Bhuiyan Law Farm

Bhuiyan Law Farm আইন বিষয়ে সহায়তা করা

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার১ কাঠা = ১.৬৫ শত...
30/07/2022

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ একর
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।
লেখা সংগৃহীত

জাল দলিল ও জবরদখলের সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর জেল:কেউ জাল দলিল করলে ২ বছর এবং মালিকানার অতিরিক্ত জমি রেজিস্ট্রি করে নিলে ৫ ...
03/07/2022

জাল দলিল ও জবরদখলের সর্বোচ্চ শাস্তি ৫ বছর জেল:
কেউ জাল দলিল করলে ২ বছর এবং মালিকানার অতিরিক্ত জমি রেজিস্ট্রি করে নিলে ৫ বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। কারও জমি জোরপূর্বক দখল করে নিলে জেল-জরিমানা হবে ৩ বছর। এভাবে ৩০টি ধারায় পৃথকভাবে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানার বিধান রেখে দেশে প্রথমবারের মতো ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন হচ্ছে। শাস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ‘ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-২০২২’ শিরোনামে নতুন এ আইনের খসড়া ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

প্রস্তাবিত আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৪ ও ৫ ধারায় বলা হয়েছে, ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার জন্য যদি কেউ সরকারি কিংবা বেসরকারি জমি জাল দলিলের মাধ্যমে নিজের নামে লিখে নেন তাহলে তাকে অনধিক ২ বছর এবং কমপক্ষে ৬ মাসের জেল বা ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। অপরদিকে ৬(১) ধারা অনুযায়ী দাতার মালিকানা ও দখল না থাকা সত্ত্বেও কেউ অতিরিক্ত জমি লিখে নিলে ২ থেকে ৫ বছরের জেল এবং তিন থেকে দশ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এ ধরনের জালিয়াতি প্রতারণামূলক বেশ কিছু অপরাধকে করা হয়েছে জামিনঅযোগ্য।

যদি কোনো ব্যক্তি তার জমি পূর্বে বিক্রি বা হস্তান্তর করার তথ্য গোপন করে পুনরায় কোনো ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন তাহলে ৫ বছর কারাভোগের মুখোমুখি হতে হবে। একই শাস্তি হবে যদি কেউ একজনের সঙ্গে বায়না দলিল করার পর পুনরায় অন্য কারও সঙ্গে বায়না চুক্তি করেন। এছাড়া কেউ যদি কোনো ব্যক্তিকে ভুল বুঝিয়ে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে প্রতারণামূলকভাবে কোনো জমির দান দলিল সৃষ্টি করেন তাহলে ২ বছরের কারাদণ্ড হবে।

যদি কেউ উত্তরাধিকারীকে বঞ্চিত করে নিজের প্রাপ্যতার বাইরে বেশি জমি নিজের নামে দলিল করে নেয় তাহলে তাকেও অনধিক ২ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এছাড়া কেউ যদি বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তি মালিকানাধীন বা সরকারি খাস জমিসহ সরকারি যে কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থার মালিকানাধীন ভূমি জোরপূর্বক দখল করেন অথবা দখল অব্যাহত রাখেন তাহলে অনধিক ৩ বছরের কারাদণ্ড হবে।

কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে সরকারি বা বেসরকারি ভূমি, নদীর পাড়, তলদেশ বা অন্য কোনো ভূমি ইত্যাদি হতে মাটি কাটেন বা কাটান, বালি উত্তোলন করেন বা করান, তাহলে প্রকৃত ক্ষতিসাধন হোক বা না হোক এই অপরাধের জন্য জড়িত ব্যক্তিকে অনধিক ২ বছরের জেল দেওয়া হবে। এছাড়া যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে মাটি ভরাট করে বা অন্য কোনোভাবে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি করেন বা করান তাহলে ২ বছরের কারাদণ্ড হবে। কেউ যদি ভূমির উপরের স্তর হতে মাটি কেটে নেন, বা কাউকে দিয়ে করান তাহলেও তাকে অনধিক ২ বছরের কারাভোগ করতে হবে।
আইন আদালত যদি কোনো ব্যক্তি কোনো এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণ করার বিষয়টি জানতে পেরে দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অধিগ্রহণের পূর্বে নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত মূল্যে জমি রেজিস্ট্রি করেন তাহলে সেটি অপরাধ হিসাবে গণ্য হবে। এজন্য অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে অনধিক ২ বছরের জেল দেওয়া হবে।

কোনো ব্যক্তি জনসাধারণের ব্যবহার্য বা পাবলিক ইজমেন্ট, খেলার মাঠ, জলাশয় প্রভৃতি দখল করলে বা ওয়াকফ এস্টেট, দেবোত্তর, কবরস্থান, মসজিদ, মন্দির, গির্জা, ঈদগাহ, প্যাগোডা, মাজার শরিফ, দরগা, শ্মশান প্রভৃতির জমি দখল করলে অনধিক ২ বছরের জেল হবে। এছাড়া চিকিৎসা, শিক্ষা, ক্রীড়া, বিনোদন প্রভৃতি দাতব্য উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত জমি বেআইনিভাবে দখল করেন বা দখল গ্রহণে সহায়তা করলেও একই শাস্তি হবে। মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও পাহাড় বা টিলার পাদদেশে যে কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করে বসতি স্থাপন করলে ৩ মাসের কারাদণ্ড হবে।

আইনের ২০ ধারায় বলা আছে, রিয়েল এস্টেট কর্তৃক জমি, ফ্ল্যাট হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একটি জমি একাধিক ব্যক্তির বরাবর দলিল সম্পাদন করলে, চুক্তি মোতাবেক নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রাপ্তির পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে জমির দখল হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হলে, ফ্ল্যাট বিক্রির পর ঘোষিত সময়ের মধ্যে হস্তান্তর করতে না পারলে এবং ফ্ল্যাট হস্তান্তর করার পর ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর করতে ব্যর্থ হলে অনধিক ২ বছরের জেল দেওয়া হবে। কমপক্ষে ৬ মাসের জেল। এছাড়া জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে ১০ থেকে ২০ লাখ টাকা। ক্ষেত্র বিশেষে উভয় দণ্ড হতে পারে। এছাড়া এ আইন বাস্তবায়নের সময় রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন-২০১০ এর সঙ্গে যাতে এই আইনের সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি না হয় সেটি আইনে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি জমি দখল করে সেখানে কেউ স্থাপনা গড়ে তুললে তাহলে জড়িত ব্যক্তিকে ২ বছরের কারাভোগ করতে হবে। সঙ্গে থাকছে জরিমানা। নদী, হাওড়, বিল ও অন্যান্য জলাভূমির শ্রেণি পরিবর্তন করলে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। আইনের ২৩ ধারায় এ বিষয়ে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে এসব স্থান থেকে মাটি, বালি বা আবর্জনা দ্বারা বা অন্য কোনো উপায়ে আংশিক বা পরিপূর্ণ ভরাট করে তাহলে তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। কেউ আংশিক ভরাট করলে অনধিক ১ বছর এবং পরিপূর্ণ ভরাট করলে অনধিক ২ বছর সাজা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

কেউ যদি একক বা দলগতভাবে অবৈধভাবে ভূমির দখল গ্রহণ করেন এবং দখল বজায় রাখতে অস্ত্র প্রদর্শন কিংবা ব্যবহার করেন তাহলে এ অপরাধের জন্য ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হবে। এছাড়া এটি হবে জামিনঅযোগ্য অপরাধ।

এই আইনের অধীনে কেউ একই অপরাধ পুনরায় করলে তাকে নির্ধারিত ধারায় দ্বিগুণ শাস্তি দেওয়া যাবে। এখানেও বিচারের ক্ষেত্রে জামিন পাবেন না। এছাড়া ধারা ৬-এ বর্ণিত দলিল বা কাগজ যদি এক একর অপেক্ষা বেশি হয় বা বিষয়টিতে ল্যান্ড ডেভেলপার বা রিয়েল এস্টেট জড়িত থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনধিক সাজা হবে ৫ বছর। কমপক্ষে ২ বছর।

এদিকে আইনে সাক্ষীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে যা কিছু থাকুক না কেন, এ আইনের অধীন কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিকে সংশ্লিষ্ট অপরাধের জন্য এই আইনে অনুমোদিত যে কোনো অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারবেন।

এই আইনের অধীন অপরাধের তদন্তভার পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে দ্রুত তদন্ত শুরু করতে হবে। দায়িত্ব নেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।

১লা জুলাই ২০২২ ইং হইতে কার্যকর   উল্লেখযোগ্য স্ট্যাম্প সিডিউল  পরিবর্তন সমূহঃ১. হলফনামা পূর্বে  ২০০ বর্তমান ৩০০২. নকল পূ...
03/07/2022

১লা জুলাই ২০২২ ইং হইতে কার্যকর উল্লেখযোগ্য স্ট্যাম্প সিডিউল পরিবর্তন সমূহঃ
১. হলফনামা পূর্বে ২০০ বর্তমান ৩০০
২. নকল পূর্বে ৫০ বর্তমান ২০০
৩. হেবা পূর্বে ২০০ বর্তমান ১০০০
৪. বন্টন পূর্বে ৫০ বর্তমান ১০০
৫. বিনিময় পূর্বে ১.৫% বর্তমান ১%
৬. পাওয়ার(ব্যাংক) পূর্বে ১০০০ বর্তমান ২০০০

বাচ্চারা কান্দে, তাই তার হাতে চিপস দিলেন। বাচ্চা ঠান্ডা।। কিন্তু এইটা তিক্ত সত্য যে, বাচ্চার ভবিষ্যত আপনি শেষ (ধ্বংস) কর...
15/05/2022

বাচ্চারা কান্দে, তাই তার হাতে চিপস দিলেন। বাচ্চা ঠান্ডা।। কিন্তু এইটা তিক্ত সত্য যে, বাচ্চার ভবিষ্যত আপনি শেষ (ধ্বংস) করে দিলেন । ১৯৯০ সালের দিকে বাংলাদেশে প্রথম আলুর চিপস বানানো শুরু করে।। মাত্র ৩০ বছরের ইতিহাসে এই আলুর চিপস বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিয়েছে।। যদিও আমেরিকা আলু চিপস আবিষ্কৃত হয় ১৮৫৩ সালে এক্সিডেন্টাল ভাবে। আসেন জেনে নেই - এই চিপস কিভাবে সব পাল্টাই দিলো।। বাংলাদেশের ৩০ বছরের উপরে ৩০% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে।। আর ৫০ বছরের উপরে প্রায় ৬৫% মানুষের উচ্চ রক্তচাপ আছে। এই হিসেবে বাংলাদেশে কয়েক কোটি প্রেশারের রোগী আছে।। যদিও ডায়াগনোসিস হয় বা হইছে ১০% এর কম।। এতো প্রেশার কই থেকে আসল দেশে।। আর এতো অল্প বয়সে প্রেশারে কেমনে ধরে।। আমরা জানি চিপসের প্রতি এক আউন্সে সোডিয়াম থাকে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম। তাও ভালো আয়ন পিউর সোডিয়াম ক্লোরাইড না।। মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট, বা টেস্টিং সল্ট।। খাইতে খুব মজা লাগে।। কিন্তু প্রতিদিন উচ্চ ডোজে শরীরে লবণ প্রবেশ করছে।। এই লবন জীবনের শুরু থেকেই আপনার Renin Angiotensin system কে উত্তেজনার সিগনাল দিয়ে যায়।। সে তখন Aldoesterone সাথে পাল্লা দিয়া শরীরের ফ্লুইড ভলিউম বাড়িয়ে রাখে।। সাথে সাথে Hyperosmolarity এর জন্য ADH release হতে থাকে।। শুরু হয়ে যায় অল্প বয়সেই হাই প্রেশার।। চিপস এ যেহেতু হাই ক্যালরি আলু কার্বোহাইড্রেট থাকে।। তাই তারা শরীরে সহজেই জমা হতে পারে। সেই জমার ফলে খুব দ্রুত ওজন বাড়তে থাকে।। সাথে বাড়ে চর্বিও।। সেই চর্বি জমা হয় রক্তনালীতে। রক্তনালী হার্টে বন্ধ হলে হার্ট এটাক।। আর ব্রেইনে বন্ধ হলে স্ট্রোক অবধারিত (Ischemic stroke).. আর আগেই সৃষ্ট হাই প্রেশারে রক্তনালী ছিড়ে যেতে পারে। তাতে হবে Hemorrhagic stroke... হাই ক্যালরি influence এ বার বার ইনসুলিনের বেটা সেল ধ্বংসের পায়তারাও চলে পাশাপাশি।। এক সময় ধরা পড়ে ডায়াবেটিস।। এছাড়াও মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট শরীরে ক্যান্সার তৈরির রিস্ক ফ্যাক্টর।।। তাহলে হিসাব করে দেখুন - "একটা শিশুর জীবন শুরুর সাথে সাথে চিপস দেয়ার নাম করে শরীরে হাই প্রেশার, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ক্যান্সার ইত্যাদির বীজ বপন করে দিচ্ছেন"।
https://www.facebook.com/ainadalot/ বাচ্চাদের চিপস খাওয়াবেন না। কিন্তু বাসায় গিয়ে দেখি আত্নীয় স্বজনের কেউ না কেউ বাসায় চিপস নিয়ে আসছে , একান্তই যদি কিছু নিতেই হয় তাহলে স্বাস্থ্যকর অথবা প্রয়োজনীয় কিছু নিন। স্কুল পড়ুয়া বাবুদের জন্য বই নিতে পারেন, খেলনা নিতে পারেন অথবা অন্য কোন ফ্রুটস নিতে পারেন।

হঠাৎ গ্রেফতার হলে কি করবেন ? কিছু আইনি পরামর্শ, জেনে রাখুন !1. বিনা ওয়ারেন্ট অথবা  নোটিশ না দিয়ে পুলিশ আপনাকে গ্রেফতার ক...
21/08/2020

হঠাৎ গ্রেফতার হলে কি করবেন ?

কিছু আইনি পরামর্শ, জেনে রাখুন !

1. বিনা ওয়ারেন্ট অথবা নোটিশ না দিয়ে পুলিশ আপনাকে গ্রেফতার করতে পারে না।
(CrPC act 54 ছাড়া)

2. গ্রেফতারের সময় আপনাকে গ্রেফতারের কারণ, গ্রেফতারকারী অফিসারের নাম, গ্রেফতারের সময় ও স্থান সম্পর্কিত একটি মেমো পুলিশ আপনাকে বা আপনার বাড়ির লোককে দিতে বাধ্য। এই জিনিসটি অবশ্যই চেয়ে নেবেন। মামলার ক্ষেত্রে এটির গুরুত্ব অপরিসীম।

3. গ্রেফতার করার 24 ঘন্টার মধ্যে পুলিশ আপনাকে ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে হাজির করতে বাধ্য এবং ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া আর একদিনও আপনাকে অতিরিক্ত আটকে রাখতে পারে না। কোর্ট ছুটি থাকলে সেক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেটের আবাসিক এ আপনাকে হাজির করাতে হবে।

4. মহিলা পুলিশ ছাড়া কোনওভাবেই কোনও মহিলাকে গ্রেফতার বা তল্লাশী চালানো যায় না।

5. আইন অনুযায়ী পুলিশ লক আপে আপনাকে কোনওপ্রকার শারীরিক বা মানসিক অত্যাচার করতে পারে না। এমনকি চড় মারতেও পারে না।
এবার জেনে নিন কীভাবে পুলিশ আপনাকে হয়রানি করতে পারে ও এক্ষেত্রে কী করবেন-

1. সাধারণ ভাবে সরকারবিরোধী, শাসক দল বিরোধী কোনও পোষ্টের জন্য পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না। কারণ বাক স্বাধীনতার অধিকার আমাদের সংবিধানে স্বীকৃত। কিন্তু পুলিশ মামলা দায়ের করে অন্য ধারায়। আপনি পুলিশী হয়রানির শিকার হতে পারেন যদি আপনি আপনার ফেসবুক পোষ্টে-
ক) অশ্লীল কোনো শব্দ ব্যবহার করেন
খ) ভিত্তিহীন গুরুতর অভিযোগ করেন
গ) চরিত্রহনন করেন।
এই সমস্ত বিষয়গুলি তাই এড়িয়ে চলুন। স্বেচ্ছায় পুলিশের হাতে অস্ত্র তুলে দেবেন না।

2. স্থানীয় রেপুটেড কোনও ক্রিমিন্যাল ল'ইয়ার, স্থানীয় মানবাধিকার আন্দোলনকর্মী এবং মিডিয়ার ফোন নাম্বার হাতের কাছে রাখুন।

3. কোনও ব্যক্তি পুলিশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন জানতে পারা মাত্র তার পাশে দাঁড়ান। সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে খবরটি ছড়িয়ে দিন।
এবিষয়ে বিজ্ঞ আইনজীবিদের আরও পরামর্শ সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। গন সচেতনতা তৈরিতে সহয়তা করুন।

(Law's of Bangladesh)

ঈদ মোবারক
24/05/2020

ঈদ মোবারক

09/04/2020
08/04/2020

ঃঅতিব জরুরিঃ

একটু কষ্ট করে পরবে বন্ধুরা😗😗

সরকার ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের কিছু ধারা বাতিল করে ও ডিজিটাল মাধ্যমে কিছু অপরাধ দমনের লক্ষ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন, বিচার ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান করে নতুন করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করে।
এ আইনে ৬০ টি ধারা রয়েছে। বিভিন্ন বিষয়ের সংগা, ডিজিটাল অপরাধ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, অপরাধ প্রতিরোধের বিভিন্ন কাঠামো, বিভিন্ন ধরনের অপরাধ, অপরাধের দন্ড ও বিচারিক আদালত এবং ক্ষমতার কথা বলা হয়েছে!

এবার আসি কোভিড-১৯ আসার পর অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানাভাবে বিভিন্ন বিষয়ে মতামত প্রদান, জেনে না জেনে বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করা আবার কখনো কখনো তা বিশাল গুজবে রুপ নিয়েছে।
এর ফলে জনমনে আতঙ্ক আর উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। এ সময় আমাদের সবার সুনাগরিকের পরিচয় ও দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। আমাদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা যেমন অবারিত আবার রাষ্ট্র চাইলে তা জনস্বার্থ সংকুচিত করতে পারে। এবার আসুন এ আইনের কয়েকটা ধারা আমরা জেনে নিই, যেন আমরা কেউ এ দুঃসময়ে নিজে বিপদে না পড়ি।
ধারা ২৫ এ বলা হয়েছে আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার-
(১) যদি কোনো ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে,-

(ক) ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে, এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ করেন, যাহা আক্রমণাত্মক বা ভীতি প্রদর্শক অথবা মিথ্যা বলিয়া জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও, কোনো ব্যক্তিকে বিরক্ত, অপমান, অপদস্থ বা হেয় প্রতিপন্ন করিবার অভিপ্রায়ে কোনো তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ বা প্রচার করেন, বা

(খ) রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বা সুনাম ক্ষুণ্ণু করিবার, বা বিভ্রান্তি ছড়াইবার, বা তদুদ্দেশ্যে, অপপ্রচার বা মিথ্যা বলিয়া জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও, কোনো তথ্য সম্পূর্ণ বা আংশিক বিকৃত আকারে প্রকাশ, বা প্রচার করেন বা করিতে সহায়তা করেন,

তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৩ (তিন) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৩ (তিন) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

ধারা ৩১ এ বলা হয়েছে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থতির অবনতি ঘটালে-

১) যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইট বা ডিজিটাল বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন বা করান, যাহা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শ্রেণি বা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা, ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে বা অস্থিরতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে অথবা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় বা ঘটিবার উপক্রম হয়, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয় বার বা পুনঃপুন সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ১০ (দশ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১০ (দশ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

আপাতত বর্তমান সময়ের সাথে আইনের প্রাসঙ্গিক অংশটুকু জানা আমাদের অতিব জরুরি। তাই লিখলাম।

সবার প্রতি বিনীত নিবেদন আমরা যেন এ খারাপ সময়ে কোন কিছু শেয়ার, লাইক ও মন্তব্য করার আগে তথ্য, উপাত্ত ও সোর্স সম্পর্কে নিশ্চত হয়ে নি।

ইতোমধ্যে কয়েকজনকে বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে।

ধন্যবাদ সবাইকে!

বাড়ীতে থাকো, নিরাপদে থাকো

রুনা / রোহানী
এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

20/03/2020

সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮।

ধারা-২৪। (১) যদি কোনো ব্যক্তি সংক্রামক জীবাণুর বিস্তার ঘটান বা বিস্তার ঘটিতে সহায়তা করেন, বা জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও অপর কোনো ব্যক্তি সংক্রমিত ব্যক্তি বা স্থাপনার সংস্পর্শে আসিবার সময় সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি তাহার নিকট গোপন করেন তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ৬ (ছয়) মাস কারাদণ্ডে, বা অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

05/03/2020

❤️❤️💚💙💜💛🧡
সন্তানকে স্বার্থপর করে গড়ে তুলবেননা

সন্তানকে স্বার্থপর করে গড়ে তুলবেননা , তুললে তার প্রতিক্রিয়া আপনার ওপরেই সবথেকে বেশী পড়বে। এর ফল আপনাকেই বেশী ভোগ করতে হবে।

কিন্তু কিভাবে আমরা সন্তানকে স্বার্থপর করি ?

ছোটবেলায় আমাদের সন্তানদের প্রতি “বেশী ভালোবাসা” দেখানোর জন্য কিছু কাজ সন্তানকে স্বার্থপর করে গড়ে তোলে -
কিছু উদাহরণ দেই -

সন্তানের স্কুল পার্টিতে সবথেকে কম দামী জিনিস কিনে পাঠিয়ে টাকা বাঁচানোর চেষ্টা করা, আর অন্যদিকে সন্তানের জন্য প্রয়োজনের থেকে বেশী দামী কাপড়/খেলনা বা অন্য জিনিস কেনা।- মনে করছেন সন্তান খেয়াল করছে না ? করছে ও স্বার্থপর হতে শিখছে। সে বড় হলে আপনার জন্য ঔষধ কেনার আগে নিজের সংসারের জন্য দামী পাতিল কিনবে, তারপরে পয়সা বাঁচলে ঔষধ কিনবে। শিক্ষাটা আপনারই দেয়া।

সন্তানের কাজিনের জন্য বা বন্ধুর জন্য গিফট কিনতে গেলে কমদামী ঠুনকো একটা বেছে বের করলেন, সন্তান রাজী হচ্ছে না, ধমক দিয়ে বললেন, "এতেই চলবে। এতো টাকা খরচ করলে টাকা শেষ হয়ে যাবে।" ওদিকে শপিং শেষে রেস্টুরেন্টে ঢুকে সন্তানকে দামী ফাস্ট ফুড কিনে দিলেন। সন্তান খুশী হলো , আর শিখে গেলো কিভাবে অন্যকে দেবার সময় পয়সার হিসাব করতে হয় আর নিজের ক্ষেত্রে বেহিসাবী হতে হয়। স্বার্থপরতার পারফেক্ট দীক্ষা। বড় হলে আপনার অসুখে ডাক্তারের কাছে নেবার সময় সে বলবে - "হাতে টাকা নেই" আর ওদিকে পরিবার নিয়ে কক্সেসবাজার বেরিয়ে আসবে। চোখ ভিজিয়ে কি হবে ? শিক্ষাটা আপনিই দিয়েছিলেন।

আপনার সন্তান খেলতে খেলতে পানি খেতে ভুলে যায়। পাশের ঘরেই পানি। আপনি কাজের মেয়েকে ডাকেন - “ময়না, ভাইয়াকে পানি দিয়ে যা।” ময়না কিচেনের শত কাজের মধ্যেও এসে পানি দেয় ভাইয়াকে। আপনি ওকে ধমক দেন - “গ্লাসটা ঠিকভাবে ধুয়ে আনতে পারিস নি ?” সন্তান শেখে কিভাবে নিজের ১০০% আরাম খুঁজতে হয় অন্যের ঘামের বিনিময়ে। বড় হয়ে যখন আপনি তার ফোনের অপেক্ষায় বসে থাকবেন , ফোন হাতে নিয়েও নাম্বার টিপতে গিয়ে উল্টো পাল্টা করবেন, তখন এক মাস পরে ফোন করে সে আপনাকে বলবে - “একটু ফোন করে আমাদের খবর নিতে পারো না ? মরে গেলেও তো খোঁজ খবর নিবা না।” কষ্ট পাবেন, কিন্তু লাভ কি তাতে - শুধু পাওয়ার অভ্যসটা আপনিই তৈরী করে দিয়েছেন।

দাওয়াতে সব বাচ্চারা বসে আছে , কেউ খাচ্ছে না। আপনি তাড়াতাড়ি গিয়ে বেছে বেছে ভালো ভালো খাবার তুলে আপনার সন্তানের জন্য নিয়ে এলেন , ভালো মাংসটা যাতে অন্যের পাতে যেতে না পারে। মনে করছেন কেউই খেয়াল করছে না , বা বুঝতে পারছে না। অন্যের কথা বাদ দিন, আপনার সন্তান বুঝছে ও শিখছে। - বড় হলে নিজের, নিজের বাচ্চাদের জন্য সব ভালো রেখে লেফট ওভারটা আপনার জন্য রাখবে। মুখে কিছুই বলতে পারবেন না , কিন্তু এই অবহেলা বুকে বড় বাজবে। কিন্তু উপায় কি ? - এটা আপনারই শেখানো।

স্বামী যাতে তার মাকে টাকা পাঠাতে না পারে, মায়ের জন্য ঈদে শাড়ী কিনতে না পারে সেজন্য সন্তানদের জন্য প্রয়োজনের থেকে বেশী শপিং করলেন, সন্তানের নামে বেশী বেশী খরচ করে স্বামীর হাতকে আটকে ফেললেন। "অমুক তার বাচ্চার জন্য সিঙ্গাপুর থেকে বাজার করে, আর আমার বাচ্চাকে ঈদে মাত্র ২সেট কাপড়ও দিতে পারবো না , এতটাই অভাগা হয়ে গেলাম?" - খুব কৌশলে আটকালেন। সচতুর রাজনীতি, কারো কিছুই বলার নেই। আসলেই কি তাই?

মাত্র ২০ - ২৫ বছর পরে আপনি যখন বলবেন, “বাবা, আমার একটা অপারেশন লাগবে।” সন্তান বলবে, “আমার হাত একেবারেই খালি। এই মাসেই আরেকটা এপার্টমেন্ট বুকিং দিয়েছি। পারলে তোমার জমি বিক্রি করে আমাকে কিছু টাকা পাঠাও।” সন্তান যদিও জানে যে ওই জমি থেকেই আপনার খাবার খরচ আসে - কিন্তু আপনার কিছুই বলার নেই। কৌশলটা আপনিই শিখিয়েছেন ।

স্বার্থপর সন্তান গড়লে সে বুড়ো বয়সে আপনার প্রতি তার দায়িত্বের খবর নিতে ভুলে যাবে, কিন্তু আপনার মৃত্যুর পর আপনার সম্পত্তিতে তার ভাগের অধিকার চাইতে আসতে ভুলবে না। কারণ অধিকারের নামে একচোখ কানা স্বার্থপর নীতিটা আপনিই শিখিয়েছেন যে। দায়িত্বশীল অধিকারের সংজ্ঞা তার অজানা।

Address

Pollibedut, Nobinagor, Ashulia, Savar
Dhaka
1344

Telephone

+8801712479535

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhuiyan Law Farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bhuiyan Law Farm:

Share