Adv. Noor E Jannat

Directions

Adv. Noor E Jannat LL.B(UAP), LL.M(EU), Land Management, Vetting, Tax & vat consultant, Criminal and Civil Lawyer

বর্তমান সময়ে শিশু কিশোরদের বখে যাওয়ার অন্যতম কারণ এর মধ্যে একটা হল নাটক সিনেমা। প্রতিটা মানুষ পড়ে যত না শিখে তার চেয়...
22/09/2026

বর্তমান সময়ে শিশু কিশোরদের বখে যাওয়ার অন্যতম কারণ এর মধ্যে একটা হল নাটক সিনেমা। প্রতিটা মানুষ পড়ে যত না শিখে তার চেয়ে বেশি শিখে, দেখে। এখনকার নাটক সিনেমা বেশিরভাগই গার্লফ্রেন্ড বয়ফ্রেন্ড প্রেম ভালোবাসা, বড় ভাই, এলাকার বড় হেডম, গ্যাংস্টার, মারামারি, মাদক এসব নিয়ে। সিনেমাতে মারামারি করা মদ খাওয়া সিগারেট খাওয়া এগুলো খুব কুলনেস হিসাবে প্রকাশ করে। জোশ একটা লাইফ। এখন স্বাভাবিকভাবেই 6 থেকে 17 বছর বয়স এর বাচ্চারা যখন এসব দেখে তাদের মধ্যে অন্যরকম একটা শরীর গরম কাজ করে।

অ্যানিমেহলিক হবার কারণে ছোটবেলা থেকে আমি খুব এনিমে দেখতাম। আমার অ্যাকশন এবং ফ্যান্টাসি ধরনের এনিমে ভালো লাগে। সুপার পাওয়ার দেখলে মনে হতো ইস আমার যদি এমন পাওয়ার থাকতো আমি এই করতাম ওই করতাম। কিন্তু এনিমে গুলো শুধুমাত্রই অবাস্তব। যার কারনে যতই মনে হোক এই সুপার পাওয়ার দিয়ে সেই করে ফেলব এগুলো হবে না। ম্যাজিক্যাল ডোরেমি, নারুত, পোকেমন, ড্রাগন বল জি, বে ব্লেড এগুলা দেখে নিজেকে সুপার সাইয়ান ফিল হইতো। কিন্তু তখন বাস্তব বিষয় নিয়ে সিনেমায় চলত মিনা কার্টুন। তখনকার দিনে নাটক সিনেমাগুলো বেশিরভাগই ছিল পরিবার ভিত্তিক। বড়দের প্রতি সম্মান, ছোটদের প্রতি স্নেহ, পরিবারের প্রতি ভালোবাসা দায়িত্ববোধ, বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা এসব নিয়ে। দিপু নাম্বার টু, আমার বন্ধু রাশেদ, আগুনের পরশমণি, দূরত্ব এসব সিনেমায় মানুষের বাস্তব জীবন এবং দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান নিয়ে বানানো হতো। আর এখনকার বানানো একটা ভালো বলিউড সিনেমা নাই। আর বলিউড থেকেই তো আসে আমাদের দেশের প্রডিউসারদের আইডিয়া কারণ তাদের নিজেদের কোন আইডিয়া নাই। কিসব মাদক খাওয়া মদ খাওয়া মারামারি মহিলা বাজি এসব নিয়ে সিনেমা বানায়। আর এগুলোকে খুব কুল লাইফ হিসাবে প্রকাশ করে। মানুষ মেরে ফেলতেছে মদ খাইতেছে পুলিশ ধরতে পারতেছে না তারপরে পুলিশের সাথেও সেই মারামারি হইতেছে যখন এসব একটা উঠতি বয়সের বাচ্চারা দেখে তাদের মনে এগুলো অন্যরকম ভাবে বিকশিত হয়। আর এসব থেকেই জন্ম হয় 'কিশোর gang' এর।

দেখবেন এই কিশোর গেংদের প্যাটার্ন সেই সিনেমায় দেখানো উগ্র নায়ক গুলোর মতন। এখন এই উগ্র গুলা যখন সিনেমায় নায়ক হয় তখন সবার তো নায়কই হইতে মন চাবে। মাইর খাওয়া পুলিশ অফিসার তো হইতে মন চাবে না। আগের দিনের সিনেমায় মারামারি শেষে পুলিশ আসত আসামিরা ভয়ে সারেন্ডার করে চলে যেত আর এখনকার সিনেমায় পুলিশ আসে, পুলিশের সাথে উগ্র নায়কগুলা মারামারি করে।
ছোটবেলায় মনে হতো আমার যদি একটা পিকাচু থাকতো তাহলে আমার সাথে যে খারাপ আচরণ করছে তাকে পিকাচুর thunderbolt দিয়ে মাটিতে শোয়ায় দিতাম। কিন্তু পিকাচু তো বাস্তবে এক্সিস্ট করে না। কিন্তু এইসব অস্ত্র মাদক এগুলো বাস্তব জীবনে এক্সিষ্ট করে। তাই এখনকার পোলাপান এসব নিজেরা করতে চায়। খুব দ্রুত বেগে বাইক চালানো মানুষকে মেরে ফেলা সিনেমায় যেমন কোন বিষয় না তারা বাস্তবেও এটাকে কোন বিষয় মনে করে না। কারণ সিনেমাতে তো দেখছেন নায়কই এমন। তারা সিনেমা এবং বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য করতে পারেনা।

কিন্তু একটা জিনিস আমার মাথায় আসে না দিপু নাম্বার টু দেখে বড় হওয়া জেনারেশন কিভাবে এই মারামারি খুনাখুনি ধরনের সিনেমা বানায়। কেন তাদের মাথায় পরিবার, দায়িত্বশীলতা, বন্ধুত্বের ভালোবাসা, ভ্রাতৃত্বের বন্ধন এসব সংক্রান্ত স্ক্রিপ্ট মাথায় আসে না। এই জেনারেশন টা এমন ক্র্যাকড হয়ে গেল কিভাবে।
আমাদের এখন সিনেমা বানানো উচিত বাস্তব সংক্রান্ত।

ঈদে যদি পাঁচটা মুভি রিলিজ হয় তার মধ্যে তিনটা থাকে মারামারি আর দুইটা থাকে কোন মেয়েকে কোন ছেলে ভালোবাসে এই রিলেটেড। ভালোবাসা প্রেম পিরিতি ছাড়া সিনেমাই নাই।

অনেকের মনে হতে পারে নাটক সিনেমা দেখে রিক্রিয়েশন হবে এখানেও শিক্ষনীয় ঢুকানোর কি আছে। আছে কারণ শুরুতেই বলেছি মানুষ দেখে শিখতে ভালোবাসে তাই সে যা দেখে সেটাই তার মধ্যে অনুভব করতে চায়।

তাই মিডিয়া প্রডিউসারদের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা এই কিশোর সমাজকে ভালো করার জন্য, ভালো পথে রাখা এবং আনার জন্য শিক্ষনীয় মুভি বানান। যে মুভি দেখে বাচ্চাদের মনে পরিবার এর প্রতি দায়িত্বশীলতা, ভালোবাসা এবং অপরাধ যারা করে তাদের কি শাস্তি হয় ও অপরাধীদেরকে সমাজে কিভাবে দেখা হয় সেগুলো তুলে ধরেন। ঈদে যদি পাঁচটা সিনেমা বের হয় তার মধ্যে অন্তত দুইটা সিনেমা যেন থাকে যেগুলো পরবর্তী প্রজন্মের জন্য আদর্শ শিক্ষনিয়।

#কিশোর #পরিবার #বন্ধু #দায়িত্ব

বহুল আলোচিত ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন(সংশোধন) ২০২৬ গেজেট হয়েছে। এখন থেকে.... ১) পিতা-মাতা বা পিতামহ/মাতামহ কর্তৃ...
13/09/2026

বহুল আলোচিত ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন(সংশোধন) ২০২৬ গেজেট হয়েছে। এখন থেকে....

১) পিতা-মাতা বা পিতামহ/মাতামহ কর্তৃক তার সন্তান বা নাতি-নাতনিকে (অথবা বিপরীতক্রমে) অথবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পত্তি দান করার পর দাতা নিজে জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন।

২) উভয় পক্ষ মিলে বৈধ কারণে দলিলটি বাতিল করতে পারবেন।

৩) একপক্ষ বাতিল করতে চাইলে জেলা জজের নিকট আবেদন করতে হবে। জেলা জজ দলিলের অন্য সকল পক্ষকে নোটিশ প্রদান করে সিদ্ধান্ত নিবেন। (in good faith)

৪) দলিল রেজিস্ট্রির সাথে সাথে দলিলের মালিকানা পাবে গ্রহিতা। দাতা কেবল ভোগের অধিকার পাবেন। গ্রহিতার মৃত্যু হলে গ্রহিতার ছেলেমেয়ে ও অন্যান্য ওয়ারিশদের বরাবর মালিমানা পরিবর্তন হবে।

৫) এটি সম্পূর্ণ নতুন ধরনের দান দলিল, যা সব ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য হবে। এই দলিলের নাম হতে পারে 'ভোগাধিকার সংরক্ষণপূর্বক দান দলিল'।

বিঃ দ্রঃ এখানে বলা আছে পূর্বে বলবৎ হেবা/দান আগের মতোই থাকবে। ইসলামে যে হেবা/দানের কথা বলা আছে সেটা কুরআন হাদিস অনুযায়ী পূর্বের নিয়মেই হেবা দান করা যাবে, সাথে সাথে মালিকানা ও দখল গ্রহিতার কাছে চলে যাবে। ইসলামিক নিয়মে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

এই আইন পরিবর্তনের ফলে ইসলামী শরিয়া আইন বা মুসলিম ফারাজ আইনের কোন কিছুই পরিবর্তন হবে না। আগে যেরকম সাধারণ দান হেবা গিফট বা বিল আইন যা যা ছিল তাই তাই থাকবে। এটা সম্পূর্ণ নতুন একটা ধারার নতুন একটা আইন। এবং এটা কেবলমাত্র মুসলিম বা ইসলাম ধর্মের লোকদের জন্য আইনটা না, আইনটা সকল ধর্মের লোকদের জন্য যারা চাইবে এরকমটা করতে পারবেন না চাইলে না করবে।

কিছুদিন আগে আমার চেম্বারে ৯ বছরের একটা মেয়ে ১৯ বছরের এক ছেলে বিয়ে করতে এসেছিলো। ছেলে টেম্পু চালায়। প্রেম করে পালায় বিয়ে ...
30/07/2026

কিছুদিন আগে আমার চেম্বারে ৯ বছরের একটা মেয়ে ১৯ বছরের এক ছেলে বিয়ে করতে এসেছিলো। ছেলে টেম্পু চালায়। প্রেম করে পালায় বিয়ে করতে আসছে। মেয়ের বয়স জানার পর ছেলে মেয়েকে আটক রেখে মেয়ের মা বাবাকে ডেকে আনা হয়। পরে মেয়ের বাবা মা মেয়েকে আমাদের থেকে বুঝে নিয়ে যায়।
আমার কথা হল আপনারা কেমন বাবা মা যে মেয়ে কি করে খোজ রাখেন না! আমি শিউর ঐ মেয়ে আবার অন্য কোথাও গিয়ে বিয়ে করেছে। পরে এক বন্ধুর সাথে ঘটনা নিয়ে আলোচনা করলাম। সে কথার এক পর্যায়ে বললো বিয়ে করায় দিলেই ভাল হত। নাহলে কোনো হোটেল এ যাবে। বিয়ে করা দিলে অন্তত মেয়ের একটা অধিকার থাকত। ছেলে চাইলেই উলটা পালটা কিছু করতে পারতো না। আর আজ এই মেয়ের ঘটনা দেখে মনে মনে বললাম যে ছেলে উলটা পালটা করবে তার কাছে বিয়ে কোন বিষয় না। এরা কম বয়সী মেয়েদের টোপ ফেলায় জীবন নষ্ট করে।

তাই বাবা মা দের বলছি। জীবনে যত ব্যাস্ততা থাকুক। দিনের একটা ঘন্টা নিজের ছেলে মেয়ের সাথে কাটাবেন। তাদের খোজ খবর নিবেন। তাদের মনের খবর নিবেন। তারা আপনার জন্য কতটা ইম্পর্ট্যান্ট এটা তাদের বুঝাবেন। অন্তত এমন বিপদের দিকে তারা আগাবে না।

26/07/2026
চেকের মামলা কখন ও কীভাবে করবেন?চেক ব্যাংকে উপস্থাপনের পর পর্যাপ্ত টাকা না থাকাসহ আইনসম্মত কারণে ডিজঅনার হলে মামলা করা যা...
11/07/2026

চেকের মামলা কখন ও কীভাবে করবেন?

চেক ব্যাংকে উপস্থাপনের পর পর্যাপ্ত টাকা না থাকাসহ আইনসম্মত কারণে ডিজঅনার হলে মামলা করা যায়।

তবে চেক ডিজঅনার হলেই যে সঙ্গে সঙ্গে মামলা করা যাবে—বিষয়টি এমন নয়। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিগ্যাল নোটিশ পাঠাতে হয় এবং নোটিশের পরও টাকা পরিশোধ না হলে আদালতে মামলা করা যায়।

সময়সীমা বা আইনি প্রক্রিয়ায় ভুল হলে মামলা গ্রহণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই শুরু থেকেই সঠিক আইনি পরামর্শ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

আপনার চেক সংক্রান্ত কোনো সমস্যা থাকলে আমাদের সাথে পরামর্শ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

07/06/2026

আসামি সোহেল ও স্বপ্নার রায় মৃ/ ত্যু/ দণ্ড

সকলকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা!
27/05/2026

সকলকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা!

যেহেতু ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করেছে তাহলে একদিনেই পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ২য় দিনে চার্জশিট প্রদান এবং ৩য় দিনে সাক্ষী, জেরা, ...
20/05/2026

যেহেতু ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করেছে তাহলে একদিনেই পোস্টমর্টেম রিপোর্ট, ২য় দিনে চার্জশিট প্রদান এবং ৩য় দিনে সাক্ষী, জেরা, আর্গুমেন্ট ও রায় সব একদিনেই দেয়া সম্ভব। চতুর্থ দিনে জনসম্মুখে ফাঁসি কার্যকর করে দেয়া হোক।
আপিলের গুষ্টি টুটে দেয়া হোক। যদি এসব সুবিধা প্রদানের জন্য জুডিশিয়াল কিলিং হয় হোক।
প্রকাশ্যে ওর মাথা, হাত, পা কেটে দেয়া হোক।

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই একমাত্র শাস্তি।

কালেক্টেড।

একজন ভালো আইনজীবী শুধু কথা বলেন না, মন দিয়ে শোনেন। এই ছবিটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—“যে আইনজীবী ভালোভাবে শোনেন, তিনি আদালতে...
04/05/2026

একজন ভালো আইনজীবী শুধু কথা বলেন না, মন দিয়ে শোনেন। এই ছবিটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—“যে আইনজীবী ভালোভাবে শোনেন, তিনি আদালতে যাওয়ার আগেই অর্ধেক মামলায় জিতে যান।”

সঠিকভাবে ক্লায়েন্টের কথা শোনা, সমস্যার গভীরে যাওয়া এবং প্রমাণ বিশ্লেষণ করা—এসবই একজন দক্ষ আইনজীবীর মূল শক্তি। আদালতে যুক্তি উপস্থাপনের আগে যদি প্রস্তুতি ও বোঝাপড়া ঠিক থাকে, তাহলে সাফল্য অনেকটাই নিশ্চিত হয়। তাই ন্যায়বিচার পেতে চাইলে এমন আইনজীবী বেছে নিন, যিনি আপনার কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনেন এবং আন্তরিকভাবে পাশে থাকেন।

Address

Mohanogor Law House
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv. Noor E Jannat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share