Rezaul and Associates

Rezaul and Associates Adv. Rezaul Karim

Professional legal services with trusted advice and effective solutions. WhatsApp: 01750135424

Committed to handling cases with integrity, confidentiality, and care.

মিথ্যা আশ্বাস, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, আইন কী বলে? এদের পার্থক্য কোথায়?📌বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী,  প্রতারণা এবং বিশ্বাসভঙ্গ...
02/06/2026

মিথ্যা আশ্বাস, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ, আইন কী বলে? এদের পার্থক্য কোথায়?

📌বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, প্রতারণা এবং বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ এবং ৪২০ ধারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

♐প্রতারণা (Cheating) সংক্রান্ত অপরাধ ও তার শাস্তি নিয়ে আলোচনা-

​প্রতারণা সংক্রান্ত অপরাধের মামলায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত এবং গুরুত্বপূর্ণ ধারা হলো পেনাল কোড, ১৮৬০ এর ৪২০ ধারা।

৪২০ ধারার মূল বিষয় হলো প্রতারণা এবং সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করা।

📌 ৪২০ ধারার উপাদানসমূহ (Ingredients of Section 420)-

১. প্রতারণা থাকতে হবে।(Cheating) – ধারা ৪১৫ অনুযায়ী সংজ্ঞায়িত। ( এই পোস্টের কমেন্টে প্রতারণার সংজ্ঞা দেওয়া আছে, পড়ে নিবেন)

২. প্রতারণার ফলে কেউ অর্থ বা সম্পত্তি হস্তান্তর করেছে।
৩. প্রতারণাটি ইচ্ছাকৃতভাবে এবং অসৎ উদ্দেশ্যে হয়েছে।

📍​সহজ উদাহরণ:

🔷ভুয়া পরিচয় ও ঋণ
🔷চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা
🔷মানি রিসিট বা জাল নোট
🔷ব্যবসার নামে বিনিয়োগ প্রতারণা
🔷অনলাইন ও ডিজিটাল স্ক্যাম
🔷ব্যাংক লোনের নামে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে টাকা নেওয়া।
🔷কেউ যদি আপনাকে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নেয় (যেমন চাকরি দেওয়ার কথা বলে/ বিদেশে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে টাকা নেয়) – এবং পরে প্রতিশ্রুতি পালন না করে, তাহলে সেটা ৪২০ ধারায় পড়তে পারে। এমনকি ৪০৬ ধারাও আসতে পারে বিশেষ ক্ষেত্রে।
🔷নকল দলিল দেখিয়ে জমি বিক্রি করা। যেমন -
“জমি বিক্রির সময় “ক”জানতেন যে জমির দলিল ভুয়া, তবুও তিনি “খ” কে মিথ্যা বলে ১০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিলেন এবং জমিটি “খ” এর নামে লিখে দিলেন। এখানে “ক” ৪২০ ধারায় অপরাধী।”

📌 তবে একটি বিষয় জেনে রাখা ভালো যে, শুধুমাত্র ব্যবসায়িক লেনদেন, অংশীদারী কারবার বা পার্টনারশিপ ব্যবসা থেকে উদ্ভূত কোনো সমস্যার ক্ষেত্রে ৪২০/৪০৬ ধারার মামলা চলে না।( বিশেষ কিছু ব্যতিক্রম সাপেক্ষে)

⛔​শাস্তি: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অবশ্যই অর্থদণ্ড (জরিমানা)।

📌প্রয়োজনীয় প্রমাণ:

⚡যে ব্যক্তি প্রতারণা করেছে, তার ইচ্ছাকৃত প্রতারণার উদ্দেশ্য প্রমাণ করতে হবে

⚡প্রতারণার কারণে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তার ক্ষতির তথ্য

⚡চুক্তিপত্র, লেনদেনের রসিদ, সাক্ষ্যপ্রমাণ, অডিও/ভিডিও, মোবাইল চ্যাটিং ইত্যাদি।

এবার আলোচনা করি, অপরাধ মূলক বিশ্বাসভঙ্গের বিষয়ে-

🔰দণ্ডবিধি,১৮৬০ এর ৪০৫ ধারা অনুযায়ী,
যদি কেউ কোনো বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পত্তি গ্রহণ করে এবং পরে সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। মামলা দায়ের করতে হলে আপনাকে প্রমাণ করতে হবে:
🔷অভিযুক্তের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট বিশ্বাস সম্পর্ক ছিল।
🔷সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করে অভিযুক্ত ব্যক্তি অবৈধভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছেন।

📌সহজ উদাহরণ:
🔷আমানত বা ধার নেওয়া সম্পত্তি আত্মসাৎ
🔷চাকরিরত অবস্থায় তছরুপ
🔷আমানত বা ধার নেওয়া সম্পত্তি আত্মসাৎ
🔷ভাড়াটে বা ঠিকাদারের অনিয়ম
🔷স্ত্রীর গহনা বা স্ত্রীধন আত্মসাৎ:

📌অপরাধ মূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তির কথা বলা হয়েছে ৪০৬ ধারায়। শাস্তি= ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়ই হতে পারে।

✅ দুইটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন-

১) ৪০৬ এবং ৪২০ ধারার মামলা কি একই ধরনের অপরাধ?
উত্তর: না, অপরাধের প্রকৃতি ভিন্ন। ৪০৬ ধারা হলো বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal Breach of Trust) আর ৪২০ ধারা হলো প্রতারণা (Cheating)। তবে অনেক সময় দুটি অপরাধ একে অপরের সাথে জড়িত থাকতে পারে, যেমন – একজন ব্যক্তি বিশ্বাস ভঙ্গ করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করল।

২)মিথ্যা ৪০৬/৪২০ মামলা হলে কী করব?
উত্তর: যদি আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা ৪০৬ বা ৪২০ ধারায় মামলা হয়, তাহলে:
অবিলম্বে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন।আইনজীবীর পরামর্শ অনুযায়ী আদালতে জামিনের আবেদন করুন।মামলার নথিপত্র এবং আপনার নির্দোষিতার প্রমাণ (যদি থাকে) সংগ্রহ করুন এবং আইনজীবীর কাছে উপস্থাপন করুন।

✅ প্রতারণা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া ও পদক্ষেপ জেনে রাখুন!
প্রাথমিক পদক্ষেপ- প্রথমে প্রতারণার ঘটনা নিশ্চিত করতে হবে এবং সম্ভাব্য সব প্রমাণ সংগ্রহ করতে হবে। এর মধ্যে থাকতে পারে:
🔷প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির নাম, পরিচয় ও ঠিকানা।
🔷ঘটনা সময়, স্থান ও পরিস্থিত
🔷চুক্তি, ইমেইল, মেসেজ, রসিদ, অন্যান্য নথিপত্র নিয়ে
📌 উল্লেখিত প্রস্তুতি নিয়ে অবিলম্বে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর সাথে যোগাযোগ করুন।

আরো বিস্তারিত জানতে -
রেজাউল করিম
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা
ফোন - 01750135424

31/05/2026

আপনি জানেন কি! কোন মামলার আসামিকে জেনে শুনে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য লুকিয়ে থাকতে বা পালাতে সাহায্য করলে আপনার কি সাজা হতে পারে?

‎কোন মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য জেনে-শুনে লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করা, আশ্রয় দেওয়া বা পালাতে সহযোগিতা করা হলে সাধারণত বাংলাদেশের এর দন্ডবিধির ধারা ২১২ প্রযোজ্য হতে পারে।

‎ধারা ২১২ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি জানেন বা বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে একজন ব্যক্তি অপরাধ করেছে, তারপরও তাকে আইনি শাস্তি থেকে বাঁচানোর উদ্দেশ্যে আশ্রয় দেন, লুকিয়ে রাখেন বা পালাতে সাহায্য করেন, তাহলে সেটি অপরাধ।

‎শাস্তি মূল অপরাধের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে, যেমন—
‎১:-যদি মূল অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হয়, তাহলে আশ্রয়দাতার সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।

‎২:-যদি মূল অপরাধের শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।

‎৩:-অন্যান্য ক্ষেত্রে মূল অপরাধের নির্ধারিত শাস্তির সর্বোচ্চ এক-চতুর্থাংশ (১/৪) পর্যন্ত কারাদণ্ড বা জরিমানা হতে পারে।

‎এছাড়া পরিস্থিতিভেদে অপরাধে সহায়তা (Abetment) সংক্রান্ত দণ্ডবিধির অন্যান্য ধারাও প্রযোজ্য হতে পারে, যদি প্রমাণ হয় যে ব্যক্তি শুধু আশ্রয়ই দেননি, বরং অপরাধীকে পালাতে বা বিচার এড়াতে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেছেন।

‎বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ
‎রেজাউল করিম
‎এডভোকেট
‎01750135424

27/05/2026

"রেজাউল অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস"-
‎এর পক্ষ হইতে রইলো
‎পবিত্র Eid al-Adha এর আন্তরিক শুভেচ্ছা।
‎ঈদুল আজহা আপনার ও আপনার পরিবারের৷জীবনে বয়ে আনুক সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি।
‎ত্যাগের মহিমায় আলোকিত হোক আমাদের হৃদয়, দূর হোক সকল দুঃখ-কষ্ট।
‎🌙 ঈদ মোবারক 🌙
‎“কোরবানির শিক্ষা হোক মানবতা, ভালোবাসা ও আত্মত্যাগের অনুপ্রেরণা।”

24/05/2026

‎আপনি কাউকে টাকা ধার দিচ্ছেন? দিলে সাধারণত কত টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প লাগবে এবং স্ট্যাম্পে কি কি বিষয় উল্লেখ করতে হবে তা আপনি জানেন তো ! যদি না জেনে থাকেন তহলে জেনে নিন:-

‎কেউ কাউকে টাকা ধার দিলে সাধারণত একটি ঋণ চুক্তিপত্র / হ্যান্ডনোট / অঙ্গীকারনামা করা হয়। কত টাকার স্ট্যাম্প লাগবে, তা চুক্তির ধরন ও নিরাপত্তার উপর নির্ভর করে। সাধারণভাবে—

‎সাধারণ নিয়ম
‎ছোটখাটো ব্যক্তিগত ধার হলে অনেকে ৩০০ টাকা বা ৫০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে থাকে।
‎বড় অংকের টাকা হলে নিরাপত্তার জন্য বেশি মূল্যমানের স্ট্যাম্প ও বিস্তারিত চুক্তিপত্র করা ভালো।
‎অনেক ক্ষেত্রে আইনজীবীর মাধ্যমে ড্রাফট করে নোটারি করানো ভালো।

‎চুক্তিপত্রে কি কি থাকা উচিত তা হলো:-
‎১. ধারদাতা ও গ্রহীতার পূর্ণ নাম, পিতা/মাতা, ঠিকানা ও NID নম্বর।
‎২. কত টাকা ধার দেওয়া হলো।
‎৩. টাকার প্রদানের তারিখ।
‎৪. ফেরতের নির্দিষ্ট সময়।
‎৫. কিস্তি বা এককালীন ফেরত হবে কি না।
‎৬. সুদ থাকলে তার হার।
‎৭. সাক্ষীর নাম ও স্বাক্ষর (কমপক্ষে ২ জন)।
‎৮. উভয় পক্ষের স্বাক্ষর ও তারিখ।

‎আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ
‎রেজাউল করিম
‎অ্যাডভোকেট
‎01750135424

কোন নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যদি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় তাহলে উক্ত নারীর করণীয় কি ? ‎‎নিম্নে আলোচনা করা হলো...
16/05/2026

কোন নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে যদি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় তাহলে উক্ত নারীর করণীয় কি ?

‎নিম্নে আলোচনা করা হলো :-
‎কোনো নারীকে বিয়ের প্রলোভন, মিথ্যা আশ্বাস বা প্রতারণামূলকভাবে বিয়ের কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক করতে বাধ্য করলে, পরিস্থিতি ও প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে তা বিভিন্ন আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

‎প্রধানত নিচের আইনগুলো প্রযোজ্য হতে পারে—
‎১. নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০
‎যদি প্রমাণ হয় যে প্রতারণা, ভয়ভীতি বা জোরপূর্বক সম্মতি নেওয়া হয়েছে, তাহলে ধর্ষণের অভিযোগ আনা যেতে পারে।

‎বিশেষ করে:
‎সম্মতি যদি প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়,
‎বা বিয়ে করার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক করা হয় এবং শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য থাকে,
‎তাহলে আদালত বিষয়টি ধর্ষণ বা প্রতারণামূলক যৌন সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।

‎২. বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০
‎পরিস্থিতি অনুযায়ী দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা প্রযোজ্য হতে পারে, যেমন—প্রতারণা,বিশ্বাসভঙ্গ,নারীর শ্লীলতাহানি, বা মিথ্যা প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ক্ষতি সাধন।
‎কিছু ক্ষেত্রে ৪১৭ ধারা (Cheating) বা ৪৯৩ ধারার মতো বিষয় আদালতে আলোচিত হয়, যদি কোনো পুরুষ নারীকে বৈধ বিবাহ হয়েছে বলে বিশ্বাস করিয়ে সহবাস করে।

‎নারীর করণীয়
‎১. নিকটস্থ থানায় অভিযোগ (এজাহার/FIR) করা।

‎২. প্রয়োজন হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা।

‎৩. সম্পর্কের প্রমাণ সংগ্রহ করা:
‎মেসেজ,কল রেকর্ড,ছবি/ভিডিও,সাক্ষী,
‎বিয়ের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ ইত্যাদি।

‎৪. একজন আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
‎গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শুধু প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া আর “বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা” এক জিনিস নয়।

‎আদালত সাধারণত দেখেন—
‎শুরু থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্য ছিল কি না,
‎নারী কি সেই প্রতিশ্রুতির ওপর নির্ভর করে সম্পর্ক করেছেন,
‎এবং প্রমাণ কতটা শক্তিশালী।
‎অভিযোগের ধরন ও ঘটনার বিস্তারিত অনুযায়ী শাস্তি ভিন্ন হতে পারে।

‎আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ
‎রেজাউল করিম
‎এডভোকেট
‎01750135424

"  After successful Metting with Client"
16/05/2026

" After successful Metting with Client"

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ আইনের অধীনে   যে কোন ধারায় কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মিথ্যা ...
13/05/2026

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ আইনের অধীনে যে কোন ধারায় কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মিথ্যা মামলা দায়েরের সাজা কি হতে পারে?

‎নিম্নে আলোচনা করা হলো :---------------

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে মামলার বাদী বা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মিথ্যা মামলা করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
‎মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে বাদীর সাজা ৭ বছরের কারাদণ্ড:
‎নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কারো ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তা প্রমাণিত হয়, তবে অভিযোগকারী সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

‎অর্থদণ্ড:
‎কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত আর্থিক জরিমানাও করতে পারেন।

‎অন্যান্য আইন:
‎যদি মিথ্যা মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের পরিবর্তে সাধারণ দণ্ডবিধির অধীনে করা হয়, তবে দণ্ডবিধির ২১১ ধারা অনুযায়ী ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড হতে পারে।

‎আসামীর করণীয়:
‎যদি আপনি মিথ্যা মামলার শিকার হন, তবে ভয়ের কারণ নেই। আইনি প্রতিকারের জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন:
‎১. দক্ষ আইনজীবীর পরামর্শ: দ্রুত একজন অভিজ্ঞ ফৌজদারি আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করুন।
‎২. সাক্ষ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ: মামলার ঘটনাটি যে মিথ্যা, তার স্বপক্ষে যত ধরনের প্রমাণ (যেমন- ভিডিও, অডিও, কল রেকর্ড, প্রত্যক্ষদর্শী, ওই সময়ের উপস্থিতির প্রমাণ) আছে, তা সংগ্রহ করুন।
‎৩. আগাম জামিন (Anticipatory Bail): উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নেওয়ার চেষ্টা করুন।
‎৪. মামলা প্রত্যাহারের আবেদন: পুলিশের তদন্ত পর্যায়েই (FRT) বা মামলার শুনানির সময় প্রমাণ করুন যে মামলাটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
‎৫. পাল্টা মিথ্যা মামলার মামলা: মামলার দায় থেকে খালাস পাওয়ার পর, আইন অনুযায়ী সেই মিথ্যা বাদী বা অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ ও শাস্তির দাবি জানিয়ে পাল্টা মামলা করতে পারেন।

‎আরো বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ :-
‎রেজাউল করিম
‎এডভোকেট
‎01750135424

10/05/2026

❤️মা দিবস❤️
মা মানে ভালোবাসা, মা মানে নিরাপদ আশ্রয়। পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জীবনে মায়ের স্থান সবচেয়ে উপরে। হাজার কষ্টের মাঝেও মা সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে নিজের সব সুখ ত্যাগ করেন। একজন মা শুধু জন্মই দেন না, তিনি ভালো মানুষ হয়ে ওঠার শিক্ষাও দেন।
মা দিবস আমাদের সেই মহান মানুষটির প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি বিশেষ দিন। তবে সত্যিকার অর্থে মায়ের প্রতি সম্মান শুধু একদিনের জন্য নয়, প্রতিদিনই হওয়া উচিত। মায়ের একটি হাসি, একটি দোয়া, একটি স্নেহমাখা স্পর্শ সন্তানের জীবনকে সুন্দর করে তোলে।
পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি "রেজাউল অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস"-এর পক্ষ হইতে রইলো গভীর শ্রদ্ধা ও অফুরন্ত ভালোবাসা।
“মা” — ছোট্ট একটি শব্দ, অথচ এর মাঝেই লুকিয়ে আছে পুরো পৃথিবী। ❤️

প্রথম স্ত্রীর অনুমতি বা সালিশি পরিষদের (Arbitration Council) অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে এবং দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথ...
06/05/2026

প্রথম স্ত্রীর অনুমতি বা সালিশি পরিষদের (Arbitration Council) অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে এবং দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রথম স্ত্রীর ভরনপোষণ না দিলে স্ত্রীর করনীয় কি?আইনগত ভাবে স্বামীর কি সাজা হতে পারে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো।:::=

‎ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি বা সালিশি পরিষদের (Arbitration Council) অনুমোদন ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এর ফলে স্বামী ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন । প্রথম স্ত্রী তাৎক্ষণিক দেনমোহর দাবি করতে পারেন এবং আইনগতভাবে বিচ্ছেদ বা ভরণপোষণের মামলা করতে পারেন।

‎আইন অনুযায়ী করণীয়:
‎দেনমোহর পরিশোধ: প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে স্বামীর কাছে প্রথম স্ত্রীর অনাদায়ী ও তাৎক্ষণিক দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা অবিলম্বে পাওনা হয়ে যায় ।

‎ভরণপোষণ:
‎প্রথম স্ত্রী এবং সন্তানদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেওয়ানি আদালতে মামলা করা যাবে ।

‎আইনগত ব্যবস্থা:
‎স্ত্রী চাইলে স্বামী বা কাজীর বিরুদ্ধে স্থানীয় সালিশি পরিষদ বা আদালতে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন ।

‎বিয়ে নিবন্ধন:
‎অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে নিবন্ধিত না হওয়ার ঝুঁকি থাকে ।যদিও সাম্প্রতিক হাইকোর্টের একটি রায়ে বলা হয়েছে যে, স্ত্রী’র সম্মতির চেয়ে 'সালিশি পরিষদের' অনুমতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু আইন অনুযায়ী পরিষদকে স্ত্রীর মতামত বা সম্মতি যাচাই করতে হয় । দ্বিতীয় বিয়েটি ধর্মীয়ভাবে বৈধ হলেও, আইনি শর্ত না মানলে স্বামী ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত হবেন।

‎১. স্বামী অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে কী আইন প্রযোজ্য?
‎বাংলাদেশে মুসলিমদের ক্ষেত্রে
‎Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুযায়ী—
‎ধারা ৬ (Section 6)
‎স্বামী প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারে না তাকে আর্বিট্রেশন কাউন্সিল (চেয়ারম্যান/ইউপি চেয়ারম্যান/মেয়র) থেকে অনুমতি নিতে হয়

‎অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে শাস্তি:
‎সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়ই
‎এবং প্রথম স্ত্রীর মোহরানা সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে বাধ্য।

‎২. স্বামী ভরণপোষণ না দিলে কী করবেন?
‎‎এখানে স্ত্রী যা করতে পারবেন:
‎আদালতে ভরণপোষণের মামলা করতে পারবেন
‎আদালত স্বামীকে মাসিক খরচ দিতে বাধ্য করবে।

‎শাস্তি:
‎ভরণপোষণ না দিলে:-
‎জেল (সাধারণত ১ মাস পর্যন্ত, বারবার হতে পারে)
‎৩. যোগাযোগ বন্ধ ও পরিত্যাগ করলে করণীয়
‎যদি স্বামী— যোগাযোগ বন্ধ করে/স্ত্রীকে ফেলে রেখে যায়/খরচ না দেয়।

‎তাহলে আপনি করতে পারেন:
‎ (১) ভরণপোষণ মামলা।
‎(২) দ্বিতীয় বিয়ের জন্য ফৌজদারি মামলা।
‎(৩) নির্যাতন থাকলে মামলা।
‎Domestic Violence (Prevention and Protection) Act, 2010 অনুযায়ী।

‎ ৪. কোথায় মামলা করবেন?
‎ফ্যামিলি কোর্ট ভরণপোষণ, ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট দ্বিতীয় বিয়ে (ধারা ৬ লঙ্ঘন), নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল (প্রযোজ্য হলে)।

‎আপনার করণীয় (প্র্যাকটিক্যাল গাইড):-
‎১. স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের প্রমাণ সংগ্রহ করুন।
‎২. স্থানীয় চেয়ারম্যান/সিটি কর্পোরেশন থেকে তথ্য নিন।
‎৩. প্রয়োজনে থানায় জিডি/মামলা করুন।

‎আরে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ :-
‎রেজাউল করিম
‎এডভকেট
‎01750135424

Address

Dhaka
12

Telephone

+8801750135424

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rezaul and Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rezaul and Associates:

Share