17/01/2022
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও মিরপুরে স্বপ্নের অ্যাপার্টমেন্ট!
সুপ্রিয় সুধী
ঢাকার অভিজাত ও পরিকল্পিত নগরী ‘বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা’ অথবা ‘মিরপুরে’ ফ্ল্যাট/অ্যাপার্টমেন্ট কেনার কথা ভাবছেন? যেখানে থাকবে আধুনিক সব উপকরণের সন্নিবেশ, বিলাসবহুল জীবনের নিশ্চয়তা; ঘর হয়ে উঠবে পারফেক্ট লাইফস্টাইল
আপনার এমন চাওয়া পূরণে কাজ করছি নিরলস
আমাদের আবাসন প্রকল্প এলাকা-
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা এবং মিরপুর-১, মিরপুর-২, পীরেরবাগ (উত্তর-দক্ষিণ), মোল্লাপাড়া, পাইকপাড়া, আহমেদনগর ও মনিপুরে সবুজ প্রকৃতির মাঝে নির্মাণ করা হচ্ছে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসংবলিত আবাসিক ভবন
মিরপুরের প্রকল্প এলাকার বিশেষত্ব-
মিরপুরে চলমান সাতটিসহ আমাদের মোট ১১ আবাসন প্রকল্প। ৬০ ফিট সড়ক ঘেঁষা (প্রকল্পের পশ্চিমে ৬০ ফুট সড়ক, পূর্বদিকে মেট্রোরেল ও মধ্যবর্তী এলাকার উপর দিয়ে প্রস্তাবিত ১০০ ফুট সড়ক) সুপরিকল্পিত এলাকা পরিবার-পরিজন নিয়ে থাকার জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়
সুপরিসর রাস্তা ও মেট্রোরেলের কারণে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা, ভালো মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, হাসপাতাল, শপিংমল, মানসম্পন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্ট রয়েছে আবাসন প্রকল্প ঘিরে
অতি সম্প্রতি আগারগাঁওয়ে উল্লেখযোগ্য মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিস স্থানান্তরিত হওয়ায় এ এলাকার গুরুত্ব বেড়েছে কয়েক গুণ
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বিশেষত্ব-
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার M ও N ব্লকে আমাদের চলমান তিনটি আবাসন প্রকল্প। প্রকল্পের উত্তর পাশ দিয়েই চলে গেছে ৩০০ ফিট মহাসড়ক, দক্ষিণে ১০০ ফিট সড়ক ও মাঝে ২০০ ফিট সড়ক। এখানে আছে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে সুবিধাও। প্রকল্প এলাকায় রয়েছে নামীদামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সুবিশাল মসজিদ, আধুনিক হাসপাতাল, শপিংমল, রেস্টুরেন্ট, আন্তর্জাতিক মানের বসুন্ধরার নিজস্ব ক্রীড়া কমপ্লেক্স, ব্যাংক-বীমা-আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিনোদন কেন্দ্রসহ নানা সুবিধা
নান্দনিকতা আর আভিজাত্যের ছোঁয়া বিরাজমান সব এলাকার আবাসিক ভবনে
ফ্ল্যাটে যা থাকছে-
বেজমেন্ট ও গ্রান্ড ফ্লোরসহ আমাদের প্রতিটি আবাসিক ভবন ১১ তলার
প্রতি অ্যাপার্টমেন্টে থাকছে তিন বেডরুম, তিন বাথরুম ও তিন বারান্দাসহ বিশাল পরিসরে ড্রয়িং-ডাইনিং রুম
সিসিটিভিসহ সব আবাসিক ভবনে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আধুনিক মানের পর্যাপ্ত লিফট, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর ও সুপেয় পানি নিশ্চিতের জন্য নিজস্ব ডিপ টিউবঅয়েল তো থাকছেই
ফ্ল্যাটের আয়তন-
মিরপুর এলাকার প্রতি অ্যাপার্টমেন্টের আয়তন (গাড়ির গ্যারেজসহ) কমপক্ষে ১,৪০০ (এক হাজার চারশত) বর্গফুট এবং
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তা ২,০০০ (দুই হাজার) বর্গফুটেরও বেশি
ভবন নির্মাণপ্রক্রিয়া-
জমির শেয়ার বিক্রি, সম্মানিত প্রত্যেক ক্রেতার নামে জমি রেজিস্ট্রি, নামজারি (মিউটেশন) ও রাজউক অনুমোদনের পর শুরু হয় যৌথভাবে নির্মাণ কাজ
সম্মানিত সব শেয়ার হোল্ডারের মতামত ও সংখ্যাগরিষ্ঠের সম্মতিতে প্রণীত নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করে নির্দিষ্ট সময়েই শেষ করা হয়
আবাসন প্রকল্পগুলো
ফ্ল্যাট বন্টন নীতিমালা-
লটারির মাধ্যমে অ্যাপার্টমেন্ট বন্টনের পর সম্মানিত প্রত্যেক মালিকের নামে বন্টননামা ও নামজারি (মিউটেশন) করে দেওয়া হয়
দাম কেমন-
যৌথ উদ্যোগে আবাসিক ভবন করায় নির্মাণ খরচ হয় বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম!
তাহলে আর দেরি কেন? আপনিও সঙ্গী হোন আমাদের
{বিশেষভাবে উল্লেখ্য-
বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জমি ও মিরপুরে ইতোমধ্যে নির্মিত আমাদের যে কোনো আবাসিক ভবন অথবা চলমান প্রকল্প থেকেও রেডিমেড ফ্ল্যাট, সেমি রেডিমেড ফ্ল্যাটসহ জমির শেয়ার কেনার সুযোগ রয়েছে}
ধন্যবাদ ও আন্তরিকতাসহ
যেকোনো তথ্যের জন্য ইনবক্স করুন।
সবার জন্য শুভ কামনা; সব সময়