ময়মনসিংহ ল' চেম্বার Mymensingh Law Chamber 01711921416

ময়মনসিংহ ল' চেম্বার Mymensingh  Law Chamber 01711921416 Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ময়মনসিংহ ল' চেম্বার Mymensingh Law Chamber 01711921416, Lawyer & Law Firm, ময়মনসিংহ জজ কোর্ট , ibn akand Law & Society , ইবনে আকন্দ ০১৭১১৯২১৪১৬, 16/1 padri Mission Road, alia madrasa road Mymensingh, Mymensingh.

পার্সোনাল ল চেম্বার
১৬/১ পাদ্রী মিশন রোড আলীয়া মাদরাসা মোড় কৃষ্টপুর ময়মনসিংহ ০১৭১১৩৩৭০১৯

কোর্ট ল চেম্বার
সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভবন নীচতলা
মোবা ও ওয়াটসআপ ০১৭৩৩৭০১৯

ঈশ্বরগন্জ চোকি আদালত
মোবা ০১৭১১৩৩৭০১৯

বাংলাদেশের  ্রধান_বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।নিয়োগ সংক...
23/12/2025

বাংলাদেশের ্রধান_বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী-কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

#শপথ গ্রহণ: তিনি আগামী ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে বঙ্গভবনে প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।

#পূর্বসূরী: বর্তমান ও ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ আগামী ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে অবসরে যাচ্ছেন।

#নিয়োগকারী: রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন গত ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে এই নিয়োগ চূড়ান্ত করেন।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী সম্পর্কে:
#জন্ম: তিনি ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন।
#পরিবার: তিনি সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীর সন্তান।
#শিক্ষা ও পেশা: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম এবং পরে যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে পদোন্নতি পান।

03/09/2025
28/08/2025

বিদেশ থেকে তালাক দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া:
বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেই কর্মসূত্রে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করেন। কিন্তু পারিবারিক সম্পর্কের টানাপোড়েন, দূরত্ব, বা অন্য কোনো কারণে তালাকের প্রয়োজন দেখা দিলে—বিদেশ থেকে তালাক দেওয়া কি সম্ভব? হ্যাঁ, সম্ভব। তবে এর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়।

📜 প্রযোজ্য আইনসমূহ:

- মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (Muslim Family Laws Ordinance, 1961)
- ষ্ট্যাম্প আইন, ১৮৯৯ (Stamp Act, 1899)
- পাওয়ার অব অ্যাটর্নি আইন (Power of Attorney Act)
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসকের বিধান

🧭 ধাপে ধাপে তালাকের প্রক্রিয়া

১. 🖋️ আমমোক্তারনামা (Power of Attorney) প্রস্তুত
বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তি প্রথমে বাংলাদেশে থাকা একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা আইনজীবীকে তালাক কার্য সম্পাদনের ক্ষমতা প্রদান করবেন।
এই দলিলটি হতে হবে স্পষ্ট, যাতে লেখা থাকে—এই ব্যক্তি শুধুমাত্র তালাক কার্য সম্পাদন করবেন।

> আইনগত ভিত্তি: Stamp Act, 1899 এর ধারা ২(২১) অনুযায়ী, আমমোক্তারনামা একটি বৈধ দলিল যা অন্যকে আইনগত ক্ষমতা প্রদান করে।

২. 🏛️ নোটারী ও দূতাবাসে সত্যায়ন
বিদেশে থাকা ব্যক্তি:
- আমমোক্তারনামা ও তালাকের নোটিশে স্বাক্ষর করবেন
- এটি করতে হবে বাংলাদেশ দূতাবাস, নোটারী পাবলিক, বা আদালতের বিচারকের সামনে
- এরপর এটি সেই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করতে হবে।

৩. 📦 দলিল পাঠানো ও দেশে প্রক্রিয়াকরণ
- সত্যায়িত দলিল বাংলাদেশে পাঠানো হবে
- বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুনরায় সত্যায়ন করতে হবে
- এরপর জেলা প্রশাসকের রাজস্ব কার্যালয়ে ২০০ টাকার স্ট্যাম্প দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

৪. 📬 তালাকের নোটিশ প্রদান
- তালাকের নোটিশ স্ত্রীকে পাঠানো হবে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে
- তালাক কার্যকর হবে ৯০ দিন পর, যদি কোনো আপত্তি না আসে।

> আইনগত ভিত্তি: Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ধারা ৭ অনুযায়ী, তালাক কার্যকর হতে ৯০ দিনের সময় দিতে হয় এবং ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভাকে অবহিত করতে হয়।

🎯 বাস্তব উদাহরণ:

মামুন হোসেন, সৌদি আরবে কর্মরত। পারিবারিক সমস্যার কারণে তিনি স্ত্রীকে তালাক দিতে চান।
তিনি রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে গিয়ে:
- একটি পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল তৈরি করেন
- তা নোটারী পাবলিক ও দূতাবাসে সত্যায়ন করান
- দলিলটি বাংলাদেশে পাঠান
তার আইনজীবী ঢাকায়:
- তালাকের নোটিশ প্রস্তুত করেন
- ইউনিয়ন পরিষদে নোটিশ পাঠান
৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

- তালাকের কারণ ও প্রক্রিয়া আইনসম্মত ও নৈতিক হতে হবে
- স্ত্রীকে সম্মানজনকভাবে অবহিত করতে হবে
- মিথ্যা তথ্য বা জাল দলিল ব্যবহার করলে আইনি জটিলতা হতে পারে।

🧠 পরামর্শ

> “তালাক একটি সংবেদনশীল বিষয়। বিদেশ থেকে তালাক দিতে চাইলে অবশ্যই আইনজীবীর পরামর্শ নিন। প্রতিটি ধাপ যেন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করুন। ভুল বা অসম্পূর্ণ দলিল ভবিষ্যতে বড় সমস্যা তৈরি করতে পারে।”

ধন্যবাদান্তে,
রীমা আক্তার
এডভোকেট
ঢাকা জজ কোর্ট।

#আইনি_সচেতনতা #তালাক_অধিকার #পারিবারিক_আইন
#নারীর_ন্যায়বিচার #আইনি_শিক্ষা
#আইনেরমাধ্যমেক্ষমতায়ন
#আপনারঅধিকারজানুন #আইনি_কার্টুন
#আইনসবারজন্য #বিদেশথেকেতালাক #পাওয়ারঅবঅ্যাটর্নি #আইনি_প্রক্রিয়া
#ভিজ্যুয়াল_অ্যাডভোকেসি
#ন্যায়বিচারহোকসহজ






11/07/2025

Nandail Advocate Chamber নান্দাইল আইনজীবি চেম্বার Ibn Akand ০১৭১১৯২১৪১৬

11/07/2025

হিন্দু পারিবারিক আইনে বিচ্ছেদ বা তালাক: বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ও আইন

#ভূমিকা
হিন্দু ধর্মে বিবাহকে একটি পবিত্র বন্ধন হিসেবে গণ্য করা হয়, যা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে আজীবন স্থায়ী সম্পর্কের প্রতীক। এটি শুধুমাত্র সামাজিক নয়, বরং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। হিন্দু ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, বিবাহ একটি অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক এবং এর ফলে হিন্দু পারিবারিক আইনে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের কোনো সরাসরি বিধান নেই। তবে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পৃথক বসবাস এবং ভরণপোষণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।

হিন্দু আইনে তালাকের অনুপস্থিতি
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু পারিবারিক আইন অনুযায়ী তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই।
হিন্দু সমাজে বিবাহকে “অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক” হিসেবে দেখা হয়। ঋষি মনুর মতে, স্ত্রীর কর্তব্য এমনকি মৃত্যুর পরও চলতে থাকে এবং তার দ্বিতীয় স্বামী থাকতে পারে না। এই ধারণার ভিত্তিতে বাংলাদেশে হিন্দুদের জন্য তালাকের কোনো বৈধতা নেই।

ভারতের মতো দেশে ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইন (Hindu Marriage Act) প্রণয়নের মাধ্যমে কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে এই আইন কার্যকর নয়। ফলে বাংলাদেশের হিন্দু নারীরা এখনো এই অধিকার থেকে বঞ্চিত।

পৃথক বসবাস ও ভরণপোষণ
যদিও তালাকের কোনো ব্যবস্থা নেই, ১৯৪৬ সালের The Hindu Married Women’s Right to Separate Residence and Maintenance Act অনুসারে কিছু নির্দিষ্ট কারণে পৃথক বসবাস এবং ভরণপোষণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।

পৃথক বসবাসের কারণসমূহ:
১. স্বামী যদি সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হন (যেমন কুষ্ঠ বা সিফিলিস)। ২. স্বামী যদি স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করেন। ৩. স্বামী যদি গৃহে উপপত্নী রাখেন। ৪. স্বামী যদি ধর্মান্তর গ্রহণ করেন। ৫. স্বামী যদি স্ত্রীকে পরিত্যাগ করেন। ৬. স্বামী যদি পুনরায় বিয়ে করেন। ৭. অন্যান্য যৌক্তিক কারণ।

ভরণপোষণ পাওয়ার শর্ত:
স্ত্রী যদি অসচ্চরিত্রা না হন।
স্ত্রী যদি অন্য ধর্ম গ্রহণ না করেন।
স্ত্রী যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে অস্বীকৃতি না জানান।
আদালতের মাধ্যমে সেপারেশন মামলা
বাংলাদেশে অনেক হিন্দু নারী সেপারেশন মামলা (পৃথক বসবাস) দায়ের করে থাকেন। যদিও এটি সরাসরি ডিভোর্স নয়, তবে আদালতের রায় অনুযায়ী তারা পৃথকভাবে বাস করার অধিকার পান এবং ভরণপোষণের দাবিও করতে পারেন।
এক্ষেত্রে আদালত থেকে সেপারেশনের ডিক্রি পাওয়ার পর অনেক নারী ডিভোর্স চেয়ে আবেদন করেন, যদিও তা আইনগতভাবে সরাসরি সম্ভব নয়।

ভারতের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান
ভারতে ১৯৫৫ সালে প্রণীত হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী নিম্নলিখিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্ভব: ১. ব্যভিচার (Adultery)। ২. নিষ্ঠুরতা (Cruelty)। ৩. ত্যাগ করা (Desertion)। ৪. মানসিক ব্যাধি বা দুরারোগ্য রোগ। ৫. ধর্ম পরিবর্তন করা। ৬. সাত বছর ধরে নিখোঁজ থাকা।

এই আইনের আওতায় ভারতীয় হিন্দুরা আদালতের মাধ্যমে ডিভোর্স নিতে পারেন। কিন্তু বাংলাদেশে এই আইন কার্যকর নয় বলে এখানকার হিন্দুরা এই সুবিধা পান না।

বর্তমান আন্দোলন ও সংস্কারের দাবি
বাংলাদেশে অনেক মানবাধিকার সংগঠন এবং সচেতন ব্যক্তি হিন্দু পারিবারিক আইনে সংস্কারের দাবি জানাচ্ছেন।
বিশেষ করে নারীদের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা চলছে। উদাহরণস্বরূপ:

শিখা দত্তের মামলা: একজন কলেজ শিক্ষিকা শিখা দত্ত ২০২০ সালে পারিবারিক আদালতে ডিভোর্স চেয়ে আবেদন করেছেন, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নজির হতে পারে।
হিন্দু বিবাহ বিচ্ছেদ তালাক ডিভোর্স

হিন্দু পারিবারিক আইনে বিচ্ছেদের প্রক্রিয়া কী?
বাংলাদেশের প্রচলিত হিন্দু পারিবারিক আইন অনুযায়ী, তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। হিন্দু ধর্মে বিবাহকে একটি পবিত্র এবং অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক হিসেবে গণ্য করা হয়। ফলে বাংলাদেশে হিন্দুদের জন্য সরাসরি তালাক নেওয়ার কোনো বৈধতা নেই। তবে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পৃথক বসবাসের অধিকার এবং ভরণপোষণের দাবি করা যেতে পারে।

ভারতের মতো দেশে ১৯৫৫ সালের হিন্দু বিবাহ আইন (Hindu Marriage Act) প্রণয়নের মাধ্যমে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই আইন বাংলাদেশে কার্যকর নয়। বাংলাদেশের হিন্দুরা এখনো এই ধরনের আইনি সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

তবে, যদি কোনো হিন্দু নারী বা পুরুষ বিচ্ছেদের জন্য আদালতে আবেদন করতে চান, তাহলে তারা সাধারণত নিম্নলিখিত কারণগুলোর ভিত্তিতে পৃথক বসবাসের জন্য মামলা করতে পারেন:

স্বামী বা স্ত্রী নিষ্ঠুর আচরণ করলে।
স্বামী বা স্ত্রী পরিত্যাগ করলে।
স্বামী বা স্ত্রী অন্য কারো সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করলে।
ধর্মান্তর গ্রহণ করলে।
হিন্দু আইন অনুযায়ী তালাকের জন্য কি কি শর্ত রয়েছে?
বাংলাদেশে হিন্দু পারিবারিক আইনে তালাকের কোনো সরাসরি বিধান নেই, তবে ভারতের হিন্দু বিবাহ আইন, ১৯৫৫-এর আওতায় তালাকের জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত রয়েছে। যদিও এই আইন বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়, তবুও এটি উল্লেখযোগ্য কারণ এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য অঞ্চলে হিন্দুদের জন্য কার্যকর:

ব্যভিচার (Adultery): স্বামী বা স্ত্রী যদি অন্য কারো সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন করেন।
নিষ্ঠুরতা (Cruelty): শারীরিক বা মানসিকভাবে অত্যাচার করা হলে।
ত্যাগ (Desertion): স্বামী বা স্ত্রী যদি দুই বছর ধরে পরিত্যাগ করেন।
মানসিক ব্যাধি: একজন সঙ্গী যদি গুরুতর মানসিক রোগে আক্রান্ত হন।
ধর্ম পরিবর্তন: স্বামী বা স্ত্রী যদি অন্য ধর্ম গ্রহণ করেন।
নিখোঁজ থাকা: সাত বছরের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকলে।
বাংলাদেশে এই ধরনের শর্তগুলো সরাসরি প্রযোজ্য না হলেও পৃথক বসবাস এবং ভরণপোষণের দাবির ক্ষেত্রে এগুলো আদালতে যুক্তি হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে।

বিচ্ছেদ বা তালাকের ক্ষেত্রে হিন্দু নারীর অধিকার কী?
বাংলাদেশে হিন্দু নারীদের জন্য সরাসরি তালাক নেওয়ার অধিকার নেই। তবে, ১৯৪৬ সালের The Hindu Married Women’s Right to Separate Residence and Maintenance Act অনুসারে কিছু নির্দিষ্ট কারণে পৃথক বসবাস এবং ভরণপোষণের অধিকার দেওয়া হয়েছে।

পৃথক বসবাসের অধিকার পাওয়ার কারণসমূহ:
স্বামী সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হলে (যেমন কুষ্ঠরোগ)।
স্বামী স্ত্রীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ করলে।
স্বামী গৃহে উপপত্নী রাখলে।
স্বামী ধর্মান্তর গ্রহণ করলে।
স্বামী পুনরায় বিয়ে করলে।
ভরণপোষণ পাওয়ার শর্ত:
স্ত্রী অসচ্চরিত্রা না হলে।
স্ত্রী অন্য ধর্ম গ্রহণ না করলে।
যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া স্ত্রীর পক্ষ থেকে আলাদা থাকার দাবি না থাকলে।
এছাড়াও, আদালতের মাধ্যমে সেপারেশন ডিক্রি পাওয়ার পর নারীরা ভরণপোষণের দাবিও করতে পারেন।

হিন্দু পারিবারিক আইনে বিচ্ছেদের পর সম্পত্তির বণ্টন কিভাবে হয়?
বাংলাদেশের প্রচলিত হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে নারীদের অধিকারের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সাধারণত:

কন্যারা পিতার সম্পত্তির উত্তরাধিকার পান, তবে ভাইদের তুলনায় তাদের অংশ কম হতে পারে।
স্ত্রীরা শুধুমাত্র মৃত স্বামীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির উপর সীমিত অধিকার পান (যাকে “লাইফ ইন্টারেস্ট” বলা হয়)। অর্থাৎ, তারা জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন কিন্তু বিক্রি করতে পারবেন না।
বিচ্ছেদের পরে নারীরা সাধারণত কোনো অতিরিক্ত সম্পত্তি দাবি করতে পারেন না কারণ বাংলাদেশের প্রচলিত হিন্দু আইনে বিবাহ-বিচ্ছেদ পরবর্তী সম্পত্তি বণ্টনের কোনো বিধান নেই।

তালাকের জন্য হিন্দু আইন অনুযায়ী আদালতে কিভাবে আবেদন করতে হয়?
বাংলাদেশে সরাসরি তালাক নেওয়ার ব্যবস্থা না থাকলেও, পৃথক বসবাস এবং ভরণপোষণের দাবিতে আদালতে আবেদন করা যায়। এর জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

আইনি পরামর্শ: প্রথমেই একজন দক্ষ পারিবারিক আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করুন যিনি আপনার মামলা পরিচালনা করবেন।
মামলা দাখিল: সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালতে একটি মামলা দাখিল করুন যেখানে আপনি আপনার অভিযোগগুলো উল্লেখ করবেন (যেমন: নিষ্ঠুরতা, ত্যাগ ইত্যাদি) এবং পৃথক বসবাস ও ভরণপোষণের দাবি করবেন।
প্রমাণ উপস্থাপন: আপনার অভিযোগ সমর্থন করার জন্য যথাযথ প্রমাণ যেমন নথিপত্র, সাক্ষী ইত্যাদি জমা দিন।
আদালতের রায়: বিচারকের রায় অনুযায়ী আপনি পৃথক বসবাস এবং ভরণপোষণের অধিকার পেতে পারেন।

20/06/2025

ময়মনসিংহ ল' চেম্বার Mymensingh Law Chamber 01711921416 Nandail Lawyers Association গ্রুপ BD01711921416 Nandail Advocate Chamber নান্দাইল আইনজীবি চেম্বার Ibn Akand ০১৭১১৯২১৪১৬

29/04/2025

নতুন ভূমি আইনে অবৈধ দখল প্রতি‌রোধের আ‌বেদন ফর্ম।

Address

ময়মনসিংহ জজ কোর্ট , Ibn Akand Law & Society , ইবনে আকন্দ ০১৭১১৯২১৪১৬, 16/1 Padri Mission Road, Alia Madrasa Road Mymensingh
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ময়মনসিংহ ল' চেম্বার Mymensingh Law Chamber 01711921416 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share