Legal wins

Legal wins First consultancy is just FREE .. call: 01552585694 .Legal Wins is a legal dedicate and friendly tea

06/12/2022

CR Case, GR Case, Artha Rin Case, Execution Case, Certificate under 33(7), Boinama Deed, Non-Banking Assets & Sale of Non-Banking Assets:

আমরা সবাই জমির Title Deed সম্পর্কে ভালই অবগত আছি। কিন্তু, Boinama Deed সম্পর্কে খুব কমই জানা সবার। কেননা এটা শুধুমাত্র ব্যাংকের ঋণ কার্যক্রম থেকেই উদ্ভুত। চলুন একটু ভাল ভাবেই অবগত হই।

আচ্ছা এটাতো সবারি জানা, কি দেখে বুজব যে বর্তমানে কোন জমির মালিক কে???
Title Deed? না
Delivery Receipt with Mutation Khatian?? না। তাহলে??

শুধুমাত্র আপডেট Land Development Tax Receipt যা অনেকে Ground Rent/Khajna Receipt নামেও চিনেন।

আর অডিটর যদি এই ধরনের Irregularities/observation দেয় তা নিয়ে অনেকে আবার মন্তব্য করেন যে এটা তেমন কিছুই না, যা মোটেও সত্য নহে।

ব্যাংকে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা পেতে সকল চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মামলা করতে প্রস্তুতি নেয়। মামলা আবার দুইধরনের করতে পারে চেকের মামলা যা NI ACT (Section-138) অনুসারে আর অন্যটি হলো Artha Rin এর মামলা যা Artha Rin Adalat Ain-2003 অনুসারে হয়ে থাকে।

1. CR Case Under NI Act:
যদি চেক থাকে তাহলে অবশ্যই ব্যাংকে NI Act মামলা করবেন প্রথমে, যা Magistrate Court এ করতে হয় এবং মামলা নাম্বার হয় CR Case/Suit। CR Case মানে Complaint Registered Case। ব্যাংক চাইলে CR মামলার পাশাপাশি GR case (General Registered Case) ও করতে পারেন যা করতে হয় Police Station এ ( Under Section 420/406 etc. of Penal Code) এক কথায় যাকে বলে Cheating মামলা।

CR মামলা করার পূর্বে অবশ্যই Legal Notice Cheque Return Memo তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে দিতে হবে । নোটিশে অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে যে, নোটিশ পাবার তারিখ থেকে ঋণ গ্রহিতা যেন ১৫ দিনের মধ্যে টাকা পরিশোধ করে দেয়। যদি নোটিশ পাবার ৩০ দিনের মধ্যে ঋণ পরিশোধ ব্যর্থ হয় তাহলে CR মামলা রুজু করতে হয়।

CR/GR মামলা initial কার্যক্রম যেমন witness, summon notice, summon notuce return, warrant of arrest, warrant of arrest return etc. এর পর trial এর জন্য Magistrate Court থেকে Session Cout এ transfer করা হয়, বিচারীক কার্যক্রমের সমাপ্তির জন্য যেখানে hearing, written statement of defendant & Complainant, Cross examination, অবশেষে Judgement & Decree ইস্যু হয়। আর যদি Defendant না থাকে তাহলে তো কোন কথা নেই সরাসরি Exparte Decree মানে একতরফা রায় পেয়ে যায় ব্যাংক ।

2.1 Artha Rin Suit/Case:
তারপর Arth Rin এর মামলা পালা, অনেকে অবগত collateral securities বিশেষ করে Property ব্যাংক দখল ও নিজ নামে নিয়ে আসার জন্য Artha Rin মামলা করতে হয়। তবে এটা হয়তো অনেকে জানিনা যে, তেমন কোন security না থাকলেও ব্যাংক Artha Rin এর মামলা করতে পারেন, যা কোন ঋণ গ্রহিতার অন্যান্য সম্পত্তি Attachment এর মাধ্যমে নিয়ে আসা যায়।

যাই হোক Artha Rin মামলা করার Final Notice/Demand Notice ঋণ গ্রহীতা দিতে হয় যাতে বলা নোটিশ পাবার ১৫ দিনের মধ্য যেন ঋণ গ্রহিতা সমুদয় ঋণ পরিশোধ করে দেয় আর তা করতে ব্যর্থ হলে নোটিশ থেকে ১ মাসের মধ্যে Auction Notice দিতে হয় যা Section 12(3) ক্ষমতাবলে ব্যাংক করে থাকে। মানে এই Auction Notice কার্যক্রম ছাড়া ব্যাংকে মামলা করতে পারবেনা। যদি বিক্রি করতে ব্যর্থ হয় (হতে পারে কেউ Bid এ অংশগ্রহণ করেনি, বা ভাল Bid না পাওয়া, বা ঋণ গ্রহিতা paper publication এর উপর writ petition ইত্যাদি) তখন Artha Rin Case Filling করতে হয়। তারপর আসে witness, court appointed mediator for mediation report [max. days 90 (60+30], issue frame, written statement (max. 40 days for defendant & 20 days for plaintiff), hearing, cross examination, তারপর Judgement & decree ইস্যু হয় Section-13 অনুযায়ী, যেখানে বলা হয় 60/90 days etc. মধ্যে ব্যাংকের সকল পাওনা পরিশোধ করার জন্য অন্যথায় ব্যাংকে জারী মামলা করতে পারবে।

2.2 Execution Suit/Case:
তারপর আসে জারী মামলা (Execution Suit/Case) যা Artha Rin এর Judgement এর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ঋণ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সেই দিন থেকে থেকে ১ বছরের মধ্যে না করলে Execution Suit করতে হয় তা না হলে time barred হয়ে যাবে (under Limitation Act), মানে আপনি চাইলেও আর Execution Suit করতে পারবেন না।

2.3 Certificate & Registration of Certificate:
Execution Suit সময়কাল সর্বোচ্চ ১৫০ (৯০+৬০) দিন মানে ১৫০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হয়ে যাবার কথা। এই মামলা Judgement পাবার জন্য আবার Auction notice 33(1) থেকে ৩৩(৫) ধারায় (যেটা প্রযোজ্য হয়) একটি জাতীয় পত্রিকা এবং একটি লোকাল পত্রিকায় দিতে হয়। যদি বিক্রি করতে ব্যর্থ হয় তখন Court 33(7) ধারায় Certificate ইস্যূ করে যার একটি কপি Sub registry Office (SRO) এ পাঠানো হয়। সেই Certificate বিনা খরচে SRO অফিসে রেজিস্টশন করতে হয়। সেই Registered Certificate কে Boinama Deed বলে।

3. Mutation Process:
তারপর আসে Mutation এর পালা, যদি জমির Possession ঠিক থাকেএবং traced out করা যায় তাহলে Up to date land development tax দিয়ে mutation সম্পন্ন করা হয়।

4. Non-Banking Assets:
Mutation process সম্পন্ন হবার পর ব্যাংকে Surveyor দিয়ে জমির valuation সম্পন্ন করবেন। তার ভিত্তিতে ব্যাংকে সেই সম্পত্তি Non-Banking Assets হিসেবে Booked করবেন। যার Journal হবে:
Dr. Non-Banking Assets
Cr. Prepared Legal Expenses (all cost started from legal notice to mutation)
Cr. Other Income based on the valuation (as it written-off earlier)

5. Sale of Non-Banking Assets:
যেহেতু ব্যাংক জমির ব্যাবসা করে না তাই Bank Company Act 1991 এর Section-10 অনুসারে সর্বোচ্চ ৭ বছরের মধ্যে Non-Banking Assets বিক্রির ব্যাবস্থা করতে হবে যা Bangladesh Bank তার ক্ষমতাবলে আরো ৫ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করতে পারেন, তবে যদি ব্যাংকে নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার করতে চায় তাহলে তা ব্যবহার করতে পারবেন Own Property হিসেবে।

আপনার প্রপার্টি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা প্রদানে আমরা আন্তরিক ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।আমাদের সেবা সমূহ:✔️ সেল পারমিশন ✔️ রেজিস্ট্র...
06/07/2022

আপনার প্রপার্টি সংক্রান্ত যাবতীয় সেবা প্রদানে আমরা আন্তরিক ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।

আমাদের সেবা সমূহ:
✔️ সেল পারমিশন
✔️ রেজিস্ট্রেশন
✔️ নামজারি
✔️ অকুপেন্সি সার্টিফিকেট
✔️ পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি
✔️ রাজউক, গণপূর্ত ও জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের যাবতীয় ডকুমেন্ট হালনাগাদ

✔️ ভূমি ছাড়পত্র

✔️ ডিজিটাল সার্ভে
✔️ প্রপার্টি ক্রয়-বিক্রয়
✔️ প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বা মূসক-৯.১ জমা দিয়েছেন কি..? আপনি জানেন তো সময়মত রিটার্ন জমা দানে ব্যার্থ...
12/05/2022

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বা মূসক-৯.১ জমা দিয়েছেন কি..?

আপনি জানেন তো সময়মত রিটার্ন জমা দানে ব্যার্থতায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়। সুতরাং জরিমানা এড়াতে সময়মত রিটার্ন দাখিল করুন, প্রয়োজনে আমাদের দক্ষ টিমের সহায়তা নিন।

যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিমাসের ১ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত ক্রয় বিক্রয় তথ্য দিয়ে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন মূসক-৯.১ ফরমে পূরন করে অফ লাইনে বা অনলাইনে জমা দেয়ার বিধান রয়েছে, অর্থাৎ প্রতি মাসের ১৫ তারিখের ভিতর ভ্যাট রিটার্ন জমা না দিলে ১০ হাজার করে জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে যাদের ব্যবসা বন্ধ রয়েছে কিন্তু BIN করা আছে তাদের জন্যে সুখবর এইটুকুই যে, তারা শুন্য রিটার্ন ও দাখিল করতে পারবেন।

তথ্য সূত্রঃ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন এর ধারা ৮৫ (উপধারা ১ এর চ)

ভ্যাট রিটার্ন সংক্রান্ত সকল কার্যক্রম সম্পাদনে আপনাদের সহযোগীতায় আমাদের অভিজ্ঞ টিম সর্বদা প্রস্তুত।

আমাদের অন্যান্য সেবাসমূহ:
১. লিমিটেড কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন।
২. ট্যাক্স-ভ্যাট রিটার্ন দাখিল
৩. আমদানি-রপ্তানি লাইসেন্স
৪. ট্রেডমার্ক, কপিরাইট
৫. ট্রেড লাইসেন্স
৬. বিডা নিবন্ধন

Contact Us:
Hotline: 01552585694
Messenger: Legal wins

বৃটিশদের হাত নকশার উপরই পরবরতিতে বি এস সার্ভে করা হয়, পরীক্ষা করে দেখা যায় বৃটিশদের নীতি - আদর্শ ঠিক ছিল বলে এরা নিখুত ক...
13/04/2022

বৃটিশদের হাত নকশার উপরই পরবরতিতে বি এস সার্ভে করা হয়, পরীক্ষা করে দেখা যায় বৃটিশদের নীতি - আদর্শ ঠিক ছিল বলে এরা নিখুত কাগজ তৈরী করেছে ( inheritance property )

10/01/2021

আদালতে এখন যত মামলা রয়েছে তার ৭০ শতাংশ জমি সংক্রান্ত। যার বেশিরভাগই জমির দখল বিষয়ক মামলা। আর এসব মামলা চলতে থাকে বছরের পর বছর। নিষ্পত্তি হওয়ার হারও উল্লেখযোগ্য নয়। দেশে জমির ভোগ-দখল সংক্রান্ত যে আইনটি রয়েছে তা ব্রিটিশ আমলের। ১৮৮৫ সালে প্রণয়ন করা হয়েছিল। স্বাধীনতাপরবর্তী সময়ে দেশে অনেক আইনের পরিবর্তন হলেও এ আইন আগের মতোই রয়ে গেছে। এতে কারও জমি অন্যজন ১২ বছর ভোগ-দখল করলে সেই জমির মালিকানা পাওয়ার সুযোগ ছিল।

আইনটির প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে ভূমি মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, যেমন ধরেন রহিম সাহেব ঢাকায় চাকরি করেন। তার জামালপুরে একটি বাড়ি আছে। সেই বাড়িতে তার পরিচিত কামালকে থাকার জন্য সুযোগ দিলেন। প্রায় ১৫ বছর ধরে কামাল ওই বাড়িতে বসবাস করছে। এলাকার লোকজনও জানে এটা কামালের বাড়ি। এখন রহিম সাহেব চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। গ্রামে এসে তার বাড়িতে থাকতে চান। তিনি আইনত কালামকে গায়ের জোরে বাড়ি হতে বের করে দিতে পারবেন না। স্বেচ্ছায় না যেতে চাইলে রহিম সাহেবকে দেওয়ানি আদালতে মামলা করে কামালকে বেদখল করতে হবে। যদি জোর করে বের করে দেন তবে কামাল দেওয়ানি আদালতে মামলা করে তার দখল বজায় রাখতে পারবে। এখানে দখলকারীর স্বত্ব বিবাদীর স্বত্বের চেয়ে ভালো বা বিবাদীর কোনো স্বত্ব আছে কি না তা দেখার কোনো দরকার হয় না। এখানে আদালত স্বত্বের বিষয় বিবেচনা করেন না। শুধু দখলের বিষয় বিবেচনা করেন।

বেদখল করা হয়েছে কি না তাও বিবেচনা করেন। জমির মালিক না হয়েও মালিকের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে মামলা করা যায়। মানুষ যাতে নিজের হাতে আইন তুলে নিয়ে দাঙ্গা-হাঙ্গামা না বাধায় সেই জন্য দেশে দেশে এ আইন করা হয়েছে। যিনি দখলে আছেন তিনি যেন শান্তিপূর্ণভাবে থাকতে পারেন। যিনি দখলে আছেন তাকেই প্রথমে আইনত দখলের অধিকারী বলে মনে করা হয়। স্বত্বের অধিকারী হলে দেওয়ানি আদালতে উচ্ছেদের মামলা করতে কোনো অসুবিধা হয় না। বেদখল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে এ মামলা করতে হয়। এ সময় পার হয়ে গেলে তামাদির কারণে মামলা করা যায় না।ভূমি সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ২৮ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ বিনা বাধায় কারও জমি একাধারে ১২ বছর দখলে রাখতে পারে বা ভোগখল করে রাখতে পারে তবে তিনি ভূমির মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করতে পারেন। দখলদার যদি আদালতে বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেন তবে তিনি ওই জমির মালিকানা পেতে পারেন।’ দখলদার ও ভূমির মালিকের বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেয়ায় সরকারকে সাধুবাদ...

First one is risky for corona virus infection but second one is safe, use non - vulb KN95 mask always when you are outdo...
23/05/2020

First one is risky for corona virus infection but second one is safe, use non - vulb KN95 mask always when you are outdoor

06/05/2020

স্ত্রী যতদিন তার স্বামীর আস্থাভাজন থাকবে ও স্বামীর ন্যায় সঙ্গত আদেশ পালন করবে, ততদিন স্বামী স্ত্রীকে ভরনপোষন দিবে। কিন্তু যে স্ত্রী স্বামীর সাথে যৌনমিলন অস্বীকার করবে অথবা অন্য কোন প্রকার স্বামীর অবাধ্য হবে সে স্ত্রীকে ভরণপোষন দিতে স্বামী বাধ্য থাকবে না। (মিতা খান বনাম হেমায়েত বিবি, ১৪ ডিএলআর (হাইকোর্ট), পৃষ্ঠা-৪৫৫)। তবে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে স্ত্রী আলাদা বসবাস করলে স্বামী ভরণপোষণ দিতে বাধ্য। (মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সরকার বনাম মোসা. সোলেমান্নেসা (১৯৬৭, ১৯ ডি এল আর পৃষ্ঠা ৭৫১)।

স্ত্রী কখন ভরণপোষণ পাবে না-
১. স্ত্রী স্বামীর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও যেখানে স্বামী অবস্থান করে সেখানে ভিন্ন অন্যত্র বসবাস করলে।
২. স্ত্রী বন্দিদশায় থাকলে। তবে স্বামী বন্দিদশায় থাকলে স্ত্রী ভরণপোষন হতে বঞ্চিত হবে না।
৩. স্ত্রী অন্যায়ভাবে অবাধ্য হয়ে স্বামীর অনুমতি ছাড়া অসংগত কারণে স্বামীর গৃহ ত্যাগ করলে।
৪. স্ত্রী ধর্মত্যাগ করলে
৫. স্ত্রীর অবাধ্যাচারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে।
৬. স্বামীর মৃত্যুজনিত কারণে ইদ্দত পালনরত থাকলে; তবে শর্ত হলো যে, বিধবা অন্তঃসত্তা হলে গর্ব খালাস না অবধি খোরপোষ পাবে।
৭. স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে গেলে।

স্বামী যতই গরীব হোক না কেন, তাতে স্ত্রীর অধিকার নষ্ট হয় না। স্ত্রীর খোরপোষ স্বামীর জন্য বাধ্যতামূলক। স্বামীর এ দায়িত্ব ব্যক্তিগত। তবে স্ত্রীর খোরপোষ বা ভরণপোষন শর্তসাপেক্ষে।

ভরণপোষণের শর্ত-
১. স্বামী তাঁর স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে বাধ্য। স্ত্রীও ভরণপোষণ পেতে হকদার।
২. স্বামী যদি স্ত্রীর সঙ্গে অভ্যাসগতভাবে খারাপ ব্যবহার করে, গৃহত্যাগের নির্দেশ দেয়, তাড়িয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে থাকে অথবা তাদের মধ্যকার আচার-আচরণ এরূপ পর্যায়ে পৌঁছায় যে, এটা নিরসন করা সম্ভব নয় বা স্বামীর গৃহে থাকলে আরও অসুবিধা এবং বিরোধের জন্ম দিবে, সে অবস্থায় স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে বসবাস না করেও খোরপোষ দাবি করতে পারে।
৩. স্ত্রী তার আশু দেনমোহর দাবি করলে উক্ত দেনমোহর স্বামী পরিশোধ না করলে স্ত্রী তার স্বামীর কাছ থেকে পৃথক বসবাস করতে থাকলেও স্বামী তার ভরণপোষণ দিতে বাধ্য থাকবে।

ভরণপোষণ পরিশোধের নিয়ম-
১. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর ৯ ধারার বিধান অনুসারে সালিশী পরিষদ (চেয়ারম্যান/মেয়র) স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে উপযুক্ত খোরপোষ উল্লে¬খ করে প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবে।
২. বিবাহ যতদিন বলবৎ থাকবে, ততদিনই স্বামী খোরপোষ দিতে বাধ্য থাকবে।
৩. খোরপোষের পরিমাণ নির্ধারণ করার সময় সালিশী পরিষদ স্ত্রীর পরিবারের সামাজিক পদমর্যাদা, স্বামীর উপার্জন এবং অন্যান্য বিষয়াবলিও বিবেচনা করে খোরপোষের পরিমাণ নির্ধারণ করবে।
৪. স্ত্রীকে এমন পরিমাণ খোরপোষ মঞ্জুর করতে হবে যা দ্বারা স্ত্রী ঠিকমত জীবনযাপন করতে পারে।

তবে কোন স্ত্রী যদি তাহার সহিত সহ-অবস্থানে এবং স্ত্রীর কর্তব্য পালনে সুনির্দিষ্ট এবং বৈধ কারণ ব্যতিতই অস্বীকার করে সেইক্ষেত্রে স্বামী স্ত্রীকে ভরনপোষণ দিতে বাধ্য নয়। (১৪ ডিএলআর, ৪১৫)।

ভরণপোষণ আদায় ও স্থানীয় সালিশী পরিষদের ভুমিকা-
১. কোনো স্বামী তার স্ত্রী/স্ত্রীগণকে সমান খোরপোষ না দিলে স্ত্রী/স্ত্রীগণ ভরণপোষণ আদায়ের জন্য মুসলিম পারিবারিক আইন বিধিমালা, ১৯৬১ এর বিধি-৫ অনুযায়ী স্থানীয় চেয়ারম্যানের নিকট আবেদন করতে পারবে। চেয়ারম্যান বিষয়টি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের উদ্দেশ্যে একটি সালিশী পরিষদ গঠন করবে। উক্ত সালিশী পরিষদ স্বামী কর্তৃক খোরপোষ হিসাবে দেয় টাকার পরিমাণ নির্ধারণ করতঃ একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারবে। স্বামী অথবা স্ত্রী নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেটটি পুনঃবিবেচনার উদ্দেশ্যে সহকারী জজের নিকট আবেদন করতে পারবে এবং এক্ষেত্রে সংশ্লি¬ষ্ট সহকারী জজের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে এবং এর বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
২. উপরোক্তরূপে দেয় কোন অর্থ যথাসময়ে প্রদান করা না হয়ে থাকলে এটা বকেয়া রাজস্বের আকারে আদায়যোগ্য হবে।
৩. উপরোক্ত কোন শর্ত ভঙ্গ করলে, চেয়ারম্যান কর্তৃক সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্ত না মানলে এবং আদালতের নিয়ম নির্দেশ অমান্য করলে স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতের আশ্রয় নিতে পারে।
এ আইনের ৫ ধারা বিধান মতে, কেবলমাত্র একজন স্ত্রী তার ভরণপোষণের জন্য মামলা দায়েরের অধিকারিণী নয় বরং সে তার সন্তানের জন্যও মামলা দায়ের করতে পারে। (জামিলা খাতুন বনাম রুস্তম আলী, ৪৮ ডিএলআর, আপিল বিভাগ, পৃষ্ঠা-১১০)।

স্ত্রী অতীত ভরণপোষণ পেতে হকদার নয়। কেবলমাত্র মামলা দায়েরের তারিখ থেকে বিয়েবিচ্ছেদের পর তিন মাস পর্যন্ত স্ত্রীর জন্য ভরণপোষণ মঞ্জুর করা যায়। (আব্দুল ফতে বনাম জেবুন নেসা ১৮৮১, ৬ ক্যাল. পৃষ্ঠা-৬৩১)।

যদি কোন মুসলমান স্ত্রী তার স্বামীর অন্য স্ত্রীকে তালাক না দেয়ায় স্বামীর সাথে বসবাস করতে অস্বীকার করে; সেক্ষেত্রে স্ত্রী ভরণপোষণের অধিকারিনী হয় না। ভরণপোষণ না পাবার কারণে ওই স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের ডিক্রিও পেতে পারে না। (এআইআর ১৯৪৪ লাহোর ৩৩৬)।

বিয়ের পর যদি স্বামীর সাথে দৈহিক মিলন অনুষ্ঠিত না হয় তাহলে স্ত্রী ভরণপোষণ পেতে হকদার নয়। (১১ ডিএলআর ৯৩)। তবে স্ত্রীকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তার ভরণপোষণের জন্য স্বামী আইনত বাধ্য ছিল। (১১ ডিএলআর ১৭)।

ভরণপোষণের পরিমাণ স্বামী-স্ত্রীর সামাজিক মর্যাদা ও আর্থিক সংগতির ওপর নির্ভর করে। অনেক সময় নিকাহনামায় উল্লেখ থাকে, স্বামী মাসিক কত টাকা ভরণপোষণ হিসেবে দেবেন। সাধারণ অবস্থায় স্বামী তাঁর নিজ গৃহেই স্ত্রী বা স্ত্রীদের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থান দিয়ে থাকেন। আইনসংগত বা যুক্তিযুক্ত কারণে যখন স্ত্রী আলাদা বসবাস করেন, তখন স্বামী নগদ অর্থ দ্বারা ভরণপোষণ জোগাবেন।

ভরনপোষন না পেলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি পেতে পারে-
মুসলিম বিবাহ-বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী স্বামী দুই বছর ধরে ভরণপোষণ প্রদানে ব্যর্থ হলে বা অবহেলা করে ভরণপোষণ না দিয়ে থাকলে স্ত্রী বিবাহ-বিচ্ছেদের ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী হবেন। এক্ষেত্রে একটি মামলার কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। মামলাটি হলো সাফুরা খাতুন বনাম ওসমান গনি মোল্লা (১৯৫৭) ৯ ডি এল আর, ৪৫৫। এই মামলায় বলা হয়েছে যে, স্বামীর দেয়া ভরণপোষণ ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনার মতো। স্বামীর যে পরিমান ভরণপোষণ দেয়ার কথা ছিল, তার সামান্য পরিমান তাকে স্বামী পরিশোধ করত তাও আবার খুব অনিয়মিত। সুতরাং এক্ষেত্রে ধরা হবে যে, উক্ত স্বামী কাবিননামার শর্ত পালন করেননি এবং এ কারনেই স্ত্রী তালাক-ই-তৌফিজের ব্যবহার করতে পারেন এবং বিবাহ-বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন।

বিয়ের প্রমাণ-
ভরণপোষণের জন্য কোনো প্রত্যয়নপত্র মঞ্জুর করার আগে পক্ষগণের (স্বামী-স্ত্রীর) ব্যক্তিগত আইনের সূত্রে বিয়ের বিষয়টি অবশ্যই সুনির্ধারিত হতে হবে। যদি বিয়েটি অস্বীকার করা হয়, তাহলে একটি বৈধ বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, এটি সন্তোষজনকভাবে প্রমাণিত হতে হবে এবং বিয়েটি প্রমাণের দাযিত্ব স্ত্রীর ওপর বর্তাবে। এ কারণেই বিয়ের নিবন্ধন ভরণপোষণ দাবির ক্ষেত্রে খুব প্রয়োজনীয়।

10/04/2020

▶নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধনী) আইন – ২০০৩ (ধারা-৪)◀

৪(ক) যদি কোন ব্যক্তি দহনকারী , ক্ষয়কারী কিংবা বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা কোন নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটান বা ঘটানোর চেষ্ঠা করেন তাহা হইলে

শাস্তি – মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড এবং ৩ লক্ষ টাকা অনুর্ধ জরিমানা দিতে হবে।

৪(খ) শ্রবনশক্তি , দৃস্টিশক্তি বা কোন অঙ্গহানি করা হলেও একি শাস্তি বিদ্যমান

৪(গ) ঐ পদার্থ দ্বারা শারিরীক বা মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ না হলেও -

শাস্তি- সাত বছরের বেশি নয় এবং তিন বছরের কম নয় কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন।সাথে পঞ্চাস হাজার টাকার বেশি নয় এমন অর্থদন্ড।

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801552585694

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal wins posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Legal wins:

Share