Ahasan’s Chambers

Ahasan’s Chambers Any type of legal services (Civil/ Criminal/ Corporate Matters)

রামিসা হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি প্রতিদিন আইনের ভাষা দে...
24/05/2026

রামিসা হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি প্রতিদিন আইনের ভাষা দেখি, কিন্তু কিছু ঘটনা আছে যেখানে আইনের ধারা-উপধারার বাইরেও মানুষের হৃদয় রক্তাক্ত হয়। রামিসার ঘটনাও তেমনই একটি নির্মম বাস্তবতা।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা তথ্য, বক্তব্য ও Section 164 CrPC এর অধীনে দেওয়া জবানবন্দিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তবে আইনের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি—Section 164 এর অধীনে দেওয়া সাক্ষ্য বা জবানবন্দি কোনো “conclusive evidence” নয়। এটি আদালতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে, কিন্তু সেটি অবশ্যই অন্যান্য সাক্ষ্য, পারিপার্শ্বিক আলামত, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং আদালতে সাক্ষীর জেরা (cross-examination) এর মাধ্যমে যাচাই ও মূল্যায়নের বিষয়।

আমরা প্রায়ই বিচার চাই, কিন্তু বিচার মানে শুধু দ্রুত শাস্তি নয়—বিচার মানে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত; বিচার মানে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্রকৃত অপরাধী কোনোভাবেই পার পাবে না, আবার আবেগের বশে নির্দোষ কেউও যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

এই ঘটনায় রাষ্ট্র, তদন্ত সংস্থা ও বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা এখন একটি বড় প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে। তাই প্রয়োজন—

➤ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত
➤ ডিজিটাল ও ফরেনসিক প্রমাণের যথাযথ সংরক্ষণ
➤ সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
➤ এবং দ্রুততম সময়ে আইনানুগ বিচার সম্পন্ন করা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমাদের সমাজে নারীর নিরাপত্তা এখন আর কেবল “সামাজিক ইস্যু” নয়; এটি সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকারের প্রশ্ন।

রামিসার জন্য ন্যায়বিচার হোক।
কিন্তু সেই বিচার যেন হয় আইনের শক্ত ভিত্তির ওপর, জনতার আবেগের ওপর নয়।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আগে ২/১ দিন হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলো কিছুটা লিবারেল ছিল—অর্থাৎ যুক্তিসঙ্গত ও ভালো গ...
20/05/2026

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আগে ২/১ দিন হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলো কিছুটা লিবারেল ছিল—অর্থাৎ যুক্তিসঙ্গত ও ভালো গ্রাউন্ড থাকলেই জামিন মঞ্জুর হচ্ছিল। আমিও টানা শুনানি শেষে ৩টি ফৌজদারি মামলায় আসামিপক্ষের পক্ষে জামিন আদেশ পেয়েছি। এর মধ্যে একটি ছিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা এবং বাকি দুটি ছিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মামলা।

আইনি লড়াইয়ের বাইরেও মানুষের গল্প শুনতে আমি সবসময়ই ভালোবাসি।

কোর্টরুমের বাইরে অপেক্ষমাণ পরিবারের উদ্বিগ্ন মুখ, বারবার ফোন হাতে নিয়ে খবর জানতে চাওয়া মা, কিংবা “ভাই, একটা ভালো খবর দেন…” — এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই আমাদের পেশাকে কেবল একটি পেশা নয়, বরং একটি দায়িত্বে পরিণত করে।

আজ এক মায়ের চোখে স্বস্তির অশ্রু দেখেছি।
এক বৃদ্ধ বাবাকে আদালতের করিডোরে নীরবে দাঁড়িয়ে দোয়া করতে দেখেছি।
আর আবারও উপলব্ধি করেছি—
একটি জামিন আদেশ অনেক সময় একটি পরিবারের জন্য শুধু আইনি স্বস্তিই নয়, মানসিক মুক্তিও বয়ে আনে।

আইনের ছাত্র হিসেবে শিখেছিলাম—
“Bail is the rule, jail is the exception.”

বাস্তবে সেই নীতির প্রতিফলন দেখতে সত্যিই ভালো লাগে।

প্রতিটি শুনানি আমাকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—
একজন আইনজীবীর কাজ শুধু আইনের ধারা পড়া নয়;
মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার সংগ্রামে পাশে দাঁড়ানোও।

সকল সিনিয়র, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া, সহযোগিতা ও শুভকামনার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অফ বাংলাদেশ

20/03/2026
জাল দলিল (Fake Deed) চেনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জমিজমা নিয়ে প্রতারণার অধিকাংশ ঘটনাই হয় জাল দলিল বা ভুয়া স্বাক্ষরের ...
16/07/2025

জাল দলিল (Fake Deed) চেনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ জমিজমা নিয়ে প্রতারণার অধিকাংশ ঘটনাই হয় জাল দলিল বা ভুয়া স্বাক্ষরের মাধ্যমে। নিচে আমি পেশাদার ও ব্যবহারিকভাবে জাল দলিল চেনার ১০টি নিয়ম বা লক্ষণ দিচ্ছি — আপনি একটু সচেতন হলে সহজেই যাচাই করতে পারবেন::

---

✅ জাল দলিল চেনার ১০টি প্রধান নিয়ম:

১. ✅ রেজিস্ট্রি অফিসের সিল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর যাচাই করুন।।

দলিলে থাকা রেজিস্ট্রি নম্বর, সাল, বই নম্বর ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নাম মূল রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে বা অনলাইনে যাচাই করুন।।

অনেক সময় জাল দলিলে মালিকানা আছে, কিন্তু রেকর্ডে পাওয়া যায় না।।

---

২. ✅ সাক্ষর ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষা করুন:

দলিলদাতার স্বাক্ষর ও আঙুলের ছাপ যাচাই করুন।

সন্দেহ হলে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষিত Digital Fingerprint/Signature Image এর সাথে মিলিয়ে দেখুন।।

---

৩. ✅ জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার (ভুয়া NBR কাগজ)

দলিলের স্ট্যাম্প কাগজ (Stamp Paper) ও তার নম্বর যাচাই করুন। ভুয়া দলিলগুলোতে:

পুরনো কাগজ ব্যবহার হয়

বা নকল স্ট্যাম্প সিল দেওয়া থাকে
👉 স্ট্যাম্প অফিসে যাচাই করুন এই দলিলের স্ট্যাম্প আসল কিনা।।

---

৪. ✅ তারিখে অসামঞ্জস্য:

দলিলে লেখা তারিখ, সাক্ষর, রেজিস্ট্রি তারিখ এবং নথিভুক্তির তারিখে গরমিল থাকলে সন্দেহ করুন।।

কখনো কখনো পূর্ববর্তী তারিখে দলিল তৈরি করে জাল রেজিস্ট্রি দেখানো হয়।।

---

৫. ✅ খতিয়ান ও মৌজা তথ্য যাচাই করুন:

দলিলে উল্লিখিত খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, JL নম্বর CS/SA/RS/BS খতিয়ানের সাথে মিলিয়ে দেখুন।

কোনো রেকর্ডে জমি অন্য কারো নামে, অথচ দলিলে অন্য কারো নামে দেখানো হলে তা জাল বা পক্ষান্তরহীন দলিল হতে পারে।।

---

৬. ✅ পূর্ববর্তী মালিকদের তথ্য পরীক্ষা করুন

দলিল যদি বলে "উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া", তাহলে সেই উত্তরাধিকারদের নাম মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ সার্টিফিকেট দিয়ে যাচাই করুন।।

---

৭. ✅ রেফারেন্স চেইন পরীক্ষা করুন (Deed Chain of Title)

দলিলের আগে-পরে কার কাছে জমি ছিল, সেটা ঠিকমতো লিখা আছে কিনা দেখুন।।

একাধিক মালিক দেখানো হলেও মালিকানার ইতিহাস অস্পষ্ট হলে দলিলটি জাল হতে পারে।।

---

৮. ✅ সাক্ষীদের পরিচয় যাচাই করুন:

সাক্ষীদের নাম, পিতার নাম, পরিচয়পত্র মিলিয়ে দেখুন।।

অনেক সময় জাল দলিলে ভুয়া সাক্ষী বা মৃত সাক্ষীর নাম থাকে।।

---

৯. ✅ ফটোকপি নয়, মূল দলিল বা Certified Copy ব্যবহার করুন:

কখনো শুধু ফটোকপি দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন না।।

রেজিস্ট্রি অফিস থেকে দলিলের সত্যায়িত কপি (Certified Copy) সংগ্রহ করুন।।

---

১০. ✅ দলিলের ভাষা ও বানানে ভুল

জাল দলিল তৈরির সময় আইনি ভাষায় গড়মিল, বানানে ভুল বা অপ্রাসঙ্গিক শব্দ থাকে।।

---

🔍 বোনাস টিপস: কোনটা কিভাবে যাচাই করবেন?

১)- রেজিস্ট্রি নম্বর ও দলিল কপি যাচাই করুন সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে।।

২)- দলিল অনুযায়ী রেকর্ড মিলিয়ে দেখুন ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা AC Land অফিস থেকে।।

৩)- ফিঙ্গারপ্রিন্ট যাচাই করুন সাব-রেজিস্ট্রি অফিস বা ফরেনসিক ল্যাব থেকে।।

৪)- মালিকানার ইতিহাস দেখ নিন ডিসি অফিস বা জেলা রেকর্ডরুম থেকে।।

৫)- অনলাইন দলিল যাচাই www.eporcha.gov.bd থেকে।।
(যদি সংযুক্ত থাকে)

---

📌 উপসংহার:

জমি কিনতে গেলে শুধু জমি দেখে নয়, দলিল ও রেকর্ড দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। একাধিক পয়েন্ট থেকে যাচাই না করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।।

**Collected**

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (Legal Aid Services Act, 2000) এ  কিছু পরিবর্তন এসেছে। তফসিল বর্ণিত আইনে বিরোধ নিস্পত্তির...
02/07/2025

আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (Legal Aid Services Act, 2000) এ কিছু পরিবর্তন এসেছে।

তফসিল বর্ণিত আইনে বিরোধ নিস্পত্তির ক্ষেত্রে প্রথমে লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে মধ্যস্থতার চেষ্টা করতে হবে। মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান না হলে এরপর মামলা দায়ের করতে হবে। মধ্যস্থতা চেষ্টার সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

24/04/2025

👉 একাধিক কাবিন নামা থাকলে- কোনটি বৈধ হবে??

পরিবার ছাড়া লুকিয়ে বিয়ে করেন, তখন কাবিন করা হয় একটা আবার পরিবার মেনে নেওয়ার পর সামাজিক ভাবে আগে কাবওনের কথা গোপন রেখে আবার কাবিন করা হয়। তবে এক্ষেত্রে ৯৯.৯% মানুষেরই কাবিনের দেনমোহরের পরিমানের ভিন্নতা দেখা যায়। সামাজিক ভাবে কাবিনের সময় পুরুষ ইগোকে উর্ধ্বে রাখতে কাবিনে দেনমোহরের পরিমানটা থাকে অনেকেরই সাধ্যের বাইরের। বিপত্তি বাধে তখন যখন পরিবারটি সঠিন ভাবে পরিচালনা করতে তারা দুজনেই ব্যার্থ হন। পুরুষ চায় প্রথম কাবিনের নির্ধারিত দেনমোহর পরিশোধ করতে আর নারী চান সেকেন্ড কাবিনের নির্ধারিত দেনমোহর। কখনো কখনো বিচারিক ক্ষেত্রে ও তৈরি হয় বিভ্রান্তিকর পারিস্থিতি।

আবার কখনো পারিবারিক বিয়ের সময় দেনমোহর কম ধরা হলে, নারীটিকে ঠকানো হয়েছে এমনটা মনে করে স্বামী ব্যাক্তিটি সেকেন্ড কাবিন করেন স্ত্রীকে জিতিয়ে দিতে একটু বেশী দেনমোহরের পরিমান লিখে। বিপত্তি বাধে যখন দুর্ভাগ্যবশত বিবাহিত জীবন তালাক ( divorce) পর্যন্ত গড়ায় 🥲

আবার অনেকে বিদেশে যাওয়ার জন্য, বিভিন্ন সরকারী অফিসে ব্যাবহারের জন্য ও সার্টিফিকেট ও কাবিন নামার সকল তথ্য মিল রাখতেও সেকেন্ড কাবিন রেজিষ্ট্রেশন করে থাকেন।

আসুন জানি একাধিক কাবিন হলে কোন কাবিনটি কার্যকর হবে।

আমরা সকলেই জানি, বিবাহ হলো একটি প্রচলিত সামাজিক বন্ধন বা বৈধ চুক্তি যার মাধ্যমে দু'জন ভিন্ন বিপরীত লিঙ্গের মানুষের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্ক স্থাপিত হয়। বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণ ভাবে বিবাহ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যার মাধ্যমে দু'জন মানুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও যৌন সম্পর্ক সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে। এবং সন্তান জন্মদানের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

মোদ্দা কথা কাবিন নামা হলো দুইজন মানুষের বৈবাহিক জীবন শুরু করার একটি বৈধ চুক্তি। আর দেনমোহর হলো পুরুষ কর্তৃক প্রদেয় সম্মানি। যা ইসলামিক শরীয়া মোতাবেক বৈবাহিক জীবন শুরু করার আগেই পরিশোধ করার নিয়ম ও স্ত্রীর নিকট স্বামীর দেনা।

নোটঃ সেকেন্ড কাবিনের বিষয়টা যদি এমন হয় যে প্রথমবার যে কাবিন রেজিষ্ট্রেশন হয়েছে, সেটাতে কিছু ভুল (irregularities) ছিল। যেমন পাত্র বা পাত্রীর বয়স কম থাকা, সাক্ষীদের নাম বা ঠিকানায় কোন ভুল থাকা -- ইত্যাদি irregularities দূর করার জন্য যদি দ্বিতীয়বার কাবিন রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন দেখা দেয় সেই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় রেজিস্ট্রেশনটা বৈধ ধরে নিতে হবে। আর প্রথম বিবাহে যদি কোন irregularities না থাকে অর্থাৎ প্রথম বিবাহটা যদি বৈধ হয় সেই ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বিবাহটা অনাবশ্যক, অপ্রয়োজনীয়, বাহুল্য এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিবেচনায় ভয়েড এ্যাব ইনিশিয়ো ( void ab initio) ।এই ক্ষেত্রে প্রথম রেজিস্ট্রেশনটা বৈধ বিবেচনায় ওই রেজিস্ট্রেশনের শর্ত পরবর্তী বিরোধ নিষ্পত্তিতে বিবেচনায় নিতে হবে। অর্থাৎ প্রথম কাবিনটাই বহাল থাকবে, সেই অনুপাতেই মামলার নিষ্পত্তি হবে। সোজাসাপটা কথা হলো বিবাহের ক্ষেত্রে কাবিন নামা যেহেতু একটি বৈধ চুক্তি সেহেতু একই ব্যাক্তিদের মধ্যে একই বিষয়ে পুর্ববর্তী চুক্তি বহাল থাকা অবস্থায় সেইম বিষয়ে চুক্তি বাতিলযোগ্য।।

void ab initio কি??

Void means without legal effect. 'Ab initio' is a Latin term meaning “from the beginning”.

Void ab initio, therefore, means an action that never had legal effect.

A void act cannot be rectified to become enforceable because it is deemed as though it never occurred, and the parties are placed in their original positions.

In terms of legislation, for example, a statute enacted in excess of power or an unconstitutional provision of an act are void ab initio, that is, they are inoperative as if they had never been passed.

According to contract law, a contract may be “void ab initio”. This means that the contract must be treated as invalid from the moment that it was entered into, rather than when the court made a decision on the matter.

The effect of a contract being void ab initio is that the contract has no binding power over any of the parties.

A circumstance that may render a contract void ab initio is when a contract is invalid due to common mistake of a material fact or for duress..

আরো সহজ করে যদি বলি -"void ab initio " শব্দের অর্থ "শুরু থেকেই অবৈধ হিসাবে বিবেচিত হবে।" যেমন, অনেক বিচারব্যবস্থায় , যদি একজন ব্যক্তি বাধ্য হয়ে একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, তাহলে সেই চুক্তিটিকে " শুরু থেকেই অকার্যকর " হিসাবে গণ্য করা হয়।। সুতরাং বিবাহ যেহেতু একটি সামাজিক বৈধ চুক্তি সেহেতু কোন বৈধ কারন যেমন পাত্র / পাত্রীর বয়স বা সাক্ষীদের নাম ঠিকানা 'র মতো গুরুতর ভুল সংশোধন করার প্রয়োজনীয়তা ছাড়া, জোর করে, দেনমোহর এর পরিমান বাড়াতে বা কোন ভাবে স্বামী/ স্ত্রীকে প্রত্যারিত করতে সেকেন্ড কাবিন করে থাকলে সেটা আদালতে অকার্যকর বলে গন্য হবে।

**Collected**

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা (শুভ নববর্ষ ১৪৩২)
14/04/2025

সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা (শুভ নববর্ষ ১৪৩২)

বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গত ২৪ জুলাই ২০২৪, চুক্তি কার্যকর বিষয়ক দুটি সিভিল পিটিশনে (৪৯৪ এবং ৪৯৫ অব ২০১৮) বিচ...
20/03/2025

বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গত ২৪ জুলাই ২০২৪, চুক্তি কার্যকর বিষয়ক দুটি সিভিল পিটিশনে (৪৯৪ এবং ৪৯৫ অব ২০১৮) বিচারিক/ আপিল আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত নিম্নবর্ণিত রায় প্রদান করেনঃ
পটভূমি:

উত্তরার একটি ফ্ল্যাট বিক্রয় নিয়ে বিরোধ ছিল। বাদী, শেহানা নিয়ামত, দাবি করেন যে বিক্রেতা (বিবাদী) ফ্ল্যাটটি ১৮,২০,০০০ টাকায় বিক্রয়ের মৌখিক চুক্তি করেছিলেন যার মধ্যে ১২,০০,০০০ টাকা ইতিমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। তবে, বিবাদী এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন যে বাদী শুধু ভাড়াটিয়া।

আদালতের কার্যক্রম:
• ট্রায়াল কোর্ট বাদীর চুক্তি বাস্তবায়নের মামলা খারিজ করে।
• হাইকোর্ট ডিভিশন রায় উল্টে বাদীর পক্ষে রায় দেয় এবং ফ্ল্যাটের মূল্য ৩৬,০০,০০০ টাকা নির্ধারণ করে, বাদীকে বাকি ২৪,০০,০০০ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়।
সুপ্রিম কোর্টের রায়:
• আপিল বিভাগ মৌখিক চুক্তির প্রমাণ যথেষ্ট নয় বলে মনে করে।
• হাইকোর্ট ডিভিশন তাদের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে ফ্ল্যাটের মূল্য নির্ধারণ করেছে বলে জানায়।
• হাইকোর্টের রায় বাতিল করে বিবাদীকে ১২,০০,০০০ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

মূল আইনগত বিষয়বস্তু:
• একটি চুক্তি কার্যকর করার মামলায়, বিচারিক আদালত বা আপিল আদালতের কোন এখতিয়ার/ক্ষমতা নেই যে তারা তাদের বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে চুক্তির শর্তাবলী উপেক্ষা করে মামলার সম্পত্তির মূল্য নতুন করে নির্ধারণ করবে। আদালত চুক্তির শর্তাবলী অতিক্রম করে সম্পত্তির মূল্য বা বিনিময়ের পরিমাণ পুনঃনির্ধারণ করতে পারে না এবং চুক্তিতে কোন শর্ত আরোপ বা যুক্ত করতে পারে না।

**Collected**

18/03/2025

ভুমি মন্ত্রণালয় ১১/০২/২০২৫ ইং তারিখে একটি পরিপত্রের মাধ্যমে নামজারি করতে বন্টননামা দলিল এর প্রয়োজনীয়তা শিথিল করেছে।

** পরিপত্রের কপি প্রথম কমেন্ট এ**

***এজাহার ও FIR কি একই বিষয়?***এজাহার ও FIR কে অনেকেই একই বিষয় ভাবেন। কিন্তু আইনের চোখে এই দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন দলি...
18/03/2025

***এজাহার ও FIR কি একই বিষয়?***

এজাহার ও FIR কে অনেকেই একই বিষয় ভাবেন। কিন্তু আইনের চোখে এই দুটো সম্পূর্ণ ভিন্ন ভিন্ন দলিল। দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ১৮৯৮ এর ১৫৪ ধারায় বর্ণিত তথ্যকে (Information) মূলত প্রচলিত বাংলায় ‘এজাহার’ বলা হয়। পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল ১৯৪৩ এ এই ১৫৪ ধারার তথ্যকেই ‘প্রাথমিক তথ্য’ (First Information) বলা হয়েছে।

এজাহার দায়েরের পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ১৮৯৮ এর ১৫৭ ধারা অনুযায়ী এজাহার অনুসারে একটা রিপোর্ট তৈরি করেন। এই রিপোর্টটিই এজাহারের রিপোর্ট বা ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (FIR) বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী।

কাজেই এজাহার আর FIR এক বিষয় নয়, কারণ একটা এজাহার এবং আরেকটা তার রিপোর্ট। তবে এজাহারকে তথ্য (information) বা প্রাথমিক তথ্য (FI) বলা যেতে পারে, তবে প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) বলার সুযোগ নেই।

এজাহার ও FIR এর মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান।

১। এজাহারে অপরাধের ঘটনার বর্ণনা থাকে কিন্তু FIR এ পুরো ঘটনার বর্ণনা থাকে না, শুধু অপরাধের নামটা থাকে।
২। এজাহারে অপরাধের ধারা ও আইন উল্লেখ থাকে না। কিন্তু FIR এ অপরাধের ধারা ও আইন উল্লেখ থাকে।
৩। এজাহারে মামলা থানায় দায়েরের সময় এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের সময় উল্লেখ থাকার সুযোগ নেই। তবে FIR এ এই সময় উল্লেখ থাকে।
৪। এজাহার সিআরপিসির ১৫৪ ধারার বিষয় এবং FIR সিআরপিসির ১৫৭ ধারার বিষয়।

ফলে দি কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ১৮৯৮ এর ১৫৬(৩) ধারার ক্ষমতাবলে আদালত তার নিকট দায়েরকৃত নালিশী দরখাস্তকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার আদেশ দিতে পারেন, কিন্তু FIR করার আদেশ দিতে পারেন না বা সেটা সম্ভবও না। থানার OC মূলত এজাহার দেখে FIR তৈরি করেন।

**Collected**

Address

Narayanganj
1400

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801782199938

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahasan’s Chambers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahasan’s Chambers:

Share

Category