23/08/2026
পারিবারিক আদালতগুলোর ভেতরের পরিবেশ দেখলে ডিভোর্সের পর আর কখনোই বাচ্চার হেফাজত নিয়ে কাড়াকাড়ি করতে চাইবেন না
বিবাহ বিচ্ছেদের পর সন্তানের হেফাজত নিয়ে বাবা-মাকে আদালতে লড়তে হয়। আর সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ছোট শিশুটিকেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আদালতে থাকতে হয়—কখনো ঘিঞ্জি কক্ষে, জায়গা না পেলে ভিড়ভাট্টা বারান্দায়।
গরম, ভিড় আর দীর্ঘ অপেক্ষায় শিশুটি যখন ক্লান্ত ও অস্থির হয়ে পড়ে, তখন মনে হয়—মামলাটি বড়দের হলেও কষ্টটা কেন শিশুকেই সহ্য করতে হবে?
বাচ্চার মায়েদের বলছি, আপনি আপনার শিশুটি যতটুকু নিজের মনে করেন, ঠিক একইভাবে শিশুটির পিতাও তাকে নিজের মনে করেন। একটি শিশুর অভিভাবক তার পিতা। সেই মর্মে শিশুটির পিতার ও সমান অধিকার আছে তার সন্তানকে কাছে পাওয়ার। বাচ্চাটি ছোট হলে আপনি তাকে আপনার কাছে রাখুন, তবে তার পিতা কে তার সাথে নিয়মিত দেখা করার সুযোগ করে দিন।
বাচ্চার বাবাদের বলছি, আপনার শিশুকে দেখতে এসে নিজের কাছে জোরপূর্বক নিয়ে রাখবেন না। আপনার সন্তানের সঠিক ভাবে বেড়ে উঠার স্বার্থে তার মায়ের পরম স্নেহ ও আদরের প্রয়োজন আছে। আপনি তার ভরনপোষণের ব্যবস্থা করার জন্য বাইরে বাইরে থাকবেন, নিজেও ঠিকমত দেখে রাখতে পারবেন না। সুতরাং সন্তানের মঙ্গলের কথা ভেবেই নিজের দ্বায়িত্বটুকু পালন করুন আর সময় সময় সন্তানের সাথে দেখা করুন।
নিজেদের মধ্যে যদি সমঝোতা থাকে তাহলে আদালতে যাওয়ার দরকার পরবেনা।
তাই জেদ, অভিমান আর ইগো পাশে রাখুন। একবার শুধু আপনার সন্তানের কথা ভাবুন—প্রতি মাসে তাকে আদালতে নিয়ে আসা তার জন্য কতটা কষ্টকর হতে পারে। এত অল্প বয়সে তাকে আদালতের ভিড়, উত্তেজনা ও প্রতিকূল পরিবেশের মুখোমুখি করবেন না। আপনার বিরোধের বোঝা সন্তানের কাঁধে চাপাবেন না প্লিজ।
#সন্তানেরহেফাজত #পারিবারিকআদালত #বিবাহবিচ্ছেদ #সন্তানেরস্বার্থ #শিশুরঅধিকার #শিশুরমানসিকস্বাস্থ্য #পারিবারিকআইন #আইনজীবী #আইনজীবীরপরামর্শ #বাংলাদেশেরআইন