20/08/2025
📌 ইনকাম ট্যাক্স ফাইল অডিট সংক্রান্ত গাইডলাইন- করদাতার জন্য বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ, আয়কর রিটার্ন অডিট নির্দেশনা ২০২৫–এ স্পষ্ট বলা হয়েছে—
👉 “যে সকল করদাতার রিটার্ন কখনোই অডিটের আওতায় আসেনি, সে সকল রিটার্ন থেকে অডিটের জন্য বাছাইকৃত রিটার্নের সংখ্যা হবে বাছাইকৃত মোট রিটার্নের ন্যূনতম এক-তৃতীয়াংশ।”
অর্থাৎ, নিয়মিত অডিট তো চলছেই—তার সাথে যারা আগে কখনো অডিটে পড়েননি, তাদের ক্ষেত্রেও কমপক্ষে ৩ ভাগের ১ ভাগ রিটার্ন অডিটে পড়বে। যা নিঃসন্দেহে অনেক বড় সংখ্যা 🤔
ফলে, একজন করদাতার জন্য এখানে বিশেষ সতর্কতার জায়গা রয়েছে। কারণ শেষ পর্যন্ত ঝামেলায় পড়বেন সেই করদাতা, যার ফাইল অডিটের আওতায় আসবে।
তবে চিন্তার কিছু নেই—
যদি সঠিক পরিকল্পনা, সঠিক তথ্য, নির্ভুলভাবে রিটার্ন দাখিল এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি সংরক্ষণ করা যায়, তাহলে অডিট হলেও চাপমুক্ত থাকা সম্ভব।
আমরা জানি, এনবিআর ইতোমধ্যেই “আয়কর রিটার্ন অডিট নির্দেশনা, ২০২৫” জারি করেছে। সেখানে অডিট প্রক্রিয়া বিস্তারিত বলা আছে (ছবিতে/এটাচমেন্টে দেয়া হলো)।
✅ করদাতার করণীয় (সংক্ষেপে)
১। রিটার্নে যা দেখাবেন তার প্রমাণ অবশ্যই থাকতে হবে, মনগড়া তথ্য দেয়া যাবে না।
২। রিটার্নে প্রদর্শিত সব তথ্যের কপি নিজের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। রিটার্ন যেন ভুল ছাড়া জমা হয়—ভুল করলেও ফাইল অডিটে পড়তে পারে।
৪। আইন মানা ও কর পরিকল্পনা—এই দুই দিকেই গুরুত্ব দিতে হবে।
৫। আপনার কাছে যদি মনে হয় আপনার ফাইলের ব্যাপারে সহায়তা প্রয়োজন, তাহলে একজন ভালো কর বিষয়ক আইন জানা পরামর্শক এর পরামর্শ নিতে পারেন।
৬। অবশ্যই যেখানে সেখানে বা যার তার মাধ্যমে রিটার্ন সাবমিট করাবেন না। কারণ এটা ডাটা এন্ট্রির কাজ না, এটা একটা আইন। সামান্য অসচেতনতাও আপনার আর্থিক ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।
৭। অডিটে ফাইল পড়লেও মানসিক চাপ না নিয়ে স্বাভাবিক থাকতে হবে। কারণ সমস্যা থাকলে শুধু আর্থিক জরিমানাই হতে পারে, ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
ধন্যবাদ সবাইকে ।