Legal Capital

Call Directions Contact the business

Legal Capital Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Legal Capital, Lawyer & Law Firm, 42/1, Segunbagicha, Dhaka.

Legal Capital is one of the leading full service independent law firm with Barristers/Advocates/Lawyers who are renowned in corporate, Tax, VAT, Customs, intellectual property, Civil and Criminal litigation, documentation and Arbitration field.

13/07/2026

📌আমমোক্তারনামা (Power of Attorney)--আপনার অনুপস্থিতিতেও আপনার অধিকার থাকুক সুরক্ষিত। ⚖️
👉​অনেকেরই প্রশ্ন থাকে, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা, শারীরিক অসুস্থতা কিংবা প্রবাস জীবনের কারণে জমিজমা বা ব্যবসায়িক আইনি কাজগুলো কীভাবে সম্পন্ন হবে? এখানেই প্রয়োজন পড়ে ‘আমমোক্তারনামা’ বা ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’-র।
♦️আমমোক্তারনামা সম্পর্কে আপনার যে বিষয়গুলো জানা জরুরি:
​১. পাওয়ার অব অ্যাটর্নি কী?
এটি এমন একটি আইনগত দলিল, যার মাধ্যমে আপনি আপনার পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট কাজ (যেমন—জমি বিক্রি, দলিল রেজিস্ট্রেশন বা মামলা পরিচালনা) করার জন্য অন্য কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমতা প্রদান করেন।
​২. আমমোক্তারনামার প্রকারভেদ:
এটি দুই ধরনের হতে পারে—
​সাধারণ আমমোক্তারনামা (General Power of Attorney): যখন কাউকে অনেকগুলো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
​বিশেষ আমমোক্তারনামা (Special Power of Attorney): যখন কাউকে নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য ক্ষমতা দেওয়া হয়।
​৩. কেন সতর্কতা প্রয়োজন?
এটি একটি অত্যন্ত শক্তিশালী দলিল। যাকে আপনি ক্ষমতা দিচ্ছেন, তিনি আপনার পক্ষে দলিলে স্বাক্ষর করতে বা সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। তাই কেবল বিশ্বস্ত ব্যক্তিকেই এই ক্ষমতা প্রদান করুন।
​৪. নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন:
সম্পত্তি বা জমি সংক্রান্ত আমমোক্তারনামা অবশ্যই সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে যথাযথ নিয়ম মেনে নিবন্ধন (Register) করতে হয়। অনিবন্ধিত দলিল অনেক সময় আইনি বৈধতা পায় না।
​৫. বাতিল করার ক্ষমতা:
আপনার যদি মনে হয় আমমোক্তার নিযুক্ত ব্যক্তি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন, তবে আপনি যেকোনো সময় আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই আমমোক্তারনামা বাতিল করতে পারেন।
👉​প্রফেশনাল পরামর্শ:
যেকোনো ধরনের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা আমমোক্তারনামা তৈরির আগে এর শর্তাবলী একজন আইনজীবীর মাধ্যমে যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। ভুলভাবে তৈরি করা দলিলের কারণে পরে বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।

রিয়েল এস্টেট কোম্পানীকে টাকা দিয়েছেন আর কোম্পানী আবাসন নির্মান না করে ফেলে রেখেছে অথবা ডেভেলপার কোম্পানী আপনাকে ফ্ল্যাট ...
12/07/2026

রিয়েল এস্টেট কোম্পানীকে টাকা দিয়েছেন আর কোম্পানী আবাসন নির্মান না করে ফেলে রেখেছে অথবা ডেভেলপার কোম্পানী আপনাকে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দিচ্ছে না। এই সেক্টরে বিষয়গুলো খুবই কমন সমস্যা।অনেক সময় তো আপনার কিস্তির টাকাও ইচ্ছা করেই গ্রহণ করে না আর পরে আপনি কিস্তি পরিশোধ করছেন না বলে উল্টো মামলা ঠুকে দেয়। মানে চোরের মায়ের বড় গলা আর কি। আবার টাকা ফেরত দেবার কথা বলে একটা চেক ধরিয়ে দেয় যেটার একাউন্টে কোন টাকা থাকে না। আবার এটার জন্য চেক ডিজঅনার এর মামলা করতে হয়। মানে একটা বিরিছিরি অবস্থা আর কি। আবার ক্রিমিনাল মামলা হিসেবে প্রতারনা আর জালিয়াতির মামলা তো ফ্রি! এতে শুরুতে ফ্ল্যাট বা টাকা কোনটাই হাতে না আসলেও থানা-পুলিশ আর আদালতে দৌড়াদৌড়ি করে ব্যায়ামটা ভালই হয়। ও আচ্ছা, একই ফ্ল্যাট/ জমি যেটা আপনার কাছে বিক্রি করেছে সেটা আবার অন্য বহুজনের কাছে বিক্রিও করে দেয়। উফ!

রিয়েল এস্টেট উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫ ধারায় বলা আছে, চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডেভেলপার রিয়েল এস্টেট বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হলে, ক্রেতাকে তার পরিশোধিত সম্পূর্ণ অর্থ এবং চুক্তিতে উল্লেখিত ক্ষতিপূরণ ৬ মাসের মধ্যে 'একাউন্ট পেয়ি' (account payee) চেকের মাধ্যমে ফেরত দিতে হবে। আর যদি চুক্তিতে ক্ষতিপূরণের হার উল্লেখ না থাকে, তবে পরিশোধিত অর্থের ওপর ১৫% হারে ক্ষতিপূরণ হিসাব করতে হবে। ডেভেলপার এই সম্পূর্ণ অর্থ অনধিক ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩টি কিস্তিতে পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবেন।

টাকা ফেরত চাওয়ার বিধান আছে ১৭ ধারায়। বলা আছে, ক্রেতা যদি কোনো কারণে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তার বরাদ্দ বাতিল করে টাকা ফেরত নিতে চান, তবে ডেভেলপার আনুষঙ্গিক খরচ হিসেবে জমাকৃত অর্থের ১০% কেটে রাখবেন। অবশিষ্ট অর্থ ৩ মাসের মধ্যে এককালীন চেক বা পে-অর্ডারের মাধ্যমে ক্রেতাকে ফেরত প্রদান করতে হবে।

আর ২৭ ধারার বিধান তো সবাই-ই জানেন। ডেভেলপার যদি জমির মালিক বা ক্রেতার সাথে চুক্তি বা বরাদ্দপত্র সম্পাদন করার পরও কোনো কাজ না করেন, বা আংশিক কাজ করে বিনা কারণে ফেলে রাখেন এবং এর বিনিময়ে জমির মালিক বা ক্রেতাকে কোনো আর্থিক সুবিধা না দেন, তবে সেটি প্রতারণামূলক অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধ প্রমাণিত হলে ডেভেলপার অনূর্ধ্ব ২ বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

এছাড়া, ক্রেতার অজ্ঞাতে চুক্তিবদ্ধ রিয়েল এস্টেট অবৈধভাবে অন্যত্র বিক্রি করলে অনূর্ধ্ব ৩ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

ওহ, কোনো ডেভেলপার যদি নিজে জমি কিনে মালিক হয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করে, তবে তার ক্ষেত্রেও এই আইনের সকল বিধি-বিধান প্রযোজ্য হবে। এছাড়া, কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমষ্টি (যারা ডেভেলপার বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নন) যদি নিজেদের জমিতে ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রিয়েল এস্টেট নির্মাণ করেন, তবে তাঁদের ক্ষেত্রেও এই আইনের বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে।

অপরাধগুলোর বিচার প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়। আদালত চাইলে আদায়কৃত জরিমানার সর্বোচ্চ ৫০% ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিক বা ক্রেতাকে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়াও থানায় গিয়ে অথবা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে ৪২০/ প্রতারণার মামলা সহ অন্যান্য ক্রিমিনাল মামলা করার স্কোপ তো আছেই। আর নিষেধাজ্ঞার মামলা বা দেওয়ানী আদালতে মালিকানা দাবি থেকে শুরু করে ডিক্লারেশন মামলা সবই করা যাবে। (সোজাভাবে, ক্রিমিনাল মামলা করলে কোম্পানীকে জেলে নিয়ে যাবে। আর আপনার টাকা/ ক্ষতিপূরণ পেতে হলে বা ফ্ল্যাট বুঝে নেয়ার জন্য দেওয়ানী আদালতে বা বিশেষ আইন অনুযায়ী মামলা করতে হবে।)

'ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩' নামে যে একটি নতুন আইন হয়েছে সেখানেও বলা হয়েছে, ভূমির নির্ধারিত সম্পূর্ণ মূল্য ক্রেতা কর্তৃক পরিশোধ করার পরও বিক্রেতা (বা ডেভেলপার) যদি যুক্তিসঙ্গত কোনো কারণ ছাড়া ক্রেতাকে উক্ত ভূমির দখল বুঝিয়ে না দেন (হস্তান্তর না করেন), তবে সেটি একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। ডেভেলপার বা বিক্রেতা যদি অন্যের জমি নিজের বলে প্রচার করে, তথ্য গোপন করে কোনো প্রপার্টি হস্তান্তর করে, মিথ্যা বিবরণ দিয়ে দলিল সম্পাদন বা স্বাক্ষর করে তাহলে এই ধরনের প্রতারণামূলক অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ হবে ৭ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড। এই আইনের অধীনে বিচার চলাকালে আদালতের কাছে যদি প্রমাণিত হয় যে অপরাধের কারণে ক্রেতা বা কোনো ব্যক্তি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তবে আদালত অপরাধীর কাছ থেকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে দেওয়ার আদেশ প্রদান করতে পারবেন। এছাড়া ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আদালত উপযুক্ত ব্যক্তির অনুকূলে জমির দখল অর্পণেরও নির্দেশ দিতে পারবেন।

যাহোক, ক্রেতা চুক্তি ভঙ্গ করলে বা কিস্তি পরিশোধ না করলেও আইনে বিধান রয়েছে, সেগুলো আরেকদিন....

এসব ঝক্কি ঝামেলা যাতে পোহাতে না হয় সেজন্য কি করা যাবে?

সত্যি কথা হচ্ছে, আপনি যতই সতর্ক থাকুন না কেন, প্রতারণা শতভাগ এড়ানো অনেকক্ষেত্রেই সম্ভব হয় না। তবে কিছু হোমওয়ার্ক করা থাকলে ক্ষতি কমানো যেতে পারে।

দেখুনঃ
ডেভেলপার কোম্পানিটি প্রকৃতপক্ষে নিবন্ধিত এবং সক্রিয় কিনা।
প্রকল্পের জমির প্রকৃত মালিক কে এবং ডেভেলপারের সেই জমির উপর বৈধ অধিকার আছে কিনা।
জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) হালনাগাদ আছে কিনা।
রাজউক, সিটি কর্পোরেশন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনুমোদন রয়েছে কিনা।
একই প্রকল্পে পূর্বে অন্য ক্রেতারা ফ্ল্যাট বা প্লট বুঝে পেয়েছেন কিনা এবং কোম্পানির অতীত রেকর্ড কেমন।
চুক্তিপত্রে হস্তান্তরের নির্দিষ্ট সময়, বিলম্বের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ এবং টাকা ফেরতের শর্ত স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে কিনা। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একজন ভাল আইনজীবী আপনার চুক্তিটি লিখে দিতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে কোম্পানী থেকে চুক্তিপত্রটি দেয়া হতে শুধু স্বাক্ষর করার জন্য। এক্ষেত্রে আপনার আইনজীবীকে দিয়ে তা ভেটিং করিয়ে নিন।
সব ধরনের অর্থ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে পরিশোধ করুন এবং প্রতিটি লেনদেনের রসিদ, ব্যাংক স্লিপ ও কাগজপত্র যত্নসহকারে সংরক্ষণ করুন।
সব লিখিতভাবে নিশ্চিত করুন।

ডেভেলপারের মিষ্টি কথার চেয়ে চুক্তিপত্রের একটি ধারা অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য হবে।

যেকোন আইনি পরামর্শের যোগাযোগ করুন
০১৭৬১-৮৫৫৪৫৩

জমি কেনার আগে যে পাঁচটি বিষয় জানা প্রয়োজনবাংলাদেশে জমি কেনা-বেচা বিষয়টি সতর্কতার সাথে না করা হলে বিপত্তি তৈরি হওয়ার সম্ভ...
22/04/2026

জমি কেনার আগে যে পাঁচটি বিষয় জানা প্রয়োজন

বাংলাদেশে জমি কেনা-বেচা বিষয়টি সতর্কতার সাথে না করা হলে বিপত্তি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা যেমন একটি ইস্যু, আবার নানা ধরণের জালিয়াতির শিকার হওয়ার ঘটনাও ঘটে প্রায়শই।
তাড়াহুড়ো না করে জমি কেনার আগে কিছু বিষয় যাচাই করে নিতে পারলে প্রতারণার শিকার হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। নিচে কয়েকটি বিষয় তুলে ধরা হলো যেগুলো জমি কেনার আগেই লক্ষ্য রাখা জরুরী।
কাগজপত্রের কপি
জমি কেনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মালিকানার প্রমাণ সংক্রান্ত দলিল ও কাগজপত্র। যেসব কাগজপত্রের ফটোকপি সংগ্রহ করতে হবে সেগুলো হচ্ছে হচ্ছে - জমির দলিল, ওয়ারিশ সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), সিএস/ এসএ/ আরএস/ মহানগর/ মিউটেশন পড়চা, ডিসিআর, খাজনার দাখিলা ইত্যাদি।
বিশেষত দলিল, মিউটেশন বা নামজারির কাগজপত্র এবং খাজনা হালনাগাদের তথ্য সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে হবে ।
জমিভেদে সিএস, আরএস বা অন্য কাগজেরও প্রয়োজন হতে পারে, তাই যতদূর সম্ভব সেগুলো জোগাড় করা প্রয়োজন, যাতে জমি সংক্রান্ত অতীত তথ্য, বর্তমান মালিকানা, পরিমাপ ইত্যাদির নির্ভরযোগ্যতা যাচাই সম্ভব হয়।কাগজপত্রের বর্তমান মালিকানার বিষয় ছাড়াও ২৫ বছরের মালিকানা সংক্রান্ত তথ্যের দিকে জোর দেয়া হয়। পুরনো দলিলের সাথে পরবর্তী নামজারির খতিয়ান মিলছে কী-না সেটা গুরুত্বপূর্ণ।
“অনেক সময় মিউটেশনের (নামজারি) সময় আরেক জমির কিছু অংশ কাগজে চলে আসে। অথবা মামলা বা দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে মিউটেশন বাতিলের মত ঘটনাও ঘটতে পারে,” এমন ক্ষেত্রে কাগজগুলো মিলিয়ে নিতে হবে।
যিনি জমি বিক্রি করছেন তিনি ক্রয়-সূত্রে নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে জমির মালিক হয়েছেন এ বিষয়গুলোও পরিষ্কার হতে হয়। যদি উত্তরাধিকার-সূত্রে হয় তাহলে অন্য উত্তরাধিকার আছে কী না সেটি যাচাই করা জরুরী।

সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র যাচাই করতে তিনটি অফিসে যেতে হবে। তহসিল বা ভূমি অফিস, এসি (ল্যান্ড) বা সহকারী ভূমি অফিস এবং সাব-রেজিস্ট্রার অফিস।
তহসিল বা ইউনিয়ন ভূমি অফিস : জমির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে তথ্য পেতে তহসিল অফিস সবার আগে গুরুত্বপূর্ণ। খাজনার রশিদটি সঠিক কী-না, প্রস্তাবিত দাগ ও খতিয়ানের জমির প্রকৃত মালিক কে, জমিতে কোন সরকারি স্বার্থ জড়িত আছে কী-না সেটি দেখতে হবে। এখানে সরকারি স্বার্থ বলতে খাস জমি, পরিত্যক্ত সম্পত্তি , ওয়াকফ এস্টেট এবং সরকারি অধিগ্রহণের বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে।
এসি ল্যান্ড অফিস – মিউটেশন বা নামজারি সংক্রান্ত তথ্য বা দ্বন্দ্বের বিষয়ে নিশ্চিত হতে যেতে হবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে। বিক্রেতার নামজারির কাগজপত্র (মিউটেশন পড়চা, ডিসিআর) ঠিকঠাক না হলে জমি রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব হবে না।
সাব-রেজিস্ট্রার অফিস – সাম্প্রতিক বেচা-কেনার রেকর্ড, অর্থাৎ ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে সে জমি বিক্রি সংক্রান্ত তথ্য নিশ্চিতে সাব রেজিস্ট্রার অফিসে যেতে হবে। অনেক সময় অন্যান্য সব তথ্য একই থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে একই জমি অন্য কাউকে বিক্রি করে দেয়ার মতো ঘটনা থাকতে পারে। সেজন্য সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে তথ্য নিশ্চিত করতে হবে ।
সরেজমিন অবস্থা
কাগজপত্রের তথ্য পাওয়ার পর জমি কিনতে সরেজমিনে গিয়ে দেখার ব্যাপারে জোর দিচ্ছেন । এতে করে জমিটি কেমন, সেখানে কোনো ডোবা বা পুকুর আছে কিনা, রাস্তার অবস্থান কী, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা তৈরি হবে। এছাড়া সেই জমি সরকার অধিগ্রহণ করেছে কিনা, বা জায়গা যেমন কাগজে উল্লেখ রয়েছে তার থেকে কম-বেশি আছে কিনা সেসব বিষয়ে ধারণা পাওয়া সম্ভব।
এছাড়া এলাকাবাসীর সাথে আলোচনা করাটাও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। জায়গাটি ‘একাধিকবার ভিজিট’ করা, কারণ তাঁর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতায় “দশজন মানুষ হলে একজন অন্তত থাকে যিনি গোপনে হলেও সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করেন।”এছাড়া সম্ভব হলে ভূমি অফিসের ম্যাপ সংগ্রহ করে সে অনুযায়ী জমির উল্লেখিত দাগ মিলিয়ে নিতে পারলেও ভালো হয়।
পরামর্শ গ্রহণ
সাধারণত জায়গা-জমি ক্রয়ের আগে বেশিরভাগ মানুষ আইনজীবীদের সাথে পরামর্শ করেন না। আইনজীবীদের পরামর্শ না নিলেও জমি সংক্রান্ত ভালো জ্ঞান আছে এমন ব্যক্তিদের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

আরও কিছু সতর্কতা
এতো কিছু নিশ্চিত করে নেয়ার একটা বড় উদ্দেশ্য জমি নিষ্কটক নিশ্চিত করা। কারণ মামলা মোকদ্দমায় বা মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ পরবর্তীতে ক্রেতার জন্য বাড়তি ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে।
বড় জমি বা বেশিমূল্যবান সম্পত্তির ক্ষেত্রে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে জানান দেয়ার প্রয়োজন।
অনেক সময় পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির মাধমে জমি কেনাবেচা হয়। সেক্ষেত্রে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের সহায়তায় মূল মালিকের সাথে অন্তত যোগাযোগ করে নেয়া প্রয়োজন । কারণ এমন অনেক মামলা পরবর্তীতে আসে যেখানে ভুয়া পাওয়ার অফ অ্যাটর্নির মধ্য দিয়ে জমি বিক্রি করা হয়।
যে কোনও অবস্থাতেই জমি কেনার ক্ষেত্রে মধ্যস্বত্ত্বভোগীর সাথে আলোচনা না করে সরাসরি মালিকের সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন। এসব কিছু যাচাই করতে সময় লাগলেও কম দামে কিনতে তাড়াহুড়ো করতে গেলে সর্বসান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
কেনার সময় করনীয়
জমির সব কাগজপ্ত্রের বিষয়ে সন্তুষ্ট থাকলে কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া গেলে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিল প্রস্তুত করতে হবে।
দলিল লেখার সময় অনেক ক্ষেত্রে ভুল হয়, তাই দলিল চূড়ান্ত করার আগে ড্রাফটে যা যা বলা হয়েছে সেসব তথ্য সঠিকভাবে এসেছে কিনা সেগুলো যাচাই করে নেয়ার সব ঠিক করে দলিল চূড়ান্ত হলে এর পরপরই মিউটেশন বা নামজারির জন্য আবেদন করতে হবে। এখন নামজারির বিষয়টি অনলাইনে করে নেয়া সম্ভব।
এর বাইরে “আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে রশিদ নেয়ার এবং সাক্ষী রাখার” এবং “যতটা সম্ভব চেক বা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা-পয়সা লেনদেন” করার পরামর্শও দিচ্ছে কক্সবাজার সদর উপজেলা ভূমি অফিস।
আরও কিছু বিষয় নিশ্চিত করা কথা বলা হয়েছে জাতীয় তথ্য বাতায়নে। সেগুলো হলো জমির দলিলের স্ট্যাম্প এবং দলিল রেজিষ্ট্রির রশিদ ক্রেতার নামে নিশ্চিত করে কিনে রশিদ যত্নসহকারে রাখা, জমি রেজিট্রির সময় ক্রেতা ও বিক্রেতা উপস্থিত থেকে স্বাক্ষর করা, বিক্রেতার নামে নামজরিপ কপি এবং আরএস পর্চা উপস্থাপন করা।
নতুন আইন ও জরিপের মধ্য দিয়ে বিষয়গুলো আরও পরিষ্কার হওয়ার ধারণা দিচ্ছেন তিনি। যেমন আগে জমি দখল একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা হতো। এজন্য কেউ জমি কিনলে সেই সাথে দখন নিশ্চিত করাটাও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হতো।
পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন
০১৭৬১-৮৫৫৪৫৩

Address

42/1, Segunbagicha
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801791665712

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Capital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Legal Capital:

Shortcuts

Share