Legal Advice

Directions

Legal Advice Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Legal Advice, Lawyer & Law Firm, Dhaka.

Legal Advice পেইজে নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ আইনি সমস্যার সমাধান ও আইন নিয়ে আলোচনা করা হবে যা আপনাকে রাষ্ট্রীয় আইন সম্পর্কে অবগত করতে সাহায্য করবে, পাশাপাশি যেকোনো আইনি সহায়তা বা পরামর্শ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমাদের সাথেই থাকুন ধন্যবাদ

19/09/2026

ভূমিকম্পের সতর্কতা:
এখন হতে আগামী ৯৬ ঘন্টার মধ্যে বাংলাদেশ/ইন্ডিয়া/ভুটান/নেপাল ও এর পাশ্ববর্তী অঞ্চলে শক্তিশালী সিরিজ ভূমিকম্পের শঙ্কা। সবাই সতর্ক থাকুন। চোখ-কান খোলা রাখুন। ভূমিকম্প টের পেলে নিরাপদ স্থানে প্রস্থান করুন।

©EarthquakeNews

প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত নীতিমালা।
19/08/2026

প্যারোলে মুক্তি সংক্রান্ত নীতিমালা।

সংবিধান ​অনুচ্ছেদ ৩৩(১): এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে তাকে যথাসম্ভব দ্রুত গ্রে...
18/07/2026

সংবিধান ​অনুচ্ছেদ ৩৩(১): এই অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হলে তাকে যথাসম্ভব দ্রুত গ্রেপ্তারের কারণ অবহিত না করে পুলিশি হেফাজতে আটক রাখা যাবে না এবং তাকে তার মনোনীত আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করার ও আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না।
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর
​ধারা ৩৪০(১): এই ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, কোনো ফৌজদারি আদালতে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের বিচার হলে, বা কোনো অপরাধমূলক কার্যক্রম চললে, সেই ব্যক্তি আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থন করার অধিকার রাখেন।

যারা বিবাহিত তারা বউ এর সাথে অতিগোপনীয় বিষয় গুলো যতটা সম্ভব শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
16/07/2026

যারা বিবাহিত তারা বউ এর সাথে অতিগোপনীয় বিষয় গুলো যতটা সম্ভব শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

16/07/2026

সাধারণ প্রশ্নঃ
রিভিশন মামলায় হাইকোর্ট কি আসামির দণ্ড বা সাজা বাড়াতে পারে?
কোনো ফৌজদারি মামলায় কম সাজা হওয়ার পর আসামি যদি হাইকোর্টে রিভিশন (Revision) আবেদন করে, তবে হাইকোর্ট কি উল্টো তার সাজা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে?

উত্তর হলো: হ্যাঁ, পারে!

বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC)-এর ৪৩৯ ধারার ক্ষমতাবলে রিভিশন শুনানির সময় হাইকোর্ট বিভাগ আসামির দণ্ড বা সাজা বৃদ্ধি (Enhancement of Sentence) করতে পারেন।

তবে আইন এখানে আসামির সুরক্ষায় কিছু কড়া শর্তও রেখেছে:

শুনানির সুযোগ: আসামিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে হুট করে সাজা বাড়ানো যাবে না [ধারা ৪৩৯(২)]।

খালাস চাওয়ার সুযোগ: সাজা বাড়ানোর নোটিশের জবাবে আসামি চাইলে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে খালাসও চাইতে পারেন [ধারা ৪৩৯(৬)]।

ম্যাজিস্ট্রেটের সর্বোচ্চ সীমার নিচে: ট্রায়াল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ যত বছর সাজা দেওয়ার ক্ষমতা রাখতেন, হাইকোর্ট রিভিশনে তার চেয়ে বেশি সাজা বাড়াতে পারবেন না।

একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম: হাইকোর্ট রিভিশনে সাজা বাড়াতে পারলেও, নিচের আদালতের দেওয়া কোনো 'খালাসের আদেশ'কে বদলে সরাসরি সাজা দিতে পারেন না। খালাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে রাষ্ট্রপক্ষকে অবশ্যই 'আপিল' করতে হবে, রিভিশন নয়।

04/07/2026
20/06/2026

বাংলাদেশে চেক ডিজঅনার বা চেক পাসের মামলা সাধারণত দুইভাবে করা যেতে পারে। একটি হচ্ছে দেওয়ানি (Civil) প্রতিকার, আর অন্যটি হচ্ছে ফৌজদারি (Criminal) প্রতিকার।
​পরিস্থিতি এবং আপনার উদ্দেশ্যের ওপর ভিত্তি করে আপনি যেকোনো একটি বা উভয় পথেই আইনি পদক্ষেপ নিতে পারেন। নিচে এর বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:
​১. ফৌজদারি মামলা (এন.আই. অ্যাক্ট-এর অধীনে)
​চেক ডিজঅনারের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত এবং কার্যকর মাধ্যম হলো The Negotiable Instruments Act, 1881 (N.I. Act)-এর ১৩৮ ধারার অধীনে মামলা করা।
​উদ্দেশ্য: মূলত চেক প্রদানকারীকে শাস্তি দেওয়া এবং টাকা আদায়ে বাধ্য করা।
​আদালত: জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
​শাস্তি: এই আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকের সমপরিমাণ টাকার তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড (জরিমানা) বা উভয় দণ্ড হতে পারে।
​শর্ত ও সময়সীমা (খুবই গুরুত্বপূর্ণ):
​চেকটি ব্যাংকে উপস্থাপনের পর ডিজঅনার বা প্রত্যাখ্যাত হতে হবে।
​ডিজঅনার হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারীকে টাকা পরিশোধের জন্য লিখিত লিগ্যাল নোটিশ (Legal Notice) পাঠাতে হবে।
​নোটিশ পাওয়ার পর বিবাদী টাকা পরিশোধের জন্য ৩০ দিন সময় পাবেন।
​এই ৩০ দিনের মধ্যে টাকা না দিলে, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
​২. দেওয়ানি মামলা (টাকা উদ্ধারের মামলা)
​যদি কোনো কারণে ফৌজদারি মামলার সময়সীমা (আইনি নোটিশ দেওয়ার ৩০ দিন) পার হয়ে যায়, অথবা আপনি যদি শুধুমাত্র আপনার টাকা ফেরত পেতে চান, তবে দেওয়ানি আদালতের আশ্রয় নিতে পারেন।
​উদ্দেশ্য: চেকে উল্লেখিত বকেয়া টাকা আইনগতভাবে উদ্ধার করা।
​আদালত: চেকের টাকার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে সংশ্লিষ্ট দেওয়ানি আদালত (যেমন: সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালত)।
​মামলার ধরণ: Order 37 of the Code of Civil Procedure (CPC) অনুযায়ী একটি "Summary Suit" বা দ্রুত বিচার প্রকৃতির দেওয়ানি মামলা (টাকা আদায়ের মামলা) করা যায়।
​সময়সীমা: চেক ডিজঅনার হওয়ার দিন থেকে ৩ বছরের মধ্যে এই দেওয়ানি মামলা দায়ের করা যায়।
​ গুরুত্বপূর্ণ নোট: আপনি চাইলে একই চেকে টাকা আদায়ের জন্য ফৌজদারি (১৩৮ ধারা) এবং দেওয়ানি (টাকা উদ্ধার)—উভয় মামলাই একসাথে চালাতে পারবেন। এতে আইনের কোনো বাধা নেই। তবে সাধারণত দ্রুত প্রতিকার পাওয়ার জন্য মানুষ প্রথমে ফৌজদারি মামলার পথটিই বেছে নেয়।

31/05/2026

নারাজি আবেদন "Naraji petition" নিয়ে উচ্চ আদালতের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নজির...
নারাজি আবেদন (Naraji Petition) বিষয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উচ্চ আদালতের নজির নিচে দেওয়া হলো।

এগুলো সাধারণত ফৌজদারি কার্যবিধি (CrPC) এর ১৯০, ২০০ ও ২০২ ধারার সাথে সম্পর্কিত এবং পুলিশ Final Report দিলে বাদী নারাজি দিতে পারেন কি না, আদালতের ক্ষমতা কতটুকু—এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়।

১. Magistrate পুলিশের Final Report মানতে বাধ্য নন

আদালত বলেছেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিলেও ম্যাজিস্ট্রেট স্বাধীনভাবে নথি বিবেচনা করে Cognizance নিতে পারেন।

নজির:

Abdur Rahim Vs State, 42 DLR (AD) 31.

মূলনীতি:

নারাজি আবেদন পেলে আদালত—

Final Report গ্রহণ করতে পারেন,

পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন,

অথবা অভিযোগ আমলে নিতে পারেন।

২. নারাজি দরখাস্ত অভিযোগপত্র হিসেবেও গণ্য হতে পারে

যদি বাদী Final Report এর বিরুদ্ধে বিস্তারিত আপত্তি দেন, তবে তা Complaint Petition হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

নজির:

Khandaker Mosharraf Hossain Vs State, 26 BLD (HCD) 44.

মূলনীতি:

নারাজি আবেদনকে আদালত Complaint Case হিসেবে রূপান্তর করতে পারেন।

এরপর সাক্ষ্য গ্রহণ করে বিচার শুরু করা যায়।

৩. পুলিশ রিপোর্ট আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক নয়

উচ্চ আদালত বলেছেন, তদন্ত রিপোর্ট কেবল মতামত; চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের।

নজির:

Bangladesh Vs Md. Harun, 17 BLC (AD) 157.

মূলনীতি:

আদালত স্বাধীন বিচারিক মন প্রয়োগ করবেন।

শুধু পুলিশ রিপোর্টের উপর নির্ভর করা যাবে না।

৪. পুনঃতদন্তের ক্ষমতা

যদি তদন্ত ত্রুটিপূর্ণ বা অসম্পূর্ণ হয়, আদালত Further Investigation নির্দেশ দিতে পারেন।

নজির:

Abdul Jalil Vs State, 56 DLR 494.

মূলনীতি:

সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে পুনঃতদন্ত বৈধ।

৫. নারাজি আবেদন খারিজের আগে বিচারিক বিবেচনা প্রয়োজন

শুধু “পুলিশ রিপোর্ট ঠিক আছে” বলে নারাজি খারিজ করা যাবে না।

নজির:

Nurul Islam Vs State, 14 BLC 363.

মূলনীতি:

আদালতকে কারণসহ আদেশ দিতে হবে।

Judicial Application of Mind থাকতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির প্রাসঙ্গিক ধারা

CrPC 190 ধারা — Cognizance গ্রহণ

CrPC 200 ধারা — অভিযোগকারীর জবানবন্দি

CrPC 202 ধারা — অনুসন্ধান/তদন্ত

CrPC 173 ধারা — পুলিশ রিপোর্ট/Final Report

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Advice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share