Advocate Rafik Sikder & Associates

Advocate Rafik Sikder & Associates Sikder Associates is dedicated to empowering your voice & vision. Visit our website :
rafikulislamsikder.websites.co.in
or , massage us to learn more.

Whether you need, we're here to guide you every step of the way to your social growth and development.

ছবির লোকটাকে কি চিনতে পারছেন?
21/05/2025

ছবির লোকটাকে কি চিনতে পারছেন?

We Are One Forever...
21/05/2025

We Are One Forever...

আজকে একটা ঘটনা ঘটেছে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ হাইস্পীড ট্রেনে করে বেইজিং থেকে গুয়াংজু আসছিলাম। দূরত্ব প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। ...
30/11/2024

আজকে একটা ঘটনা ঘটেছে। পৃথিবীর সর্বোচ্চ হাইস্পীড ট্রেনে করে বেইজিং থেকে গুয়াংজু আসছিলাম। দূরত্ব প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার। সাড়ে ৭ ঘন্টার জার্নি।

আমার পাশের সিটে বসেছে একটা চাইনিজ মেয়ে। ট্রেন চলছে দূর্বার গতিতে। হঠাৎ মেয়েটা কি যেন খোজা আরম্ভ করলো। খুজতে খুজতে পুরাই তোলপার। সিট উল্টে, ফ্লোরে শুয়ে খুজতে থাকল। বুঝলাম গুরুত্বপূর্ণ কিছু হারিয়েছে।

আমাকে প্যাং পং করে কি যেন জিজ্ঞেস করল। চাইনিজরা ইংলিশ জানেনা। একদম ওয়ান টু পর্যন্ত জানে না।

তো মোবাইলে ট্রান্সলেটর ওপেন করে জিজ্ঞেস করলাম কি খুজছো? বলে ইয়ারফোন। মনে মনে গালি দিলাম। ফকিন্নির ফকিন্নি, একটা ইয়ারফোন এভাবে খুঁজতে হয়! আমি সিট ছেড়ে দাড়িয়ে গেলাম, সে খুজছে।

আমি ওয়াশরুমে চলে গেলাম। ওয়াশরুম থেকে বেড়িয়ে দেখি দরজার সামনে পুলিশ দাড়িয়ে আছে। আমাকে প্যং পং করে কি যেন জিজ্ঞেস করছে। ট্রান্সলেটর দিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, টিকেট দেখাব? সে বলল না।

অমনি মেয়েটা দেখি দৌড়ে এদিকে আসছে। পুলিশকে বলছে, "ছেড়ে দেন ওসি সাহেব ছেড়ে দেন। ও গরীব হতে পারে, কিন্তু চোর না সে আমার ইয়ারফোন চুরি করেনি। এই যে ইয়ারফোন পেয়েছি।"

ততক্ষনে আমার মেজাজ তুঙ্গে। একটা ইয়ারফোনের জন্য পুলিশকে জানাতে হয়! মানে তোদের দেশেই ইয়ারফোন তৈরি হয়, সারা দুনিয়াতে এক্সপোর্ট করস। মানে সিরিয়াসলি!!!

সিটে গিয়ে অন্য দিকে তাকিয়ে বসে রইলাম। প্রেস্টিজে গভীরে লাগসে বিষয়টা। জীবনের কলঙ্কজনক অধ্যায়।

কিছুক্ষন পর আমাকে ডেকে ফোনটা দেখালো। ট্রান্সলেটরে লিখা, তোমাকে বিব্রত করার জন্য আমি দু:খিত।

যাক কিছুটা রক্ষা।এরপর আমাকে ব্যগ থেকে বিস্কুট টাইপ কিছু একটা দিলো। বলল, এটা আমাদের অঞ্চলের খুবই জনপ্রিয় খাবার। তোমাকে দিলাম।

এবার ঠিক আছে। শান্তি শান্তি লাগছে। ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিক, চিরদিনই তুমি যে আমার। যুগে যুগে আমি তোমারই 😛

এরপর দেখি পাশের সিটের চাইনিজ ছেলেটাকেও বিস্কুট দিয়ে ক্ষমা চাইলো। পুলিশ দিয়ে ওই ছেলের বডি পর্যন্ত চেক করিয়েছে। আমি ওয়াশরুমে থাকায় চেক করতে পারেনি। ভাই, আমি ভিনদেশী মানুষ ঠিক আছে, তাই বলে নিজের দেশী ভাইকে চোর ভাববি!

একটু পর ট্রেন থামলো। জাংজুডং স্টেশনে মেয়েটা নেমে গেলো।

চাইনিজরা এমনিতে খুব ভালো। অনেক হেল্পফুল। ভাষা বুঝে না, কিন্তু যথেষ্ট ট্রাই করে। বিরক্ত হয় না।

এবার পাশে বসলো এক কানাডিয়ান ভদ্রলোক। সাথে তার মেয়ে। জীবন গতিময়। ট্রেন ৩৫০ কিমি গতিতে আবার ছুটতে আরম্ভ করল।

ভদ্রলোক চাইনিজ। কিন্তু ২০ বছর আগে দেশ ছেড়ে কানাডায় পাড়ি জমিয়েছিল। কানাডার নাগরিকত্ব নিতে গিয়ে চায়নার নাগরিকত্ব হারিয়েছে। এখন আবার দেশে ফিরে এসে নাগরিকত্ব নেয়ার ট্রাই করছে। কারণ কানাডার অপার স্বাধীনতায় মেয়েকে মানুষ করতে পারছিলো না।

হোমওয়ার্ক না করলে কিছু বলা যায় না। স্কুলে টিচাররা শাসন করে না। তাই চায়নায় ফিরে মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছে।

কানাডায় ব্যাংকার হিসেবে কাজ করতো। এখন চায়নায় ইংরেজী বিষয়ের শিক্ষক।

এই প্রথম কোন চাইনিজের সাথে মন খুলে কথা বললাম। পুরো জার্নিতে অনেক্ষন আড্ডা হলো। কেউ একটু ইংরেজী বলতে পারলেই কেমন আপন আপন লাগে। বাংলাদেশকে ভালোই চিনে।

জিজ্ঞেস করলো, তোমাদের দেশে হাইস্পীড ট্রেন আছে?

মনে মনে বললাম, আমাদের ট্রেনের যে স্পীড, রকেটেরও এতো স্পীড নাই। আর টেসলা ছাড়াতো আমরা চড়িই না।

আমাকে উইচ্যাটে এড করলো। বলল, যদি বিজনেস করতে চাও আমাকে নক দিও। এখানে অনেক চীপ প্রাইসে ইলেক্ট্রনিকস পাবা। দেশে নিয়ে বিক্রি করবা।

লোকটার জ্ঞানের গভীরতা অনেক। ইলন মাস্ক থেকে শুরু করে ট্রাম্প, আমেরিকা, রাশিয়া অনেক বিষয়ে কথা হলো।

বলল, আমরা থ্রি ডাইমেনশন দেখি। কিন্তু ফোর্থ বা ফিফথ ডাইমেনশনও থাকতে পারে যা আমরা অনুধাবন করতে পারি না। সেখানে সৃষ্টিকর্তা অনেক কিছু আড়াল করে রেখেছেন হয়তো।

সর্বশেষ একটা কথা বলল, ভবিষ্যতে রিলিজিয়াস পার্সনরাই টিকে থাকবে। চায়না গত ২০ বছরে আশংকাজনক হারে জনসংখ্যা কমছে। সবাই নিজের লাইফ উপভোগ করতে চায়। কিন্তু রিলিজিয়াসরা একটা নিয়মের মধ্যে চলে।

তবে শিক্ষা ছাড়া রিলিজিয়াস ভয়ংকর। ডাক্তার ছুড়ি দিয়ে মানুষের পেট কেটে জীবন বাঁচায়, আবার টেরোরিস্ট ছুড়ি দিয়ে মানুষ মারে। রিলিজিয়নটা হলো ছুড়ির মতো। এডুকেশন থাকলে এই ছুড়ি দিয়ে তুমি মানুষকে হেল্প করবা। এডুকেশন না থাকলে ধর্মান্ধ হয়ে মানুষের ক্ষতি করবা।

-

চায়ের কাপে বিস্কুট ডুবিয়ে খাওয়ার সময় হঠাৎ মাথায় আসলো যে এই চা চীনা শব্দ। আবার বিস্কুট ফরাসি শব্দ। বিস্কুটের সাথে থাকা চা...
29/11/2024

চায়ের কাপে বিস্কুট ডুবিয়ে খাওয়ার সময় হঠাৎ মাথায় আসলো যে এই চা চীনা শব্দ। আবার বিস্কুট ফরাসি শব্দ। বিস্কুটের সাথে থাকা চানাচুর হিন্দি। চায়ে যে চিনি ও পানি থাকে সেখানে চিনি চীনা অথচ পানি হিন্দি শব্দ। আবার চা ভর্তি পেয়ালাটা ফারসি কিন্তু কাপটা ইংরেজি শব্দ। এদিকে ইংরেজি শব্দটাই আবার পর্তুগিজ।😫🤪

চা চীনা হলেও কফি কিন্তু তুর্কি শব্দ। আবার কেক পাউরুটির কেক ইংরেজি, পাউরুটি পর্তুগীজ। 😃😄

একটু দামী খানাপিনায় যাই। আগেই বলে রাখি, খানাপিনা হিন্দী আর দাম গ্রীক। রেস্তোরাঁ বা ব্যুফেতে গিয়ে পিৎজা, বার্গার বা চকোলেট অর্ডার দেয়ার সময় কখনো কি খেয়াল করেছেন, রেস্তোরা আর ব্যুফে দুইটাই ফরাসী ভাষার, সাথে পিৎজাও। পিৎজাতে দেয়া মশলাটা আরবি। মশলাতে দেয়া মরিচটা ফারসি! 😵😖

বার্গার কিংবা চপ দুটোই আবার ইংরেজি। কিন্তু চকোলেট আবার মেক্সিকান শব্দ। অর্ডারটা ইংরেজি। যে মেন্যু থেকে অর্ডার করছেন সেটা আবার ফরাসী।
ম্যানেজারকে নগদে টাকা দেয়ার সময় মাথায় রাখবেন, নগদ আরবি, আর ম্যানেজার ইতালিয়ান।
আর যদি দারোয়ান কে বকশিস দেন, দারোয়ান ও তার বকশিস দুটোই ফারসি।
😂🤓
এবার চলুন বাজারে, সবজি ফলমূল কিনতে। বাজারটা ফারসি, সবজিও। যে রাস্তা দিয়ে চলছেন সেটাও ফারসি। ফলমূলে আনারস পর্তুগিজ, আতা কিংবা বাতাবিলেবুও। লিচুটা আবার চীনা, তরমুজটা ফারসি, লেবুটা তুর্কী। পেয়ারা-কামরাঙা দুইটাই পর্তুগীজ। পেয়ারার রঙ সবুজটা কিন্তু ফারসি। 😃😛

ওজন করে আসল দাম দেয়ার সময় মাথায় রাখবেন ওজনটা আরবি, আসল শব্দটাও আসলে আরবি। তবে দাম কিন্তু গ্রীক, আগেই বলেছি।🤣😂

ধর্মকর্মেও একই অবস্থা। মসজিদ আরবি দরগাহ/ঈদগাহ ফারসি। গীর্জা কিন্তু পর্তুগীজ, সাথে গীর্জার পাদ্রীও। যিশু নিজেই পর্তুগীজ। কেয়াং এদিকে বর্মিজ, সাথে প্যাগোডা শব্দটা জাপানি। আর, মন্দিরের ঠাকুর হলেন তুর্কী। 😲😵

আর কি বাকি আছে? ও হ্যাঁ। কর্মস্থল! অফিস আদালতে বাবা, স্কুল কলেজে কিন্ডারগার্টেনে সন্তান। বাবা নিজে কিন্তু তুর্কী, যে অফিসে বসে আছেন সেটা ইংরেজি, তবে আদালত আরবি, আদালতের আইন ফারসি, তবে উকিল আরবি।🤩😃

ছেলে যে স্কুলে বা কলেজে পড়ে সেটা ইংরেজি, কিন্তু কিন্ডারগার্টেন আবার জার্মান! 🤠😃

স্কুলে পড়ানো বই কেতাব দুইটাই আরবি শব্দ। যে কাগজে এত পড়াশোনা সেটা ফারসি। তবে কলমটা আবার আরবি। রাবার পেনসিল কিন্তু আবার ইংরেজি!😲🤪

পুরোটা মনে না থাকলে অন্তত এটা মনে রাখবেন যে মন শব্দটা আরবি।🙏 ❤

শব্দের কেচ্ছা-কাহিনী এখানেই খতম। তবে কেচ্ছাটা আরবি, কাহিনীটা হিন্দি, উভয়ের খতমটা আরবিতে। মাফ চাইলাম না বা সরি বললাম না, কারণ মাফটা আরবি আর সরিটা ইংরেজি।

(সংগৃহীত)

゚viralシ

17/07/2020

" দাদা আমি সাতেপাঁচে থাকিনা .... ...."

ওপার বাংলার কবি রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh) এর অনবদ্য এক কবিতা। তার চেয়েও অনবদ্য এই শিশুটির আবৃত্তি। বিশুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ, নিখুঁত অভিনয়শৈলী, চমৎকার বাচনভঙ্গী এবং বিরাম চিহ্নের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিরতির শৈল্পিকতার সাথে প্রকৃতির মতো সরলতা, স্নিগ্ধতা ও মুগ্ধতা ছড়ানো শিশু ছেলেটির কোমল ও নিষ্পাপ মুখাবয়ব অথচ আবৃত্তিতে একেবারে পরিপক্কতা আর মুন্সীয়ানার ছাপ সুস্পষ্ট। কবিকে অনুকরণ করতে গিয়ে কবি ও কবিতা দুটোকেই নিপুণভাবে ধারণ করতে সক্ষম হয়েছে- এই বিস্ময় শিশু প্রতিভা।

একবার শুনেই দেখুন, কি অনবদ্য কবিতার ভাষা এবং বিস্ময় বালকের আবৃত্তি প্রতিভার খানিক ঝলকঃ

আগামী ৬ মার্চ, ২০১৯ ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য গাজীপুর জেলা আইনজীবি সমিতির দ্বি-বার্ষিক (২০১৯-২০২০) নির্বাচনে আইনাঙ্গনের সুষ্...
28/02/2019

আগামী ৬ মার্চ, ২০১৯ ইং তারিখে অনুষ্ঠিতব্য গাজীপুর জেলা আইনজীবি সমিতির দ্বি-বার্ষিক (২০১৯-২০২০) নির্বাচনে আইনাঙ্গনের সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ সুনিশ্চিতপূর্বক বিজ্ঞ আইনজীবি সমাজের বিবিধ ন্যায়সঙ্গত এবং যৌক্তিক দাবী-দাওয়া আদায়ে সদা সোচ্চার, সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সুনিশ্চিত করার সংগ্রামে অবিচল, বিচার বিভাগসহ দেশের সর্বত্র ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন সুপ্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার আস্থা ও আশীর্বাদপুষ্ট, বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবি মোঃ সিদ্দীকুর রহমান - মোঃ মনজুর মোর্শেদ প্রিন্স স্যার এর নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদি ঐক্য পরিষদ ও নীল প্যানেল এর পক্ষে গাজীপুর জেলা বারের বিজ্ঞ সিনিয়র ও জুনিয়র আইনজীবিগণসহ আইনাঙ্গনের পরিচিত সকল ভাই-বোন, বন্ধু, শিক্ষানবিস এবং সহকর্মীগণের নিকট সবিনয়ে আপনাদের দোয়া, সমর্থন এবং মূল্যবান ভোট প্রার্থনা করছি।

বিনয়াবনত,
মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম সিকদার (১১৯৯)
সদস্য পদপ্রার্থী
ব্যালট নম্বর- (১৬)

 #একজন দোষী চালকের রায় দিতে গিয়ে একজন বিচারপতির স্মৃতি চারন লেখা!! ১৯৮৪ সালের ঘটনা। একদিন চেম্বারে এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম ...
04/08/2018

#একজন দোষী চালকের রায় দিতে গিয়ে
একজন বিচারপতির স্মৃতি চারন লেখা!!

১৯৮৪ সালের ঘটনা। একদিন চেম্বারে এসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেবার পর এজলাসে উঠার জন্য মনে মনে প্রস্তুতি নিচ্ছি কিন্তু পেশকার তখনও কোর্টের কজলিস্ট ও ডাইরিতে সই নেবার জন্য চেম্বারে আসেনি। বিলম্ব দেখে এজলাস পিয়নকে জিজ্ঞেস করতেই, সে বলল- আজ তো খুলনায় হরতাল ডেকেছে তাই বাস চলাচল বন্ধ। পেশকার ত বাসে চড়ে অফিসে আসে তাই আসতে দেরি হচ্ছে।
আমি জানতে চাইলাম কী কারণে আজ হরতাল ডেকেছে?উত্তরে সে বলল- আপনি যে স্যার গতকাল এক ড্রাইভারকে সাত বছর জেল দিয়েছেন সে জন্যই পরিবহন শ্রমিকেরা আজ হরতাল ডেকেছে। বিষয়টি শুনে আমি থ বনে গেলাম। বিচার শেষে রায় দিয়েছি আর সেই রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল! আমি যেন বিষয়টি মেনে নিতে পারছিলাম না। মামলার ঘটনার কথা মনে পড়ল। ঘটনার দিন দু’জন লোক রাস্তার পাশে বলে গল্প করছিল ঐ সময় ঘাতক বাসটি অপর একটি বাসকে ওভারটেক করার সময় ঐ দু’জন লোকের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয় ফলো ঘটনাস্থলে একজন লোক মারা যায়। এ মামলাটি সাক্ষ্য প্রমাণে সুপ্রমাণিত হলে আমি একমাত্র ড্রাইভার আসামিকে দন্ডবিধির ৩০৪ বি ধারামতে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদন্ড দেই। তার পরের দিনই ড্রাইভারকে জেল দেবার প্রতিবাদে হরতাল ডাকা হয়।বিষয়টি এখানেই শেষ নয়, আরও বিস্ময়ের পর্বতমালা অপেক্ষা করছিল। পরিবহন শ্রমিক নেতাদের দাবি ছিল দুর্ঘটনাজনিত কারণে কারও মৃত্যু হলেও ড্রাইভারকে জেল দেওয়া যাবে না। যেহেতু আমার প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলন সেহেতু আমি সংবাদপত্রে প্রকাশিত তাদের কর্মসূচির প্রতি দৃষ্টি রাখতাম। এরপর তারা ড্রাইভারকে প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে একদিন খুলনা বিভাগের সকল জেলায় ধর্মঘট পালন করে। সরকারের কাছ থেকে কোন সাড়া না পেয়ে কিছুদিন পর পরিবহন শ্রমিকেরা সারাদেশব্যাপী হরতাল পালন করে যোগাযোগের ক্ষেত্রে অচলাবস্থা সৃষ্টি করে। শ্রমিক নেতারা হুমকি দেয়, যদি তাদের দাবি মানা না হয় তবে তারা পুনরায় হরতাল ডেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশকে অচল করে দেবে। এবার হুমকিতে কাজ হল। পত্রিকায় দেখলাম মন্ত্রী পর্যায়ের নেতাদের সাথে পরিবহন শ্রমিক নেতারা যৌথ সভা করে শ্রমিক নেতাদের আংশিক দাবি সরকার মেনে নিল।
যানবাহন চালকদের অবহেলা বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ফলে কারও মৃত্যু ঘটলে চালকের ঐরূপ কাজকে দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করে দন্ডবিধির ৩০৪ বি ধারাটি প্রণীত হয়। ১৯৮২ সনের ১০নং অধ্যাদেশ দ্বারা এই ধারাটি সন্নিবেশিত হয়। তখন এরূপ নরহত্যার অপরাধের সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদন্ডের বিধান ছিল।পরিবহন চালকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৪ সনের ২১ নং অধ্যাদেশ দ্বারা শাস্তির পরিমাণ ১৪ বছর এর স্থলে ৭ বছর কারাদন্ড করা হয়। আলোচ্য মামলাটি যখন রায় প্রদান করা হয় তখন ৩০৪ বি ধারায় সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ৭ বছর কারাদন্ড এবং অপরাধটি ছিল অজামিনযোগ্য। কিন্তু ১৯৮৫ সনে পরিবহন শ্রমিকদের হুমকির মুখে তৎকালীন সরকার বাধ্য হয়ে ৪৮নং অধ্যাদেশ দ্বারা ৩০৪ বি ধারাটি সংশোধন করে সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদন্ডের স্থলে ৩ বছর কারাদন্ড করা হয় এবং অপরাধটিকে জামিনযোগ্য করা হয়।সেদিন থেকেই বেপরোয়া গাড়ি চালানোর শাস্তি সংক্রান্ত ৩০৪ বি ধারটি হল দন্তহীন আইন। আইনের বিধান হল জামিনযোগ্য অপরাধে কোন ব্যক্তি অভিযুক্ত হলে জামিনে মুক্তি পাওয়া তার অধিকার, এটা আদালতের করুণা নয়। কাজেই গাড়ি চালকের অবহেলা বা বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য কারও মৃত্যু ঘটলে গাড়ি চালক মনে করেন তিনি কোন অপরাধ করেননি, যা হয়েছে তা একটা অ্যাকসিডেন্ট মাত্র। তিনি ম্যাজিস্ট্রেট ঢুকামাত্র জামিনে মুক্তি পান, আর ভিক্টিমের স্বজনেরা ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকেন।

সূত্র: বিচারক জীবনের কিছু স্মৃতিকথা; বিচারপতি এ.টি.এম. ফজলে কবীর; পৃষ্ঠা: ৫১-৫৩।

Address

Gani Mia Road (Tista Gate)
Tongi

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 19:00 - 22:00
Wednesday 19:00 - 22:00
Thursday 19:00 - 22:00
Friday 17:00 - 23:00

Telephone

01911554315

Website

http://adrafikulislamsikder.link/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Rafik Sikder & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Rafik Sikder & Associates:

Share