D.P & Associates

D.P & Associates D.P & Associates provides high quality and effective services to the individuals and business commu

08/03/2022

dada kemon achen

09/03/2020
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড TIN এর পরিবর্তে নতুন-ইটিআইএন (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে। নব প্রবর্তিত এ পদ্ধতিতে কয়েক...
03/03/2020

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড TIN এর পরিবর্তে নতুন-ইটিআইএন (e-TIN) রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে। নব প্রবর্তিত এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ ধাপ প্রেরনের মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন আপনার টিআইএন।

নতুন পদ্ধতিতে টিআইএন রেজিস্ট্রেশন ও রি-রেজিস্ট্রেশনের শুরুতে প্রত্যেককে অবশ্যই একাউন্ট তৈরী করতে হবে। একাউন্ট তৈরির নিয়ম-

• প্রথমে www.incometax.gov.bd ওয়েবসাইটটে প্রবেশ করুন।

• হোমপজের Register বাটনে ক্লিক করলে রেজিস্ট্রেশন ফরম ওপেন হবে।

• ফরমে প্রদান আপনার মুঠোফোন নম্বররে তাৎক্ষণিকভাবে একটি কোড পোঁছে যাবে। পর্দায় প্রদর্শিত ডায়লগ বক্স মুঠোফোনে পে-কৃত কোডটি প্রদান করুন। এবার Active বাটনে ক্লিক করলেই পর্দায় দেখতে পাবেন “Welcome to Taxpayer’s Identification Number (TIN) Registration/Re- Registration”

• TIN Application মেন্যুতে ক্লিক করুন। এবার Registration/Re- Registration ফরমে প্রদর্শিত শূন্যস্থান পূরণ করে Go to Next চাপুন। নতুন করদাতাগণ Registration বাটনে এবং পুরাতন করদাতাগণ যাদের TIN নম্বর আছে তারা Re- Registration বাটনে ক্লিক করতে হবে।

• Basic Information ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করুন এবং Go to Next বাটনে ক্লিক করুন।

• প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশী নাগরিকের (যাদের জাতীয় পরিচিতি নম্বর নেই) নতুন-ইটিআইএন রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে এ পর্যায়ে এসে ডিজিটাল ফরমেটে সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি আপলোড করতে হবে।

• Final preview তে ফরমে প্রদর্শিত আপনার দেয়া তথ্যগুলো সঠিক আছে কিনা, তা শেষবারের মতো যাচাই করুন। সবকিছু ঠিক থাকলে, Final preview এর একেবারে নীচে চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিন।

• এরপর Submit Application বাটনে ক্লিক করলেই রেজিস্ট্রেশন/রি-রেজিস্ট্রেশনকারী নতুন ১২ ডিজিটের টিআইএন। তবে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক আবেদনকারী, যার জাতীয় পরিচিতি নম্বর নেই এবং যিনি পাসপোর্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন/রি-রেজিস্ট্রেশন করতে চান তিনি একটি Ticket পাবেন। Ticket প্রিন্ট করে তাতে উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ করে টিকেটে উল্লেখিত আয়কর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।


অনলাইনে টিআইএন রেজিস্ট্রেশন এবং রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য যা প্রয়োজন-

✅ প্রাপ্ত বয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক-

জাতীয় পরিচিতি নম্বর/পাসপোর্ট নম্বর, পূর্বের (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে);

✅ অপ্রাপ্তবয়স্ক বয়স্ক বাংলাদেশি নাগরিক-

অভিভাবকের ১২ ডিজিটের টিআইএন (নতুন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন কৃত), সদ্য তোলা পাসপোর্ট পাসপোর্ট সাইজ ছবি,পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে);

✅ প্রাপ্ত বয়স্ক বিদেশি নাগরিক-

পাসপোর্ট নম্বর, ভিসা নম্বর, ডিজিটাল ফরম্যাটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি,পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে);

✅ অপ্রাপ্ত বয়স্ক বিদেশি নাগরিক-

নিজের এবং অভিভাবকের পাসপোর্ট নম্বর,ভিসা নম্বর , ডিজিটাল ফরম্যাটে সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজ ছবি,পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

✅ লিমিটেড কোম্পানী

কোম্পানীর ইনকর্পোরেশন নম্বর ,তারিখ পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

✅ রেজিস্টার্ড ফার্ম

রেজিস্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস (RJSC) এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর, রেজিস্ট্রেশন তারিখ, অংশীদারিদের ১২ ডিজিটের টিআইএন (নতুন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন কৃত), পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

✅ আন-রেজিস্টার্ড ফার্ম

অংশীদারিদের ১২ ডিজিটের টিআইএন (নুতন পদ্ধতি অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশনকৃত), পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

✅ ব্যক্তিসংঘ, অবিভক্ত হিন্দু পরিবার

ক্ষমতাবান ব্যক্তির ১২ ডিজিটের টিআইএন (নতুন অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন কৃত),পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

✅ স্থানীয় কতৃপক্ষ, আইন দারা সৃ কৃত্রিম
ব্যক্তিসত্ত্বা,কো-অপারেটিভ সোসাইটি এবং ধারা ২(২০) অনুযায়ী গঠিত অন্যান্য কোম্পানি-

করদাতার প্রতিষ্ঠানের নাম , ঠিকানা ফ্যাক্স নম্বর ও এ মেইল আইডি (রেজিস্ট্রেশনক্ষেত্রে),পূর্বের টিআইএন (রি-রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে)

বিশ্বায়নের এই যুগে প্রায় সব ধরনের ব্যবসা বাণিজ্যই আন্তর্জাতিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ কাউকে চিন...
03/03/2020

বিশ্বায়নের এই যুগে প্রায় সব ধরনের ব্যবসা বাণিজ্যই আন্তর্জাতিক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ কাউকে চিনেন না। সেক্ষেত্রে বিক্রেতার একটা ঝুঁকি থেকে যায়। এই ঝুঁকি এড়াতে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা এই এলসি বা ল্যাটার ওব ক্রেডিট চান।

বিদেশ থেকে কোনো পণ্য আমদানী করার চাইলে অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হবে। আন্তর্জাতিক বানিজ্যের ক্ষেত্রে একমাত্র বৈধ মাধ্যমই হল এলসি। এলসির মাধ্যমেই ব্যবসায়ীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি-রপ্তানি করে থাকে।
এলসি করতে যা যা প্রয়োজন

(১) এলসি করার জন্য একজন ব্যবসায়ীর প্রথমেই দরকার হবে একটি ট্রেড লাইসেন্স এবং এটি অবশ্যই আপটুডেট হতে হবে;

(২) সর্বশেষ অডিট রিপোর্ট;

(৩) একটি গ্রহনযোগ্য আইআরসি (IRC–Import Registration Certificate);

(৪) স্থানীয় বাণিজ্য চেম্বার বা সংশ্লিষ্ট অ্যাসোসিয়েশনের থেকে সদস্যপদ সার্টিফিকেট;

(৫) আয়কর ছাড়পত্র বা নতুন কোন প্রতিষ্ঠানের জন্য আয়কর ঘোষণা পত্র;

(৬) মূসক নিবন্ধন সনদপত্র;

এলসির জন্য আবেদনের পূর্বে উল্লেখিত কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করে রাখতে হবে। এছাড়াও আরও কিছু নথিপত্র দরকার হবে-

(১) এলসি আবেদন ফর্ম;

(২) ইনডেন্ট / পারফর্মা ইনভয়েস (PI)/ ক্রয় আদেশ / ক্রয় চুক্তি;

(৩) যথাযথভাবে ও সঠিকভাবে কার্যকর চার্জ নথি;

(৪) যথাযথভাবে সিল ও স্বাক্ষরিত এলসি অনুমোদন ফরম (LCAF);

(৫) বীমা সংক্রান্ত নোট;

এসব কাগজপত্র সংগ্রহ করার পর যে ব্যাংকে এলসি করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাংকের নিকট কাগজপত্র গুলো দাখিল করতে হবে। অবশ্যই সেই ব্যাংকে একটি একাউন্ট থাকতে হবে। ব্যাংক কাগজপত্র গুলো যাচাই করে দেখবে। এর জন্য কয়েকদিন সময় নিবে ব্যাংক।

এলসির সমস্ত কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে ব্যাংক থেকে জানানো হবে।
ব্যাংকের সাথে এলসি বিষয়ক লেনদেন প্রথম দিকে ব্যাংকে পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যালু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংকে আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:

১) আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি);

২) ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি;

৩) সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট;

৪) ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে);

এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে। সকল ব্যাবসায়িক লেনদেনের ক্ষেত্রে দুটি পক্ষ থাকে একজন ক্রেতা আর একজন বিক্রেতা। এলসির মাধ্যমে লেনদেন প্রক্রিয়া হবে নিম্নরুপ-

(১) ক্রেতা প্রথমে বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করবেন।

(২) ক্রেতা যে ব্যাংকে এলসি করতে ইচ্ছুক সেই ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করবেন।

(৩) ইস্যুকৃত এলসি ব্যাংক থেকে বিক্রেতার পরামর্শকারী ব্যাংকের নিকট পাঠাবেন।

(৪) বিক্রেতার পরামর্শকারী ব্যাংক এলসির কাগজপত্র গুলো বিক্রেতার নিকট পাঠাবেন।

(৫) কাগজপত্র গুলো দেখে বিক্রেতা সীপমেন্টের তারিখ ক্রেতাকে জানাবেন। এবং সাথে সাথে বিক্রেতা লেনদেনের সকল কাগজপত্র পরামর্শকারী ব্যাংককে দেখাবেন।

(৬) পরামর্শকারী ব্যাংক কাগজপত্র গুলো ক্রেতা যে ব্যাংকে এলসি করেছেন সেই ব্যাংকে পাঠাবেন।

(৭) কাগজপত্র গুলো পর্যালোচনা করে এলসি ইস্যুকৃত ব্যাংক লেনদেনের ছাড়পত্র পাঠাবেন পরামর্শ দানকারী ব্যাংকের নিকট পাঠাবেন। এবং সাথে সাথে একটি ছাড়পত্র ক্রেতার নিকট পাঠাবেন। পরামর্শ দানকারী ব্যাংকও একটি ছাড়পত্র বিক্রেতার নিকট পাঠাবেন।

ছাড়পত্র পাওয়ার পর ক্রেতা-বিক্রেতা লেনদেনের জন্য প্রস্তুত।

Address

92 , Motijheel C/A (4th Floor) , Room # 506
Dhaka
1000

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Friday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when D.P & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to D.P & Associates:

Share

Category

Vat & Tax Preparation Services

Vat & Tax Preparation Services