Six Squares Legal

Six Squares Legal Six Squares Legal Ally (SSLA) is a vibrant Law Firm with an extensive legal network in Bangladesh and other countries worldwide.

We have connections with domestic and international Law Chambers. We provide customized services based on our clients' needs.

Robi Axiata PLC has replaced its Airtel brand in Bangladesh with Cirkle, ending Airtel's 16-year presence in the market ...
17/08/2026

Robi Axiata PLC has replaced its Airtel brand in Bangladesh with Cirkle, ending Airtel's 16-year presence in the market and introducing a new identity aimed at young, digital-first consumers. Robi officially unveiled Cirkle today (17 August) at the Pan Pacific Sonargaon Hotel in Dhaka.

Credit: The Business Standard




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

Robi says customers will retain numbers, services and balances

09/06/2026

রামিসা হ'ত্যা ও ধ'র্ষণ মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী বললেন, ন্যায়বিচার পেয়েছি।
তবে তারা নিজেরাও ধ'র্ষ'কের বিচার চেয়েছেন। প্রশ্ন হলো, তাহলে তারা কেন ধর্ষকের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন?

উত্তরটা খুবই সহজ। এবং এই আইন আপনার জানা থাকলে আপনিও ভবিষ্যতে বড় ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচতে পারেন, চলুন জেনে আসি!

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিক আইনের আশ্রয় লাভ এবং আইন অনুযায়ী আচরণ পাওয়ার অধিকার রাখেন। এছাড়া সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গ্রেপ্তার বা আটক ব্যক্তির আইনগত সহায়তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। সেই কারণেই বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, যেকোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনজীবীর সহায়তা চাইতে পারেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পান।

এই মামলায় যেহেতু আসামির পক্ষের কোনো আইনজীবী দাঁড়াননি, তাই রাষ্ট্র তার পক্ষে একজন আইনজীবীর ব্যবস্থা করেছে, যেন বিচার প্রক্রিয়া সুষ্ঠু ও আইনসম্মতভাবে পরিচালিত হয়। কারণ আদালত কেবল রাষ্ট্রপক্ষের কথা শুনে বিচার করেন না, উভয় পক্ষের বক্তব্য, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আইনি যুক্তি বিবেচনা করেই রায় দেন।

আর যদি আজ এখানে আসামির পক্ষের কোনো আইনজীবী না থাকতেন, তাহলে বিচার প্রক্রিয়া একতরফা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকত। এতে আরেকটি বড় বিপদ ঘটতে পারত। কারণ অনেক সময় নিরপরাধ ব্যক্তিকেও ধ'র্ষক বা অপরাধী বানিয়ে দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সেই নিরপরাধ ব্যক্তি আইনের সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন।

উদাহরণস্বরূপ, ফেনীতে পরশুরামে ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর মোজাফফর নামে এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে ধ'র্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগের পর তার ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ছাত্র জনতা এবং তাকে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে শুধু তাই নয় এক মাস দুই দিন জেল খাটতে হয়েছে। পরবর্তীতে আদালতে উপস্থাপিত তথ্যপ্রমাণ ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, তিনি ওই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না তাকে ফাঁসানো হয়েছে। বরং প্রকৃত অপরাধী (ধ'র্ষক) ছিলেন মেয়ের আপন ভাই। এই ঘটনাই প্রমাণ করে, আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে কাউকে অপরাধী ধরে নেওয়া কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।

তাই এই আইনজীবীদের গালি না দিয়ে আইনের ভাষা বোঝা উচিত। একজন আইনজীবী আসামির পক্ষে দাঁড়ালেই তিনি অপরাধকে সমর্থন করছেন, বিষয়টি এমন নয়। তিনি সংবিধান ও আইনের বিধান অনুযায়ী একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করার সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কাজ করছেন।

আশা করি আপনারা বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।

সর্বশেষ কথা, রামিসা ধ'র্ষণ ও হ'ত্যা মামলায় আসামির মৃ'ত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। আমরা আশা করি, উচ্চ আদালতের সকল আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুত রায় কার্যকর হবে। তবেই মানুষ আইনের প্রতি আরও শ্রদ্ধাশীল হবে এবং বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

এম এইচ তকি খান
সাংবাদিক

🚨 শিশুদের নিরাপত্তা আমাদের সবার দায়িত্ব 🚨শিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও ধর্ষণ শুধু একটি অপরাধ নয়—এটি মানবতার বিরুদ্...
24/05/2026

🚨 শিশুদের নিরাপত্তা আমাদের সবার দায়িত্ব 🚨

শিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও ধর্ষণ শুধু একটি অপরাধ নয়—এটি মানবতার বিরুদ্ধে জঘন্য অপরাধ। নীরবতা অপরাধীদের আরও সাহসী করে তোলে। এখনই সচেতন হোন, প্রতিবাদ করুন, আইনগত পদক্ষেপ নিন।

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তির বিধান। প্রতিটি শিশু নিরাপদ শৈশব পাওয়ার অধিকার রাখে।

✅ সন্তানদের সচেতন করুন
✅ সন্দেহজনক আচরণ লক্ষ্য করুন
✅ শিশুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন
✅ কোনো ঘটনা জানলে চুপ থাকবেন না

📞 জরুরি সহায়তা:
জাতীয় জরুরি সেবা: ৯৯৯
শিশু সহায়তা হেল্পলাইন: ১০৯৮

“শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করি, নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ি।”

#শিশু_নিরাপত্তা #শিশু_ধর্ষণ_বন্ধ_হোক #আইনের_শাসন

Collected/Credit: https://www.facebook.com/share/p/1Za7Kn8nhi/                                    Disclaimer: The shared...
23/05/2026

Collected/Credit: https://www.facebook.com/share/p/1Za7Kn8nhi/



Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

ই-ট্রাফিক : আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানাE-Traffic: Auto Notice for Violating Law, Warrant for Non-Appeara...
03/05/2026

ই-ট্রাফিক : আইন ভাঙলে অটো নোটিশ, হাজিরা না দিলে পরোয়ানা

E-Traffic: Auto Notice for Violating Law, Warrant for Non-Appearance

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নোটিশ পাওয়ার পর নির্ধারিত জরিমানা পরিশোধে হাজিরা না দিলে পরবর্তী ধাপে সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির কার্যক্রমও শুরু হচ্ছে।

Dhaka Metropolitan Police (DMP) has started sending auto-generated notices through CCTV cameras to protest traffic violations on different roads of the city. After receiving the notice, the process of issuing a summons or arrest warrant is also being started in the next step if they do not appear to pay the prescribed fine.

রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং এবং প্রতিবন্ধকতা তৈরিকারী ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক ও চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে মালিক ও চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো হচ্ছে। ওই নোটিশ পাওয়ার পর মালিক ও চালকরা ডিএমপি সদর দপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন।

On Sunday (May 3), the acting commissioner of DMP. This information was given in a public notice signed by Sarwar. Legal action has been taken against the owners and drivers who violate the traffic rules for illegal parking and obstruction of vehicles plying on different routes of Dhaka city to alleviate traffic congestion, modernize traffic management and provide better citizen services. The DMP Traffic Department is sending the auto-generated notice registry to the addresses of the owners and drivers through the e-traffic prosecution software by recording videos and still images. After receiving the notice, the owners and drivers appeared at the DMP headquarters and the traffic department concerned and settled the case by paying the fine prescribed under the Road Transport Act through banks or mobile banking.

এতে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক বা চালকরা ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া (সমন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের মাধ্যমে বাস্তবায়নের কার্যক্রম সম্প্রতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ দেওয়া হলো। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

If the owners or drivers do not appear before the traffic department even after receiving the notice, the next legal process (summons or arrest warrant) has been taken against them through the special metropolitan magistrates of Dhaka Metropolitan Police. Outside of this process, all concerned have been advised to refrain from exchanging any kind of financial transactions or personal information related to the payment of the fine of the case through CCTV cameras or video footage. If any person or unscrupulous gang uses the name of the video or CCTV camera case or tries to cheat, they are requested to contact the nearest police station or the concerned traffic department immediately.

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে।

The DMP has recently installed advanced CCTV cameras with AI technology in important areas of various traffic signal crossings. Through the footage of these cameras, digital prosecution or cases have been initiated for crimes such as disobeying red light signals at various signals or crossings, crossing the stop line, traveling in the opposite direction, creating obstacles by picking up passengers, illegal parking and blocking the left lane.

Credit/Source: https://www.dhakapost.com/national/449433

Dhakapost.com




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team cannot be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে অটো জেন....

অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ (৪০৬) বনাম প্রতারণা (৪২০): বিভ্রান্তি ও বাস্তবতাকখনো কখনো আদালতে বাদীর উকিল সাহেবরা বলেন, “আসামি ব...
03/05/2026

অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ (৪০৬) বনাম প্রতারণা (৪২০): বিভ্রান্তি ও বাস্তবতা

কখনো কখনো আদালতে বাদীর উকিল সাহেবরা বলেন, “আসামি বাদীকে সৌদি আরবের ভিসা দিবে বলেছিল, বাদী আসামির সেই কথা বিশ্বাস করে আসামিকে টাকা দিয়েছিল, আসামি কথা রাখেনি, ভিসা দেয়নি, আসামি বাদীর সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করে বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ করেছে, এভাবেই ৪০৬ ধারার জামিন অযোগ্য অপরাধ হয়ে গেছে, ফলে আসামি আইনত জামিন পেতে পারে না।”

কিন্তু বাদীর এই বিশ্বাস সেই বিশ্বাস নয়, এই বিশ্বাস ভঙ্গ সেই বিশ্বাস ভঙ্গ নয়, যা পেনাল কোডের ৪০৬ ধারায় শাস্তিযোগ্য। পেনাল কোডের ৪০৬ ধারায় ‘অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ’ নামে একটি অপরাধ আছে, যে অপরাধের সংজ্ঞা ৪০৫ ধারায় প্রদান করা হয়েছে। সমগোত্রীয় আরেকটি অপরাধ হলো—প্রতারণা, যা ৪২০ ধারায় শাস্তিযোগ্য।

৪২০ ধারার অপরাধ জামিনযোগ্য কিন্তু ৪০৬ ধারার অপরাধ জামিন অযোগ্য। ৪২০ ধারায় মামলা হলে আসামির আসা মাত্র জামিন হয়ে যাবে কিন্তু ৪০৬ ধারায় মামলা হলে জামিন নাই; তাই ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে টাকা-পয়সার লেনদেন বিষয়ে মামলা দায়ের করার সময় মামলার আরজিতে ‘ধারা: ৪০৬/৪২০’ লিখে আনা হয়, লাগাও উভয় ধারা, ব্যাটা যেন বাদীর টাকা না দিয়ে জামিনে যেতে না পারে।

৪০৬ ধারার অপরাধের প্রাণ হলো—জিম্মাদারিত্ব; এই অপরাধের ইংরেজি নাম হলো Criminal Breach of Trust, এর বাংলা ‘অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গ’ না করে ‘অপরাধজনক জিম্মাদারিত্ব ভঙ্গ’ করলে ভালো হতো, তাহলে অনেক বিভ্রান্তি এড়ানো যেত। যখন কোনো অর্থ বা সম্পত্তি আসামিকে ভোগ করতে দেয়া হয় না; জমা রাখতে, বহন করতে, মেরামত করতে, পাহারা দিতে ইত্যাদি উদ্দেশ্যে দেয়া হয়; তখন তা আসামি নিজে খেয়ে ফেললে বা ভোগ করে ফেললে বা অন্য কাউকে খেয়ে ফেলতে দিলে ৪০৬ ধারার অপরাধ হয়। সংক্ষেপে বলা যায়—যখন বেড়ায় খেত খেয়ে ফেলে তখন এই অপরাধ হয়।

অন্যদিকে, ৪২০ ধারার প্রাণ হলো—প্রতারণা, এই কারণে সমাজে প্রতারক শ্রেণির মানুষকে ‘ফোর টুয়েন্টি’ বলে ডাকা হয়, বলা হয় “সে একটা ৪২০”। যখন কোনো কিছুর বিনিময়ে Consideration হিসেবে কোনো টাকা বা সম্পত্তি দেয়া হয়, তখন তা আসামিকে ভোগ করার জন্যই দেয়া হয়, তা আসামি খেয়ে ফেললে আত্মসাতের বা অপরাধজনক বিশ্বাস ভঙ্গের অপরাধ হয় না, তবে তা লিখিত বা মৌখিক চুক্তি ভঙ্গের ঘটনা হতে পারে, যেমন:

ভিসার জন্য কোনো প্রবাসী বা আদম ব্যবসায়ীকে টাকা দেয়া,

কাজের জন্য শ্রমিক বা শ্রমিকের মাঝিকে টাকা দেয়া,

সম্পত্তির বিনিময় হিসেবে অন্য কোনো সম্পত্তি বা টাকা দেয়া,

বিক্রেতাকে মালের জন্য টাকা দেয়া,

ক্রেতাকে বাকিতে মাল দেয়া ইত্যাদি।

এখানে আসামিকে যা দেয়া হয়েছে তা তাকে খাওয়ার জন্যই দেয়া হয়েছে, আমানত হিসেবে নয়, হেফাজতে রেখে তা ফেরত দেয়ার জন্য নয়, তা সে খেয়ে ফেললে অপরাধ হয় না। এমনকি, ফেরত দেয়ার শর্তে কোনো টাকা বা ভোগ্যপণ্য ধার দিলেও তা খাওয়ার জন্যই দেয়া হয়, পরে সেই মানের সেই পরিমাণ টাকা বা খাদ্য ফেরত দেয়া হবে—এমন শর্ত থাকে, তা খেয়ে ফেললে কোনো অপরাধই হয় না, কারণ খাওয়ার জন্যই তো দেয়া-নেয়া হয়েছিল;

যেমন—গ্রামের মহিলারা রান্না করতে গিয়ে তেল, নুন, চাল, ডাল ইত্যাদিতে কমতি পড়লে পাশের বাড়ির মহিলা থেকে ধার নেয়। যে শর্তে সেই খাওয়ার বা ভোগ করার বা ব্যবহার করার সেই জিনিসটি দেয়া হলো, সে শর্ত পূরণ না করলে প্রতারণা করে সেই মাল গ্রহণ করা হয়েছে কি না সে প্রশ্ন আসতে পারে, প্রতারণার ঘটনা ঘটলেই শুধু ৪২০ ধারার অপরাধ হতে পারে।

প্রতারণা করে টাকা বা মাল আসামি নিয়েছিল কি না, তা আসামির ইনটেনশন বা মানসিকতা থেকে বুঝা যায়, এটাকে আইনের ভাষায় Initial intention of deception বলা হয়; ৪২০ ধারার অপরাধ হতে হলে ঘটনা বা লেনদেনের শুরু থেকেই আসামির সেই অসৎ মানসিকতা থাকতে হবে [46 DLR AD 180]।

এখন ইনটেনশন তো থাকে আসামির বুকের ভিতর—মনে, না কি মাথায়! মন মহাশয় কোথায় বাস করেন? আসামির মনে বা মাথার ভিতরে কী আছে বা ছিল তা কেমনে দেখা যাবে!! তা কিন্তু দেখতে পাওয়া যায়! আশ্চর্য! কেমনে!! তা ঘটনার সার্বিক পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও আসামির সামগ্রিক আচরণে (Surrounding circumstances and subsequent conduct of the accused) ফুটে উঠে [48 DLR AD 100]; যেমন—

আগামীকাল বাড়ির আমগাছে থাকা মধুর বাসা ভেঙে একদম খাঁটি মধু দেব বলে টাকা নেয়া কিন্তু সেই মধু আর না দেয়া, এমনকি দেখা গেল তার বাড়ির আমগাছে কোনো মধুর বাসাই নাই বা সব মধু টাকা নেয়ার আগের দিন অন্য লোককে বিক্রি করে দিয়েছিল;

কাল ফেরত দেব বলে টাকা ধার নিয়ে পরে অস্বীকার করা ও টাকা চাইলে মাইর খাবি বলে হুমকি দেয়া;

ভিসা দেব বলে টাকা নেয়া ও ভিসা দেয়ার কোনো চেষ্টাই না করা বা ভিসা দেয়ার মতো কোনো উপায় তার নাই জেনেও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে টাকা নেয়া;

মাল বিক্রি করে দাম দেব বলে পাইকার থেকে মাল নিয়ে খুচরা বিক্রি শেষ করেও পাইকারের পাওনা না দেয়া ও কোনো যোগাযোগ না করা;

জমি বিক্রি করব বলে বায়না করে টাকা নেয়া ও সেই জমি গোপনে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়া বা সে জমি আগেই অন্যত্র বিক্রির পর বায়না করা ইত্যাদি।

ঘটনায় ফোর টুয়েন্টি টাইপের লোকের মনের বা মাথার ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা চিটারকে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।

কিছু লেনদেন থাকতে পারে যেখানে বাদী আসামির নিকট টাকা পাওনা হলেও আসামির মোটেও কোনো অপরাধ বা ফৌজদারি দায় থাকে না, তবে দেওয়ানি দায় থাকতে পারে, এগুলোকে ব্যবসায়িক লেনদেন বা দেওয়ানি প্রকৃতির দায় বলা হয়, সে টাকা দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় আদায়যোগ্য হয়, যেমন:

দীর্ঘ ও ধারাবাহিক ব্যবসায়িক একাধিক লেনদেনের পর হিসাব শেষে যদি আরও কিছু টাকা পাওনা থেকে যায়, তা দিতে না পারলে ও কোনো তথ্য গোপন বা প্রতারণার উপাদান না থাকলে কোনো অপরাধ হয় না [42 DLR AD 240, 19 BLD AD 128];

ব্যবসায়িক পাওনা আংশিক পরিশোধ করার পর বাকি টাকা আসামির আর্থিক অসঙ্গতির জন্য দিতে ব্যর্থ হলে অপরাধ হয় না, তা একটি দেওয়ানি প্রকৃতির দায় ও দেওয়ানি প্রক্রিয়ায় প্রতিকারযোগ্য; কিন্তু সেই Part payment-ই যদি হয় প্রতারণার হাতিয়ার, তা দিয়েই যদি বাকি টাকা না দেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে মাল সরবরাহ করার জন্য বাদীকে প্ররোচিত করা হয়, তাহলে ৪২০ এর অপরাধ হয় [46 DLR AD 180];

আসামি বাদীর পাওনা পরিশোধে আন্তরিক, কিছু দিয়েছে ও দিচ্ছে, বাকিটা দেবে দেবে বলছে ও সময় চাচ্ছে, কোনো তথ্য গোপন করছে না, বাদীকে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে না, তখন প্রতারণার উপাদান থাকে না ও কোনো অপরাধ হয় না [50 DLR AD 163, 49 DLR AD 132] ইত্যাদি।

খুব খুব কম ঘটনা আছে, যেটাতে এই দুই ধারার অপরাধ একত্রে হতে পারে, যেমন: কেউ বিদেশ থেকে দেশে আসতেছে; আসার সময় অন্য প্রবাসীরা তাদের পরিবারকে এনে দেয়ার জন্য সেই লোককে কিছু খেজুর, মোবাইল, নগদ টাকা ইত্যাদি দিবে; এইসব জিনিস দেশে এসে ঠিকমতো বুঝিয়ে না দিয়ে খেয়ে ফেললে ৪০৬ ধারায় আত্মসাতের অপরাধ হয়; আরেক প্রবাসী তার বাড়িতে পাঠানোর জন্য কোনো জিনিস দিতে আসেনি, তবুও সে দেশে আসা লোক তার কাছে গিয়ে “তোমার বাড়ির জন্য এটা দাও, সেটা দাও” বলে খুঁজে নিয়ে আসলো এবং সব মেরে দিল!! এই খুঁজে আনা জিনিসের ক্ষেত্রে ৪২০ ও ৪০৬ উভয় ধারার অপরাধ একত্রে হয়েছে;

প্রথমত: সে মেরে দেয়ার অসৎ উদ্দেশ্যে মানুষকে দেশের বাড়ির জন্য কিছু জিনিস তাকে দিতে প্ররোচিত করে চিটিং করেছে, দ্বিতীয়ত: সেসব জিনিস এনে তার বাড়িতে বুঝিয়ে না দিয়ে খেয়ে ফেলে ৪০৬ ধারায় আত্মসাতের অপরাধ করেছে। তবুও এই রকম নগদ টাকা খরচ করে ফেলে পরে নিজের টাকা এনে দিয়ে দিলে অপরাধ হবে না, কিন্তু খেজুর-মোবাইল ইত্যাদি হুবহু আসলটা অসৎ উদ্দেশ্যে অবৈধ লাভের জন্য বদল করে ফেললেও আত্মসাতের অপরাধ হবে।

৪০৬/৪২০ ধারার অপপ্রয়োগ অহরহ হতে দেখা যায়। অতিরিক্ত জেলা জজ হওয়ার পর ফৌজদারি আপিল-রিভিশনে দেখলাম—এমন কিছু ৪০৬/৪২০ ধারার মামলা হয়েছে, আসামির অনেক দিন জামিন হয়নি, এমনকি সাজা হয়ে গেছে!! যেখানে আসলে কোনো অপরাধই হয়নি বা ৪২০ ধারার অপরাধ হয়েছে কিন্তু ৪০৬ ধারা অন্যায়ভাবে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে। এই দুইটি অপরাধের মর্মার্থ ও পার্থক্য বুঝার ও সঠিকভাবে প্রয়োগের ক্ষেত্রে আদালত পাড়ায় কিছু বিভ্রান্তি রয়েছে।

কিছু ক্ষেত্রে পাওনা টাকা আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে এই দুইটি ধারাকে একত্রে বুঝে-শুনে অপপ্রয়োগের আবেদন জানানো হয়, কোনো কোনো আদালত সেই আবেদনে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে থাকেন, উদ্দেশ্য অনেকটা সৎ ও পাওনা টাকা আদায় করে দেয়া, কিন্তু পাওনা টাকা আদায়ের অন্য আইনগত উপায় রয়েছে, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ৪০৬/৪২০ ধারাকে অপপ্রয়োগ করা আইনকে ইচ্ছাকৃতভাবে না মানার শামিল হয়ে যায়।

সর্বদা আইন মেনে চলতে হবে, বিশেষ করে আদালতকে। আইনকে লিখিত রূপ দেয়া হয়েছে এই জন্য যে—সবাই যেন তা এক রকমভাবে মেনে চলতে বাধ্য হয়, কেউ যেন কোনটা ন্যায় বা কোনটা অন্যায় তা নিজের খামখেয়ালের বশে ব্যাখ্যা করে যা ইচ্ছা তা করতে না পারে। প্রয়োজনে আইনকে বদলানো যেতে পারে, যেমন—পেশাদার চিটারদেরকে প্রতিরোধ করার জন্য ৪২০ কে অজামিনযোগ্য করা যেতে পারে।

দেওয়ানি রোগে আক্রান্ত মক্কেল আসলেই টেনেটুনে বা মিথ্যা গল্প সাজিয়ে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে দেয়ার একটা প্রবণতা দেখতে পাওয়া যায়। স্বামী পরিত্যক্ত অসহায় মহিলা আদালতে এসেছেন, তার আশা নিজের ও সন্তানের মোহরানা ও ভরণপোষণ পাওয়া, কিন্তু মিথ্যা ও কল্পনার রং মেখে দায়ের করে দেয়া হলো—যৌতুকের মামলা! সাথে একটি নারী-শিশু নির্যাতনের মামলা! সাথে স্বামীর বৃদ্ধ মা-বাবা ও দূরে স্বামী গৃহে বসবাসরত ননদ-ননাসও আসামি! সবাইকে জেল খাটিয়ে তছনছ। রেগে গিয়ে স্বামী দিল বাদীকে তালাক!! অনেক বছর পর বিচারে দেখা গেল—যৌতুকের কোনো ব্যাপার ছিল না, অন্য কারণে সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল, মামলা খারিজ!!! তখনো ভরণপোষণ ও মোহরানা আদায়ের জন্য পারিবারিক মামলা করা হয়নি। ভরণপোষণের দাবিও তামাদি হয়ে যায়, শেষ, সব শেষ।

বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতও কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকা-পয়সা দেনা-পাওনার ঘটনায় দায়েরকৃত আইনত অচল ফৌজদারি মামলা নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে দেন। বিজ্ঞ আইনজীবী ও বিজ্ঞ আদালত উভয়ের সৎ উদ্দেশ্য ও আশা: এতে আসামি বাদীর পাওনা দিয়ে দিবে। এতে বরং বাদীর ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, কারণ এমন অচল মামলা শেষ পর্যন্ত টিকবে না, অনেক বছর পর উচ্চ আদালতে গিয়ে খারিজ হয়ে যাবে, তত দিনে বাদীর দম ও টাকা আদায়ের তামাদির মেয়াদ শেষ! তাই শুরুতে আপাত নিষ্ঠুর দেখালেও আইনত অচল মামলা ফাইলিং-এর সময় খারিজ করে দেয়া ও বাদীকে সঠিক পথ দেখিয়ে দেয়া উত্তম, যেন আইনত অচল ফৌজদারি মামলা চালাতে চালাতে বাদীর দম ও পাওনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ ফুরিয়ে না যায়।

Credit: LawyersClubBangladesh.Com
Source: https://lawyersclubbangladesh.com/2026/05/03/difference-between-section-406-and-420-penal-code/?fbclid=IwY2xjawRj8T5leHRuA2FlbQIxMABzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeulG8nKFEeO2wxIZu83kaKvZiVaeNpv7mssx-JIzMbefrk6IURYkpHK2HjFg_aem_4OPXjAqh35i088VQ2D5ibA





Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

Credit/Source: https://www.prothomalo.com/opinion/column/tkr039xo6f?utm_source=facebook&utm_medium=social&utm_campaign&u...
19/04/2026

Credit/Source: https://www.prothomalo.com/opinion/column/tkr039xo6f?utm_source=facebook&utm_medium=social&utm_campaign&utm_content=ap_eyonpg21a6



Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

মধ্যযুগে তুরস্কের এক বাদশাহ নিজের চেহারাসুরত নিয়ে খুব অহংকারে ভুগতেন। তিনি তাঁর সভাসদ মোল্লা নাসিরুদ্দিনকে জিজ...

সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ রোববার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ মে...
12/04/2026

সাবেক আইনমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ রোববার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

Former Law Minister and Senior Advocate of Supreme Court of Bangladesh Barrister Shafiq Ahmed passed away at Bangladesh Medical College Hospital (BMCH) on Sunday afternoon.

তিনি সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

He was the former president of the Supreme Court Bar Association and former vice-chairman of the Bangladesh Bar Council. Barrister Shafiq Ahmed was the Minister of Law, Justice and Parliamentary Affairs in the Awami League government from 2009 to 2014.

সুপ্রিম কোর্টেসহ দুইদফা জানাজা শেষে আগামীকাল সোমবার ব্যারিস্টার শফিক আহমেদকে দাফন করা হবে বলে জানান আইনজীবী আকসির এম চৌধুরী।

Barrister Shafiq Ahmed will be buried on Monday after two namaz-e-janazas at the Supreme Court, said Advoctae Aksir M Chowdhury.

Source: https://lawyersclubbangladesh.com/2026/04/12/barrister-shafique-ahmed-death/?fbclid=IwY2xjawRIfZlleHRuA2FlbQIxMABzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEei7S6acAofspo0zmdFTJnWsbgM11yLPhB94U3opIW-xuf-Y0Xd-uBNJkbPj4_aem_7eD418TDtAppZf99LAXLsA




Disclaimer: The shared content is the sole property and thought of the Author of the piece of writing and the published platform (referred to as source link). The SSLA team or any of its members does not agree, disagree, support or stand against the content and thoughts of the Author. The SSLA team always tries its best to share updates on laws, the latest information and current affairs going around for its audience from reasonably trusted sources. The SSLA and its Team can not be held accountable for the contents which is not directly authored by the SSLA and shared from other sources.

সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ২০০৯-২০১৪ স.....

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Six Squares Legal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share