Law Act by Aurora

Law Act by Aurora This is a page where you can get lots of knowledge about law

Specific Relief Act 1877....
17/03/2024

Specific Relief Act 1877....

22/01/2024

আজকে আমরা জানব,ছানি মোকদ্দমা (misc Case) :

✍️ কোনো মামলা একতরফাভাবে সম্পন্ন হলে সে মামলাটিকে অত্র আদালতে পুনরায় চালু করার পদ্ধতিকেই প্রথাগতভাবে ছানি মামলা বলা হয়।

✍️ ছানী মোকদ্দমা তিন কারনে হয়ে থাকে

১)শুনানীর দিন বাদী -বিবাদী যদি কেউ উপস্থিত না থাকে । ৯ আদেশের ৪ নিয়মে ছানি মোকদ্দমা করতে হবে।
২) মোকদ্দমা শনানীর দিন বিবাদী উপস্থিত হয়ে হাজিরা দিলে এবং বাদী গরহাজিরা থাকিলে।৯আদেশের ৯নিয়মে ছানি মোকদ্দমা করতে হবে।
*নির্ধারিত অর্থ প্রদান না করলে(দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ৪১ আদেশের ১৯ ও ২১ নিয়মে ছানি মোকদ্দমা করা যায়।)

৩) সমন জারী বা জবাব দাখিল করার স্বত্ত্বেও বিবাদী শুনানীর
দিন গরহাজির থাকার কারনে আদালত যদি একতরফা ডিক্রির
আদেশ দেন।বিবাদী ৯ আদেশ ১৩ নিয়মে ছানি মোকদ্দমা দাখিল করতে পারেন।

✍️ ছানি মামলার জন্য সিদ্ধান্ত হলো আদেশ।

✍️ মামলা পুনরুজ্জীবিত করার বেশ কিছু বিধান রয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, নিয়ম ৪; আদেশ ৯, নিয়ম ৯ ও ৯ক এবং আদেশ ৯ নিয়ম ১৩ এর বিধান মতে মামলা পুনরুজ্জীবিত করার বিধান রয়েছে।

10/01/2024

এক নজরে
তামাদি আইন -১৯০৮

১) সর্বপ্রথম তামাদি আইনের কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
-১৭৯৩ সালে।
২) সর্বপ্রথম আইনে পরিণত হয় কত সালে?
- ১৮৫৯ সালে।
৩) পরবর্তীতে তামাদি আইন সংশোধন হয় কত সালে?
- ১৮৭১ ও ১৮৭৭ সালে।
৪)বর্তমান তামাদি আইন প্রকাশিত হয় কখন?
- ১৯০৮ সালের ৭-ই আগস্ট।
৫) তামাদি আইন বলবৎ বা কার্যকর হয় কখন?
- ১৯০৯ সালের পহেলা জানুয়ারি।
৬) তামাদি আইন ১৯০৮ সালের কত নাম্বার আইন?
- ৯ নাম্বার আইন।
৭) তামাদি আইন সর্বশেষ সংশোধন হয় কত সালে?
- ২০০৪ সালে।
৮) এই আইনে মোট ধারা আছে কয়টি?
- ৩২টি । বলবৎ ২৯টি
৯) তামাদি আইনের তফসিল কয়টি?
৩টি।
১০) এই আইনের অনুচ্ছেদ আছে কতটি?
-১৮৩টি।
১১) তামাদি আইন কী ধরণের আইন?
- এটা একটা পদ্ধতিগত আইন।

সংজ্ঞার ব্যাখাসমূহ।

১২) তামাদি আইনে মামলা বলতে কী বুঝায় না?
- আপিল বা দরখাস্ত।
১৩) তামাদি আইনের উদ্দেশ্য কী?
- নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করা।
১৪) তামাদি আইন প্রযোজ্য নয় কোন ক্ষেত্রে?
- ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে
- ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২৫ ধারার ক্ষেত্রে এবং
- ১৮৬৯ সালের বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ক্ষেত্রে।
১৫) তামাদি আইন প্রযোজ্য হয় কোন ক্ষেত্রে?
- দেওয়ানি মূল মামলায়
- দেওয়ানি আপিল, রিভিউ এবং রিভিশনের ক্ষেত্রে এবং
- ফৌজদারি আপিল ও রিভিশনের ক্ষেত্রে।
১৬) তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় কখন থেকে?
-নালিশের কারণ উদ্ভবের দিন হতে এবং গণনা হয় ইংরেজি সাল অনুযায়ী।

🕛 তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে মামলা দায়েরের ফলাফল🕕

১৭) "তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর কোনো মামলা বা দরখাস্ত দায়ের করা হলে বিবাদী পক্ষ আপত্তি না করলেও তা খারিজ হবে"- কত ধারার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- তামাদি আইনের ৩ ধারার সঙ্গে।
১৮) কোনো মামলা তামাদিতে বারিত নয় তা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর?
- বাদীর উপর।
১৯) তামাদিতে বারিত মামলা সরকার করলে তার ফলাফল কী হবে?
- খারিজ হবে।

🕕তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকা🕡
২০) "তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে মামলা, আপিল বা দরখাস্ত আদালত খোলার প্রথম দিন দায়ের করতে হবে" কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৪ ধারায়।

🕛বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন 🕧
Condonation Of Delay
২১) বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন বিষয় কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৫ ধারায়।
২২) কোন কোন ক্ষেত্রে বিলম্ব মওকুফের জন্য আবেদন করা যায়?
- অসুস্থতা
- কারাবাস
- সরল বিশ্বাস
- দারিদ্রতা
- কৌঁসুলির ভুল এবং ভুল পরামর্শ
- আদালতের সিদ্ধান্ত।
২৩) ৫ ধারার বিলম্ব মওকুফ কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
- দেওয়ানি মূল মামলার ক্ষেত্রে।
২৪) ৫ ধারার আবেদন মঞ্জুর করা আদালতের কী ধরণের ক্ষমতা?
- Discretionary Power অর্থাৎ স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা।
২৫) সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কিছু বলা না থাকলে বিশেষ আইনের ক্ষেত্রে সময় বৃদ্ধির জন্য তামাদি আইন ৫ ধারা প্রযোজ্য হবে কী?
- হবে না।

বৈধ অপারগতা
Legal Disability

২৬) কোন ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ বন্ধ থাকে?
- Legal Disability অর্থাৎ বৈধ অপারগতার ক্ষেত্রে।
২৭) Legal Disability অর্থাৎ বৈধ অপারগতার আওতাভুক্ত কারা?
- নাবালক
- উম্মাদ এবং
- জড়বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি।
২৮) তামাদি আইনের ৬ ধারা কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়?
- মামলা ও ডিক্রির কার্যকর করার ক্ষেত্রে।
২৯) তামাদি আইনের ৬ ধারা প্রযোজ্য হয় না কোন ক্ষেত্রে?
- আপিল, রিভিউ, রিভিশন ও দরখাস্ত আবেদনের ক্ষেত্রে
-অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে (৮ ধারা)
৩০) কতিপয় ব্যক্তির মধ্যে একজনের অপারগতা থাকলে ফলাফল কী হবে?
- ঐ একজন ছাড়া সবাই সামর্থ্যবান হলে সকলের বিরুদ্ধে তামাদির মেয়াদ চলবে। এমনকি একজন সামর্থ্যবান হলেও তামাদির মেয়াদ চলবে।(৭ ধারা)
৩১) মামলা দায়েরের নির্ধারিত মেয়াদ যাহাই থাকুক না কেন বৈধ অপারগতা শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ কতটুকু সময় পর্যন্ত বর্ধিত করা যেতে পারে?
- ৩ বছর।
৩২) "তামাদি মেয়াদ একবার আরম্ভ হলে অবিরাম চলতে থাকবে" কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ৯ ধারায়।
৩৩) তামাদি আইনের ৬-৮ ধারা কার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
- শুধুমাত্র বাদীর ক্ষেত্রে, বিবাদীর ক্ষেত্রে নয়।

🕛 মেয়াদ গণনা হতে যে সময় বাদ যাবে🕛

৩৪) তামাদি মেয়াদ গণনা হতে বাদ যাবে কোন কোন দিনগুলো?
- মামলা, আপিল বা দরখাস্ত কারণ উদ্ভবের দিন
- আদেশ বা রায় ঘোষণার দিন
- আদেশের নকল সংগ্রহের আবশ্যকীয় দিন
- রায়ের নকল সংগ্রহের আবশ্যকীয় দিন এবং
- রোয়েদাদ সংগ্রহের আবশ্যকীয় দিন। (১২ ধারা)
৩৫) ভুল আদালতে মামলা ব আপিল দায়েরের ফলাফল কী?
- এর ফলে বাদীর যে সময় নষ্ট হয়েছে তা তামাদি মেয়াদ হতে বাদ যাবে।
৩৬) বিদেশে সম্পাদিত চুক্তির উপর বাংলাদেশে মামলা হলে কোন আইন অনুযায়ী এই মামলা হবে?
- তামাদি আইন অনুযায়ী। বিদেশি তামাদি আইনের বিধান প্রযোজ্য হবে না।

প্রতারণার ফলাফল
Effect Of Fraud
৩৭) তামাদি আইনের ১৮ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
- তামাদি মেয়াদের ক্ষেত্রে প্রতারণার ফলাফল।
৩৮) প্রতারণার ক্ষেত্রে তামাদি মেয়াদ কখন শুরু হবে?
যেদিন উক্ত ব্যক্তি প্রতারণা সম্পর্কে জানতে পারবে।

✍লিখিত দায় স্বীকারের ফলাফল
Effect Of Acknowledgement in Writing
৩৯) লিখিতভাবে দায় স্বীকার প্রযোজ্য হয় কোন ক্ষেত্রে?
- সম্পত্তি ও অধিকারের ক্ষেত্রে।
৪০) তামাদি আইনের ১৯ ধারায় বর্ণিত বিষয় কী?
- লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল।
৪১) লিখিত দায় স্বীকারের ফলাফল কী?
- নতুন করে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

✍দেনা পরিশোধের ফলাফল
Effect Of Payment
৪২) কোনো দেনা বা দেনার সুদ আংশিক পরিশোধ হলে কখন থেকে তামাদি মেয়াদ শুরু হবে?
- পরিশোধের তারিখ হতে।
৪৩) এই ধারার অধীনে দেনা বলতে কী বুঝাবে?
- আদালতের ডিক্রি বা আদেশের অধীনে প্রদেয় অর্থ।
৪৪) মামলায় নতুন বাদী বা বিবাদী পক্ষভুক্ত হলে তার ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ কিভাবে গণনা করা হবে?
- পক্ষভুক্তির দিন হতে।(২২ ধারা)

অবিরাম বা একাধারে চুক্তিভঙ্গ বা অন্যায়
Continuing Breach and Wrongs
৪৫) অবিরামভাবে চুক্তিভঙ্গের ফলাফল কী?
- প্রতি মুহুর্তে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
৪৬) "ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন প্রকৃত ক্ষতি হয়, তখন থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে"- কত ধারায় বলা হয়েছে?
- ২৪ ধারায়।

সুখাধিকার অর্জন
Acquisition Of Easements Rights

৪৭) সুখাধিকার কিভাবে অর্জিত হয়?
কোনোকিছু-
-বিনা বাঁধায়
- শান্তিপূর্ণভাবে
-অব্যাহতভাবে
-২০ বছর যাবৎ ভোগদখল করার মাধ্যমে। (সরকারি সম্পত্তির ক্ষেত্রে ৬০ বছর)
৪৭) সুখাধিকারের অর্জনের কথা বলা হয়েছে তামাদি আইনের কত ধারায়?
- ২৬ ধারায়।

😡বিরুদ্ধ দখল বা সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি
Adverse Possession

৪৮) Adverse Possession বা বিরুদ্ধ দখলের কথা বলা হয়েছে কত ধারায়?
- ২৮ ধারায়।
৪৯) অবৈধ দখলকারী স্থাবর সম্পত্তির মালিক বলে পরিগণিত হবে কিভাবে?
- প্রকৃত মালিকের জ্ঞাতসারে
- প্রকাশ্যভাবে
- নিরবচ্ছিন্নভাবে
-১২ বছর যাবৎ উক্ত জমির বাস্তব
ভোগদখল করে।
৫০) বিক্রয় চুক্তির কত বছরের মধ্যে যদি নিলাম ক্রেতা তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলে নেবার জন্য মামলা না করেন আদালত তাকে ঐ সম্পত্তি দখল প্রদানে অস্বীকৃতি জানাতে পারেন?
- ৩ বছরের মধ্যে মামলা না করলে।

✍তফসিল
Schedule
৫১) দেওয়ানি আদালতে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের কত সময়ের মধ্যে ডিক্রি জারির মামলা দায়ের করতে হয়?
- তিন বছরের মধ্যে।
৫২) ডিক্রির বিরুদ্ধে কত সময়ের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হয়?
- ৩০ দিনের মধ্যে।
৫৩) বেদখল হওয়ার ক্ষেত্রে কত দিনের মধ্যে স্বত্ব দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে হয়?
-১২ বছরের মধ্যে।
৫৪) বিবাহ বিচ্ছেদের পর বিলম্বিত দেনমোহরের জন্য একজন মুসলিম স্ত্রী কর্তৃক মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদকাল কত?
- ৩ বছর।
৫৫)SRA এর অধীনে ৯ ধারা অনুযায়ী তামাদির মেয়াদ হবে বেদখলের তারিখ হত কত সময়ের মধ্যে?
- ৬ মাসের মধ্যে।
৫৬)জমির স্বত্ব ঘোষণা ছাড়াই শুধু দখল পুনরুদ্ধারের মামলা তামাদি মেয়াদ কত?
- ৬ মাস।
৫৭) অগ্রক্রয়ের তামাদির মেয়াদ কত?
- ১ বছর।
৫৮) তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের নালিশ দায়েরের মেয়াদ উল্লিখিত আছে?
-১৪২ অনুচ্ছেদে।
৫৯)চুক্তিভঙ্গের কারণে ক্ষতিপূরণের মামলায় তামাদি মেয়াদ কত?
- ১ বছর।
৬০)কোনো মামলা দায়েরের সময় সীমার বিষয়ে তামাদি আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান না থাকলে তামাদির মেয়াদ কত বছর ধরা হবে?
-৬ বছর।
৬১) মৃতের ওয়ারিশ কায়েম সংক্রান্ত তামাদির বিধান তামাদি আইনের কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ১৭৭ অনুচ্ছেদে।
৬২) দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল সংক্রান্ত তামাদির বিধান "তামাদি আইনের" কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
- ১৫০ অনুচ্ছেদে।
৬৩) বন্ধকী স্থাবর সম্পত্তির খালাস করার বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বন্ধকগ্রহীতার বিরুদ্ধে মামলার নির্ধারিত মেয়াদ কত?
- ৬০ বছর।
৬৪) এক তরফা শুনানিকৃত আপিল পুনঃশুনানির তামাদি সম্পর্কিত বিধান "তামাদি আইনের" কত অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
-১৬৯ অনুচ্ছেদে। ( তামাদি মেয়াদ ৩০ দিন)
৬৫) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের কোন মামলায় যেক্ষেত্রে কোন সময়কাল নির্ধারিত নেই সেক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে কিভাবে?
- অস্বীকৃতির বিষয় জানার তারিখ থেকে।
৬৬)নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি জারির দরখাস্ত দাখিলের মেয়াদকাল গণনা করা হবে কখন থেকে?
- ডিক্রির সই মহুরি নকল প্রাপ্তির তারিখ হতে।
৬৭) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বিরুদ্ধে আপিল করতে হয় কত সময়ের মধ্যে?
- ৬০ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইনের ১৫৫ অনুচ্ছেদ।)
৬৮) মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হয় কত সময়ের মধ্যে?
-৭ দিনের মধ্যে। (তামাদি আইনের ১৫০ অনুচ্ছেদে বলা আছে।)

৬৯) বিক্রয় রদের মামলা দায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
- ১ বছর।
৭০) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন-১৮৭৭ এর ৪২ ধারা অনুযায়ী ঘোষণামূলক মামলার তামাদি মেয়াদ কত?
- ৬ বছর।

(তামাদি আইন ১৯০৮)

ধারা সংক্ষেপঃ-

ধারা-১ শিরোনাম,
ধারা-২ সংজ্ঞা,
ধারা-৩ খারিজ,
ধারা-৪ বন্ধ,
ধারা-৫ বিলম্ব মউকুফ,
ধারা-৬ অপারগতা,
ধারা-৭ কতিপয় বাদী,
ধারা-৮ ব্যতিক্রম,
ধারা-৯ সময়ের অবিরাম চলন,ধারা-১০ অছি,
ধারা-১১ বৈদেশিক চুক্তি,
ধারা-১২ বাদ যাবে,
ধারা-১৩ বিবাদি বিদেশে,
ধারা-১৪ ভুল আদালত,
ধারা-১৫ নোটিস,
ধারা-১৬ নিলাম রদ,
ধারা-১৭ মৃত্যুর ফলাফল,
ধারা-১৮ প্রতারণার ফলাফল,ধারা-১৯ স্বীকৃতির ফলাফল,
ধারা-২০ ঋণ বা সুদ প্রদান ফলাফল
ধারা-২১ অক্ষম ব্যক্তির প্রতিনিধি
ধারা-২২ পক্ষভুিক্তর ফলাফল,ধারা-২৩ অবিরাম চুক্তিভঙ্গ,
ধারা-২৪ ক্ষতিপূরণের মামলা,ধারা-২৫ গেগরিয়ান বর্ষ পুঞ্জি,
ধারা-২৬ সুখাধিকার,
ধারা-২৭ ভাবি উত্তরাধিকারী,
ধারা-২৮ বিলুপ্তি,
ধারা-২৯ সংরক্ষন।
টিপসঃ- ১
➤ ৩ টি করে ক্ষেত্র আছে তিনটি ধারাতে ৩, ৬, ২১ (৬ ধারা উপধারা ৪টি)।
➤ ৪ টি করে ক্ষেত্র আছে ৪ টি ধারাতে ১২, ২৬, ২৯
➤ ৫ ধারায় ৫টি ক্ষেত্র আছে।
➤ ৫ টি ধারায় তামাদি মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬
➤ ৫ টি ধারায় ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ২২
টিপসঃ- ২
➤ তামাদি সময় --- ৭ দিনঃ-
অনুচ্ছেদ --- ১৫০
➤ তামাদি সময় --- ১০ দিনঃ-অনুচ্ছেদ --- ১৫৯
➤ তামাদি সময় --- ১৫ দিনঃ-অনুচ্ছেদ --- ১৬০, ১৬১
➤ তামাদি সময় --- ২০ দিনঃ-অনুচ্ছেদ --- ১৫১, ১৬২
➤ তামাদি সময় --- ৩০ দিনঃ- অনুচ্ছেদ --- ১৫২, ১৫৩, ১৫৪, ১৫৮, ১৬৩ থেকে ১৭০
➤ তামাদি সময় --- ৬০ দিনঃ- অনুচ্ছেদ --- ১৫৫, ১৭১, ১৭২
➤ তামাদি সময় --- ৯০ দিনঃ- অনুচ্ছেদ ---- ২, ১৫৬, ১৭৩, ১৭৪, ১৭৬ থেকে ১৭৯
➤ তামাদি সময় --- ১৮০ দিনঃ- অনুচ্ছেদ --- ৩, ১৫৭, ১৭৫
➤ তামাদি সময় --- ১ বছরঃ-অনুচ্ছেদ --- ৪ থেকে ৩১, ১১৩, ১১৪
নোটঃ চুক্তির তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
➤ তামাদি সময় --- ২ বছরঃ-অনুচ্ছেদ --- ৩২ থেকে ৩৬
➤ তামাদি সময় --- ৩ বছরঃ-
অনুচ্ছেদ --- ৩৭ থেকে ১১২, ১১৫, ১৮০, ১৮১, ১৮২
নোটঃ দেনমহর, ঋণ, দলিল, বন্ধক, টাকা লেনদেন থাকলে তামাদি মেয়াদ ৩ বছর হবে।
➤ তামাদি সময় --- ৬ বছরঃ-অনুচ্ছেদ --- ১১৬ থেকে ১২০
➤ তামাদি সময় --- ১২ বছরঃ-অনুচ্ছেদ --- ১২১ থেকে ১৪৪
নোটঃ হিন্দু শব্দ থাকলেই ১২ বছর তামাদি মেয়াদ হবে।
➤ তামাদি সময় --- ৩০ বছরঃ- অনুচ্ছেদ --- ১৪৫, ১৪৬
➤ তামাদি সময় -- ৬০ বছরঃ- অনুচ্ছেদ --- ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯

Bangladesh Bar Council Written Exam Question
10/01/2024

Bangladesh Bar Council Written Exam Question

10/01/2024

CrPC-Section-198:
বাবা-মায়ের সাথে বসবাসকারী কোনো কন্যার চরিত্র সম্পর্কে কেউ কোনো মানহানিকর উক্তি করলে ওই কন্যা ব্যতীত বাবা কিংবা মা ওই বক্তব্যের বিরুদ্ধে ৫০০ ধারায় মামলা করলে ম্যাজিস্ট্রেট তা আমলে নিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে কন্যাকেই মামলা করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতা পরিহার করতে হবে। কারণ, মা-বাবাকেও উক্ত মানহানিকর উক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত (aggrieved) হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।।

"Parents of girls living with them when defamed scandalously are persons aggrieved within the meaning of section 198 and as such can file a complaint in court under Section 500 of the Penal Code."

রেফারেন্স: Hasan Razakhi v Mst. Meherunnesa Meher [23 DLR (WP) 14]

03/01/2024

ভার্সিটির ল স্টুডেন্ট যাদের রাতে অথবা দিনে ঘুম আসে না তাদের প্রতি আমার পরামর্শ হলো:-
✍️ Roman Law & Legal History এর টার্ম/ম্যাক্সিম গুলো পড়বেন।
✍️ টর্ট এর কেইস রেফারেন্স গুলো মুখস্থ করার চেষ্টা করবেন।
✍️ ইকুইটি এন্ড ট্রাস্ট ল এর ম্যাক্সিম গুলোর ব্যাখ্যা,প্রয়োগ এবং লিমিটিশন গুলে সাল সহ পড়বেন।
✍️ মুসলিম ল তে inheritance এর অংকগুলো করবেন।
✍️ হিন্দু ল এর কঠিন কঠিন শব্দ গুলো পড়বেন।
✍️ ফিস্কাল ল এর Individual assessment এর অংক গুলো করবেন।
✍️ Criminal Law এর শব্দগু্লো ব্যাখ্যা এবং মুখস্থ করে পড়ার চেষ্টা করবেন।

আশা করছি ঘুম আসবে।

03/01/2024
01/01/2024

✍️ মুসলিম আইনে উত্তরাধিকারের বিধান

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের অবসানের পর প্রায় দুইশত বছর চলে ইংরেজ শাসন। তবে ইংরেজ শাসকরা মুসলিম পারিবারিক বিধানের ক্ষেত্রে এ সময়েও ইসলামী শরিয়া ভিত্তিক প্রথাকে বাতিল করেনি।

সেই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান এবং তারপর বাংলাদেশেও পারিবারিক বিধান ইসলামী আইন দ্বারাই পরিচালিত হয়ে আসছে। মুসলিম পারিবারিক আইনে যেসব বিধান রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মুসলিম উত্তরাধিকার ব্যবস্থা।

মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ আইন ১৯৬১ সালে উত্তরাধিকার আইনে মৌলিক কিছু পরিবর্তন আনা হয়। তবে মহাগ্রন্থ আল কোরআনের সূরা নিসা এর ১১ ও ১২ নম্বর আয়াতে বণ্টনের যে নীতি আছে, তার দ্বারাই মূলত উত্তরাধিকার ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

এছাড়া সুন্নাহ ও ইজমার ওপর ভিত্তি করে কিছু বিধান নির্ধারণ করা হয়েছে।
মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের আগে সেই সম্পত্তি থেকে কিছু দায় আগে মেটাতে হয়।

যার মধ্যে রয়েছে- মৃত ব্যক্তির দাফন সংক্রান্ত ব্যয়ভার মেটানো, মৃত ব্যক্তির কোনো ধার-দেনা তথা ঋণ (স্ত্রীর মোহরানাসহ) থাকলে তা পরিশোধ করা এবং মৃত ব্যক্তি দান ও ওসিয়ত বা উইল করে থাকলে তা সম্পত্তি থেকে মেটানো। তবে উইলের ক্ষেত্রে এর পরিমাণ মোট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের বেশি হবে না। এসব বিষয় মেটানোর পর বাকি সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টন হবে।
মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী কারা:

ইসলামে উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে দুটি শ্রেণি রয়েছে। যার মধ্যে প্রথম শ্রেণি হচ্ছে- শেয়ারার বা অংশীদার। এ শ্রেণিতে রয়েছে ১২ জন ওয়ারিশ, মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে যাদের অংশ নির্ধারিত। এ শ্রেণির ওয়ারিশরা হচ্ছেন- স্বামী, স্ত্রী, বাবা, মা, দাদা, দাদী, বোন, কন্যা, ছেলের কন্যা, বৈমাত্রেয় বোন, বৈপিত্রেয় ভাই ও বৈপিত্রেয় বোন।

অপরদিকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে আছেন রেসিডুয়ারি, আসাবা বা অবশিষ্টভোগী। অবশিষ্টভোগী হয়ে থাকে, প্রথমত, মৃত ব্যক্তির নিজের সন্তান তথা ছেলে ও কন্যা। দ্বিতীয়ত, পূর্ববর্তী বংশধর যথা বাবা, দাদা। তৃতীয়ত, বাবার বংশধর তথা ভাই, বোন, বৈমাত্রেয় বোন, বৈমাত্রেয় ভাই, ভাইয়ের ছেলে, বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলে, বৈমাত্রেয় ভাইয়ের ছেলের ছেলে, ভাইয়ের ছেলের ছেলে। চতুর্থত, দাদার বংশধর তথা চাচা, বৈমাত্রেয় চাচা, চাচার ছেলে, বৈমাত্রেয় চাচার ছেলে, চাচার ছেলের ছেলে, বৈমাত্রেয় চাচার ছেলের ছেলে, আরও দূরবর্তী বংশধর। এ তালিকা থেকে বুঝা যায় স্থান ভেদে একই ধরনের ওয়ারিশ কখনো শেয়ারার বা রেসিডুয়ারি হতে পারে।

ওয়ারিশ/উত্তরাধিকারদের অংশ:

১. স্বামীর অংশ: মৃত ব্যক্তি যদি বিবাহিত নারী হন এবং তার স্বামী জীবিত থাকলে তিনি নির্ধারিত হারে সম্পত্তি পাবেন। সেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে-মেয়ে থাকলে স্বামী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। অপরদিকে যদি সন্তান না থাকে তবে স্বামীর অংশ হবে মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক।

২. স্ত্রী: বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

৩. বাবা: মৃত ব্যক্তির বাবা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। যদি মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা পাবে ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু কন্যা বা ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে তবে বাবা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন, তবে সেক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টনের পর কিছু অবশিষ্ট থাকলে বাবা সেই অংশও অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোনো ছেলে-কন্যা বা ছেলের সন্তান কিছুই না থাকে তবে বাকি ওয়ারিশদের মধ্যে বিতরণ শেষে যা থাকবে তা সম্পূর্ণ পাবেন বাবা।

৪. মা: মৃত ব্যক্তির মা সর্বদাই ওয়ারিশ হবেন। তবে অবস্থাভেদে এর পরিমাণে তারতম্য হবে। মৃত ব্যক্তির সন্তান বা ছেলের সন্তান এভাবে নিচের দিকে কেউ থাকে অথবা মৃত ব্যক্তির আপন, পূর্ণ বৈমাত্রেয় বা বৈপিত্রেয় ভাই-বোন থাকলে মা ১/৬ এক ষষ্ঠাংশ পাবেন। তবে মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান, ছেলের সন্তান এভাবে নিচের দিকে কেউ না থাকলে ও মৃত ব্যক্তির একজনের বেশি ভাই বা বোন না থাকলে মা ১/৩ এক তৃতীয়াংশ পাবেন।

৫. ছেলে-কন্যা: স্বামী/স্ত্রী এবং বা-মার অংশ দেওয়ার পর যা থাকবে তা সম্পূর্ণ মৃত ব্যক্তির ছেলে বা ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক তারা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পাবে। ছেলের সঙ্গে মেয়ে থাকলে প্রত্যেক কন্যা প্রত্যেক ছেলের (১/২) অর্ধেক হারে পাবে। যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

৬. দাদা: যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির বাবা জীবিত নাই কিন্তু দাদা আছে, তখন দাদা বাবার ন্যায় ওয়ারিশ হবে। তবে বাবা জীবিত থাকলে দাদা কোনো অংশ পাবেন না।

৭. দাদী/নানী: যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির মা জীবিত থাকবে সেক্ষেত্রে দাদী ওয়ারিশ হবেন না। তবে মা জীবিত না থাকলে দাদী (১/৬) অংশ পাবেন।

৮. আপন বোন এবং বৈমাত্রেয় বোন: যখন মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে নিচের দিকে এবং কন্যা, ছেলের কন্যা এভাবে নিচের দিকে কেউ এবং আপন ভাই ও বাবা, কেউ না থাকে, তবে আপন বোন নিজ কন্যার অনুরূপ অংশ পাবে। এমতাবস্থায় আপন বোন না থাকলে বৈমাত্রেয় বোন আপন বোনের অনুরূপ অংশ পাবে।

৯. সহোদর ভাই-বোন: এ ক্ষেত্রে ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক কেউ থাকলে অথবা বাবা, দাদা বা এভাবে ঊর্ধ্ব পুরুষ কেউ থাকলে তখন ভাই-বোন কেউ অংশ পাবেন না। তবে যদি স্বামী/স্ত্রী, কন্যা বা মা থাকে তবে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ ভাই-বোন নিজেদের অংশ (১/২) হিসেবে পাবে। ঊর্ধ্ব পুরুষ বা উত্তর পুরুষে কেউ না থাকলে সহোদর ভাই-বোন ছেলে-মেয়ের মতো হারে অংশ পাবে।

১০. বৈপিত্রেয় ভাই/বোন: বাবা থেকে কোনো পূর্বপুরুষ এবং ছেলে থেকে নিচের দিকে কোনো উত্তরসূরি না থাকলে বৈপিত্রেয় ভাই বা বোন ১/৬ অংশ পাবে।

উল্লেখ্য, মৃত ব্যক্তির মৃত্যুর পূর্বেই যদি তার কোনো সন্তান মারা যায় এবং সেই সন্তানের যদি জীবিত উত্তরাধিকারী থাকে, তবে তারাও সন্তান জীবিত থাকলে যে হারে সম্পত্তি পেতেন তার সমহারে অংশীদার হবে। ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ আইনে এই বিধান করা হয়। তার আগে মৃত সন্তানের ওয়ারিশগণ অংশ থেকে বঞ্চিত হতো। এছাড়া মৃত ব্যক্তির কোনো জীবিত সন্তান না থাকলে ছেলের কন্যা বা কন্যারা নিজ কন্যার অনুরূপ অংশ পাবেন। কোনো সন্তানকে ত্যাজ্য করা হলেও সে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবে না। তবে জীবিত অবস্থায় বাবা কাউকে রেজিস্ট্রি করে দান বা হস্তান্তর করে গেলে সন্তান আর অংশ পাবে না। সৎ ছেলে-মেয়ে সৎ বাবা-মায়ের এবং সৎ বাবা-মা সৎ সন্তানের অংশ পাবে না। স্বামী জীবিত অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দিলে স্ত্রী অংশ পাবে না।

01/01/2024

✍️ দলিল বাতিল কাকে বলে?
উত্তর: সাধারণত কোন দলিল কে অকার্যকর এবং অবৈধ ঘোষণা কে দলিল বাতিল বলে।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের 39 ধারায় বলা আছে যে যখন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে লিখিত বাতিল বা বাতিলযোগ্য কোন দলিল থাকে যা ভবিষ্যতে তার ক্ষতি হতে পারে এমন দলিল বাতিলের মামলা দায়ের করলে আদালত তার বিবেচনা মূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করে উক্ত দলিলাদি বাতিলের আদেশ দিতে পারেন।

✍️ কে কে দলিল বাতিলের মামলা দায়ের করতে পারে
উত্তরঃ
1.উক্ত দলের পক্ষ সমূহ
2. উক্ত দলিলটি যার বিরুদ্ধে বাতিল বা বাতিলযোগ্য
3 উক্ত দলিল বাতিল না করলে যার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

✍️ কি কি কারণে দলিল বাতিল এর মামলা দায়ের করতে হয়
উত্তরঃ

১. দলিল বাতিল বা বাতিলযোগ্য হলে।
২. ক্ষতি কারণ
৩. ন্যায় বিচারের স্বার্থে

01/01/2024

প্রশ্ন- স্বীকারপত্র কিভাবে কার্যকর হয়? অথবা, তামাদির ওপর স্বীকারপত্র কিভাবে কার্যকর হয়?

উত্তর: তামাদির ওপর স্বীকারপত্র/স্বীকারােক্তি কার্যকরের প্রক্রিয়া:

তামাদি আইনের ১৯ ধারায় বর্ণিত স্বীকারপত্র বা স্বীকারােক্তি বলবৎ করতে হলেতামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হবার পূর্বেই কোনাে দাবী সম্পর্কে দায়স্বীকার বা স্বীকারােক্তি পেতে হবে। যেমন কোনাে ঋণ আদায়ের জন্যে মামলা করতে হলে ঋণগ্রহীতা কর্তৃক উক্ত ঋণ সম্পর্কে সুনির্দিষ্টভাবে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্বীকারােক্তি থাকতে হবে। আর স্বীকারােক্তির ফলে যে সময় বৃদ্ধি পেল উক্ত সময়ের মধ্যেই পুর্বের ঋণ আদায়ের মামলা করতে হবে।

এক্ষেত্রে ঋণ খাতটি প্রমাণ করবে যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ঋণগ্রহীতা দায় স্বীকার করেছেন। তামাদি আইনের ১৯ ধারা অনুযায়ী দায়স্বীকার নিঃশর্তমূলক হতে হবে। আর যেক্ষেত্রে স্বীকারােক্তি শর্তসাপেক্ষ হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে এই ধারাটি প্রয়ােগ করতে হলে অনুরূপ শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

দায়স্বীকার বা স্বীকারােক্তি দাবীটি অবশ্যই তামাদি হয়ে যাবার পূর্বেই আদায় বা প্রদান করতে হবে এবং তার বর্তমান অস্তিত্ব রয়েছে এমন একটি দায় সম্পর্কে সচেতন স্বীকারােক্তি হবে। এক্ষেত্রে কোনাে স্বীকারােক্তি বা দায়স্বীকার বাদীকে মামলায় কোনাে নতুন অধিকার প্রদান করে না, কেবল মামলাটি করার সময়সীমা বৃদ্ধি করে এবং মামলার কারণকে জিইয়ে রাখে। স্মরণ রাখতে হবে যে, দায়স্বীকার বা স্বীকারােক্তিটি প্রদানের তারিখ হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।

উল্লেখ্য যে, দায়স্বীকার বা স্বীকারােক্তিটি অবশ্যই কোনাে ব্যক্তিকে সম্বােধন করে দিতে হবে অথবা কোনাে ব্যক্তির কাছে প্রেরণ করতে হবে আর অনুরূপ। স্বীকারােক্তির বিষয়বস্তু Secondary Evidence দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

পরিশেষে পুনরাবৃত্তি করা যায় যে, যেক্ষেত্রে কোনাে অধিকার বা সম্পত্তির ক্ষেত্রে তামাদির স্বাভাবিক সময় অতিক্রান্ত হবার পূর্বেই অনুরূপ অধিকার বা সম্পত্তির দায়স্বীকার করা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে তামাদি আইনের ১৯ ধারা মােতাবেক তামাদির নতুন সময় হিসাব করতে হবে।

25/12/2023

✍️বার কাউন্সিল এমসিকিউ সাপ্লিমেন্ট ২০২৩

Specific Relief Act-1877, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার:-- গুরুত্বপূর্ন ধারা
✍️ আইন ১৮৭৭ সালের ১ নং আইন
✍️ বলবৎ করা হয় ১৮৭৭ সালের ১ লা মে
✍️ মোট ধারা ৫৭ টি (২ নং ধারা এবং ৪৫ থেকে ৫১ ধারা বাতিল)
✍️ সর্বশেষ সংশোধন ২০০৪ সাল
✍️ কার্যকর করা হয় ১ লা জুলাই ২০০৫ সাল
✍️ মোট অধ্যায় ১০টি, খন্ড ৩ টি।

ধারা-১ঃ সংক্ষিপ্ত শিরোনাম।
ধারা-২ঃ বাতিল
ধারা-৩ঃ ব্যাখ্যা অনুচ্ছেদ (বাধ্যবাধকতা,ট্রাষ্ট,ট্রাষ্টী)
ধারা-৪ঃ সংরক্ষণ(৪টি ক্ষেত্রে)

ধারা-৫ঃ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার যেভাবে প্রদান করা হয়-
৫ ভাবে দেওয়া যায়-
১.দখল গ্রহণ ও অর্পণ
২.আদেশমূলক প্রতিকার
৩.নিষেধমূলক প্রতিকার
৪.ঘোষণামূলক প্রতিকার
৫. রিসিভার নিয়োগ।

ধারা-৬ঃ নিরোধক প্রতিকার/নিবারণমূলক প্রতিকার/প্রতিরোধমূলক/নিষেধমূলক প্রতিকার।

ধারা-৭ঃ দন্ডমূলক আইন বলবতের জন্য এই আইন প্রতিকার মঞ্জুর করে না।

ধারা-৮ঃ মালিক কর্তৃক সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার।( ১২ বছরের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে, রায়ের পর আপিল /রিভিউ করা যাবে, কোর্ট ফি ২ ধরনের -১.নির্ধারিত ২. মূল্যানুপাতিক।
# স্থাবর সম্পত্তিতে কোর্ট ফি ২%
# অর্থ মোকাদ্দমায় কোর্ট ফি ২.৫%

ধারা-৯ঃ স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত ব্যাক্তি কতৃক মামলা/বেআইনীভাবে দখলচ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক দখল পুনরুদ্ধার। ( ৬মাসের মধ্যে,মূল্যানুপাতিক,সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে না,আপিল/রিভিউ করা যাবে না তবে রিভিশন করা যাবে হাইকোর্ট বিভাগে)

ধারা-১০ঃ সুনির্দিষ্ট অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার -
৫ ধরনের ব্যক্তি ১০ ধারার অধীনে মামলা করতে পারবেন -
ক)মালিক খ)জিম্মাদার গ)জামিনদার ঘ)বন্ধকদাতা ঙ)হারানো পণ্য খুঁজে পেয়েছে এমন ব্যক্তি।

ধারা-১১ঃ তাৎক্ষনিক/আশু দখলের অধিকারী ব্যক্তি
(৪ টি ক্ষেত্রে এই ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্য করা যেতে পারে/মঞ্জুর করতে পারে)

# চুক্তি প্রসঙ্গে ১২-১৭ ধারা।
ধারা-১২ঃ যেসব ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন আদায়যোগ্য/চুক্তি বলবৎ করা যেতে পারে।
(৪টি ক্ষেত্রে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারে)

ধারা-১৩ঃ যেসব চুক্তির বিষয়বস্তু আংশিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে/যেক্ষেত্রে আংশিক ক্ষতিপূরণ সম্ভব।

ধারা-১৪ঃ যেক্ষেত্রে চুক্তির অসম্পাদিত অংশ ছোট।

ধারা-১৫ঃ যেক্ষেত্রে চুক্তির অসম্পাদিত অংশ হচ্ছে বড়।
ধারা-১৮ঃ ত্রুটিপূর্ণ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতার পরবর্তী অধিকার।
(৪টি ক্ষেত্রে)

ধারা-১৯ঃ নিদিষ্ট ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষমতা/বিকল্প প্রতিকার।
(এই ধারায় আদালত ২ ধরনের সিন্ধান্ত দিতে পারে)

ধারা-২১ঃ যে চুক্তিসহ সুনির্দিষ্ট ভাবে কার্যকরীকরণযোগ্য নয়/যেক্ষেত্রে চুক্তিসমূহ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর হবে না-
(৮টি ক্ষেত্রে আদালত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করবেন না)

ধারা-২১কঃ অনিবন্ধিত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না।
(২টি ক্ষেত্রে, ২০০৪ সালের ২৭ নং আইন দ্বারা সন্নিবেশিত এবং ১লা জুলাই ২০০৫ সালে কার্যকর)

ধারা-২২ঃ সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনে ডিক্রি প্রদান প্রসঙ্গে ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
(২টি ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের ডিক্রি না দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন)

ধারা-২৩ঃ যে ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন পেতে পারে/যেসকল ব্যক্তির পক্ষে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে।
(এই ধারা অনুযায়ী ৮ ধরনের ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে)

ধারা-২৪ঃ যেসকল ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে না/প্রতিকারের পথে ব্যক্তি প্রতিবন্ধকতা।
(এই ধারায় ৪ ধরনের ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার পেতে পারে না)

ধারা-২৭ঃ পক্ষগন ও তাদের নিকট প্রাপ্ত পরবর্তী স্বত্তাধীনে দাবিদার ব্যাক্তি এবং পক্ষসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিকার ।
(৫ টি ক্ষেত্রে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন করা যেতে পারে)

ধারা-৩১ঃ যখন দলিল সংশোধন করা যেতে পারে।
(৩টি ক্ষেত্রে আদালত দলিল সংশোধনের আদেশ দিতে পারে- ক)প্রতারণার মাধ্যমে দলিল সসম্পাদিত হলে, খ)ভুলভাবে দলিলটি লিপিবদ্ধ হলে, গ)পক্ষসমূহের সত্যিকার মনোভাব ভ্রান্তভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে)
দলিল সংশোধনের মোকদ্দমা দায়েরের সময়সীমা ৩ বছর।

ধারা-৩২ঃ পক্ষসমূহের ইচ্ছা সম্বন্ধে অনুমান।

ধারা-৩৩ঃ সংশোধন সম্বন্দীয় মূলনীতিসমূহ।

ধারা-৩৪ঃ সংশোধিত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎকরণ।

ধারা-৩৫ঃ যখন চুক্তি রদ করা যায়/চুক্তি বাতিল করা যায়।
(৩টি ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিলের মোকাদ্দমা করা যায়)

ধারা-৩৯ঃ যখন দলিল বিলুপ্তির আদেশ প্রদান করা যেতে পারে।
( ৪টি ক্ষেত্রে দলিল বাতিলের আদেশ প্রদান করা যায়,দলিল বাতিলের মোকদ্দমা অবগতির তারিখ হতে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে, মূল্যানুপাতিক কোর্ট ফি, ইচ্ছাধীন ক্ষমতা)

ধারা-৪০ঃ যে দলিল সমূহ আংশিকভাবে বিলুপ্ত করা যেতে পারে।
(যদি দলিলে এক বা একাধিক অধিকার থাকে তবে আদালত উপযুক্ত ক্ষেত্রে আংশিকভাবে/ বাতিল/ আংশিক বহাল রাখতে পারে)

ধারা-৪২ঃ মর্যাদা বা অধিকার ঘোষনা সম্পর্কে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা/ঘোষনামূলক প্রতিকার।
(আইনগত পরিচয়/ সম্মতিতে সত্ত্বের অধিকার চেয়ে কোন ব্যক্তি ৪২ ধারার অধীনে ঘোষনামূলক মামলা দায়ের করতে পারে)
৬ বছরের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে, ঘোষনামূলক প্রতিকারে কোর্ট ফি নির্ধারিত ৩০০ টাকা।

ধারা-৪৩ঃ ঘোষনার ফলাফল -
(২ ধরনের ব্যক্তদের উপর অবশ্য পালনীয় হবে-
ক) মোকাদ্দমার পক্ষগন খ) স্বার্থসংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিনিধি

ধারা-৪৪ঃ রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিবেচনা।
(মোকাদ্দমার নালিশী বিষয়বস্তু সংরক্ষণ, তত্তাবধান বা পরিচালনার জন্য আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত ব্যক্তিকে বলা হয় রিসিভার)
২ টি ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করে থাকেন -
ক)সম্পত্তি সংরক্ষণ বা
খ)ডিক্রি জারি।
দেওয়ানী কার্যবিধি ৪০ নং আদেশ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত।
আদালতের ইচ্ছাধীন/ স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা।

ধারা-৫২ঃ নিরোধক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়।
(আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী/ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়)
-নিষেধাজ্ঞা প্রধানত ২ প্রকার-
আদেশমুলক
নিষেধমুলক

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৩ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ আছে -
ক) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
খ) স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
গ) বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা

ধারা-৫৩ঃ অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা

ধারা-৫৪ঃ চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময় -
(৫টি ক্ষেত্রে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারে)

ধারা-৫৫ঃ বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা ।

ধারা-৫৬ঃ নিষেধাজ্ঞা যখন প্রত্যাখ্যান করা হয়।
(১১টি ক্ষেত্রে মঞ্জুর করতে পারে না)

ধারা-৫৭ঃ নেতিবাচক চুক্তি পালন করার জন্য নিষেধাজ্ঞা‌ ।

Address

Jessore

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Act by Aurora posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share