Lawyer & Law Firm

Lawyer & Law Firm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lawyer & Law Firm, Lawyer & Law Firm, Dhaka Bar Association Building, Room no-9008, (8th floor ) , 6/7 Court House street , judge Court, Dhaka.

আইনি লড়াই ও পরামর্শ কেন্দ্র: আইনগত পরামর্শ,দেওয়ানি,ফৌজদারি মামলা পরিচালনা এবং ডকুমেন্টেশন সহ সকল আইনি সমস্যার সমাধানে আমরা আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী।
01732946205

"ল'চেম্বার"আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে প্রয়োজনে যোগাযোগ ...
31/10/2025

"ল'চেম্বার"
আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,
কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।
01732-946205

17/10/2025

আদালতে বহুল প্রচলিত ৫০টি শব্দ ও মানে

1. বাদী – যে মামলা করে।

2. বিবাদী – যার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

3. মোকদ্দমা – মামলা বা আইনি প্রক্রিয়া।

4. জবানবন্দি – আদালতে বা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে দেওয়া বর্ণনা।

5. সাক্ষী – যিনি আদালতে ঘটনা সম্পর্কে সাক্ষ্য দেন।

6. রায় – বিচারকের দেওয়া সিদ্ধান্ত।

7. ডিক্রি – দেওয়ানি মামলায় আদালতের দেওয়া চূড়ান্ত আদেশ।

8. আদেশ – আদালতের অন্তর্বর্তী বা সাময়িক নির্দেশ।

9. আপিল – নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে প্রতিকার চাওয়া।

10. রিট – সাংবিধানিক প্রতিকার চাওয়ার জন্য উচ্চ আদালতে করা আবেদন।

11. ইনজাংশন – আদালতের দেওয়া অস্থায়ী বা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।

12. আসামি – ফৌজদারি মামলায় যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।

13. চার্জ – অপরাধের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ।

14. জামিন – আদালতের অনুমতিতে আসামিকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি।

15. ওয়ারেন্ট – আদালতের আদেশে গ্রেপ্তার/তল্লাশি করার অনুমতি।

16. সমন – আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ।

17. অভিযোগপত্র (চার্জশিট) – পুলিশের করা তদন্ত শেষে দাখিলকৃত রিপোর্ট।

18. মামলা দায়ের – আদালতে মামলা দাখিল করা।

19. খারিজ – মামলা গ্রহণযোগ্য না হলে বাতিল হওয়া।

20. জরিমানা – আইনের লঙ্ঘনের শাস্তি হিসেবে অর্থ দণ্ড।

21. রিমান্ড – তদন্তের স্বার্থে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া।

22. ক্রস-একজামিনেশন – প্রতিপক্ষের সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ।

23. সাক্ষ্যগ্রহণ – আদালতে সাক্ষীর বক্তব্য রেকর্ড করা।

24. ফৌজদারি – অপরাধসংক্রান্ত আইন।

25. দেওয়ানি – জমি-সম্পত্তি বা চুক্তি সম্পর্কিত আইন।

26. প্রত্যয়ন – নথি সত্যায়ন বা সঠিক বলে ঘোষণা।

27. রেকর্ড অব রাইটস (ROR/খতিয়ান) – জমির মালিকানা রেকর্ড।

28. ডিক্লারেটরি স্যুট – মালিকানা বা অধিকারের ঘোষণা চেয়ে মামলা।

29. টেম্পোরারি ইনজাংশন – অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।

30. পার্মানেন্ট ইনজাংশন – স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা।

31. এফিডেভিট – শপথনামা, সত্য ঘোষণাপত্র।

32. হেফাজত – পুলিশ বা আদালতের নিয়ন্ত্রণে থাকা।

33. ডিফল্ট – আদালতের নির্দেশ পালন না করা।

34. সার্টিফায়েড কপি – আদালত প্রদত্ত সত্যায়িত নথি।

35. কারাদণ্ড – কারাভোগের শাস্তি।

36. মৃত্যুদণ্ড – মৃত্যুর শাস্তি।

37. অভিযোগ গঠন – আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ।

38. প্রবেশন – শর্তসাপেক্ষে সাজা স্থগিত।

39. আদালত অবমাননা – আদালতের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা।

40. নোটিশ – নির্দিষ্ট কার্যক্রমের জন্য আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি।

41. মীমাংসা – আদালতের বাইরে আপস।

42. মধ্যস্থতা – তৃতীয় পক্ষের সহায়তায় বিরোধ নিষ্পত্তি।

43. রিভিশন – উচ্চ আদালতে নিম্ন আদালতের আদেশ সংশোধনের আবেদন।

44. সুপ্রিম কোর্ট – দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

45. হাইকোর্ট বিভাগ – সুপ্রিম কোর্টের প্রথম বিভাগ।

46. আপিল বিভাগ – সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ আপিল শাখা।

47. প্লেইন্ট – দেওয়ানি মামলার লিখিত আবেদন।

48. রিট পিটিশন – সংবিধানগত অধিকার রক্ষার আবেদন।

49. প্রতিবাদী – রিট মামলায় যার বিরুদ্ধে আবেদন করা হয়।

50. এক্স পার্টে রায় – বিবাদী উপস্থিত না থাকলে একতরফা রায়।।

02/10/2025

সড়ক দুর্ঘটনায় (Road accident) আহত, নিহত ব্যক্তির পক্ষে প্রতিকার/করণীয় কি?

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত নিহত ব্যক্তি বা ব্যক্তির পক্ষে দুই ধরনের প্রতিকার পাওয়া যায়।

১/ ফৌজদারি মামলা।
২/ আর্থিক ক্ষতিপূরণ/আর্থিক সহায়তা।

ফৌজদারী মামলা: সড়ক দুর্ঘটনায় কোন ব্যক্তি আহত বা নিহত হলে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ এর ৯৮/১০৫ ধারা মোতাবেক ফোজদারি মামলা দায়ের করা যায়। যার শাস্তি সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দন্ডে দণ্ডিত হবেন। উক্ত ধারার অপরাধ আমলযোগ্য, জামিনঅযোগ্য এবং আপসযোগ্য নয়। উক্ত ধারার অপরাধ আমলযোগ্য হওয়ায় সংশ্লিষ্ট থানায় এবং সংশ্লিষ্ট আমলী আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে।

আর্থিক ক্ষতিপূরণ/আর্থিক সহায়তা:
আবেদন:-
দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি বা নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীগণ দুর্ঘটনা সংঘটিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে "চেয়ারম্যান', ট্রাস্টি বোর্ড বরাবর আবেদন করতে হবে।

পুনর্বিবেচনা: কোন পক্ষ ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে উক্ত সিদ্ধান্ত প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

আপিল: কোন পক্ষ পুনর্বিবেচনার আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে উক্ত আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে সচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় আপিল দায়ের করতে পারবেন।

সর্বশেষ সালিস: কোন পক্ষ পুনর্বিবেচনা বা আপিলে সংক্ষুব্ধ হলে উক্ত আদেশ প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে সালিস নিষ্পত্তিকারীর বরাবর আবেদন করতে পারবেন।
অর্থাৎ আপিল না করেও পুনর্বিবেচনার আদেশের বিরুদ্ধে সরাসরি সালিশে যাওয়া যাবে।
সালিসের রোয়েদাদ (award) ট্রস্টি বোর্ডের উপর চূড়ান্তভাবে বাধ্যকর হবে এবং উক্ত রোয়েদাদ দেওয়ানী আদালতের ডিক্রির মত জারীযোগ্য হবে।

তবে কোনভাবেই দেওয়ানী আদালতে ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করা যাবে না।
কেউ যদি দেওয়ানি আদালতে আর্থিক ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা দায়ের করেন সেক্ষেত্রে উক্ত মোকদ্দমা দেওয়ানি কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৭, বিধি ১১(ঘ) দ্বারা আরজি প্রত্যাখ্যান হবে।

আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করতে পারেন।017329462...
27/09/2025

আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,
কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে যোগাযোগ করতে পারেন।01732946205

24/09/2025

🔹 ট্যাক্স রিটার্ন জমা
🔹 টিআইএন নিবন্ধন
🔹 ব্যবসায়িক কর পরিকল্পনা
🔹 আয়কর সংক্রান্ত আইনি পরামর্শ

✅ সঠিক কর প্রদানে সঠিক দিকনির্দেশনা
✅ বিশ্বস্ত ও নিরাপদ সেবা দিতে আমরা আছি আপনার পাশে।

21/09/2025

🟢 বাবার সম্পদ বণ্টননামা ও নামজারীর নিয়ম (Step by Step)

🔹 ধাপ–১: বণ্টননামা করার নিয়ম
1. সম্মতি: সব ওয়ারিশ মিলে বসে সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে একমত হতে হবে।
2. খসড়া তৈরি: সম্পত্তির বিবরণ ও কার কত অংশ হবে—এগুলো লিখে একটি খসড়া বণ্টননামা তৈরি করতে হবে।
3. স্ট্যাম্প পেপারে লিখন: খসড়াটি স্ট্যাম্প পেপারে লিখতে হবে।
4. স্বাক্ষর: সব ওয়ারিশকে বণ্টননামায় স্বাক্ষর করতে হবে।
5. রেজিস্ট্রি: সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে।
6. ফি পরিশোধ: সম্পত্তির মূল্যের ওপর ভিত্তি করে রেজিস্ট্রেশন ফি, স্ট্যাম্প শুল্ক ও অন্যান্য খরচ দিতে হবে।

🔹 ধাপ–২: নামজারী করার নিয়ম
1. আবেদন: সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে বা অনলাইনে (ই-নামজারী) আবেদন করতে হবে।
2. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
• বণ্টননামা দলিল / ক্রয় দলিল / ওয়ারিশ সনদ
• খতিয়ান (সার্টিফায়েড কপি)
• দাখিলা বা খাজনার রশিদ
• জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি
• প্রয়োজনে অন্যান্য প্রমাণপত্র
3. ফি পরিশোধ: আবেদন ফি ও নোটিশ ফি জমা দিতে হবে।
4. যাচাই-বাছাই: ভূমি অফিস থেকে জমির রেকর্ড ও দলিল যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সরেজমিন তদন্তও করা হতে পারে।
5. অনুমোদন: সবকিছু সঠিক থাকলে নামজারী অনুমোদন হবে।
6. খতিয়ান সংগ্রহ: ডিসিআর (DCR) ফি জমা দিয়ে নতুন খতিয়ান সংগ্রহ করতে হবে।

🔹 বিশেষ নির্দেশনা
• বর্তমানে ই-নামজারী সিস্টেম চালু থাকায় অনলাইনে আবেদন করা সহজ ও দ্রুত।
• ভূমি মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিপত্র অনুযায়ী:
👉 উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির ক্ষেত্রে বণ্টননামা ছাড়া ওয়ারিশদের যৌথ আবেদন করলেও নামজারী করা যাবে।
• তবে ভবিষ্যতে কোনো আইনি জটিলতা এড়াতে বণ্টননামা দলিল রেজিস্ট্রি করে নেওয়া শ্রেয়।

19/09/2025

৯৫% জমির বিষয় কাগজপত্র দেখেই বুঝা যায় জমি পাওয়ার সম্ভাবনা কার।
সেখানে মামলায় যাওয়ার আগে বুঝে শুনে ও জিতার সম্ভাবনা কেমন এসব বিবেচনা করে মামলায় যাওয়া উত্তম। নতুবা অর্থ শ্রম ও সময় সবই হারাতে হবে।।

আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।
18/09/2025

আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,
কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে পারেন।

15/09/2025

দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন: মূল পার্থক্য

বাংলাদেশে জমি বা সম্পত্তি সংক্রান্ত কার্যকর কোনো দলিল তৈরি করতে হলে — “দলিল সম্পাদন (execution)” এবং “দলিল রেজিস্ট্রেশন (registration)” — এই দুটো ধাপ অবশ্যই অনুসরণ করতে হয়। তবে এ দুটির বৈধতা, সময়সীমা ও আইনি গুরুত্ব আলাদা।

-

1. দলিল সম্পাদন কী?

দলিল সম্পাদন বলতে বোঝায়— দলিল দাতা বা বিক্রেতা (অর্থাৎ দলিল তৈরি বা হস্তান্তরের পক্ষ) যখন দলিলের প্রতিটি পৃষ্ঠা স্বাক্ষর বা টিপসহি (name signature / thumb impression) দেন, সেই ক্রিয়া। এটি সাধারণত অন-প্রিন্টেড বা প্রিপেয়ার্ড কনটেন্টে দাতার সম্মতি ব্যক্ত করে। সম্পাদনের তারিখ হলো সেই দিন যেদিন স্বাক্ষর হয়।

> “দলিল দাতা বা বিক্রেতা … স্বাক্ষর বা টিপসহি প্রদান করা … যা দলিল সম্পাদন বলে গণ্য হয়”

-

2. দলিল রেজিস্ট্রেশন কী?

রেজিস্ট্রেশন হলো সম্পাদিত দলিলকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করে আইনসম্মতভাবে রেজিস্ট্রিকরণ করা। এটি সম্পত্তির আইনি স্বীকৃতি ও পক্ষগুলোর অধিকারের নিশ্চয়তা দেয়।

> “দলিলকে … সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধন করলে তাকে বলা হয় দলিল রেজিস্ট্রেশন”
এ ছাড়া কিছু নির্দিষ্ট দলিল যেমন: বিক্রয়, দান, হস্তান্তর ইত্যাদি বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় ।

-

3. সময়সীমা ও বৈধতার মান

সময়সীমার বিষয়ে মূল তথ্যগুলো হলো:
সাধারণ দলিল (উইল ও বায়না ছাড়া): সম্পাদনের ৩ মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক
বায়নাপত্র (বায়না দলিল): ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে হবে

উইল (Will): যেকোনো সময় রেজিস্ট্রেশন করা যেতে পারে, তবে মৃত্যুর পর রেজিস্ট্রেশন না হলে তা সম্পূর্ণ বৈধতা পায় না
বিদেশে সম্পাদিত দলিল: বাংলাদেশে প্রবেশের ৪ মাসের মধ্যে রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে

যদি সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়ে যায়, জরিমানা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে। তবে সময়মতো রেজিস্ট্রেশন করাই উত্তম।

-

4. কার্যকরী তারিখ: কোন দিন থেকে আইন সাপেক্ষ?
আইন অনুযায়ী, যদি দলিল নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করা হয়, তাহলে দলিলটি সম্পাদনের তারিখ থেকেই বৈধ বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, রেজিস্ট্রেশনের তারিখ নয়, বরং যে দিন স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে, সেই আছিল বৈধতার সূচনা।

> “উক্ত দলিল যেদিন সম্পাদন করা হয়েছে সেদিন থেকেই কার্যকর হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে”

-

সারসংক্ষেপে

বিষয় দলিল সম্পাদন দলিল রেজিস্ট্রেশন
সংজ্ঞা দলিল দাতা স্বাক্ষর বা টিপ দিয়ে সম্মতি দেওয়া দলিলকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা ও স্বীকৃতি পাওয়া
বৈধতার ভিত্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দলিল কার্যকরের সূচনা আইনি সুরক্ষা ও স্বীকৃতি পাওয়া
সময়সীমা — সাধারণ: ৩ মাসবায়না: ৩০ দিনউইল: যেকোনো সময়বিদেশি দলিল: ৪ মাস
কার্যকরী তারিখ সম্পাদনের দিন হলেও বৈধতা শুরু ওই দিন থেকেই

-

উপসংহার:
দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন দুই ধরনের প্রক্রিয়া হলেও, উভয়ই আইনগত বৈধতার জন্য প্রয়োজনীয়। শুধুমাত্র স্বাক্ষর দিয়ে কোনো দলিল কার্যকর হয় না; সেটি রেজিস্ট্রার স্বীকৃত হলে সেটা সম্পূর্ণ বৈধতা পায় এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। তাই সম্পদ সংক্রান্ত লেনদেনে—সময়ের মধ্যে সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন উভয়ই নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

Address

Dhaka Bar Association Building, Room No-9008, (8th Floor ) , 6/7 Court House Street , Judge Court
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawyer & Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share