LAW HOUSE

LAW HOUSE Raisul Islam (Dany)
LL.B(Hon's)
LL.M
PGD-HRM
PGD-RCM it is a law chamber, where we provide legal aid.

22/11/2025
জমি রেজিস্ট্রির আগে এই বিষয়গুলো জানা খুব জরুরি 👇সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে অনেক মানুষ শেষ বয়সে এসে এক খন্ড জমি কিনে যাতে মৃত্...
09/11/2023

জমি রেজিস্ট্রির আগে এই বিষয়গুলো জানা খুব জরুরি 👇
সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে অনেক মানুষ শেষ বয়সে এসে এক খন্ড জমি কিনে যাতে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার মাথা গুজার একটু জায়গা থাকে। কিন্তু জমি কিনেই ঝামেলায় পড়েছেন অনেকে। কেউ আবার হয়েছেন সর্বশান্ত।

মূলত জমি সংক্রান্ত বিষয়ে স্বল্প জ্ঞান ও অসতর্কতার কারণেই মানুষ এই ঝামেলায় পড়ে। তাই জমি কেনার আগে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক জমি রেজিস্ট্রির আগে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি-

১. অবশ্যই গুরুত্বের সঙ্গে খেয়াল রাখতে হবে জরিপের মাধ্যমে প্রণিত রেকর্ড। খতিয়ান ও নকশা যাচাই করে নিতে হবে।

২. জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ দেখে নিতে হবে।

৩. জমি কেনার আগে উক্ত জমির সিএস রেকর্ড, এসএ রেকর্ড, আরএস রেকর্ড এবং মাঠ পর্চাগুলো ভালোভাবে দেখে নিতে হবে।

৪. বিক্রেতা যদি জমিটির মালিক ক্রয়সূত্রে হয়ে থাকেন তাহলে তার কেনার দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে যিনি বেচবেন তার মালিকানা সঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে।

৫. জমির বিক্রিকারী উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়ে থাকলে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ানে তার নাম আছে কিনা তা ভালো ভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। যদি সর্বশেষ খতিয়ানে বিক্রেতার নাম না থাকে, তাহলে তিনি যার কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে জমিটি পেয়েছেন তার মূল মালিকের সংঙ্গে বিক্রেতার নামের যোগসূত্র কিংবা রক্তের সস্পর্ক আছে কিনা বিষয়টি ভালো ভাবে যাচাই করে নিতে হবে।

যদি মাঠ পর্চার মন্তব্য কলামে কিছু লেখা থাকে যেমন (AD) তাহলে বুঝতে হবে উক্ত খতিয়ানের বিরুদ্ধে সত্যায়ন বা শুদ্ধতার পর্যায়ে আপত্তি রয়েছে, সেক্ষেত্রে জমি ক্রয়ের আগে জরিপ অফিসে জমিটির সর্বশেষ অবস্থা জেনে নিতে হবে।

৬. তবে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রিকারীর শরিকদের সঙ্গে জমি বিক্রিকারীর সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা বা ফারায়েজ দেখে নিতে হবে।

৭. জমি বিক্রিকারীর নিকট থেকে সংগৃহীত দলিল, বায়না দলিল, খতিয়ান, মাঠ পর্চা ইত্যাদি কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে তলবকারী বা স্বত্বলিপি রেজিস্ট্রারের কাছে গিয়ে কাগজপত্রের সঠিকতা যাচাই করে নিতে হবে।

৮. জমি কেনার ক্ষেত্রে যিনি জমি কিনবেন তাকে মনে রাখতে হবে যে ১৯১৩ সালের সরকারি পাওনা/দাবি আদায় আইনের ৭ ধারায় বলা আছে সার্টিফিকেট মামলাভুক্ত সম্পত্তি বিক্রয়যোগ্য নয়।

#সার্ভেয়ার_মোঃ_দেলোয়ার_হোসেন_বদরুল_এই_পেইজে_লাইক_দিয়ে_সাথেই_থাকুন

21/07/2023

ভূমি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত! “পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য।

১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।

২!“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।

৩!“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।
খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কি?

৪!ভূমি বা Land কাকে বলে?
“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনী সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্হায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”

৫! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ
প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;
1. CS -Cadastral Survey
2. SA- State Acquisition Survey (1956)
3. RS -Revitionel Survey
4. PS – Pakistan Survey
5. BS- Bangladesh Survey (1990)

ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)
“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।
খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল।
জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।
ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।

৬!“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।

৭!“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।
৮!“তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।

৯!“দাগ” নাম্বার কাকে বলে? যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।

১০!“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।

১১!“খানাপুরি” কাকে বলে? জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।

১২!“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।

১৩!“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।

১৪!“খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।

১৫!“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।

১৬!"DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।

১৭!“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

১৮!“নাল জমি” কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।

১৯!“খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।

২০!“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধদ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।

২১!“ওয়াকফ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে।

২২!“মোতওয়াল্লী” কাকে বলে?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।

২৩!“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।

২৪!“ফরায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।

২৫!“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
২৬! “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকস্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

২৭!“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

২৮!“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।

ভূমির পরিমাপঃ

ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতকঃ
***************************
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট
১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০বর্গফুট

কাঠা পরিমাপঃ
****************
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০.৫ কাঠা =১ একর

একরের পরিমাপঃ
******************
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ শতক = ০.৫ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট

বিঘা পরিমাপঃ
*************
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ
১ বিঘা = ২০ কাঠা
৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর

লিঙ্ক পরিমাপঃ
****************
১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি
১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপঃ
*******************************
১ কানি = ২০ গন্ডা
১ গন্ডা = ২ শতক
১ শতক =২ কড়া
১ কড়া = ৩ কন্ট ১ কন্ট = ২০ তিল

ফুট এর হিসাবঃ
*****************
১ কানি = ১৭২৮০ বগফুট
১ গন্ডা = ৮৬৪ বফু
১ শতক= ৪৩৫.৬০ বফু
১ কড়া = ২১৭.৮ বফু
১ কন্ট = ৭২ বফু
১ তিল= ৩.৬ বফু

বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ
*********************************
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত
🥀🥀(প্রামাণ সাই)
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
#জমিদারি #জমি_পরিমান #জমি_মাপা #জমি_ক্রয়

14/06/2022

মা দের হাতে এক জোড়া সিটিগোল্ডের চুড়ি থাকে সবসময়। বছরের পর বছর তারা সেই চুড়ি পরে থাকে হাতে। সবচেয়ে বিশ্বস্ত দোকান থেকে তারা রঙ না উঠার গ্যারান্টি নিয়ে সেই চুড়ি কিনে আনে..!"

একসময় ঢাকা সারাদেশে আড়াইশো টাকা দামে ইন্ডিয়ান সূতি শাড়ি বাড়ি বাড়ি এনে বিক্রি করতো ফেরিওয়ালারা। মায়েরা, মায়ের বয়সী সবাই সেখানে ভীড় করে শাড়ি কিনতো। দামী কোন কাপড়ের দিকে তারা ফিরেও তাকাতো না। ইভেন এখনো, জোর করে কিনে না দিলে কোনো মা ই কখনো দামী কিছু কেনে না..!"

মা দের কখনো কোন পছন্দের খাবার খেতে ইচ্ছা করে না। মা দের কখনো কোন প্রিয় রঙ থাকে না। মা দের কোন শখ থাকে না । এই পৃথিবীতে তারা যেন শুধুই দিতে এসেছে।
মা কে কখনো যদি জিজ্ঞাসা করি,মা তোমার কি খেতে ভাল্লাগে সবথেকে?
মা হাসে! শুধুই হাসে! কোন স্পেসিফিক খাবারের নাম বলে না..!"

সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম মা কাজ করছে, বাইরে থেকে যখনি বাসায় আসতাম দেখতাম মা কাজ করছে। দুপুরে কোনোদিন ঘুমালেও ঘুম থেকে উঠে দেখতাম মা কাজ করছে। রাতের ঘুমানোর সময়টা বাদ দিয়ে মায়েরা ননস্টপ মেশিনের মত কাজ করতে পারে...!"

একটানা ফ্যামলির কাজ করার যে শক্তিটা মায়ের হাতে আছে সেটা এই পৃথিবীতে আর কারও নেই। বড় হবার পরেও একটা কামিজ বা শাড়ী ধুতে আমাদের প্রচুর কষ্ট হতো। আর সারামাসে জমানো বাড়ীর সকলের কাপর চোপড় সব মায়েরা হাসতে হাসতে যেন ধুয়ে ফেলে..!"

ছোটবেলায় ছোট করে চুল কাটতে বললে, বিকেলে খেলতে না গিয়ে পড়তে বসতে বললে, অতিরিক্ত শাসন করলে মায়ের উপর খুব রাগ হত। আর এখন, মায়ের একটা শাসন করা কথা, একটা ঝাড়ি শোনার জন্য ওয়েট করে থাকি। মা বকা দিলেও মনের মধ্যে কেমন একটা শান্তি শান্তি ভাব হয়..!"

পেঁয়াজ কাটতে গেলে তাদেরও চোখ ভেজে, কিছু একটা ভাজতে গেলে তেল ছিটে। মাছ কাটতে গেলে মা দেরও আঙুল কাটে। তবে তাদের এই গল্পগুলো আমাদের অজানা থাকে সবসময়। হয়ত তারাই জানতে দেন না..!"

মায়েদের সবথেকে কষ্টের মাস হল রোজার মাস। আমাদের স্কুল-কলেজ-অফিসের টাইম কমানো হয় রোজার মাসে। কিন্তু মায়েদের রুটিন আরও টাফ হয়। আজানের বিশ মিনিট আগে উঠে ভাত খেতেই আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যায় অথচ মায়েরা দুই ঘন্টা আগে উঠে রান্না শুরু করে। রোজা রেখেও সারাদিন একটার পর একটা কাজ লেগেই থাকে তাদের...!"

এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসা, সবচেয়ে বেশি মায়া।কোন বেনিফিট ছাড়া সব কাজ করার মানুষটা হল একমাত্র মা..!"

সকল মা দের প্রতি রইলো ভালোবাসা...! "❤️

নতুন মোটরযান আইনে শাস্তির ধারা ও দন্ড। #ধারা-৬৬ ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যাতিত মোটরযান ও গণপরিবহন চালনা শাস্তিঃ ৬ মাস কারাদন্...
07/06/2022

নতুন মোটরযান আইনে শাস্তির ধারা ও দন্ড।

#ধারা-৬৬ ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যাতিত মোটরযান ও গণপরিবহন চালনা
শাস্তিঃ ৬ মাস কারাদন্ড/ ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।
#ধারা-৬৭ ড্রাইভিং লাইসেন্স হস্তান্তর করলে
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড/ ৫০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৬৮ বিদেশী নাগরিক কর্তৃক প্রবিধানের কোন বিধান বা লাইসেন্সের শর্ত অমান্য করলে
শাস্তিঃ লাইসেন্স বাতিল,গাড়ি চালনা করতে পারবেন না/ ৩০০০০ টাকা জরিমান
#ধারা-৬৯ ভূয়া লাইসেন্স প্রস্তুত,প্রদান ও নবায়ন করলে
শাস্তিঃ ৬ মাস হতে ২ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড/ ১০০,০০০- ৫০০,০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা-৭০ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রত্যাহার, স্থগিত বা বাতিলকৃত ব্যাক্তি কর্তৃক গাড়ি চালনা
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড / ২৫,০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা-৭১ কন্ডাক্টর লাইসেন্স ব্যাতিত গণপরিবহনে কন্ডাক্টরের দায়িত্ব পালন করলে
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড/ ৫০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা- ৭২ রেজিস্ট্রেশন ব্যাতিত মোটরযান চালনা
শাস্তিঃ ৬ মাস কারাদন্ড/৫০,০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা- ৭৩ ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন নম্বর প্রদর্শন ও ব্যবহার
শাস্তিঃ ৬ মাস হতে ২ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড/ ১০০,০০০ টাকা -৫০০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
#ধারা-৭৪ মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন না করিলে
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড/ ৫০০০ টাকা জরিমান।
#ধারা-৭৫ ফিটনেস বিহীন অথবা মেয়াদউত্তীর্ণ মোটরযান চালনা করিলে
শাস্তিঃ ৬ মাস কারাদন্ড/ ২৫,০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা- ৭৬ টেক্সটোকেন বিহীন/ মেয়াদউত্তীর্ণ মোটরযান চালনা
শাস্তিঃ ১০০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৭৭ রুটপারমিট বিহীন/ মেয়াদউত্তীর্ণ মোটরযান চালনা
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড / ২০,০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৭৮ বিদেশী নাগরিক কর্তৃক নিজ দেশের মোটরযানের রুটপারমিট গ্রহণ না করিলে
শাস্তিঃ ৩০০০০ টাকা জরিমানা
#ধারাঃ ৭৯ ব্যক্তিগত মোটরযান বানিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করিলে,
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড / ২৫০০০ টাকা জরিমানা এবং ১ পয়েন্ট কর্তন।
#ধারা- ৮০ গণপরিবহনে ভাড়ার চার্ট প্রদর্শনে ব্যর্থ এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং ১ পয়েন্ট কর্তন।
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড/১০০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৮১ কন্ট্রাক্ট ক্যারিজের( সিএনজি) মিটার অবৈধভাবে পরিবর্তন,অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা দাবি করা।
শাস্তিঃ ৬ মাস কারাদন্ড/৫০০০০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ১ পয়েন্ট কর্তন।
#ধারা-৮২ মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করলে বা তাৎক্ষনিক অপসারণ না করলে।
শাস্তিঃ ২ বছরের কারাদন্ড/ ৫০০০০-৫০০,০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা-৮৪ মোটরযানে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যাতিত মোটরযানের আকার পরিবর্তন করলে,
শাস্তিঃ ১ বছর হতে ৩ বছর কারাদন্ড/ ৩০০,০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা- ৮৫ ট্রাফিক সাইন বা সংকেত অমান্য করলে
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড/ ১০০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৮৬ অতিরিক্ত ওজন বহন করলে
শাস্তিঃ ১ বছরের কারাদন্ড/ ১০০০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৮৭ মোটরযানে নির্দিষ্ট গতিসীমা লংঘন করলে
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড/ ১০০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা-৮৮ নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত মাত্রার শব্দ সৃষ্টি বা হর্ণ বাজানো বা কোন যন্ত্র স্থাপন
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড/ ১০০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা-৮৯ পরিবেশ দূষনকারী কালো ধোয়া বা এইরূপ গাড়ি ঝুকিপূর্ণ গাড়ি চালনা
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড /২৫০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা- ৯০ অবৈধ পার্কিং বা নির্দিষ্ট স্থান ব্যাতিত যাত্রী বা পন্য উঠানামা করা
শাস্তিঃ ৫০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা-৯১ মহাসড়কে দ্রুতগতির বিধিবিধান লংঘন করলে
শাস্তিঃ ৫০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা- ৯২ (১)মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলী লংঘন করলে- ( মদ্যপান সেবন,কন্ডাক্টর কর্তৃক গাড়ি চালনা,উল্টো পথে গাড়ি চালনা,মোটরসাইকেলে ৩ জন আরোহন ও হেলমেট বিহীন চালনা,চলন্ত অবস্থায় যাত্রী উঠানামা করা ও ফুটপাতে গাড়ি চালনা)
শাস্তিঃ ৩ মাস কারাদন্ড / ১০০০০ টাকা জরিমানা।
#ধারা- ৯২ (২) মোটরযান চলাচলের সাধারণ নির্দেশাবলীর ২য় অংশের লংঘন (মোবাইল ফোনে কথা,সিটবেল্ট না বাধা,খারাপ আচরণ,অতিরিক্ত যাত্রী বহন,সংরক্ষিত আসনে অন্য যাত্রী বহন)
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড/ ৫০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা- ৯৩ বিস্ফোরক বা দাহ্য পদার্থ মোটরযানে পরিবহন
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড বা ৫০০০ টাকা জরিমানা
#ধারা-১০২ আদেশ পালন ও তথ্য প্রদানে অপারগতা
শাস্তিঃ ১ মাস কারাদন্ড /১০০০০ হাজার টাকা জরিমানা।

জরিমানার টাকা বিভিন্ন স্থানে কিছুটা কম বেশি আছে।

Address

Bandar
Narayanganj
1400

Telephone

+8801766766066

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LAW HOUSE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to LAW HOUSE:

Share