Ahasan’s Chambers

Ahasan’s Chambers Any type of legal services (Civil/ Criminal/ Corporate Matters)

উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই এমন কাস্টডি-সংক্রান্ত বিরোধ দেখি, যেখানে বাবা ও মা—উভয়েই সন্তানের প্র...
22/07/2026

উচ্চ আদালতে আইনজীবী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই এমন কাস্টডি-সংক্রান্ত বিরোধ দেখি, যেখানে বাবা ও মা—উভয়েই সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসা থেকে তাকে নিজের কাছে রাখতে চান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে, অনেক ক্ষেত্রে সেই ভালোবাসার লড়াইই শিশুটির জন্য মানসিক চাপ, অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বাস্তবে দেখা যায়, সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর পারস্পরিক অভিমান, ক্ষোভ কিংবা অহমিকা অনেক সময় আইনি বিরোধকে আরও জটিল করে তোলে। আদালতের বাইরে যে বিষয়টি আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান হতে পারত, সেটিই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ায় রূপ নেয়। আর সেই দীর্ঘ লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় সেই শিশুকেই, যার কোনো দোষ নেই।

বাংলাদেশের পারিবারিক আইন এবং বিচারিক নীতিতে সন্তানের কাস্টডি নির্ধারণের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক নীতি বারবার প্রতিফলিত হয়েছে—“Welfare of the Child” (সন্তানের সর্বোত্তম কল্যাণ)। অর্থাৎ, আদালত কেবল বাবা বা মায়ের আইনগত অধিকার বিবেচনা করেন না; বরং শিশুর বয়স, মানসিক ও শারীরিক বিকাশ, নিরাপত্তা, শিক্ষা, আবেগগত স্থিতি এবং সামগ্রিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন।

আইনজীবী হিসেবে আমাদের ভূমিকাও কেবল আদালতে যুক্তি উপস্থাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অনেক সময় ক্লায়েন্টকে বাস্তবতা বোঝানো, অপ্রয়োজনীয় সংঘাত এড়াতে উৎসাহিত করা এবং সন্তানের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ খুঁজে বের করাও আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের অংশ।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়, অধিকাংশ শিশু বাবা-মা—উভয়ের ভালোবাসা, সান্নিধ্য ও মানসিক সমর্থনেই সবচেয়ে নিরাপদ বোধ করে। তাই দাম্পত্য সম্পর্কের অবসান হলেও, অভিভাবকত্বের দায়িত্বের অবসান হয় না।

আসুন, আমরা মনে রাখি—কাস্টডি মামলায় প্রকৃত বিজয়ী সেই পক্ষ নয়, যে আদালতের আদেশ পায়; প্রকৃত বিজয় তখনই, যখন একটি শিশুর শৈশব, মানসিক সুস্থতা এবং ভবিষ্যৎ অপ্রয়োজনীয় সংঘাত থেকে রক্ষা পায়।

শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থই হোক প্রতিটি কাস্টডি বিরোধের মূল বিবেচনা।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়,
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

We are delighted to share an important milestone for our Chambers.As part of our continued commitment to providing more ...
14/07/2026

We are delighted to share an important milestone for our Chambers.

As part of our continued commitment to providing more accessible and efficient legal services to our valued clients in Narayanganj, our Head of Chambers, Barrister Md. Ahasan Uddin Niloy, Advocate, Supreme Court of Bangladesh, has officially been enrolled as a Member of the Narayanganj District Bar Association (NDBA)

This Membership, further strengthening our Chambers’ ability to represent and assist clients before the Courts in Narayanganj with greater convenience and efficiency.

Professional Memberships of Our Head of Chambers:

• Member, Narayanganj District Bar Association (2026)
• Member, Dhaka Bar Association (2018 Batch)
• Member, Supreme Court Bar Association (2022 Batch)
• Member, Dhaka Taxes Bar Association

We remain dedicated to delivering professional, effective, and client-focused legal services with integrity and excellence.

শ্রম আইন পরিবর্তন হয়েছে—আপনার প্রতিষ্ঠান কি প্রস্তুত, নাকি এখনও পুরোনো নিয়মেই চলছে?অনেক নিয়োগকর্তাই মনে করেন, শ্রম আই...
01/07/2026

শ্রম আইন পরিবর্তন হয়েছে—আপনার প্রতিষ্ঠান কি প্রস্তুত, নাকি এখনও পুরোনো নিয়মেই চলছে?

অনেক নিয়োগকর্তাই মনে করেন, শ্রম আইন কেবল শ্রমিক বা কারখানার বিষয়। বাস্তবে, দেশের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান—কর্পোরেট অফিস, ই-কমার্স, আইটি কোম্পানি, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাত—শ্রম আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধানের আওতায় বিভিন্ন ধরনের আইনি দায়বদ্ধতার মুখোমুখি হতে পারে।

সাম্প্রতিক শ্রম আইন সংশোধনের ফলে কর্মীদের অধিকার, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ, শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং নিয়োগকর্তার কমপ্লায়েন্স সংক্রান্ত বিষয়ে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনেক সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের HR Policy, Employment Contract, Service Rules কিংবা Disciplinary Procedure বছরের পর বছর হালনাগাদ করা হয় না। কিন্তু কোনো অভিযোগ, শ্রম আদালতের মামলা বা সরকারি তদন্ত শুরু হওয়ার পর এসব নথির ত্রুটিই প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় আইনি ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

প্রতিরোধ সবসময় প্রতিকারের চেয়ে সহজ ও কম ব্যয়বহুল। তাই এখনই সময় আপনার প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা, চুক্তিপত্র এবং কমপ্লায়েন্স কাঠামো বর্তমান আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পর্যালোচনা করার।

আইন মেনে পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান শুধু আইনি ঝুঁকি কমায় না, বরং কর্মীদের আস্থা, প্রতিষ্ঠানের সুনাম এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত করে।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়,
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

30/06/2026

যেকোনো মামলার ভবিষ্যৎ অনেকাংশেই নির্ভর করে তার শুরুর দিকের সঠিক পদক্ষেপগুলোর ওপর।

ভুল কৌশল, পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব, কিংবা অদক্ষ পরিচালনার কারণে অনেক শক্তিশালী মামলাও দুর্বল হয়ে যায়। পরে উচ্চ আদালতে এসে সেই ভুলগুলো সংশোধনের সুযোগ খুবই সীমিত থাকে।

তাই মামলার (সিভিল অথবা ক্রিমিনাল) শুরু থেকেই একজন সৎ, দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে মামলা পরিচালনা করলে দীর্ঘ সময়, অর্থ এবং অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

মামলা শুধু জেতার বিষয় নয়; সঠিকভাবে পরিচালনা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়,
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট

28/06/2026

এআই ভিত্তিক ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বি....

26/06/2026
রামিসা হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি প্রতিদিন আইনের ভাষা দে...
24/05/2026

রামিসা হত্যাকাণ্ড শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি প্রতিদিন আইনের ভাষা দেখি, কিন্তু কিছু ঘটনা আছে যেখানে আইনের ধারা-উপধারার বাইরেও মানুষের হৃদয় রক্তাক্ত হয়। রামিসার ঘটনাও তেমনই একটি নির্মম বাস্তবতা।

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা তথ্য, বক্তব্য ও Section 164 CrPC এর অধীনে দেওয়া জবানবন্দিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তবে আইনের দৃষ্টিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখা জরুরি—Section 164 এর অধীনে দেওয়া সাক্ষ্য বা জবানবন্দি কোনো “conclusive evidence” নয়। এটি আদালতের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে, কিন্তু সেটি অবশ্যই অন্যান্য সাক্ষ্য, পারিপার্শ্বিক আলামত, ফরেনসিক রিপোর্ট এবং আদালতে সাক্ষীর জেরা (cross-examination) এর মাধ্যমে যাচাই ও মূল্যায়নের বিষয়।

আমরা প্রায়ই বিচার চাই, কিন্তু বিচার মানে শুধু দ্রুত শাস্তি নয়—বিচার মানে একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক তদন্ত; বিচার মানে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে প্রকৃত অপরাধী কোনোভাবেই পার পাবে না, আবার আবেগের বশে নির্দোষ কেউও যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

এই ঘটনায় রাষ্ট্র, তদন্ত সংস্থা ও বিচার ব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা এখন একটি বড় প্রশ্নের সামনে দাঁড়িয়ে। তাই প্রয়োজন—

➤ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত
➤ ডিজিটাল ও ফরেনসিক প্রমাণের যথাযথ সংরক্ষণ
➤ সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
➤ এবং দ্রুততম সময়ে আইনানুগ বিচার সম্পন্ন করা

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমাদের সমাজে নারীর নিরাপত্তা এখন আর কেবল “সামাজিক ইস্যু” নয়; এটি সাংবিধানিক অধিকার ও মানবাধিকারের প্রশ্ন।

রামিসার জন্য ন্যায়বিচার হোক।
কিন্তু সেই বিচার যেন হয় আইনের শক্ত ভিত্তির ওপর, জনতার আবেগের ওপর নয়।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আগে ২/১ দিন হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলো কিছুটা লিবারেল ছিল—অর্থাৎ যুক্তিসঙ্গত ও ভালো গ...
20/05/2026

প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের আগে ২/১ দিন হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মোশন বেঞ্চগুলো কিছুটা লিবারেল ছিল—অর্থাৎ যুক্তিসঙ্গত ও ভালো গ্রাউন্ড থাকলেই জামিন মঞ্জুর হচ্ছিল। আমিও টানা শুনানি শেষে ৩টি ফৌজদারি মামলায় আসামিপক্ষের পক্ষে জামিন আদেশ পেয়েছি। এর মধ্যে একটি ছিল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলা এবং বাকি দুটি ছিল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের মামলা।

আইনি লড়াইয়ের বাইরেও মানুষের গল্প শুনতে আমি সবসময়ই ভালোবাসি।

কোর্টরুমের বাইরে অপেক্ষমাণ পরিবারের উদ্বিগ্ন মুখ, বারবার ফোন হাতে নিয়ে খবর জানতে চাওয়া মা, কিংবা “ভাই, একটা ভালো খবর দেন…” — এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই আমাদের পেশাকে কেবল একটি পেশা নয়, বরং একটি দায়িত্বে পরিণত করে।

আজ এক মায়ের চোখে স্বস্তির অশ্রু দেখেছি।
এক বৃদ্ধ বাবাকে আদালতের করিডোরে নীরবে দাঁড়িয়ে দোয়া করতে দেখেছি।
আর আবারও উপলব্ধি করেছি—
একটি জামিন আদেশ অনেক সময় একটি পরিবারের জন্য শুধু আইনি স্বস্তিই নয়, মানসিক মুক্তিও বয়ে আনে।

আইনের ছাত্র হিসেবে শিখেছিলাম—
“Bail is the rule, jail is the exception.”

বাস্তবে সেই নীতির প্রতিফলন দেখতে সত্যিই ভালো লাগে।

প্রতিটি শুনানি আমাকে নতুন করে মনে করিয়ে দেয়—
একজন আইনজীবীর কাজ শুধু আইনের ধারা পড়া নয়;
মানুষের অধিকার, মর্যাদা এবং ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার সংগ্রামে পাশে দাঁড়ানোও।

সকল সিনিয়র, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া, সহযোগিতা ও শুভকামনার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।

মোহাম্মদ আহসান উদ্দিন নিলয়
ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল
অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট অফ বাংলাদেশ

Address

Narayanganj
1400

Opening Hours

Monday 10:00 - 22:00
Tuesday 10:00 - 22:00
Wednesday 10:00 - 22:00
Thursday 10:00 - 22:00
Saturday 10:00 - 22:00
Sunday 10:00 - 22:00

Telephone

+8801782199938

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahasan’s Chambers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ahasan’s Chambers:

Shortcuts

Share

Category