Advocate Fahmida Sultana Shorna

Advocate Fahmida Sultana Shorna Advocate,
Supreme Court of Bangladesh &
Judges' Court, Sylhet. Criminal, civil and Income Tax lawyer

16/03/2026

ঈদ এর ছুটির পূর্বে আজকে শেষ কোর্ট ছিল, পরিবারের সাথে ঈদ করতে পারা কতটুকু সুভাগ্যের তা এই মানুষ গুলাকে দেখলে বোঝা যায়। সবার ঈদ ভাল কাটুক অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা রইলো 🌙💐

Had a great session today Alhamdulilla🤲🏻 I believe that there is no limit of learning 📚
13/03/2026

Had a great session today Alhamdulilla🤲🏻 I believe that there is no limit of learning 📚

05/03/2026
মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যেন এই জীবনের অন্যতম সেরা উপহার, আমার এই প্রফেশন এর প্রথম হিন্দু বিয়ে রেজিস্টার করার অভিজ্ঞ ছিল...
05/03/2026

মানুষের ভালোবাসা পাওয়া যেন এই জীবনের অন্যতম সেরা উপহার, আমার এই প্রফেশন এর প্রথম হিন্দু বিয়ে রেজিস্টার করার অভিজ্ঞ ছিলো অন্যরকম, একটা পতুল বউ আর একটা হাসি খুশি বর। এই ভালোবাসার মানুষ ২ টা আজকে আমাকে আমার লাইফ এর অনেক ভাল একটা মুহূর্ত উপহার দিয়েছে 🙏🏼 এইটা প্রকাশের ভাষা আমার নেই, নাম প্রকাশ করতে পারছি না,কিন্তু আমি চাই আমার নিউজফিড এ প্রত্যেক বছর এই দিনটা আমার মেমরি তে আসুক ❤️

Alhamdulilla Join today as a penal lawyer of District Legal Aid Sylhet. In Shaa Allah may Allah give me the ability to w...
04/03/2026

Alhamdulilla
Join today as a penal lawyer of District Legal Aid Sylhet. In Shaa Allah may Allah give me the ability to work for justice 🤲🏻

বিয়ের ২৯ বছর পর স্ত্রীর ভরণপোষণ এবং মোহরানা দাবি, ৩ মেয়ে সন্তান হওয়ার পর ২০১৭ সালে পুনরায় বিয়ে করেন তারপর থেকে প্রথ...
25/02/2026

বিয়ের ২৯ বছর পর স্ত্রীর ভরণপোষণ এবং মোহরানা দাবি, ৩ মেয়ে সন্তান হওয়ার পর ২০১৭ সালে পুনরায় বিয়ে করেন তারপর থেকে প্রথম স্ত্রী সন্তান এর আর কোনো খোঁজ খবর রাখেননি !!

স্বামী অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। শাস্তি মাত্র ১ বছরের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড। অনেকেই প...
24/02/2026

স্বামী অনুমতি না নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। শাস্তি মাত্র ১ বছরের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড। অনেকেই প্রশ্ন তুলেন শাস্তি এতো কম কেন? অন্যদিকে, অনেকেই আবার জানেন, দ্বিতীয় বিয়ের জন্য দণ্ডবিধিতে ৭ বছর পর্যন্ত জেলের বিধান আছে।

এই দুই ধরনের শাস্তির বিধান শুনে অনেকে বিভ্রান্ত হন। স্বামীকে যদি সামান্য ১ বছর জেলের ঝুঁকি নিতে হয়, তবে অনেকে সেই ভুল বারবার করার সাহস পায়। কিন্তু কেন এই দুই আইনের শাস্তিতে এত বড় পার্থক্য? স্বামী কি কেবল ১ বছরের সাজার ঝুঁকি নিচ্ছেন, নাকি তিনি আরও বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন?

এই আইনি জটিলতা বহু নির্যাতিত নারীকে সঠিক আইনি পথ নিতে দ্বিধায় ফেলে দেয়। মুসলিম পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে কোন আইন প্রযোজ্য হবে এবং কখন তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা যেতে পারে- এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি স্পষ্ট করে জেনে নেওয়া যাক।

আইনগত ব্যাখ্যা: দুই আইনের পার্থক্য ও প্রয়োগ
বাংলাদেশে দ্বী-বিবাহ বা বহুবিবাহের জন্য মূলত দুটি আইন রয়েছে: মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এবং দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪৯৪ ও ৪৯৫ ধারা।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ধারা ৬):
প্রয়োগক্ষেত্র: এটি প্রধানত মুসলিম পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য, যখন তারা সালিশি পরিষদের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এই আইনে অনুমতি ব্যতিত বিবাহকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়।

শাস্তি: এই আইনে, শাস্তি হলো এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (ধারা ৪৯৪/৪৯৫):
প্রয়োগক্ষেত্র: এই আইনটি সাধারণত অমুসলিমদের (যেমন: হিন্দু, খ্রিস্টান) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাদের নিজ নিজ ব্যক্তিগত আইনে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ। ( প্রথাগত হিন্দু আইনে বহুবিবাহ নিষিদ্ধ বা নিরুৎসাহিত, তবে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি প্রতাকার পাওয়া সহজ নয়) ( বৌদ্ধদের ব্যাপারেও একই বিধান প্রযোজ্য।

মুসলিমদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ: মুসলিম পুরুষদের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি ৪৯৪/৪৯৫ ধারা তখনই প্রযোজ্য হতে পারে, যখন-
চারটির বেশি বিবাহ: কোনো মুসলিম পুরুষ যখন চারটির (চার স্ত্রী বর্তমান থাকা অবস্থায়) বেশি বিবাহ করেন। অর্থাৎ মুসলিম পুরুষদের ক্ষেত্রে অনুমতি নিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে (চারটি পর্যন্ত) বৈধ।

মুসলিম নারীর বিবাহ: কোনো মুসলিম নারী যখন প্রথম স্বামী বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় বিবাহ করেন (কারণ মুসলিম নারীর জন্য বহুবিবাহ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ)।

শাস্তি: ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী শাস্তি সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

ধারা ৪৯৫ অনুযায়ী, যদি পূর্বের বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করা হয়, তবে শাস্তি দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।

অর্থাৎ- মুসলিম পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের (৪টির মধ্যে) ক্ষেত্রে সাধারণত প্রথমত মুসলিম পারিবারিক আইন, ১৯৬১ প্রয়োগ করা হয়। তবে, মুসলিম নারী বা অমুসলিমরা বহুবিবাহ করলে অথবা মুসলিম পুরুষেরা ৪টির বেশি বিয়ে করলে দণ্ডবিধির কঠোর শাস্তি প্রয়োগ করা হয়। দণ্ডবিধির ৪৯৪ অথবা ৪৯৫ ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়।

উল্লেখ্য, এখানে বাংলাদেশে প্রচলিত আইনের আলোকে আলোচনা করা হল। যা বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য।

আপনার জন্য পরামর্শ:
আইনকানুনগুলো একই হলেও, কোন ক্ষেত্রে কোন আইন প্রয়োগ করা হবে, তা পরিস্থিতির নির্ভরশীল। স্বামীর অপরাধের প্রকৃতি অনুযায়ী সঠিক ধারায় মামলা করতে অবশ্যই একজন দক্ষ আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।

পারিবারিক আইনসহ দাম্পত্য, পরকীয়া, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ, সন্তানের অভিভাকত্ব ও হেফাজত, নারীর অধিকার এবং অন্যান্য আইনসংক্রান্ত নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পেতে আমাদের পেজটি ফলো করুন।

23/02/2026

যখন ই কোন ক্লাইন্ট এর স্টোরি আমাকে নাড়া দেয় আমি সেটা শেয়ার করতে চাই, আজকে এমন একটা ঘটনা শেয়ার করছি।
এক বাবা তার নিজ মেয়ের ডিভোর্স করিয়ে, ডিভোর্সে এর পর মোহরানার সব টাকা আত্মসাৎ করে মেয়েকে বাবার বাড়ি থেকে বের করে দেয়!!
আমি সব মেয়েদেরকে একটি কথা বলব নিজের স্বামীর সংসার ছেড়ে আসার আগে ১০০ বার ভাবুন। আর এরকম মা বাবা যদি থাকে তাহলে এই দুর্ভাগা মেয়েটির আসলে এই জীবন সংগ্রামের টিকে থাকা দায়।
ঘটনাটি শুনার পর আমি বারবার এ বিষয়ে চিন্তা করলাম,একটা বাবা এরকম কেমন হতে পারে মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব মেয়ের বাবার মেয়ের জীবন ধ্বংস করা না!!

ডিভোর্স , ভরণপোষণ , তালাক এই সব এখন নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রথম আবেদন করতে হয় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে। আজকে আমাদের ক্লায়েন...
19/02/2026

ডিভোর্স , ভরণপোষণ , তালাক এই সব এখন নতুন নিয়ম অনুযায়ী প্রথম আবেদন করতে হয় জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে। আজকে আমাদের ক্লায়েন্ট এর জন্য করা একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

18/02/2026

চেকের মামলা কাঁধে নিয়ে বিদেশ পালানোর দিন শেষ!
এডভোকেট সিরাজ প্রামাণিক:
চেকের মামলা চলাকালীন আসামি বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকলে তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারির আইনি ভিত্তি রয়েছে। বাংলাদেশের উচ্চ আদালত বিভিন্ন সময়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন যে, যদি আদালত মনে করেন কোনো আসামি বিচার এড়াতে বা মামলা বাধাগ্রস্ত করতে দেশত্যাগ করতে পারেন, তবে আদালত তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন। ২০২১ সালে হাইকোর্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান যে, ঋণখেলাপি বা চেকের মামলার আসামিরা যাতে দেশ ছেড়ে পালিয়ে বিচার প্রক্রিয়াকে অকার্যকর করতে না পারে, সেজন্য আদালত প্রয়োজনে তাদের পাসপোর্ট জব্দ বা বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন। কাজেই চেকের মামলা একটি বিশেষ আইন হলেও বিচার সুনিশ্চিত করতে, বাদীর পাওনা আদায়ের পথ সুগম করতে বিচারিক আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১এ ধারা মতে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করে আসামীর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারেন।

এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ও ৪৯৯ ধারামতে আসামি যখন জামিন পান, তখন তিনি আদালতের অনুমতি ছাড়া এলাকা বা দেশ ত্যাগ করবেন নাএমন একটি সুপ্ত শর্ত থাকে। ফলে আসামির জামিনের শর্ত হিসেবে তার পাসপোর্ট জমা রাখা অথবা তার বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া বিষয়ে বাদী পক্ষ আবেদন করতে পারেন। যাতে আসামী জামিনের অপব্যবহার করে পালিয়ে যেতে না পারেন।

এ বিষয়ে আপিল বিভাগের একটি দারুন সিদ্ধান্ত রয়েছে। "দুদক বনাম আতাউর রহমান এবং অন্যান্য", যা ৭৩ ডিএলআর ৩৬৬ পৃষ্ঠায় আদালতের পর্যবেক্ষণে বলেন যে, যদি কোনো ব্যক্তি বা আসামির বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা চলমান থাকে এবং আদালতের কাছে যদি প্রতীয়মান হয় যে আসামি "বিচারের হাত থেকে বাঁচতে বা বিচার প্রক্রিয়া এড়াতে" বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন, তবে সংশ্লিষ্ট আদালত সেই আসামির বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দিতে পারবেন।

এছাড়া আসামি যদি জামিন নিয়ে বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে আদালত তার জামিন বাতিল করতে পারেন অথবা তাকে দেশত্যাগে বাধা দেওয়ার জন্য তার পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশ দিতে পারেন। ৪৩ ডিএলআর (এইচসিডি) ৪৪৬।

সংবিধান নাগরিকের চলাফেরার স্বাধীনতা দিলেও, যদি কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকে, তবে ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনানুগভাবে সেই স্বাধীনতায় যৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করা সম্ভব। অর্থাৎ, মামলার স্বার্থে আদালত বিদেশ গমনে বাধা দিতে পারেন। সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদ (চলাফেরার স্বাধীনতা) বনাম ন্যায়বিচার (৭০ ডিএলআর (এইচসিডি) ৪৮)

আদালত তার প্রক্রিয়া অপব্যবহার রোধ করতে যেকোনো প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন। যদি আসামি বিদেশে চলে গেলে ট্রায়াল অকার্যকর হয়ে যায়, তবে ৫৬১এ ধারার আওতায় আদালত তাকে দেশত্যাগে বাঁধা দিতে পারেন। ৫১ ডিএলআর (এডি) ২৪২।

যিনি চেকের মামলাটি দায়ের করেছেন, তিনিই প্রধান ব্যক্তি যিনি আসামীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে বিচারিক আদালতে তার মনোনীত আইনজীবীর মাধ্যমে এই আবেদন করতে পারেন। মামলার শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) বাদীর আবেদনের সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে পারেন।

যদি মূল বাদী কোনো কারণে আদালতে উপস্থিত থাকতে না পারেন বা দেশের বাইরে থাকেন, তবে তার মনোনীত আইনি প্রতিনিধি বা আমমোক্তার বাদীর পক্ষে এই আবেদন দাখিল করতে পারেন।

তবে ফৌজদারি মামলায় বাদী তার নিযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে যেকোনো আবেদন দাখিল করতে পারেন। এই ধরনের আবেদন বাদীর স্বাক্ষরযুক্ত হলে এবং আইনজীবী তা পেশ করলে আদালত তা গ্রহণ করে থাকেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় মামলার যেকোনো পর্যায়ে বাদী বা বিবাদী তাদের নিযুক্ত আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন পেশ করতে পারেন। যদি আদালত বিশেষ কোনো কারণে (যেমন সাক্ষ্য গ্রহণ) সমন জারি না করেন, তবে বাদীর শারীরিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়। (৫৫ ডিএলআর ৩৪৪)

আসামির আইনজীবী যদি প্রমাণ করতে পারেন যে আসামি পালিয়ে যাচ্ছেন, তবে বাদীর অনুপস্থিতিতেও আদেশ দেওয়া সম্ভব। (৭৩ ডিএলআর (এডি) ৩৬৬)

তবে আবেদনের সাথে আসামীর বিদেশ যাওয়ার টিকিট কাটা, ভিসা করা বা সম্পত্তি বিক্রি করার তথ্য, চ্যাট, ইমেইল কিংবা আরও সম্ভাবনাময় কোন তথ্য থাকলে সেগুলো দিতে হবে। সেইসাথে আবেদনে নির্দিষ্টভাবে বলতে হবে যে, আসামির পাসপোর্ট জব্দ করা হোক এবং ইমিগ্রেশন পুলিশকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ পাঠানো হোক।

এছাড়া বাংলাদেশ পাসপোর্ট আদেশ, ১৯৭৩ এর ধারা ৭(১)(ব) অনুযায়ী যদি কোনো আদালত কারো বিদেশ গমন নিষিদ্ধ করেন, তাহলে পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ পাসপোর্ট জব্দ বা বাতিল করতে পারে।

বাদীপক্ষের আবেদনের মূল যুক্তিগুলো হতে পারে:
১। আসামি ইতিপূর্বে জামিন নিয়েছেন এবং বর্তমানে জামিনের অপব্যবহার করে স্থায়ীভাবে দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন।
২। আসামি বিদেশে চলে গেলে মামলার বিচার প্রক্রিয়া ও রায় বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
৩। তাই ন্যায়বিচারের স্বার্থে আসামির পাসপোর্ট জব্দ এবং বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা একান্ত প্রয়োজন।
৪। আইন, পারিপার্শ্বিকতা, উচ্চ আদালতের নজিরের ভিত্তিতে আসামির বিদেশ গমনে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা বা পাসপোর্ট জমা রাখার আদেশ দিতে পারেন।

আমাদের সমাজের অনেক মেয়ের পরিবার এবং অনেক মেয়েরা ও তা জানে না,পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে, নারীরা অনেকাংশেই অবহেলিত, আর এই ...
17/02/2026

আমাদের সমাজের অনেক মেয়ের পরিবার এবং অনেক মেয়েরা ও তা জানে না,পুরুষতান্ত্রিক এই সমাজে, নারীরা অনেকাংশেই অবহেলিত, আর এই অবহেলা বহুগুণ বেড়ে যায় যখন বিয়ের পর স্বামীর বিরূপ আচরণ, অত্যাচার বা অনাকাংখিত তালাকের সম্মুখীন হতে হয়। অথচ একটু সচেতন হলেই আমরা পারি এ পরিস্থিতি এড়িয়ে চলতে।
বিয়ের সময় আমাদের দেশে নীল রঙের একটি কাগজে দু পক্ষের বিবরণ, স্বাক্ষর এবং স্বাক্ষীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়, যেটি কাবিননামা বা নিকাহনামা নামে পরিচিত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, অনেকেই জানেন না নিকাহনামাতে কিছু ধারার মাধ্যমে আমরা আমাদের অধিকারগুলোকে সুরক্ষিত করতে পারি। অনেকেই মনে করেন, দেনমোহরের টাকা বেশী ধার্য্য করলেই বিয়ে সুরক্ষিত হয়, কিন্তু আদতে তেমন নয়। এই ক্ষেত্রে এই ধারাগুলোর সঠিক প্রয়োগ হতে পারে একটি সুরক্ষিত, সুন্দর ও সমানাধিকার বিয়ের সূচনা।
কাবিন বা নিকাহনামার ১৭ থেকে ২০ ধারায় বিবাহিত দুই পক্ষই পারেন নিজেদের কিছু শর্ত বা চাহিদাকে তুলে ধরতে। এক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য হতে পারে একটি বিয়ে পরবর্তী সুরক্ষা।

জেনে নেওয়া যাক কি কি আছে এই ধারাগুলোতে আর কিভাবে স্ত্রী এগুলোর সঠিক ব্যবহার করতে পারেন।
ধারা ১৭।
এই ধারা মূলত বিয়ের ক্ষেত্রে বিশেষ শর্তাবলি নিয়ে কথা বলে। এখন এই বিশেষ শর্তাবলি কি কি হতে পারে সেটি নিয়ে বলা যাক।

এক্ষেত্রে,
১। বিয়ের সময় স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে এই শর্ত দিতে পারেন যে, যতদিন স্বামী তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থাকবেন ততদিন তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন না। যদি স্বামী এই শর্তে তাকে বিয়ে করেন এবং পরবর্তীতে শর্ত ভেঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তাহলে প্রথম স্ত্রী তালাক প্রদানের পূর্ণ ক্ষমতা পাবেন এবং শর্ত ভঙ্গের জন্য স্বামী ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন। উল্লেখ্য, এই ক্ষেত্রে কোনো বিয়ে বাতিল হবে না কিন্তু প্রথম স্ত্রীর তালাকের অধিকার সুস্পষ্ট হবে।
যেমন, রিনা এবং রাতুলের বিয়েতে, রিনা রাতুলকে শর্ত দেয় যে রিনা যতদিন পর্যন্ত রাতুলের স্ত্রী হিসেবে থাকবে ততদিন রাতুল দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবে না, যদি করেন সেক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেবেন। রাতুল শর্তে রাজি হয়ে বিয়ে করেন। কিন্তু কিছু বছর পরে রাতুল আরেকটি বিয়ে করেন।
এখন কি হতে পারে? উত্তর হচ্ছে, আইনত রিনা এবং রাতুলের বিয়ে বাতিল হবে না, কিন্তু রিনা চাইলেই রাতুলকে এখন তালাক দিতে পারবেন। অন্যদিকে, যেহেতু রাতুল শর্ত ভেঙেছেন সেহেতু তিনি রিনাকে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবেন।
২। বিয়ের পরে স্ত্রী চাইলে আলাদা বাসস্থান চাইতে পারেন, যেখানে তিনি এবং তার স্বামী থাকবেন। এই শর্ত মেনে যদি স্বামী বিয়ে করেন তাহলে বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীকে যৌথ পরিবারে থাকতে জোর করতে পারবেন না।
৩। স্ত্রী উচ্চশিক্ষা বা চাকরি বা ব্যবসা করার শর্ত দিতে পারেন অর্থাৎ স্বাধীভাবে উপার্জনের ক্ষমতা চাইতে পারেন। এক্ষেত্রে, আইনি বাধা না থাকলে স্বামী স্ত্রীকে পরবর্তীতে বাধা দিতে পারবেন না। আইনি বাধা বলতে স্ত্রী এমন কো্নকাজ করতে পারবেন না যেটি বাংলাদেশের আইন বহির্ভুত। যেমন, অনৈতিক কাজ, বেআইনি ব্যবসা যেমন মাদক বিক্রি বা অবৈধ অস্ত্র ইত্যাদির ব্যবসা।
৪। এমনকি, বিয়ের পর ঘরের কাজ বা সন্তানের দেখভাল করার দ্বায়িত্ব ভাগাভাগি করে নেওয়ার শর্তও দিতে পারেন চাইলে।
৫। বিয়ের ক্ষেত্রে যেসকল উপহার পাবেন সেগুলোর বন্টণ বা ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া নিয়েও শর্ত দিতে পারবেন। যেমনঃ বিয়ের ক্ষেত্রে পাওয়া গয়না স্ত্রী রাখতে পারবেন এবং পরবর্তীতে সেটি স্বামী বা তার পরিবার নিজের বলে দাবি করতে পারবেন না, যদিও বা সেগুলো স্বামীর পরিবার থেকে দেওয়া হয়। গয়নার জায়গায় নগদ টাকা বা অন্যান্য উপহারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
৬। এছাড়াও আইনসম্মত যেকোনো শর্তাদি এই ধারার মাধ্যমে প্রদান করা যায়।

10/02/2026

আজকের একজন ক্লাইট এর কথা শেয়ার করি,আপুর সাথে একজনের ২ বছরের ফেইসবুক এ পরিচয় তারপর প্রেম। যার উপর আপুর অভিযোগ উনি দেশের বাইরে থাকেন, দেশে আসার পর ৬ বার উনার সাথে মিলিত হন, কিন্তু এখন উনাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। এখন সমস্যাটা হচ্ছে, উনার সাথে আপুর করা কোন চ্যাট মেসেজ কিছুই উনার কাছে নাই, এমনকি উনার সাথে আপু যে হোটেলে গিয়েছিলেন সে হোটেলের নাম ঠিকানা এবং তারিখ কিছুই বলতে পারেন না।।
আমাদের সমাজের অনেক মেয়েরাই এভাবেই প্রতিনিয়ত ঠকে যাচ্ছে।। আমি সবার উদ্দেশ্যে বলবো খুব সহজেই কাউকে বিশ্বাস করবেন না, আইনি প্রতিকার পেতে নিজের কাছে কিছুটা হলেও প্রমাণ রাখার চেষ্টা করবেন।।

যেকোনো ধরনের আইনি পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।।
Advocate Fahmida Sultana Shorna
Advocate Supreme Court of Bangladesh
Sylhet Judge Court
Bar Hall no 5 (1st floor)
01631161878

Address

Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Fahmida Sultana Shorna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share