আইন শিক্ষা

আইন শিক্ষা (এল এল.বি, এল এল.এম), সার্ভেয়ার, গবেষক সম্পত্তি আইন।
(8)

21/09/2024

#পাওয়ার দলিল দ্বারা নামজারী / খারিজ করা যায় কি?

01/08/2024

#পাওয়ার দলিল কি /পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কি?
জানতে সম্পূর্ণ ভিডিও দেখুন।

সব সময় কাজে লাগে, তথ্যগুলো শেয়ার করে রাখুন।১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।৩। Hotmail...
05/07/2024

সব সময় কাজে লাগে, তথ্যগুলো শেয়ার করে রাখুন।
১। Internet আবিষ্কৃত হয় 1969 সালে।
২। Email আবিষ্কৃত হয় 1971 সালে।
৩। Hotmail আবিষ্কৃত হয় 1996 সালে।
৪। Google আবিষ্কৃত হয় 1998 সালে।
৫। Facebook আবিষ্কৃত হয় 2004 সালে।
৬। Youtube আবিষ্কৃত হয় 2005 সালে।
৭। Twitter আবিষ্কৃত হয় 2006 সালে।
৮। বিশ্বে ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৭০সালে
৯। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার চালু হয়
১৯৯৩ সালে।
১০। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার সবার
জন্য উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
১১। বাংলাদেশে 3g চালু হয় 14
OCTOBER,2012।
১২। বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম
কম্পিউটার "IBM-1620 ‘ যা স্থাপিত হয়
বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশনে ১৯৬৪
সালে।
১৩। ২১মে ২০০৬ সালে কক্সবাজারের
ঝিলংজা-তে ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপনের
মাধ্যমে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে
যুক্ত হয়।
১৪। বাংলাদেশর বিজ্ঞানীরা
প্রথমবারের মতো ‘জীবনরহস্য‘ উন্মোচন
করেছেন মহিষের।
১৫। ২০১৩সালে দেশি পাটের জীবন রহস্য
উন্মোচনে নেতৃত্ব দেন ড মাকসুদুল আলম।
১৬। ১৯৮১ এপসন কোম্পানি সর্বপ্রথম
ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রচলন করেন তার
নামঅসবর্ন-১।
১৭। বিশ্বের একমাত্র কম্পিউটার জাদুঘরটি
অবস্থিতযুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায়।
১৮। বাংলা সামাজিক মাধ্যম ‘‘বেশতো‘‘ চালু
হয় ২৮ ফ্রেব্রু ২০১৩।
১৯। বাংলাদেশের ‘টেলিফোন শিল্প
সংস্থা লিমিটেড(টেশিস) কর্তৃক তৈরী
প্রথম ল্যাপটপ --এর নামদোয়েল।
২০। জাতিসংঘ রেডিও বাংলা যাত্রা শুরু
করে ২১ ফ্রেব্রু:২০১৩।
২১। বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্চিন
‘‘পিপীলিকা‘‘ উদ্ধোধন করা হয় ১৩এপ্রিল,
২০১৩।
২২। বাংলাদেশে দ্রুত গতির ইন্টারনেট
‘‘ওয়াইম্যাক্স‘ চালু হয় >>June,2009, Banglalion।
২৩। বাংলাদেশে কবে , কোথায় সাইবার
ক্যাফে চালু হয় ১৯৯৯ সালে,বনানীতে।
২৪। বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন
কোম্পানীর সিটিসেল ডিজিটাল, ১৯৯৩
সাল।
২৫। বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল
টেলিফোন ব্যবস্থা চালূ হয় ৪ জানুয়ারী,
১৯৯০।
২৬। বাংলাদেশে কখন থেকে কার্ড ফোন
চালূ হয় ১৯৯২ সালে।
২৭। প্রথম ডিজিটার জেলা যশোর।
২৮। প্রথম ওয়াই ফাই নগর সিলেট।
২৯। সাইবার সিটি সিলেট।
৩০। প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
মিঠাপুকুর ,রংপুর।
=> GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
=> BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
=> JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert
Group
=> PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
=> Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity
=> HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol
=> HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure
=> URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator
=> IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
=> VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized
=> UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication System
=> RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
=> AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
=> SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
=> AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
=> JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
=> JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
=> MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
=> 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
=> 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
=> MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
=> SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module
=> 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
=> GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication
=> CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access
=> AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
=> SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
=> WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
=> WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
=> WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
1) GOOGLE : Global Organization Of Oriented
Group Language Of Earth
2) YAHOO : Yet Another Hierarchical Officious
Oracle
3) WINDOW : Wide Interactive Network
Development for Office work Solution
4) COMPUTER : Common Oriented Machine
Particularly United and used under Technical and
Educational Research
5) VIRUS : Vital Information Resources Under
Siege
6) UMTS : Universal Mobile Telecommunications
System
7) AMOLED: Active-matrix organic light-emitting
diode

★OLED : Organic light-emitting diode
9) IMEI: International Mobile Equipment Identity
10) ESN: Electronic Serial Number
11) UPS: uninterrupted power supply
12) HDMI: High-Definition Multimedia Interface
13) VPN: virtual private network
14) APN: Access Point Name
15) SIM: Subscriber Identity Module
16) LED: Light emitting diode
17) DLNA: Digital Living Network Alliance
18) RAM: Random access memory
19) ROM: Read only memory
20) VGA: Video Graphics Array
21) QVGA: Quarter Video Graphics Array
22) WVGA: Wide video graphics array
23) WXGA: Wide screen Extended Graphics Array
24) USB: Universal serial Bus
25) WLAN: Wireless Local Area Network
26) PPI: Pixels Per Inch
27) LCD: Liquid Crystal Display
28) HSDPA: High speed down-link packet access
29) HSUPA: High-Speed Uplink Packet Access
30) HSPA: High Speed Packet Access.

সংগৃহীত

01/06/2024
20/04/2024

বিক্রি হওয়া জমি সহ-অংশীদার আদালতে কত টাকা জমা দিয়ে কিভাবে পূনরায় ক্রয় করতে পারবে?

03/04/2024

মানহানি

দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। মানহানি অর্থ হল অন্য ব্যক্তির সুনামের প্রতি আক্রমণ করা। এই অর্থে মানহানি হলো কুৎসা রটনার কার্য। এটা হল অন্য ব্যক্তির সুনামের ক্ষতি করার কার্য।

১. কোন ব্যক্তির সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ বা দোষারোপ প্রস্তুত বা প্রকাশ করে।
২. এমন নিন্দাবাদ অবশ্যই সৃষ্টি হতে হবে
ক. মৌখিক বা লিখিত শব্দ দ্বারা
খ. চিহ্নাদি দ্বারা
গ. দৃশ্যমান কল্পচিত্রের সাহায্যে
৩. এমন নিন্দাবাদ করা হবে
ক. কোন ক্ষতি সাধিত করার অভিপ্রায়ে বা
খ. অনুরূপ নিন্দাবাদ উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করবে, এমনটা জেনে বা বিশ্বাস করার যুক্তিসঙ্গত কারণ সহকারে।

মানানির ১০টি ব্যতিক্রম রয়েছে‌ । যথা-

১. জনগণের মঙ্গলের জন্য সত্য দোষারোপ করা,
২. জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সদ্বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ ।
৩. যে কোনো জনসমস্যার সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সদ্বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ।
৪. কোন বিচারালয়ের প্রায় সম্পূর্ণ সত্য কার্যক্রমের রিপোর্ট প্রকাশ করা।
৫. আদালতের সিদ্ধান্তকৃত মামলার প্রধান দোষ ও গুনাগুন কিংবা সাক্ষীদের ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আচরণ সম্পর্কে অভিমত প্রকাশ করা।
৬. গণ অনুষ্ঠানের গুণাবলী সম্পর্কে অভিমত প্রকাশ করা।
৭. কৃর্তৃত্ব সম্পন্ন ব্যক্তির উপর ক্ষমতাবিশিষ্ট ব্যক্তি কর্তৃক সরল বিশ্বাসে নিন্দা।
৮. ক্ষমতাবিশিষ্ট ব্যক্তির নিকট সদবিশ্বাসে অভিযোগ উত্থাপন
৯. কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষার্থে সরল বিশ্বাসে কোন মিথ্যা আরোপ করা ।
১০. জনকল্যাণে হুঁশিয়ারি প্রদান মানহানি নয়‌।

19/03/2024

Pre-emption বা অগ্রক্রয়:

অগ্রক্রয়াধিকারমূলক অধিকার হলো কোনো ক্রেতার কাছ থেকে আবার ক্রয়ের অধিকার। শরিকের কোনো বিক্রীত জমি বহিরাগত ক্রেতার কাছ থেকে অপর কোনো শরিক কর্তৃক আদালতের মাধ্যমে মূল্য ও নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের টাকা জমা দিয়ে ক্রয় করাকে pre-emption বা অগ্রক্রয় বলা হয়।

বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন ১৮৮৫ এর ২৬ ধারা, রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ৯৬ ধারা এবং ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ২৪ ধারায় এ সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ১৮৮৫, ১৯৫০ এবং ১৯৪৯ সালের আইন তিনটির যথাক্রমে ২৬, ৯৬(১৭) ও ২৪(১০) ধারায় মুসলিম আইন দ্বারা অগ্রক্রয়ের অধিকার শুধু নিশ্চিত করা হয়নি বরং অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কাজেই বাংলাদেশে pre-emption কেবল সুবিচার, ন্যায়পরায়ণতা ও সুবিবেচনার বিষয় নয়; বরং আইন দ্বারা সংরক্ষিত অধিকার।

উল্লেখিত ২৬, ৯৬ এবং ২৪ ধারার বিধানের সঙ্গে মুসলিম আইনের মৌলিক পার্থক্য হলো, মুসলিম আইন অনুসারে অগ্রক্রয় করতে হলে আনুষ্ঠানিক দাবি অর্থাৎ মুসলিম আইনের ২৩৬ ধারা মোতাবেক বিক্রয়ের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের ব্যাপারে অভিপ্রায় বা 'তলব-ই-মৌসিবত' ঘোষণা করতে হয়। তলব-ই-মৌসিবত এভাবে পেশ করা চলে, "আমি আমার শুফার হক দাবি করছি (হেদায়া, ৫৫১)"। সাক্ষীর সামনে দাবি করাকে বলে 'তলব-ই-ইশাদ'। মূল্য ও ক্ষতিপূরণের টাকা মামলায় ডিক্রি হওয়ার আগে আদালতে জমা দিতে হয় না।

পক্ষান্তরে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৬ এবং অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক দাবি উপস্থাপন করতে হয় না। তবে মামলা দায়ের করার সঙ্গে সঙ্গে (along with the petition for pre-emption) বিক্রীত দলিলে উল্লেখিত জমির মূল্যসহ ক্ষতিপূরণের টাকা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

কখন অগ্রক্রয়ের অধিকার জন্মায়:

যখন কেউ সহ-অংশীদার বা শরিক (Co-sharer) ছাড়া তৃতীয় কারো কাছে সম্পূর্ন বৈধ ও ত্রুটিমুক্তভাবে জমি বিক্রি সম্পন্ন করে বিক্রিসংক্রান্ত নোটিশ জারি (Sale notice) করে, তখন অন্য বা অন্যান্য অংশীদার ওই বিক্রির নোটিশ পাওয়ার বা বিক্রির খবর বা তথ্য জানার তারিখ থেকে অগ্রক্রয়ের অধিকার জন্মায়।

অগ্রক্রয়ের আবেদন আদালতে পেশ করার সময়সীমা:

বিক্রিসংক্রান্ত নোটিশ জারি কিংবা দলিল পূর্ণাঙ্গভাবে রেজিস্ট্রি অথবা বিক্রয় বিষয় জানার দুই মাসের মধ্যে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, The State Acquisiton & Tenancy Act, 1950 কার্যকর হয় ১৯৫১ সালের ১৬ মে এবং ওই তারিখ থেকে Bengal Tenancy Act বাতিল হয়। (The new S.A.T Act has repealed the famous Bengal Tenancy Act, l885) এর দীর্ঘদিন পর ২০০৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বরে আলোচ্য ৯৬ ধারার ১৮ উপধারার মধ্যে ১২টিতে সংশোধনী আনা হয়। সেই সংশোধনী অনুযায়ী প্রতিকার প্রার্থনা বা মামলা করার সময়সীমা চার মাস থেকে দুই মাস করা হয়। ৯৬(১)(বি) ধারা অনুযায়ী কোনো অবস্থায় তিন (তিন) বছরের পর মামলা করা যাবে না।

সময়সীমা ৪ মাস, অতঃপর কমিয়ে দুই মাস, আবার তিন বছরের মধ্যে প্রতিকার প্রার্থনার বিষয়টি কারো কারো কাছে ঘোলাটে বা পরস্পরবিরোধী মনে হতে পারে। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে সংশোধনীর আগে দলিল নিবন্ধন হওয়ার বা জ্ঞাত হওয়ার চার মাসের মধ্যে মামলা করার সময়সীমা ছিল। এই জ্ঞাত হওয়ার বিষয়টি ব্যাপক ও বিস্তৃত। অর্থাৎ কেউ যদি ১২ বছর পর বিক্রির বিষয় জ্ঞাত হয়, তাহলে ওই জানা থেকে চার মাসের মধ্যে অর্থাৎ দলিলের বিষয় জানার বারো বছর+চার মাস (১২ বছর ৪ মাস) সময় পেতেন। ২০০৬ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ওই ব্যাপক ও বিস্তৃত সময়সীমার একটি রেখা টানা হয়েছে। ফলে যিনি যখনই বিক্রি বিষয় জানুক, কোনো অবস্থায় তিন বছর পর অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন না।

কে কে এ অধিকার প্রয়োগ করতে পারে:

১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন অনুযায়ী নিম্নের ব্যক্তিবর্গ pre-emption right প্রয়োগ করতে পারে-

ক. বিক্রীত জমির ওয়ারিশ সূত্রে শরিক।
খ. বিক্রীত জমির খরিদ সূত্রে শরিক।
গ. স্থানান্তরিত জমিসংলগ্ন জমির স্বত্বাধিকারী প্রজা।

ওই আইনের ৯৬ ধারা মোতাবেক অগ্রক্রয়ের অধিকার আদায়ে মামলা করতে পারতেন। কিন্তু পার্শ্ববর্তী (Contiguous) প্রজাদের অগ্রক্রয়ের সুযোগ থাকায় হাজার হাজার মামলার উদ্ভব হয়। মামলার এ সংখ্যাধিক্য বিবেচনায় নিয়ে ২০০৬ সালের ৩৪ নম্বর আইন দ্বারা ওই ৯৬ ধারার ১২টি উপধারা সংশোধন করতঃ বিক্রীত জমিসংলগ্ন স্বত্বাধিকারীকে অগ্রক্রয়ের মামলা করতে পারবে না। এ বিধান করা হয়েছে। ফলে সর্বশেষ অর্থাৎ ২০০৬ সালের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে শুধু ওপরে বর্ণিত (ক) ও (খ) দফার শরিকরা এ অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

ভূমিসংলগ্ন প্রজার অগ্রক্রয়ের অধিকার আর নেই। মুসলিম আইনের ২৩১ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত তিন শ্রেণীর ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের দাবি করতে পারে-

১. সমপত্তির সহ-অংশীদার [শাফি-ই-শরিক]
২. খালাস বা অনুবন্ধের অংশগ্রহণকারী ব্যক্তি, যেমন কোনো সড়ক ব্যবহারের অথবা পানি নিষ্কাশনের অধিকারসমপন্ন ব্যক্তি [শাফি-ই-খালিত]; এবং
৩. সংলগ্ন স্থাবর সমপত্তির মালিক [শাফি-ই-জার]; তবে, তাদের ভাড়াটিয়ারা নয়। অথবা কোনো সমপত্তির বে-আইনি দখলদার ব্যক্তিও নয়। [বেঈলি, ৪৮১]।

কোনো ওয়াকিফ অথবা মোতোয়ালির অগ্রক্রয়ের অধিকার নেই, কারণ ওয়াকফ সমপত্তির মালিকানা তাহার কাছে বর্তায় না।
তবে বিক্রেতার জমি ও শাফির জমির মধ্যে সরকারি জমি থাকলে সংলগ্নতা থাকবে না।

অগ্রক্রয়ের মামলা করার নিয়ম:

অগ্রক্রয়ের অধিকার আদায়ের জন্য ওপরে বর্ণিত ব্যক্তিরা ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৬ ধারা মতে-

ক. হস্তান্তরের বিষয় জানার বা দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার দুই মাসের মধ্যে মামলা দায়ের,
খ. মামলার আবেদনের সঙ্গে বিক্রয় মূল্যের ২৫ শতাংশ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হবে,
গ. এ ছাড়া বিক্রয় মূল্যের ওপর বার্ষিক ৮ শতাংশ সরল সুদ জমা দিতে হবে।

১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন অনুযায়ী-

১) অগ্রক্রয়ের দরখাস্তের সঙ্গে বিক্রীত মূল্যে ওপর ৫ শতাংশ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হয়,
২) অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত জমা দেওয়ার সময়সীমা এক মাস,
৩) ক্রেতা, প্রতিপক্ষ খরিদের পর জমির উৎকর্ষ সাধনের কোনো অর্থ ব্যয় করলে তার ওপর শতকরা সোয়া ছয় টাকা হারে সুদ দেওয়ার বিধান আছে।

ওপরের শর্তগুলোর কোনো ব্যত্যয় ঘটলে pre-emption এর দরখাস্ত অগ্রাহ্য হবে। এত কিছুর পরও ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৬ এবং ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ২৪ ধারা বিধান অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়ের মামলা চলে না, যদি-

১. বিক্রীত জমি বসতবাড়ি হয়।
২. অগ্রক্রয়ের মামলা দায়ের করার আগে বিক্রীত জমি বিক্রেতার কাছে হস্তান্তরিত হয়।
৩. উক্ত বিক্রয় যোগসাজশী (Collusive) বা জাল (Fraudulent) বিবেচিত হয়।
৪. বিনিময় বা ভাগবাটোয়ারাসংক্রান্ত সম্পত্তি হস্তান্তর হয়।
৫. স্বামী স্ত্রীকে বা স্ত্রী স্বামীর বরাবরে উইল বা দানমূলে সম্পত্তি হস্তান্তর করে।
৬. হেবা-বিল-এওয়াজ মূলে হস্তান্তর করলে।
৭. রক্তের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত তিন পুরুষের কোনো দান বা উইল মূলে হস্তান্তর করে।
৮. মুসলিম আইনে ওয়াক্ফ এবং ধর্মীয় কারণে বা দাতব্য উদ্দেশ্যে উৎসর্গকৃত হস্তান্তরে।

কোন আদালতে যাবেন:

যে আদালতের 'Suit for recovery of possession' বা দখল পুনরুদ্ধারের মামলা গ্রহণের এখতিয়ার আছে শুধু সেই আদালত 'application for pre-emption' গ্রহণ করতে পারেন। অর্থাৎ যে জমি নিয়ে pre-emption বা অগ্রক্রয়ের মামলা করা হয়েছে সেই জমি নিয়ে কোনো দখল উদ্ধারের মামলা দায়ের করলে যে আদালতে দায়ের করতে হয় pre-emption মামলাটিকে সেই আদলতে দায়ের করতে হবে। আরো সোজা কথায় বলতে গেলে দলিলের মূল্যমান অনুযায়ী এখতিয়ারবান জেলা জজ আদালতে এ মামলা করা যাবে।

আপিলের বিধান:

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ৯৬(১২) ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে একবার আপিল করা যাবে। কিন্তু ওই আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আর দ্বিতীয় আপিল করা যাবে না। তবে প্রথম আপিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী Revision দায়ের করা যায়।

26/01/2024

#নাবালকের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ের নিয়ম।Rules for sale and purchase of property of minors.

17/11/2023 সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল।
10/11/2023

17/11/2023 সকল পরিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল।

07/11/2023

8th convocation uu

Address

Gazipur
1704

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন শিক্ষা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আইন শিক্ষা:

Share