অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান, Lawyer & Law Firm, Dhaka.
(28)

আমার অফিসিয়াল পেইজে আপনাকে স্বাগতম।
(সফলতার জন্য চারটি শর্ত: ঈমান, নেক আমল, সত্য ও ধৈর্য।
আপনার সামনে ঘটে যাওয়া যে কোনো অসংগতি অথবা অন্যায় হলে ঐ অন্যায় বা অসংগতির ডকুমেন্ট আমাকে মেইল করুন। [email protected]

ভুয়া বা জাল দলিল বাতিলের জন্য কোথায় এবং কত দিনের মধ্যে মামলা করতে হয়? / জানুন / শেয়ার করুন / কপি করা থেকে বিরত থাকুন।...
16/06/2026

ভুয়া বা জাল দলিল বাতিলের জন্য কোথায় এবং কত দিনের মধ্যে মামলা করতে হয়? / জানুন / শেয়ার করুন / কপি করা থেকে বিরত থাকুন।

ভুয়া বা জাল দলিল বাতিলের জন্য মামলা করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রক্রিয়া। নিচে এর নিয়ম ও সময়সীমা সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

১. মামলা কোথায় করবেন?
জাল দলিল বাতিলের জন্য আপনাকে দেওয়ানি আদালতে (Civil Court) মামলা করতে হবে।

জমির মূল্য অনুযায়ী আদালত: জমির দাম (ভ্যালুয়েশন) অনুযায়ী মামলার আদালত নির্ধারিত হয়। জমির দাম যদি নির্দিষ্ট সীমার নিচে থাকে, তবে তা সহকারী জজ আদালতে এবং জমির দাম বেশি হলে যুগ্ম জেলা জজ আদালতে মামলা করতে হয়।

এলাকাভিত্তিক: যে এলাকায় জমিটি অবস্থিত, সেই এলাকার অধিক্ষেত্রাধীন দেওয়ানি আদালতে মামলাটি দায়ের করতে হয়।

২. মামলার ধরন বা প্রতিকার
জাল দলিল বাতিলের জন্য আপনাকে মূলত 'দলিল বাতিলের মামলা' (Suit for Cancellation of Document) করতে হবে। এর সাথে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো যুক্ত থাকে:

স্বত্ব ঘোষণার মামলা: অর্থাৎ আপনি জমির প্রকৃত মালিক—এটি আদালত কর্তৃক ঘোষণা করা।

স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা: বিবাদী যেন আপনার জমিতে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করতে না পারে, সেজন্য নিষেধাজ্ঞার আবেদন।

দখল পুনরুদ্ধার: যদি তারা জবরদখল করে থাকে, তবে দখল উদ্ধারের আবেদন।

৩. মামলা করার সময়সীমা (Limitation)
লিমিটেশন অ্যাক্ট বা তামাদি আইন অনুযায়ী, জাল দলিল বাতিলের জন্য মামলা করার সময়সীমা হলো—দলিলটি সম্পর্কে জানার পর ৩ বছরের মধ্যে।

বিবরণ: তামাদি আইনের ৯১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো দলিল বাতিল বা রদ করার জন্য দাবি উত্থাপন করতে হলে দলিলটি সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে মামলা করতে হয়।

বিশেষ সতর্কতা: আপনি যদি কোনো দলিল সম্পর্কে অনেক আগে থেকেই জানেন কিন্তু ৩ বছরের বেশি সময় পার হয়ে যায়, তবে মামলা করা আইনিভাবে অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। তাই জাল দলিল সম্পর্কে জানার সাথে সাথে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

৪. মামলার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
জাল দলিলের কপি: রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জাল দলিলের একটি সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করতে হবে।

মালিকানার প্রমাণ: আপনার কাছে থাকা আসল দলিল, খতিয়ান, মিউটেশন (নামজারি) পর্চা এবং ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) রশিদের কপি।

সাক্ষ্য-প্রমাণ: কেন দলিলটি জাল বা ভুয়া—তা প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণ বা স্বাক্ষী।

বিশেষজ্ঞ মতামত: প্রয়োজনে হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ বা দলিল সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ বা মতামত।

কিছু জরুরি পরামর্শ:
১. সরাসরি আইনজীবীর পরামর্শ: জাল দলিল বাতিলের মামলা অত্যন্ত জটিল। তাই একজন অভিজ্ঞ দেওয়ানি আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করে মামলার আরজি (Plaint) তৈরি করুন।
২. রেজিস্ট্রি অফিস পরিদর্শন: সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দেখুন দলিলটি আসলে রেজিস্ট্রি বইতে আছে কি না, নাকি পুরোটাই বানোয়াট। যদি ভলিউম বইতে না থাকে, তবে সেটি 'ভুয়া দলিল' হিসেবে গণ্য হবে, যা প্রমাণ করা সহজ।
৩. ফৌজদারি মামলা (যদি প্রযোজ্য হয়): দলিলটি যদি সই-জাল বা জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়, তবে আপনি দলিল বাতিলের দেওয়ানি মামলার পাশাপাশি থানায় বা আদালতে ফৌজদারি মামলাও (জালিয়াতির অভিযোগে) দায়ের করতে পারেন।
৪. নামজারি যাচাই: আপনার নামে জমির নামজারি বা মিউটেশন থাকলে তা জাল দলিল বাতিলের মামলার ক্ষেত্রে একটি বড় শক্তি বা প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

সতর্কতা: জাল দলিল বাতিলের মামলায় আদালতের রায় পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, তাই মামলার চলাকালীন সময়ে বিবাদী যেন জমিটি পুনরায় হাতবদল করতে না পারে, সেজন্য 'নিষেধাজ্ঞা' (Injunction) চেয়ে আবেদনের প্রতি আইনজীবীকে গুরুত্ব দিতে বলবেন।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।
ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বারঃ ২০/এ রাজার দেউরি, রুম নং ৩০২, কোতয়ালী ঢাকা।

হাইকোর্ট চেম্বার : ২১৬ এনেক্স হল রুম, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন বিল্ডিং, ঢাকা-১০০০।

করপোরেট চেম্বার : ১৪ পুরানা পলটন, দার- উস- সালাম আরকেড, ৮ম তলা, রুম নং ২/১, ঢাকা ১০০০।
হোয়াটসঅ্যাপ ০১৮৩৪৫৩৩৮৮৯

16/06/2026

বৃষ্টির দিনে বা চরম বিপদে ঘরে নামাজ পড়ার অনুমতি রয়েছে।

15/06/2026

মহানবী (সা.) উম্মতের জন্য দোয়া করেছেন যেন তাদের ভোরের কাজে বরকত দেওয়া হয়। তাই ফজর আদায়কারীর রিজিকে ও কাজে বিশেষ রহমত থাকে।

15/06/2026

"ফজরের নামাজে রয়েছে এক অদ্ভুত প্রশান্তি, যা সারাদিনের ক্লান্তি আর মানসিক চাপকে এক নিমেষে দূর করে দেয়।"

15/06/2026

যেকোনো ভালো কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করো, আল্লাহ অল্প কিন্তু নিয়মিত আমল পছন্দ করেন।

পৈত্রিক জমি অন্য শরিকরা গোপনে বিক্রি করে দিলে "অগ্রক্রয়" (Pre-emption) মামলার নিয়ম কি? জানুন / শেয়ার করুন / কপি করা থে...
15/06/2026

পৈত্রিক জমি অন্য শরিকরা গোপনে বিক্রি করে দিলে "অগ্রক্রয়" (Pre-emption) মামলার নিয়ম কি? জানুন / শেয়ার করুন / কপি করা থেকে বিরত থাকুন।

পৈতৃক জমি অন্য শরিক বা ভাই-বোনরা গোপনে বিক্রি করে দিলে জমির অন্য শরিকের সেই জমি কেনার যে আইনগত অগ্রাধিকার রয়েছে, তাকেই "অগ্রক্রয়" (Pre-emption) বা "প্রি-এমশন" বলা হয়। এটি মূলত 'শরিকি স্বত্ব' রক্ষা করার আইনি প্রক্রিয়া।

নিচে অগ্রক্রয় মামলার নিয়ম ও শর্তাবলি সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

১. অগ্রক্রয় মামলা কী?
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী, পৈতৃক জমির কোনো শরিক যদি তার হিস্যা বাইরের কারো কাছে বিক্রি করে দেন, তবে সেই জমি কেনার প্রথম অধিকার হলো ওই জমির অন্য শরিকদের। শরিকদের না জানিয়ে বা তাদের প্রস্তাব না দিয়ে বাইরের কারো কাছে বিক্রি করলে, অন্য শরিকরা আদালতে মামলা করে ওই জমি বাইরের ক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের নামে কিনে নিতে পারেন।

২. মামলার শর্তাবলি
অগ্রক্রয় মামলার ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত মেনে চলতে হয়:

শরিকানা: আপনাকে অবশ্যই ওই জমির একজন বৈধ শরিক হতে হবে।

বিক্রয়: বিক্রয়টি অবশ্যই বাইরের কোনো তৃতীয় ব্যক্তির কাছে হতে হবে। (শরিকের কাছে বিক্রি করলে প্রি-এমশন খাটে না)।

দখল: জমিটি যদি যৌথভাবে ভোগদখল করা হয়, তবেই অগ্রক্রয়ের দাবি শক্তিশালী হয়।

৩. মামলা করার সময়সীমা (তামাদি)
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সময়সীমা। আপনাকে এই মামলাটি করতে হবে:

বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রি হওয়ার পর ৩ বছরের মধ্যে (যদি আপনি বিক্রয়ের খবর পেয়ে থাকেন)।

অথবা, দলিলের নকল পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে। মনে রাখবেন: এই সময় পার হয়ে গেলে অগ্রক্রয়ের অধিকার আর কার্যকর থাকে না।

৪. মামলার নিয়ম ও প্রক্রিয়া
আদালত: এটি একটি দেওয়ানি মামলা। সংশ্লিষ্ট এলাকার সহকারী জজ আদালতে মামলাটি করতে হয়।

জামানত (Deposit): অগ্রক্রয় মামলার সবচেয়ে বড় শর্ত হলো—মামলা করার সময় বিবাদী (ক্রেতা) দলিল অনুযায়ী জমির যে মূল্য দেখিয়েছেন, সেই সম্পূর্ণ টাকা এবং তার সাথে ২৫% ক্ষতিপূরণসহ আদালতের নির্দিষ্ট খাতে জমা দিতে হয়। এই টাকা জমা না দিলে মামলা গ্রহণযোগ্য হয় না।

মামলার আরজি: আপনার আইনজীবী সম্পত্তির বিবরণ, শরিকানা প্রমাণ এবং আপনি যে ওই জমি কিনতে আগ্রহী—এই বিষয়গুলো উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করবেন।

৫. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
১. নিজের শরিকানা প্রমাণের দলিল ও খতিয়ান।
২. যে দলিলটি গোপনে করা হয়েছে, তার সার্টিফাইড কপি।
৩. পৈতৃক সম্পত্তির খতিয়ান ও উত্তরাধিকার সনদ।
৪. টাকা জমা দেওয়ার চালানের কপি (আদালতের নির্দেশে)।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
১. গোপন বিক্রি রোধ: যদি আপনি বিক্রির খবর আগে পান, তবে বিক্রেতা শরিককে লিগ্যাল নোটিশ দিন যে আপনি জমিটি কিনতে আগ্রহী এবং তাকে বাইরের কারো কাছে বিক্রি করতে নিষেধ করুন।
২. অভিজ্ঞ আইনজীবী: অগ্রক্রয় মামলা খুবই সূক্ষ্ম এবং প্রযুক্তিগত (technical) বিষয়। এখানে সামান্য ভুল হলে মামলা খারিজ হয়ে যেতে পারে। তাই একজন অভিজ্ঞ দেওয়ানি আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিন।
৩. দাখলি: মামলা দায়েরের পর বিবাদী বা ক্রেতা যেন জমিটি পুনরায় হাতবদল বা সেখানে কোনো স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারে, সেজন্য আদালতে 'অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা' (Temporary Injunction) চেয়ে আবেদন করুন।

সতর্কতা: যদি জমির অন্য শরিকরা জমিটি এমন কারো কাছে বিক্রি করে, যিনি ওই জমিরই আরেকজন শরিক, তবে সেক্ষেত্রে প্রি-এমশন বা অগ্রক্রয় দাবি করা যায় না। এটি কেবল বাইরের তৃতীয় ব্যক্তির কাছে বিক্রির ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে দেওয়ানী আদালতে যে মামলাগুলো সবচেয়ে বেশি করা হয়, তার মধ্যে ঘোষণা (Declaration) এবং চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) অন্যতম। অনেক ক্ষেত্রে এই দুটি প্রতিকার একই মামলায় চাওয়া হয়।

নিচে এই দুই ধরণের মামলার আদ্যোপান্ত সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

১. ঘোষণামূলক মামলা (Declaratory Suit)
এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন (Specific Relief Act, 1877)-এর ৪২ ধারা অনুযায়ী করা হয়।

উদ্দেশ্য: যখন আপনার কোনো জমিতে আইনগত অধিকার বা মালিকানা আছে, কিন্তু কেউ তা অস্বীকার করছে বা আপনার মালিকানায় প্রশ্ন তুলছে, তখন আদালতের কাছ থেকে মালিকানার আইনগত স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য এই মামলা করা হয়।

কখন করবেন?

রেকর্ড বা খতিয়ানে ভুল নাম আসলে।

দলিল থাকা সত্ত্বেও কেউ আপনার মালিকানা অস্বীকার করলে।

কোনো দলিলকে 'জাল' বা 'অকার্যকর' ঘোষণার প্রয়োজন হলে।

শর্ত: শুধু ঘোষণা চাইলেই হয় না, যদি ওই জমি আপনার দখলে না থাকে, তবে ঘোষণার পাশাপাশি 'দখল পুনরুদ্ধার'-এর প্রতিকারও চাইতে হবে। অন্যথায় মামলাটি বাতিল হতে পারে।

২. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction)
এটি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারা অনুযায়ী করা হয়।

উদ্দেশ্য: কোনো ব্যক্তি যেন আপনার শান্তিপূর্ন দখলে থাকা জমিতে অনুপ্রবেশ করতে না পারে, আপনার স্থাপনা ভাঙতে না পারে বা জমির কোনো প্রকৃতি পরিবর্তন করতে না পারে—সেজন্য আদালত থেকে স্থায়ী আদেশ নেওয়া।

কখন করবেন?

যখন আপনার মালিকানা ও দখল দুটিই আছে, কিন্তু প্রতিপক্ষ আপনাকে উচ্ছেদ করার হুমকি দিচ্ছে।

অবৈধভাবে আপনার জমিতে কেউ দেয়াল তুলতে বা গাছ কাটতে চাইলে।

কার্যকারিতা: আদালত যদি চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ডিগ্রি দেন, তবে বিবাদী বা প্রতিপক্ষ ওই জমিতে আর কোনোদিন হস্তক্ষেপ করতে পারবে না। করলে তা আদালতের অবমাননা হিসেবে গণ্য হবে।

৩. মামলা পরিচালনার প্রধান ধাপসমূহ
১. আরজি দাখিল: আইনজীবীর মাধ্যমে যথাযথ কারণ ও জমির বিবরণ দিয়ে আদালতে আরজি জমা দেওয়া।
২. সমন জারি: বিবাদীকে আদালত থেকে নোটিশ পাঠানো।
৩. বিবাদীর জবাব (W.S): বিবাদী তার দাবির সপক্ষে লিখিত বক্তব্য জমা দেবেন।
৪. ইস্যু গঠন: আদালত বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করবেন যে আসলে বিরোধটা কোথায়।
৫. সাক্ষ্য গ্রহণ: বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের সাক্ষী ও দলিলপত্র পরীক্ষা করা।
৬. যুক্তি তক্ক (Argument): উভয় পক্ষের আইনজীবীদের বিতর্ক।
৭. রায় ও ডিক্রি: আদালত সব তথ্য বিচার করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

৪. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary Injunction) - একটি জরুরি বিষয়
দেওয়ানী মামলা শেষ হতে সময় লাগে। কিন্তু মামলার চলাকালীন সময়ে যদি প্রতিপক্ষ জমি দখল করে ফেলে বা ঘর তুলে ফেলে, তবে আপনার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যাবে। এজন্য মূল মামলার সাথে দেওয়ানী কার্যবিধি ৩৯ আদেশের ১ ও ২ বিধি অনুযায়ী একটি 'অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা'র আবেদন করতে হয়। এতে আদালত মামলা চলাকালীন সময়ে স্থিতাবস্থা (Status Quo) বজায় রাখার আদেশ দেন।

৫. কোর্ট ফি ও প্রয়োজনীয় তথ্য
কোর্ট ফি: ঘোষণার মামলার জন্য সাধারণত নির্দিষ্ট (Fixed) কোর্ট ফি লাগে (বর্তমানে ৮০০ টাকা)। তবে সাথে দখল চাইলে জমির মূল্যের ওপর আনুপাতিক (Ad-valorem) কোর্ট ফি দিতে হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজ: মূল দলিল, বায়া দলিল, পর্চা বা খতিয়ান, নামজারি (মিউটেশন) এবং খাজনার দাখিলা।

পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি:
ঘোষণা চাওয়া হয় মালিকানা প্রমাণের জন্য।

নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয় দখল রক্ষার জন্য।

যদি আপনার মালিকানা নিয়ে কোনো অস্পষ্টতা থাকে এবং জমিটি আপনার দখলেই থাকে, তবে আপনি "স্বত্ব ঘোষণা ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার" যুগ্ম মামলা করতে পারেন। এটিই বর্তমানে সবচেয়ে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা।

অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান
আইনজীবী ও লেখক।
ঢাকা জজ কোর্ট চেম্বারঃ ২০/এ রাজার দেউরি, রুম নং ৩০২, কোতয়ালী ঢাকা।

হাইকোর্ট চেম্বার : ২১৬ এনেক্স হল রুম, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন বিল্ডিং, ঢাকা-১০০০।

করপোরেট চেম্বার : ১৪ পুরানা পলটন, দার- উস- সালাম আরকেড, ৮ম তলা, রুম নং ২/১, ঢাকা ১০০০।
হোয়াটসঅ্যাপ ০১৮৩৪৫৩৩৮৮৯

15/06/2026

রাতে ঘুমানোর আগে ওযু করে এবং ডান কাৎ হয়ে ঘুমাও।

15/06/2026

জীবন একবারই পাবেন, এটিকে অর্থহীন কাজে নষ্ট করবেন না।

15/06/2026

শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসী পড়ো, সারারাত আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক পাহারা দেবে।

15/06/2026

আয়ের চেয়ে ব্যয় কম রাখুন, ঋণমুক্ত জীবনই সবচেয়ে বড় স্বাধীনতা।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অ্যাডভোকেট মো. নাজমুল হাসান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share