Talukdar Law Clinic

Talukdar Law Clinic সবার জন্য আইন ⚖️

Legal Adviser 🎓

নেক্সট বার প্রিলি এক্সাম-১২-০৬-২০২৬.
13/05/2026

নেক্সট বার প্রিলি এক্সাম-১২-০৬-২০২৬.

03/05/2026

অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ (৪০৬) বনাম প্রতারণা (৪২০): বিভ্রান্তি ও বাস্তবতাঃ
মোহাম্মদ আবদুল কাদের : কখনো কখনো আদালতে বাদীর উকিল সাহেবরা বলেন, “আসামি বাদীকে সৌদি আরবের ভিসা দিবে বলেছিল, বাদী আসামির সেই কথা বিশ্বাস করে আসামিকে টাকা দিয়েছিল, আসামি কথা রাখেনি, ভিসা দেয়নি, আসামি বাদীর সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করে বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ করেছে, এভাবেই ৪০৬ ধারার জামিন অযোগ্য অপরাধ হয়ে গেছে, ফলে আসামি আইনত জামিন পেতে পারে না।”

কিন্তু বাদীর এই বিশ্বাস সেই বিশ্বাস নয়, এই বিশ্বাস ভঙ্গ সেই বিশ্বাস ভঙ্গ নয়, যা পেনাল কোডের ৪০৬ ধারায় শাস্তিযোগ্য। পেনাল কোডের ৪০৬ ধারায় ‘অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ’ নামে একটি অপরাধ আছে, যে অপরাধের সংজ্ঞা ৪০৫ ধারায় প্রদান করা হয়েছে। সমগোত্রীয় আরেকটি অপরাধ হলো—প্রতারণা, যা ৪২০ ধারায় শাস্তিযোগ্য।

৪২০ ধারার অপরাধ জামিনযোগ্য কিন্তু ৪০৬ ধারার অপরাধ জামিন অযোগ্য। ৪২০ ধারায় মামলা হলে আসামির আসা মাত্র জামিন হয়ে যাবে কিন্তু ৪০৬ ধারায় মামলা হলে জামিন নাই; তাই ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে টাকা-পয়সার লেনদেন বিষয়ে মামলা দায়ের করার সময় মামলার আরজিতে ‘ধারা: ৪০৬/৪২০’ লিখে আনা হয়, লাগাও উভয় ধারা, ব্যাটা যেন বাদীর টাকা না দিয়ে জামিনে যেতে না পারে।

৪০৬ ধারার অপরাধের প্রাণ হলো—জিম্মাদারিত্ব; এই অপরাধের ইংরেজি নাম হলো Criminal Breach of Trust, এর বাংলা ‘অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ’ না করে ‘অপরাধজনক জিম্মাদারিত্ব ভঙ্গ’ করলে ভালো হতো, তাহলে অনেক বিভ্রান্তি এড়ানো যেত। যখন কোনো অর্থ বা সম্পত্তি আসামিকে ভোগ করতে দেয়া হয় না; জমা রাখতে, বহন করতে, মেরামত করতে, পাহারা দিতে ইত্যাদি উদ্দেশ্যে দেয়া হয়; তখন তা আসামি নিজে খেয়ে ফেললে বা ভোগ করে ফেললে বা অন্য কাউকে খেয়ে ফেলতে দিলে ৪০৬ ধারার অপরাধ হয়। সংক্ষেপে বলা যায়—যখন বেড়ায় খেত খেয়ে ফেলে তখন এই অপরাধ হয়।

অন্যদিকে, ৪২০ ধারার প্রাণ হলো—প্রতারণা, এই কারণে সমাজে প্রতারক শ্রেণির মানুষকে ‘ফোর টুয়েন্টি’ বলে ডাকা হয়, বলা হয় “সে একটা ৪২০”। যখন কোনো কিছুর বিনিময়ে Consideration হিসেবে কোনো টাকা বা সম্পত্তি দেয়া হয়, তখন তা আসামিকে ভোগ করার জন্যই দেয়া হয়, তা আসামি খেয়ে ফেললে আত্মসাতের বা অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ হয় না, তবে তা লিখিত বা মৌখিক চুক্তি ভঙ্গের ঘটনা হতে পারে, যেমন:

ভিসার জন্য কোনো প্রবাসী বা আদম ব্যবসায়ীকে টাকা দেয়া,

কাজের জন্য শ্রমিক বা শ্রমিকের মাঝিকে টাকা দেয়া,

সম্পত্তির বিনিময় হিসেবে অন্য কোনো সম্পত্তি বা টাকা দেয়া,

বিক্রেতাকে মালের জন্য টাকা দেয়া,

ক্রেতাকে বাকিতে মাল দেয়া ইত্যাদি।

এখানে আসামিকে যা দেয়া হয়েছে তা তাকে খাওয়ার জন্যই দেয়া হয়েছে, আমানত হিসেবে নয়, হেফাজতে রেখে তা ফেরত দেয়ার জন্য নয়, তা সে খেয়ে ফেললে অপরাধ হয় না। এমনকি, ফেরত দেয়ার শর্তে কোনো টাকা বা ভোগ্যপণ্য ধার দিলেও তা খাওয়ার জন্যই দেয়া হয়, পরে সেই মানের সেই পরিমাণ টাকা বা খাদ্য ফেরত দেয়া হবে—এমন শর্ত থাকে, তা খেয়ে ফেললে কোনো অপরাধই হয় না, কারণ খাওয়ার জন্যই তো দেয়া-নেয়া হয়েছিল;

যেমন—গ্রামের মহিলারা রান্না করতে গিয়ে তেল, নুন, চাল, ডাল ইত্যাদিতে কমতি পড়লে পাশের বাড়ির মহিলা থেকে ধার নেয়। যে শর্তে সেই খাওয়ার বা ভোগ করার বা ব্যবহার করার সেই জিনিসটি দেয়া হলো, সে শর্ত পূরণ না করলে প্রতারণা করে সেই মাল গ্রহণ করা হয়েছে কি না সে প্রশ্ন আসতে পারে, প্রতারণার ঘটনা ঘটলেই শুধু ৪২০ ধারার অপরাধ হতে পারে।

প্রতারণা করে টাকা বা মাল আসামি নিয়েছিল কি না, তা আসামির ইনটেনশন বা মানসিকতা থেকে বুঝা যায়, এটাকে আইনের ভাষায় Initial intention of deception বলা হয়; ৪২০ ধারার অপরাধ হতে হলে ঘটনা বা লেনদেনের শুরু থেকেই আসামির সেই অসৎ মানসিকতা থাকতে হবে [46 DLR AD 180]।

এখন ইনটেনশন তো থাকে আসামির বুকের ভিতর—মনে, না কি মাথায়! মন মহাশয় কোথায় বাস করেন? আসামির মনে বা মাথার ভিতরে কী আছে বা ছিল তা কেমনে দেখা যাবে!! তা কিন্তু দেখতে পাওয়া যায়! আশ্চর্য! কেমনে!! তা ঘটনার সার্বিক পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও আসামির সামগ্রিক আচরণে (Surrounding circumstances and subsequent conduct of the accused) ফুটে উঠে [48 DLR AD 100]; যেমন—

আগামীকাল বাড়ির আমগাছে থাকা মধুর বাসা ভেঙে একদম খাঁটি মধু দেব বলে টাকা নেয়া কিন্তু সেই মধু আর না দেয়া, এমনকি দেখা গেল তার বাড়ির আমগাছে কোনো মধুর বাসাই নাই বা সব মধু টাকা নেয়ার আগের দিন অন্য লোককে বিক্রি করে দিয়েছিল;

কাল ফেরত দেব বলে টাকা ধার নিয়ে পরে অস্বীকার করা ও টাকা চাইলে মাইর খাবি বলে হুমকি দেয়া;

ভিসা দেব বলে টাকা নেয়া ও ভিসা দেয়ার কোনো চেষ্টাই না করা বা ভিসা দেয়ার মতো কোনো উপায় তার নাই জেনেও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে টাকা নেয়া;

মাল বিক্রি করে দাম দেব বলে পাইকার থেকে মাল নিয়ে খুচরা বিক্রি শেষ করেও পাইকারের পাওনা না দেয়া ও কোনো যোগাযোগ না করা;

জমি বিক্রি করব বলে বায়না করে টাকা নেয়া ও সেই জমি গোপনে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়া বা সে জমি আগেই অন্যত্র বিক্রির পর বায়না করা ইত্যাদি।

ঘটনায় ফোর টুয়েন্টি টাইপের লোকের মনের বা মাথার ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা চিটারকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।

কিছু লেনদেন থাকতে পারে যেখানে বাদী আসামির নিকট টাকা পাওনা হলেও আসামির মোটেও কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি দায় থাকে না, তবে দেওয়ানি দায় থাকতে পারে, এগুলোকে ব্যবসায়িক লেনদেন বা দেওয়ানি প্রকৃতির দায় বলা হয়, সে টাকা দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় আদায়যোগ্য হয়, যেমন:

দীর্ঘ ও ধারাবাহিক ব্যবসায়িক একাধিক লেনদেনের পর হিসাব শেষে যদি আরও কিছু টাকা পাওনা থেকে যায়, তা দিতে না পারলে ও কোনো তথ্য গোপন বা প্রতারণার উপাদান না থাকলে কোনো অপরাধ হয় না [42 DLR AD 240, 19 BLD AD 128];

ব্যবসায়িক পাওনা আংশিক পরিশোধ করার পর বাকি টাকা আসামির আর্থিক অসঙ্গতির জন্য দিতে ব্যর্থ হলে অপরাধ হয় না, তা একটি দেওয়ানি প্রকৃতির দায় ও দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় প্রতিকারযোগ্য; কিন্তু সেই Part payment-ই যদি হয় প্রতারণার হাতিয়ার, তা দিয়েই যদি বাকি টাকা না দেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে মাল সরবরাহ করার জন্য বাদীকে প্ররোচিত করা হয়, তাহলে ৪২০ এর অপরাধ হয় [46 DLR AD 180];

আসামি বাদীর পাওনা পরিশোধে আন্তরিক, কিছু দিয়েছে ও দিচ্ছে, বাকিটা দেবে দেবে বলছে ও সময় চাচ্ছে, কোনো তথ্য গোপন করছে না, বাদীকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে না, তখন প্রতারণার উপাদান থাকে না ও কোনো অপরাধ হয় না [50 DLR AD 163, 49 DLR AD 132] ইত্যাদি।

খুব খুব কম ঘটনা আছে, যেটাতে এই দুই ধারার অপরাধ একত্রে হতে পারে, যেমন: কেউ বিদেশ থেকে দেশে আসতেছে; আসার সময় অন্য প্রবাসীরা তাদের পরিবারকে এনে দেয়ার জন্য সেই লোককে কিছু খেজুর, মোবাইল, নগদ টাকা ইত্যাদি দিবে; এইসব জিনিস দেশে এসে ঠিকমতো বুঝিয়ে না দিয়ে খেয়ে ফেললে ৪০৬ ধারায় আত্মসাতের অপরাধ হয়; আরেক প্রবাসী তার বাড়িতে পাঠানোর জন্য কোনো জিনিস দিতে আসেনি, তবুও সে দেশে আসা লোক তার কাছে গিয়ে “তোমার বাড়ির জন্য এটা দাও, সেটা দাও” বলে খুঁজে নিয়ে আসলো এবং সব মেরে দিল!! এই খুঁজে আনা জিনিসের ক্ষেত্রে ৪২০ ও ৪০৬ উভয় ধারার অপরাধ একত্রে হয়েছে;

প্রথমত: সে মেরে দেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে মানুষকে দেশের বাড়ির জন্য কিছু জিনিস তাকে দিতে প্ররোচিত করে চিটিং করেছে, দ্বিতীয়ত: সেসব জিনিস এনে তার বাড়িতে বুঝিয়ে না দিয়ে খেয়ে ফেলে ৪০৬ ধারায় আত্মসাতের অপরাধ করেছে। তবুও এই রকম নগদ টাকা খরচ করে ফেলে পরে নিজের টাকা এনে দিয়ে দিলে অপরাধ হবে না, কিন্তু খেজুর-মোবাইল ইত্যাদি হুবহু আসলটা অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধ লাভের জন্য বদল করে ফেললেও আত্মসাতের অপরাধ হবে।

৪০৬/৪২০ ধারার অপপ্রয়োগ অহরহ হতে দেখা যায়। অতিরিক্ত জেলা জজ হওয়ার পর ফৌজদারি আপিল-রিভিশনে দেখলাম—এমন কিছু ৪০৬/৪২০ ধারার মামলা হয়েছে, আসামির অনেক দিন জামিন হয়নি, এমনকি সাজা হয়ে গেছে!! যেখানে আসলে কোনো অপরাধই হয়নি বা ৪২০ ধারার অপরাধ হয়েছে কিন্তু ৪০৬ ধারা অন্যায়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে। এই দুইটি অপরাধের মর্মার্থ ও পার্থক্য বুঝার ও সঠিকভাবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত পাড়ায় কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে।

কিছু ক্ষেত্রে পাওনা টাকা আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে এই দুইটি ধারাকে একত্রে বুঝে-শুনে অপপ্রয়োগের আবেদন জানানো হয়, কোনো কোনো আদালত সেই আবেদনে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে থাকেন, উদ্দেশ্য অনেকটা সৎ ও পাওনা টাকা আদায় করে দেয়া, কিন্তু পাওনা টাকা আদায়ের অন্য আইনগত উপায় রয়েছে, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ৪০৬/৪২০ ধারাকে অপপ্রয়োগ করা আইনকে ইচ্ছাকৃতভাবে না মানার শামিল হয়ে যায়।

সর্বদা আইন মেনে চলতে হবে, বিশেষ করে আদালতকে। আইনকে লিখিত রূপ দেয়া হয়েছে এই জন্য যে—সবাই যেন তা এক রকমভাবে মেনে চলতে বাধ্য হয়, কেউ যেন কোনটা ন্যায় বা কোনটা অন্যায় তা নিজের খামখেয়ালের বশে ব্যাখ্যা করে যা ইচ্ছা তা করতে না পারে। প্রয়োজনে আইনকে বদলানো যেতে পারে, যেমন—পেশাদার চিটারদেরকে প্রতিরোধ করার জন্য ৪২০ কে অজামিনযোগ্য করা যেতে পারে।

আরও পড়ুন : বাংলাদেশে বার নির্বাচনে বাধার অভিযোগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইউরোপীয় বার কাউন্সিলের উদ্বেগ প্রকাশ
দেওয়ানি রোগে আক্রান্ত মক্কেল আসলেই টেনেটুনে বা মিথ্যা গল্প সাজিয়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে দেয়ার একটা প্রবণতা দেখতে পাওয়া যায়। স্বামী পরিত্যক্ত অসহায় মহিলা আদালতে এসেছেন, তার আশা নিজের ও সন্তানের মোহরানা ও ভরণপোষণ পাওয়া, কিন্তু মিথ্যা ও কল্পনার রং মেখে দায়ের করে দেয়া হলো—যৌতুকের মামলা! সাথে একটি নারী-শিশু নির্যাতনের মামলা! সাথে স্বামীর বৃদ্ধ মা-বাবা ও দূরে স্বামী গৃহে বসবাসরত ননদ-ননাসও আসামি! সবাইকে জেল খাটিয়ে তছনছ। রেগে গিয়ে স্বামী দিল বাদীকে তালাক!! অনেক বছর পর বিচারে দেখা গেল—যৌতুকের কোনো ব্যাপার ছিল না, অন্য কারণে সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল, মামলা খারিজ!!! তখনো ভরণপোষণ ও মোহরানা আদায়ের জন্য পারিবারিক মামলা করা হয়নি। ভরণপোষণের দাবিও তামাদি হয়ে যায়, শেষ, সব শেষ।

বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতও কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকা-পয়সা দেনা-পাওনার ঘটনায় দায়েরকৃত আইনত অচল ফৌজদারি মামলা নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে দেন। বিজ্ঞ আইনজীবী ও বিজ্ঞ আদালত উভয়ের সৎ উদ্দেশ্য ও আশা: এতে আসামি বাদীর পাওনা দিয়ে দিবে। এতে বরং বাদীর ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, কারণ এমন অচল মামলা শেষ পর্যন্ত টিকবে না, অনেক বছর পর উচ্চ আদালতে গিয়ে খারিজ হয়ে যাবে, তত দিনে বাদীর দম ও টাকা আদায়ের তামাদির মেয়াদ শেষ! তাই শুরুতে আপাত নিষ্ঠুর দেখালেও আইনত অচল মামলা ফাইলিং-এর সময় খারিজ করে দেয়া ও বাদীকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেয়া উত্তম, যেন আইনত অচল ফৌজদারি মামলা চালাতে চালাতে বাদীর দম ও পাওনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ ফুরিয়ে না যায়।

লেখক : মোহাম্মদ আবদুল কাদের, জেলা ও দায়রা জজ

13/04/2026

⚖️ জামিন কি আসামির অধিকার নাকি আদালতের দয়া?
[ধারা ৪৯৭ ও ৪৯৮ CrPC-এর গভীরে বিশ্লেষণ]

একজন আইনজীবী হিসেবে ফৌজদারি প্র্যাকটিসে আমাদের প্রতিদিনের হাতিয়ার হলো Section 497 এবং Section 498। কিন্তু এই দুই ধারার সূক্ষ্ম পার্থক্য এবং আধুনিক জুডিশিয়াল ইন্টারপ্রিটেশন জানা না থাকলে ক্লায়েন্টের লিবার্টি নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

চলুন, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের উচ্চ আদালতের নজিরসহ একটি কম্প্যাক্ট বিশ্লেষণ দেখে নেওয়া যাক।
🔹 ১. ধারা ৪৯৭: ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সীমাবদ্ধতা ও সুযোগ:-

ধারা ৪৯৭ মূলত 'Restrictive'। এখানে ম্যাজিস্ট্রেট চাইলেই সব অপরাধে জামিন দিতে পারেন না, বিশেষ করে যদি সাজা মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন বা ১০ বছর হয়।

Reasonable Grounds vs. Suspicion: আদালত কেবল সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে জামিন নামঞ্জুর করতে পারেন না। এক্ষেত্রে আদালত বিবেচনায় নিতে পারেন :-
Further Inquiry (৪৯৭-২): এটি আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় অস্ত্র। যদি প্রমাণের অভাব থাকে বা মামলাটি তদন্ত সাপেক্ষ হয়, তবে জামিন পাওয়া আসামির অধিকার (Right)।
📖 Reference (Pakistan): Tariq Bashir vs State (PLD 1995 SC 34) - সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, জামিনের পর্যায়েও সামান্যতম সন্দেহ আসামির পক্ষে যাবে।

👉 Special Consideration (Proviso to Section 497) আইন বিশেষভাবে কিছু ক্ষেত্রে নমনীয়—নারী, শিশু ও অসুস্থ/বৃদ্ধ ব্যক্তি।

➡️ আদালত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করতে পারেন, যা নিম্নের কেস রেফারেন্স এ উল্লেখ আছে -

📚 Case: Rahima Begum vs State, 49 DLR

👉 নারী আসামির ক্ষেত্রে আদালত উদারতা দেখিয়েছে

🔹 ৩. Delay in Trial Doctrine
👉 বাংলাদেশে এটি খুবই পরিচিত একটি doctrine, যা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

যদি—দীর্ঘদিন ধরে বিচার শেষ না হয় এবং delay আসামির কারণে না হয়, তখন
➡️ জামিন দেওয়া বাধ্যতামূলক হয়ে যায়
📚 Case: Khalilur Rahman vs State, 55 DLR

👉 “Prolonged detention violates personal liberty”

📌 এটি Constitution এর Article 32 (Right to life & liberty) এর সাথে সম্পর্কিত
🔹 ৪. Bail is Rule, Jail is Exception
👉 এটি একটি মৌলিক নীতি
📚 Case: Gudikanti Narasimhulu vs Public Prosecutor

👉 Supreme Court বলেছে— “Deprivation of liberty must be considered a punishment unless required”
==============

🔹 ২. ধারা ৪৯৮: হাইকোর্ট ও সেশন কোর্টের 'Inherent Power'

৪৯৮ ধারাটি একটি 'Independent Provision'। এটি ৪৯৭-এর সীমাবদ্ধতা মানে না।

Anticipatory Bail (আগাম জামিন): বাংলাদেশে এটি সম্পূর্ণ জুডিশিয়াল লিগ্যাসি।

📖 Reference (Bangladesh): Mia Nuruddin (Apu) vs State (68 DLR AD 290) - আগাম জামিনের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা 'Mala fide intention' দেখা জরুরি।

ভারত বনাম বাংলাদেশ: ভারতে ধারা ৪৩৮ (সংশোধিত) অনুযায়ী আগাম জামিন সংবিধিবদ্ধ, কিন্তু বাংলাদেশে এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।

🔹 ৩. "Bail is Rule, Jail is Exception"
এই মহৎ নীতিটি এখন বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।

📖 Reference (India): State of Rajasthan vs Balchand (1977) - জাস্টিস কৃষ্ণ আইয়ারের সেই বিখ্যাত উক্তি: "জামিন হচ্ছে নিয়ম, জেল হচ্ছে ব্যতিক্রম।"

📖 Reference (Bangladesh): Zillur Rahman vs State (52 DLR 188) - বিনা বিচারে আটক রাখা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২-এর পরিপন্থী।

🔹 ৪. প্র্যাকটিসে জেতার জন্য ৩টি প্রো-টিপস (Expert Insight) হচ্ছে :-

Delay in Trial: যদি দীর্ঘ সময় ধরে বিচার শেষ না হয় (আসামির কারণে নয়), তবে জামিন পাওয়া এখন প্রায় বাধ্যতামূলক-
📖 Case : Shahidur Rahman vs State (52 DLR)।

🔹 Special Proviso: নারী, শিশু বা অসুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে "Offence" এর চেয়ে "Person" কে বেশি গুরুত্ব দিন-
📖 Case: Rahima Begum vs State (49 DLR)

Tips: Medical Ground: গুরুতর অসুস্থতার ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন বা বিশেষজ্ঞের মতামত ছাড়া শুধু প্রেসক্রিপশন দিয়ে জামিন পাওয়া কঠিন। তাই নথিপত্র মজবুত করুন।

আইন কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, এর সার্থকতা প্রয়োগে। একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে আমাদের কাজ হলো ধারা ৪৯৭-কে 'ঢাল' হিসেবে ব্যবহার করা এবং ধারা ৪৯৮-কে 'তলোয়ার' হিসেবে ব্যবহার করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

12/04/2026

এখানে বিদ্যা আর চর্চার সমন্বয়ে বিজ্ঞ হয়ে উঠতে হয়।

12/04/2026

জমি সংক্রান্ত বিরোধে এলএসটি মামলা (Land Survey Tribunal ) এবং দেওয়ানি মামলা (Civil Suit)—দুটার ব্যবহার আলাদা উদ্দেশ্যে হয়।
নিচে সহজভাবে পার্থক্যটা বুঝিয়ে দিচ্ছি:

🔹 কখন এলএসটি মামলা করবেন?

👉 মূলত রেকর্ড/জরিপ সংক্রান্ত সমস্যা হলে

ব্যবহার হবে যখন:
ভুল খতিয়ান (CS, SA, RS, BS) হয়েছে
জমির মালিকানা রেকর্ডে ভুল নাম এসেছে
জরিপে জমির পরিমাণ কম/বেশি দেখানো হয়েছে
অন্যের নামে ভুল করে জমি রেকর্ড হয়েছে
নামজারি (Mutation) রেকর্ডের ভিত্তি ভুল
সংক্ষেপে:

👉 “কাগজে (রেকর্ডে) সমস্যা = এলএসটি মামলা”

🔹 কখন দেওয়ানি মামলা করবেন?

👉 মূলত দখল ও মালিকানা নিয়ে বাস্তব বিরোধ হলে

ব্যবহার হবে যখন:
জমির দখল নিয়ে বিরোধ
কেউ জোর করে জমি দখল করেছে
জমি বিক্রয়/দলিল বাতিল বা বৈধতা নিয়ে সমস্যা
বণ্টন (Partition) করতে হবে
আপনার মালিকানা আদালতের মাধ্যমে ঘোষণা (Declaration) দরকার
স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) দরকার
সংক্ষেপে:

👉 “মাঠে (দখল/মালিকানা) সমস্যা = দেওয়ানি মামলা”

🔸 বাস্তব উদাহরণ
✔️ উদাহরণ ১:

আপনার জমি, কিন্তু RS খতিয়ানে অন্যের নাম এসেছে
👉 করণীয়: এলএসটি মামলা

✔️ উদাহরণ ২:

আপনার নামে রেকর্ড আছে, কিন্তু অন্য ব্যক্তি জমি দখল করে বসে আছে
👉 করণীয়: দেওয়ানি মামলা

✔️ উদাহরণ ৩:

ভুল রেকর্ড + দখলও অন্যের
👉 করণীয়:

আগে এলএসটি মামলা করে রেকর্ড ঠিক করুন
তারপর দেওয়ানি মামলা করে দখল নিন
🔹 গুরুত্বপূর্ণ টিপস
শুধু রেকর্ড ঠিক করলেই দখল পাবেন না
আবার শুধু দেওয়ানি মামলা করলেও রেকর্ড ভুল থাকলে সমস্যা হবে
👉 তাই অনেক ক্ষেত্রে দুইটাই লাগতে পারে।

২০-০৫-২০২৬ পর্যন্ত যাদের ইন্টিমিশন জমা দেওয়ার ৬ মাস পূর্ণ হবে তারা আবেদন করতে পারবেন।
06/04/2026

২০-০৫-২০২৬ পর্যন্ত যাদের ইন্টিমিশন জমা দেওয়ার ৬ মাস পূর্ণ হবে তারা আবেদন করতে পারবেন।

27/03/2026

⚖️ খতিয়ানের ‘ওয়ার্কিং ভলিউম’ বলতে কী বোঝায়? জানলে আপনি হয়তো বিস্মিত হবেন! 📚📄

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় ‘ওয়ার্কিং ভলিউম’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অথচ অনেকের অজানা একটি শব্দ। বিশেষ করে যারা খতিয়ান, দাগ বা জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যার মধ্যে রয়েছেন—তাদের জন্য এই ধারণাটি বোঝা খুবই দরকারি।

📖 ওয়ার্কিং ভলিউম কী?

ওয়ার্কিং ভলিউম হলো সেই অফিসিয়াল খসড়া খাতা বা ‘প্রসেসিং রেকর্ড বুক’, যেখানে সংশ্লিষ্ট এলাকার খতিয়ান প্রস্তুতের সময়কার সব যাচাই-বাছাই, সংশোধনী, আপত্তির শুনানি এবং মাঠ পর্যায়ের তথ্য লিপিবদ্ধ থাকে।

➡️ সহজভাবে বললে, এটি হচ্ছে খতিয়ান তৈরির পেছনের নথিপত্র বা হিসাব নিকাশের মূল দলিল।

📌 ওয়ার্কিং ভলিউমে সাধারণত যা থাকে:

✔️ জমির মালিক বা দাবিদারের নাম ও ঠিকানা।
✔️ দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ।
✔️ একই দাগে অন্যান্য অংশীদারের তথ্য
✔️ কোনো আপত্তি, আপিল বা দখল সংক্রান্ত বিরোধের বিবরণ।
✔️ সংশোধনের কারণ ও ভিত্তি।
✔️ ভূমি জরিপ কর্মকর্তার মন্তব্য বা সুপারিশ।

🏢 ওয়ার্কিং ভলিউম পাওয়া যায় কোথায়?
🔸 জেলা রেকর্ড রুম (জেলা ভূমি অফিস)
🔸 উপজেলা ভূমি অফিস।
🔸 সংশ্লিষ্ট জরিপ অফিস (যেমন: সেটেলমেন্ট অফিস)।

❗ কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ?
🔹 আপনার জমির খতিয়ানে যদি কোনো অসঙ্গতি থাকে—তাহলে আসল তথ্য পাওয়া যায় এই ওয়ার্কিং ভলিউমে।
🔹 জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা হলে, এই ডকুমেন্টটি একটি কার্যকরী প্রমাণ হিসেবে আদালত গ্রহণ করে।
🔹 পুরনো জরিপের (CS, SA, RS) তথ্য যাচাই বা ট্রেস করার সময় এটি অপরিহার্য হয়ে ওঠে।

⚠️ সতর্কতা:

এই বইটি সাধারণত সরকারি গোপনীয় নথি হিসেবে গণ্য হয়। সরাসরি এর মূল কপি পাওয়া যায় না। তবে আইন অনুযায়ী আপনি:

✅ তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করে দেখতে পারেন।
✅ স্বীয় প্রয়োজন অনুযায়ী নকল উত্তোলনের আবেদন করতে পারেন।
✅ মামলা সংক্রান্ত প্রয়োজনে কোর্টের আদেশে সনদ/তথ্য নিতে পারেন।

** আপনার জমির কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা বুঝতে হলে শুধু সার্টিফিকেট কপি নয়, ওয়ার্কিং ভলিউম দেখে নিন। সেখানেই জমির ইতিহাসের অনেক অজানা অধ্যায় লুকানো থাকে।
আপনার যদি খতিয়ানে ভুল, দাগে অস্পষ্টতা, বা মালিকানা নিয়ে জটিলতার মধ্যে থাকেন—
ওয়ার্কিং ভলিউম হতে পারে আপনার প্রথম পথপ্রদর্শক।

20/12/2025

আগামী জানুয়ারির ১লা তারিখ ভোরবেলা থেকে সকল দলিল হবে অনলাইন জাল দলিল ভুয়াদলিল বালাম সেরা সকল দুর্নীতি বন্ধ |

14/12/2025

মুসলিম ফারায়েজ নীতিতে নারীর ৮ অবস্থাঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৩। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৪। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৫। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৬। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৭। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৮ । দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্চিত।

Address

Salanga
Sirajganj

Telephone

+8801730632925

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Talukdar Law Clinic posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Talukdar Law Clinic:

Shortcuts

Share