Dohar LAW Advice

Dohar LAW Advice Contact us if you would like legal advice.

16/10/2025

ভূমি মালিকদের জন্য সুখবর! নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী আর কারোর নামজারি বাতিল করা যাবে না!

বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় এক ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী এখন থেকে কোনো ভূমি মালিকের নামজারি আবেদন বাতিল বা খারিজ করা যাবে না। ছোটখাটো ভুল বা নথিপত্রের ঘাটতি থাকলেও আবেদন অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে এবং আবেদনকারীকে নির্দিষ্ট সময় দিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশোধনের সুযোগ দিতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যদি কোনো এসিল্যান্ড (AC Land) কর্মকর্তা অযৌক্তিকভাবে নামজারি আবেদন রিজেক্ট করেন, তবে তার বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই সিদ্ধান্তকে দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনায় এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা সাধারণ ভূমি মালিকদের হয়রানি কমাবে এবং প্রশাসনিক জটিলতা দূর করবে।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, কোনো বৈধ ভূমি মালিককে নামজারি থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। সরকারি কর্মকর্তা জনগণের শাসক নয়, বরং সেবক হিসেবে কাজ করবেন—এমন নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি।

নামজারি সংক্রান্ত অভিযোগ ও হয়রানি প্রতিরোধে সরকার হটলাইন ১৬১২২ চালু রেখেছে, যা আরও হালনাগাদ করা হয়েছে। ভূমি মালিকরা এই নাম্বারে ফোন করে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া নতুন প্রজ্ঞাপনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নামজারি আবেদনের পর সর্বোচ্চ ২৮ কর্মদিবসের মধ্যে নামজারি সম্পন্ন করতে হবে। এর আগে এ বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেক ভূমি মালিক মাসের পর মাস অপেক্ষায় থাকতেন। এবার সেই জটিলতা দূর হচ্ছে—এখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নামজারি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।

সরকারের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল ভূমি মালিকদের জন্য স্বস্তি নয়, বরং রাষ্ট্রীয় রাজস্ব বৃদ্ধিতেও বড় ভূমিকা রাখবে। কারণ, নামজারি ছাড়া কোনো ভূমি মালিক খাজনা দিতে পারেন না। ফলে নামজারি প্রক্রিয়া সহজ হলে সরকারও রাজস্ব আয় বাড়াতে পারবে।

অবশেষে বলা যায়, এই ঐতিহাসিক রায়ের ফলে এখন থেকে দেশের কোনো বৈধ ভূমি মালিক আর নামজারি থেকে বঞ্চিত হবেন না। জনগণের হয়রানি কমবে, দুর্নীতি হ্রাস পাবে, আর ভূমি প্রশাসন আরও জবাবদিহিমূলক ও জনগণের সেবায় নিবেদিত হবে। জনকণ্ঠ

16/10/2025

নামজারী
মিস কেইস
মিস রিভিউ সহ যে কোন কাজে ভুমি অফিসে ঘুষ দাবি করলে ১৬১২২ নাম্বারে কল দিয়ে অভিযোগ দিন।।।।

10/10/2025

#আলোচ্য বিষয় -
দলিল নম্বর ও তারিখ থাকা সত্ত্বেও দলিল তল্লাশি দিলে অফিস থেকে বলে বালাম বই এর পাতা ছেড়া, দলিল নেই, এমতাবস্থায় আপনার সর্বশেষ করনীয় কি জেনে নিন।

🔵করনীয় কি
১। রেকর্ড রুমে আবেদন এবং রিসিভ কপি সংরক্ষণ করতে হবে।
২। দলিল না পেলে লিখিত নিতে হবে।
৩। মহামান্য হাইকোর্টে রিট করতে হবে।
৪। আদালত আপনার স্বপক্ষে রায় বা ডিগ্রি দিবে।
৫। ডিগ্রি মূলে আপনি জমির মালিকানা অর্জন করবেন।
৬। এই ডিগ্রি আপনার আসল দলিল হিসেবে কাজ করবে।

🔵এবার বিস্তারিত

🔴প্রথম ধাপ – নিজের প্রমাণ সংগ্রহ:
সবার আগে আপনার জমির সকল তথ্য সংগ্রহে রাখতে হবে, যেমন
✅দাগ নম্বর
✅নামজারি
✅খতিয়ান
✅দাখিলা

🔴দ্বিতীয় ধাপ- আবেদন
✅জেলা রেজিস্ট্রার অফিসে দলিলের নম্বর ও তারিখ দিয়ে আবেদন করতে হবে।
✅আবেদন জমা দিয়ে অবশ্যই প্রাপ্তি রশিদ সংগ্রহ করবেন।

🔴তৃতীয় ধাপ-দলিল না পেলে
✅যদি রেজিস্ট্রার অফিস বলে দলিল পাওয়া যাচ্ছে না বা বালাম বইয়ের পাতা ছেঁড়া, তবে লিখিতভাবে সনদ (Non-availability Certificate) চাইবেন।

✅মৌখিক কথায় থামবেন না। লিখিত নোটিশ/সার্টিফিকেট চাইবেন, লেখে দেন যে পাতা ছেড়া যা আপনার পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔴 লিখিত না দিলে করণীয় কি?

✅১) প্রাপ্তি রশিদ সংগ্রহ করুন
👉আপনার আবেদন অবশ্যই জমা দেবেন এবং তাদের কাছ থেকে প্রাপ্তি রশিদ (Received Copy) নিবেন।
👉যদি তারা রশিদ না দেয়, তাহলে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় আপনার কপি/ডুপ্লিকেটে সিল ও সই করাতে হবে।
💠 এটা আপনার প্রমাণ হবে যে আপনি অফিসে আবেদন জমা দিয়েছেন।

🔴অফিস যদি লিখিত জবাব না দেয়, আপনি তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর আওতায় লিখিতভাবে তথ্য চাইতে পারেন। তারা বাধ্য থাকবে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে। যদি তারা জবাব না দেয়, আপনি তথ্য কমিশন-এ অভিযোগ করতে পারবেন, যেখানে জরিমানার বিধান আছে।Form-লিল পাওয়া এটা আপনারা আইনগত অধিকার

🔵🔵দলিল তল্লাশি ও কপি পাওয়ার আইনগত অধিকার কি জেনে নিন। 🔵🔵

🔴১) Registration Act, 1908 (নিবন্ধন আইন, ১৯০৮)
💠ধারা ৫৭(১)
> রেজিস্ট্রি অফিসের বই (Register Books) জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং আগ্রহী ব্যক্তি দলিলের অনুসন্ধান (Search) করতে পারবে।

👉 অর্থাৎ, দলিল নম্বর, তারিখ, নাম দিয়ে আপনি সার্চ করার অধিকার রাখেন।

💠ধারা ৫৭(২)
আগ্রহী ব্যক্তি দলিলের নকল (Certified Copy) চাইলে রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রার তা দিতে বাধ্য।

👉 আপনি দলিলের কপি চাইলে অফিস আপনাকে দিতে বাধ্য, তারা ইচ্ছে করে আটকাতে পারবে না।

💠ধারা ৫৭(৩)
> কপি দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ফি প্রদান করতে হবে।

👉 শুধু ফি দিলে আপনার কপি পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত।

💠ধারা ৫৭(৫)
> যদি দলিল পাওয়া না যায় বা নথি হারানো থাকে তবে অফিসকে লিখিতভাবে কারণ দেখিয়ে উত্তর দিতে হবে।

👉 তারা যদি বলে "পাতা ছেঁড়া, দলিল নাই" – তবে তা লিখিতভাবে জানাতে বাধ্য। মৌখিকভাবে বললে আইন লঙ্ঘন করছে।

🔴২) Registration Rules (বাংলাদেশ নিবন্ধন বিধি)

নিবন্ধন বিধিমালায় বলা আছে –

Form-37 দিয়ে Certified Copy এর আবেদন করতে হবে।
অফিস আবেদন নিলে প্রাপ্তি রশিদ (Receipt) দিতে বাধ্য।

🔴৩) তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (Right to Information Act, 2009)

✅ধারা ৪(১)
> প্রত্যেক নাগরিক যেকোনো সরকারি অফিস থেকে তথ্য চাইতে পারবেন।

✅ধারা ৬(১)
> আবেদন করলে ২০ কার্যদিবসের মধ্যে তথ্য দিতে হবে, না হলে লিখিতভাবে কারণ জানাতে হবে।

✅ধারা ৬(৫)
> তথ্য গোপন করলে বা না দিলে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করা যাবে।
👉 অর্থাৎ, আপনি RTI আবেদন করলে অফিস ২০ দিনের মধ্যে লিখিত উত্তর দিতে বাধ্য।

🔴৪) সংবিধান (বাংলাদেশ সংবিধান, ১৯৭২)

✅অনুচ্ছেদ ৩১
> আইনের আশ্রয় পাওয়ার অধিকার – প্রত্যেক নাগরিক আইন অনুযায়ী ন্যায়বিচার পাবে।

✅অনুচ্ছেদ ৪৪
> মৌলিক অধিকার প্রয়োগের জন্য হাইকোর্টে রিট করার অধিকার রয়েছে।

🔵🔵 যদি অফিস আপনাকে লিখিত না দেয়, আপনার সংবিধানগত অধিকার হলো হাইকোর্টে রিট করা🔵🔵

🔴🔴রিট করবেন কিভাবে (ধাপে ধাপে)🔴🔴

💠১. আইনজীবী নিয়োগ করুন
👉হাইকোর্টে রিট করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী (High Court Division-এ প্র্যাকটিস করেন এমন) নিয়োগ করতে হবে।
👉কারণ, রিট আবেদন সাধারণ মানুষ সরাসরি করতে পারেন না, অবশ্যই আইনজীবীর মাধ্যমে করতে হয়।

💠২. রিটের ধরন নির্ধারণ

✅এক্ষেত্রে আপনি রিট অব ম্যান্ডামাস (Mandamus) করতে পারবেন।
✅Mandamus মানে হলো – সরকারি কর্মকর্তা বা প্রতিষ্ঠানকে তাদের আইনগত দায়িত্ব পালন করতে বাধ্য করা।
✅এখানে দায়িত্ব হলো: সাব-রেজিস্ট্রার বা রেজিস্ট্রার অফিস আপনার দলিলের সঠিক তথ্য যাচাই করে কপি প্রদান করবে।

💠৩. রিট পিটিশন প্রস্তুতকরণ

রিটে সাধারণত যা থাকে –
✅1. পিটিশনার (আপনি) এর নাম, ঠিকানা।
✅2. রেসপন্ডেন্ট (যাদের বিরুদ্ধে রিট) –
👉সাব-রেজিস্ট্রার,
👉জেলা রেজিস্ট্রার,
👉Inspector General of Registration (IGR),
👉ভূমি মন্ত্রণালয় (প্রয়োজনে)।
✅3. বিষয়বস্তু:
👉আপনার দলিল নম্বর, তারিখ, দলিলের ধরণ।
👉অফিস বলেছে বালাম বইয়ের পাতা ছেঁড়া।
👉দলিল না দেওয়ায় আপনার ক্ষতি হচ্ছে।
👉লিখিত প্রত্যাখ্যানও দেয়নি।
✅4. আপনার প্রার্থনা (Prayer):
👉হাইকোর্ট যেন নির্দেশ দেন দলিল সঠিকভাবে যাচাই করে কপি প্রদান করতে।
👉প্রয়োজনে বালাম বই পুনর্গঠন বা অন্য নথি থেকে তথ্য উদ্ধার করতে।

💠৪. রিট ফাইল করা
✅আপনার আইনজীবী হাইকোর্টের রিট বিভাগে রিট পিটিশন দাখিল করবেন।
✅কোর্ট ফি ও স্ট্যাম্প (প্রায় ২০০-৩০০ টাকা) দিতে হবে।

💠৫. শুনানি ও আদেশ
✅কোর্ট রেসপন্ডেন্টদের নোটিশ দিবে।
✅সাধারণত কোর্ট প্রথমে রুল (Rule Nisi) জারি করে জিজ্ঞেস করবে – কেন দলিল না দেওয়াটা বেআইনি হবে না?
✅পরে শুনানি শেষে কোর্ট নির্দেশ দিবে (Order)।

💠৬. সম্ভাব্য কোর্টের আদেশ
✅অফিসকে আপনার দলিল অনুসন্ধান করে কপি দিতে হবে।
✅যদি বালাম বই ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে অন্যান্য নথি (Volume Book, Microfilm, Digital Copy, মিউটেশন রেকর্ড ইত্যাদি) থেকে তথ্য উদ্ধার করে দিতে হবে।
✅লিখিত কারণপত্র দিতে হবে।
✅অবহেলার প্রমাণ হলে অফিসারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হতে পারে।

🔴 কোন কোন আইনের ভিত্তিতে আপনি রিট করতে পারবেন?

✅1. বাংলাদেশ সংবিধান – 102 অনুচ্ছেদ
👉Fundamental Rights ভঙ্গ হলে, বা সরকারি অফিস কর্তব্যে অবহেলা করলে, হাইকোর্টে রিট করা যায়।

✅2. Registration Act, 1908
👉Section 51, 57 – দলিল রেজিস্ট্রার অফিসে সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক।
👉Section 60 – দলিল রেজিস্ট্রার ভেরিফাই করে কপি প্রদানের দায়িত্বে।

✅3. Evidence Act, 1872 – Section 74, 76
👉পাবলিক ডকুমেন্ট (যেমন দলিল) নাগরিক কপি পাওয়ার অধিকার রাখে।

✅4. Right to Information Act, 2009 – Section 4, 7, 9
👉নাগরিক তথ্য চাইলে সরকারি অফিস লিখিতভাবে দিতে বাধ্য।

🔴🔴রিটের পরও দলিল না পাওয়া গেলে করণীয়🔴🔴

✅১. হাইকোর্টের চূড়ান্ত আদেশ
👉হাইকোর্ট যদি দেখে দলিল উদ্ধার করা যাচ্ছে না, তবে সাধারণত বলে দেবে:

👉সাব-রেজিস্ট্রার বা জেলা রেজিস্ট্রার লিখিতভাবে সার্টিফিকেট দিবে যে “এই দলিলটি অফিসে পাওয়া যায়নি / পাতা ছেঁড়া / নষ্ট হয়েছে”।

👉এই লিখিত নথি ভবিষ্যতে আপনার প্রমাণ হিসেবে কাজে আসবে।

✅২. ডিক্লারেটরি স্যুট (Declaratory Suit) করবেন – সিভিল কোর্টে
👉দলিল না থাকলেও আপনি সিভিল কোর্টে মামলা করতে পারবেন।
👉মামলা হবে Specific Relief Act, 1877 – Section 42 অনুযায়ী।
👉এখানে আপনি প্রার্থনা করবেন → কোর্ট যেন ঘোষণা দেয় যে আপনি বৈধ মালিক এবং দলিল হারিয়ে গেছে।
👉কোর্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ (মিউটেশন, খাজনা রসিদ, মৌজা রেকর্ড, বিক্রেতা/সাক্ষীর সাক্ষ্য) দেখে মালিকানা ঘোষণা দেবে।

🔵একবার কোর্ট ঘোষণা দিলে সেটা আসল দলিলের সমান কার্যকর হবে। আর এই ডিগ্রি বা ঘোষণা দিয়ে আসল মালিকানা প্রমাণ ও পরবর্তীতে জমি ক্রয় বিক্রি করতে পারবেন।
বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

#ওয়ারিশানসম্পত্তি #জমিদার #জমির #জমি #ওয়ারিশান #দলিল

07/10/2025

স্বামী তালাকের নোটিশ পাঠিয়েছে। আপনি সেই কাগজে স্বাক্ষর করেন নাই অথবা চিঠিটা গ্রহণ করেন নাই। এখন কি আপনার তালাক কার্যকর হবে না?"

অনেকে বলে থাকেন, তালাকের নোটিশে স্বাক্ষর না করলে তো তালাক কার্যকর হবার কথা না। কেননা অন্য পক্ষ তো জানলোই না যে তালাক দিয়েছে। তালাক নিয়ে এ রকম আরও কিছু কথাবার্তা আমাদের সমাজে চালু আছে। যার অনেকাংশে তালাকের আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে শ্রেফ ভুল ধারণা। এমনকি অনেকেই দাবি করে বসেন, তালাকের নোটিশে স্বাক্ষর না করলে বা চিঠি না নিয়েই বিচ্ছেদ ঠেকানো যায়। আসুন, এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাক।

বাস্তবতা হলো, তালাকের কাগজে স্বাক্ষর করা বা চিঠি গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়। আপনি চিঠি গ্রহণ করুন বা না করুন, অথবা নোটিশে স্বাক্ষর না করলেও আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে। এই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা না থাকার কারণে অনেক মানুষ ভুল করেন। বিশেষ করে নারীরা মনে করেন, স্বাক্ষর না করলে তারা হয়তো তাদের দাম্পত্য জীবন বাঁচাতে পারবেন। কিন্তু তালাক একটি আইনি প্রক্রিয়া, যা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়।

তালাকের নোনিশ: স্বাক্ষর না করলে কী হবে?
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী, তালাক কার্যকর হওয়ার জন্য নোটিশে স্বাক্ষর করা বা চিঠি গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক নয়।

স্বাক্ষর না করার প্রভাব: তালাকের নোটিশে স্বামী বা স্ত্রী স্বাক্ষর না করলেও তালাক কার্যকর হতে কোনো বাধা নেই। নোটিশ দেওয়ার পর এর একটি কপি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র) এবং অন্য কপি অপর পক্ষের কাছে রেজিস্টার্ড ডাকে পাঠাতে হয়।

তালাকের কার্যকারিতা: নোটিশ পাওয়ার দিন থেকে ৯০ দিন পর্যন্ত একটি ইদ্দতকাল থাকে (স্ত্রী গর্ভধারণ করলে এই সময়কাল কিছুটা বাড়তে পারে)। এই সময়ের মধ্যে সালিশি পরিষদ কাজ করে। যদি ৯০ দিনের মধ্যে সমঝোতা না হয় এবং নোটিশটি আইনি প্রক্রিয়ায় যথাযথভাবে দেওয়া হয়ে থাকে, তবে ৯০ দিন পার হওয়ার পর তালাক স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়ে যায়।

চিঠি গ্রহণ না করা: আপনি যদি তালাকের চিঠি বা নোটিশ গ্রহণ না করেন, তাহলেও আইনগতভাবে ধরে নেওয়া হয় যে আপনি নোটিশ পেয়েছেন, যদি তা সঠিক ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাকে পাঠানো হয়।

মনে রাখবেন, তালাক ঠেকানোর জন্য স্বাক্ষর না করা বা চিঠি এড়িয়ে যাওয়া কোনো সমাধান নয়। এর ফলস্বরূপ আপনি কেবল আপনার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগটাই হারাবেন। বরং আপনার উচিত হবে, চিঠি গ্রহণ করা এবং যদি আপনি সংসার করতে চান, তবে পরিবার এবং এলাকার মুরুব্বি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে সংসার রক্ষার জন্য পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া।

আপনার করণীয়-
আইনি পরামর্শ: তালাকের নোটিশ পেলে বা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করুন সে আপনাকে সঠিক পরামর্শ দিবে।
সময়মতো পদক্ষেপ: নোটিশ হাতে পেলে আইনজীবীর পরামর্শে ৯০ দিনের মধ্যে সালিশি পরিষদে আপনার বক্তব্য পেশ করুন।

06/10/2025

#উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি: বন্টননামা ছাড়াই নামজারির সুযোগ, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ প্রজ্ঞাপন।
আবার স্বরণ করিয়ে দিলাম।

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত স্থাবর সম্পত্তি বা জমি নামজারি (মিউটেশন) বা রেকর্ড সংশোধনের ক্ষেত্রে ওয়ারিশদের জন্য এতদিন বণ্টননামা দলিল ছিল একটি প্রায় বাধ্যতামূলক শর্ত। তবে, বাস্তবে এই দলিল তৈরি করা দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য এক দুরূহ প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। সকল ওয়ারিশের অনুপস্থিতি, কেউ বিদেশে থাকা, শারীরিক দূরত্ব কিংবা রেজিস্ট্রি দলিলের বিপুল খরচ বহন করা—এইসব কারণে বন্টননামা দলিল করা অনেকের কাছেই অসম্ভব ছিল। ফলস্বরূপ, জরুরি প্রয়োজনে জমি বিক্রি বা বন্ধক রাখতে গিয়েও ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন বহু মানুষ।

এই বাস্তব সমস্যার সমাধানে এবং নাগরিকদের হয়রানি কমাতে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করেছে। এই পরিপত্র উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির বিষয়টি স্পষ্ট করেছে এবং বন্টননামা ছাড়াই নামজারির সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

বন্টননামা ছাড়াই যৌথ নামজারির সুযোগ:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের জারি করা (স্মারক নং-৩১.০০.০০০০.০৪২.21.011.222, তারিখ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) পরিপত্রে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

১. যৌথভাবে নামজারি (জমাভাগ ছাড়া): মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম একটি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ওয়ারিশগণ যৌথভাবে নামজারির আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র বা সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত ওয়ারিশন সনদ সংগ্রহ করে আবেদনের সঙ্গে দাখিল করতে হবে।

২. এই ধরনের আবেদন পাওয়ার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বন্টননামা দলিল ছাড়াই নামজারি মামলা দায়ের করে খতিয়ানে মৃত ব্যক্তির মোট জমির মধ্যে প্রত্যেক ওয়ারিশের প্রাপ্য হিস্যা উল্লেখপূর্বক নামজারি খতিয়ান সৃজন করে দেবেন।

এই নির্দেশনাটি সেইসব ওয়ারিশদের জন্য একটি বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে, যারা জরুরি প্রয়োজনে জমি বিক্রির উদ্যোগ নিলেও সকল ওয়ারিশকে একত্রিত করতে পারছিলেন না কিংবা বন্টননামা দলিলের খরচ বহন করতে পারছিলেন না।

পৃথক খতিয়ানের ক্ষেত্রে বন্টননামা আবশ্যক
পরিপত্রে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যদি ওয়ারিশগণ জমাভাগের মাধ্যমে পৃথক পৃথকভাবে খতিয়ান সৃজন করতে এবং আলাদাভাবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে চান, তবে সকল ওয়ারিশ মিলে কে কোন দাগে বা দাগের কোন অংশে জমি ভোগ-দখল করবেন তা নির্ধারণ করে একটি আপস বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। কেবল রেজিস্টার্ড বণ্টননামা দলিল ব্যবহার করেই ওয়ারিশগণ পৃথক পৃথক নামজারির আবেদন করতে পারবেন।

নাগরিক দুর্ভোগ নিরসনে ভূমিকা
নামজারির ক্ষেত্রে সৃষ্ট দীর্ঘদিনের এই জটিলতা নিরসনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই পরিপত্র অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন ভূমি বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে:

সময় ও অর্থ সাশ্রয়: বন্টননামা দলিলের জন্য ওয়ারিশদের এক জায়গায় হওয়ার বাধ্যবাধকতা এবং অতিরিক্ত খরচ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

দ্রুত সম্পত্তি হস্তান্তর: জরুরি প্রয়োজনে কোনো ওয়ারিশ তার অংশীদারী সম্পত্তি দ্রুত বিক্রি বা বন্ধক রেখে অর্থসংস্থানের সুযোগ পাবেন।

সরকারের এই পদক্ষেপ ই-নামজারি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করবে এবং জমির মালিকানা সংক্রান্ত দীর্ঘসূত্রিতা ও হয়রানি অনেকাংশে হ্রাস করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওয়ারিশদের এখন শুধু প্রয়োজনীয় ওয়ারিশন সনদ এবং অন্যান্য কাগজপত্রসহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে যৌথভাবে আবেদন করতে হবে।

16/07/2025

সাবধান!!মিথ্যা নারী নির্যাতন মামলায় ৭ বছর জেল.....

24/05/2025

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১০০টি শব্দের অর্থের তালিকা
খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত অনেক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ রয়েছে। কিছু শব্দ খুব কম ব্যবহৃত হয়। যারা পুরাতন দলিলের শব্দের অর্থ বোঝেন না, তাদের জন্য বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিচে দেওয়া হলো —

১) মৌজা: গ্রাম
২) জে.এল. নং: মৌজা নম্বর/গ্রামের নম্বর
৩) ফর্দ: দলিলের পাতা
৪) খং: খতিয়ান
৫) সাবেক: আগের/পূর্বের
৬) হাল: বর্তমান
৭) বং: বাহক (যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লেখেন)
৮) নিং: নিরক্ষর
৯) গং: অন্যান্য অংশীদার
১০) সাং: সাকিন/গ্রাম
১১) তঞ্চকতা: প্রতারণা
১২) সনাক্তকারী: বিক্রেতাকে চিনেন এমন ব্যক্তি
১৩) এজমালি: যৌথ
১৪) মুসাবিদা: দলিল লেখক
১৫) পর্চা: প্রাথমিক খতিয়ানের নকল
১৬) বাস্তু: বসতভিটা
১৭) বাটোয়ারা: সম্পত্তির বণ্টন
১৮) বায়া: বিক্রেতা
১৯) মং: মোট
২০) মবলক: মোট পরিমাণ
২১) এওয়াজ: সমমূল্যের বিনিময়
২২) হিস্যা: অংশ
২৩) একুনে: যোগফল
২৪) জরিপ: ভূমি পরিমাপ
২৫) চৌহদ্দি: সীমানা
২৬) সিট: মানচিত্রের অংশ
২৭) দাখিলা: খাজনার রশিদ
২৮) নক্সা: মানচিত্র
২৯) পিং: পিতা
৩০) জং: স্বামী
৩১) দাগ নং: জমির নম্বর
৩২) স্বজ্ঞানে: নিজের জ্ঞানের ভিত্তিতে
৩৩) সমুদয়: সব কিছু
৩৪) ইয়াদিকৃত: পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু
৩৫) পত্র মিদং: পত্রের মাধ্যমে
৩৬) বিং: বিস্তারিত
৩৭) দং: দখলকারী
৩৮) পত্তন: সাময়িক বন্দোবস্ত
৩৯) বদলসূত্র: জমি বিনিময়
৪০) মৌকুফ: মাফকৃত
৪১) দিশারী রেখা: দিকনির্দেশক রেখা
৪২) হেবা বিল এওয়াজ: বিনিময়সূত্রে জমি দান
৪৩) বাটা দাগ: বিভক্ত দাগ
৪৪) অধুনা: বর্তমান
৪৫) রোক: নগদ অর্থ
৪৬) ভায়া: বিক্রেতার পূর্বের দলিল
৪৭) দানসূত্র: দানকৃত সম্পত্তি
৪৮) দাখিল-খারিজ: মালিকানা পরিবর্তন
৪৯) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৫০) খারিজ: পৃথক খাজনা অনুমোদন
৫১) খতিয়ান: ভূমির রেকর্ড
৫২) এওয়াজসূত্র: বিনিময় সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি
৫৩) অছিয়তনামা: উইল/মৃত্যুকালীন নির্দেশ
৫৪) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তরের রেকর্ড
৫৫) অধীনস্থ স্বত্ব: নিম্নস্তরের মালিকানা
৫৬) আলামত: মানচিত্রে চিহ্ন
৫৭) আমলনামা: দখলের দলিল
৫৮) আসলি: মূল ভূমি
৫৯) আধি: ফসলের অর্ধেক ভাগ
৬০) ইজারা: নির্দিষ্ট খাজনায় সাময়িক বন্দোবস্ত
৬১) ইন্তেহার: ঘোষণাপত্র
৬২) এস্টেট: জমিদারি সম্পত্তি
৬৩) ওয়াকফ: ধর্মীয় কাজে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি
৬৪) কিত্তা: ভূমিখণ্ড
৬৫) কিস্তোয়ার জরিপ: কিত্তা ধরে ভূমি পরিমাপ
৬৬) কায়েম স্বত্ব: চিরস্থায়ী মালিকানা
৬৭) কবুলিয়ত: স্বীকারোক্তি দলিল
৬৮) কান্দা: উচ্চভূমি
৬৯) কিসমত: ভূমির অংশ
৭০) খামার: নিজস্ব দখলীয় ভূমি
৭১) খিরাজ: খাজনা
৭২) খসড়া: প্রাথমিক রেকর্ড
৭৩) গর বন্দোবস্তি: বন্দোবস্তবিহীন জমি
৭৪) গির্ব: বন্ধক
৭৫) জবরদখল: জোরপূর্বক দখল
৭৬) জোত: প্রজাস্বত্ব
৭৭) টেক: নদীর পলি জমে সৃষ্টি ভূমি
৭৮) ঢোল সহরত: ঢোল পিটিয়ে ঘোষণা
৭৯) তহশিল: রাজস্ব এলাকা
৮০) তামাদি: নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত
৮১) তফসিল: সম্পত্তির বিবরণ
৮২) নামজারি: মালিকানা হস্তান্তর
৮৩) নথি: রেকর্ড
৮৪) দেবোত্তর: দেবতার নামে উৎসর্গকৃত
৮৫) দখলী স্বত্ব: দখলের ভিত্তিতে মালিকানা
৮৬) দশসালা বন্দোবস্ত: দশ বছরের বন্দোবস্ত
৮৭) দাগ নম্বর: জমির ক্রমিক নম্বর
৮৮) দরবস্ত: সব কিছু
৮৯) দিঘলি: নির্দিষ্ট খাজনা প্রদানকারী
৯০) নক্সা ভাওড়ন: পূর্ব জরিপের মানচিত্র
৯১) নাম খারিজ: পৃথককরণ
৯২) তুদাবন্দি: সীমানা নির্ধারণ
৯৩) তরমিম: সংশোধন
৯৪) তৌজি: চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেকর্ড
৯৫) দিয়ারা: নদীর পলিতে গঠিত চর
৯৬) ট্রাভার্স: জরিপের রেখা পরিমাপ
৯৭) খাইখন্দক: জলাশয় বা গর্তযুক্ত ভূমি
৯৮) চর: নদীর পলি জমে গঠিত ভূমি
৯৯) চৌহদ্দি: সম্পত্তির সীমানা
১০০) খাস: সরকারি মালিকানাধীন জমি

শেষ কথা:
এই শব্দগুলো পুরাতন দলিল পড়ার সময় আপনাকে দারুণ সহায়তা করবে। সেভ করে রেখে দিন — প্রয়োজনে অমূল্য হয়ে উঠবে।

16/05/2025

জমির দলিল (Sale Deed বা রেজিস্ট্রেশন দলিল) পড়তে শেখা একজন সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে জমি কেনা-বেচার সময় প্রতারণা থেকে বাঁচার জন্য। নিচে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করছি কিভাবে একজন সাধারণ মানুষ জমির দলিল পড়তে পারেন:

---

১. দলিলের প্রথম অংশ: পরিচিতি ও দলিল নম্বর

দলিল নম্বর: প্রতিটি দলিলের একটি ইউনিক নম্বর থাকে, যেমন: ১২৩৪৫/২০২২।

রেজিস্ট্রির তারিখ: কবে দলিলটি রেজিস্ট্রি হয়েছে তা লেখা থাকে।

উপ-রেজিস্ট্রি অফিস: কোথায় দলিলটি রেজিস্ট্রি হয়েছে (যেমন: সাভার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস)।

---

২. দলিলের দ্বিতীয় অংশ: বিক্রেতা ও ক্রেতার পরিচয়

বিক্রেতার নাম, পিতার নাম, ঠিকানা: যিনি জমি বিক্রি করছেন।

ক্রেতার নাম, পিতার নাম, ঠিকানা: যিনি জমি কিনছেন।

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID): অনেক নতুন দলিলে এটি উল্লেখ থাকে।

---

৩. দলিলের মূল অংশ: জমির বিবরণ

এ অংশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ:

‌ক) জমির অবস্থান:

মৌজা: এলাকার নাম (যেমন: সোনারগাঁও মৌজা)

জে.এল. নম্বর (জমি জরিপ লট নম্বর)

থানা ও জেলা: কোন থানায় ও জেলায় জমি অবস্থিত

খতিয়ান নম্বর (যেমন: সি.এস., এস.এ., আর.এস. খতিয়ান)

দাগ নম্বর: জমির নির্দিষ্ট প্লট নম্বর

জমির পরিমাণ: কত শতাংশ, কাঠা বা একর জমি

সীমানা: চারদিকের সীমানা উল্লেখ থাকে (উত্তরে কে, দক্ষিণে কে ইত্যাদি)

‌খ) মালিকানা:

জমি কোথা থেকে পেয়েছে, উত্তরাধিকার, ক্রয় বা বন্টন সূত্রে কিনা।

পূর্ববর্তী মালিকের নাম ও দলিল নম্বর

---

৪. মূল্য ও লেনদেন

জমি বিক্রির মূল্য কত (উল্লেখ থাকে)

কিভাবে মূল্য পরিশোধ হয়েছে (নগদ, চেক ইত্যাদি)

---

৫. সাক্ষী ও দলিলকার

দলিলে সাধারণত ২ জন সাক্ষীর নাম, পিতার নাম ও স্বাক্ষর থাকে

রেজিস্ট্রার বা নোটারি পাবলিকের স্বাক্ষর ও সিল থাকে

---

৬. অন্যান্য তথ্য

দলিলের শেষে টিন নম্বর, দলিল লেখকের নাম, রেজিস্ট্রার অফিসারের স্বাক্ষর ইত্যাদি থাকে।

---

জমির দলিল পড়ার জন্য কিছু টিপস:

দলিলের খতিয়ান ও দাগ নম্বর মিলে কিনা তা যাচাই করুন।

জমির পরিমাণ ও সীমানা বাস্তব অবস্থার সাথে মিলে কিনা মিলিয়ে দেখুন।

বিক্রেতা আসল মালিক কি না, তা পুরোনো দলিল, খতিয়ান, মিউটেশন দেখে যাচাই করুন।

ভুল বুঝলে একজন আইনজীবী বা ভূমি অফিসার এর সাহায্য নিন।

---

সহজভাবে পড়তে চাইলে:

আপনি চাইলে আপনার এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিল দেখিয়ে ব্যাখ্যা চাইতে পারেন। এছাড়া এখন অনেক জায়গায় দলিল পড়ার প্রশিক্ষণ কোর্স হয় – তাও কাজে আসতে পারে।

10/02/2025

সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না ✌️ কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজনঃ-👇👇👇

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা)
আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷
এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।

⛔ দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে  ধরা হ‌লো✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : না...
04/01/2025

⛔ দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন। অথবা সমস্যার সমাধানে ভিজিট করুন:
.

24/11/2024

একজন আইনজীবীর কাছে একটি কেস হচ্ছে তার সন্তানের মতো। একটি কেসের পিছনে তাকে যে কতটা পরিশ্রম করতে হয়, এটা একজন আইনজীবীই শুধু বোঝেন।

একজন আইনজীবীর কাজ হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট কেসের সকল বিষয়বস্তু বিজ্ঞ আদালতের সামনে শুনানীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা। সেই শুনানী হতে পারে ৫ মিনিটের বা ১৫/২৫ মিনিটের কিংবা অনেক সময় আরো বেশি। কিন্তু এই ৫ মিনিটের শুনানীর জন্য যে তাকে কি পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয়, পড়াশুনা করতে হয় সেটা শুধু তিনি নিজেই বোঝেন।

অনেক সময় কোনো কোনো কেসের মেরিটলব্ধ একটি শব্দ বা একটি লাইন আবিস্কারের জন্য জন্য তাকে পড়তে হয় ঘন্টার পর ঘন্টা বা দিনের পর দিন। এই দীর্ঘ পরিশ্রম ও পড়াশুনার স্বার্থকতা কোনো মামলায় হার বা জিত নয়, হার-জিত তো হচ্ছে একটি বাইপ্রোডাক্ট যেখানে মক্কেলের ভাগ্যেরও সংমিশ্রণ থাকে। বরং এটাকে আমরা বলি, হয় জিতেছি বা ভবিষ্যতে জেতার জন্য শিখেছি।

আইন হচ্ছে অথৈ সমুদ্র বা সুউচ্চ আসমানের মত যার যত গভীরেই যাই না কেন এর সীমানা পাওয়া কঠিন। তাই প্রতিনিয়ত শুধু দেখছি জানছি আর শিখছি।

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।★. পর্চা বা খতিয়ান। ★. দলিল। ★. ম্যাপ বা নকশা।...
06/09/2024

সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে।
কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।

Address

Dohar
1337

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dohar LAW Advice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dohar LAW Advice:

Share