FAIR International

FAIR International process student/ visit/ work permit/ immigration visa of USA, UK, Australia, Canada, NZ ,GERMANY, FRANCE, SWITZERLAND, ,POLAND, MALTA,
Cell--01711106724

You are exremely requested to visit my office. Your expected job, visa & others are now available. M.A.SALAM SAJIB
MANAGING DIRECTOR
FAIR INTERNATIONAL
HOUSE # 175(OLD) 99(NEW)
( OPPOSITE OF DHANMONDI LAW COLLEGE)
KALABAGAN 2ND LANE
DHANMONDI, DHAKA-1205,
BANGLADESH
PHONE--------88 02 8157433, 88 02 8142626
CELL+88-01711106724,+8801552315513
email-- [email protected]
[email protected]
SKYPE : sajib01500
www.fairinternationaledu.com

"চাঁদের এই ৪৮ টি রং Capture করতে ফটোগ্রাফারের ১০ বছর সময় লেগেছে।"--জ্ঞান-বিজ্ঞানের যত উন্নতি হবে ততই নতুন নতুন আবিষ্কার ...
09/08/2026

"চাঁদের এই ৪৮ টি রং Capture করতে ফটোগ্রাফারের ১০ বছর সময় লেগেছে।"
--জ্ঞান-বিজ্ঞানের যত উন্নতি হবে ততই নতুন নতুন আবিষ্কার ঘটবে। মহান আল্লাহপাকের সৃষ্টি রহস্যে মানুষ অভিভূত হবে-

06/08/2026

"কিসের, এতো অহংকার...?
ঘুম ভাঙলে সকাল..!
না ভাঙলে পরকাল..!"

যারা আমাদের বাড়িতে আগুন লাগার কথা শুনে বিপদে সাহায্য করতে এসেছেন ; এরাই হচ্ছে আমাদের প্রকৃত আপনজন, আত্মীয় এবং বন্ধু।----...
06/08/2026

যারা আমাদের বাড়িতে আগুন লাগার কথা শুনে বিপদে সাহায্য করতে এসেছেন ; এরাই হচ্ছে আমাদের প্রকৃত আপনজন, আত্মীয় এবং বন্ধু।------
এক ব‍্যক্তি গ্রিল জ্বালিয়ে বড়ো একটি গরু সেই গ্রিলে রোস্ট করতে দিয়ে তার মেয়েকে বলল- আমাদের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব, প্রতিবেশি সবাইকে দাওয়াত কর ; এই রোস্ট সবাইকে নিয়ে খেতে চাই। মেয়ে তখন রাস্তায় দাড়িয়ে চিৎকার শুরু করল- আমাদের বাড়িতে আগুন লেগেছে দয়া করে আমাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসুন। মেয়েটার চিৎকার শুনে আশেপাশের কিছু লোক সাহায্য করতে ছুটে আসল কিন্তু বাকিরা এমন একটা ভাব করল যে মেয়েটার চিৎকার তারা শুনতে পায় নাই।
যারা সেদিন তাদের বাড়িতে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এসেছিল, মেয়েটা তাদেরকে বলল- আসলে আমাদের বাড়িতে কোন আগুন লাগে নাই ; আপনারা এসেছেন রাতে সবাই খেয়ে যাবেন।
কিন্তু তাদের দেখে বাবা বলল- এই মানুষগুলোর মধ্যে আমি তাদেরকে দেখতে পাচ্ছি না যারা সত্যিকার আমাদের আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব এবং প্রতিবেশি। তখন মেয়ে উত্তরে বলল- যারা আমাদের বাড়িতে আগুন লাগার কথা শুনে বিপদে সাহায্য করতে এসেছেন ; এরাই হচ্ছে আমাদের প্রকৃত আপনজন, আত্মীয় এবং বন্ধু। অন্যরা যারা বিপদের কথা জেনেও দূরে রয়েছে তারা কোনভাবেই আপনজন কিংবা আত্মীয় হতে পারে না। তাই এই লোকগুলোই আমাদের অতিথেয়তা পাওয়ার যোগ্য।

04/08/2026
03/08/2026

"দোয়ার চেয়ে বড় কোন উপহার নেই।"

------------------বন্ধু এমন হতে হয়।--------লুসিয়া সুরাকোভা ৩২ বছর বয়সী স্লোভাকিয়ার মেয়েটির শৈশবের স্বপ্ন ছিল, নিজে ভাল ...
03/08/2026

------------------বন্ধু এমন হতে হয়।--------
লুসিয়া সুরাকোভা ৩২ বছর বয়সী স্লোভাকিয়ার মেয়েটির শৈশবের স্বপ্ন ছিল, নিজে ভাল একজন শেফ হওয়ার এবং একদিন রেষ্টুরেন্টের মালিক হবে। সে ১৫ বছর বয়স থেকেই সেই উদ্দেশ্যে অবসরে বিভিন্ন হোটেলের ওয়েটারের কাজ শুরু করে। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করার পর বুঝতে পেরেছিল তার স্বপ্ন স্লোভাকিয়ায় বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, তাই সে স্প‍্যানিস ভাষা শিখে স্পেনে অভিবাসন করে। সেখানে সে প্রথমে একটি স্পোর্টিং পন্য বিক্রয়ের প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেয়। কিছুদিন পর স্পেনের এক বন্ধুর সাথে মিলে বার্সেলোনায় একটি রেষ্টুরেন্টে করার জায়গা খুঁজে পায়।
কিন্তু সেখানে রেষ্টুরেন্টে করার মতো প্রয়োজনীয় অর্থ লুসিয়ার কাছে ছিল না। পরবর্তীতে একটি ব‍্যাংক ঋণের সাহায্যে ২০১৭ সালে রেষ্টুরেন্ট গড়ে তোলে। প্রথমে কিছুদিন তাকে ক্রমাগত লোকসানি গুনতে হয়েছিল, একপর্যায়ে তার কিছু পরিচিত বন্ধুরা তার পাশে দাড়ায়। লুসিয়া নিজের শেখা বিভিন্ন প্রকার বৈচিত্র্যময় খাবার তৈরি করে বিক্রি করতে আরম্ভ করে। এদিকে লুসিয়ার বন্ধুরা মুখে মুখে তার রেষ্টুরেন্টের প্রচার করে দিয়েছিল, সবমিলিয়ে নতুন ধারার ব‍্যবসা হিসাবে লুসিয়ার রেষ্টুরেন্টে কিছুদিনের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।
২০২০ সালে কোভিডের আঘাত লুসিয়ার রেষ্টুরেন্টে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছিল, তার ব‍্যবসা একেবারে মাটিতে মিশে গিয়েছিল। অতঃপর সে বার্সেলোনার একটি বিখ্যাত বেকারির সাথে চুক্তি করে তার নিজের তৈরি করা বার্গার ও কেক বিক্রি আরম্ভ করল এবং সে তার গ্রাহকদের কাছে নিয়মিত তার খাবারের স্বাদ ও গুনগত মানের বিষয়ে খোঁজখবর করত। গ্রাহকদের কাছে লুসিয়ার এই ধারাটা বেশ প্রশংসা পেয়েছিল।
অবশেষে লুসিয়া নিজেই আবার একটি বেকারি গড়ে তুলে গত ১১ই ফেব্রুয়ারিতে উদ্বোধনের দিনে পরিচিত বন্ধুদের আসতে বলেছিল। লুসিয়ার বন্ধুরা এই খবরটি পরস্পরের সাথে যোগাযোগ করে জানিয়ে দিয়েছিল। উদ্বোধনের দিনে লুসিয়া রেষ্টুরেন্টের বাইরে এসে দেখে বিশাল লম্বা লাইন, এত মানুষের উপস্থিতি দেখে সে আবেগ আপ্লুত হয়ে যায়। ইতিমধ্যে লুসিয়ার বেকারি বার্সেলোনা তথা সমগ্র স্পেন জুড়ে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে।
লুসিয়ার অনেক ভাগ্য সে এমন বন্ধুদের পেয়েছে, সত্যিই সে ভাগ্যবান।

--------বন্ধুর কোন ভুল থাকলে তা ভুলে যান। পৃথিবীতে যতদিন থাকুন উজাড় করে ভালোবাসুন বন্ধুকে।---ব্যাক্তিত্বের দর কষাকষি না ...
02/08/2026

--------বন্ধুর কোন ভুল থাকলে তা ভুলে যান। পৃথিবীতে যতদিন থাকুন উজাড় করে ভালোবাসুন বন্ধুকে।---
ব্যাক্তিত্বের দর কষাকষি না করে বন্ধুকে ভালোবাসুন। ভুলেও তার কাছ থেকে কিছু আশা করা ঠিক নয়। আর সে যদি কখনও এড়িয়ে যেতে চাই প্রথমে ধরে রাখতে চেষ্টা করুন। নিজের ভুল থাকলে তা শুধরে ফেলুন। এর পরও যদি সে রিলেশনটা রাখতে না চায় তবে তাকে ভুলে যেতে সাহায্যে করা উচিৎ। এতে ওই বন্ধু একদিন হলেও আপনাকে স্মরণ করবে। ফিরে আসুক আর না আসুক সে তার ভুল বুঝতে পারবে। আর ভুলেও বন্ধুকে ছোট করবেন না। মনে রাখুন একটা মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, রাগ অভিমান,সুখ, দুঃখ, ভুল সবই রয়েছে। তাই বন্ধুর কোন ভুল থাকলে তা ভুলে যান। পৃথিবীতে যতদিন থাকুন উজাড় করে ভালোবাসুন বন্ধুকে। বন্ধুত্ব অমর হোক।-

"জানিনাা ২০৬০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না ! সময়ে কাছে আমরা কতটা অসহায় হয়ে যাবো, চেনা জানা মানুষ গুলি কে হারিয়ে একটা হয়ে যাব...
01/08/2026

"জানিনাা ২০৬০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না !
সময়ে কাছে আমরা কতটা অসহায় হয়ে যাবো, চেনা জানা মানুষ গুলি কে হারিয়ে একটা হয়ে যাবো, ---??????
বিছানায় শুয়ে শুয়ে বোরিং হয়ে গেছি । বেড বক্সের উপর থেকে চশমাটা হাতরে নিলাম আর খাটের পাশ থেকে লাঠিটা নিয়ে নাতনীর ঘরে গেলাম গল্প করব বলে। গিয়ে দেখি, ল্যাপটপে কিছু একটা করছে। আমি যেতেই বলল, দাদুন তুমি ! বসো বসো। আমি টিউশনে যাবো। বসলাম ওর ঘরে। ল্যাপটপটা খোলাই ছিল। চশমা চোখে দিয়েও ভালো দেখতে পারি না। হঠাৎ মনে পড়ল আজ কত যুগ ধরে ফেসবুকে যাই না। অথচ যে ছেলেটা না এখনকার বুড়োটা একসময় দিন রাত ফেসবুকে চ্যাটিং, ছবি আপলোড দেওয়া নিয়ে ব্যাস্ত থাকতো। অনেক কষ্টে পাসওয়ার্ডটা মনে করলাম। আইডিটা লগ ইন করে দেখি ইনবক্সে ৮৬৭৮ টা ম্যাসেজ। আইডিটা চেনাই যাচ্ছে না। সব অপরিচিত লাগছে। ফ্রেন্ড সংখ্যা ছিল ৪৭৮৮ জন। কিন্তু এখন চ্যাট লিস্টে আছে ২৮ জন।
বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ায় হয়ত ওরাও আর ফেসবুক চালায় না। ইনবক্সে ঢুকতেই আমার ক্লোজ কয়েকটা ফ্রেন্ডের ম্যাসেজ। বন্ধু শরীরটা ভালো নেই। বেশিদিন হয়ত বাঁচব না। ম্যাসেজটা ছিল ৫ বছর আগে। খবর পেয়েছি ৪ বছর আগেই সে মারা গেছে। আমার বেস্টিও ৯ বছর আগে মারা গেছে। ওর সাথে চ্যাটিং গুলো পড়ে খুব ভালো লাগছিল। গ্রুপে ফ্রেন্ডদের সাথে কত মজা, আড্ডা এ সবই পড়ে আছে। ওদের অধিকাংশইই মারা গেছে।
এরপর চ্যাট লিস্টের একদম শেষে পেলাম তার ম্যাসেজ। হ্যা আমার সেই পুরোনো "একতরফা" ভালোবাসা। ওর কোন খবরই জানি না। কত ভালোবাসতাম দুজন দুজনকে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে বিয়েটা হয়নি । আজ অনেক দিন পর তার কথা মনে পড়ছে। তার আইডিটায় ঢুকলাম লাস্ট পোস্ট ছিল ১৬ বছর আগে। তার নাতনীর সাথে ছবি। আরো একটু নিচে যেতে দেখলাম তার ফ্যামিলির ছবি। সে, তার স্বামী, মেয়ে, ছেলে আর নাতী- নাতনী। খুব হ্যাপি ফ্যামিলি। ওকে যেদিন শেষ দেখেছিলাম - চুলগুলো সেই রকম স্টাইল দেওয়া, পড়নে লাল শাড়ী ছিল , ভাগ্যক্রমে এখন তার ছিল অন্য। কিন্তু এখন এই ছবি গুলোতে সাদা শাড়ি পড়া, চুলগুলো সব সাদা। কিছু কিছু আবার মেহেদী দিয়ে লাল করা। হঠাৎ মোবাইলের স্ক্রীনে নিজের ছবিটা দেখলাম। হ্যা আমিও তো বুড়ো হয়ে গেছি। ও দেখলে নিশ্চয়ই বলত, বুড়ো দাদু। আচ্ছা ও কি আজও বেচে আছে ? জানি না ! ওর আইডিটায় শেয়ার করা একটা পোস্ট পেলাম। একজন ওর আইডির স্ক্রীনশট দিয়ে লিখেছে, এই দাদী গতকাল আনুমানিক বিকেল ৫ টায় হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন , উনি যেনো সর্গ লাভ করেন এই আমার পার্থনা। পোস্ট পড়েই থমকে গেলাম। পাঁচ বছর আগের পোস্ট। ও মারা গেছে তাহলে ? হায়রে !. কোথায় সেই একসাথে বাঁচবো বলে কথা দেওয়া দিনগুলো। অজান্তেই চোখের কোনে পানি এলো।
এরপর পরিচিত ফ্রেন্ডদের আইডিটা দেখছিলাম। ওদের আইডিটা এখনো প্রানবন্ত। কিন্তু ওরা প্রানবন্ত না। অনেকেই দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করেছে। যে ফ্রেন্ডটা রোজ নতুন নতুন সেলিফি আপলোড দিত ও ২০ বছর আগে ক্যান্সারে মারা গেছে। খবর শুনে দেখতে গেছিলাম। মজার মজার জোক্স পোস্ট করা ফ্রেন্ডটার খবর জানি না। লেখক ফ্রেন্ডটা ৮ বছর আগেও একটা পোস্ট দিয়েছে ওর ছেলে ওকে বৃদ্ধা আশ্রমে ফেলে এসেছে এই নিয়ে। ওর সাথে যোগাযোগ নেই। এরপর আমার আইডিটায় গেলাম। এত ট্যাগের ভিড়ে নিজের শেষ পোস্টটা পাচ্ছিলাম না। এইতো অনেক কষ্ট খুঁজে পেয়েছি ৩৩ বছর আগে আমার স্ত্রী আর মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে গেছিলাম। সেই খানকার কয়েকটা পিক। আরো প্রিভিয়াস পোস্টগুলো পড়ে কখনো হাসলাম। কখনো কাঁদলাম।
হঠাৎ নাতনী ডাক দিল দাদু আমি রেডি। টিউশনে যাব। ল্যাপটপ দাও।
আমি: ল্যাপটপ নিয়ে টিউশনে যাবি?
নাতনী: আরে তুমি আদি যুগের মানুষ বোঝো না? আমরা তো ভার্চুয়াল ক্লাস করি।
আমি: ওহ! তা বই খাতা লাগে না?
নাতনী: ধূর! কি বল? ক্লাস করতে বই খাতা লাগে?
আমি: ওহ! লাগে না?
নাতনী: তোমাদের সময় লাগতো?
আমি: হ্যা লাগতো তো। তবে তখন আমরা বইয়ে পড়তাম দেশে ভার্চুয়াল ক্লাস হবে।
নাতনী: হা হা হা। টিউশনে খাতা - কলম লাগতো! দারুন ফানি! আচ্ছা আমি যাই টিউশন শেষে তোমাদের কালের গল্প শুনবো।
হ্যা এখনকার আধুনিক আমরা ২০৬০ সালের আদিম আমরা। আমাদেরও ওই যুগের ছেলে মেয়েরা আদি কালের মানুষ বলবে।
"জানিনাা ২০৬০ সাল পর্যন্ত বাঁচবো কি না !
যদি বেঁচে থাকি তাহলে টাইমলাইন এ এসে লেখাটা আরো একবারের জন্য পড়বো আর এই সুন্দর দিনগুলোর কথা মনে করবো"।

01/08/2026

"মানুষ বলে ভাগ্যে যা আছে তাই হবে,
— আল্লাহ বলেন তুমি আমাকে ডেকে'ই দেখো.তোমার ভাগ্য পরিবর্তন করার ক্ষমতা আমার আছে! আলহামদুলিল্লাহ.!

31/07/2026

"কেউ বিপদে পরলে সাহায্য করুন। আপনি বিপদে পরলেও আল্লাহর পক্ষ থেকে কেউ একজন আপনাকে সাহায্য করতে আসবে, ইনশাআল্লাহ।"

Address

Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FAIR International posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to FAIR International:

Shortcuts

Share