Legal Study Zone

Legal Study Zone Legal Study Zone has been created only for the law graduates as well as the law students for the preparation of BAR Council Exam & BJSC Exam.

Here students can join and share their knowledge to prepare themselves for BAR Council Exam & BJSC Exam. Legal Study Zone is an institute where law graduate and students get support to be an advocate and judge. Legal Study Zone is a institution graduates get support to be an advocate, method of bar council exam, the method of answering questions. Legal Study Zone is administer by advocates of Dhak

a judge court and high court. The feature of Legal Study Zone are as follows:

-Get support to be an advocate.

-Get support to be judge.

-Law students can learn any law based information about this institution.

-Model test question solve.

-Class test every day before class.one teacher only for one subject.

-Special batch only for British law students.

-Special batch for intern & job holder students.

আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (২) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এ...
16/09/2025

আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (২) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর নিম্নরুপ বিধানাবলি
ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, রংপুর, দিনাজপুর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং সুনামগঞ্জ জেলায় আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ রোজ বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।

NI Act মামলা সংক্রান্ত মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা (অনধিক ৫ লাখ টাকার চেক ভ্যালুর ক্ষেত্রে) কার্যকারিতার আওতার বাইরে থাকবে।

17/07/2025

সমস্যা থেকে শিখি: চেকের মামলা

আসসালামু আলাইকুম স্যার,
স্যার, চেকের মামলায় বিচারিক আদলতে আসামী পক্ষ বাদীকে জেরা করতে পারে নাই, এখন আপীল আদালতে জেরা করার সুযোগ আছে কিনা?? যদি থাকে সেক্ষত্রে কোন ধারায় দরখাস্ত দিব স্যার?
উত্তর,
ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
আপনি সিআরপিসি-র ৪২৩(বি) ধারায় একটি দরখাস্ত দিয়ে মামলাটি পুনঃ বিচারে (রিমান্ডে) প্রেরণের আবেদন জানাতে পারেন এই বলে যে আপনি বিচারিক আদালতে নালিশকারীকে বা তার সাক্ষীকে জেরা করতে পারেননি এবং কেন পারেননি তার কারণ জানিয়ে।
এরূপ ক্ষেত্রে আপনার জেরা করার দরখাস্ত আপিল আদালত মঞ্জুর করলে আপিল আদালত ৪২৮ ধারায় মামলাটি পুনঃ বিচারে নিয়ে নিজে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন অথবা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিবেন এবং সাক্ষ্য গ্রহণ সমাপ্ত হলে আবারও তার আদালতে পাঠাতে বলবেন।

11/07/2025

🛡️ নতুন আইন! এখন তদন্তের মাঝপথেই রিপোর্ট দিতে বাধ্য পুলিশ – জানুন Section 173A কী বলছে!

📢 বাংলাদেশে ফৌজদারি কার্যবিধিতে (CrPC) যুক্ত হলো নতুন ধারা – Section 173A,
যেটা ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে।

এই নতুন আইনের মাধ্যমে এখন আর তদন্তের পুরোটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।
👉 পুলিশ এখন অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন (Interim Investigation Report) দিতে পারবে তদন্তের মাঝপথেই!

🔍 আইনটি কী বলছে?

➡️ Section 173A অনুযায়ী,
পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমপর্যায়ের কর্মকর্তার নির্দেশে
তদন্তকারী অফিসার এখন তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই একটি রিপোর্ট জমা দিতে পারেন।

এই রিপোর্টে থাকবে:
✅ মামলার এখন পর্যন্ত অগ্রগতি
✅ কোন প্রমাণ পাওয়া গেছে
✅ তদন্ত কোন পর্যায়ে আছে

⚖️ এই রিপোর্টের গুরুত্ব কী?

💡 যদি এই রিপোর্টে বলা হয় –
"অমুক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আপাতত কোনো প্রমাণ নেই",
তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত সেই ব্যক্তিকে অস্থায়ীভাবে অব্যাহতি দিতে পারেন!

📌 তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো –
যদি ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে নতুন প্রমাণ মেলে, তাহলে আবার তার নাম মামলায় যুক্ত করা যাবে।

📚 বাস্তব উদাহরণ:

ধরুন রাসেল নামের একজনের বিরুদ্ধে চুরির মামলা হলো।
৬ মাস পরেও তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোনো সঠিক প্রমাণ পাওয়া গেল না।
তখন পুলিশ অন্তর্বর্তীকালীন রিপোর্ট দিল –
“রাসেলের বিরুদ্ধে আপাতত কোনো প্রমাণ নেই।”

👉 ম্যাজিস্ট্রেট চাইলে তাকে অব্যাহতি দিতে পারেন, যাতে সে আর অহেতুক হয়রানির শিকার না হয়।
তবে পরবর্তী তদন্তে যদি রাসেলের সংশ্লিষ্টতা বের হয়, তখন আবার তার নাম মামলায় আসবে।

🧠 এই আইন আমাদের কী উপকারে আসবে?

✅ নির্দোষ মানুষ অহেতুক হয়রানি থেকে রক্ষা পাবে
✅ মামলার প্রক্রিয়া দ্রুত হবে
✅ তদন্তে স্বচ্ছতা আসবে
✅ পুলিশকে সময়মতো রিপোর্ট দিতে বাধ্য করা যাবে
✅ বিচার বিভাগে ভারসাম্য বজায় থাকবে

🔔 এই আইন কি অপব্যবহার হতে পারে?
হ্যাঁ, হতে পারে—তাই আমাদের দায়িত্ব রয়েছে সজাগ থাকার, এবং প্রয়োজনে আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিতে সচেষ্ট থাকার।

---

✊ আপনার মতামত দিন!
এই নতুন আইন Section 173A সম্পর্কে আপনার কী মত?
👉 ভালো পদক্ষেপ, না কি উদ্বেগজনক?
কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

📢 পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন, যাতে সবাই সচেতন হতে পারে।

📌 #বাংলাদেশ_আইন #নতুন_আইন #আইনি_সচেতনতা #আইনজ্ঞান #নাগরিক_অধিকার #মামলা #তদন্ত

অবশেষে প্রায় ১২৭ বছরের পুরাতন বৃটিশদের রেখে যাওয়া ফৌজদারি আইনের বাইবেল ❝ দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ❞ সংশোধনের সাহস ...
10/07/2025

অবশেষে প্রায় ১২৭ বছরের পুরাতন বৃটিশদের রেখে যাওয়া ফৌজদারি আইনের বাইবেল ❝ দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিওর ❞ সংশোধনের সাহস দেখালো বাংলাদেশ‼️

  Meaning and applicability of 'promissory estoppel' was explained by the Appellate Division. Former Chief Justice of Ba...
08/12/2024



Meaning and applicability of 'promissory estoppel' was explained by the Appellate Division. Former Chief Justice of Bangladesh, Mr. Shahabuddin Ahmed was the author judge.
Copy : Ahmed Sakib

14/07/2024

#চেক ডিজঅনার মামলায়
আপিল সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্টের রায়।

দি উইকলি ক্রাইম নিউজ
১৪ জুলাই, ২০২৪
ডেস্ক রিপোর্টঃ
চেক ডিজঅনার মামলায় আপিল করতে হলে চেকে উল্লিখিত টাকার ৫০% জমা দিতে হবে, এটা বাধ্যতামূলক বলে রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬ (২এ) নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (এনআই) অ্যাক্টের ১৩৮এ ধারার বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয় বলেও রায়ে উল্লেখ করেছেন সর্বোচ্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ গত ১১ জুন এ রায় দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন। এ বিষয়ে ঘোষিত ১২ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। রায়টি লিখেছেন প্রধান বিচারপতি।

চেকের মামলায় বিচারিক আদালতে দণ্ডিত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট আদালতে জামিন না পেয়ে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ৫০% টাকা জমা দেওয়া ছাড়াই হাইকোর্ট তাঁকে জামিন দিয়েছিলেন এবং বলেছেন টাকা জমা দিয়ে আপিল করতে।

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন সুপ্রিম কোর্টে ক্রিমিনাল লিভ টু আপিল দায়ের করেন যার প্রেক্ষিতে এই রায়।

রায়ে বলা হয়েছে, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের সামগ্রিক পঠন থেকে এটা স্পষ্ট যে আইনসভা শুধুমাত্র টাকা পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়াটিকে সহজতর করার জন্য নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টে আপিল করার আগে চেকের মোট অর্থের ৫০ শতাংশ জমা দেওয়ার বিধান সন্নিবেশিত করেছে যাতে চেকের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যক্তি অন্যকে প্রতারিত করতে না পারে।

তাই, নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ধারা ১৩৮এ -তে উল্লেখিত আপিলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার সময় চেকের মোট অর্থের ৫০% জমা করার পূর্ব-শর্তকে ছাড় দেওয়া যাবে না, যা সংবিধির ব্যাখ্যার নীতি অনুসারে মেনে চলতে হবে।

ফলে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ধারা ১৩৮(১) এর অধীনে চেকের মোট অর্থের ৫০ শতাংশ জমা না করে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার শর্তে আসামিকে কিছু সময়ের জন্য জামিন প্রদানের এখতিয়ার দেওয়া হয়নি।

কিন্তু হাইকোর্ট ডিভিশন অপ্রত্যাশিত আদেশ দ্বারা নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮এ ধারার বিধানকে ভুল ব্যাখ্যা করেছে, যা আপিল বিভাগকে এ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

রায়ে আরও বলা হয়, অবশ্যই, এটা স্পষ্ট করা দরকার যে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৫ হাইকোর্ট বিভাগকে তার চেয়ে নিম্নতর আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যেকোন আদেশের সঠিকতা, বৈধতা বা প্রাপ্যতা পরীক্ষা করার এখতিয়ার দিয়েছে।

ফলে এই মামলায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার অধীনে বিচারিক আদালত কর্তৃক জামিন বাতিলের আদেশের বৈধতা পরীক্ষা করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনাল এখতিয়ার রয়েছে।

অধিকন্তু, হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশনাল আবেদন পুনর্বিবেচনায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৯ ধারায় ক্ষমতা দেওয়া রয়েছে। তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৯ -এর অধীনে এই ধরনের সংশোধনী ক্ষমতা প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ চেকের মোট অর্থের ১৩৮এ জমা করার পূর্ব-শর্তটি বাতিল করতে পারে না।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬(২এ) নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮এ ধারার বিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। বরং ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৬(এ) এর বিধান নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮এ ধারার অধীনে নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রযোজ্য হবে বলেও রায়ে বলা হয়েছে।

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রশ্ন
17/11/2023

বার কাউন্সিল পরীক্ষার প্রশ্ন

02/11/2023

মুসলিম ফারায়েজ নীতিঃ

১। স্ত্রীর দুই অবস্থাঃ
(ক) মৃত ব্যাক্তির সন্তান না থাকলে ১/৪,
( খ) আর থাকলে ১/৮ অংশ পাইবে।

২। স্বামীর দুই অবস্থাঃ
(ক) স্ত্রীর মৃত্যুর পর সন্তান না থাকলে ১/২,
( খ) আর থাকলে ১/৪ অংশ পাইবে।

৩। কন্যার তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র কন্যা থাকলে ১/২ ,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) পুত্র কন্যা একসাথে থাকলে ২:১ অনুপাতে পাইবে।

৪। পিতার তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র বা পুরুষ শ্রেনী বর্তমানে থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) পুরুষ শ্রেনি না থাকলে এবং কন্যা বা পৌত্রী বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে থাকলে( ১/৬+অবশিষ্ট) অংশ পাইবে,
(গ)পুরুষ বা মহিলা শ্রেনী বর্তমানে না থাকলে অবশিষ্ট সকল অংশ পাইবে।

৫। মায়ের তিন অবস্থাঃ
(ক) মৃত্যু ব্যক্তির সন্তান বা একাধিক ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির যদি কোন সন্তান না থাকে বা ভাইবোন ২ জনের কম থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে,
(গ) স্বামী বা স্ত্রীর সাথে পিতা মাতা উভয়ে থাকলে , মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে স্বামী বা স্ত্রীর অংশ দেয়ার পর বাকি সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাইবে।

৬। বৈপিত্রীয় ভাইবোনদের তিন অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র বৈপিত্রীয় ভাইবোন থাকলে ১/৬ অংশ,
(খ) একাধিক থাকলে ১/৩ অংশ পাইবে
(গ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুত্র বা পৌত্র,পিতা বা দাদা থাকলে বঞ্ছিত হইবে।

৭। পৌত্রীগনের ছয় অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র পৌত্রী থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক কন্যা থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যক্তির পৌত্রী ও পৌত্র একই সাথে থাকলে অংশীদার হইবে,
(চ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির পুত্র থাকে তাহলে পৌত্রীগন বঞ্ছিত হইবে।

৮। সহোদরা বোনদের পাঁচ অবস্থাঃ
(ক) একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকলে ১/২,
( খ) একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) সহোদরা বোনের সাথে সহোদরা ভাই থাকলে আসাবা হইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র কন্যা বা পৌত্রী থাকে তাহলে সহোদরা বোনগন ১/৬ অংশ পাইবে। একাধিক কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে অংশীদার হইবে,
(ঙ) মৃত্যু ব্যাক্তির পুরুষ শ্রেনীর ওয়ারিশ থাকলে সহোদরা বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

৯। বৈমাত্রিয় বোনদের সাত অবস্থাঃ
(ক) যদি মৃত্যু ব্যাক্তির সহোদরা বোন না থাকে ও একজন মাত্র বৈমাত্রিয় বোন থাকলে ১/২,
(খ)একাধিক থাকলে ২/৩ অংশ পাইবে,
(গ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একজন মাত্র সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোন ১/৬ অংশ পাইবে,
(ঘ) যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে তাহলে বৈমাত্রিয় বোনগণ বঞ্ছিত হইবে,
(ঙ)যদি মৃত্যু ব্যক্তির একাধিক সহোদরা বোন থাকে এবং বৈমাত্রিয় বোনের সাথে বৈমাত্রিয় ভাই থাকলে একএে অংশীদার হইবে।
(চ) মৃত্যু ব্যাক্তির কন্যা বা পৌত্রী থাকলে এবং অন্য কোন ওয়ারিশ না থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগণ অবশিষ্ট অংশ পাইবে,
(ছ) মৃত্যু ব্যক্তির পুরুষ ওয়ারিশ থাকলে বৈমাত্রিয় বোনগন বঞ্ছিত হইবে।

১০। দাদী নানীর ২ অবস্থাঃ
(ক) পিতৃ বা মাতৃ সম্পর্কের এক বা একাধিক যাহাই হোক ১/৬ অংশ পাইবে,
(খ) মৃত্যু ব্যক্তির মাতা জীবিত থাকলে বঞ্ছিত হইবে। তবে পিতা জীবিত থাকলে দাদী বঞ্ছিত হইবে।

বার কাউন্সিল পরীক্ষার নোটিশ
17/10/2023

বার কাউন্সিল পরীক্ষার নোটিশ

17/10/2023

বার কাউন্সিল পরীক্ষা - ১৭ নভেম্বর ২০২৩

এ বছর অধস্তন আদালতের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রিলিমিনারী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী
সবার জন্য শুভকামনা।

14/10/2023

উচ্চ আদালত থেকে কোন মামলার কার্যক্রম স্টে (Stay) করা হলে অধস্তন আদালত সেই বিষয়ে আগাতে পারে না (Cannot proceed with the proceedings). এটি করলে বাইন্ডিং এফেক্ট অফ দ্য ডিসিশন এন্ড অর্ডারস অফ দা সুপ্রিম কোর্ট এর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার বিষয়টি ভায়োলেট হয়।

63 DLR (AD) (2011) ৫৭ পৃষ্ঠায় উল্লেখিত রাষ্ট্র বনাম মুক্তা খাতুন এবং অন্যান্য মামলার রায়ের কথাটি মাথায় আসছে - Any decision passed by the Appellate Division is binding upon all courts in Bangladesh and no judge can ignore it. If he does, it may not only be contemptuous but also tantamount to violation of the constitution.

স্বাধীনতা পূর্ব এই বঙ্গে আদালত অবমাননা আইন বলতে Contempt of Court Act,1926 ই ভরসা ছিল এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করার কিছুদিন পরেই ১০ এপ্রিল ১৯৭১ Laws Continuance Enforcement Order 1971 এর আদেশের মাধ্যমে এবং ভূতাপেক্ষা কার্যকারিতা (retrospective effect) দিয়ে ২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল থেকে আইনটি স্বাধীন বাংলাদেশেও পূর্বের ন্যায় কার্যকারিতা বহাল থাকে । ২০১৩ সালে আদালত অবমাননা আইন নামে একটি আইন পার্লামেন্টে পাশ হয় এবং পাশ হবার দিন থেকেই অর্থাৎ ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৩ সালেই কার্যকর হয় ( came into effect) . একই বছরে আইনটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পাবলিক ইন্টারেস্ট লিটিগেশন হিসেবে একটি রীট ফাইল করা হয় এবং বলা হয় আদালত অবমাননা আইন ২০১৩ এর ধারা ০৪ - ০৭, ০৯-১১, ১৩ (০২) গুলো সংবিধান এবং বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

৩৮ পৃষ্ঠার রায়ের এক পর্যায়ে উচ্চ আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন - The Contempt of Court Act 2013 was enacted to protect the government servants and journalists while disregarding the other citizens of the country. This is absolutely discriminatory when article 27 of the constitution stipulates that all the citizens are equal and deserve equal protection of law.

আদালত রায়ের গর্ভে আরো বলেন - It is very surprising note that the alleged sections protect the interest of only the government officials and journalists, totally disregarding all other citizens. It is time an again decided in different courts of different jurisdiction that the Supreme Court is a court of record and shall have all power of contempt itself. However , the impugned sections of the instant statute look like to have been made to curtail this power of this court, as provided in article 108 of the constitution.

আদালত অবমাননা আইন ২০১৩ এর ধারা ০৬ এ বলা হয়েছে অধস্তন আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে সরল বিশ্বাস অভিযোগ করলে সেটা আদালত অবমাননা বলে গণ্য করা হবে না। (Allegations against the presiding judge of a subordinate court with bona fide intention is not a contempt of court).

আদালত আরো বলেন আদালত অবমাননা আইন ২০১৩ এর উল্লেখিত ধারা সমূহ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮ -
সুপ্রীম কোর্ট একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" হবেন এবং ইহার অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবে ;

অনুচ্ছেদ ১১২ - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত সকল নির্বাহী ও বিচার বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা করবেন এবং অনুচ্ছেদ ২৭ - সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী, এই ২৭, ১০৮, ১১২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সবকিছু মিলিয়ে ২০১৩ সালে আদালত অবমাননা আইনটিকে উচ্চ আদালত অবৈধ ঘোষণা করেন।

অধস্তন আদালত অবমাননার বিষয়ে পেনাল কোডের ২২৮ ধারা এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৮০ এবং ৪৮৫, ৪৮৫ক, ৪৮৬ ধারাতে সুনির্দিষ্ট বিধান গুলো পাওয়া যায় । সর্বশেষ ২০২৩ সালে প্রণিত পারিবারিক আদালত আইনের ২৩ ধারায় পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করলে ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। বিচার কার্যে বিচারকদের রক্ষাকবজের কথা মাথায় রেখে শুধুমাত্র একটি ধারা সম্বলিত একটি আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল ১৮৫০ সালে যার নাম Judicial Officer's Protection Act. আইনটির সেই একমাত্র ধারাটিতে বলা হয়েছে বিচার কার্য করতে গিয়ে সৎ বিশ্বাসে বিচারক কোন ভুল কাজ করলে সেই বিচারককের বিরুদ্ধে দেওয়ানি আদালতে মামলা করা যাবে না। পেনাল কোডের ৭৭ ধারায় বলা হয়েছে বিচারক হিসেবে কাজ পরিচালনা কালে বিচারক কে আইনে যে সকল ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে তিনি সেগুলো সরল মনে বিশ্বাস করে কোন কাজ করলে তা অপরাধ হবে না। জুডিশিয়াল সার্ভিস-শৃঙ্খলা বিধিমালা ২০১৭ এর বিধি ১৭ একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় শারীরিক এবং মানসিক অদক্ষতা ব্যতিত অন্য কোন অদক্ষতা প্রমাণিত হলে ( Inefficiencies except physical or mental incapacity) , অসাদাচরণ প্রমাণিত হলে (misconduct), দুর্নীতিমূলক কার্যে লিপ্ত হওয়া বা জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে (Indulge in corruption) , রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর এমন কোন কাজ করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ( Engaging in any activities which is harmful of the state where he belongs to), সার্ভিস ত্যাগ করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ( Quitting service without the due process of law) , শারীরিক এবং মানসিক অদক্ষতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ( Physical or mental incapacity ), ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ প্রমাণিত হলে (Criminal Offence) সংশ্লিষ্ট বিচারক কে বিভিন্ন ভাবে দন্ড আরোপ করা যায়।

উচ্চ আদালতের অবমাননার অভিযোগে অধস্তন আদালতের বিচারক কে প্রাথমিক ভাবে শাস্তি দেয়া সম্ভবত ১৯৭২ সালের পর এটিই প্রথম। মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে এবং কোন মামলার আপিল মুল মামলার মতই একটা চলমান প্রক্রিয়া। এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলা ঠিক হবে না। তবে এই বিষয়টি আজ বাংলাদেশের আইন জগতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

Legal Study Zone has been created only for the law graduates as well as the law students for the preparation of BAR Council Exam & BJSC Exam. Here students can join and share their knowledge to prepare themselves for BAR Council Exam & BJSC Exam.

Address

11, Farmgate, 3rd Floor, Al-Fatah Medical Services
Dhaka
1215

Opening Hours

Monday 16:00 - 20:00
Wednesday 16:00 - 20:00
Friday 16:00 - 20:00
Sunday 16:00 - 20:00

Telephone

01721265083

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Study Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share