LEX FIRME

LEX FIRME Lex Firme is one of the leading corporate law firm in Bangladesh.

We are working with BRAC, Sonali Bank Limited, Islami Bank Bangladesh Limited, BRAC Bank Limited, ONE Bank Limited, Southeast Bank limited, Jamuna Bank Limited, ICB Islamic Bank Limited, Padma Bank Limited, NRB Commercial Bank Limited, Prime Finance & Investment Limited, First Finance Limited, IPDC Finance Limited and CVC Finance Limited as it's enlisted panel law firm.

'LEX FIRME' এর চলার পথে ১০ম বর্ষপূর্তি । আমি Head of Chamber হিসেবে LEX FIRME এর পক্ষে প্রথমেই সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অ...
09/01/2023

'LEX FIRME' এর চলার পথে ১০ম বর্ষপূর্তি । আমি Head of Chamber হিসেবে LEX FIRME এর পক্ষে প্রথমেই সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আরো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আমার চেম্বারের সকল Barristers, Advocates, Abogado, Legal Consultants এবং LEX FIRME পরিবারের সদস্য এবং কর্মকর্তাদের প্রতি যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে LEX FIRME সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারা আপনাদের উপর অর্পিত লেক্স ফার্মের সকল দায়িত্ব এবং কর্তব্য অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করে লেক্স ফার্মকে সাফল্যের চরম শিখরে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আরো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আমাদের সকল কর্পোরেট ক্লায়েন্ট, ব্যাংক, বীমা, কোম্পানী এবং অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি যারা তাদের প্রসিদ্ধ এবং সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানে ‘LEX FIRME’ কে প্যানেল ল’ ফার্ম হিসেবে এনলিস্টেড করেছেন এবং আপনাদের এই অসামান্য অবদানের জন্য আমার চেম্বার আজ সাফল্যমন্ডিত হতে পেরেছে এবং জায়গা করে নিতে পেরেছে বাংলাদেশর কর্পোরেট জগতের অন্যতম একটি বিশ্বস্ত স্থানে।
বিঃদ্রঃ ছবিগুলো বিগত কয়েক বছরের।

30/10/2022

চলুন জেনে নেই..

23/06/2022

মুসলিম বিবাহ একটি সামাজিক চুক্তি। এই চুক্তি সম্পাদনের অন্যতম শর্ত দেনমোহর। এই শর্তটি পূরণ ব্যতীত কোন বিবাহ বৈধ হতে পারে না। ডি.এফ মোল্লা এর মতে, "মোহর বা মোহরানা হলো কিছু টাকা বা অন্য কিছু সম্পত্তি যা বিবাহের প্রতিদান স্বরুপ স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে পাবার অধিকারী। মোহরানা স্ত্রীর সন্মানের প্রতীক।"

দেনমোহর স্ত্রীর একচ্ছত্র অধিকার এবং এটা স্ত্রীর জন্য মর্যাদা স্বরুপ। বিয়েতে যদি দেনমোহর নির্ধারণ করা না হয়, তবে স্ত্রী তার মর্যাদা ও যোগ্যতার বিচারে দেনমোহর পাওয়ার অধিকারী। দেনমোহর স্বামীর ঋণ, যা স্বামী তাঁর স্ত্রীকে পরিশোধ করতে বাধ্য। মাহমুদা খাতুন বনাম আবু সাইদ (২১ ডি.এল.আর) মামলায় মহামান্য বিচারপতি কর্তৃক সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, ‘সহবাসের আগে এবং পরে স্ত্রী স্বামীর কাছে তলবী মোহরানার দাবি করতে পারে এবং স্বামী তলবী দেনমোহর পরিশোধ না করলে স্ত্রী তার স্বামীর অধিকারে অর্থাৎ সহবাসে যেতে স্ত্রী অস্বীকার করতে পারেন।’ এ অজুহাতে স্বামী স্ত্রী থেকে দূরে অবস্থান করলে তা পরিশোধে বাধ্য। (১১ ডি এল আর (ডবলু পি) লাহোর ১২৪। স্বামী এহেন মোহরানা পরিশোধ ব্যতীত দাম্পত্য অধিকারের ডিক্রি পেতে পারে না। যে কোন বিষয় সম্পত্তি মোহরানার জন্য ধার্য করা যায় না। ইহা হতে পারে নগদ অর্থ, কোন বীমা পলিসি বা অন্য কোন দ্রব্য সামগ্রী। তবে কোন হারাম বস্তু হতে পারবে না। স্বামীর দখলে নেই এমন কোন সম্পত্তি মোহরানা হতে পারে না। ভবিষ্যত কোন বিষয়ও এর অন্তর্ভূক্ত হতে পারবে না।

দেনমোহর নির্ধারণ পদ্ধতি:
মোহরানার পরিমান সুনির্দিষ্টভাবে বেঁধে দেয়া হয়নি। তাই তা আপেক্ষিক। অর্থাৎ বর ও কনের উভয়ের দিক বিবেচনান্তে তা নির্ধারিত হয়। দেনমোহর কত হবে তা নির্ণয়কালে স্ত্রীর পিতার পরিবারের অন্যান্য মহিলা সদস্যদের ক্ষেত্রে যেমন স্ত্রীর বোন, খালা, ফুফুদের ক্ষেত্রে দেনমোহরের পরিমাণ কত ছিল তা বিবেচনা করা হয়। তাছাড়া স্ত্রীর পিতার আর্থ-সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। অপর দিকে বরের আর্থিক ক্ষমতার দিকটাও বিবেচনায় রাখা হয়। এসব দিক বিচার বিবেচনা করেই মূলতঃ দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়।

১৯৬১ সালের পারিবারিক আইনের ১০ ধারা মোতাবেক দেনমোহর প্রদানের পদ্ধতি সম্পর্কে কাবিনে বিস্তারিত উল্লেখ না থাকলেও স্ত্রী চাহিবামাত্র সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করতে হবে। দেনমোহরের পরিমাণ নির্ধারিত থাকলেও এর কোন সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ নেই। তবে দেনমোহরের পরিমাণ বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করার সময়ে বা বিয়ের আসরে নির্ধারণ করতে হবে। তবে সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি হল বিয়ের দিন নির্ধারণ করার পূর্বে উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে ধার্য্য করা। বর নিজেও এ চুক্তি করতে পারে। এই দেনমোহর দাম্পত্য মিলন, তালাক-বিচ্ছেদ অথবা স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুর দ্বারা নিশ্চিত হয়।

দেনমোহরের দুটো অংশ যথাক্রমে (১) মুয়াজ্জল (আশু) দেনমোহর (২) মু-অজ্জল (বিলম্বিত) দেনমোহর।

ক) মুয়াজ্জল বা আশু দেনমোহর হচ্ছে, নগদে স্ত্রীকে প্রদান করা অর্থাৎ বিয়ের আসরে দিতে হয়। বিয়ের আসরে না দিতে পারলে পারিবারিক জীবন চলাকালীন সময়ে দেনমোহরের যে অংশটুকু স্ত্রী চাহিবা মাত্র স্বামী পরিশোধ করতে বাধ্য থাকে।

খ) মু-অজ্জল বা বিলম্বিত দেনমোহর হচ্ছে, দেনমোহরের যে অংশটুকু স্বামীর মৃত্যুর পর কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ে বিচ্ছেদ বা তালাকের পর স্ত্রী পেয়ে থাকে।

মোজাহেদুল ইসলাম বনাম রওশন আরা (২২ ডি.এল.আর, পৃষ্ঠা-৬৭৭) মামলায় বলা হয়েছে, দেনমোহর কখনই মাফ হয় না। স্বামী যদি মারাও যায় তবে সে স্বামীর সম্পদ হতে দেনমোহর আদায় করা যায়। অর্থাৎ স্বামীর মৃত্যুর পর যদি স্ত্রী সমুদয় অথবা শুধুমাত্র বিলম্বিত দেনমোহরের অর্থ অনাদায়ী থেকে থাকে। তবে স্ত্রী তার প্রয়াত স্বামীর ভূ-সম্পত্তি দখল করত উহার রাজস্ব বা মুনাফা হতে তা উসুল করতে পারে। কেননা ইসলামী আইনে দেনমোহরকে দেনা বলে বিবেচনা করা হয়।

দেনমোহরের পরিমাণ যত বেশি হোক না কেন, পক্ষগুলোর মধ্যে স্বীকৃত হলে স্বামী তা সম্পূর্ণ রূপে স্ত্রীকে পরিশোধ করতে বাধ্য থাকবে। এমনকি স্বামীর আর্থিক সঙ্গতি না থাকলেও আদালত মোহরানার দায় হতে স্বামীকে মুক্তি দেবে না।

দেনমোহরের নিয়ম এবং শর্তাবলী বা অর্থ প্রদানের শর্তাবলী এটাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- যদি বিবাহ সম্পন্ন হয়, এবং মৃত্যুর দ্বারা দ্রবীভূত হয়: (ক) নিয়মিত বিবাহের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মোহরের পুরোটাই। (খ) নিয়মিত বিবাহের ক্ষেত্রে অনির্দিষ্ট হলে যথাযথ মোহরানা। (গ) অনিয়মিত বিবাহের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বা যথাযথ মোহরানা, যেটি কম হয়।

এ ব্যাপারে পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন-

“আর যদি মোহর সাব্যস্ত করার পর স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দিয়ে দাও, তাহলে যে, মোহর সাব্যস্ত করা হয়েছে তার অর্ধেক দিয়ে দিতে হবে।” (আল কুরআন ২:২৩৭)

এছাড়া Taibi vs Nathai Sharif (1940) 2MLJ এই মামলায়ও আদালত এই বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন- If the marriage was not consummated and the amount of dower was specified in the contract she is entitled to half of the amount the amount.

এখানে উল্ল্যখ্য যে, বিয়ে অনেক কারণেই অনিয়মিত হতে পারে। যেমনঃ সাক্ষীর উপস্থিতি না থাকা, পঞ্চম স্ত্রী গ্রহণ, ইদ্দত কালে বিয়ে ইত্যাদি। এছাড়া আরো কিছু কারণে বিয়ে অনিয়মিত হতে পারে। অনিয়মিত বিয়েতে হওয়া দূষণগুলি মুক্ত করে বৈধ বিয়েতে রুপান্তর করা যায়।

জিশান মাহমুদ
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট।

24/05/2022

কোম্পানীর নামীয় চেক দিয়ে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সম্প্রতি ঢাকার সিএমএম কোর্টের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট কোম্পানীসহ ....

21/05/2022

*****খুব গুরুত্বপূর্ণ জানা খুব জরুরী*****
০১= মৌজা 👉 গ্রাম।
০২= জে.এল নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।
০৩= ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।
০৪= খং 👉 খতিয়ান।
০৫= সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুজায়
০৬= হাল 👉 বর্তমান।
০৭= বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।
০৮= নিং 👉 নিরক্ষর।
০৯= গং 👉 আরো অংশীদার আছে।
১০= সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।
১১= তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।
১২= সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।
১৩= এজমালী 👉 যৌথ।
১৪= মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।
১৫= পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।
১৬= বাস্তু 👉 বসত ভিটা।
১৭= বাটোয়ারা 👉 বন্টন।
১৮= বায়া 👉 বিক্রেতা।
১৯= মং 👉 মবলগ/মোট
২০= মবলক 👉 মোট।
২১= এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।
২২= হিস্যা 👉 অংশ।
২৩= একুনে 👉 যোগফল।
২৪= জরিপ 👉 পরিমাণ।
২৫= এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।
২৬= চৌহদ্দি 👉 সীমানা।
২৭= সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।
২৮= দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।
২৯= নক্সা 👉 ম্যাপ।
৩০=নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।
৩১= নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।
৩২= পিং 👉 পিতা।
৩৩= জং 👉 স্বামী।
৩৪= দাগ নং 👉 জমির নম্বর।
৩৫= এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।
৩৬= স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।
৩৭= সমূদয় 👉 সব কিছু।
৩৮= ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।
৩৯= পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।
৪০= বিং 👉 বিস্তারিত।
৪১= দং 👉 দখলকার।
৪২= পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।
৪৩= বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।
৪৪= মৌকুফ 👉 মাপ।
৪৫= দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।
৪৬= হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
৪৭= বাটা দাগ 👉 কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
৪৮= অধুনা 👉 বর্তমান।
৪৯= রোক 👉 নগদ।
৫০= ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৫১= দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
৫২= দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৫৩= তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৫৪= খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
৫৫= খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৫৬= জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।
৫৭= এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৫৮= অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৫৯= তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।
৬০= নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৬১= অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৬২= আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।
৬৩= আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।
৬৪= আসলি 👉 মূল ভূমি।
৬৫= আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।
৬৬= ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
৬৭= ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।
৬৮= ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।
৬৯= এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৭০= ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৭১= কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৭২= কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার
৭৩= কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭৪= কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭৫= কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৬= কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৭= কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।
৭৮= কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৯= কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।
৮০= কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।
৮১= খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৮২= খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮৩= খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮৪= খিরাজ 👉 কর, খাজনা।
৮৫= খানে খোদাঃ মসজিদ।
৮৬= খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৭= গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।
৮৮= গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।
৮৯= গির্বিঃ বন্ধক।
৯০= চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।
৯১= জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।
৯২= চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯৩= চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।
৯৪= চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।
৯৫= চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৬= চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৭= জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।
৯৮= জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৯= জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
১০০= জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।
১০১= জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
১০২= জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।
১০৩= টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১০৪= টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।
১০৫= ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১০৬= ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১০৭= তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
১০৮= তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১০৯= তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।
১১০= তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।
১১১= তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
১১২= তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১১৩= তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১১৪= তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।
১১৫= তরতিব 👉 শৃংখলা।
১১৬= তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।
১১৭= দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১১৮= দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।
১১৯= দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
১২০= দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
১২১= দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
১২২= দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।
১২৩= দরবস্ত 👉 সমুদয়।
১২৪= নথি 👉 রেকর্ড।
১২৫= দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১২৬= দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১২৭= দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।
১২৮= নক্সা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১২৯= নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।
১৩০= নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
🍁 Copy Post 🍁

লেক্স ফার্ম এর পক্ষ থেকে বসন্তের আগমন ও ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছাl
14/02/2022

লেক্স ফার্ম এর পক্ষ থেকে বসন্তের আগমন ও ভালবাসা দিবসের শুভেচ্ছাl

মাঝখানে লেখার একটু বিরতি দিয়েছিলাম..
06/02/2022

মাঝখানে লেখার একটু বিরতি দিয়েছিলাম..

আমরা অনেকেই প্যারেন্টিং নিয়ে কথা বলি। অর্থাৎ সন্তানের প্রতি মা-বাবার আচরণ এবং দায়িত্ব। শিশুর শারীরিক, মানসিক, মন.....

'LEX FIRME' এর চলার পথে ৮ম বর্ষপূর্তি । আমি Head of Chamber হিসেবে LEX FIRME এর পক্ষে প্রথমেই সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভ...
08/01/2022

'LEX FIRME' এর চলার পথে ৮ম বর্ষপূর্তি । আমি Head of Chamber হিসেবে LEX FIRME এর পক্ষে প্রথমেই সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আরো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আমার চেম্বারের সকল Barristers, Advocates, Abogado, Legal Consultants এবং LEX FIRME পরিবারের সদস্য এবং কর্মকর্তাদের প্রতি যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে LEX FIRME সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে এবং আমি বিশ্বাস করি আপনারা আপনাদের উপর অর্পিত লেক্স ফার্মের সকল দায়িত্ব এবং কর্তব্য অত্যন্ত নিষ্ঠা, সততা ও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করে লেক্স ফার্মকে সাফল্যের চরম শিখরে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আরো ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আমাদের সকল কর্পোরেট ক্লায়েন্ট, ব্যাংক, বীমা, কোম্পানী এবং অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতি যারা তাদের প্রসিদ্ধ এবং সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠানে ‘LEX FIRME’ কে প্যানেল ল’ ফার্ম হিসেবে এনলিস্টেড করেছেন এবং আপনাদের এই অসামান্য অবদানের জন্য আমার চেম্বার আজ সাফল্যমন্ডিত হতে পেরেছে এবং জায়গা করে নিতে পেরেছে বাংলাদেশর কর্পোরেট জগতের অন্যতম একটি বিশ্বস্ত স্থানে।

বিঃদ্রঃ ছবিগুলো গত ০৯/০১/২১ তারিখের।

প্রায় সব ছেলেই সুবোধ বালকের মতো মাথা নাড়ে..Amy Jannat
22/12/2021

প্রায় সব ছেলেই সুবোধ বালকের মতো মাথা নাড়ে..

Amy Jannat

আদতে সবার গল্পের শুরুটা এমন হলেও একই গতিতে চলে না।

এখন প্রশ্ন, এক্ষেত্রে কয়টি পরিবার এই বিষয়গুলো জানে বা গুরুত্ব দেয়?Amy Jannat
13/12/2021

এখন প্রশ্ন, এক্ষেত্রে কয়টি পরিবার এই বিষয়গুলো জানে বা গুরুত্ব দেয়?

Amy Jannat

বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা একটি কোমল হৃদয় নিজেকেই হারিয়ে ফেলে

Address

Suite No. 7N (7th Floor), Meherba Plaza, 33, Topkhana Road
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LEX FIRME posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to LEX FIRME:

Share

Our Story

Lex Firme is one of the leading corporate law firm in Bangladesh. We are working with Southeast Bank Limited, BRAC Bank Limited, ONE Bank Limited, TRUST Bank limited, ICB Islamic Bank Limited, The Padma Bank Limited, NRB Commercial Bank Limited, IDLC Finance Limited, First Finance Limited, Prime Finance & Investment Limited, BRAC and Square Textiles Limited as it's enlisted panel law firm.