Law & City

Law & City Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Law & City, Legal Service, Dhaka.

Our Practice Areas: Litigation-Civil & Criminal Law | Taxation, Vat and Customs | Family Law, Divorce and Child Custody | Land, Registration, Mutation & Real Estate Matter's | Company law | Employment and Labour Law | Copyright, Trademark Patent Law Etc.

04/01/2026

জীবিত থাকাকালীন বাবা তাঁর সন্তানদেরকে সম্পত্তি লিখে দিতে পারেন বিভিন্ন আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। বাংলাদেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রধানত তিনটি পদ্ধতিতে এই কাজটি করা যায়: দান/হেবা (মুসলিম আইন অনুযায়ী), সাফ কবলা (বিক্রি) এবং উইল (Will).

পিতা-মাতার মৃত্যুর পর সম্পত্তি হস্তান্তরের চেয়ে জীবিত অবস্থায় লিখে দেওয়ার প্রক্রিয়াগুলো সাধারণত বেশি নির্ভরযোগ্য হয়।

জীবিত থাকাবস্থায় সন্তানদের সম্পত্তি লিখে দেওয়ার উপায়

যে পদ্ধতিতে হস্তান্তর করা হবে, তার আইনগত প্রভাব ভিন্ন হবে।

১. দান বা হেবা (Hiba) দলিল (মুসলিম আইন অনুযায়ী)

মুসলিম আইনে এটি একটি শক্তিশালী এবং বহুল প্রচলিত পদ্ধতি, যেখানে কোনো প্রতিদান ছাড়া সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়।

ক. হেবা দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর

শর্তাবলী: হেবার তিনটি অপরিহার্য শর্ত পূরণ করতে হয়:
১। ঘোষণা (Declaration): দাতা (বাবা) তার সম্পত্তি দান করার সুস্পষ্ট ঘোষণা দেবেন।
২। গ্রহণ (Acceptance): গ্রহীতা (সন্তান) দানটি গ্রহণ করবেন।
৩। দখল অর্পণ (Delivery of Possession): দাতা সঙ্গে সঙ্গে গ্রহীতাকে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেবেন।

রেজিস্ট্রেশন: যদিও হেবা সম্পন্ন হওয়ার জন্য দখল হস্তান্তরই যথেষ্ট, তবে আইনি জটিলতা এড়াতে এবং মালিকানা নিশ্চিত করার জন্য হেবা দলিলটি অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ধারা ১২৩)।
সুবিধা: রক্তের সম্পর্কের মধ্যে হেবা দলিল করলে স্ট্যাম্প শুল্ক ও রেজিস্ট্রেশন ফি তুলনামূলকভাবে কম হয়।
প্রভাব: একবার সঠিকভাবে হেবা সম্পন্ন হলে তা আর ফেরত নেওয়া যায় না।

২. সাফ কবলা বা বিক্রয় দলিল (Sale Deed)

যদিও এটি বিক্রি, কিন্তু বাস্তবে সন্তানকে নামমাত্র মূল্যে বা কিছু মূল্য দেখিয়ে হস্তান্তর করা হয়।
শর্তাবলী: এক্ষেত্রে বাবা তাঁর সম্পত্তি একটি নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে সন্তানের কাছে বিক্রয় করেন। যদি বাবা চান যে কেবল কিছু আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হোক, তবে নামমাত্র মূল্য (Nominal Consideration) দেখিয়ে রেজিস্ট্রি করা যেতে পারে।
রেজিস্ট্রেশন: সাফ কবলা দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। এই ক্ষেত্রে দলিল ও রেজিস্ট্রেশন খরচ হেবার চেয়ে সাধারণত বেশি হয়।
সুবিধা: এটি একটি সন্দেহাতীত মালিকানা দলিল এবং সবচেয়ে আইনিভাবে সুরক্ষিত পদ্ধতি।

৩. উইল বা অসিয়াত (Will)

এটি এমন একটি দলিল, যা পিতার মৃত্যুর পর কার্যকর হবে।

শর্তাবলী: বাবা তাঁর জীবদ্দশায় এই দলিল তৈরি করে যেতে পারেন, যেখানে উল্লেখ থাকবে তাঁর মৃত্যুর পর কারা কতটুকু সম্পত্তি পাবে।
মুসলিম আইনে সীমাবদ্ধতা: কোনো মুসলমান তার মোট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের (1/3rd) বেশি কোনো অ-ওয়ারিশকে বা কোনো একজন ওয়ারিশকে অন্য ওয়ারিশদের সম্মতি ছাড়া উইল করতে পারেন না।
যদি কোনো বাবা শুধুমাত্র একজন সন্তানকে বা সন্তানদের মধ্যে কাউকে বেশি সম্পত্তি দিতে চান, তবে অন্য ওয়ারিশদের লিখিত সম্মতি প্রয়োজন হবে।

রেজিস্ট্রেশন: উইল রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক নয়, তবে আইনি জটিলতা এড়াতে রেজিস্ট্রি করা উত্তম।
প্রভাব: উইল জীবিত থাকাকালীন কার্যকর হয় না, এটি কেবল পিতার মৃত্যুর পরই কার্যকর হবে।

৪. ট্রাস্ট বা ওয়াকফ (Trust or Waqf)

সম্পত্তি যদি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য বা ব্যবস্থাপনার জন্য হস্তান্তর করতে চান, তবে ট্রাস্ট বা ওয়াকফ গঠন করা যেতে পারে। তবে এটি ব্যক্তিগত হস্তান্তরের চেয়ে ভিন্ন।

আইনি পদক্ষেপ ও করণীয়

সম্পত্তি হস্তান্তরের আগে নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো নিশ্চিত করুন:

১। সম্পত্তির রেকর্ড হালনাগাদ: নিশ্চিত করুন যে সম্পত্তির সর্বশেষ রেকর্ড (খতিয়ান, নামজারি, খাজনা) বাবার নামেই হালনাগাদ আছে।
২। দলিলের ধরন নির্বাচন: আপনার আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে হেবা/দান না সাফ কবলা—কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত হবে, তা নির্ধারণ করুন। (সাধারণত আত্মীয়দের মধ্যে হেবা বেশি সুবিধাজনক)।
৩। দখল হস্তান্তর: হেবা দলিলের ক্ষেত্রে, সন্তানদেরকে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার প্রমাণপত্র তৈরি করুন।
৪। রেজিস্ট্রেশন: সম্পত্তি যে এলাকায় অবস্থিত, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে যথাযথ স্ট্যাম্প শুল্ক ও ফি পরিশোধ করে দলিল রেজিস্ট্রি করুন।
৫। নামজারি: রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর, সন্তানরা অবশ্যই তাদের নামে ভূমি অফিসে নামজারির (Mutation) জন্য আবেদন করবে। নামজারি হলেই সম্পত্তির চূড়ান্ত মালিকানা নিশ্চিত হবে।

Copy :Adv Asma Hossen Zibone

16/11/2025

নামজারি বা মিউটেশন অর্থ হলো বর্তমানে থাকা খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে নতুন একটি খতিয়ান তৈরি করা।

নামজারির প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

নামজারি করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস।
1. জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
2. সিটি খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
3. ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
4. ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
5. বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
6. মোবাইল নাম্বার
7. এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
8. কর/খাজনার রশিদ

নামজারি প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ৩০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

20/09/2025
23/06/2025

ঢাকায় অবস্থিত ইউরোপের বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের ঠিকানা ও যোগাযোগ নাম্বার 🇪🇺
👉 যারা ইউরোপ ভ্রমণ, শিক্ষা, ভিসা বা কনস্যুলার সেবা নিতে চান, তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

🇩🇪 জার্মান দূতাবাস
📍 ঠিকানা: ১১ মাদানি এভিনিউ, বারিধারা, ঢাকা ১২১২
📞 ফোন: +৮৮০ ২ ৫৫৬৬ ৮৬০০

🇫🇷 ফ্রান্স দূতাবাস
📍 ঠিকানা: ১৮, রোড #১০৮, গুলশান, ঢাকা
📞 ফোন: ৮৮১৩৮১১-৪

🇮🇹 ইতালি দূতাবাস
📍 ঠিকানা: ২ ও ৩, রোড #৭৪/৭৯, গুলশান মডেল টাউন, ঢাকা
📞 ফোন: ৮৮২২৭৮১-৩

🇸🇪 সুইডেন দূতাবাস
📍 ঠিকানা: Bay's Edgewater, ৬ষ্ঠ তলা, গুলশান ২, ঢাকা ১২১২
📞 ফোন: +৮৮০ ২৫৫ ৬৬৮ ৫০০
✉️ ইমেইল: [email protected]

🇪🇸 স্পেন দূতাবাস
📍 ঠিকানা: Baridhara Diplomatic Zone, ঢাকা
📞 ফোন: +৮৮০ ২ ৮৮৮১৯২১-২৬
✉️ ইমেইল: [email protected]

🇳🇱 নেদারল্যান্ডস দূতাবাস
📍 ঠিকানা: ৪৯, রোড #৯০, গুলশান, ঢাকা
📞 ফোন: +৮৮০ ২২ ২২ ২৬ ২৭ ১৭

🇨🇭 সুইজারল্যান্ড দূতাবাস
📍 ঠিকানা: ৩১/বি, রোড #১৮, বনানী, ঢাকা
📞 ফোন: ৮৮১২৮৭৪-৬

🇪🇺 ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন প্রতিনিধি দল
📍 ঠিকানা: Baridhara Diplomatic Enclave, ঢাকা ১২১২

ℹ️ সুইডেন দূতাবাস শেঙ্গেন ভিসার জন্য বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, লাটভিয়া, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড ও স্লোভেনিয়ার আবেদন গ্রহণ করে।

🔁 শেয়ার করে আপনার বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না!

09/05/2025
05/05/2025

🥰 সেভ করে রাখুন কাজে লাগবে🥰
জমির দলিল বৈধ কি না কিভাবে বুঝবেন?
জমি কেনা বা বিক্রি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ। এর সাথে জড়িত আইনি প্রক্রিয়াগুলি সঠিকভাবে বোঝা ও অনুসরণ করা জরুরি। জমির দলিল হলো এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি যা মালিকানার অধিকার প্রমাণ করে। তাই জমি কেনার আগে দলিলটি বৈধ এবং নির্ভরযোগ্য কিনা তা যাচাই করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

দলিল যাচাই করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপসমূহ:
১. দলিলের মূল কপি পরীক্ষা করুন:
দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষর ও সিলসহ থাকতে হবে।
দলিলের সাথে সংযুক্ত ছবি এবং মালিকের বর্তমান ছবি মিলিয়ে দেখুন।
প্রতিটি পাতায় সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প সঠিকভাবে লাগানো আছে কিনা নিশ্চিত করুন।

২. দলিলের তথ্য যাচাই করুন:
দলিলে মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ইত্যাদি তথ্য সরকারি রেকর্ডের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।
সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা ও স্বাক্ষর স্পষ্ট এবং যথাযথ কিনা যাচাই করুন।
৩. আইনি পরামর্শ গ্রহণ করুন:
একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী দলিল পরীক্ষা করে বৈধতা নিশ্চিত করতে পারেন।
আইনি জটিলতা থাকলে তিনি সঠিক পরামর্শ দিতে পারবেন।
৪. অনলাইন যাচাই ব্যবস্থা ব্যবহার করুন:
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (e-porcha.gov.bd বা land.gov.bd) থেকে দলিল ও খতিয়ান যাচাই করতে পারেন।
কিছু বেসরকারি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানও এই সুবিধা দেয়।

৫. সতর্কতা অবলম্বন করুন:
দলিলে সন্দেহজনক কিছু থাকলে লেনদেন থেকে বিরত থাকুন।
প্রতারণা থেকে বাঁচতে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করুন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর:
১) দলিলে কি সব তথ্য আছে?
মালিকের নাম, ঠিকানা, জমির পরিমাণ, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, মৌজা, উপজেলা, জেলা ঠিকমতো আছে কিনা যাচাই করুন।

২) দলিলের স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন:
সরকার নির্ধারিত স্ট্যাম্প ব্যবহার হয়েছে কিনা এবং রেজিস্ট্রার কর্তৃক রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা নিশ্চিত করুন।

৩) মালিকানার ধরণ:

দলিলে মালিকানা অর্জনের মাধ্যম (উত্তরাধিকার, ক্রয়, দান ইত্যাদি) উল্লেখ আছে কিনা দেখুন।

৪) জমির বাস্তব অবস্থা:

জমি বাস্তবে আছে কিনা, দখলে আছে কিনা, ঋণ বা মামলা জর্জরিত কিনা খতিয়ে দেখুন।

৫) দলিলের বয়স:

১৯৭৬ সালের পূর্বের দলিল ‘পুরাতন’ হিসেবে ধরা হয়। অতিরিক্ত যাচাই দরকার হতে পারে।

৬) দলিলের ধরন:

সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে: সিএস, এসএ, আরএস এবং বিএস।

৭) একাধিক মালিক:

দলিলে একাধিক মালিক থাকলে, সবার সম্মতি ও স্বাক্ষর ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না।

৮) মিউটেশন (নামজারি):

নতুন মালিক হিসেবে খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মিউটেশন আবশ্যক।

৯) জাল দলিলের লক্ষণ:

ভুল বানান, অস্পষ্ট তথ্য, ভুয়া স্বাক্ষর, ও অস্বাভাবিক অসঙ্গতি থাকলে সতর্ক হোন।

১০) কোথায় যাচাই করবেন?

সাব-রেজিস্ট্রার অফিস: মূল দলিল যাচাইয়ের জন্য।

ভূমি অফিস/অনলাইন পোর্টাল: খতিয়ান ও অন্যান্য রেকর্ড যাচাইয়ের জন্য।

আইনজীবীর সহায়তা: সার্বিক আইনি যাচাইয়ের জন্য সর্বোত্তম।

নোট: উপরোক্ত তথ্যগুলো শুধুমাত্র প্রাথমিক ধারণা দেওয়ার জন্য। জমির দলিল যাচাই করার সময় অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া সবসময়ই উত্তম।
Law & city

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি নিজেদের মধ্যে আপোষ বন্টন দলিল রেজিস্ট্রেশন করে সহজেই নামজারি করতে পারবেন।ভূমি মন্ত্রণালয়...
17/02/2025

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি নিজেদের মধ্যে আপোষ বন্টন দলিল রেজিস্ট্রেশন করে সহজেই নামজারি করতে পারবেন।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশংসনীয় পদক্ষেপ।

18/11/2024

সরকারি প্লটের জন্য আবেদন করবেন যেভাবে: স্টেপ বাই স্টেপ গাইড

সরকারি প্লটের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াটি সাধারণত নির্দিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। নিচে সাধারণ ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো:

১. ঘোষণা পর্যবেক্ষণ করুন

সরকারি প্লট বা আবাসন প্রকল্পের জন্য আবেদন শুরু হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (যেমন, RAJUK, CDA, বা অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) পত্রিকা, তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে।

বিজ্ঞপ্তি থেকে আবেদন ফর্ম জমার সময়সীমা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রের তালিকা নোট করুন।

---

২. আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করুন

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত লিঙ্ক থেকে আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করুন।

কিছুক্ষেত্রে নির্ধারিত অফিস থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে হয়।

---

৩. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন

আপনার ন্যাশনাল আইডি কার্ড, ট্যাক্স আইডি (যদি প্রয়োজন হয়), ব্যাংক স্টেটমেন্ট, এবং আয়ের উৎসের প্রমাণসহ নথিপত্র প্রস্তুত করুন।

নথিপত্রের তালিকা সাধারণত আবেদন বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া থাকে।

---

৪. ফর্ম পূরণ করুন

ফর্মে সঠিক তথ্য প্রদান করুন।

স্থায়ী ঠিকানা, পেশা, এবং পরিবারের আয়ের বিবরণ সঠিকভাবে উল্লেখ করুন।

---

৫. আবেদন ফি জমা দিন

নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আবেদন ফি জমা দিন।

জমা দেওয়ার রসিদ সংরক্ষণ করুন এবং আবেদন ফর্মের সঙ্গে যুক্ত করুন।

---

৬. আবেদন জমা দিন

ফর্ম এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র নির্ধারিত ঠিকানায় সরাসরি জমা দিন।

কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগও থাকে।

---

৭. ভর্তি তালিকা ও ড্র প্রক্রিয়া

আবেদন জমা দেওয়ার পরে একটি যাচাই প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়।

পরবর্তী ধাপে ড্র (লটারির মাধ্যমে) ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

---

৮. প্লট বরাদ্দ পেলে পরবর্তী প্রক্রিয়া

ড্র-তে আপনার নাম থাকলে বরাদ্দপত্র গ্রহণ করুন।

নির্ধারিত সময়ে প্লটের মূল্য পরিশোধ করুন এবং জমির মালিকানার কাগজপত্র সংগ্রহ করুন।

---

টিপস:

1. বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সময়মতো আবেদন করুন।

2. সব নথিপত্র নির্ভুলভাবে প্রস্তুত রাখুন।

3. কোনো সন্দেহ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করুন।

এই প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করে আপনি সহজেই সরকারি প্লটের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

Address

Dhaka
80/5,3RDFLOOR,VIPROAD,KAKRAIL,PALTAN,DHAKA-1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law & City posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category