Faculty of Law,Jnu-5th_Batch

Faculty of Law,Jnu-5th_Batch Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Faculty of Law,Jnu-5th_Batch, Lawyer & Law Firm, Jagannat university, Dhaka.

সহকারী জজ নিয়োগের ভাইভা পরীক্ষার নতুন সময়সূচী।
09/10/2020

সহকারী জজ নিয়োগের ভাইভা পরীক্ষার নতুন সময়সূচী।

01/05/2020

জুডিসিয়াল পাঠশালা
বিষয়: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২
ডেইলি ক্লাস টেস্ট - ০১

1833 সালে Chartered Act, 1833 পাস হওয়ার ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের জন্য আইন প্রণয়নের পথ প্রশস্ত হয়। এর ফলে ১৮৩৪ সালে গঠিত হয় প্রথম আইন কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৬১ সালে গঠিত হয় তৃতীয় আইন কমিশন। এই কমিশন ১৮৭০ সালে TP Act, 1882 এর খসড়া প্রণয়ন করেন। এক্ষেত্রে মি: আর্থার হাউস এবং হোয়াইটলি স্টকস অগ্রনী ভুমিকা পালন করেন এবং ১৮৮২ সালের ১ জুলাই আইনটি কার্যকর হয়।

TP Act, 1882 প্রথম সংশোধিত হয় ১৯২০ সালে। এরপর ১৯২৯। সর্বশেষ ১ জুলাই ২০০৫ সালে। ২০০৫ সালে যে ধারাগুলো সংশোধিত হয়েছিল সেগুলো হল, ৫৩ক, ৫৪, ৫৯, ১২৩, ১২৯। আর যে ধারাগুলো নূতনভাবে সংযোজিত হয়েছিল সেগুলো হল:- ৫৩খ, ৫৩গ, ৫৩ঘ, ৫৩ঙ, ৫৪ক।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ থেকে ৩৭ ধারা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ৩৭- ১৩৭ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ধারা ৫৭ এবং ১২৩ অনুযায়ী মৌখিক দান করা যায়। সম্পতি হস্তান্তরের মূল আলোচ্য বিষয় ৬ টি। যথা-
1. Sale
2. mortgage
3. Lease
4. Exchange
5. Gift
6. AC

১. সম্পত্তি হস্তান্তর হয় কিভাবে?
উ: পক্ষগণের কার্যদ্বারা এবং আইনের মাধ্যমে।
২. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের প্রস্তাবনায় কিভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরের কথা উল্লেখ আছে? উল্লেখ আছে?
উ: পক্ষগণের কার্যদ্বারা।
৩. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারাগুলো আইনের মাধ্যমে কার্যকর?
উ: ধারা ৫৭ এবং ১২৩।
৪. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সীমাবদ্ধতা কি?
উ: এই আইন স্থানীয় কোন আইন,প্রথা কিংবা বিধিবদ্ধ কোন আইনকে অকার্যকর করবে না।
৫. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে চুক্তি আইন, ১৮৭২ সম্পর্কে কি বলা আছে?
উ: এই আইনের যে ধারাগুলো চুক্তি সম্পর্কিত সেগুলো চুক্তি আইনের অংশ হিসেবে গণ্য করতে হবে।
৬. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে রেজিস্ট্রেশন আইন,১৯০৮ এর কি কোন প্রয়োগ আছে?
উ: এই আইনের ধারা ৫৪(১.২), ৫৯,১০৭, ১২৩ ধারাগুলো রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর পরিপূরক বলে গণ্য হবে।
৭. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর ৫ ধারার মুল বিষয় কি?
উ: সম্পত্তি হস্তান্তর হবে জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে।
৮. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারার ব্যতিক্রম কোনটি?
উ: উক্ত আইনের ১৩ ধারা।
৯. ধারা ১৩ এর মূল বক্তব্য কি?
উ:
১০. ধারা 14 তে উল্লেখিত Rule against perpetuity কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
উ: জনক্যাণের জন্য চিরস্থায়ী হস্তান্তর হলে ( ধারা ১৮)।
১১. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে উইলের মাধ্যমে কি সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায়?
উ: না। সেথ জাসসুমাল বনাম কেন্দ্রীয় সরকার।
১২. Reversioner বলতে কি বোঝেন? এই আইনে এটি কি হস্তান্তর করা যায়?
উ:
১৩. ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকারের সম্ভাবনা ত্যাগ করা যায়,হস্তান্তর করা যায় কি?
উ: না।
১৪. কোন ব্যক্তি কি এমন Title হস্তান্তর করতে পারে যা তার নেই কিংবা তার যা আছে তার চেয়েও বেশি Title কি হস্তান্তর করতে পারে?
উ: হস্তান্তরকারীর হস্তান্তরিত সম্পত্তিতে Title না থাকলে হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে মালিক না হয়েও হস্তান্তর করা যায়। যেমন, Power of Attorney এবং এই আইনের ৪১ ধারানুযায়ী। তবে ৪১ ধারার প্রয়োগ ৫৩গ এবং ৫৩ঙ এর মাধ্যমে সীমিত হয়ে গেছে।
১৫. সম্পত্তি হস্তান্তরের সাথে কোন বিষয়টি হস্তান্তর হয় না?
উ: হস্তান্তরের পূর্বের বকেয়া সুদ(ধারা-৮)।
১৬. শর্তসাপেক্ষে হস্তান্তর অনেকাংশে অবৈধ। কোন ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে হস্তান্তর বৈধ?
উ: ইজারার ক্ষেত্রে ইজারাদাতা বা তার মাধ্যমে অন্য কোন দাবীদারের সুবিধার জন্য(ধারা-১০)।
১৭. "দেউলিয়া হলে, হস্তান্তরের প্রচেষ্টা চালালে হস্তান্তর লোপ পাবে" - এই ধরনের শর্ত কি বৈধ?
উ: উক্ত শর্তই কেবল বাতিল হবে।
১৮. ধারা ১৭,১৯ এবং ২১ ধারার বিষয়বস্তু কি?
উ: ধারা- 17 (Direction of Accumulation ). ধারা-19 (Vested Interest). ধারা- 21 ( Contingent Interest).
১৯. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন দুটি ধারাতে Doctrine of Cy-pres নীতি প্রয়োগযোগ্য?
উ: ধারা -১৫ এবং ২৬
২০. Doctrine of Cypress কি?
উ।
২১. Condition subsequent কি বৈধ?
উ: হ্যা।
২২. কোনটি ঠিক?
Fulfilment /Fullfilment.
২৩. Doctrine of Election কোন ধরনের সম্পত্তি নিয়ে করা হয়?
উ: স্থাবর সম্পত্তি
২৪. এটি কি দান বা উইলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
উ: হ্যা।
২৫. নির্বাচনের ক্ষেত্রে হস্তান্তর কি একই লেনদেনে করতে হবে নাকি ভিন্ন ভিন্ন লেনদেনে করতে হবে?
উ: একই লেনদেনে।
২৬. Appoirtionment আছে কত ধারায়?
উ: ধারা ৩৬ এবং ৩৭

২৭. আইনগত প্রয়োজনে কারা সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে?
উ: হিন্দু বিধবা, যৌথ পরিবারের ম্যানেজার,নাবালকের অভিভাবক (ধারা-৩৮)।
২৮. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৩৯ ধারানুয়ায়ী কোন কোন ক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যক্তি হস্তান্তরিত সম্পত্তি থেকে ভরণপোষণের অধিকার পাবে?
উ: ধারা ৩৯
২৯. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪০ ধারায় জমি ব্যবহারের বিধি নিষেধ কি বৈধ?
উ: বৈধ।
৩০. Covenant কি?
উ: আনুষ্ঠানিক সম্মতি, বাধ্যবাধকতা, প্রতিজ্ঞা।
৩১. Covenant এর আইনগত মূল্য কেমন?
চুক্তির চেয়েও বেশি। কখনো grant হিসেবে বিবেচিত।
৩২. Covenant কত প্রকার? কি কি?
দুই প্রকার। হা-বাচক। না-বাচক।
৩৩. না বাচক Covenant কত প্রকার ও কি কি?
উ: দুই প্রকার। আইনগত। নৈতিক।
৩৪. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪০ ধারায় কোন ধরনের Covenant এর কথা পরোক্ষভাবে উল্লেখ আছে?
উ: নেতিবাচক covenant.
৩৫. বর্তমানে কৃত্রিম মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তর সীমিত করা হয়েছে কোন কোন আইন দ্বারা?
উ: এই আইনের ৫৩গ এবং ৫৩ঙ ধারা এবং LRO,1984 এর ধারা-৫ দ্বারা।
৩৫. কোন কোন আইনে Estoppel নীতিটি আছে?
উ: TP Act,1882, section 43. ET,1872, section 115
৩৬. Qui priorest tempore priorest jure এর অর্থ কী?
উ:সময়ের দিকে আগে মানে আইনের দিকেও অগ্রবর্তী (ধারা-৪৮)।
৩৭. ত্রুটিপূর্ণ মালিকানার ভিত্তিতে সম্পত্তি হস্তান্তর করলে এবং গ্রহীতা উক্ত সম্পত্তির উন্নয়ন করলে পরবর্তীতে যদি আসল মালিক এসে ত্রুটিপূর্ণ গ্রহীতাকে উচ্ছেদ করে সেক্ষেত্রে উচ্ছেদকৃত ব্যক্তি কোন সময়ের মুল্য পাবেন?
উ: উন্নয়নবাবদ মূল্য যা উচ্ছেদের সময়কার বাজার মূল্যের সমান।
৩৮. Pendente Lite Nihil Invatur এর অর্থ কী?
উ: মামলা চলাকালে নূতন অবস্থা সৃষ্টি করা ঠিক হবে না।
৩৯. Lispendense এর মুল বিষয় কী?
উ: স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ত্বের ত্রুটি (ধারা- ৫২)
৪০. ৫৩ ধারানুযায়ী পাওনাদার বলতে কী ডিক্রিদারকে অন্তভূক্ত করবে? যদি করে তাহলে কী ডিক্রি জারীর আবেদন করার প্রয়োজন আছে?
উ: হ্যা। না।
৪১. পাওনাদারদের ঠকানোর উদ্দেশ্যে কেউ তার স্ত্রীকে দেনমোহর পরিশোধ করলে তাকে প্রতারণা বলা যাবে?
উ: না।
৪২. আংশিক সম্পাদন নীতি (part performance) আছে কোন ধারায়?
উ:৫৩ক
৪৩. Sale এবং Contract for Sale এর মধ্যে পার্থক্য কি?
উ: sale সম্পুর্ণ /আংশিক মালিকানা হস্তান্তর।
contract for sale হচ্ছে বায়নানামা।
৪৪. Contract for sale এর মেয়াদ সর্বোচ্চ কত মাস হতে পারে?
সময় উল্লেখ না থাকলে সর্বোচ্চ ৬ মাস।
৪৫. বিক্রেতা তার সম্পত্তি বিক্রয়ের সময় সম্পত্তি সম্পর্কিত কোন তথ্য গোপন করে যা সম্পত্তির মূল্য কমিয়ে দেয় এই ক্ষেত্রে এটি কি প্রতারনা হবে?
উ: হ্যা। ৫৫(১) এবং ৫৫(৫)
৪৬. উপরোক্ত শর্ত কি ক্রেতার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে?
উ: হ্যা।
৪৭. দায়যুক্ত সম্পত্তি দায়মুক্ত করার বিধান আছে কত ধারায়?
উ: ৫৭
৪৮. মর্টগেজ কি? উদাহরণ দিন
৪৯. Classification of mortgage? বাংলাদেশে কোন ধরনের মর্টগেজ প্রচলিত আছে?
৫০. কোন ধরনের মর্টগেজে দখল প্রদান করতে হয় না?
উ: S.M.
৫১.কোন ধরনের মর্টগেজে কৃত্রিম বিক্রয়ের শর্ত আছে?
উ: MCS
৫২. খাইখালাসি মর্টগেজ দাতার দখল উদ্ধার আছে কত ধারায়?
উ: ৬২
৫৩. খাইখালাসী মর্টগেজ এর মেয়াদ সর্বোচ্চ কত বছর হতে পারে? কোন ধারায় আছে? আর কোন আইনে আছে? SAT, sec 95
৫৪. কোন ধরনের মর্টগেজে মর্টগেজর ব্যক্তিগতভাবে দায়ী না?
উ:UM
৫৫. ইকুইট্যাবল/ন্যায়পর মর্টগেজ কোনটি?
উ:MDTD ( ৫৮, ৯৬)
৫৬. mortgage in deposited title deed কী সব জায়গায় সৃষ্টি করা যায়?
ঊ: সরকার নির্ধারিত জায়গায়।
৫৭. শ্রেণি বিহীন মর্টগেজ কী? কোন কোন ধারায় আছে?
উ: ধারা ৫৮,৯৮
৫৮. Simple mortgage রেজিস্ট্রেশন কী বাধ্যতামূলক?
উ: হ্যা।
৫৮. মর্টগেজের ক্ষেত্রে যদি স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ১০০ টাকার কমও হয় তাহলেও কী রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক?
উ:
৫৯. mortgage in title deed এর ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন আছে কি?
উ: নাই। তবে দখল না দিলে আছে।
৬০. অন্য চারটি মর্টগেজ কী রেজিস্ট্রেশন করতে হবে?
উ: অন্য চারটি মর্টগেজ এর প্রত্যেকটির মুল্য ১০০ এর কম না হলে অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
৬১. মর্টগেজর কিংবা মর্টগেজি বলতে কী তাদের মাধ্যমে টাইটেল প্রাপ্ত ব্যক্তিকে অন্তভুক্ত করবে?
উ: হ্যা। ধারা- ৫৯ক
৬২. মর্টগেজর কী মর্টগেজ মুক্ত করতে পারে? কত ধারায় Redemption এর কথা উল্লেখ আছে?
উ:
৬৩. Redemption কি? কে কে Redemption করতে পারে?
৬৪. Clog on Redemption কী?
৬৫. Part Redemption কি আইনে স্বীকৃত? সেক্ষেত্রে কিসের ভিত্তি স্বীকৃত?
উ: সেক্ষেত্রে সহদাতাকে সম্পুর্ণ অর্থ পরশোধ করতে হবে।
৬৬. একজন মর্টগেজদাতা তার একাধিক সম্পত্তি একই সাথে এক ব্যক্তি দিলে সেকি পৃথকভাবে কোন মর্টগেজ উদ্ধার করতে পারবে?
উ: হ্যা।
৬৭. মর্টগেজ বলবত থাকাকালে সম্পত্তি বৃদ্ধি পায় তাহলে ফলাফল কী? কোন কোন ধারায় আছে?
উ:বৃদ্ধি দুইভাবে হতে পারে। ১) প্রাকৃতিকভাবে বৃদ্ধি। ২) ব্যয়লদ্ধ বৃদ্ধি
৬৮. মর্টগেজি মর্টগেজ চলাকালীন মর্টগেজ সম্পত্তির উন্নয়ন করলে ফলাফল কী?
উ: ধারা - ৬৩ক
৬৯. Right to foreclosure আছে কত ধারায়? এর উদ্দেশ্য কী?
উ: ধারা ৬৭
৭০. Receiver আছে কত ধারায়? আর কোন কোন আইনে আছে?
উ: ধারা ৬৯ক
৭১. Mortgagor কি মর্টগেজকৃত সম্পত্তি Lease দিতে পারে? কোথায় বলা আছে?
উ: ধারা ৭২
৭২. priority আছে কত কত ধারায়? priority এর প্রয়োগ সীমিত করেছে এই আইনের কোন ধারা?
উ: ৪৮, ৭৮,৫৩ঘ
৭৩. Contribution এর অর্থ কী? কত ধারায় উল্লেখ আছে?
উ: ধারা ৮২
৭৪. TP Act,1882 তে Marshalling কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়েছে?
উ: ৫৬, ৮১
৭৫. Subrogation কি? কারা স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন? কত ধারায় আছে?
উ: ধারা- ৯২
৭৬. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৯৩ ধারার মূল বিষয় সংযোগ নিষিদ্ধ। সংযোগ নিষিদ্ধ এর বিশুদ্ধ ইংরেজি কী?
উ:Prohibition of Taking

৭৭. TP Act, 1882 কী Mesne Mortgagee এর কোন ধারা আছে?
উ: ধারা ৯৪
৭৮. Redem Up এবং Redem Down কি?
৭৯. Charge কি?
উ:
৮০. কিভাবে সৃষ্টি হয়?
উ: ১. পক্ষগণের কার্যদ্বারা
২. আইনগত কার্যের মাধ্যমে চার্জ সৃষ্টি করা। যেমন ধারা- ৩৯,৯৫ ইত্যাদি।
৮১. চার্জের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন করা কি বাধ্যতামূলক?
উ:না
৮২. চার্জে সাক্ষীর প্রয়োজন আছে কী?
উ: নাই
♣চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৭৬ এর ক্ষেত্রে চার্জের উদ্ভব হয়।
৮৩. মর্টগেজ এবং চার্জের মধ্যে পার্থক্য কী?
৮৪. Notice কি? Tender কি? TP Act, 1882 এর কত ধারায় আছে?
উ: ধারা ১০২-০৩
৮৫. Actual notice কি
৮৬. Constructive notice কি?
৮৭. Lease কি? License কি? Easement কি?
৮৮. TPAct,1882 এর ১০৬ ধারার বিষয়বস্তু কী?
৮৯. Lease কত প্রকার?
৯০. কয় ধরনের Lease রেজিস্টার্ড দলিলের মাধ্যমে করা হবে?
উ: যে ইজারা রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক তা হলো:- ১. বছর হতে বছর ইজারা।২. বার্ষিক ইজারা।৩. এক বছরের চেয়ে দীর্ঘ ইজারা।৪. বার্ষিজ খাজনা ধার্য করে স্থাবর সম্পত্তির ইজারা।
৪ টি।
৯১. রেজিস্ট্রেশন না করলে ফলাফল কী?
উ: ইজারা বাতিল। গ্রহীতাকে বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করা যাবে।
৯২. Waiver of Forfeiture কী? কত ধারায় আছে?
উ: ১১২
৯৩. Surrender এর ফলাফল কি? কোন আইনে আছে?
উ: ১১৫
৯৪.মেয়াদ উত্তীর্ণ দখলের (Holding Over) প্রতিক্রিয়া কী? কত ধারায়?
উ: 116
৯৫. TP Act, 1882 এর কোন ধারানুযায়ী কৃষি জমির ইজারা নিষিদ্ধ?

♣Exchange ♣
৯৬. Exchange কি?
৯৭. কোন কোন ধরনের সম্পত্তির বিনিময় হয়?
৯৮. TP Act,1882 তে কোন ধরনের সম্পত্তি বিনিময় করা যায়?
৯৯. অস্থাবর সম্পত্তি বিনিময় হয় কোন কোন আইনে?
১০০. টাকার বিনিময়ে কি টাকা বিনিময় করা যায়?
১০১. কোন শর্তে টাকা বিনিময় হতে পারে?
১০২. স্বত্ত্বের ত্রুটির কারনে Exchange কি অপপ্রয়োগযোগ্য হবে?
উ: না। যৌথ পরিবারের কর্তা অন্যান্যদের সম্মতি নিয়ে বিনিময় করতে পারে।
১০৩. কোন ধরনের হস্তান্তরের ক্ষেত্রে একপক্ষ একই সময় ক্রেতা ও বিক্রেতা কিংবা হস্তান্তরকারী-হস্তান্তরগ্রহীতা?

১০৪.Exchange এর ক্ষেত্রে হস্তান্তরের কোন নিয়ম ফলো করা হয়?
উ: বিক্রয়।
১০৫.Exchange এর ক্ষেত্রে কি pre-emption কার্যকর?
উ: না।
১০৬.Partition কেন Exchange নয়?
উ: যতুরাম বনাম হাকাম মামলায় বলেন যে, পক্ষগণ স্বতন্ত্র দখলে ছিল না তাই partition কে exchange বলা যাবে না।
১০৭.স্ত্রীর ভরণপোষণের জন্য স্বামী যদি স্ত্রীর নিকট সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাহলে তা কি Exchange হবে?
উ: না। স্ত্রী কিছুই দেয় না।
১০৮. Lease কি Exchange হবে?
উ:
১০৯. ২০০৫ সালের ১ জুলাইয়ের আগে এবং পরে কিভাবে বিনিময় সম্পাদন হতো?
উ: ২০০৫ সালের আগে দখল অর্পণ কিংবা রেজিস্ট্রেশন যে কোন একভাবে করলেই হতো। ২০০৫ এর পর TPAct, 1882 এর অধীনে বিনিময় দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন করা বাধ্যতামূলক।
১১০. স্থাবর সম্পত্তির সাথে যদি অস্থাবর সম্পত্তি বিনিময় হয় তাহলে ফলাফল কী?
উ: বিনিময় রেজিস্ট্রেশন করতে হবে(৫৪ক)।
১১১. কয়টি দলিলের মাধ্যমে exchange সম্পন্ন করতে হবে?
উ: আইনে স্পষ্ট কিছু উল্লেখ নাই। একটিও হতে পারে। ভিন্ন ভিন্নও হতে পারে।
১১২. Unregistered Deed এর মাধ্যমে দলিল সম্পাদন এবং দখল অর্পণ করা হলে ফলাফল কী?
উ: 53A. দখল বঝায় রাখতে পারবে।
১১৩. Sale এবং Exchange এর মধ্যে পার্থক্য কী?
উ: পার্থ্যক্যের বিষয়:- সংজ্ঞা। অর্থ। ক্রেতাও বিক্রেতা। অর্থের বিনিময়। অগ্রক্রয়।
১১৪. ত্রুটিপূর্ণ সম্পত্তি হস্তান্তর এর ফলে কোন একপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত/আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রতিকার কী?
উ: ক্ষতিপূরণ এবং চুক্তি বাতিল করতে পারবেন।
১১৫. দুই পক্ষ বিনিময় করার পর তৃতীয় কোন ব্যক্তি এদের কোন একজনের কাছ থেকে মুল্যের বিনিময়ে ক্রয় করলে কি তার কাছ থেকে সম্পত্তি উদ্ধার করা যাবে?
উ: না। এক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে বিক্রেতার কাছ থেকে।
১১৬. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১১৯ ধারায় কখন উক্ত আইনে ৪৩ ধারা প্রয়োগ যোগ্য হবে?
উ: Estopple এর ন্যায় প্রয়োগ হবে।
১১৭. Exchange এর ক্ষেত্রে পক্ষসমুহের দায়-দায়িত্ব কিসের মতো?
উ: এই আইনের ৫৫ ধারানুযায়ী ক্রেতা-বিক্রেতার দায়িত্ব ও অধিকারের মতো।
১১৮. অস্থাবর সম্পত্তির বিনিময়ে পক্ষগণের অধিকার কিভাবে নির্ধারিত হবে?
উ: CA, 1872 এবং Sale of Goods Act, 1930.

১১৯. Exchange এর ক্ষেত্রে কোন পক্ষ বিনিময়ের সাথে কি টাকা দিতে পারবে? সেক্ষেত্রে শর্ত কী?
উ: হ্যা। সেক্ষেত্রে অর্থের বিশুদ্ধতার নিশ্চয়তা দিতে হবে।
১২০.কোন কোন ধরনের সম্পত্তি দান করা যায়?
উ: স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি
দান গ্রহনের পূর্বে গ্রহীতা মারাগেলে দান কি হবে?
উ: বাতিল।
১২১. মুসলিম আইনের দান কোন আইন অনুয়ায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে?
উ: TP Act,1882
১২২. দান কি রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক? সেক্ষেত্রে সাক্ষী লাগবে কয়জন?
১২৩. অস্থাবর সম্পত্তির দান কিভাবে সম্পাদন হবে?
উ:রেজিস্ট্রেশন কিংবা দখল অর্পণ।
১২৪চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি কি দান গ্রহণ করতে পারে?
উ:পারে?
১২৫. যদি দান গ্রহন করে তাহলে কি তাকে দায়দায়িত্ব বহন করতে হবে? শর্ত কী?
উ:
১২৬. নাবালক কি দায়যুক্ত দায় কিংবা সার্বজনীন দান গ্রহন করতে পারে?
উ না। তবে উপরের শর্ত পুরণ করলে পারবে।
১২৭. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কি মৌখিক দান সম্ভব?
উ: অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে সম্ভব । কিন্তু এই আইনে স্থাবর সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে মৌখিক দান সম্ভব নয়।
১২৮. কোন স্থাবর সম্পত্তির দান জীবিত কালে সম্পাদন হলে তার মৃত্যুর পর কী রেজিস্ট্রেশন সম্ভব?
উ: হ্যা।রেজিস্ট্রেশন করা সরকারের দায়িত্ব, জনগণের না। তবে এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন না করার কোন কারন নাই। মৃত্যু রেজিস্ট্রেশন না করার কোন কারন হতে পারে না। তবে এক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন আইনের ৪৭ এং ৪৯ ধারা অনুসরণ করতে হবে।
১২৯. দান কার্যকর হওয়ার তারিখ কখন শুরু হয়?
উ: দান সম্পাদনের তারিখ থেকে। রেজিস্ট্রেশন এর তারিখ থেকে নয়।
১৩০. ভবিষ্যৎ দান কী বৈধ?
১৩১. কয়েকজনকে একত্রে দান করা হলো, একজন দান গ্রহন করতে অস্বীকার করলো,ফলাফল কী?
উ: শুধু তারটাই বাতিল।
১৩২. দান কিভাবে প্রত্যাহার করা যায়?
উ: ১২৬
১৩৩. দাতার ভরণপোষণের জন্য সম্পত্তির লাভের কোন অংশ যদি সংরক্ষিত রাখা হয় তাহলে দান বাতিল হবে কি?
উ: না।
১৩৪. দায়যুক্ত দানের কোন ক্ষেত্রে হস্তান্তরগ্রহীতা শুধু সুবিধাই গ্রহন করতে পারে?
উ: হস্তান্তর ভিন্ন ভিন্ন হলে।
১৩৫. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৮ ধারার উদ্দেশ্য কী?
উ: পাওনাদারদের স্বার্থ রক্ষা করা।
১৩৬. মৃত্যুশয্যায় কোন ধরনের সম্পত্তি দান করা যায়?
উ: অস্থাবর (ধারা ১২৯)।
১৩৭. Actionable Claim কী? উদাহরণ দাও
১৩৮. কত প্রকার ও কি কি?
১৩৯. সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন কোন ধারার বিধান AC এর ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য নয়?
উ: ৫৪, ৫৯, ১২৩.
১৪০. AC কি বিনামূল্যে হতে পারে?
উ: পারে।
১৪১. ACএর ক্ষেত্রে হস্তান্তর সম্পুর্ণ করার জন্য দেনাদারকে কী নোটিশ প্রদান বাধ্যতামূলক?
উ: না।
১৪২. কোন কোন ক্ষেত্রে AC কার্যকর হবে না?
উ: জীবন বীমা, অগ্নীবীমা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
১৪৩. নালিশযোগ্য দাবী হস্তান্তরের নোটিশ কি বাধ্যতামূলক?
উ: না (১৩১)।
১৪৪. নোটিশের উদ্দেশ্য কী?
১৪৫. AC হস্তান্তরগ্রহীতার দায়-দায়িত্ব কী?
উ: ১৩২
১৪৬. হস্তান্তরগ্রহীতা কি হস্তান্তরকারীকে পক্ষ না করে নিজের নামে মামলা করে দাবীর টাকা আদায় করতে পারে?
উ: পারে (১৩০)।
১৪৭. বিচার আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট অফিসার,জাজবৃন্দ কি AC ক্রয় করতে পারে?
উ: না।
১৪৮. TP Act,1882 এর ১৩৭ ধারার বিষয়বস্তু কী?
উ: স্টক, শেয়ার, ডিবেঞ্জার ও পণ্যের স্বত্ব বিষয়ক ব্েত্রে AC প্রযোজ্য না।

= ''খতিয়ান'' কি?= ''সি এস খতিয়ান'' কি?= ''এস এ খতিয়ান'' কি?= ''আর এস খতিয়ান'' কি?= ''বি এস খতিয়ান'' কি?=“দলিল” কাকে বল...
28/03/2019

= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।

= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি সচেতন হোন।
---------------------------
আপনি আপনার বন্ধুদের তথা আপনজনদেরকে উপরোক্ত আইনটি/ তথ্যটি জানাতে অগ্রহী হলে #শেয়ার করুন.
আইন জানুন, সচেতন হোন, সতর্ক থাকুন।
পরবর্তী আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে একটিভ থাকুন ||

We are studentsNot products !
05/11/2016

We are students
Not products !

মহাসমুদ্রের এই আহবান বৃথা যেতে পারে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল আন্দোলন এর ইতিহাসে শুধু নয় স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্র আ...
27/08/2016

মহাসমুদ্রের এই আহবান বৃথা যেতে পারে না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের হল আন্দোলন এর ইতিহাসে শুধু নয় স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে ফ্রেমবন্ধী হয়ে থাকবে এ ছবি।

16/03/2014
14/03/2014
আমি ৫২ দেখিনি। ৫২এসেছিলো বলেই ৭১ এর জন্মহয়েছিল। আমি ৭১ ও দেখিনি। কিন্তু২০১৪ তে দাড়িয়ে অবাক হয়ে আমি আজচোখের সামনে ৫২ দেখছ...
26/02/2014

আমি ৫২ দেখিনি। ৫২
এসেছিলো বলেই ৭১ এর জন্ম
হয়েছিল। আমি ৭১ ও দেখিনি। কিন্তু
২০১৪ তে দাড়িয়ে অবাক হয়ে আমি আজ
চোখের সামনে ৫২ দেখছি, ৭১
প্রত্যক্ষ করছি।
৫২ তে আমার ভাইয়ের
রক্তে রাজপথে আল্পনা অংকন
করলো পাকিস্তানী পুলিশ বাহিনী।
গভীর রাতে ঢাকা মেডিকেলর
পাশে আমার ভাইয়ের
স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হল শহীদ
মিনার। কিন্তু পাকিস্তানী শাসক
গোষ্ঠীর আদেশে সেই শহীদ মিনার
গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। তবে হার
মানতে হয়েছিল সেদিন
পাকিস্তানী শোষক ঘোষঠীকে।
তাদের বুকের উপর পা রেখে মাথা উচু
করে ঠাই দাড়িয়ে রয় শহীদ মিনার।
৭১ এ আবারো আমাদের অহংকার সেই
শহীদ মিনারে আঘাত হানে পাক
বাহিনী। আবারো গুঁড়িয়ে দেয়া হল
শহীদ মিনার। পরবর্তীতে স্বাধীন
দেশে স্বাধীনভাবে মাথা উচু
করে অবস্থান করে আমাদের গর্বের
প্রতীক শহীদ মিনার। আজ আমাদের
শহীদ মিনার
সারা বিশ্বে মাতৃভাষার প্রতীক
হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
২০১৪ সাল। ফেব্রুয়ারী মাস। ৫২
তে রফিক ছিল রাজপথে, আর
ভাষা শহীদ রফিকের ছোট
ভাইয়েরা আজ রাজপথে। নিজেদের
অধিকার আদায়ের সংগ্রামে লিপ্ত
তারা। ৫২ তে রফিক জগন্নাথ
ক্যাম্পাসে বসে যেভাবে আন্দোলনের
ছক তৈরি করছিল, তার ভাইয়েরাও আজ
একইভাবে আন্দোলনের ছক
তৈরিতে ব্যাস্ত। ৫২’র মত আজও এই
ক্যাম্পাসে প্রতিদিন মিটিং-মিছিল
হচ্ছে। আন্দোলনের শেষ মুহুর্তের
প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। আবার, শত
আন্দোলনের মাঝেও জগন্নাথ
ক্যাম্পাসে রফিকের
ভাইয়েরা বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ
করেছে ভাষা আন্দোলনে শহীদ রফিক
সহ সকল ভাষা সৈনিকদের।
২১ তারিখ পেরিয়ে ২৩ তারিখ। আজও
রফিকের স্মৃতি বিজড়িত ক্যাম্পাসের
শহীদ মিনারে একুশের প্রথম
প্রহরে দেয়া পুষ্পস্তবকগুলো শোভা পাচ্ছে।
অন্যদিকে রফিকের
ভাইগুলো নিজেদের অধিকার আদায়ের
আন্দোলন করে যাচ্ছে। ৫২’র মত আজও
স্লোগানে স্লোগানে মুখর জগন্নাথ
ক্যাম্পাস।
কিন্তু একি !!!!! সেই ৫২’র মত আজও
তারা ঢাকার রাজপথে রক্ত
দিয়ে আল্পনা আকার নির্লজ্জ খেলায়
মেতা উঠেছে !!! তারা রফিকের
আন্দোলনরত নিরস্ত্র ভাইগুলোর উপর
বর্বর হামলার প্রতিযোগিতায়
মেতে উঠেছে !!!!! রফিকের প্রাণের
ক্যাম্পাসে তার প্রাণের ছোট
ভাইগুলোর উপর নেক্কারজনক
ভাবে গুলি বর্ষণ করছে। রফিকের
প্রাণপ্রিয় শিক্ষকদের সারা শরীর
তারা রক্তে রঞ্জিত করছে।
রফিকের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
৫২’র ঢাকার রাজপথ কাঁপানো রফিক
আজ ক্যাম্পাসের শহীদ
মিনারে শায়িত। কিছুই করার নেই
তাঁর। নিজের চোখের সামনে আপন
ছুটো ভাইগুলোকে, বাবার মত
শিক্ষকে বন্দুকের গুলিতে জর্জরিত
করছে তারা। তাঁর ইচ্ছে হচ্ছে ৫২’র
মত আবারও গর্জে উঠার। কিন্তু আজ
রফিক নিরুপায়। কিছুই
করতে পারছেনা সে।
রফিকের যন্ত্রণা বেড়েই চলছে।
চোখের সামনে নিজের বাবা-ভাইদের
উপর নির্মম অত্যাচার কিছুতেই
সে মেনে নিতে পারছেনা। রফিকের
হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে।
সে ভাবছে, আজ স্বাধীন
দেশে কিভাবে তারা তাঁর
ভাইগুলোকে রক্তাত্ত্ব
করছে ??? তাদের এমন সাহস
কে দিয়েছে ??? ৫২,৭১ এ
তো পাকিস্তানী হায়েনাগোষ্ঠী তাদের
মদদ যুগিয়েছে ??? কিন্তু স্বাধীন
দেশে কারা আজ তাদের মদদ
যোগাচ্ছে ???পাকবাহিনীর না হয়
সুশিক্ষিত
বাঙ্গালি জাতি মেনে নিতে পারতনা, তাই
তার বারবার
হামলা চালিয়েছে শিক্ষক-
শিক্ষারথিদের উপর। রক্তাত্ত্ব
করেছে তাদের । কিন্তু আজ কিসের
ভয়ে তারা হামলার জন্য দেশের
অন্যতম সেরা এই
বিদ্যাপীঠকে বেছে নিচ্ছে ??? কোন
ভয়ে তারা জাতির
ভবিষ্যতকে অন্ধকার
করতে চাইছে ক???? রফিক কোনভাবেই
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুজে পাছেনা।
কোনভাবেই নিজেকে শান্ত
করতে পারছেনা।রফিকের
হৃদয়ে ক্রমাগত রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
হঠাৎ রফিকের পাশে একটি বুলেট
এসে পড়লো । কোনকিছু বুঝে উঠার
আগেই রফিকের মাথায় আঘাত
করলো আরেকটি বুলেট । রফিক
একদৃষ্টিতে তাদের
দিকে তাকিয়ে আছে। কিছুই করার
সাধ্য নাই তার। এইমাত্র
আরেকটি বুলেট তার বুক ভেদ
করে চলে গেল। নির্বাক রফিক
নিষ্পলক তাকিয়ে আছে তাদের দিকে।
তারা রফিকের প্রাণের
ক্যাম্পাসে অবৈধভাবে বিষফোঁড়ার মত
দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের
ভবনে অবস্থান নিয়ে রফিকের
ভাইদের উপর বৃষ্টির মত গুলি ছুড়ছে।
এতে বাদ যায়নি রফিক ও।
মাত্র ২ দিন আগে একুশের প্রথম
প্রভাতে রফিকের
বুকে দেয়া পুষ্পস্তবক গুলো তাদের
বুলেটের আঘাতে জর্জরিত হয়েছে।
তারা আজ ২য় বারের মত
হত্যা করেছে ৫২ তে ভাষার জন্য
জীবন দেয়া রফিককে ।
তারা কারা ????? ৫২
তে যারা রফিককে হত্যা করেছিল
তারা তো ছিল
পাকিস্তানী হায়েনা । কিন্তু আজ
যারা স্বাধীন দেশে রফিকের
প্রাণপ্রিয় ক্যাম্পাসে রফিককে ২য়
বারের মত
হত্যা করলো তারা কারা????
আমি ৫২ দেখিনি , কিন্তু আজ
আমি চোখের
সামনে রফিককে হত্যা করতে দেখিছি।
আগামীবছর থেকে জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেব্রুয়ারীর ২১
তারিখ পালিত হবে আন্তর্জাতিক
মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস এবং ২৩
ফেব্রুয়ারী পালিত হবে জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয় কালো দিবস ও
ভাষা শহীদ রফিকের ২য় হত্যাকাণ্ড
দিবস।
[গত ২৩ ফেব্রুয়ারি জগন্নাথ
বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের
দাবীতে আন্দোলনরত নিরস্ত্র
শিক্ষার্থীদের উপর পুলিশ
নির্বিচারে ছররা গুলি ও রাবার
বুলেট ছুড়ে। এতে কমপক্ষে ৩০০
শিক্ষার্থী আহত হয়। পুলিশের
ছররা গুলির ৪৫ টি স্প্লিনটার বিদ্ধ
হয় ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান
ড.নাসির উদ্দিন আহমেদের পিঠে ও
মাথায়। আরও বেশ কয়েকজন শিক্ষক
গুরুতর আহত হয়। পুলিশের নির্বিচার
গুলিতে জিম্মি হয়ে পরে শিক্ষার্থীরা।
এতেও ক্ষান্ত হয়নি পুলিশ। এক
পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এর
ভবনকে কাজে লাগিয়ে কমান্ডো স্টাইলে হামলা করা
শিক্ষার্থীদের
উপর, যা আরেকটি কলঙ্কজনক ঘটনা।
এসময় পর পর কয়েকটি টিয়ার শেল ও
রাবার বুলেট “শহীন মিনার” এর উপর
এসে পড়ে। পুলিশের ছোড়া টিয়ার
শেল ও রাবার বুলেট
থেকে বাঁচতে পারেনি পারেনি
কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও |||
What a Sabotage!!!!!!!

আজকের মানববন্ধনে বক্তৃতা দিচ্ছেন আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক,আইন অনুষদের ডীন ও চেয়ারম্যান এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি  ড.সরকার আ...
24/02/2014

আজকের মানববন্ধনে বক্তৃতা দিচ্ছেন আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক,আইন অনুষদের ডীন ও চেয়ারম্যান এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড.সরকার আলী আক্কাস.

হলের দাবিতে আমাদের বিক্ষোভ মিছিল...........দাবি শুধু একটাইহল চাই, হল চাই....
23/02/2014

হলের দাবিতে আমাদের বিক্ষোভ মিছিল...........
দাবি শুধু একটাই
হল চাই, হল চাই....

Address

Jagannat University
Dhaka

Telephone

+8801676539355

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Faculty of Law,Jnu-5th_Batch posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share