Lawyer & Law Firm

Lawyer & Law Firm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lawyer & Law Firm, Lawyer & Law Firm, 6/7 Court House street , judge Court, Dhaka.

আইনি লড়াই ও পরামর্শ কেন্দ্র: আইনগত পরামর্শ,দেওয়ানি,ফৌজদারি মামলা পরিচালনা এবং ডকুমেন্টেশন সহ সকল আইনি সমস্যার সমাধানে আমরা আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী।
01732946205

07/08/2026

পাওনা টাকা আদায়ের আইনগত উপায় কী?

কোনো ব্যক্তির কাছে আপনার পাওনা টাকা থাকলে প্রথমেই পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি বা মুরব্বিদের মাধ্যমে মধ্যস্থতার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রেই আলোচনার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধের বিষয়ে সমঝোতা সম্ভব হয়।

যদি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান না হয়, তাহলে একজন আইনজীবীর মাধ্যমে দেনাদারকে একটি আইনি নোটিশ (Legal Notice) পাঠানো যেতে পারে। নোটিশে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পাওনা টাকা পরিশোধের আহ্বান জানিয়ে উল্লেখ করা হয় যে, অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এরপরও পাওনা টাকা পরিশোধ না করলে দেওয়ানি আদালতে মানি স্যুট (Money Suit) দায়ের করে পাওনা টাকা আদায়ের দাবি করা যায়। এটি চুক্তিভিত্তিক পাওনা, ধার দেওয়া অর্থ বা অন্যান্য বৈধ আর্থিক দাবির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনগত প্রতিকার।

যদি পাওনা টাকার বিপরীতে দেওয়া চেক ব্যাংক কর্তৃক অপর্যাপ্ত তহবিল বা আইনসিদ্ধ অন্য কোনো কারণে প্রত্যাখ্যাত (Dishonour) হয়, তাহলে Negotiable Instruments Act, 1881-এর ধারা ১৩৮ অনুযায়ী মামলা করা যায়। তবে এ ধরনের মামলায় আইন নির্ধারিত নোটিশ ও সময়সীমা অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।

অন্যদিকে, যদি শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্যে টাকা গ্রহণ করা হয়ে থাকে বা বিশ্বাসভঙ্গ করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়, তাহলে ঘটনার প্রকৃতি অনুযায়ী দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৬ (Criminal Breach of Trust) অথবা ধারা ৪২০ (Cheating and Dishonestly Inducing Delivery of Property)-এর অধীনে ফৌজদারি মামলা করা যেতে পারে। তবে শুধুমাত্র পাওনা টাকা পরিশোধ না করলেই ৪০৬ বা ৪২০ ধারা প্রযোজ্য হয় না; প্রতারণা বা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের উপাদান থাকতে হবে।

তাই পাওনা টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে ঘটনার প্রকৃতি ও প্রাপ্ত প্রমাণ অনুযায়ী যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। প্রয়োজনে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আইনি জটিলতা এড়ানো সহজ হয়।

06/08/2026

বণ্টননামা দলিল (Partition Deed) হলো এমন একটি আইনগত দলিল, যার মাধ্যমে একাধিক যৌথ মালিক বা ওয়ারিশ পারস্পরিক সম্মতিতে তাদের যৌথ সম্পত্তি ভাগ করে প্রত্যেকের নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে নেন। এই দলিলের মাধ্যমে কে কোন অংশের মালিক হবেন, তা স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়।

বণ্টননামা দলিলের উদ্দেশ্য

যৌথ সম্পত্তির সুষ্ঠু বিভাজন করা।

ভবিষ্যতে ওয়ারিশ বা অংশীদারদের মধ্যে বিরোধ কমানো।

প্রত্যেকের মালিকানার অংশ আইনগতভাবে নির্ধারণ করা।

কখন বণ্টননামা করা হয়?

পিতা-মাতার মৃত্যুর পর ওয়ারিশদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ করার সময়।

একাধিক ব্যক্তি যৌথভাবে ক্রয় করা সম্পত্তি ভাগ করতে চাইলে।

দীর্ঘদিনের এজমালি (যৌথ) সম্পত্তি পৃথক করতে হলে।

বণ্টননামা দলিলে সাধারণত যা থাকে

সকল অংশীদারের নাম, পরিচয় ও অংশের বিবরণ।

সম্পত্তির দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, মৌজা ও জমির পরিমাণ।

কে কোন অংশ পাবেন তার বিস্তারিত বিবরণ ও সীমানা।

সকল অংশীদারের সম্মতি ও স্বাক্ষর।

বণ্টননামা দলিলের সুবিধা

মালিকানার অংশ স্পষ্ট হয়।

ভবিষ্যতে জমি বিক্রি, নামজারি বা হস্তান্তর সহজ হয়।

পারিবারিক বিরোধের সম্ভাবনা কমে।

আইনি জটিলতা অনেকাংশে হ্রাস পায়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

বণ্টননামা দলিলের মাধ্যমে সম্পত্তি ভাগ করার পর যথাযথভাবে দলিল নিবন্ধন (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং নামজারি (Mutation) সম্পন্ন করা উচিত। এতে সরকারি রেকর্ডে নতুন মালিকদের নাম হালনাগাদ হয় এবং ভবিষ্যতে মালিকানা নিয়ে জটিলতা এড়ানো যায়।

পরামর্শ: বণ্টননামা করার আগে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী বা দলিল লেখকের পরামর্শ নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ভূমি ও নিবন্ধন অফিসের নিয়ম অনুসরণ করা উত্তম।

14/07/2026

চারটি বিয়ে করা কি সত্যিই 'সুন্নত'? পুরুষরা যখনই সুযোগ পায়, তখনই বহুবিবাহের আয়াতের দোহাই দেয়। কিন্তু আপনি কি জানেন, চারটি বিয়ের অনুমতি সংক্রান্ত আয়াতটি আসলে নারীদের জন্য নয়, বরং এতিম শিশুদের সুরক্ষার জন্য নাযিল হয়েছিল?

আজ কুরআনের সেই আয়াতগুলো নিয়ে আলোচনা করব, যা শুনলে বহুবিবাহের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেতে পারে। বহুবিবাহের কঠিন শর্তগুলো কী?

**সূরা নিসার ৩ নম্বর আয়াত:**
وَاِ نْ خِفْتُمْ اَ لَّا تُقْسِطُوْا فِى الْيَتٰمٰى فَا نْكِحُوْا مَا طَا بَ لَـكُمْ مِّنَ النِّسَآءِ مَثْنٰى وَثُلٰثَ وَرُبٰعَ ۚ فَاِ نْ خِفْتُمْ اَ لَّا تَعْدِلُوْا فَوَا حِدَةً اَوْ مَا مَلَـكَتْ اَيْمَا نُكُمْ ۗ ذٰلِكَ اَدْنٰۤى اَلَّا تَعُوْلُوْا

"যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, (নারী) ইয়াতীমদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে নারীদের মধ্য হতে নিজেদের পছন্দমত দুই-দুই, তিন-তিন ও চার-চার জনকে বিবাহ কর, কিন্তু যদি তোমরা আশঙ্কা কর যে, তোমরা সুবিচার করতে পারবে না, তাহলে একজনকে কিংবা তোমাদের অধীনস্থ দাসীকে; এটাই হবে অবিচার না করার কাছাকাছি।"

এই আয়াতের পরিষ্কার শর্ত হলো এতিমদের দায়িত্ব নেওয়া। আয়াতটি শুরুই হয়েছে এতিমদের কথা দিয়ে। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিধবা মায়েদের বিয়ে করে তাদের এতিম সন্তানদের দায়িত্ব নেওয়া, কাম চরিতার্থ করা নয়। আয়াতের শেষ অংশটি আরও গুরুত্বপূর্ণ: "আর যদি ভয় করো যে সুবিচার করতে পারবে না, তবে একটাই যথেষ্ট।"

**সূরা নিসার ১২৯ নম্বর আয়াত:**
وَلَنْ تَسْتَطِيْعُوْۤا اَنْ تَعْدِلُوْا بَيْنَ النِّسَآءِ وَلَوْ حَرَصْتُمْ فَلَا تَمِيْلُوْا كُلَّ الْمَيْلِ فَتَذَرُوْهَا كَا لْمُعَلَّقَةِ ۗ

"তোমরা কক্ষনো স্ত্রীদের মধ্যে সমতা রক্ষা করতে পারবে না যদিও প্রবল ইচ্ছে কর, তোমরা একজনের দিকে সম্পূর্ণরূপে ঝুঁকে পড়ো না এবং অন্যকে ঝুলিয়ে রেখ না।

এর অর্থ হলো, আল্লাহ নিজেই বলছেন যে একাধিক স্ত্রীর মধ্যে সমানভাবে সুবিচার করা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। পরোক্ষভাবে কুরআন এক বিয়ের দিকেই ইঙ্গিত করেছে। বহুবিবাহ কেবল একটি জরুরি সামাজিক সমাধান, কোনো ফ্যান্টাসি নয়। এটি একটি বিশাল দায়িত্ব, গুরুভার। এতিমের দায়িত্ব নিতে না পারলে বহুবিবাহের আয়াত আওড়ানো উচিত নয়।

ইসলাম নারীদের পণ্য বানায়নি, বরং সমাজকে রক্ষা করতে চেয়েছে, এতিমদের এবং বিধবাদের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছে। সুতরাং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলুন। দুনিয়া ও আখিরাত—উভয় জগতেই আপনি সফল হতে পারবেন।
বিশ্লেষণে- মুফতি ফজলুল কাদের বাগদাদী।

"ল'চেম্বার"আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে প্রয়োজনে যোগাযোগ ...
11/07/2026

"ল'চেম্বার"
আপনার যে কোন দেওয়ানী,ফৌজদারী,টেক্স,ভ্যাট,
কোম্পানি,পারিবারিক ইত্যাদি বিষয়ে আইনি পরামর্শ নিতে প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন।

"ল চেম্বার"আইনগত পরামর্শ,দেওয়ানি,ফৌজদারি মামলা পরিচালনা এবং ডকুমেন্টেশন সহ সকল আইনি সমস্যার সমাধানে আমরা আপনার বিশ্বস্ত ...
09/05/2026

"ল চেম্বার"
আইনগত পরামর্শ,দেওয়ানি,ফৌজদারি মামলা পরিচালনা এবং ডকুমেন্টেশন সহ সকল আইনি সমস্যার সমাধানে আমরা আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

03/05/2026

⚖️ ফৌজদারি মামলার ধাপসমূহ (Criminal Case Steps)

১️⃣ অভিযোগ দায়ের
➤থানায় এজাহার (FIR) করা হয়
➤অথবা সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়

২️⃣ মামলা রুজু
➤পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে
➤মামলার নম্বর দেওয়া হয় (GR/CR Case)

৩️⃣ তদন্ত (Investigation)
➤পুলিশ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে
➤সাক্ষীর জবানবন্দি নেয়
➤আসামিকে গ্রেফতার করতে পারে

৪️⃣ চার্জশিট / ফাইনাল রিপোর্ট
➤তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে রিপোর্ট দেয়
➤অপরাধ প্রমাণ পেলে → Charge Sheet
➤প্রমাণ না পেলে → Final Report

৫️⃣ আদালতে গ্রহণ (Cognizance)
➤ম্যাজিস্ট্রেট রিপোর্ট গ্রহণ করেন
➤বিচার শুরু করার সিদ্ধান্ত দেন

৬️⃣ চার্জ গঠন
➤আসামির বিরুদ্ধে কোন ধারায় বিচার হবে তা নির্ধারণ করা হয়

৭️⃣ সাক্ষ্য গ্রহণ
➤বাদী পক্ষ সাক্ষী হাজির করে
➤জেরা (Cross Examination) হয়

৮️⃣ আসামির জবানবন্দি
➤আদালত আসামির বক্তব্য শোনে

৯️ ⃣যুক্তিতর্ক
➤উভয় পক্ষ আইনগত যুক্তি উপস্থাপন করে

১০⃣ রায় (Judgment)
➤আদালত দোষী বা নির্দোষ ঘোষণা করে

১১⃣শাস্তি প্রদান
➤দোষী হলে সাজা দেওয়া হয়
➤যেমন—কারাদণ্ড,জরিমানা,উভয় দণ্ড

১️২⃣আপিল / রিভিশন
➤রায়ে অসন্তুষ্ট হলে উচ্চ আদালতে আপিল করা।

Address

6/7 Court House Street , Judge Court
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawyer & Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share