Immigration law farm

Immigration law farm Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Immigration law farm, Lawyer & Law Firm, Dhaka.

প্রথম রমজানে শেষ বেলায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে'
19/02/2026

প্রথম রমজানে শেষ বেলায় সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে'

18/08/2025
ইনকাম টেক্স, ভ্যাট, কাস্টমস, ব্যাংক বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্যাটেন্ট ডিজাইন, টের্ডমার্ক আদালতের  ডিএজি ও এএজি স্যারদে...
07/12/2024

ইনকাম টেক্স, ভ্যাট, কাস্টমস, ব্যাংক বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, প্যাটেন্ট ডিজাইন, টের্ডমার্ক আদালতের ডিএজি ও এএজি স্যারদের সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত প্রশিক্ষন। শেষে ফটোসেশান।

05/12/2024

আমেরিকার ৫ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সাকসেস স্টোরি। আপনিও কি আমেরিকার ৫ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি টুরিস্ট ভিসা প্রসেস করতে চান?

অনেকেই জানতে চান আমাদের রিভিউ সম্পর্কে।

ক্লায়েন্ট এর মুখ থেকেই শুনে নিন আমাদের ব্যাপার।

ক্লাইন্টের সন্তুষ্টিই আমাদের প্রকৃত সফলতা। আমাদের পরিবারসহ আমেরিকার B1/B2 অর্থাৎ ৫ বছর মেয়াদি মাল্টিপল টুরিস্ট ভিসা পেয়েছেন।

আপনি যদি আমেরিকা যেতে আগ্রহী হোন বা আমেরিকা যদি আপনার স্বপ্নের দেশ হয়ে থাকে তাহলে এই লেখাটি কেবলই আপনার জন্য। আমরা সাধারণত আমেরিকান ভিসার কথা শুনলেই ভয় পেয়ে যাই, ভয় পেয়ে আর চেষ্টাই করি না। অথচ বাস্তবতা হলো , অন্যান্য দেশের ভিসার তুলনায় আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা পাওয়া টা অনেক সহজ। ভয় পাওয়ার মানসিকতা থেকে বের হয়ে আপনাকে সঠিক উপায়ে চেষ্টা করতে হবে, তাহলেই আপনার ভিসা পাওয়ার সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ।

🔷 সর্বপ্রথম বলে নেই আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা আসলে কাদের জন্য? আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা পাওয়ার যোগ্যতা কারা রাখে? এই বিষয়টি আমাদের পরিষ্কার হওয়া বেশ জরুরী। আমেরিকার মতো একটি দেশে যাওয়ার জন্য আপনার অবশ্যই পার্শ্ববর্তী এবং ভালো কিছু দেশ ট্রাভেল থাকাটা জরুরী। কোনো দেশ ট্রাভেল না করেই আপনি আমেরিকায় ঘুরতে চলে যাবেন এটির কোনো যৌক্তিকতা হতে পারে না৷ এখন প্রশ্ন হলো, তাহলে কি সাদা পাসপোর্ট অথবা শুধু ইন্ডিয়া ভিজিটে আমেরিকার ভিসা হয় না? আপনি অনেক গুলো দেশ ট্রাভেল করলেই আমেরিকার ভিসা পেয়ে যাবেন ব্যাপারটা এমন নয়, আপনাকে সঠিক পলিসিটা জানতে হবে। ক্ষেত্র বিশেষে সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা হয়ে থাকে। আপনার যদি নিজ পরিবারের কেও অর্থাৎ বাবা-মা, ভাই-বোন, ছেলে মেয়ে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেও আমেরিকাতে থাকে তাহলে আপনি সাদা পাসপোর্টেও আমেরিকার ভিসা পাবেন। এছাড়াও যাদের বয়স একটু বেশি এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সামাজিক এবং অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো তারা যদি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউ দিতে পারে তাহলে সেসকল ব্যাক্তিরাও সাদা পাসপোর্টে আমেরিকার ভিসা পেতে পারে।

🔷 টুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন আছে কি? আমাদের উত্তর হলো না। টুরিস্ট ভিসার জন্যে ইনভাইটেশন প্রয়োজন নেই। কেও যদি আমেরিকাতে কোনো কনফারেন্স বা সেমিনার অথবা কোনো মেলায় যোগদান করতে চান সেক্ষেত্রে ইনভাইটেশন এর প্রয়োজন আছে। এছাড়া শুধুমাত্র ঘুরতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইনভাইটেশন এর কোনো প্রয়োজন নেই।

🔷 এবার আসি ডকুমেন্টস এর বিষয়ে। আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা সম্পুর্ণ ইন্টারভিউ নির্ভর একটি ভিসা৷ আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার জন্য ডকুমেন্টস নিয়ে চিম্তা করার কোনোই প্রয়োজন নেই। তবে হ্যাঁ, ডকুমেন্টস খুবই গুরুত্বপূর্ণ যদি কিনা আপনি আমেরিকার মেডিকাল/স্টুডেন্ট/বিজনেস ভিসার জন্য এপ্লাই করে থাকেন। এসকল ভিসার ক্ষের্তে এম্বাসি আপনার কাছে নানা প্রকার ডকুমেন্টস দেখতে চেতে পারে তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য কোনো প্রকার ডকুমেন্ট এম্বাসি সচরাচর দেখতে চায় না।

🔷 আবার অনেকেই মনে করেন আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাক্ট এ করা যায়। ব্যাপারটা একদমই ভুল। আমেরিকার ভিসা কন্ট্রাকে হয় না, ভুলেও এই কন্ট্রাকে এ যাবেন না, কারণ আমেরিকান এম্বাসির সাথে কারও লিংক বা লবিং থাকার কোন প্রশ্নই আসে না। কেউ যদি বলে থাকে আমেরিকা এম্বাসির সাথে লিংক আছে, তার মানে তিনি আপনাকে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে।

🔷 এবার আপনাদের আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা প্রসেস এর ব্যাপারে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমেরিকান টুরিস্ট ভিসা সাধারণতো ৫ বছরের মাল্টিপোল ভিসা হয়ে থাকে অর্থাৎ ৫ বছরের মধ্যে আপনি যতবার খুশি আমেরিকায় যাতায়াত করতে পারবেন। এই ভিসাটি মূলতো ২ টা জিনিস এর উপর ভিত্তি করে হয়ে থাকে।

১. DS -160 ফর্ম অর্থাৎ এপ্লিকেশন ফর্ম এর উপর।
২. ছোট একটি ইন্টারভিউ এর উপর।

নির্ভুল ভাবে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করে যদি আপনি আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইন্টারভিউতে কন্সুলার অফিসারকে এটা বিশ্বাস করাতে পারেন যে আপনার আমেরিকা যাওয়ার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে এবং আপনি আমেরিকায় যাবেন এবং ফিরে আসবেন, তাহলেই আপনার ভিসা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

ইন্টারভিউ বাংলাদেশে সাধারণতো দুই ভাষায় হয়ে থাকে, বাংলা এবং ইংরেজী। আপনি চাইলে বাংলাতেও ইন্টারভিউ দিতে পারবেন। ইন্টারভিউ সাধারণতো ২ থেকে ১০ মিনিটের হয়ে থাকে। আপনি আমেরিকা যাওয়ার যোগ্য সেটা এম্বাসিকে কি করে বুঝাবেন? সেটা বুঝাবেন আপনার এপ্লিকেশন ফর্ম এর মাধ্যমে অর্থাৎ Ds-160 এর ফর্ম এর মাধ্যমে। আমেরিকান এম্বাসির একটি অনলাইন ফর্ম আছে যার নাম DS-160 ফর্ম। এই এপ্লিকেশন ফর্ম অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই ফর্ম এর উপর আপনার ভিসা অনেকাংশ নির্ভর করে। তাই অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি দ্বারা ফর্মটি পূরণ করা উচিত। মূলত এই ফর্মটি আপনার ভিসা পাওয়ার পূর্ব শর্ত হিসাবে বিবেচিত হয়। আপনি বলতে পারেন ৭০% চান্স নির্ভর করে এই DS-160 ফর্ম এর উপর, বাকি ৩০% নির্ভর করে আপনার ইন্টারভিউ এর উপর। এই দুইটির সঠিক সফল কম্বিনেশন ই আপনার ভিসা পাওয়া চান্স নিশ্চিত করবে ইনশাআল্লাহ। বেশিরভাগ মানুষ যে ভুলটা বেশি করে থাকে সেটা হলো, DS 160 অদক্ষ কাওকে দ্বারা পূরণ করে ইন্টারভিউতে চলে যায়, এতে করে হয়তো কিছু টাকা বেঁচে যায় তবে ফলাফল হয় ভিসা রিজেকশন। আবার অনেকেই ভিসা পেয়েছেন তাঁদের থেকে ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিয়ে ইন্টারভিউ ফেইস করতে চলে যায়, অথচ তার প্রোফাইল এবং উনার প্রোফাইল কিন্তু ভিন্ন। না এটা কখনই করবেন না আপনাকে আপনার প্রোফাইল অনুযায়ী ইন্টারভিউ এর গাইডলাইন নিতে হবে। মনে রাখবেন অল্প বিদ্যাভয়ঙ্কর জিনিস। ওষুধ এর দোকানদার আপনাকে পরামর্শ দিতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন তিনি কিন্তু ডাক্তার না। অনেকেই বলেন ভাই DS 160 কি আসলেই এতো জটিল কিছু? যেহেতু আমেরিকার মতো একটি দেশ সারাপৃথিবী থেকে এই ফর্ম এর উপর ভিত্তি করে ভিসা ইস্যু করে থাকে তাহলে আপনি নিজেই চিন্তা করুন এই ফর্ম কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আশাকরি উত্তর পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ আপনি যদি ইন্টারকানটেক্টেড তথ্য দিয়ে চমৎকার ভাবে একটা কমপ্লিট DS 160 ফর্ম পুরুন করতে পারেন তাহলেই ইনশাআল্লাহ আপনি ভিসা পাবেন। কারণ ইন্টারভিউ এর আগে এই ফর্ম এর উপর স্টাডি করেই সাধারণতো আপনার ভিসা ইস্যু করে থাকে। আর ইন্টারভিউতো হয় মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিট, এই সময় এর মধ্যে আপনাকে আর কি বা যাচাই বাঁচাই করার থাকে। তাই অদক্ষ লোক দ্বারা ফর্ম ফিলাপ করলে আপনার ভিসা হওয়ার থেকে না হওয়ার সম্ভানাই বেশি থাকে। আরও একটা জিনিস মনে রাখবেন DS-160 ফর্ম এর তথ্য এবং আপনার ইন্টারভিউ এর তথ্য এই দুই এর মধ্যে চমৎকার ও শৈল্পিক একটা মিল থাকতে হবে।

নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস তৈরী করুন, সঠিক গাইড লাইন ফলো করুন, সঠিক তথ্য দিয়ে DS-160 ফর্ম ফিলাপ করুন, ইন্টারভিউ এর জন্য প্রস্তুতি নিন ইনশাআল্লাহ আপনার ভিসা কেউ আটকাতে পারবে না।

আমেরিকার টুরিস্ট ভিসার এম্বাসি ফী ১৮৫$ ডলার যা বাংলাদেশ এর টাকায় কনভার্ট করলে আসে ২২,২০০ টাকা। এই টাকা শুধুমাত্র EBL অর্থাৎ ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এ জমা দিতে হয়। এম্বাসি ফী জমা দিয়ে আপনাকে ইন্টারভিউ এর জন্য ডেট নিতে হবে।

🔷 এম্বাসি ফী জমা দেয়ার জন্য যা যা প্রয়োজন।
১. পাসপোর্টের স্কেন কপি
২. ১টি ফোন নাম্বার
৩. ১টি ইমেইল আইডি

🔷 এপ্লিকেশন করার জন্য যা যা প্রয়োজন

১. ছবি ২×২ সাইজ সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড (ল্যাব কপি)
২. আপনার মা -বাবার তথ্য
৩. আপনার শিক্ষাগত সকল তথ্য
৪. আমেরিকায় যদি আপনার পরিচিত কেও থেকে থাকে তার তথ্য।
৫. স্বামী বা স্ত্রীর তথ্য
৬. ব্যবসা/চাকরি জনিত সকল তথ্য
৭. পূর্ববর্তী ট্রাভেল হিস্ট্রি
৮. কোনো সংস্থায় জড়িত থাকলে সেই সংস্থার নাম

🔷 আমরা আপনাকে যে সকল সেবা দিয়ে থাকবোঃ

১. আপনার DS-160 ফর্ম সঠিক ও চমৎকার ভাবে পূরণ করে দিবো।
২. আপনার ইন্টারভিউ ডেট রিশিডিউল এর মাধ্যমে এগিয়ে নিয়ে আসবো।
২. আপনাকে ইন্টারভিউ এর সম্পুর্ণ গাইডলাইন দিয়ে দিবো।
৩. ইন্টারভিউ এর জন্য যে সকল ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা আমরা গুছিয়ে দিবো।

🔷 আমরা আমেরিকার যেসব ভিসা প্রসেসিং করে থাকিঃ

১. ভিজিট ভিসা (B1/B2)
২. স্টুডেন্ট ভিসা এবং ডিপেন্ডেন্ট ভিসা (F1/F2)
৩. ড্রপ বক্সের মাধ্যমে ভিসা রিনিউ।

আমাদের ফোন নাম্বারঃ (ফোন করার সময় সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত)

📞 01714453121 (whatsapp)
📞 01841453121(whatsapp)
📞 01914873955

যোগাযোগঃ করতে রুম নং ৪০৭ ইব্রাহীম ম্যানশন, ১১ পুরানা পল্টন ঢাকা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবধনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পার্বত...
09/11/2024

পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবধনা শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনজেলার জেলা পরিষদ নিয়োগ প্রাপ্ত সদস্য ও ঢাকা বিভিন্ন সরকারী ও আধা সরকারী প্রতিষ্ঠানে পার্বত্য কৃতি সন্তান ও কৃতি শিক্ষার্থীদের নিয়ে গ্রুপ ছবি। এর মধ্যে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করলাম, আবু সৈয়দ মোঃ আবু হাসিম অতিরিক্ত সচিব (অবঃ), মোহাম্মদ আলম খান এডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, সহকারী এটর্নি জেনারেল ফর বাংলাদেশ,প্রফেসর আব্দুল লতিফ, অধ্যক্ষ, জেলা পরিষদ সদস্য খাগড়াছড়ি, রাশেদ হোসেন নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজাতি শরনার্থী বিষয়ক ট্যাস্কফোর্স,আলমগীর হোসেন, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র সংসদ, মোঃ শহিদুল ইসলাম সদস্য জেলা পরিষদ খাগড়াছড়ি, মোঃ মিনহাজ ত্বকি,সদস্য রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ, মোঃ সাইফুল ইসলাম রিমন সদস্য বান্দারবান জেলা পরিষদ, মোহাম্মদ৷ জাকির হোসেন সহযোগী অধ্যাপক,এডভোকেট মনজিলা সুলতানা সদস্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ। পার্বত্য জেলার কৃতি সন্তান ও কৃতি শিক্ষার্থীদের একাংশ।

গার্মেন্টস কর্মী, ড্রাইভার, হেলফার, মুদিদোকানের কর্মচারী, হোটেল রেস্টুরেন্টে, কর্মচারী, কাচাবাচারের দোকানদার, সহ নিম্ন প...
01/10/2024

গার্মেন্টস কর্মী, ড্রাইভার, হেলফার, মুদিদোকানের কর্মচারী, হোটেল রেস্টুরেন্টে, কর্মচারী, কাচাবাচারের দোকানদার, সহ নিম্ন পদের সকল কর্মচারীদের জন্য আলাদা আইন ও নীতিমালা করা উচিত,। গার্মেন্টস মালিক কোটি কোটি টাকা দিয়ে আলিশান জীবন যাপন করে। আরেক দিকে কর্মীরা বেতন না পেয়ে রাস্তায় মিছিল মিটিং করছে। এগুলির সমাধান রাষ্ট্রের সমাধান করতে পারে। বেশীর ভাগ গার্মেন্টস অগ্রিম অর্ডার পেয়ে কাজ করে। টাকা পেলে কর্মচারীদের না দিয়ে নিজেরা খরচ করে বাড়ি গাড়ী করে। পরে বলে অগ্রীম পেমেন্ট পায়নি। এইসব দুর করতে হলে সকল গার্মেন্টসে লাভের ৫০% কর্মচারী পাবে বলে নীতিমালা করতে হবে। তারা অগ্রীম অর্ডার বা ওর্য়াক ওডার ব্যাংকে জমা থাকবে মালিক পক্ষ ইচ্ছা করলে খরচ করতে পারবেন না। ব্যাংকের দায়বদ্ধতা শ্রমিক ফেডারেশনও দায় থাকবে।যারা গার্মেন্টস ব্যাবসা করেন তাদের বেশীর ভাগই কম শিক্ষিত এবং প্রতারক ও গরীব মানুষের সাথে এই ধরনের আচরনে অভ্যস্ত তারা এইসব গরীব মানুষের টাকা মেরে বড় বড় বাড়ী গাড়ী করেন। শ্রমিক সস্তায় পায় বিদায় বাংলাদেশে হাজার হাজার গার্মেন্টস তৈরী করেন। এইসব প্রতারকদের শায়েস্তা করতে রাষ্ট্রকে শক্ত হাতে দমন করতে না পারলে এইসব প্রতারকদের জন্য গার্মেন্টস ব্যাবসা ধসে পরতে পারে।যাদের গার্মেন্টসে টাকা পাবে তাদরর সকল সম্পদ জবব্দ করে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শ্রমিকদের দিয়ে বোর্ড করে গামেন্টস পরিচালনা করবেন। আমার অভিজ্ঞতায় শেয়ার করলাম।

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801714453121

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Immigration law farm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Immigration law farm:

Share

উন্নত বিশ্বে যাবার জন্য পরামর্শ, কাষ্টমস সংক্রান্ত কোন পরামর্শ, ভিষার কোন জটিলতা হলে পরামর্শ জন্য যোগাযোগ করুন 01714453121

উন্নত বিশ্বের যে কোন দেশে যেতে পরামর্শ প্রদান করা হয়। কাষ্টমস বিমানবন্দ, স্থলবন্দর, নৌবন্দর কাস্টমস সংক্রান্ত সমস্যা বা মামলা হলে পরামর্শ বা দ্রুত সমাধানের জন্য যোগযোগ করতে পারেন। ঠিকানা: ইব্রাহীম ম্যানশন রুম নং ৪০৭( তৃতীয় তলা) ১১ পুরানা পল্টন ঢাকা। মোবাইল ০১৭১৪৪৫৩১২১, ০১৯১৪৮৭৩৯৫৫