরাধ:
ইটভাটা বা অন্য উদ্দেশ্যে আবাদি জমি বা টিলা/পাহাড়ের মাটি কাটা আইনত দণ্ডনীয়।

জোনভিত্তিক ম্যাপ:
দেশব্যাপী ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহারের জন্য সরকার জোনভিত্তিক ম্যাপ তৈরি করবে এবং কৃষি জমিকে সুরক্ষিত রাখবে।

শাস্তির বিধান:
আইন অমান্য করলে ৬ মাস থেকে ২ বছরের কারাদণ্ড এবং ১ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।

সংগ্রহীত ও পরিমার্জিত।
ছবি- ইন্টারনেট

 #স্ত্রী_কর্তৃক_স্বামীকে_তালাক  বা  #ডিভোর্স প্রদান করা যায় কোন কোন কারণে? মুসলিম আইন ও বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, ...
16/01/2026

#স্ত্রী_কর্তৃক_স্বামীকে_তালাক বা #ডিভোর্স প্রদান করা যায় কোন কোন কারণে?
মুসলিম আইন ও বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, একজন স্ত্রী প্রধানত তিনটি উপায়ে বা পরিস্থিতিতে তার স্বামীকে তালাক দিতে পারেন।

১. তালাক-এ-তৌফিজ (নিকাহনামার ১৮ নম্বর ঘর)
মুসলিম বিয়েতে স্বামী তার স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন। আমাদের দেশের প্রচলিত নিকাহনামার (কাবিননামা) ১৮ নম্বর কলামে যদি স্বামী স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার অধিকার প্রদান করেন, তবে স্ত্রী যেকোনো সময় বা কাবিননামায় উল্লিখিত শর্ত সাপেক্ষে স্বামীকে তালাক দিতে পারেন। একে 'তালাক-এ-তৌফিজ' বলা হয়।

২. আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ (১৯৩৯ সালের আইন)
যদি কাবিননামায় তালাক দেওয়ার অধিকার দেওয়া না থাকে, তবে স্ত্রী ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ চাইতে পারেন। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু কারণ থাকতে হয়:

স্বামী নিখোঁজ থাকলে: যদি ৪ বছর ধরে স্বামীর কোনো খোঁজ না পাওয়া যায়।

ভরণপোষণ না দিলে: স্বামী যদি ২ বছর যাবৎ স্ত্রীর খোরপোষ দিতে ব্যর্থ হন বা অবহেলা করেন।

কারাদণ্ড: স্বামীর যদি ৭ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য জেল হয়।

বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা: স্বামী যদি ৩ বছর যাবৎ কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন।

পুরুষত্বহীনতা: বিয়ের সময় স্বামী পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা বজায় থাকলে।

মানসিক ব্যাধি বা রোগ: স্বামী ২ বছর ধরে পাগল থাকলে অথবা মারাত্মক কোনো যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে।

অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বিয়ে: যদি ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই অভিভাবক বিয়ে দিয়ে থাকেন এবং ১৯ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই স্ত্রী সেই বিয়ে অস্বীকার করেন (যদি শারীরিক সম্পর্ক না হয়ে থাকে)।

নিষ্ঠুরতা বা নির্যাতন: স্বামী যদি শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করেন, খারাপ চরিত্রের নারীদের সাথে মেলামেশা করেন, বা স্ত্রীর সম্পত্তিতে জোরপূর্বক হস্তক্ষেপ করেন।

একাধিক বিয়ে: ১৯৬১ সালের আইন লঙ্ঘন করে স্বামী যদি অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

৩. খোলা (Khula) বা পারস্পরিক সমঝোতা
স্বামী ও স্ত্রী উভয়ে মিলে যদি মনে করেন তারা আর একসাথে থাকতে পারবেন না, তবে স্ত্রী স্বামীকে কিছু বিনিময়ের মাধ্যমে (সাধারণত মোহরানার কিছু অংশ বা পুরোটা ছেড়ে দিয়ে) বিচ্ছেদের প্রস্তাব দিতে পারেন। স্বামী রাজি হলে একে 'খোলা তালাক' বলা হয়।

06/01/2026

রেজিষ্ট্রেশন আইন সংশোধন অনুযায়ী বর্তমানে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি দান, হেবা করা যাবে; পূর্বে শুধুমাত্র বিক্রয় করা যেত।।

06/01/2026
28/10/2025

Celebrating my 4th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

  মোহরানা (দেনমোহর) স্ত্রীর অধিকার এবং এটি পরিশোধ করা স্বামীর জন্য একটি আইনগত ও ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা। যদি স্বামী মোহরানা প...
27/07/2025


মোহরানা (দেনমোহর) স্ত্রীর অধিকার এবং এটি পরিশোধ করা স্বামীর জন্য একটি আইনগত ও ধর্মীয় বাধ্যবাধকতা। যদি স্বামী মোহরানা পরিশোধ না করেন, তাহলে স্ত্রী কিছু আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

#মোহরানা_অনাদায়ে_স্ত্রীর_করণীয়:
১. #দেনমোহরের দাবি:

স্ত্রী প্রথমে স্বামীর কাছে তার দেনমোহরের জন্য দাবি জানাতে পারেন।
স্বামী যদি স্বেচ্ছায় মোহরানা পরিশোধ না করেন, তবে স্ত্রী আইনগত সহায়তা নিতে পারেন।

২. সালিশি বা মধ্যস্থতা:

পরিবার বা সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশি করে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা যেতে পারে।
উভয় পক্ষের সম্মতিতে একটি সমাধানে আসার চেষ্টা করা যেতে পারে।

৩. আইনগত নোটিশ:

স্ত্রী একজন আইনজীবীর মাধ্যমে স্বামীকে একটি আইনি নোটিশ পাঠাতে পারেন।
নোটিশে দেনমোহরের পরিমাণ, পরিশোধের সময়সীমা এবং অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে উল্লেখ করা যেতে পারে।

৪. আদালতে মামলা:

স্বামী যদি নোটিশের পরেও দেনমোহর পরিশোধ না করেন, তবে স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
এই ক্ষেত্রে, স্ত্রীর উকিল আদালতের মাধ্যমে স্বামীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য আবেদন করতে পারেন।
মুসলিম পারিবারিক আইন অনুসারে, দেনমোহর আদায়ের জন্য মামলা করার নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।

৫. #মুসলিম #পারিবারিক #আদালত:

দেনমোহর আদায়ের জন্য মুসলিম পারিবারিক আদালতে মামলা করতে হবে।
এই আদালত দেনমোহর পরিশোধের জন্য স্বামীর উপর আদেশ দিতে পারেন।
আদালত প্রয়োজনে স্বামীর বেতন থেকেও কিছু অংশ কেটে স্ত্রীর দেনমোহর পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।

৬. অন্যান্য আইনি সহায়তা:

প্রয়োজনে, স্ত্রী জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতিসহ অন্যান্য মহিলা সহায়তা সংস্থা থেকেও আইনি সহায়তা নিতে পারেন।

#মোহরানা_পরিশোধ_না_করার_শাস্তি:
দেনমোহ পরিশোধ না করা একটি অপরাধ এবং এর জন্য স্বামী শাস্তির সম্মুখীন হতে পারেন।
মুসলিম পারিবারিক আইন অনুসারে, দেনমোহর পরিশোধ না করলে স্বামীর এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
এছাড়াও, দেনমোহর পরিশোধ না করা পর্যন্ত স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য থাকবেন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

মোহরানা স্ত্রীর অধিকার এবং এটি পরিশোধ করা স্বামীর জন্য একটি আবশ্যিক কর্তব্য।

মোহরানা আদায়ের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে, একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা উত্তম।

জমির দলিল আছে দখল নাই। তাহলে করণীয় কী?আপনার কাছে জমির দলিল আছে, খতিয়ান আছে কিন্তু জমিটি ভোগ করতেছে অন্য কেউ। এ ক্ষেত্রে ...
29/07/2023

জমির দলিল আছে দখল নাই। তাহলে করণীয় কী?

আপনার কাছে জমির দলিল আছে, খতিয়ান আছে কিন্তু জমিটি ভোগ করতেছে অন্য কেউ। এ ক্ষেত্রে আপনি কী করবেন? এক্ষেত্রে আপনি কি জোর খাটিয়ে থানা পুলিশের মাধ্যমে জমির দখলে যাবেন নাকি আদালতে যাবেন; বুঝতে পারেন না। কোনটি করলে আপনি আপনার জমি ফেরত পাবেন?

👉প্রথমে দেখি আপনি আপনার জমি থেকে কী কী কারণে বেদখল হতে পারেন?

✏️প্রভাবশালী মহল কতৃক জোরপূর্বক বেদখল,

🖍️বেদখল হওয়ার সময় নাবালক ছিলেন,

🖍️অন্যান্ন মালিকেরা আপনার অংশ সহ বিক্রি করে দিয়েছে,

🖍️ওয়ারিশ হিসেবে আপনার ভাগ আপনি পাননি,

🖍️জমির মালিক জমি বিক্রি করার পর পুনরায় অন্য কাউকে বিক্রি করেছেন এবং সে ব্যক্তিই এখন দখলে আছেন

👉👉দখল উদ্ধারে যে আইনগুলি সম্পর্কিত:👈👈

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮; ধারাসমূহ: ১৪৪, ১৪৫
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭; ধারাসমূহ: ৮, ৯, ৪২
তামাদি আইন, ১৯০৮; ধারাসমূহ: ৫, ৮, ২৮

সাধারণত ভুক্তভোগী যেখানে প্রতিকার চাইতে পারে

১. এলাকার বা মহল্লার মাতব্বর বা সভাপতি, মেম্বার-চেয়ারম্যান বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি:
এভাবে সালিশ বসিয়ে বিরোধের সমাধান করতে পারলে ভালো, তবে ঘুষের লেনদেন না করা উচিত। কারণ সালিশের সিদ্ধান্ত আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় শুধু দু পক্ষ মেনে নিলেই এর গ্রহণযোগ্যতা থাকে। আর সালিশের মাধ্যমে সমাধান করতে গিয়ে যেন কোনভাবেই কাল ক্ষেপন না করেন। বিশেষ করে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে সমাধান করা ভালো।কারণ কালক্ষেপন করার ফলে আপনি অনেক আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
দুষ্ট পক্ষের সালিশের নামে ষড়যন্ত্র ও করতে পারে যাতে করে কালক্ষেপন করে আপনার আইনি প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত করতে পারে।

২. থানা:
জমিজমার মালিকানা বা বিরোধ বিষয়ে থানা পুলিশের কোন ভূমিকা বা সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা নেই। যদিও থানায় বসে কেউ কেউ জমি বিরোধের নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে ঘুষের লেনদেন থেকে বিরত থাকা উচিত কেননা থানার সিদ্ধান্ত দেয়ার কোন ক্ষমতা নেই যে কারণে এটি অমান্য করলে থানার কিছু করার থাকেনা। জমি বিরোধের ক্ষেত্রে পুলিশ আনুষঙ্গিক ভূমিকা পালন করে, আইন অনুযায়ী আদালতের নির্দেশ পালনে কাজ করে কিন্তু প্রত্যক্ষ ভাবে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই। জমির মালিকানা ইস্যুতে একমাত্র দেওয়ানি আদালতকে একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। কিন্তু জমি নিয়ে বিরোধের ফলে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি হলে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পুলিশ দায়িত্ব পালন করে।

৩. ফৌজদারি আদালত:
বেদখল হওয়ার প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় মামলা করা। আইনি প্রতিকার পার্টটি দেখুন।

৪. দেওয়ানি আদালত:
এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে মামলা করা। আইনি প্রতিকার পার্টটি দেখুন।

👉👉👉এবার দেখি জমি থেকে বেদখল হলে আইন কী কী সুরক্ষা দেয়? তামাদি মেয়াদ অনুসারে আলোচনা।

১. বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রতিকার: এটি একমাত্র ফৌজদারি প্রতিকার। এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তৎক্ষণাৎ প্রতিকার। মামলার সিদ্ধান্ত দ্রুততার সাথে নেয়া হয়। দেওয়ানি মামলার মতো দীর্ঘসূত্রিতা নাই। ফৌজদারি কার্যবিধি,
১৪৫ ধারা বলে জমি থেকে বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে
প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ মামলা করা হয়। এক্ষেত্রে একই আইনের ১৪৪ ধারা ও সংযুক্ত করা যায়। উক্ত আদালতে ১৪৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করার পর তিনি অভিযোগ টি আমলে নিলে অভিযুক্ত পক্ষকে একটি নোটিশ দিবেন। নোটিশে স্থান ও তারিখ উল্লেখ করে হাজির হয়ে বক্তব্য পেশ করার জন্য বলবেন। এছাড়া তিনি পুলিশকে দখল বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। এটি একটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কতৃক ফৌজদারি প্রতিকার। "যিনি দখলে আছেন তিনিই দখলে থাকবেন" এই নীতি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ এ আদালতে জমির প্রকৃত মালিকানা কার যাচাই করা হয় না। শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ দখলে কে ছিল তা তদন্ত করে দেখা হয়। তাই শান্তিপূর্ণ দখলদার ব্যক্তি জমির প্রকৃত মালিকানা না হলেও তিনি এই প্রতিকার পাবেন অর্থাৎ তিনি দখল ফেরত পাবেন। এসময় প্রকৃত মালিকের প্রতিকার হলো দেওয়ানি আদালতে মামলা করা। আর প্রকৃত মালিক ও যদি অন্য কারো দ্বারা বেদখল হন তিনিও এই প্রতিকার পাবেন। এটিতে মামলার খরচাপাতি দেওয়ানি মামলা থেকে অনেক কম এবং সময় সাশ্রয়ী। তাই বেদখল হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব এই ব্যবস্থা নিলে মামলার খরচ থেকে বেঁচে যায়।

২. বেদখল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ২ মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে এ পদক্ষেপ নেয়া যায়। অবশ্য ৬ মাসের মধ্যে এ পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি একটি দেওয়ানি প্রতিকার। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মোতাবেক এই প্রতিকার প্রদান করা হয়। এজন্য দেওয়ানি আদালতে দখল উচ্ছেদের মামলা করতে হবে। এ মামলায় ১৪৫ ধারার মতো মালিকানা কার যাচাই করা হয় না। শুধু প্রকৃত দখল কার ছিল সেটিই প্রমাণ করা হয়। তাই মালিকানা বিষয়ক প্রমাণাদি এ মামলায় তেমন গুরুত্ব বহন করেনা। যিনি প্রমান করতে পারবেন, তিনি শান্তিপূর্ণ দখলে ছিলেন, অপরপক্ষ বেআইনি ভাবে অনুপ্রবেশ করে তাকে বেদখল করেছেন। তাকেই আদালত দখল ফেরত পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। এই মামলার খরচ দেওয়ানি আদালতের চেয়ে কম অর্থাৎ মামলার মূল্যমানের উপর এডভোলারাম কোর্ট ফি এর অর্ধেক। এ মামলায় প্রকৃত মালিক যদি তার জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তার করণীয় হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা ও ৪২ ধারায় মামলা করা।

হবে।

৪. বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে আইনি প্রতিকার পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত দাখিল করে আদালত উক্তরূপ মামলা করা যায়। এক্ষেত্রে ১২ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার কারণ সমূহ আদালতের কাছে ব্যাখ্যা করতে হয়।

উপরিউক্ত তামাদি সময়সীমা নাবালক ও ওয়ারিশের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম আছে।

৪. বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে আইনি প্রতিকার পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত দাখিল করে আদালত উক্তরূপ মামলা করা যায়। এক্ষেত্রে ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়।

অর্থ আইন ২০২৩ অনুযায়ী ২০২৩-২০২৪ কর বছর থেকে যাদের বেতন ১৬০০০ হাজার টাকার উধেব। এরূপ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার  MPO  ভুক্তদ...
24/07/2023

অর্থ আইন ২০২৩ অনুযায়ী ২০২৩-২০২৪ কর বছর থেকে যাদের বেতন ১৬০০০ হাজার টাকার উধেব। এরূপ স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার MPO ভুক্তদের বেতন ভাতাদি পরিশোধ কালে আয়কর Proof of Submission of return জমা করতে হবে, অন্যথায় বেতন ভাতাদি পরিশোধ সম্ভব নয়।

 Chamber
24/07/2023

Chamber

Address

Secretariat Road
Dhaka
1000

Telephone

+8801907644602

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhuiya Legal Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bhuiya Legal Solution:

Share

Category