Arif Law Chamber

Arif Law Chamber Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Arif Law Chamber, Kishorganj, Kishoreganj.

14/12/2025

জমি দখলের হুমকি আসলে কি করবেন:

১) প্রথমে নিজে নিরাপদ রাখুন

কেউ হামলা/শারীরিক হুমকি দিলো — নিজে একাই মোকাবিলা করবেন না, পরিস্থিতি বিপজ্জনক হলে স্থানীয় পুলিশে ফোন করুন বা নিকটজনকে কল করে সাহায্য নিন।

আত্মরক্ষার নামে নিজে সম্পত্তি জোরপূর্বক উদ্ধার করার চেষ্টা করা গেলে আইনি ঝামেলায় পড়তে পারেন; তাই অগ্রহণযোগ্য।

২) দ্রুত প্রমাণ জোগাড় করুন (অতি জরুরি)

তৎক্ষণাৎ জায়গার ছবি/ভিডিও নিন (তথ্য ও সময় দেখা যাবে এমনভাবে)।

সম্ভব হলে প্রতিবেশী / সাক্‍ক্ষীর নাম ও মোবাইল নিন — সরকারিভাবে সাক্ষ্য দরকার হবে।

আপনার মূল দলিল (হাইটিকিয়ান/নকশা/বাসা ভাড়ার চুক্তি/পরচালনা নথি) আলাদা একটা নিরাপদ স্থানে রাখুন।
(প্রমাণ না হলে পরবর্তী মামলা কঠিন হয়).

৩) পুলিশে অভিযোগ (General Diary / FIR) করুন — এটিই প্রথম অফিসিয়াল ধাপ

স্থানীয় থানায় গিয়ে GD (General Diary) করুন — জায়গা দখলের হুমকি/অবৈধ দখল সম্পর্কে বিস্তারিত দিন। অনলাইন GD করার সুযোগও আছে (Bangladesh Police-এর GD পোর্টাল)।

যদি হুমকি/অপহরণ/আক্রমণের মতো অবৈধ কার্য ঘটেছে, FIR হওয়া উচিৎ — সেই ক্ষেত্রে থানার দায়িত্ব নিয়ে তদন্ত করবে। (পুলিশকে সব প্রমাণ দেখান)।

৪) আইনজীবীর সঙ্গে দ্রুত দেখা করুন; প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখান

জমির দলিল, খতিয়ান, মৌজ নকশা, পয়সার রশিদ, পূর্বের যোগাযোগ—সব দিন। ল্যান্ড/প্রপার্টি মামলায় অভিজ্ঞ অ্যাডভোকেট সহায়তা দ্রুত চলবে।

৫) আইনি পথগুলো (যে সব রেমেডি সাধারণত ব্যবহার হয়)

Section 145 of CrPC — যদি জমি নিয়ে উত্তপ্ত/দাঙ্গা-ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা থাকে, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অনুরোধ করে স্থিতি শান্ত রাখা যায়; এটি দ্রুত বিধান দেয়। মামলার সময়সীমা ও পদ্ধতি আছে—এই ধরণের পিটিশন সম্পর্কে অ্যাডভোকেট জানাবেন।

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Order 39, Rule 1&2—Civil Procedure / injunction) — সিভিল কোর্টে দরখাস্ত করে প্রতিপক্ষকে অস্থায়ীভাবে দখল করতে বা কোনও কার্য করতে বাধা দেওয়া যায়।

ফৌজদারি পদক্ষেপ — অবৈধ দখল/ক্রিমিনাল ট্রেসপাসের ক্ষেত্রে দণ্ডবিধির ধারাও প্রযোজ্য; পরিস্থিতি অনুযায়ী পুলিশ ফৌজদারি মামলা করতে পারে।

সাম্প্রতিক আইনগত উন্নয়ন: ২০১২/২০২৩-এর মতো ভূমি-গ্র্যাবিং-বিরোধী আইন ও তদানুসারে নানা বিধান ও শাস্তি আছে — এই আইনের প্রয়োগ ও টেকনিক্যালতা জন্য আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

৬) প্র্যাকটিক্যাল কৌশল (পড়ুন-বানিয়ে রাখুন)

কাগজপত্র সিস্টেম্যাটিক রাখুন: খতিয়ান (khatian), registry, mutation, tax receipts, maps—এসবের অরিজিনাল/কপি একজায়গায় রাখুন।

বাউন্ডারি নির্ধারণ/পিলার/দাপট দেখানো: প্রয়োজন হলে স্থানীয় ইউপি/ওয়ার্ড কমিশনার/পৌর কর্মকর্তা/জনাব ও স্থানীয় পর্যায়ের সমাধানকারীদের কাছে গিয়ে নথিভুক্ত করুন—কখনোই নিজেরাই জোরপূর্বক ঝগড়া না বাড়ান।

লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো: অ্যাডভোকেটের মাধ্যমে প্রথমে আইনি নোটিশ পাঠালে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা থামায় এবং ভবিষ্যতে কোর্টে প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগে।

৭) জরুরি হলে কী করবেন (তৎক্ষণাৎ)

যদি কেউ এখনই সম্পত্তি দখল করছে বা হামলা করছে — থানায় কল/পুলিশ ডাকা (৯৯৯ কিংবা স্থানীয় স্টেশনের নম্বর)। (নিরাপত্তা আগে)।

যদি নিরাপত্তাহীনতা গ্রাস করে—স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম/মানবাধিকার সংগঠন/আইন বিষয়ক NGO-ও যোগাযোগ করতে পারেন (প্রয়োজনে আইনজীবী এগিয়ে নেবেন)।
শেয়ার করে দিন।
#দখল #সম্পত্তি

27/07/2025
 # # জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১...
05/03/2025

# # জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারণাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
--------------------------------------------_------------------

19/02/2025

আপনার জমি বেদখল হলে সর্বশেষ খতিয়ান/নামজারি ও খাজনার দাখিলা আপনার নামে থাকলে নতুন ভূমি আইনে দ্রুত জমি উদ্ধারের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। শুধু দরকার আপনার সচেতনতা ও সঠিক পরামর্শ।

 # # #উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ পরিপত্র জারী করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়...
18/02/2025

# # #উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি বা স্থাবর সম্পত্তি নামজারিকরণের বিষয়টি স্পষ্টীকরণ পরিপত্র জারী করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

মূলকথা:
সকল ওয়ারিশ একত্রে নামজারী আবেদনে বন্টননামা বাধ্যতামূল নয়। তবে একাধিক ওয়ারিশের ক্ষেত্রে কোন একক ওয়ারিশ একক নামজারী আবেদনে বন্টননামা বাধ্যতামূলক।....

With Tamanna Tasnim – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉
29/10/2024

With Tamanna Tasnim – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉

05/10/2022

# # #গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র
>> আমরা যখন নিজেদের গাড়ি টি অন্যের কাছে বিক্রি করতে চাই বা কারো কাছ থেকে কোনো গাড়ি কিনতে যাই তখন আমাদের ওই গাড়ি টি কেনার জন্য একটি চুক্তিপত্র করতে হয়। তো আজকে আমরা জানব কিভাবে গাড়ি বিক্রি করার চুক্তিপত্র (Car sales contract) করতে হয়।
প্রথমেই চুক্তিপত্রটির উপরের “গাড়ি বিক্রয়ের চুক্তিপত্র” কথাটি লিখতে হবে।
তারপর প্রথম পক্ষঃ লিখতে হবে বা না লিখলেও হয়, প্রথম পক্ষ এর লাইন থেকে গাড়ি টি যে বিক্রি করবে তার “নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে”। এরপর নিচের লাইনে “প্রথম পক্ষ/গাড়ির মালিক বা বিক্রেতা” কথাটি লিখতে হবে।
এখন দ্বিতীয় পক্ষঃ লিখতে হবে পরের লাইনে, তারপর এই লাইনে যে গাড়ি টি কিনবে তার “নাম, পিতার নাম, ঠিকানা, পেশা, ভোটার আইডি নাম্বার ও মোবাইল নাম্বার দিতে হবে”। এরপর নিচের লাইনে “দ্বিতীয় পক্ষ/গাড়ির ক্রেতা” কথাটি লিখতে হবে।
** লেখাগুলোর ডট ডট গুলোতে গাড়ির তথ্যগুলো দিয়ে দিতে হবে।
তারপর পেইজের নিচে “চলমান পাতা ০২” লিখতে হবে, এটা লেখার কারণ হলো পরে আরো পাতা আছে, মানে পরের পাতাটি ০২ নং পাতা।
এর পর আরেকটি পেইজ শুরু হবে, সেখানে প্রথমেই উপরে “পাতা নং-০২” লিখতে হবে।
এর পরের লাইনে লিখতে হবে-
“অত্র গাড়ি খানা বিক্রয় করার প্রস্তাব করিলে দ্বিতীয় পক্ষ নিম্ন বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে ক্রয় করিতে উচ্ছুক হইলে আমরা উভয় পক্ষ আলাপ আলোচনার মাধ্যমে গাড়ীর বর্তমান বাজার দর নির্ধারণ করে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেই।”
** এই কথাটি সবার জন্যই হয়ে থাকে এই কথাটি পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয় না।
পরের লাইনে ‘শর্তাবলী’ লেখাটি লিখতে হবে। মানে এরপর থেকে নিচে নিচে চুক্তিপত্রের কি কি শর্তাবলী আছে সেগুলোকে উল্লেখ করতে হবে।
১। গাড়ির বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী, গাড়ির মোট মুল্য -……………………/- (…………………..) টাকা মাত্র।
২। দ্বিতীয় পক্ষ ক্রেতা উক্ত গাড়ির ক্রয় বাবদ নগদ -……………………/- (…………………..) টাকা পরিশোধ করিয়া গাড়ি টি বুঝিয়া নিলেন।
৩। অদ্য ……………….. তারিখ হইতে গাড়ি টির সাথে সম্পর্কিত সমস্ত দায় দায়িত্ব ক্রেতা বহন করিবেন।
৪। নাম পরিবর্তনের সময় বাকি -……………………/- (…………………..) টাকা দ্বিতীয়পক্ষ প্রথমপক্ষকে দিবেন। প্রথম পক্ষ দ্বিতীয় পক্ষকে নাম পরিবর্তন করে দিতে বাধ্য থাকিবে। প্রথম পক্ষ যদি ব্যর্থ হয় সমস্ত টাকা দিতে বাধ্য থাকিবে এবং দ্বিতীয় পক্ষ প্রথম পক্ষকে গাড়ি টি ফেরত দিতে বাধ্য থাকিবে।
** উপরের এই প্রধান ৪টি পয়েন্ট উল্লেখ করে গ্যাপগুলো পূরণ করে দিতে হবে এবং পেইজের নিচে “চলমান পাতা-০৩” দিয়ে আরেকটি পেইজ শুরু করতে হবে। এরপর লিখতে হবে,
এতদ্বার্থে আমরা উভয় পক্ষ অত্র দলিল পড়িয়া ও বুঝিয়া, সুস্থ্য মস্তিস্কে স্বাক্ষীগণের সম্মুখে নিজ নিজ নামে সহি ও স্বাক্ষর করিলাম।
💥 গাড়ি বিক্রয় চুক্তিনামা নমুনা দেওয়া হলো:
📝 বিক্রয় রশিদ পত্র
ইয়াদিকির্দ্দঃ নামঃ …………………………………………………
পিতা/স্বামীঃ ……………………………………………………………………………..
ঠিকানাঃ……………………………
………………….. ১ম পক্ষ/ক্রেতা।
লিখিতংঃ নামঃ ……………………………………………………
পিতা/স্বামীঃ………………………………………
ঠিকানাঃ………………………………………
………………………… ২য় পক্ষ/বিক্রেতা।
অপর পাতায় দ্রঃ
(পাতা নং/২)
অস্য বিক্রয় রশিদ পত্র মিদং। আমার নিজ নামীয় ও স্বত্ব দখলীয় একখানা…………………………………………………………………………………., মডেল …………………………….যাহার রেজিস্ট্রেশন নং………………………………..
চেসিস নং…………………………………………
ইঞ্জিন নং………………………………………………………………………………….
অশ^শক্তি………………..সি. সি, গাড়িখানা মূল্য ………………………………………..
(কথায়) …………………………………………………………………………………..
টাকায় আপনি ক্রেতার বরাবরে বিক্রয় করিলাম। আমার গাড়ীর বিরুদ্ধে অতীতে ও বর্তমান কোন মামলা-মোকদ্দমা নাই, যদি কোনো মামল-মোকদ্দমা থাকিয়া থাকে, তাহার জন্য আমি নিজে দায়ী থাকিব, বি, আর, টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে আমি তা মানিয়া নিব।
অপর পাতায় দ্রঃ
(পাতা নং/৩)
প্রকাশ থাকে যে, উক্ত গাড়িখানা সম্পার্কে আমি কিংবা আমার স্থলবর্তী
পরবর্তী, উওরাধিকারী কাহারো কোনরুপ দাবী দাওয়া নাই ও রহিল।
এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে সুস্থ বুদ্ধিতে থাকিয়া অএ বিক্রয় রশিদ পএ সম্পাদন করিলাম।
স্বাক্ষীঃ বিক্রেতা/মালিকের স্বাক্ষরঃ
১।
২।
হলফনামা
আমি ………………………………………………………………………………………………………….
পিতা/স্বামীঃ……………………………………………………………………………………………………..
ঠিকানাঃ…………………………………………………………………………………………………
এই মর্মে পবিত্রতা সহকারে হলফ পূবর্ক ঘোষণা করিতেছি যে, আমার নিজ নামীয় ও স্বত দখলীয় একখানা………………………………………………………………………………………………….
রেজিস্ট্রেশন নং………………………………………………
মডেল……………………………………………
চেসিস নং…………………………………………………………………………………………………………
ইঞ্জিন নং……………………………………
অশ^শক্তি………………………………………………………………………………………….সি,সি গড়িখানা
জনাব/জনাবা……………………………………………………………………………………………………
পিতা/স্বামীঃ………………………………………………………………………………………………………
ঠিকানাঃ………………………………………………………………………………………………………….
এর নিকট………………………………………………………………………………………….টাকায় বিক্রয় করিলাম। আমার গাড়ির বিরুদ্ধে অতীতে ও বর্তমানে কোন মামলা-মোকদ্দমা নাই, যদি কোন মামলা-মোকদ্দমা থাকিয়া থাকে, তাহার জন্য আমি নিজে দায়ী থাকিব,
অপর পাতায় দ্রঃ
(পাতা নং/২)
বি, আর , টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকিবে না এবং আমার হেন কৃতকাজের জন্য বি আর টি এ অফিস কর্তৃপক্ষ যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে আমি তা মানিয়া নিব।
উক্ত গাড়িখানার মালিককানা স্বত্ব ক্রেতার অনুকূলে মালিকানা বদলি করিতে আমার কোনোরুপ আপত্তি নাই ও রহিল না।
অত্র হলফনামা আমার জানামতে সত্য ও সঠিক।
এতদ্বার্থে স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে সুস্থির বুদ্ধিতে থাকিয়া অত্র হলফনামায় আমার নিজ নাম দস্তখত সম্পাদন করিলাম।
………………………………………………………………..
স্বাক্ষীগণের স্বাক্ষরঃ
১। প্রথম পক্ষের স্বাক্ষর
২।
দ্বিতীয় পক্ষের স্বাক্ষর
৩।
হলফকারী আমার পরিচিত। তিনি আমার সামনে দস্তখত প্রদান করিয়াছেন।
*** উপরের এই লেখাগুলো লেখার পর ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প পেপারে তিনটি পেইজ প্রিন্ট দিতে হবে। পেইজের মার্জিনে পেইজ সেটাপে উপরে ৪.৫ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখতে হবে এবং নিচের দিকে ১.৫ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখতে হবে ও দুই সাইটে ১ ইঞ্চি ১ ইঞ্চি জায়গা খালি রাখলেই হবে।
বি. দ্র.: এই চুক্তিপত্রটি গাড়ি চুক্তিপত্র (Car Deed) দেখানো হলো, কিন্তু আপনি যদি মোটর সাইকেল এর চুক্তিপত্র করতে চান তাহলে গাড়ির জায়গায় মোটর সাইকেল লাগালেই হয়ে যাবে এবং মোটর সাইকেল এর তথ্যগুলো দিলেই হবে, বাকি সব ঠিক থাকবে।

11/09/2022

# # #পুলিশ রিপোর্ট কাকে বলে?

উত্তরঃ যখন পুলিশ মামলার তদন্ত করে তদন্ত শেষে 173 ধারার অধীন আদালতে যে রিপোর্ট প্রদান করেন তাকে পুলিশ রিপোর্ট বলে।

পুলিশ রিপোটে কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হয়?

উত্তরঃ পুলিশ রিপোর্টে যে সকল বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হয়:-
1 মামলার নং এবং তারিখ।
2 আইনের ধারা।
3 আসামির নাম ঠিকানা।
4 সাক্ষীর নাম ঠিকানা।
5 যে সকল আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের নাম। এবং যারা পলাতক আছে তাদের নাম ঠিকানা।
৬. তদন্তের বিস্তারিত বর্ণনা।

পুলিশ রিপোর্ট কত প্রকার?

উত্তরঃ পুলিশ রিপোর্ট দুই প্রকার।
১/চার্জশিটঃ যখন তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করে অপরাধ এর সত্যতা পায় তখন আসামীদের অভিযুক্ত করে আদালতে যে রিপোর্ট দায়ের করে তাকে চার্জশিট বলে।

২/ফাইনাল রিপোর্টঃ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করে যদি দেখতে পায় অপরাধের সত্যতা নেই তখন আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে যে রিপোর্ট প্রদান করে তাকে ফাইনাল রিপোর্ট বলে।

 # # # #প্লট বা ফ্ল্যাট কিনবেন জেনে নিন প্রয়োজনীয় সব মানুষের কাছে জীবনের পর যে বিষয়টি অতি মূল্যবান তা হল ভূমি বা একটা নি...
27/08/2022

# # # #প্লট বা ফ্ল্যাট কিনবেন জেনে নিন প্রয়োজনীয় সব
মানুষের কাছে জীবনের পর যে বিষয়টি অতি মূল্যবান তা হল ভূমি বা একটা নিরাপদ Flat আবাস্থল। প্রায় সব মানুষই চায় নিরাপদভাবে বসবাস করতে।বর্তমানে কেউ কেউ এর চাহিদা মেটাতে গিয়ে রিয়েল এস্টেটের দিকে ঝুঁকছেন অর্থাৎ প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয় করার কথা চিন্তা করছেন। যদি প্লট বা ফ্ল্যাট ক্রয় করার কথা চিন্তা করে থাকেন তাহলে আর দেরী কেন? এখনই এই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সব নিয়মকানুন জেনে নিন।বেসরকারী উদ্যোগে অথবা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে কিংবা বিদেশী অর্থায়নে রিয়েল এস্টেট প্লট অথবা এপার্টমেন্ট বা ফ্ল্যাট বা শিল্প বা বাণিজ্যিক প্লট বা ফ্ল্যাট বা প্রাতিষ্ঠানিক বা মিশ্র ফ্লোর স্পেস জাতীয় স্থাবর ভূ-সম্পত্তির উন্নয়ন, ক্রয়-বিক্রয় নিয়ন্ত্রণ, বরাদ্দ, নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি সংক্রান্ত ব্যাপারে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ নামে একটি আইন প্রণয়ন করা হয়।
এতে রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার নিবন্ধন, ডেভেলপারের দায়-দায়িত্ব, ভূমির মালিক কর্তৃক রিয়েল এস্টেট নির্মাণ, রিয়েল এস্টেট ক্রয়-বিক্রয়ের শর্তাবলী, হস্তান্তর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন করা, ভূমি মালিক ও ডেভেলপারের মধ্যে চুক্তি, রিয়েল এস্টেট এর সুবিধাদি, রিয়েল এস্টেট এর মূল্য পরিশোধের নিয়মাবলী, রিয়েল এস্টেট এর সেবাসমূহ, ক্রেতা কর্তৃক এককালীন মূল্য বা কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থতা, ডেভেলপার কর্তৃক রিয়েল এস্টেট হস্তান্তরে ব্যর্থতা, ক্রেতা কর্তৃক অর্থ ফেরত গ্রহণের নিয়মাবলী, স্থাপত্য নকশা বা দখল হস্তান্তর পত্র প্রদান, অপরাধ, বিচার ও দন্ড ইত্যাদি বিষয় রয়েছে। এখানে রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইনের শুধু মাত্র গুরুত্বপূর্ণ সব অংশ পাঠকের জন্য তুলে ধরা হলঃ
ডেভেলপারের দায়-দায়িত্ব
সকল নিবন্ধিত ডেভেলপারকে তাদের প্রস্তুতকৃত প্রসপেক্টাসে রিয়েল এস্টেট এর নিবন্ধন নম্বরসহ তার নাম, ঠিকানা ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত নকশার অনুমোদন নম্বরসহ স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ করতে হবে। কোন ডেভেলপার কর্তৃপক্ষ কতৃর্ক রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন এবং ডেভেলপার কর্তৃক হস্তান্তর দলিল সম্পাদনের ক্ষমতা বা অধিকার প্রাপ্তির পূর্বে রিয়েল এস্টেট ক্রয়বিক্রয়ের জন্য প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যমে প্রচার করতে পারবে না।
প্রকল্প অনুমোদনের পূর্বে ক্রেতার নিকট ডেভেলপার কোন রিয়েল এস্টেট বিক্রয় করতে বা বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হতে পারবে না। প্রত্যেক ডেভেলপার ক্রেতাকে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট জমির মালিকানা সংক্রান্ত দলিলপত্র প্রদর্শন করবে। অনুমোদিত নকশা ব্যতীত অন্যান্য সহযোগী স্থাপত্য নকশা, কাঠামোগত নকশাসহ অন্যান্য বিল্ডিং সার্ভিসেস ডিজাইন ও দলিলাদি ডেভেলপার কর্তৃক প্রতিস্বাক্ষরিত হতে হবে।
বেসরকারী বা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে আবাসিক প্লট প্রকল্পের আওতাধীন জমির মালিকানা স্বত্ব ও ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা, ২০০৪ প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে অনুসরণ করতে হবে। প্রত্যেক ডেভেলপারকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট হতে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়ন বিধিমালা,২০০৪ প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে এবং প্রযোজ্য ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত বিধিমালা অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট এর নকশার অনুমোদন, রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্প উন্নয়ন, সংশোধন, পুনঃঅনুমোদন বা নবায়ন করতে হবে।
বেসরকারী বা সরকারী-বেসরকারী যৌথ উদ্যোগে নির্মিত রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের লে-আউট প্ল্যান নির্ধারিত পদ্ধতিতে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে বেসরকারী আবাসিক প্রকল্পের ভূমি উন্নয়নবিধিমালা, ২০০৪ অনুযায়ী নাগরিক সুবিধাদি যতদূর সম্ভব নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেক ডেভেলপারকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুযায়ী রিয়েল এস্টেট উন্নয়নপ্রকল্প এমনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে যাতে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট যে কোন প্রকারের অবকাঠামো বা প্লট বা ফ্ল্যাট বা রাস্তাঘাট, বৈদ্যুতিক সংযোগ, পানি সরবরাহ, পয়ঃ ও পানি নিষ্কাশন, গ্যাস সরবরাহ এবং টেলিফোন সংযোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধার কোনরূপ ক্ষতি সাধন না হয়।
ভূমির মালিক কর্তৃক রিয়েল এস্টেট নির্মাণ
কোন ডেভেলপার জমি ক্রয় করে ওই জমিতে মালিক হয়ে উক্ত জমির উপর বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে এই আইনের সকল বিধি-বিধান তার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। কোন ব্যক্তি এককভাবে বা কয়েকজন ব্যক্তি যৌথভাবে কোন রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান না হয়েও তার বা তাদের নিজস্ব ভূমির উপর ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করলে, তার বা তাদের ক্ষেত্রেও, যতদূর প্রযোজ্য হয়, এই আইনের বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে।
রিয়েল এস্টেট ক্রয়-বিক্রয়ের শর্তাবলী
প্রসপেক্টাসে বা বরাদ্দপত্রে রিয়েল এস্টেট এর বিক্রয়যোগ্য এলাকার বিভাজনসহ যথাযথ ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ উল্লেখ করতে হবে। রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত বিস্তারিত শর্ত, পক্ষদের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিতে উল্লেখ করতে হবে। কোন ডেভেলপার ক্রেতার সম্মতিক্রমে বরাদ্দকৃত নির্দিষ্ট প্লট বা ফ্ল্যাট পরিবর্তন করতে পারবে। কোন ডেভেলপার ক্রেতার নিকট হতে চুক্তিতে উল্লিখিত শর্তের বাহিরে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করতে পারবে না। তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন পক্ষ পরবর্তীতে কোন উন্নতমানের সরঞ্জামাদি সংযোজনের প্রস্তাব করে পরস্পর সম্মত হয়ে এই মর্মে কোন সম্পূরক চুক্তি সম্পাদন করলে এই বিধান কার্যকর হবে না।
হস্তান্তর দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন....
(১) রিয়েল এস্টেটের সমুদয় মূল্য পরিশোধের পর ডেভেলপার অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাসের মধ্যে ক্রেতাকে রিয়েল এস্টেটের দখল হস্তান্তর, দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে দিবে।
(২) রিয়েল এস্টেট এর দখল হস্তান্তরকালে এর আয়তন কম বা বেশি হলে তার মূল্য ক্রয়কৃত দর অনুযায়ী ৩ (তিন) মাসের মধ্যে সমন্বয় করতে হবে।
(৩) কোন ডেভেলপার কোন ভূমির মালিকের নিকট হতে বা পক্ষে আম-মোক্তারনামা দলিলবলে ভূমি প্রাপ্ত হয়ে ঐ ভূমিতে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ এবং সেই অংশে প্রাপ্ত রিয়েল এস্টেট ক্রেতাগণের নিকট বিক্রয়ের.
>>পেইজে ফলো করে পাশে থাকবেন.......

22/07/2022

বার কাউন্সিল ভাইবা পরীক্ষায় যে ধরনের প্রশ্ন করে থাকে
# # # # #প্রশ্নসমূহ::
০১। Miscellaneous বানান করুন?
০২। যৌতুক আইন ১৯৮০ সম্পর্কে কি জানেন?
০৩। রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারী করা যায় কি?
০৪। চুরির সংজ্ঞা দিন?
০৫। চুরি কত প্রকার ও কি কি?
০৬। চুরি ও ডাকাতির পার্থক্য?
০৭। তামাদির ৫ ধারা?
০৬। অব্যাহতি বলতে কি বুঝেন?
০৯। অব্যাহতি ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায়?
১০। নিষেধাজ্ঞা নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর না করলে কি করবেন?
১১।Respondent শব্দের অর্থ কি? Respondent বানান করুন।
১২। Order ও ডিক্রীর মধ্যে পার্থক্য কি?
১৩।বাটোয়ারা মামলার প্রাথমিক ডিক্রি হয়।
১৪। Further Investigation কি ও কত ধারায়?
১৫। ৯৬ (৩) ধারায় কি বর্ণিত আছে যেক্ষেত্রে আপীল চলে না?
১৬। Criminal case policiniais pisico ?
১৭। জজ কি আসামীকে প্রশ্ন করতে পারে?
১৮। সাক্ষ্য কত প্রকার?
১৯। আরজি খারিজ হলে রিভিশন করতে হবে না আপীল করতে হবে?
২০। ফৌজদারী মামলার জজ কি সাক্ষীদের প্রশ্ন করিতে পারে? যদি পারে তা কত ধারায় মতে?
২১। CR P.C এর ১৯৬, Discharge ও ৯৬ ধারা কি?
২২। AD এর পুরাে ব্যাখ্যা করুন?
২৩। তামাদি আইনের ১৪ ধারায় কি বলা হয়েছে?
২৪। তামাদি আইনে ৫ ধারা ও ৩ ধারায় কি বলা হয়েছে?
২৫। আরজি ফেরৎ কি?
২৬। বর্তমানে ঢাকার CJM এবং CMM কে?
২৭। নালিশী মামলা কোথায় করতে হবে? এবং CR মামলায় বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট-এর বিষয়ে আলােচনা করুন?
২৮। অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কে জারী করতে পারেন?
২৯। সাধারণ উদ্দেশ্য এবং মৃত্যকালীন ঘােষণা কি ?
৩০। Cr. PC এর ১০৭, ১১৭, ১৪৪ এবং ১৪৫ ধারার মামলা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের কোর্টে দায়ের করতে হবে?
৩১। দণ্ডবিধির ৩২৪ ও ৩২৫ ধারার মধ্যে পার্থক্য কি?
৩২। G.D কোন আইনের এবং কত ধারায় করতে হবে?
৩৩। ১৯৮৫ সালের পারিবারিক অধ্যাদেশের ৫ ধারায় কোন কোন মামলা করা যায়?
৩৪। SR Act ১২, ৫৩, ৮, ৯ ও ৪২ ধারা সম্পর্কে কি জানেন?
৩৫।অগ্রক্রয় এর মামলা কয়ভাবে করা যায়? অত্র আইনের ৯৬ ধারায় কি কি সংশােধনী আনা হয়েছে?
৩৬। বার কাউন্সিলের গঠন ও কার্যাবলী বলতে কি বুঝেন?
৩৭। ১৯৮৫ পারিবারিক অধ্যাদেশ আছে কিনা?
৩৮। মার্কেন্টাইল ল’ কি?
৩৯। নন-জিআর মামলা কোথায় করা যায়?
৪০। জামিন এর জন্য কোর্ট ফি কত?
৪১। সময়ের আবেদন নামঞ্জুর হলে কি করতে হবে?
৪২। রিট পিটিশন কোথায় করতে হয়?
৪৩। ডিসকোভারী ৩০ ধারা কি?
৪৪। কি ক্রোক করা যায় না?
৪৫। সার্চ ওয়ারেন্ট কি?
৪৬। ডিক্রি পেলে কি করবেন?
৪৭। ডিসকোভারী কি?
৪৮। অগ্রক্রয় বলতে কি বুঝেন?
৪৯। সেশন জজ, সেশন দায়রা জজ কি?
৫০। EVedince Act-এর ২৫, ২৬ ধারা কি?
৫১। SR-৪২ ধারা সর্ম্পকে বলুন।
৫২। Cause of Action বলতে কি বুঝেন?
৫৩। C.R মামলা করা যায় কিনা?
৫৪। স্বীকার, স্বীকারােক্তি কি?
৫৫। দেঃ কাঃ ১৫১ এবং ফৌঃ কাঃ ৫৬১-ক কি?
৫৬। Injunction দিয়েছে Vacate এর জন্য কি করবেন?
৫৭। টাকা আদায়ের মামলার তামাদী মেয়াদ কত?
৫৮। সানী মােকদ্দমা হলে কি করবেন।
৫৯। Advalorem কোর্ট কি?
৬০। আইন কি?
৬১। CRPC ২৪১ (ক) ২৬৫ ধারা কি?
৬২। Confession কি?
৬৩। পাওনা আদায় মােকদ্দমা কোথায় করতে হয়?
৬৪। বিশেষ ট্রাইব্যুনাল কি?
৬৫। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে কি কি প্রতিকার পেতে পারে?
৬৬। ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা কি?
৬৭। দেঃ কাঃ ১১ ধারা ৩৯ আদেশ ১/২ বিধিতে কি আছে?
৬৮। ৪২ ধারা বিষয়ে সুঃ নিঃ প্রতিকার আইনে কি বলা হয়েছে?
৬৯। আপীল কত ধারা দেঃ কাঃ ?
৭০। সংবিধান কাহাকে বলে?
৭১। মৃত্যুকালীন ঘােষণা কি?
৭২। ইস্যু কি?
৭৩। দেওয়ানী কার্যবিধি ২০০ ধারা ও ফৌজদাররি কার্যবিধি ২০০ ধারা কি? ৭৪। দেঃ কাঃ ৩০ ধারা কি?
৭৫। আরজি ফেরত কি?
৭৬। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট কত প্রকার ।
৭৭। রিট পিটিশন কি কত ধারায়?
৭৮। Mandatory Injunction সর্ম্পকে বলুন।
৭৯। CR Case সর্ম্পকে বলুন।
৮০। যৌতুক আইনের মামলা কত ধারায় করবে?
৮১। ডিক্রী ও রায় কি?
৮২। বাংলাদেশের এটর্নী জেনারেল কে?
৮৩। সাবজুডিস কি?
৮৪। দন্ডবিধির ৪২০ এবং CRPC 420 ধারা সর্ম্পকে বলুন।
৮৫। NI Act এর মামলা এর মামলা কিভাবে করবেন?
৮৬। জবানবন্দী কি?
৮৭। সার্চ ওয়ারেন্ট কি?
৮৮। জামিন বাতিল করলে কি করবেন?
৮৯। ফৌজদারী আদালত কত প্রকার?
৯০। চার্জ গঠন বলতে কি বুঝেন?।
৯১। Suplimentary কি?
৯২। কিশাের অপরাধ এর বিচার কোথায় হয়?
৯৩। দেওয়ানী মামলার স্তরগুলাে বলুন?
৯৪। ADR কি?
৯৬। CRPC 420, 426 ধারায় কি বলা হয়েছে?
৯৭। ১৬১-১৬৪ ধারা কি?
৯৮। Order ও ডিক্রির কি?
৯৯। সমন ও আরজি ফেরত কি?
১০০। সাক্ষ্য আইনের ৩১(১) ধারায় কি আছে?
১০১। ছানী মােকদ্দমা কি?
১০২। ঘােষণামলক মােকদ্দমা কি?
১০৩। Discovery কি?
১০৪। CR Case-GR case এর পার্থক্য কি।
১০৫। C.PC এর ১০, ১১ ধারা কি?
১০৬। NI Act মামলা অর্ন্তভূক্ত কত ধারায় করতে হয় এবং কিভাবে?
১০৭। চার্জ গঠন কি?
১০৮। প্রজাসত্ব আইন কি?
১০৯। সংবিধানের সংজ্ঞা?
১১০। এখতিয়ার বলতে কি বুঝেন?
১১১। ওকালতনামায় কোর্ট ফি কত?
১১২। বন্ড ফি?
১১৩। Common law system সম্পর্কে বলুন?
১১৪। আরজী সংশােধন কি এবং কোন আইনে?
১১৫। Temporany/ Injanction কি ?
১১৬। ফৌজদারী মামলা কত ভাবে দায়ের করা যায়?
১১৭। পারিবারিক অধ্যাদেশ-১৯৮৫ কি?
১১৮। CrPC পূর্ণ অর্থ বলুন?
১১৯। দস্যুতা কখন ডাকাতি হয় ?
১২০। PC-৪২০ ধারায় কি বলা হয়েছে?
১২১। দেঃ মামলা স্থানান্তর সংক্রান্ত ২৪ ধারা কি?
১২২। Order কখন ডিক্রি হয়?
১২৩। অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা কি?
১২৪। ডাকাতি, ছিনতাই কি?
১২৫। CrPC ১৪৪ ধারা কি?
১২৬। W/s কি?
১২৭। আপীল রিভিশন রিভিউ বলিতে কি বুঝেন?
১২৮। Intellectual (মেধা বিকাশ স্বত্ব) আইন কি?
১২৯। Injunction এর প্রকারভেদ ও ব্যাখ্যা করুন।

04/07/2022

# # # # #ভুল করেও যে ৯ ধরণের #জমি কিনতে যাবেন না...

>> বর্তমানে জমির দাম দিনকে দিন বাড়লেও আবাসযোগ্য ভালো জমির পরিমাণ অনেক কম এবং পাওয়াও কঠিন। এজন্য বিভিন্ন প্রতারক চক্র ” ভালো জমি” বিক্রির লোভ দেখান। সহজ সরল মানুষ একটি ভালো জমির মালিক হবার জন্য দ্রুত টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি করে নেন। কিন্তু দখল করতে গিয়ে দেখেন জমিটি ঝামেলাপূর্ণ। এজন্য জমি কেনার আগে জানা উচিত আর কোন জমিগুলো একদমই কেনা উচিত নয়।

একটা ভালো জমি যেমন আপনার সারা জীবনের একটা সম্বল হতে পারে। ঠিক তেমনি, ভুল জমি ক্রয় আপনার সারা জীবনের কান্নার কারণ হতে পারে। আসুন জেনে নেই, কোন জমিগুলো ভুলেও কেনা উচিত নয়-

১. খাস জমিঃ

জমি কেনার সময় খোজ নিয়ে দেখবে যেন সেটি খাস জমি না হয়। যে জমিগুলো সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলোকে খাস জমি বলা হয়। অনেক সময় অনেক প্রতারক জাল দলিল তৈরি করে “খাস জমি” বিক্রি করা হয়।

আইনে বলা আছে, কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে ও সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে সেইগুলোই খাস জমি। সরকার এ জমিগুলো বন্দোবস্ত দিতে পারেন। সাধারণত ভূমিহীন ব্যক্তিরা সরকারীভাবে খাস জমি পায়। এজন্য জমি কিনার পূর্বে ভুমি অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখুন যে জমিটি খাস জমি কি না।

২. অর্পিত সম্পত্তিঃ

অনেক হিন্দু নাগরিক তাদের জমি-জমা পরিত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব লাভ করে বসবাস করেছেন। তাদের অনেকের ভূমি অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি (Vested and Non-Resident Property) হিসেবে সরকারের তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
এসকল জমি সরকার ছাড়া অন্যকেও ক্রয় বিক্রয় করতে পারে না। এজন্য, যেকোনো জমি ক্রয়ের আগে খোঁজ নিন এগুলো সরকারের তালিকাভুক্ত অর্পিত জমি কি না।

৩. অধিগ্রহণকৃত জমি বা এরূপ সম্ভাবনার জমিঃ

রাষ্ট্র বা সরকার দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেলপথ, সড়ক বা সেতুর প্রবেশ পথ বা এ জাতীয় অন্য কিছুর জন্য জনগণের কোন ভূমি যদি দখল করে নেয় তাকে বলে “অধিগ্রহণ”। সরকার দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কারো জমি অধিগ্রহণ করতে পারে।

অনেকেই সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি প্রতারণা করে বিক্রি করে। এজন্য, জমি ক্রয়ের পূর্বে ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনে নিন জমিটি সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি কিনা বা ভবিষ্যতে অধিগ্রহণ করার সম্ভবনা আছে কি না।

৪. যাতায়াতের রাস্তা নেই এরূপ জমিঃ

যে জমিটি ক্রয় করবেন সেটির মৌজা ম্যাপ যাচাই করে বা সশরীরে উপস্থিত হয়ে খোঁজ নিন যে জমিটিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা। যে জমিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই এমন জমি ভুলেও কিনবেন না।

৪. ইতোমধ্যে অন্যত্র বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ কিনাঃ

অনেক বিক্রেতা একই জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেন। ফলে, আসল বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় করার পরও জমির প্রকৃত মালিক হওয়া যায় না।
এজন্য জমি ক্রয় এর পূর্বে খোঁজ নিন বিক্রেতা পূর্বে অন্য কারো কাছে জমিটি বিক্রি করেছে কিনা বা বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি করেছে কিনা।
সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে খোঁজ নিন এর পূর্বে জমি হস্তান্তর জনিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কি না।

৫. বন্ধকীকৃত জমিঃ

অনেক সময় জমি বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে বন্ধক বা মর্টগেজ থাকে। এমন জমি কখনই ক্রয় করবেন না। কারণ বন্ধককৃত জমি ক্রয় – বিক্রয় সম্পূর্ণ বে-আইনী।

৬. কোন আদালতে মামলায় আবদ্ধ জমিঃ

অনেক সময় একই জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলে। মামলা চলছে বা মামলা এখন নিষ্পত্তি হয়নি, এমন জমি কেনা উচিত নয়।

৭. বিরোধপূর্ণ জমিঃ

অনেক সময় ওয়ারিশসূত্রে জমির মালিক হলে ঠিকমত ওয়ারিশ সনদ বা বন্টননামা করা হয় না। এসব জমি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ চলে।
এসকল বিরোধপূর্ণ জমি কেনা কোনোভাবেই উচিৎ নয়। কৃষি জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেকর্ডীয় মালিকানায় অংশীদারগণ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। সুতরাং অংশীদারদের সম্মতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

৮. দখলহীন জমিঃ

যেকোনো জমির মালিকানার জন্য প্রয়োজন দলিল ও দখল। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ। এজন্য যিনি জমি বিক্রি করছেন জমিটি তার দখলে আছে কিনা জেনে নিন। যদি দখলে না থাকে তবে এমন জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। দখলহীন মালিকদের জমি ক্রয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে জমি দখলের জন্য ঝগড়া, দাঙ্গা ফ্যাসাদ এবং মামলা মোকদ্দমায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৯. নাবালকের নামে জমিঃ

জমি যদি নাবালকের নামে থাকে, তবে সে জমি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক ছাড়া বিক্রি করা যায় না। সাধারণত ১৮ বছরের নিচে ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়।

এজন্য, অনেকেই এমন জমি কিনে যা ওয়ারিশসূত্রে কোনো নাবালকের অংশ আছে। কিন্তু, নাবালক বড়ো হয়ে মামলা করলে জমিটি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। এজন্য, এ ধরনের জমি কেনার ক্ষেত্রে সতর্ক হোন।

Address

Kishorganj
Kishoreganj
2320

Telephone

+8801717650053

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arif Law Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arif Law Chamber:

Share