28/02/2024
সবাই কে আমাদের নতুন পেজ ফলো দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি। https://www.facebook.com/profile.php?id=61556944377925
বিনামূল্যে আইন এবং মামলা বিষয়ে যে কোন পরামর্শ দিতে আমরা আছি আপনার পাশে।
Bangladesh lawyers is one of Bangladesh's leading law firms, recognized for top services in each of All types of Legal services are available in Bangladesh.
“Bangladesh Lawyers” is a young law firm headquartered at Gulshan-1 in Dhaka. Our firm offers market leading practices in financial products, project finance, banking and insolvency, as well as comprehensive tax and real estate capabilities. Bangladesh Lawyers has national practices in intellectual property, commercial litigation, finance, securities, capital markets and corporate matters. We have
extensive expertise in different fields of financial sectors. With experience and advanced knowledge we are able to meet all the requirements of the clients to provide them appropriate advice. Our lawyers are dynamic and committed to clients, providing a complete range of legal support and aim to provide client focused solutions. Our main objective is ultimate success of our esteemed clients with honesty. In pursuing this objective we have built our own tradition of excellence and integrity and gathered together the most experienced and outstanding team of lawyers and attorneys in Bangladesh each with diverse talents and absolute dedication to what they're doing. In the field of Corporate and Commercial Litigation If you need a qualified attorney to represent you throughout all the stages of a litigation process in Bangladesh, please feel free to contact us online today on [email protected] to discuss your case and see how we can help you.
সবাই কে আমাদের নতুন পেজ ফলো দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি। https://www.facebook.com/profile.php?id=61556944377925
বিনামূল্যে আইন এবং মামলা বিষয়ে যে কোন পরামর্শ দিতে আমরা আছি আপনার পাশে।
ভূমি বিষয়ক নিম্নের তথ্যাবলী প্রত্যেকেরই জানা উচিত! “পর্চা”, “দাগ”, “খতিয়ান”, “মৌজা”, “জমা খারিজ”, “নামজারি”, “তফসিল” ইত্যাদি বিষয়ের ডেফিনেশন এবং জেনে নিন ভূমি বিষয়ক জরুরী সব তথ্য।
১!“নামজারী” বা মিউটেশন কাকে বলে?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
২!“জমা খারিজ”কাকে বলে?
যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
৩!“খতিয়ান” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “খতিয়ান” বলে।
খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক। আমাদের দেশে CS, RS, SA এবং সিটি জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। এসব জরিপকালে ভূমি মালিকের তথ্য প্রস্তত করা হয়েছে তাকে “খতিয়ান” বলে। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান…
ভূমি জরিপ: CS, RS, PS, BS কি?
৪!ভূমি বা Land কাকে বলে?
“ভূমি কাকে বলে?”- এর আইনী সংজ্ঞা রয়েছে। The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- এর ২(১৬)- ধারা মতে, “ভূমি (land) বলতে আবাদি, অনাবাদি অথবা বছরের যেকোন সময় পানিতে ভরা থাকে এবং ভূমি হতে প্রাপ্ত সুফল, ঘরবাড়ি বা দালান কোঠা বা মাটির সঙ্গে সংযুক্ত অন্যান্য দ্রব্য অথবা স্হায়ীভাবে সংযুক্ত দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত বুঝাবে।”
৫! ভূমি জরিপ/রেকর্ড কাকে বলে? ভূমি জরিপ হচ্ছে ভূমির মালিকানা সম্বলিত ইতিহাসের সরেজমিন ইতিবৃত্ত।
আইনী সংজ্ঞা হচ্ছে, The Survey Act, 1875 এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা অনুযায়ী সরকারের জরিপ বিভাগ সরেজমিন জরিপ করে ভূমির মালিকানার যে বিবরণ
এবং নকশা তৈরী করে তাই রেকর্ড বা জরিপ। অর্থাৎ রেকর্ড বা জরিপ হচ্ছে মালিকানার বিরবণ এবং নকশার সমন্বয়। একটি ভূমির মালিক কে এবং তার সীমানা কতটুকু এটা ভূমি জরিপের মাধ্যমে নকশা/ম্যাপ নির্ণয় করা হয়। এই নকশা এবং ম্যাপ অনুসারে মালিকানা সম্পর্কিত তখ্য যেমন ভূমিটি কোন মৌজায় অবস্থিত, এর খতিয়ান নাম্বার, ভূমির দাগ নাম্বার, মালিক ও দখলদারের বিবরণ ইত্যাদি প্রকাশিত হয় যাকে খতিয়ান বলে। রেকর্ড বা জরিপ
প্রচলিতভাবে খতিয়ান বা স্বত্ত্বলিপি বা Record of Rights (RoR) নামেও পরিচিত। রেকর্ড বা জরিপের ভিত্তিতে ভূমি মালিকানা সম্বলিত বিবরণ খতিয়ান হিসেবে পরিচিত। যেমন CS খতিয়ান, RS খতিয়ান, ইত্যাদি। আমাদের দেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো হচ্ছে;
1. CS -Cadastral Survey
2. SA- State Acquisition Survey (1956)
3. RS -Revitionel Survey
4. PS – Pakistan Survey
5. BS- Bangladesh Survey (1990)
ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)
“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।
খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)
১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল।
জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।
গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)
সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।
ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)
সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।
৬!“পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
৭!“মৌজা” কাকে বলে?
যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।
৮!“তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
৯!“দাগ” নাম্বার কাকে বলে? যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।
১০!“ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
১১!“খানাপুরি” কাকে বলে? জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
১২!“আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিযুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
১৩!“কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
১৪!“খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।
১৫!“দাখিলা” কাকে বলে?
ভূমি কর/খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর/খাজনা আদায়ের প্রমান পত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলা হয়।
১৬!"DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
১৭!“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
১৮!“নাল জমি” কাকে বলে?
২/৩ ফসলি সমতল ভূমিকে নাল জমি বলা হয়।
১৯!“খাস জমি” কাকে বলে?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
২০!“চান্দিনা ভিটি” কাকে বলে?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী অকৃষি জমির যে অংশ প্রজার প্রতি বরাদ্ধদ দেওয়া হয় তাকে চান্দিনা ভিটি বলে।
২১!“ওয়াকফ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান অনুযায়ী কোন ভূমি তার মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের ব্যয় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন দান করাকে ওয়াকফ বলে।
২২!“মোতওয়াল্লী” কাকে বলে?
যিনি ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে। ওয়াকফ প্রশাসকের অনুমতি ব্যতিত মোতওয়াল্লী ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে না।
২৩!“দেবোত্তর” সম্পত্তি কাকে বলে?
হিন্দুধর্ম মতে, ধর্মীয় কাজের জন্য উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি বলে।
২৪!“ফরায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফরায়েজ বলে।
২৫!“ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
২৬! “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকস্তি বলে। সিকস্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকস্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
২৭!“পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
২৮!“দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।
ভূমির পরিমাপঃ
ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতকঃ
***************************
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতাংশ =১০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা = ২১৭৮ বর্গফুট
১০ শতাংশ = ৬ কাঠা = ৪৩৫৬ বর্গফুট
১০০ শতাংশ = ১ একর =৪৩৫৬০বর্গফুট
কাঠা পরিমাপঃ
****************
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট/৭২১.৪৬ বর্গফুট
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ/৮০.১৬ বর্গগজ
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০.৫ কাঠা =১ একর
একরের পরিমাপঃ
******************
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন = ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ শতক = ০.৫ গন্ডা বা ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
বিঘা পরিমাপঃ
*************
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট /১৪৫২০বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ/১৬১৩ বর্গগজ
১ বিঘা = ২০ কাঠা
৩ বিঘা ৮ ছটাক = ১.০০ একর
লিঙ্ক পরিমাপঃ
****************
১লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি /৭.৯২ ইঞ্চি
১লিঙ্ক =০.৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট
১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল
১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক
১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর
কানি একর শতকে ভূমির পরিমাপঃ
*******************************
১ কানি = ২০ গন্ডা
১ গন্ডা = ২ শতক
১ শতক =২ কড়া
১ কড়া = ৩ কন্ট ১ কন্ট = ২০ তিল
ফুট এর হিসাবঃ
*****************
১ কানি = ১৭২৮০ বগফুট
১ গন্ডা = ৮৬৪ বফু
১ শতক= ৪৩৫.৬০ বফু
১ কড়া = ২১৭.৮ বফু
১ কন্ট = ৭২ বফু
১ তিল= ৩.৬ বফু
বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ
*********************************
৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা
১৪৫২০বর্গফুট = ১ বিঘা
৪৮.৪০ বর্গগজ = ০১ শতাংশ
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা
৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক
২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
মেসেজের মাধ্যমে তালাক দিলে কি কার্যকর হবে?
প্রশ্ন: মোবাইলে মেসেজের মাধ্যমে তালাক দিলে কি তা কার্যকর হবে? যদি হয় তাহলে এ তালাক কখন কার্যকর হবে, মেসেজ লেখার সঙ্গে সঙ্গেই নাকি স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছানোর পর?
উত্তর: মুখে তালাক দিলে যেভাবে তালাক হয় তেমনি মেসেজের মাধ্যমে তালাক পাঠালেও তালাক পতিত হয়।
আর তালাক কখন কার্যকর হবে? স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার পর নাকি মেসেজ লেখার পর থেকেই- এটা নির্ভর করবে মেসেজ লেখার ধরনের ওপর। যদি মেসেজে এভাবে লেখা হয় যে, ‘যখন আমার এই বার্তা তোমার কাছে পৌঁছবে তখন থেকে তুমি তালাক’ তাহলে স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার পরই তালাক হবে- স্ত্রী মেসেজটি পাঠ করুক বা না করুক।
সুতরাং স্ত্রীর কাছে মেসেজ পৌঁছার আগেই যদি স্বামী তা ডিলেট করে দেয় তাহলে আর তালাক হবে না। আর যদি লেখে- ‘তুমি তালাক’ তাহলে লেখার পর থেকেই তালাক হয়ে যাবে- মেসেজ স্ত্রীর কাছে পৌঁছুক বা না পৌঁছুক।
সূত্র: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং-২০৩৯, ফাতাওয়া শামী-৪/৪৫৬ (জাকারিয়া) বাদায়েউস সানায়ে-৩/১০৯. ফাতাওয়া হিন্দিয়া-১/৩৭৮, ফিকহুস সুন্নাহ ৩/১৬৫. কাওয়াইদুল ফিকহ-১৩০ (দারুল কিতাব) ফাতাওয়া তাতারখানিয়া-৪/৫২৮ (জাকারিয়া), আল মহিতুল বুরহানী-৪/৪৮৬
উত্তর দিয়েছেন- মুফতি সাদেকুর রহমান, মুফতি ও মুহাদ্দিস, শেখ জনূরুদ্দীন (র.) দারুল কুরআন মাদ্রাসা, চৌধুরীপাড়া ঢাকা।
★চেকের মামলা দায়েরের প্রসঙ্গে আইনি বিশ্লেষণ★
এন আই এক্ট ১৮৮১ এর ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলা নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব। এই সম্পর্কে আমাদের সবার কমবেশি ধারণা থাকা প্রয়োজন। তাতে করে আমরা এই বিষয়গুলো সম্পর্কে আরো বেশি সচেতন হয়ে উঠতে পারব।
চেক ডিজঅনার করার শর্তসমূহঃ
চেক ডিজঅনার করার শর্তগুলো নিচে আলোচনা করা হলো। যথা:
★চেকের উপরে যে তারিখ লেখা আছে, সেই তারিখ হতে ০৬ (ছয়) মাসের মধ্যে আপনাকে চেক ডিজঅনার করাতে হবে।
★ব্যাংক হিসাবে পরিমাণ মতো টাকা থাকলে আপনি চেক ডিজঅনার করাতে পারবেন না।
★ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে আপনাকে চেক ডিজঅনার করাতে হবে।
★চেক ডিজঅনারের (cheque dishonour) মামলা করার কারণ
★ব্যাংকের হিসাবে অপর্যাপ্ত তহবিল বা অর্থ থাকলে। তার মানে চেকে যে পরিমাণ অর্থ উল্লেখ করা হয়েছে তা অপেক্ষা কম অর্থ হিসাবে থাকা।
★যে ব্যক্তি চেক প্রদান করেছে যদি তার স্বাক্ষর না মেলে।
★যদি চেকে উল্লেখিত অর্থের অংক ও কথার গরমিল পাওয়া যায়।
★চেক মেয়াদউত্তীর্ণ হলে।
★যথাযথভাবে চেক পূরণ করা না হলে।
★চেকে ঘষামাজা করলে।
★চেকে কাটাকাটি থাকলে পূর্ণ স্বাক্ষর দিয়ে তা সত্যকরণ করা না হলে।
#চেক ডিজঅনার মামলা করার পদ্ধতি কি?
★প্রথমে আপনাকে ব্যাংকে গিয়ে চেক ডিজঅনার করে নিয়ে আসতে হবে।
★এরপর চেকের টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দিয়ে উকিল নোটিশ বা লিগ্যাল নোটিশ দিতে হবে।
★উকিল নোটিশ প্রাপ্তির ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে চেকগ্রহীতা এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
★মামলা দায়েরের সময় বাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র, ★চেক ডিজঅনারের স্লিপ,
★লিগ্যাল নোটিশের একটি করে ফটোকপি ফিরিস্তি করে জমা দিতে হবে এবং
★ মামলা দায়েরের সময় মূল কপি আদালতে প্রদর্শন করতে হবে।
★ মামলার আরজির সাথে প্রসেস ফি দাখিল করতে হবে।
চেক ডিজঅনারের মামলা কোথায় দায়ের করতে হবে?
মেট্রোপলিটন এলাকায় চেক ডিজঅনারের মামলা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। আর অন্য এলাকাতে এই মামলা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়। তারপর চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন।
১৮৮১ এর ১৩৮ ধারা অনুযায়ী চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করা হয়।
নোট: একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন, চেক ডিজঅনারের মামলা কখনো চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজি আদালত কিংবা চীফ মেট্রোপজিস্ট্রেট আদালত বিচার করতে পারবে না।
★প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীকে পরীক্ষা করবেন। পরীক্ষা করার পর যদি ম্যাজিস্ট্রেট দেখেন নালিশের প্রাইমা ফেসি (Prima facie) ভিত্তি আছে তাহলে তিনি মামলা আমলে নিয়ে মামলাটি প্রস্তুত করে বিচারের জন্য দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন।তারপর মামলাটি দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার করা হবে। চেক ডিজঅনারের মামলা সবসময় সি.আর মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। কারণ এই সকল মামলা সরাসরি এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা হয়ে থাকে।
★চেক ডিজঅনারের মামলার বিচার সম্পর্কিত উচ্চ আদালতের নতুন রায়ঃ
১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৪১(গ) ধারা অনুযায়ী, চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারে দায়রা আদালত। অর্থাৎ দায়রা জজ (Sessions Judge), অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ (Additional Sessions Judge & Joint Sessions Judge) উনারা সবাই এরূপ মামলার বিচার করতে পারেন এবং এতদিন পর্যন্ত করে আসছেন। তবে সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে বলা হয়েছে- এখন থেকে চেক ডিজঅনার এর মামলার বিচার করতে পারবে শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ [Joint Sessions Judge]।
উচ্চ আদালতের এ রায় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা
চেক ডিজঅনার মামলা শুধুমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে শুনানি হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতেই আপীল করতে হবে। আগে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত শুনানি করতো। এক্ষেত্রে দায়রা জজ ও অতিরিক্ত দায়রা জজ বিচার করলে বিচারপ্রার্থীকে চেকের মামলায় আপীল করতে আসতে হতো হাইকোর্টে বিভাগে। এই বিধানটি বৈষম্যমূলক যা বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ এবং ৩১ এর সাথে সাংঘর্ষিক। রায়ের নির্দেশনা মতে ১৩৮ ধারার চেকের মামলার বিচার কেবলমাত্র যুগ্ম দায়রা জজ আদালত করতে পারবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ চেকের মামলার বিচার করতে পারবে না।
চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতে মামলা করার পদ্ধতিঃ
আমরা জানি চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির।তাই চেক ডিসঅনার হলে দেওয়ানী আদালতে ও মামলা দায়ের করা যায়।দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিসঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।
নোট: দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক(cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিসঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়। মোকদ্দমা দায়েরের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ ধারার বিধান বিবেচনায় রাখতে হবে।
১৫ ধারায় বলা হয়েছে, বিচার করার এখতিয়ার সম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করতে হবে। তাই বাদীকে এই ধরণের মামলা জেলা জজ আদালতে দায়ের করতে হবে। এক্ষেত্রে বাদী হাইকোর্ট বিভাগকে এই ধরণের মামলা আমলে নিতে বাধ্য করতে পারবে না। [Bengal Techno Consult v. Registrar,2005 BCR 133]
চেক ডিজঅনারের কারণে ১৩৮ ধারায় মামলা না করে দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা করা যায় কিনা?
১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।
নুরুল ইসলাম বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য [49 DLR(HCD) 464] মামলায় উপরোক্ত বিষয়ে আলোচনা করে হাইকোর্ট বিভাগ মতামত দেন যে, বাদীপক্ষ ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪২০ ধারায় আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারবে।
উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, চেক ডিজঅনার হলে বাদীপক্ষ আসামীর বিরুদ্ধে ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারায় মামলা করতে পারবে অথবা ১৮৬০ সালের দন্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারাতেও মামলা করতে পারবে।
চেক ডিজঅনারের মামলা চলাকালীন সময়ে আসামীর মৃত্যু হলে উক্ত টাকা আদায়ের পদ্ধতি
চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করার আগেই চেকদাতা মৃত্যুবরণ করলে চেক গ্রহীতার আর কোনো প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এমনকি আসামী মামলা চলমান অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলেও তার উত্তরাধিকারী বা আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ মামলা চালাতে পারে না। মামলা দায়েরের আগে বা পরে যখনই আসামী মারা যাক না কেনো উভয় ক্ষেত্রেই বাদীর প্রতিকার হলো মৃত ব্যক্তি উত্তরাধিকারী বা আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে টাকার মামলা দায়ের করে উক্ত টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করা।
চেক ডিজঅনার হলে শাস্তি বা জরিমানা
এক বছর পর্যন্ত কারাদন্ড।
অথবা জরিমানা যা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুণ।
অথবা উভয়।
নোট: হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদন্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুণ জরিমানা অথবা উভয়। এখন কথা হল, চেক ডিজঅনারের শাস্তি যদি চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুণ জরিমানা হয়, তাহলে টাকাটা কে পাবে? এক্ষেত্রে চেকগ্রহীতাকে তার দাবীকৃত টাকাটা পরিশোধ করে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে চলে যাবে।
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।
সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমাণ অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
আপীল
১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।
১৩৮ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপীল করা যাবে সে সম্পর্কে ১৩৮ থেকে ১৪১ ধারায় কিছু বলা হয়নি।
এক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির আপীলের বিধান প্রযোজ্য হবে।
১৩৮ ধারায় প্রদত্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে দায়রা জজের নিকট।
নোট: আপীল সম্পর্কে কিছু কথা বলে রাখা প্রয়োজন। হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনে আপীল সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) এর আপীলের বিধান কার্যকর হবে। চেক ডিজঅনারের মামলাটি যখন যুগ্ম দায়রা জজ কর্তৃক বিচার হয়, তাহলে দায়রা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করতে হবে। এক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) এর ৪০৮ ধারার আপীলের বিধানটি প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।
আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে। চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে। তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে, আপীল আদালতে নয়।
রিভিশন দায়ের
চেক ডিসঅনারের মামলায় রিভিশন দায়ের করা যায়। শুধুমাত্র আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখানেও ফৌজদারী কার্যবিধির রিভিশনের বিধান প্রযোজ্য হবে। এখানে বলা হয়েছে, আইনগত প্রশ্নে রিভিশন দায়ের করা যায়। এখন কথা হলো আইনগত প্রশ্ন বলতে আমরা কি বুঝি? যেমন-ব্যাংক থেকে চেকটি অপরিশোধিত হয়ে আসার পর ৩০ দিনের মধ্যে চেকদাতাকে নোটিশ না দেয়া। এটাও একটা আইনগত প্রশ্ন। আবার মামলা করার কারণ আছে কিনা এটাও একটা আইনগত প্রশ্ন। মামলাটি তামাদিতে বারিত কিনা, এটাও একটা আইনগত প্রশ্ন।
১৩৮ ধারার মামলা থেকে আইনগত বিষয় উদ্ভূত হলে ফৌজধারী কার্যবিধির ৪৩৯ ধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগে অথবা একই আইনের ৪৩৯ক ধারা মতে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। আগে একমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতেন।১৯৭৮ সালে Law Reforms Ordinance দ্বারা ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
রিভিশন দায়েরের সময়সীমা
তামাদি আইনে ফৌজদারী মামলায় রিভিশন দায়েরের সময়সীমা সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। এক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের case law এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করা হবে। উচ্চ আদালত অভিমত প্রকাশ করেন, “ফৌজদারী আপীল মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে প্রচলিত সময়সীমাই রিভিশন মামলা দায়েরের সময়সীমা বলে গণ্য হবে।”
১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ১৫৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিচারিক আদালত রায় প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে ফৌজদারী আপীল দায়ের করতে হয়। রিভিশন দায়েরের ক্ষেত্রেও একই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। তার মানে বিচারিক আদালত কর্তৃক রায় প্রচারের ৬০ দিনের মধ্যে রিভিশন দায়ের করতে হবে।
রিভিশন নিষ্পত্তির সময়সীমা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৪২ক(২) ধারায় বলা হয়েছে, পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হওয়ার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিশন আদালত রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
নোট: ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৯ক(২) ধারায় বলা হয়েছে, কোন পক্ষ কর্তৃক দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে, এই বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। তার মানে ফৌজদারী মামলায় দ্বিতীয় রিভিশনের কোন সুযোগ নেই।
রিভিউ(Review)
দেওয়ানী মোকদ্দমায় রিভিউ (Review) করার বিধান রয়েছে। দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৪ ধারা এবং ৪৭ আদেশে রিভিউ করার বিধান আছে। ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন বিধান নেই। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিভিউ সংক্রান্ত কোন বিধান রাখা হয়নি। তাই ক্রিমিনাল মামলায় রিভিউ করার কোন সুযোগ নেই। তবে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন মামলার সিদ্ধান্ত থেকে দেখা যায়, ১৩৮ ধারার চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা ফৌজদারী এবং কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃতির। তার আলোকে চেক ডিজঅনারের মামলায় রিভিউ করা যেতে পারে।
Nizam Uddin Mahmood v. Abdul Hamid Bhuiyan and another [24 BLD (2004)(AD)239] মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ সংক্রান্ত বিধানের অনুমতি দিয়েছেন।
আমার আলোচনা থেকে আপনারা কিছুটা উপকৃত হলেও আমার পরিশ্রম সার্থক হবে।
Collected…
জন্ম গ্রহণ করেনি এমন শিশুর অনুকূলে সম্পত্তি হস্তান্তরের বিধানাবলী:
১। সরাসরি যে শিশু জন্মগ্রহণ করে নি তাকে সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় না।
২।সম্পত্তি হস্তান্তর করতে হলে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং তাদের জীবন কাল শেষে এবং উক্ত নাবালকের নাবালকত্ব শেষ হলে সে সম্পত্তি পাবে।
৩।তবে শর্ত থাকে যে জীবিত ব্যক্তির বা ব্যক্তি গণের জীবন কালে উক্ত নাবালকের অস্তিত্ব থাকতে হবে।।
পোষ্টটি শেয়ার করে বন্ধুদেরকেও এই সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিন।
পারিবারিক সমাস্যা গুলো কিভাবে আদালতে প্রতিকার পাবেন:
পারিবারিক বিষয় নিয়ে কোনে বিরোধের উদ্ভব হলে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হয়। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ১৯৮৫ এর ধারা ৪ অনুযায়ী সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গন্য হবে। সহকারী জজ আদালতের আর্থিক এখতিয়ার ২ লক্ষ টাকা। কিন্তু সহকারী জজ যখন পারিবারিক আদালতের বিচারক হিসেবে কাজ করে তখন তার আর্থিক এখতিয়ার সীমাহীন। উদাহরণ-একটা বিয়েতে ৫০ লক্ষ টাকার দেনমোহরের মামলার বিচার করার এখতিয়ার ও পারিবারিক আদালতের আছে।
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ১৯৮৫ এর ৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৫ টি ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের বিচার করার ক্ষমতা আছে। যথা:
ক.বিবাহ বিচ্ছেদ।
খ.দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার।
গ.মোহরানা।
ঘ.ভরনপোষন।
ঙ.অভিভাবকত্ব এবং শিশুদের হেফাজত।
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ বলবৎ হওয়ার পর একটি বিতর্ক দেখা দেয়। বলা হয় যে পারিবারিক আদালত কি মুসলমানদের জন্য একটি আদালত।অন্যান্য ধর্মালম্বীরা এখানে মামলা করতে পারবে কি?
সর্বপ্রথম Krishnapada Talukdar V Geetasree Talukdar14(1994))BLD 415 নামক মামলায় এরকম প্রশ্ন দেখা দেয়।এই মামলায় প্রশ্ন উঠে একজন হিন্দুু ধর্মালম্বী মহিলা তার স্বামীর বিরুদ্ধে ভরনপোষনের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা করতে পারবে কিনা।এই মামলার রায়ে বলা হয় এই আইনের বিধান শুধু মুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য।এই সংকটটি ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
Pochon Rikssi Das Vs Khuku Rani Dasi and others 50(1998)DLR(HCD)47 মামলায় এই সংকটটি চূড়ান্ত ভাবে দূর করা হয়। তিন জন বিচারকের সম্বনয়ে গঠিত হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ বেঞ্চ এটা বহাল রাখে যে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ধর্ম নির্বিশেষে সকল নাগরিকদের জন্য।
এখানে একটা জিনিস পরিষ্কার করে বলা ভালো হিন্দু ধর্মালম্বী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মোহরানা এবং বিবাহ বিচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে না।কারন হিন্দু ধর্মে মোহরানা এবং বিবাহ বিচ্ছেদ নাই। এই ধর্মালম্বী ব্যক্তিরা শুধুমাত্র তিনটি ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবে। যথা:
ক.দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার (restitution of conjugal rights)
খ.ভরনপোষন(maintenance)
গ.অভিভাবকত্ব এবং শিশুদের হেফাজত(guardianship and custody of children)
অন্যদিকে মুসলীম ধর্মালম্বীরা উপরিউক্ত তিনটি বিষয় ছাড়া ও মোহরানা এবং বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পর্কিত বিষয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে।
(১)বিবাহ বিচ্ছেদ (Dissolution of Marriage) :
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ,১৯৬১ এর ৭ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চাইলে যেকোন পদ্ধতিতে তালাক ঘোষণার পর সাথে সাথে চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে নোটিশ দিতে হবে।তালাকের নোটিশের একটি কপি স্ত্রীকে ও প্রদান করতে হবে। তারপর চেয়ারম্যান উক্ত নোটিশ পাবার ৩০ দিনের মাথায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আপোষ-মীমাংসার লক্ষ্যে সালিশী পরিষদ গঠন করবেন।সালিশী পরিষদ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করতে ব্যর্থ হলে চেয়ারম্যানের নিকট নোটিশ প্রদানের তারিখ হতে ৯০ দিন অতিবাহিত হবার পর তালাক কার্যকর হয়ে যাবে।চেয়ারম্যান বলতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার চেয়ারম্যান, মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র,ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় চেয়ারম্যানের কাজ সম্পন্ন করার জন্য সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ব্যক্তিকে বুঝাবে।[রেফারেন্সঃধারা-২(খ) মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ,১৯৬১]
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ এর ৫ ধারা অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মামলা দায়ের করা যাবে।এই আইনের ৫ ধারাতে বলা আছে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ,১৯৬১ এর বিধানাবলী সাপেক্ষে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে। তার মানে ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী চেয়ারম্যান নোটিশের মাধ্যমেও বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটানো যাবে।
(২)দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার (Restitution of Conjugal Rights):
স্বামী-স্ত্রী উভয়ই দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারে।কোন বৈধ কারণ ছাড়া বিবাহের কোন পক্ষ যদি নিজেদেরকে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচয় দিতে অস্বীকার করে অথবা বৈবাহিক দায়িত্ব পালন করতে অবহেলা প্রদর্শন করে তাহলে সংক্ষুব্ধ পক্ষ(aggrieved person) পারিবারিক আদালতে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের মামলা দায়ের করতে পারবে। পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ এর ২২ ধারা অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হলে কোর্ট ফি ২৫ টাকা দিতে হবে। সে অনুযায়ী দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের মামলায় কোর্ট ২৫ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধারের মামলায় ৩০০ টাকা কোর্ট ফি দিতে হয়।কারণ এই ধরনের মামলা এক প্রকার ঘোষণা প্রকৃতির মামলা। আদালত এই মর্মে ঘোষণা প্রদান করেন যে স্বামী যেহেতু স্ত্রীর প্রতি অর্পিত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করে যাচ্ছে সেহেতু স্ত্রী স্বামীর সাথে বসবাস করবে। আর আমরা জানি ঘোষণামূলক মামলার কোর্ট ফি ৩০০ টাকা।
(৩)দেনমোহর/মোহরানা(Dower):
দেনমোহর স্ত্রী মাফ করে দিলেও স্বামী স্ত্রীকে দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য। দেনমোহর প্রকৃতপক্ষে ঋণের সমতুল্য। স্বামীর মৃত্যুতে দেনমোহর অনাদায়ের স্ত্রীর অধিকার রহিত হয় না। স্বামী জীবিত থাকা অবস্হায় স্ত্রীর মৃত্যু হলে স্ত্রীর ছেলেমেয়ে ঐ দেনমোহর পিতার নিকট থেকে আদায় করে নিতে পারবেন। তবে সেটা স্ত্রীর মৃত্যুর ৩ বছরের মধ্যে আদায় করতে হবে।
(৪)ভরণপোষণ(Maintenance):
১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২(খ) ধারা অনুযায়ী স্বামী ২ বছর যাবত স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে অবহেলা করলে অথবা ২ বছর যাবত স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা করতে পারবে। একইভাবে স্বামীকে ভরণপোষণ প্রদানে বাধ্য করতে পারবে।একজন পুরুষ তার স্ত্রীর পাশাপাশি সন্তানকেও ভরণপোষণ দিতে বাধ্য। ছেলে সন্তানকে বয়োপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত এবং মেয়ে সন্তান হলে বিবাহের আগ পর্যন্ত ভরনপোষণ দিতে হবে।
পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন,২০১৩ এর ধারা ৩ অনুযায়ী প্রত্যেক সন্তান তার পিতা-মাতার ভরণপোষণ নিশ্চিত করবে।
১। থানা ও উপজেলার মধ্যে পার্থক্য কী?
থানা ও উপজেলা প্রশাসনিক কারনে আলাদা।থানার প্রধান নির্বাহী অফিসার ইনচার্জ (OC) এবং উপজেলার প্রধান উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO)।
উলেখ্য,উপজেলায় চেয়ারম্যান থাকে ও ভাইস চেয়ারম্যান থাকে।
২। থানা আর মডেল থানা, কোতয়ালী থানার মধ্যে পার্থক্য কি?
থানার প্রধান দায়িত্বে থাকেন ওসি আর মডেল থানার ASP মডেল থানা আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত আর থানা সাধারণ অস্ত্রে সজ্জিত ।বাংলাদেশের প্রথম মডেল থানা-ভালুকা , ময়মনসিংহ। কোতয়ালী থানা - এক সময় জেলা প্রশাসক তথা রাজস্ব কালেক্টটররা রাজস্ব সংগ্রহের জন্য নিয়মিত পুলিশ বাহিনী ব্যতীত দাঙ্গা পুলিশের মতো কোতয়াল বাহিনী দ্বারা কিছু থানা পরিচালিত করত। কোতয়াল বাহিনী যারা রাজস্ব তথা খাজনা দিতে পারত না তাদের ধরে এনে থানায় রাখত। পরবর্তীতে সেই থানা গুলোই কোতয়ালী থানা হিসেবে পরিচিত হয়েছে।
৩। অববাহিকা বলতে কী বোঝায়?
ভূ-পৃষ্ঠের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে গাঠনিক কারনে বা অন্যভাবে নিম্নভূমি স্মৃষ্টি হলে এবং সে নিম্নভূমি পলল ধারন করার উপযোগী অবক্ষেপণ মঞ্চে পরিণত হলে তাকে অববাহিকা (basin) বলে।
৪। বেনাপোল ও পেট্রোপোল কী?
বেনাপোল(বাংলাদেশ অংশের) ও পেট্রোপোল (ভারত অংশের) দুইটি স্থলবন্দর।
৫। অভিবাসী ও শরণার্থীদের মধ্যে পার্থক্য কী ?
যখন কেউ নিজ দেশ ত্যাগ করে অন্য কোন দেশে শিক্ষা,ব্যবসা, চাকুরি,শ্রম , গবেষণা ইত্যাদির জন্য স্থায়ী বা অস্থায়ী ভিত্তিতে বসবাসের উদ্দেশ্যে পাড়ী জমায় তখন তাকে অভিবাসী বলে আর রাজনৈতিক, সামাজিক, জাতিগত বিভিন্ন নিরাপত্তাগত কারণে নিজ ভূমি ছেড়ে বা আশ্রয়ের সন্ধানে অন্য কোন দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থানকৃত জনসমষ্টিকে শরণার্থী বলে।
৬। বামপন্থী ও ডানপন্থী বলতে কী বোঝায় ?
প্রগতিশীল মতবাদ ও সমাজতন্ত্রের এবং ধর্ম নিরপেক্ষতায় বিশ্বাসীদের বামপন্থী বলে ।অপরপক্ষে গণতান্ত্রিক ,পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থা এবং ধর্মীয় প্রতি অতি বিশ্বাসীদের ডানপন্থী বলে।
৭। একাডেমি ও ইনস্টিটিউটের এর মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাধারণত মৌলিক , প্রথাগত , কারিগরি বা সামরিক শিক্ষা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একাডেমি বলে।যেমন-বাংলা একাডেমি,মেরিন একাডেমি।
অপরপক্ষে পেশাগত বা ব্যবস্থাপনাগত উন্নয়নমূলক শিক্ষা প্রদানকারী বা কোন বিষয়ে গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে ইনস্টিটিউট বলে ।
যেমন- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট।
৮। ট্যাবলয়েড পত্রিকা কাকে বলে ?
সাধারণত যে সাইজের পত্রিকা ছাপা হয় তার চেয়ে অর্ধেক সাইজের পত্রিকাকে ট্যাবলয়েড পত্রিকা বলে ।
যেমন: মানবজমিন ।
৯। অধিদপ্তর ও পরিদপ্তরের মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক দপ্তরকে অধিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন মহাপরিচালক । যিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন অন্যদিকে অধিদপ্তরের অধীনস্ত এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে যার প্রধান হলেন পরিচালক । যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন ।
১০। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টি ও উপজাতির মধ্যে পার্থক্য কি?
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী / আদিবাসী : কোন এলাকার সবচেয়ে প্রাচীন জনবসতি ও তাদের সংস্কৃতিকে বোঝাতে আদিবাসী পদটি ব্যবহৃত হয়। আধুনিক জনগোষ্ঠীর জৈব ও সামাজিক প্রভাবজাত নয় এমন জনগোষ্ঠীকে আদিবাসী বলা হয়। উপজাতি এমন জনগোষ্ঠীগুলোকে বুঝায় যারা আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে পারেনি কিন্তু নিজস্ব একটি আলাদা সংস্কৃতি গড়ে তুলেতে সমর্থ হয়েছে। মূলতঃ রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে জাতি বা উপজাতি নির্দিষ্টকরণ হয়ে থাকে।
১১। Recto & Verso কী?
বইয়ের পাতার ডানদিকের পৃষ্ঠাকে Recto বলে আর বইয়ের পাতার বামদিকের পৃষ্ঠাকে Verso বলে । Verso গুলোতে জোড় সংখ্যা এবং
Recto গুলোতে বিজোড় সংখ্যা থাকে।
১২। নদী ও নদের মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাধারণত বাংলা , হিন্দি ,ফারসি ইত্যাদি ভাষার ক্ষেত্রে পুরুষবাচক শব্দ অ-কারান্ত এবং নারী বাচক শব্দ আ কারান্ত বা ই , ঈ -কারান্ত হয় ।
যেমন- নদ-নদী , কুমার-কুমারী ইত্যাদি।
সুতরাং যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক সেগুলোর পর নদ থাকে ।
যেমন:নীলনদ , কপোতাক্ষ নদ , ব্রহ্মপুত্র নদ এবং ‘যেসকল নদীর নাম স্ত্রীবাচক সেগুলোর পর নদী থাকে
যেমন:পদ্মা নদী,মেঘনা নদী
ইত্যাদি।
১৩। মহীসোপান ও মহীঢাল বলতে কী বুঝায় ?
পৃথিবীর মহাদেশগুলোর চর্তুদিকে স্থলভাগের যে অংশ অল্প অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে , তাকে মহীসোপান বলে।
আর মহীসোপানের শেষ সীমা থেকে ভূ-ভাগ খাড়াভাবে নেমে সমুদ্রের গভীরে তলদেশের সাথে
মিশে যাওয়া অংশকে মহীঢাল বলে ।
১৪। মহাসাগর,সাগর, উপসাগর , হ্রদের মধ্যে পার্থক্য কী ?
মহাসাগর- বিস্তীর্ন বিশাল জলরাশি যার সীমা নির্ণয় করা প্রায় দু:সাধ্য তাকে মহাসাগর।
সাগর- মহাসাগরে চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশিকে সাগর বলে ।
উপসাগর- যে সাগরে তিনদিক স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত তাকে উপসাগর বলে।
হ্রদ -সাগরের চেয়ে ছোট বিস্তীর্ন জলরাশি। চারদিকে স্থল সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে।
১৫। ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ কি?
এই মতবাদের মূলনীতি ব্যক্তিস্বাধীনতা।
১৬। সাম্রাজ্যবাদ কি?
অপর রাষ্ট্র দখল করে শক্তি বৃদ্ধি ও সম্পদ বৃদ্ধি করার নাম সাম্রাজ্যবাদ।
১৭। ফ্যাসিবাদ কি?
ফ্যাসিবাদের মুখ্যনীতি জনগনের জন্য রাষ্ট্র নয় রাষ্ট্রের জন্য জনগন।রাষ্ট্রই সকল ক্ষমতার অধিকারী,ব্যক্তি নয়।
১৮। জাতীয়তাবাদ কি?
কোন জাতি বা সমাজের জাতীয় সংহতি বজায় রাখাকে জাতীয়তাবাদ বলে।
১৯। মার্কসবাদ কি?
কার্ল মার্কস এর মতবাদ ধনতান্ত্রিক, রাজতন্ত্র উচ্ছেদ করে শ্রেনী বৈষম্যহীন ব্যবস্থা কায়েম করাই এর কাজ।
২০। অ্যাডাল্ট ফ্রাঙ্কাইজ বলতে কি বুঝায়?
জাতি,ধর্ম,বর্ণ,নির্বিশেষে প্রাপ্তবয়স্ক ভোটার পুরুষ ও মহিলা ভোটারদের ভোট অধিকার।
২১। অ্যাপার্ট হেড কি?
জাতিগত বা বর্ণগত বৈষম্য কে অ্যাপার্ট হেড বলে।
২২। স্যাভাটোজ কি?
অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপ দ্বারা কোন কিছু ধ্বংস করা বা ধ্বংস করতে বাধ্য করা।
২৩। ফেডারেশন কি?
ফেডারেশন বা যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে কয়েকটি অঙ্গ রাজ্য বা প্রদেশ নিয়ে গঠিত, যার ক্ষমতা কেন্দ্রীয় বা প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে সাংবিধানিকভাবে বণ্টন হয়।
যেমন, আমেরিকা,কানাডা ও ভারত।
২৪। কনফেডারেশন কি?
কয়েকটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র মিলিত হয়ে যে সংস্থা গঠন করে তাকে কনফেডারেশন বলে।
২৫। অ্যাটর্নী জেনারেল বলতে কি বুঝ?
একটি দেশের সরকারের প্রদান আইনজীবীকে।
২৬। ডিপ্লোমেসি কি?
কূটনৈতিক, বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তির পূর্বে শত্রুতা না করে আলোচনা বা চুক্তি ব্যবস্থা কৌশল।
২৭।। ডিপ্লোমেটিক ইলনেস কি?
কোনো অনুষ্ঠান বা সভায় যোগদান না করার অজুহাতে অসুস্থতাককে ডিপ্লোমেটিল ইলনেস বলে।
২৮। রাষ্ট্রদূত কি?
এক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য রাষ্ট্রের প্রেরিত শ্রেনীর কূটনীতিকই হলো রাষ্ট্রদূত।
২৯। 'চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ' কি?
একজন রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত মিশনের অস্থায়ী প্রদান।
৩০। অ্যাম্বাসেডর কি?
একটি রাষ্ট্র থেকে অন্য রাষ্ট্রের প্রেরিত সর্বোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের অ্যাম্বাসেডর বলা হয়।
৩১। হাইকমিশনার কি?
কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ শ্রেনীর কূটনীতিকদের হাইকমিশনার বলা হয়।
৩২। হুইপ কি?
পার্লামেন্টে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদলের সদস্যদের মধ্যে সংঘবদ্ধ করার দায়িত্বে নিয়োজিত।
৩৩। প্রোটোকল কি?
কূটনৈতিক পরিভাষায় একে সাধারণ আন্তর্জাতিক দলিল বুঝায়।আন্তর্জাতিক সভা-সমিতির কার্য বিবরণী।
৩৪। তৃতীয় বিশ্ব কোন দেশদের বলা হয়?
স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বিশ্বে উন্নয়নশীল দেশ।
৩৫। স্বায়ত্তশাসন কি?
স্বাধীনভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করার ক্ষমতা।
৩৬। দৈতশাসন কি?
একই রাষ্ট্রের দুই শক্তির শাসন ব্যবস্থা।
৩৭। শ্বেতপত্র কি?
কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত বিবরণী।
৩৮। টাস্কফোর্স কি?
কোন দেশের স্থল,বিমান ও নৌবাহিনীর সম্মিলিত সৈন্যদল।
৩৯। বাফার স্টেট কি?
বিবাদমান দুই বৃহত্তর রাষ্ট্রের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র,কম শক্তিসম্পন্ন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্র।
৪০। স্ট্র ভোট কি?
কোন বিষয়ে জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি বা সংস্থা কর্তৃক বেসরকারি গৃহীত ভোট।
৪১। স্যাটেলাইট স্টেট কি?
প্রতিবেশি বৃহৎ এবং শক্তিশালী রাষ্ট্রের রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক প্রভাবাধীন অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্র।
৪২। পুলম কি?
পুলম একটি সাধারণ চুক্তি ফার্মের উৎপাদন পরিমান নির্দিষ্ট করে দেয় কিন্তু প্রত্যেক ফার্মেই তার নিজ নিজ সত্তা বজায় রাখেএবং পরিচালনায় উৎপাদন কার্য চালায়।
৪৩। জানটা কি?
একটি স্ব-গঠিত সমিতি যা গোপনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লিখিত হয়।
৪৪। গনভোট কি?
কোন বিতর্কিত প্রশ্নে রাষ্ট্রের ভোটদাতা কর্তৃক প্রত্যক্ষ ভোট।
৪৫। ইমপিচমেন্ট কি?
রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কোন অপরাধের জন্য রাষ্ট্রের প্রধান বা কোন মন্ত্রী পার্লামেন্টে বা এজন্য গঠিত উচ্চ ট্রাইব্যুনাল বিশেষ বিচার।
৪৬। পঞ্চম বাহিনী ( 5th column) কি?
যে জনতা গোপনে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং শত্রুকে সাহায্য করে।
৪৭। একনায়কতন্ত্র কি?
একনায়কতন্ত্র এমন একটি শাসনব্যবস্থা যেখানে সরকারের সমস্ত ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত।
৪৮। দাঁতাত কি?
দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান কঠোর মনোভাব হ্রাসের প্রচেষ্টা।
৪৯। গনতন্ত্র কি?
জনগন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা, জনগনের দ্বারা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শাসনকার্য পরিচালনা করে।
৫০। ডী জুরী কি?
আইনগত নতুন সরকার বা রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি।
৫১। ডী ফ্যাকটো বলতে কি বুঝায়?
বাস্তবিকপক্ষে নতুন সরকার বা রাষ্ট্রের রীতিসিদ্ধ স্বীকৃতির পূর্বেই যে কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সৃষ্টি করার জন্য বিধিবদ্ধ আইন।
৫২। ক্রশ ভোটিং কি?
শাসকদল অথবা বিরোধীদলের সদস্যগণ যখন দলগত বাধা এবং সমর্থন ভঙ্গ করে বিপক্ষ দলকে ভোট দেন।
৫৩। আমলাতন্ত্র বলতে কি বুঝায়?
আমলাদের দ্বারা পরিচালিত সরকার।
৫৪। বুর্জোয়া বলতে কি বুঝায়?
মধ্যবর্তী সম্প্রদায়, মার্কসিস্টদের মতে যারা মালিক শ্রেনীকে পছন্দ করে না এবং তাদেরকে শোষণ করে তারাই বুর্জোয়া।
৫৫। বহি:সমর্পণ চুক্তি বা Extradition Treaty কি?
বহি:সমর্পণ চুক্তি হলো এক দেশের অপরাধীকে অন্যদেশ চুক্তির মাধ্যমে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।
৫৬। ব্লু বুকস কি?
নীল মলাটে বাধানো ইংল্যান্ডের ব্যবস্থাপক সভার বা খাস রাজসভার বিবরনী পুস্তক।
৫৭। ব্লাক স্মার্ট কাদের বলা হয়?
ইতালির মুসোলিনের ফ্যাসিস্ট দল।
৫৮। রাজনৈতিক আশ্রয় কি?
যখন কোন রাজনৈতিক শরণার্থী অন্য কোন দেশে আশ্রয় নেন তখন তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় বলে।
৫৯। বাই ক্যামের্যাল লেজিসলেটার
শব্দটি দ্বারা কি বুঝায়?
যে কোন দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
৬০। শোভিনিজম কি?
অন্ধদেশ প্রেম বা উগ্র স্বদেশিকতা।
৬১। অধ্যাদেশ কাকে বলে?
জরুরি অবস্থা মোকাবেলার জন্য রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক জারিকৃত আইন।
৬২। কুয়োমিনটাং কাদের বলা হয়।
চীনা জাতীয় বিপ্লবী দল।
৬৩। বলশেভিক কি?
রাশিয়ায় যারা কার্ল মার্কস মতবাদের বিশ্বাসী।
৬৪। PL-480 কি?
PL-480 হচ্ছে পাবলিক -ল ৪৮০। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য সাহায্য প্রদান সংক্রান্ত একটি আইন।
৬৫। দ্বীপ ও অন্তরীপ মধ্যে পার্থক্য কী ?
সাগরের মাঝে যখন স্থল জেগে ওঠে তখন তাকে দ্বীপ বলে যার চারদিকেই পানি দ্বারা বেষ্টিত আর যখন কোন দ্বীপ স্থলের সাথে সংযোগ থাকে তখন তাকে অন্তরীপ বলে ।
৬৬। ঐতিহাসিক রাজধানী কাকে বলে ?
যেসব রাজধানী কোন রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে কয়েকশত বছর ধরে টিকে আছে এবং রাষ্ট্রের বিবর্তনে এর ঐতিহাসিক ভূমিকা থাকে তাকে ঐতিহাসিক রাজধানী বলে।
যেমন: ঢাকা,করাচি, দিল্লি ,রোম ।
৬৭ । পঞ্চম স্তম্ভ বা ফিফথ এস্টেট
বলতে কী বোঝায় ?
আধুনিক যুগে ব্লগিংকে যে কোনো রাষ্টের পঞ্চম স্তম্ভ বলা হয় । তবে কেউ কেউ ইন্টারনেট প্রযুক্তির আওতায় থাকা প্রতিটি মানুষকেই পঞ্চম স্তম্ভ বলে।
উল্লেখ্য,আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় স্বীকৃত চারটি স্তম্ভ
হলো -আইন ,বিচার , নিবার্হী বিভাগ এবং সংবাদপত্র ।
৬৮। থ্রাস্ট সেক্টর বলতে কী বোঝায় ?
অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সামনে রেখে সরকার অনেক সময় বিভিন্ন সেক্টর বা অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত বলা হয় । যেমন: বাংলাদেশ রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বিবেচনায় তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্য ইত্যাদি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ধরা হয়।
৬৯। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ‘গ্রিড ‘ দ্বারা কী বোঝানো হয় ?
উচ্চ ভোল্টেজ সমৃদ্ধ জাতীয়ভাবে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার বা তড়িৎ ক্ষমতার বণ্টনের ব্যবস্থা হলো গ্রিড।
৭০। অপেরা দ্বারা কী ধরণের সাহিত্যকে বোঝানো হয় ?
সঙ্গীতপ্রধান নাটকের সাধারণত অপেরা বলা হয়।অপেররার কাহিনি ও চরিত্র পরিকল্পনা করতে হয়
সঙ্গীতকে উপযোগী করে,যা মূলত রঙ্গমঞ্চে উপস্থাপনার জন্যই রচিত হয় অনেকে যাত্রাপালাকে অপেরা হিসেবে অভিহিত করেন। বাংলা ভাষার প্রথম অপেরা শকুন্তলা।
৭১। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে 'কার্নিং' বলতে কি বোঝায়?
ডকুমেন্টে অক্ষর টাইপ করার সময় টাইপকৃত অক্ষরগুলোর সাধারন দুরত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া হল কার্নিং।
৭২। নীলা কি?
নীলা এক ধরনের নীল স্বচ্ছ মুল্যবান মণি।তবে অপ্ল পরিমানে আয়রণ ও টাইটেনিয়াম থাকলে এটা হলুদ, বাদামী,সবুজ,গোলাপি,কমলা ইত্যাদি রঙের হয়ে থাকে।
৭৩।ফাইবার গ্লাস কি?
ফাইবার গ্লাস হল খুব সুক্ষ্ম কাচের বস্তু।এর ব্যাস এক মিটারের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগেরও কম।গাড়ির বিভিন্ন অংশ ও অন্যান্য দ্রব্য তৈরিতে এটা ব্যবহৃত হয়।
৭৪।অ্যাক্টা-দিউরনা(Acta-diurna) কী?
আধুনিক সংবাদপত্রের আদিরূপ হল অ্যাক্টা-দিউরনা। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০সালে জুলিয়াস সিজারের আমলে রোমে সে সময়ের ঘটনাবলী হাতে লিখে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ্য স্থানে সেঁটে রাখাহতো, যা অ্যাক্টা-দিউরনা নামে পরিচিত।
৭৫।সামাজিক যোগাযোগ সাইট Twitter এর লেগোর পাখির নাম কি?
ল্যারি বার্ড(Larry bird)। সাবেক খ্যাতিমান বাস্কেটবল খেলোয়াড় ল্যারি জো বার্ড'কে সম্মান জানাতে এরূপ নামকরণ করা হয়।Twitter এ বর্তমানের এই পাখির লেগোটি ৫জুন ২০১২ গৃহীত হয়।
৭৬। টমোগ্রাফি কী?
যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় তাকে টমোগ্রাফি বলে।
৭৭।Persona-non-grata শব্দ সমষ্টি কোন বিশেষ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
কূটনীতিবিদদের ক্ষেত্রে।
৭৮।অরগানিক ফুড বলতে কি বোঝায়?
বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করা সবজি যাতে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না এবং শরীরের প্রয়োজনীয় খাদ্যগুন বজায় রাখা হয়, তাই হল অরগানিক ফুড।
৭৯।'মুফাসসির' কাকে বলে এবং প্রথম মুফাসসির কে?
যিনি আল কুরআনের তাফসির ( অর্থাৎ অর্থ,তাৎপর্য ও ব্যাখ্যা) করেন তাকেই মুফাসসির বলা হয়। ইসলামের প্রথম 'মুফাসসির' হলেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)।
৮০।পেট্রোলের অপর নাম কি?
গ্যাসোলিন,যা প্রধানত উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে ব্যবহৃত হয়!
৮১।রিট আবেদন কী?
রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বিধান বা আদেশ।বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ ধারা মতে,কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে কারো বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করতে পারেন।
৮২।নটিক্যাল মাইল বলতে কি বোঝায়?
নটিক্যাল মাইল হলো নাবিকদের দুরত্ব নির্ণায়ক মাপবিশেষ বা নৌমাইল। ১নটিক্যাল মাইল সমান
১.৮৫২কিমি বা ৬,০৭৬ ফুট(প্রায়)।
৮৩। Depreciation কী?
মুলত ব্যবহারজনিত ক্ষয়ক্ষতির কারণেযন্ত্রপাতি বা অন্য কোনো সম্পত্তির দাম যেটুকু কমে যায়, তাকেই এ সম্পত্তির অবচয় Depreciation বলে।
৮৪। হেমলক কী?
ইউরোপ ও উত্তর আফ্রিকার একটি অত্যন্ত বিষাক্ত বহুবর্ষজীবী সপুস্পক উদ্ভিদের নাম হেমলক। এর নি:সৃত রস থেকে তীব্র বিষ তৈরি করা হয়। সক্রেটিস এ বিষ পানেই মৃত্যুবরণ করেছিলেন।
৮৫। সুপারনোভা কী?
সুপারনোভা বা অতিনবতারা হলো এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফারণ,যার ফলশ্রুতিতে নক্ষত্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় এবং অবশেষরূপে থাকে নিউট্রন তারা কিংবা কৃষ্ণবিবর।
৮৬। দ্য সাপার লাস্ট' কী?
' দ্য সাপার লাস্ট ' লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি'র আঁকা যীশু খ্রিস্টের শেষ আহার পর্বের বিখ্যাত ছবি।
৮৭।উপমহাদেশ বলতে কী বোঝায়?
উপমহাদেশ হলো কোন মহাদেশের অংশবিশেষ, যা ভৌগলিকভাবে মহাদেশের অন্য অংশ থেকে ভিন্ন টেকটোনিক প্লেটের উপর অবস্থিত।
যেমন-ভারত উপমহাদেশ, আরবদ্বীপ।
৮৮।কোকো(Cocoa) কী?
কোকো ক্রান্তীয় অঞ্চলের একটি অর্থকরী ফসল।চকোলেট, মাখন,পানীয়সহ বিভিন্ন মিষ্টি জাতীয় খাদ্যের সুগন্ধ বাড়াতে কোকোর প্রয়োজন অপরিহার্য।
৮৯।কম্পিউটারের ড্রাইভ 'সি' থেকে শুরু হয় কেনো?
কম্পিউটারের শুরুর দিকে ইন্টারনাল স্টোরেজ না থাকায় স্টোরেজ হিসেবে ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহার করা হত।পরবর্তী ১৯৮০ সালের দিকে ইন্টারনাল স্টোরেজ হিসেবে হার্ডডিস্ক আসলে 'C' দ্বারা বোঝানো হয়।বর্তমানে ফ্লপি ডিস্কের ব্যবহার শেষ হলেও এটা 'চ'- তেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
৯০।হায়ারোগ্লিক(Hieroglyph)কী?
হায়ারোগ্লিক বা চিত্রলিপি হলো চিত্রভিত্তিক প্রাচীন
মিশরীয় লিখন পদ্ধতি।প্রায় ৭৫০টি চিত্রলিপি চিহৃ দিয়ে এ লিখন তৈরি হয়েছিল।
৯১।ঘনবীক্ষণ যন্ত্র কী?
যে যন্ত্র দ্বারা স্বল্প ব্যবধানে দুটি বিন্দু থেকে দুটি আলোকচিত্র গ্রহন করে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি পাওয়া যায় তাকে ঘনবীক্ষন যন্ত্র বলে।
৯২।ষোলোকলা বলতে কি বোঝায়?
পৃথিবী থেকে বিভিন্ন সময়ে চাঁদের আলোকিত অংশের বিভিন্ন অংশ দেখা যায়।চাঁদের এ পরিবর্তনকে কলা বলে।আর ষোলো ভাগে ভাগ করা হয় বলে একে একত্রে ষোলোকলা বলা হয়।
৯৩।সুমো খেলা কী?
'সুমো '(Sumo) এক ধরনের কুস্তিখেলা। অসম্ভব স্থুলকায় কুস্তিগীরেরা এ খেলায় অংশ নেয়। যীশু খ্রিস্টের জন্মের পূর্বেই এ খেলার উদ্ভব হয়।
৯৪।মেসমেরিজম বলতে কী বোঝায়?
মেসমেরিজম এক ধরনের সম্মোহন। এতে অন্যের মস্তিষ্ককে অসাড় করে নিজের ইচ্ছায় চালিত হয়।জার্মান চিকিৎসক ফ্রাঞ্জ অ্যান্টন মেসমার চিকিৎসায় এটি প্রথম ব্যবহার হয়।
৯৫। কসমোলজি কী?
মহাবিশ্বের স্থান ও কালসম্বন্ধীয় গঠন, উৎপত্তি, পরিণতি ইত্যাদি সম্বন্ধে তত্ত্বীয় এবং পর্যবেক্ষণ সম্মত বিদ্যাকে কসমোলজি বা মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব বলে।
৯৬।'প্রিজমা'এবং'পোকেমন গো' কী?
প্রিজমা হলো ছবি সম্পাদনার অ্যাপস,যার মাধ্যমে ছবি সম্পাদন করে ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় তা শেয়ার করা যায় আর 'পোকেমন গো' হলো জনপ্রিয় গেমিং অ্যাপ।
৯৭।জেনোফোবিয়া(Xenophobia) দ্বারা কি বুঝানো হয়?
এটা দ্বারা অপরিচিত বা বিদেশী ব্যক্তি, তত্ত্ব, সংস্কৃতি, উদদ্যোগ ইত্যাদির প্রতি ভীতি ও অবিশ্বাস বোঝায়।এটাতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা বিদেশী বা অপরিচিত কোনো তত্ত্ব বা উদ্যোগের ভালোমন্দ আদৌ যাচাই না করে তা বর্জন করার পক্ষপাতী।
৯৮।জাইরোস্কোপ কী?
বিমানপোতে ওঠানামা বা গতি পরিবর্তনকালে দিগন্তের দিক এবং উত্তর দিক মনে রাখার যন্ত্র হলো জাইরোস্কোপ।
৯৯।ন্যায়পাল কাকে বলে?
ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারী মুখপাত্র বা কর্মকর্তাকে বোঝায়,যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।সরকারি আমলা ও সাধারন নাগরিকদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী সরকারি এজেন্ট হিসেবে তিনি থাকেন স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য। বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদে এ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১০০। Green Currency কী?
সাধারণ কৃষিনীতি অনুসরণ করার জন্য ইউরোপীয় অর্থেনেতিক কমিউনিটিভূক্ত দেশগুলো যেসব মুদ্রা একটি কৃত্রিম বিনিময় হার ব্যবহার করে সেগুলো Green Currency বলে ।
১০১।Pupil ও Student এর মধ্যে পার্থক্য কী?
সাধারণত কোনো শিক্ষকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে শিক্ষা গ্রহণকারী বা নিচের শ্রেণীর শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে Pupil আর স্কুল (মাধ্যমিক),কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে Student ব্যবহৃত হয়।
১০২। ভায়াডাক্ট কী?
ভায়াডাক্ট এক ধরনের বিশেষ সেতু,যেখানে ধারাবাহিকভাবে পাশাপাশি দুই পিলারের ওপর ধনুক আকৃতির কাঠামো তৈরি করে তার ওপর সড়ক বা রেলপথ স্থাপন করা হয়।
১০৩। প্লুটো কেন গ্রহ নয়?
ভর,আকৃতি (ছোট) এবং অনিয়মিত কক্ষপথ-প্রধানত এ তিন বিষয়ের কারণেই প্লুটোকে গ্রহের মর্যাদাচ্যুত করা হয়।
১০৪।মনোকালচার কী?
কোনো জমিতে সকল ধরনের চাষাবাদ বাদ দিয়ে শুধু একটি শস্যের চাষ করাকে বলা হয় মনোকালচার বা একক কৃষি।
১০৫। Mbps ও MBps এর মধ্যে পার্থক্য কী?
Mbps এর পূর্ণরূপ Megabits per second,যা
সাধারণ ডাউনলোড ও আপলোড স্পিড।আর MBps এর পূর্ণরূপ Megabytes per second,যা সাধারণ
ফাইল সাইজ বা ডেটার পরিমাণ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। উলেখ্য,১বাইট সমান ৮বিট।
১০৬। চন্দ্রমুদ্রা বা Moon Money কী?
প্রাচীনকালে চীনে প্রচলিত এক ধরনের বিনিময় মাধ্যম হলো ' চন্দ্রমুদ্রা '।তামার তৈরি এ মুদ্রাটি দেখতে অর্ধ চন্দ্রাকার হওয়ায় এর এরূপ নামকরণ করা হয়।
১০৭।Holy See (হলি সী) কী?
রোমান ক্যাথলিক চার্চের আইনগত ও প্রতিকী প্রতিভূ হলো হলি সী,যার সর্বোচ্চ পদে থাকেন পোপ। এটা দ্বারা অনেক সময় নগর ভ্যাটিকানকেও বোঝানো হয়।
১০৮।নাইলন(Nylon) কী?
কতিপয় কৃত্রিম প্লাস্টিক জাতীয় পদার্থের সাধারণ নাম হলো নাইলন। এটা খুব শক্ত ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
কয়লা, বাতাস,পেট্রোলিয়াম,চুনাপাথর, বায়োগ্যাস ইত্যাদি উপাধানের সাহায্যে এক জটিল প্রক্রিয়ায় এটা তৈরি করা হয়।
১০৯।খ্রিষ্টাব্দ কী?এর প্রচলন কখন থেকে শুরু হয়?
যীশু খ্রিস্টের জন্ম থেকে গননা করা বর্ষপঞ্জী হলো খ্রিস্টাব্দ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৫৮২ পোপ ত্রয়োদশ গ্রেগরির এক আদেশানুসারে এ বর্ষপঞ্জীর প্রচলন ঘটে।
১১০।প্রতি চার বছর অন্তর লিপ ইয়ার
হওয়া সত্ত্বেও বাংলা নববর্ষ কিভাবে ১৪ এপ্রিলই হয়?
বংগাব্দকে আধুনিক করতে ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমী কর্তৃক ড. মুহম্মদ
শহীদুল্লাহর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়।গঠিত কমিটির প্রস্তাব অনুসারে বছরের ১ম পাঁচ মাস ৩১দিনের ও বাকী মাসগুলো ৩০দিনের এবং লিপইয়ারের ক্ষেত্রে ফাল্গুন মাসে ১দিন যোগ করা হয়।এ কারনে বাংলা নববর্ষ প্রতি বছর ১৪ এপ্রিলই হয়।
১১১। অ্যাকর্ড কী?
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের ইউরোপীয় জোট।
১১২। অ্যালায়েন্স কী?
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ক্রেতাদের উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোট।
১১৩। চেকবুক কূটনীতি কী ?
অবকাঠামোসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ করে কোনো দেশকে কাছে টানতে চাওয়ার কূটনীতি।
১১৪। সার্কুলার নোট কী?
পর্যটকদের দেয়া যে হুন্ডি (নির্দিষ্ট পরিমান অর্থ)ব্যাংকের বিদেশস্থ কোনো শাখায় ভাঙবার সুযোগ রয়েছে,তাকে সার্কুলার নোট বলে।এটা এক ধরনের প্রত্য্যপত্র বা লেটার অব ক্রেডিট (LC)।
১১৫। হিসপানিক কি?
হিসপানিক হলো ঐ সকল অভিবাসী জনগোষ্ঠী যারা স্পেনের ভাষা, সংস্কৃতির সাথে যুক্ত ।
১১৬। কত তারিখ থেকে বাবার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা শুরু হয়?
উত্তর - ১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবসে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মায়ের নাম লেখার ঘোষণা দেন এবং ২০০০ সালের ২৭ আগস্ট কার্যকর হয়।আর সার্টিফিকেটে পিতার নামের সাথে মায়ের নাম লেখা চালু হয়-২০০৪ সালে।
১১৭। "সরকারি সফর" এবং "রাষ্ট্রীয় সফর" এর মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর - রাষ্ট্র প্রধান ( রাষ্ট্রপতি), মন্ত্রিপরিষদ প্রধান
( প্রধানমন্ত্রী) - সফর হলো - রাষ্ট্রীয় সফর,
অন্যদিকে - সরকারের মন্ত্রী, এমপি, আমলাদের সফর হলো - সরকারি সফর ।
১১৮। আইটি পার্ক ও হাইটেক পার্কের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর - আইটি পার্ক মূলত সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট কিংবা আউটসোর্সিং কাজের সাথে সম্পর্কিত । যেমন :স্যামসাং, অ্যাপল ইত্যাদির ক্যাম্পাস।
আর হাইটেক পার্ক হল উন্নতটেকনোলজিরর সাথে
রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট এবং প্রোডাকশন ইত্যাদির সমন্বয়।
যেমন: সুইজারল্যান্ডের রোল্যাক্স আর ইসরাইলের চিকিৎসা আর সামরিক ইন্ডাস্ট্রি
১১৯। মাননীয় & মহামান্য এদের মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর -
মাননীয়
১। যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য
২। যেমন: প্রধানমন্ত্রীকে সম্মোধনের ক্ষেত্রে মাননীয়
ব্যবহার করা হয়।
মহামান্য
১। যাকে মান্য করা প্রত্যেক নাগরিকের অবশ্য কর্তব্য
এবং যিনি আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন।
২। যেমন: রাষ্ট্রপতিকে সম্মোধনেরক্ষেত্রে মহামান্য
ব্যবহার করা হয়।
১২০। হাওর, বাওর এবং বিল, ঝিল এর পার্থক্য কী ?
উত্তর- হাওর হচ্ছে বিশাল গামলা আকৃতির জলাশয় যা
ভূআলোড়নের ফলে সৃষ্টি হয় এবং সেখানে অনেক পানি জমে। যেমনঃ হাকালুকি।
অন্যদিকে বাওর হল পুরাতন নদীর গতিপথ পরিবর্তনের মাধ্যমে সৃষ্ট জলাশয়। বিল পুরাতন নদীর গতিপথের ধার ঘেঁষে সৃষ্টি হয়। যেমন চন্দা। ঝিল নদীর পরিত্যাক্ত খাত। সাধারনত ঝিলকে অশ্বক্ষুরাকৃতি হৃদ হিসেবে নির্দেশ করা হয়।
১২১। ১, ২, ৫ টাকার কয়েন গুলো কেন সরকারি মুদ্রা ?
উত্তর - আমরা সবাই জানি ১, ২, ৫ টাকার কয়েনগুলো সরকারি মুদ্রা কারণ এগুলোতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থেকে আর বাকি নোটগুলোতে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের । মূলত দেশের টাকা ছাপানোর দায়িত্ব হলো বাংলাদেশ ব্যাংকের । এজন্য ৫ থেকে ১০০০ হাজার টাকার নোট ছাঁপানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে যতটাকা ছাঁপাবে ততটাকার সমান টাকা বা gold বা ডলার মজুদ রাখতে হয় ফরেন রিভার্জ
সিরিকিউরিটি হিসেবে ।
অপর পক্ষে ১ ২ ও ৫ টাকার কয়েন ছাঁপানোর জন্যসরকারকে কোন Gold রিজার্ভ রাখতে হয় না । ফলে বহুল ব্যবহৃত এসব কয়েন সরকার ইচ্ছামতো পরিমাণে বানাতে পারে , এতে দেশের অনেক সময় মুদ্রাস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা যায় ।
Thanks.
Adv Meheraj Uddin
Phn: 01718531301
5th Floor, A-5, Road 20, Gulshan-1
Dhaka
1212
Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Lawyers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.
Send a message to Bangladesh Lawyers: