Advocate Rasheduzzaman Khokon

Advocate Rasheduzzaman Khokon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Advocate Rasheduzzaman Khokon, Corporate lawyer, Dhaka.

29/12/2024

বিষয়:লেট কর্তন
বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরে একটা প্রথা চালু আছে যে ,৩ (তিন) দিন লেট করলে ১ (এক) দিনের মজুরি কর্তন করা হয়। মানব সম্পদ বিভাগে উক্ত বিষয়ে কারণ জানতে চাইলে প্রতি উত্তরে বলেন কোম্পানী পলিসি অনুযায়ী কর্তন করা হয়। কিন্তু তাদের কাছে এর কোনো রেফারেন্স চাইলে প্রতি উত্তরে মৃধু হাসি ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায়না । তিন দিন লেট করলে একদিনের মজুরি কর্তন সম্পূর্ণ ভাবে অবৈধ।
আমরা যদি বাংলাদেশ শ্রম আইনের ধারা-১২৬ দেখি, এখানে বলা আছে মজুরি হইতে কর্তন কেবল তখনই করা যাইবে যদি তিনি সমস্ত সময়ের জন্য অথবা উহার কোনো অংশের জন্য অনুপস্থিত থাকেন । উহার কোনো অংশ বলতে সে যতটুকু সময় অনুপস্থিত ছিল আপনি ততটুকু সময়ের জন্য মজুরি কর্তন করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি সে ২ (দুই) ঘন্টা লেট করে আসে তাহলে আপনি ২ (দুই) ঘন্টার মজুরি কর্তন করবেন। উক্ত সকল কর্তন সবসময় মূল মজুরি থেকে হবে ।
কোম্পানী মানব সম্পদ বিভাগ যে পলিসির কথা বলেছেন তা সম্পূৰ্ণ ভাবে অবৈধ। আরো উল্লেখ্য যে, এমন কোনো পলিসি তৈরি করা যাবেনা যা আইনের বিধান হইতে কম অনুকূল হয় ৷
রেফারেন্সঃ শ্রম আইন- ধারা ১২৫, ১২৬(১), বিধিমালা-১১৫

12/02/2024

দেওয়ানী আদালতে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নামজারি কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।[21 BLC 347]

18/09/2023

রশিদ হারিয়ে গেলে মূল দলিল ফেরত পাওয়ার উপায়


রেজিস্ট্রেশনের জন্য দলিল গৃহিত হলে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে যে রশিদ দেয়া হয়, তাকে ৫২ ধারার রশিদ বলে। রেজিস্ট্রি শেষে রেজিস্ট্রি অফিস থেকে মূল দলিল ফেরত নিতে এই রশিদ অফিসে জমা দিতে হয়।

যদি কেউ এই রশিদ হারিয়ে ফেলে তাহলে তাকে অতিরিক্ত কিছু কাজ করতে হবে, যা নিম্নে বর্ণনা করা হলোঃ-

রেজিস্ট্রেশন ম্যানুয়েল ২০১৪, এর ৬ষ্ট খণ্ডের ১১১ (চ) ও ১১১ (ছ) অনুচ্ছেদে রশিদ হারিয়ে গেলে মূল দলিল ফেরৎ প্রদানের কার্যপদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।



১১১ (চ) (১) রসিদ হারানোর অভিযোগ সহকারে দলিল ফেরত প্রদানের অনুরোধ সংবলিত প্রতিটি আবেদন লিখিত এবং মূল রসিদ যাহার নিকট প্রদান করা হইয়াছিল তাহার দ্বারা দাখিলকৃত হইবে। এইরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দাখিলকারীকে সনাক্তক্রমে রসিদ হারানোর বিষয়টি প্রমাণীত করাইয়া লইবেন। যেক্ষেত্রে দাখিলকারী গ্রহীতা নহেন, সেইক্ষেত্রে প্রাপ্তিস্বীকার পত্র সহ একটি নোটিস গ্রহীতার নিকট প্রেরণ করা হইবে (যাহার খরচ আবেদনকারী বহন করিবেন) এবং রসিদ হারানোর বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদানের জন্য তাহাকে যুক্তিসংগত সময় প্রদান করা হইবে।
দলিলটি নিবন্ধিত না হইয়া থাকিলে, সাদা কাগজে রসিদের একটি প্রতিলিপি দেওয়া যাইবে; পক্ষান্তরে যদি দলিলটি নিবন্ধিত হইয়া থাকে, তাহা হইলে দলিলটি ফেরত দেওয়া যাইবে। হারানো রসিদটির পরিবর্তে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা এক খন্ড সাদা কাগজের প্রথম পৃষ্ঠায় নিম্নের প্রত্যায়ন লিপিবদ্ধ করিয়া মুড়িপত্রে লাগাইয়া রাখিবার ব্যাবস্থা করিবেনঃ-
“প্রত্যয়ন করা যাইতেছে যে, মূল রসিদ হারানোর বিষয়টি আমার নিকট প্রমাণিত হইয়াছে বিধায় দাখিলকারীকে যথাযথরূপে সনাক্তক্রমে অপর পৃষ্ঠায় প্রাপকের সাক্ষর অনুযায়ী দলিলটি ফেরত দেওয়া হইল।
তারিখ………… নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা।



(২) যেক্ষেত্রে আবেদনকারী দলিল দাখিলকারী নহেন, সেক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি অনুসরণ করিতে হইবে;
(অ) গ্রহীতা কর্তৃক রসিদ হারানোর অভিযোগ সহকারে দলিল ফেরত প্রদানের অনুরোধ সংবলিত লিখিত আবেদন দাখিল করিতে হইবে।
(আ) আবেদনের সহিত স্থানীয় থানায় রসিদ হারানোর বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি ভুক্তির ফটোকপি, আবেদনকারীর সাম্প্রতিক তোলা ১(এক) কপি পাসপোর্ট আকারের ফটো, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট বা জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি সংলগ্নি আকারে প্রদান করিতে হইবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রহীতা সরকার বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, তফসিলভুক্ত ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিস্থান হইলে সেইক্ষেত্রে উল্লিখিত সংলগ্নির প্রয়োজন হইবেনা।
(ই) নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা উক্তরূপ আবেদন প্রাপ্ত হইয়া গ্রহীতার পরিচয় সম্পর্কে স্বয়ং সন্তুষ্ট হইবেন এবং ক্ষেত্রমত, দলিলের সহিত সংযুক্ত ফটো এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর বা পাসপোর্ট বা জন্ম নিবন্ধন সনদের সহিত যাচাই করিবেন এবং দলিলে সংগৃহীত স্বাক্ষরের সহিত আবেদনে প্রদত্ত স্বাক্ষর মিলাইবেন।
(ঈ) রসিদ হারানোর বিষয়ে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার নিকট হাজির হইয়া সাক্ষ্য প্রদানের নিমিত্ত যুক্তিসঙ্গত সময় প্রদান করিয়া আবেদনকারীর ব্যয়ে দলিলের দাখিলকারী এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য গ্রহীতাগণের বরাবর প্রাপ্তিস্বীকারপত্রসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে একটি নোটিস প্রেরিত হইবে।
(উ) দলিলের দাখিলকারী বা অন্যান্য গ্রহীতা হাজির হইলে বা নির্ধারিত সময়-সীমা উত্তীর্ণ হইলে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দফা (১) এ বর্ণিত পদ্ধতি, যতদুর প্রযোজ্য, অনুসরন করিবেন এবং দলিলটির নিবন্ধন কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হইয়া থাকিলে রসিদ হারানো সংক্রান্ত নিম্নরূপ প্রত্যায়ন প্রদান করিবেনঃ
“প্রত্যায়ন করা যাইতেছে যে, মূল রসিদ হারানোর বিষয়টি আমার নিকট প্রমাণীত হইয়াছে বিধায় দলিলের গ্রহীতাকে যথাযথরূপে সনাক্তক্রমে অপর পৃষ্ঠায় প্রাপকের সাক্ষর অনুযায়ী দলিলটি ফেরত প্রদান করা হইল।
তারিখ…………. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা।


(৩) ফিসের তালিকার দফা ‘চ (১) (অ) বা (আ)’ এর অধীন তল্লাশি ফিস আদায় করিতে হইবে এবং সাদা কাগজে উপর্যুক্ত (১) অনুচ্ছেদে উল্লিখিত প্রত্যায়ন লিপিবদ্ধ করিতে হইবে। যেক্ষেত্রে তল্লাশী বা পরিদর্শন ফিস আদায়যোগ্য সেইক্ষেত্রে, নির্ধারিত ফরমে, আবেদনপত্র প্রযোজ্য।

১১১ (ছ) রসিদ হারানোর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর টিপছাপ প্রদান করিতে হইবেঃ
রসিদ হারানোর অভিযোগে দলিল ফেরত প্রদানের আবেদনের ক্ষেত্রে এই উদ্দেশ্যে সংরক্ষিত ভিন্ন টিপছাপ রেজিস্টারে আবেদনকারীর টিপছাপ গ্রহন করিতে হইবে। রেজিস্টারের ২ নং কলামের শিরোনামের স্থলে “আবেদনকারীর নাম, স্বাক্ষর ও দলিলে বর্ণিত তাহার সামাজিক ও পেশাগত অবস্থান” হাতে লিখিয়া পরিবর্তন করিতে হইবে।
দলিলটি ফেরত দেওয়ার পূর্বে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা দলিলে বিদ্যমান পূর্বের টিপছাপের সহিত, যদি থাকে, বর্তমানে গৃহীত টিপছাপের তুলনা করিয়া স্বয়ং সন্তুষ্ট হইবেন যে, এইরূপ ক্ষেত্রে সন্দেহের কোনো অবকাশ নাই। — at Gazipur_গাজীপুর

জমি, বাড়ী, প্লট, ফ্ল্যাটের নতুন রেজিষ্ট্রেশন ফি।
03/07/2023

জমি, বাড়ী, প্লট, ফ্ল্যাটের নতুন রেজিষ্ট্রেশন ফি।

অতি শিগগিরই দেশের সকল প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সকে কেন্দ্র করে একটা সুখবর এসেছে।
08/06/2023

অতি শিগগিরই দেশের সকল প্রাইভেট এ্যাম্বুলেন্সকে কেন্দ্র করে একটা সুখবর এসেছে।

08/06/2023

টিন সার্টিফিকেট বাতিলের জন্য আবেদন পত্রের নমুনা -
=====================================
নতুন কর আইন ২০২৩ (খসড়া) অনুসারে টিন সার্টিফিকেট থাকলেই আয়কর রিটার্ণ নূন্যতম ২০০০ টাকা জমা দিতে হবে। না দিলে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা হবে ।

৫টি শর্তে টিন বাতিল করতে পারবেন, যেমন -
১. করদাতা মারা গেলে
২. যদি কর যোগ্য আয় না থাকে
৩. নন রেসিডেন্ট বিদেশী নাগরিক যার বাংলাদেশে কোন স্থায়ী ভিত্তি নেই।
৪. বিশেষ কোন কারণে টিন সার্টিফিকেট গ্রহণ করে থাকলে ও বর্তমানে করযোগ্য কোন আয় না থাকলে ও বাতিল করা যাবে ।
৫. ৬৫ বছরের উর্ধ্বে মহিলা ও পুরুষগণ যদি তার করযোগ্য আয় না থাকে (পূর্বে করযোগ্য আয় ছিল বর্তমানে নেই) চাইলেই তারা টিন বাতিল করতে পারবেন ।

টিন সার্টিফিকেট বাতিলের জন্য আবেদন পত্রের নমুনা -

বরাবর.
উপ কর কমিশনার/ কমিশনার
কর অঞ্চল, ০৩
চট্টগ্রাম।

বিষয়: টিন বাতিল করার জন্য আবেদন প্রসঙ্গে।

মহোদয়
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে. আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী জমি ক্রয়ের জন্য বছর তিনেক আগে টিন সার্টিফিকেট TIN Certificate করেছিলাম। আমি আমার একটি ডোবা জমি বিক্রি করে বসতবাড়ি করার জন্য আরেকটি জমি ক্রয় করে বাড়ি তৈরি করি। দীর্ঘদিন ধরে আমার আয় না থাকা শর্তে ও গত তিন বছর ধরে জিরো রিটার্ণ দাখিল করে আসছি (কপি সংযুক্ত)। বর্তমানে আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমি টিআইএন নম্বর ................ বন্ধ করতে ইচ্ছুক ।

অতএব, আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমার টিন সার্টিফিকেট খানি বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সদয় মর্জি হয় ।

সংযুক্তি : বর্ননামতে
১. ----- (৷- ) কপি
২. টিন সার্টিফিকেটের কপি,
৩. পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্ণের রশিদ/প্রত্যয়ণপত্র.
৪. জাতীয় পরিচপত্রের ফটোকপি

বিনীত নিবেদক,

নাম : ................
ঠিকানা: .............
টিআইএন নম্বর : .........
মোবাইল নম্বর: ...........

আইনের চারটি প্রধান উদ্দেশ্য হলঃ১. মান প্রতিষ্ঠা করা২. শৃঙ্খলা বজায় রাখা৩. বিরোধ নিষ্পত্তি করা৪. স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষ...
09/04/2023

আইনের চারটি প্রধান উদ্দেশ্য হলঃ
১. মান প্রতিষ্ঠা করা
২. শৃঙ্খলা বজায় রাখা
৩. বিরোধ নিষ্পত্তি করা
৪. স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষা করা ।

22/04/2022

ব্যক্তি পর্যায়ে ৬০ বিঘার ওপর জমি থাকলে বাজেয়াপ্ত।

ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে ৬০ বিঘার বেশি জমি অর্জন না করার বিধান রেখে ভূমি সংস্কার আইন-২০২২ প্রণয়ন করা হচ্ছে। দেশের কোনো ব্যক্তি বা পরিবার এর বেশি জমির মালিক হলে অতিরিক্ত জমি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে। বিশেষায়িত শিল্প, জনকল্যাণমুখী কার্যক্রমসহ বিশেষ ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার বেশি জমি অর্জনের বিধান রাখা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, চূড়ান্ত অনুমোদনের সুপারিশ করে আইনের খসড়াটি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। আগামী মন্ত্রিসভায় খসড়াটি উপস্থাপন করা হতে পারে।

ভূমি সংস্কার আইনের খসড়ায় ছয়টি অধ্যায়ে ২৬টি ধারায় দুই থেকে আড়াইশ উপধারা রয়েছে। এর মধ্যে কৃষিজমি অর্জন সীমিতকরণ, স্থায়ী সম্পত্তির বেনামি লেনদেন/হস্তান্তর বন্ধ করা, বাস্তুভিটা, বর্গাধার, সায়রাত মহলের বিষয় প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

ভূমি সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ সমকালকে বলেন, ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশকে ভূমি সংস্কার আইনে পরিণত করা হচ্ছে। এতে জমির বিতরণ ব্যবস্থাকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মুষ্টিমেয় মানুষ দেশের সিংহভাগ জমির মালিক হওয়ার সুযোগ পাবে না। এ কারণে ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে ৬০ বিঘা পর্যন্ত জমি ক্রয় বা অর্জনের সিলিং নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। যারা এর বেশি জমির মালিক হবেন, তাদের অতিরিক্ত জমি সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে। তবে সরকার বা সরকারপ্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার ঊর্ধ্বে জমি অর্জনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব প্রদীপ কুমার দাস সমকালকে বলেন, আইনটি প্রণয়নের পর ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা-উপজেলা প্রশাসন থেকে সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

খসড়া আইনে বলা হয়, কেউ ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমির মালিক হওয়ার বিষয়টি গোপন করলে তাকে অতিরিক্ত জমির মূল্য প্রদান না করেই অতিরিক্ত জমি বাজেয়াপ্ত করা হবে। আর যারা ৬০ বিঘার জমির মালিক হয়ে স্বেচ্ছায় অতিরিক্ত জমির ঘোষণা দেবেন, সরকার তাদের অতিরিক্ত জমি ক্রয় করবে সেখানকার মৌজা রেট অনুযায়ী।

যিনি গোপনে ৬০ বিঘার বেশি জমি সংরক্ষণ ও ভোগদখল করছেন- তাদের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেলে সরকার অভিযান চালিয়ে ওই ব্যক্তির অতিরিক্ত জমি বাজেয়াপ্ত করবে। দেশের যে কোনো নাগরিক সরকারকে অতিরিক্ত জমির তথ্য দিতে পারবেন।

কেউ ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমির তথ্য সরকারকে অবহিত করলে তার মোট জমির কোন অংশ তিনি নিজের জন্য রাখবেন আর অতিরিক্ত কোন অংশটুকু ছেড়ে দেবেন- এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তাকে দেওয়া হবে। তার কাছ থেকে পাওয়া জমি ১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত হবে। ৩৩ শতাংশে এক বিঘা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শতভাগ রপ্তানিমুখী কৃষিপণ্য বা কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি ক্রয় বা অর্জন করা যাবে। একইভাবে শতভাগ রপ্তানিমুখী বিশেষায়িত শিল্পের জন্য সরকারের অনুমতি নিয়ে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি অর্জন করা যাবে। এ ক্ষেত্রে জমির সর্বোচ্চ পরিমাণের বিষয় আইনে উল্লেখ নেই।

কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্যান্য শিল্পকারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি অর্জন করতে পারবেন।

খসড়ায় আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা তার পরিবার ৬০ বিঘার অধিক কৃষিজমির মালিক হলে তিনি হস্তান্তর, উত্তরাধিকার, দান বা অন্য যে কোনো উপায়ে নতুন কোনো কৃষিজমি অর্জন করতে পারবেন না। তবে কোনো সংস্থা জনকল্যাণার্থে সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে অতিরিক্ত জমি অর্জন করতে পারবেন। চা, কফি, রাবার বা অন্য ফলের বাগানের জন্যও অতিরিক্ত জমি অর্জনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নিজস্ব কারখানায় ব্যবহূত কাঁচামাল উৎপাদনের উদ্দেশ্যে জমি, ওয়াক্‌ফ, দেবোত্তর, ধর্মীয় ট্রাস্ট, দাতব্য কাজে ৬০ বিঘার ঊর্ধ্বে জমি অর্জনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

খসড়ায় আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি তার নিজের সুবিধার্থে অন্য কোনো ব্যক্তির নামে কোনো স্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করতে পারবেন না। সরকারের কোনো কর্মকর্তা বা কর্তৃপক্ষ আদালতের আদেশ ছাড়া কাউকে তার বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে পারবে না। সরকারের প্রয়োজনে অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে এ আইন প্রযোজ্য হবে না। বর্গাচাষের ক্ষেত্রে জমির মালিক ও বর্গাচাষির মধ্যে নির্ধারিত ফরমে চুক্তি সম্পাদনের কথা বলা হয়েছে। এই চুক্তির বৈধতা পাঁচ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। কোনোভাবেই এই চুক্তি সম্পাদন ছাড়া কারও জমি বর্গাচাষ করা যাবে না। উৎপাদিত ফসলের ভাগাভাগি বিষয়ে বলা হয়, মালিকানার জন্য জমির মালিক উৎপাদিত ফসলের এক-তৃতীয়াংশ ও বর্গাচাষি তার শ্রমের জন্য এক-তৃতীয়াংশ পাবেন। জমির মালিক ও বর্গাচাষি ফসল উৎপাদনে যে যে পরিমাণ অর্থ খরচ করবেন, সে অনুপাতে বাকি এক-তৃতীয়াংশ পাবেন।

আরও বলা হয়, ভূমি সংস্কার বোর্ড সংশ্নিষ্ট কালেক্টরের মাধ্যমে হাটবাজার, চরাঞ্চলের সরকারি জমি চিহ্নিত করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার আওতায় আনবে। খাস পুকুর, জলাধার ও সব ধরনের সায়রাত বিদ্যমান অবস্থায় সংরক্ষণ করা হবে। একই সঙ্গে ইজারা প্রদানের মাধ্যমে বেদখল রোধ করা হবে।

সমকাল: ১৯ এপ্রিল ২০২২ ইং

Address

Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Rasheduzzaman Khokon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Rasheduzzaman Khokon:

Share