ব্যবহারিক আইন

ব্যবহারিক আইন It is a fully law based channel where people can find the legal solution and legal knowledge.

This Channel aims to inform the mass people about their legal rights and obligations. This channel uploads video on weekly basis about the law related topics.

21/05/2021

কিভাবে দলিল বাতিল করতে হয়?
মনে করুন, আপনার একটি দলিল বা আইনি ডকুমেন্ট ছিল, যা অন্যের হস্তগত হয়েছে, কিংবা সেটির এমন পর্যায়ে রয়েছে, যার কার্যকরিতা বহাল থাকলে আপনার জন্য সমস্যার তৈরি হতে পারে। দলিল বাতিল করার এরকম কোনো প্রয়োজন পড়লে, আদালতের শরণাপন্ন হয়ে কাজটি করা যায়।
আমাদের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ নং ধারা হতে ৪১ নং ধারা পর্যন্ত আদালত কর্তৃক দলিলাদি বাতিলিকরণ সম্পর্কে বিধান বর্ণিত হয়েছে। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৯ নং ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল যদি অনিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে সেটি তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে, সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারেন এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং এবং ‘চুক্তি বিলুপ্ত’ হিসেবে ত্যাগ করবার নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
দলিলটি যদি রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রিকৃত হয়ে থাকে, তাহলে আদালত ডিক্রির একটি কপি সেই সংশ্লিষ্ট অফিসারের কাছে প্রেরণ করবেন, যার অফিসে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়েছে এবং সেই অফিসার সেই বইয়ে দলিলের নকলে সেটির বিলুপ্তির বিষয় লিপিবদ্ধ করবেন। তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ৯১ ধারা অনুসারে যে দলিল বাতিলের জন্য প্রার্থনা করা হয়, সে দলিল সম্পর্কে জানবার বা অবগত হবার তিন বছরের মধ্যে মামলা দাখিল করতে হবে, নয়তো এধরনের মামলা তামাদি হয়ে যাবে এবং এর কোনো প্রতিকার পাওয়া যাবে না। অবশ্য এধরনের মামলা তামাদি হয়ে গেলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ নং ধারা অনুসারে ‘ডিক্লেরেশন মামলা’ দায়ের করে ভিন্নভাবে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ আছে।

***কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিলে কি করবেন***** কেউ আপনার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রসূত মিথ্যামামলা ঠুকে দিলেন। আপন...
30/08/2020

***কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিলে কি করবেন***

** কেউ আপনার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রসূত মিথ্যা
মামলা ঠুকে দিলেন। আপনি মামলার খবর শুনে
যতটা হতবাক, তার চেয়েও দুশ্চিন্তায় পড়লেন,
কীভাবে মিথ্যা মামলার অভিযােগ থেকে রেহাই
পাবেন। মনে রাখতে হবে, আপনি অপরাধী, না
নিরপরাধ, সে টি মামলায় অভিযুক্ত হলেই নিশ্চিত
করে বলা যাবে না। আইনের চোখে আপনার
বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আপনি
নিরপরাধ। ধরুন, আপনার বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি
মামলা হলাে। আপনি দোষী বা নির্দোষ, সেটি পরে
প্রমাণিত হবে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে আপনি যেন এ
মামলা সুষ্ঠুভাবে মােকাবিলা করতে পারেন, সেই
চেষ্টা করতে হবে। যদি আপনার বিরুদ্ধে থানায়
মামলা হয়, তাহলে এজাহারের কপিটি সংগ্রহের
চেষ্টা করুন। আইনজীবীর সঙ্গে আলােচনা করুন।
মামলার এজাহারে দেখতে হবে, অভিযােগগুলাে
জামিনযােগ্য বা অযােগ্য কি না।

** অভিযােগ তেমন গুরুতর না হলে এবং
জামিনযােগ্য হলে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে
জামিন চাইতে পারেন। অনেক সময় অভিযােগ
জামিন-অযােগ্য হলে অনেককে হাইকোর্ট বিভাগে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে আগাম জামিন চাইতে
দেখা যায়। হাইকোর্ট বিভাগ আগাম জামিন
সাধারণত নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। এ
মেয়াদের মধ্যেই নিম্ন আদালতে গিয়ে জামিননামা
সম্পাদনের জন্য আবেদন করতে হবে। আদালতে
প্রতি তারিখে হাজিরা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
কোনাে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া অনুপস্থিত
থাকলে আপনার জামিন বাতিল করে দিতে
পারেন আদালত। জামিন সাধারণত পুলিশ
প্রতিবেদন হওয়ার আগেই চাইতে হয়। তবে
পুলিশ অভিযােগপত্র দাখিল করার আগে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিয়ে আপনার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা
অভিযােগটি দায়ের করা হয়েছে, তা প্রমাণের
চেষ্টা করুন।তদন্তকারী কর্মকর্তা আপনার বিরুদ্ধে
অভিযােগটির সত্যতা না পেলে আপনাকে নির্দোষ
দেখিয়ে চুড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল
করবেন। চার্জশিট বা অভিযােগ পত্র হয়ে গেলে
আপনার মামলাটি বিচারিক আদালতে বদলি হবে।
অভিযােগ গঠনের দিন আপনাকে হাজির হয়ে
নতুন করে পূর্বশর্তে জামিন চাইতে হবে এবং
জামিননামা সম্পাদন করতে হবে। তখন আপনি
মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করতে
পারেন। অ ব্যাহতির আবেদন নাকচ হলে উচ্চ
আদালতে প্রতিকার চাইতে পারেন।

** যদি এমন হয় যে আপনি জানতে পারলেন না,
আপনার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার হয়েছে। পুলিশ
এসে আপনাকে গ্রেপ্তার করল। আপনাকে থানায়
নিয়ে গেল। গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। তখন আপনার
আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করতে
হবে। যদি রিমান্ড চায় পুলিশ, তাহলে আপনার
আইনজীবীর উচিত হবে রিমান্ড বাতিলের জন্য
আবেদন করা। যদি জামিন দেন আদালত, তাহলে
একজন পরিচিত জামিনদারের জিম্মায় আপনার
জামিননামা সম্পাদন করতে হবে। যদি জামিন
হয়, তাহলে পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতে আবেদন
করতে হবে।

** যদি থানায় মামলা না হয়ে আদালতে মামলা
(সিআর মামলা) হয়, তাহলে আদালত সমন দিতে
পারেন কিংবা গ্রেপ্তারি পরােয়ানা জারি করতে
পারেন। এ ক্ষেত্রেও আত্মসমর্পণ করে জামিন
চাইতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষে হাইকোর্ট বিভাগে আগাম
জামিন চাইতে পারেন। মনে রাখতে হবে, সিআর
মামলায় অভিযুক্ত সব আসামি হাজির হলেই
বিচারের জন্য মামলাটি বদলি করা হয়।
আপনি কোনাে কারণে হাজির না হলে আপনার।
জামিন বাতিল হতে পারে। পর্যায়ক্রমে পত্রিকায়
বিজ্ঞপ্তি হতে পারে। এতে হাজির না হলে আপনার
মালামাল ক্রোকের আদেশ হতে পারে এবং
আপনার অনুপস্থিতিতেই বিচার হতে পারে। তবে
সাক্ষ্যপ্রমাণে আপনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে মিথ্যা
অভিযােগকারী বা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে
আপনি প্রচলিত আইনেই মামলা দায়ের করতে
পারেন।

** যদি আপনার বিরুদ্ধে দেওয়ানি মােকদ্দমা হয়,
তাহলে জবাব দাখিলের জন্য আদালত আপনাকে
সমন পাঠাবেন। নির্ধারিত তারিখে হাজির হয়ে
আইনজীবীর মাধ্যমে জবাব দাখিল করতে হবে।
পরবর্তী সময়ে মােকদ্দমা ধারাবাহিকভাবে এগােবে।

জাকিয়া শম্পা
শিক্ষানবীশ আইনজীবী
জজ কোর্ট, ময়মনসিংহ।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
19/08/2020

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

12/08/2020
মােবাইল ফোন হারালে বা চুরি হলে কি করবেন?** যদি সতর্ক থাকারপরেও আপনার মােবাইল ফোন চুরি যায়, সে ক্ষেত্রেনিম্নোক্ত তিনটি স...
11/08/2020

মােবাইল ফোন হারালে বা চুরি হলে কি করবেন?

** যদি সতর্ক থাকার
পরেও আপনার মােবাইল ফোন চুরি যায়, সে ক্ষেত্রে
নিম্নোক্ত তিনটি স্টেপ অনুসরণ করুনঃ

১) আইএমইআই নম্বর উল্লেখ পূর্বক থানায় জিডি
করুন

২) জিডির এক কপি সহ র‍্যাবে অভিযােগ করুন।
অনেকেই জানেন না, র‍্যাব পুলিশেরই একটি বিশেষায়িত ইউনিট।

৩) জিডির কপিতে উল্লেখ করা অফিসারের সাথে
যােগাযােগ রাখুন এবং তার মাধ্যমে ডিবি এর
ট্র্যাকিং টিমের সহায়তা নিন।

** অনেক সময় দেখা যায় আইটিতে দক্ষ
ইউজার নিজেই ট্র্যাক করে বের করে ফেলেছেন
মােবাইলের অবস্থান। এরকম হলে ডিবির জন্যে
বসে থেকে লাভ নেই, লােকেশন সহ জিডিতে
উল্লেখিত অফিসারের সহায়তা নিয়ে চোর মশাইকে
“ খপ করে ধরে ফেলুন।

** জিডি করে বেশিরভাগ সময়েই ফোন ফেরত
পাওয়া যায়না। এর কারণ হচ্ছে,ট্র্যাকিং
টিম মূলতঃ

প্রায়ােরিটি দেয় অতি গুরুত্বপুর্ন কেইসগুলাের
মােবাইল ট্র্যাকিং-কে।
খুন, সন্ত্রাস-ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট
মােবাইল ট্র্যাক করাই এদের মূল কাজ, তাই
হারিয়ে যাওয়া মােবাইল উদ্ধারের সিরিয়াল বহু
পরে আসে- ততদিনে আপনি নতুন মােবাইল কিনে
ফেলেন- তবুও জিডি করবেন কেনঃ

১) আপনার মােবাইল ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম
করলে ওটা যাতে আপনার ঘাড়ে না পড়ে সেজন্যে।

আপনার হারিয়ে যাওয়া মােবাইলে সংরক্ষিত তথ্য
ব্যবহার করে কেউ যদি অপকর্ম করে, জিডির কপি
দেখি য়ে সেটার দায় থেকে রক্ষা পেতে পারবেন।

২) হঠাৎ হঠাৎ জিডির দ্বারা ট্র্যাকিং করে মােবাইল
পাওয়া গেলেও যেতে পারে। এবার মেয়েদের
জন্যে একটা পরামর্শ,খারাপ শােনালেও
ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছিঃ ** প্লিজ, মােবাইল ফোনে
নিজেদের এমন কোন ছবি রাখবেন না যেটা
প্রকাশ হওয়াটা আপনার জন্যে সামাজিক এবং
অন্যান্য ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। আরাে ভালাে
হয়, যদি এধরণের ছবি না তােলেন। অন্তরঙ্গ
মুহুর্তে কেউ ওরকম ছবি তুলতে চাইলে ওই
ভদ্রলােকের (ক্ষেত্রবিশেষে ভদ্রমহিলার উদ্দেশ্য
সম্পর্কে সন্দিহান হয়ে উঠুন, একবারের ভালবাসা
সারাজীবনের ভালবাসা নয়!

জাকিয়া শম্পা
শিক্ষানবীশ আইনজীবী
জজ কোর্ট, ময়মনসিংহ।

Address

Doulat Munshi Bylane, Kristopur
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ব্যবহারিক আইন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ব্যবহারিক আইন:

Share