Lexzone Law Chambers

Directions Website

Lexzone Law Chambers Lexzone Law Chambers is a premier and innovative law firm that tackles all your legal challenges. Lexzone advises on all aspects of employment and labour laws.

Lexzone Law Chambers provides comprehensive legal services encompassing all aspects of employment and labour laws in Bangladesh. We have assisted clients various clients and businesses in the following areas:
• Employment claims.
• Termination of employment contracts and severance.
• Dismissed from service.
• Disputes between employee and employer.
• cancellation of time scale and other service benefits.
• Drafting of employment contracts and compliance with obligatory employment law.
• Review of terms of employment.
• Confidentiality Agreements.
• Non-disclosure agreements.
• Industrial and labour issues related to gratuity, Provident fund etc.
• Collective redundancies

If you are looking for any legal help related to the Labour and Employment Laws of Bangladesh then just Don’t hesitate to contact us, we will give any type of legal support relating to employment and labour laws.

14/10/2026

ব্যবসা শুরু থেকে লাইসেন্স ও নিবন্ধন—আইনগত সহায়তায় আপনার বিশ্বস্ত সহযোগী

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, IRC-ERC, VAT-BIN, TIN, Civil Aviation-সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ও নিবন্ধনসংক্রান্ত সেবা এখন এক ঠিকানায়!

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা, আমদানি-রপ্তানি কিংবা প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন গ্রহণের জন্য সঠিক আইনগত পরামর্শ ও আবেদন প্রক্রিয়াকরণে পাশে রয়েছে Lexzone Law Chambers।

আমরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত, আবেদন প্রক্রিয়াকরণ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দাপ্তরিক কার্যক্রম এবং লাইসেন্স ও নিবন্ধনসংক্রান্ত বিষয়ে পেশাগত আইনগত সহায়তা প্রদান করি।

✅ আমাদের সেবাসমূহ

১. আমদানি-রপ্তানি নিবন্ধন

Import Registration Certificate (IRC)
Export Registration Certificate (ERC)

২. কোম্পানি নিবন্ধন

Limited Company Registration
কোম্পানি গঠন ও নিবন্ধনসংক্রান্ত সহায়তা

৩. ভ্যাট ও BIN নিবন্ধন

VAT Registration
Business Identification Number (BIN)
ভ্যাট-সংক্রান্ত পরামর্শ ও দাপ্তরিক কার্যক্রম

৪. আয়কর ও TIN

e-TIN Registration
আয়কর রিটার্ন ও অন্যান্য আয়কর-সংক্রান্ত সেবা

৫. পরিবেশগত ছাড়পত্র ও লাইসেন্স

Environmental Clearance Certificate
পরিবেশ অধিদপ্তর-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম

৬. Civil Aviation-সংক্রান্ত সেবা

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স, অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কার্যক্রমে সহায়তা

৭. কপিরাইট নিবন্ধন

Copyright Registration
মেধাস্বত্ব সুরক্ষাসংক্রান্ত আইনগত সহায়তা

৮. ট্রেডমার্ক নিবন্ধন

Trademark Registration
ব্র্যান্ড ও ট্রেডমার্ক সুরক্ষাসংক্রান্ত সহায়তা

৯. BIDA-সংক্রান্ত সেবা

Bangladesh Investment Development Authority (BIDA)-এর নিবন্ধন, অনুমোদন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম

১০. BCDI-সংক্রান্ত সেবা

BCDI-সংক্রান্ত নিবন্ধন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম (শুধুমাত্র ঢাকা)

১১. আয়কর-সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা

ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আয়করসংক্রান্ত পরামর্শ
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিলে সহায়তা

১২. ভ্যাট-সংক্রান্ত অন্যান্য সেবা

ভ্যাট পরামর্শ, নিবন্ধন ও প্রযোজ্য কমপ্লায়েন্স কার্যক্রম

আমাদের অন্যান্য আইনগত সেবা

• সাংবিধানিক ও রিট-সংক্রান্ত মামলা
• সরকারি চাকরি ও সার্ভিস ম্যাটার
• MPO ও শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানসংক্রান্ত বিষয়
• শ্রম ও কর্মসংস্থান আইন
• ব্যাংকিং ও আর্থিক বিষয়
• কোম্পানি ও বাণিজ্যিক আইন
• কাস্টমস, আয়কর ও ভ্যাটসংক্রান্ত বিরোধ
• দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা
• জমি, ফ্ল্যাট ও রিয়েল এস্টেটসংক্রান্ত আইনগত সেবা
• মেধাস্বত্ব, কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক
• পারিবারিক আইন, সালিশ ও অন্যান্য আইনগত পরামর্শ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিছিন্ন

📌 আপনার প্রতিষ্ঠানের কোন লাইসেন্সটি প্রয়োজন?

কোথায় আবেদন করবেন?
কী কী কাগজপত্র লাগবে?
কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন?
কীভাবে আইনসম্মতভাবে নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন?

আপনার প্রয়োজনীয় সেবার নাম লিখে আমাদের ইনবক্সে মেসেজ করুন। আপনার প্রতিষ্ঠানের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাথমিক পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টের নির্দেশনা পেতে যোগাযোগ করুন।

LEXZONE LAW CHAMBERS
Advocates & Legal Consultants

📍 চেম্বারের ঠিকানা:
২২/১, শিশু কল্যাণ পরিষদ, রুম নং ৪০৮, ৪র্থ তলা (লিফট-৩), টপখানা রোড, ঢাকা-১০০০।

📞 যোগাযোগ:
01841-700461
01724-700461

📧 ই-মেইল:
[email protected]

🌐 ওয়েবসাইট:
www.lexzonelawchambers.com

আপনার ব্যবসার আইনগত ভিত্তি হোক সুসংগঠিত, সঠিক ও নির্ভরযোগ্য।

Lexzone Law Chambers — আপনার আইনগত সহযোগী।

14/10/2026

একই পরিবারে দুটি সারের ডিলার , রুল জারি ও নিয়োগ
স্থগিত করেছে হাইকোর্ট

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চল এর অধীন ট্রাফিক লেভেল ক্রসিং বিভাগে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে গেট কিপার (Gate Keeper), পো...
09/10/2026

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চল এর অধীন ট্রাফিক লেভেল ক্রসিং বিভাগে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে গেট কিপার (Gate Keeper), পোর্টার (Porter) এবং ওয়েম্যান (Wayman) পদে "কাজ নেই তো পে নেই" (No work no pay) শর্তে দৈনিক মজুরিভিত্তিক টিআরএলদের রাজস্বখাতে স্থানান্তরে নির্দেশ। এই সংক্রান্ত মামলার রায় আইনের শিক্ষার্থী, বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও শিক্ষক ও সাধারণ নাগরিকদের জানার সুবিধার্থে আলোচনা করবো।

🔴রায় প্রদানের তারিখ: ১৩ই নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ

🔴 জনাব বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার (Mr. Justice Sashanka Shekhar Sarkar) ও জনাব বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফ (Mr. Justice Faysal Hasan Arif)
​
✅মামলার সারসংক্ষেপ ও পটভূমি (Facts of the Case): ​বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিম অঞ্চল (পাকশী)-এর ট্রাফিক লেভেল ক্রসিং বিভাগের অধীনে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে গেট কিপার (Gate Keeper), পোর্টার (Porter) এবং ওয়েম্যান (Wayman) পদে মোঃ জাহেদ হোসেনসহ অন্যান্য আবেদনকারীদের (Petitioners) "কাজ নেই তো পে নেই" (No work no pay) ভিত্তিতে দৈনিক মজুরিভিত্তিক টিআরএল (Temporary Labour/TLR) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

🔴​নিয়োগের পর থেকে তারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালের জানুয়ারি মাস থেকে হঠাৎ করে কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন-ভাতা বন্ধ করে দেয় এবং এমনকি হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করতেও বাধা দেয়।

✅​মামলার কারণ (Cause of Action): ​নীতিমালা ও প্রশাসনিক আদেশ না মানা: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৩.০৫.২০০৩ তারিখের সরকারি আদেশ এবং রেলওয়ের নিজস্ব বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ স্মারক (যেমন: ০৩.১২.২০১৭, ২৫.১০.২০১৮, ১২.১১.২০১৮, ০৫.১১.২০১৯ ও ০৬.০১.২০২০) অনুযায়ী ৩ বছর চাকরি পূর্ণ হলে অস্থায়ী কর্মচারীদের রাজস্ব বাজেটে (Revenue Budget) আত্তীকরণ/নিয়মিত করার কথা।

🔴​কমিটির সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত না নেওয়া: বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM, Pakshi) কর্তৃক গঠিত কমিটি ২৯.০১.২০২০ তারিখে স্মারক নং বিপি/পাকশী/আত্মীকরণ/অঙ্গনবল/২০২০-এর মাধ্যমে আবেদনকারীদের নাম আত্তীকরণের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ করে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ সেই সুপারিশ দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখে এবং কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

✅​রিট পিটিশন দায়ের (Filing of Writ Petition)
​প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও বঞ্চনার প্রতিকার চেয়ে মোঃ জাহেদ হোসেন এবং অন্যান্যরা (Md. Jahed Hossain and others) মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে Writ Petition দায়ের করেন।

🔴​মামলায় প্রধান রেসপন্ডেন্ট/প্রতিপক্ষ ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা। পরবর্তীতে, ০৩.০১.২০২২ তারিখে আদালতের আদেশে ১২ থেকে ৫৫ নম্বর সহ-আবেদনকারীদেরও এ মামলায় পক্ষভুক্ত (Co-petitioners) করা হয়।

✅​রুল নিসাই জারি ও প্রাথমিক আদেশ (Issuance of Rule Nisi): ​মামলার প্রাথামিক শুনানির পর মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ প্রতিপক্ষগণের প্রতি Rule Nisi জারি করেন।
​
Let a Rule Nisi be issued calling upon respondents to show cause as to why inaction of the respondents in implementing the Memo bearing No. 54.01.0000.006.11.025.12 dated 03.12.2017 issued from the office of respondent No. 2 in respect of regularization/absorption of Temporary Labors (TRL) into vacant posts of Railway as evident from (Annexure-F) to the writ petition and failure of the respondents No. 3, 4, 5 8 10 and 11 in recommending the names of the Temporary Labors (TRL) to be regularized/absorbed into revenue budget against vacant posts of Bangladesh Railway as per the Memo bearing No. বিপি/পাকশী/আত্মীকরণ/অঙ্গনবল/২০২০ dated 29.01.2020(Annexure-K) issued from the office of respondent No. 7 and/or pass such other or further order or orders as to this court may seem fit and proper."

✅আইনজীবীদের বক্তব্য (Arguments of the Counsels): ​রিট পিটিশনারদের পক্ষে বিজ্ঞ আইনজীবী submission প্রদান করেন যে, রিট পিটিশনার দীর্ঘদিন ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে রেলওয়েতে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে আসছেন।

🔴পূর্বেও একই ধরনের "No work no pay" ভিত্তিক অস্থায়ী রেল কর্মচারীরা রিট দায়ের করেছিলেন এবং হাইকোর্টের নির্দেশে তাদের সবাইকে রাজস্ব খাতে স্থায়ীকরণ করা হয়েছিল।

🔴বর্তমান আবেদনকারীরাও পূর্ববর্তী রিট পিটিশনারদের মতো হুবহু একই পদ ও মর্যাদার (Similarly situated)। সুতরাং, নীতিমালা ও পূর্ববর্তী নজির থাকা সত্ত্বেও তাদের স্থায়ীকরণ না করা চরম স্বেচ্ছাচারী, বৈষম্যমূলক ও বেআইনি।

✅​রেসপন্ডেন্ট/রাষ্ট্রপক্ষে (Learned Deputy Attorney General): রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোহাম্মদ ওয়ালিউল ইসলাম (Mr. Mohammad Waliul Islam, D.A.G.)। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো লিখিত জবাব বা বিরোধী হলফনামা (Affidavit-in-opposition) দাখিল না করেই মৌখিকভাবে রুলের বিরোধিতা করেন।

✅​আদালতের পর্যবেক্ষণ (Court's Observation & Citation): ​হাইকোর্ট বেঞ্চের মাননীয় বিচারক জনাব বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার এবং জনাব বিচারপতি ফয়সাল হাসান আরিফ নথিপত্র ও আইন পর্যালোচনা করে নিম্নোক্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণগুলো তুলে ধরা হলো:

🔴​১৯৬৯ সালের পরিপত্র (No. SCA/RI/IS-33/69/71(350)), ১৯৭২ সালের পরিপত্র (No. Estb/RI/S-46/72/55) এবং ২০০৩ সালের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশ পর্যালোচনা করে আদালত দেখেন যে, ৫ বা ৩ বছর টানা চাকরির পর অস্থায়ী পদ ও কর্মচারীদের স্থায়ী করার স্পষ্ট নীতি রয়েছে।

🔴Legitimate Expectation): রিট পিটিশনারা টানা ৩ বছরের বেশি সময় কোনো রকম দাগহীন বা নিখুঁত সার্ভিস প্রদান করেছেন। ফলে সরকারি নীতি এবং কর্তৃপক্ষের নিজস্ব আদেশের ভিত্তিতে স্থায়ী পদে আত্তীকৃত হওয়ার ব্যাপারে তাদের একটি "Legitimate Expectation" তৈরি হয়েছে।

✅এই প্রসঙ্গে মহামান্য আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের বিখ্যাত নজির উল্লেখ করেন:
​Bangladesh Biman Corporation vs- Rabeya Bashir Irene and others, reported in 55 DLR (AD) 132

✅​উক্ত মামলায় আপীল বিভাগ রায় দিয়েছিলেন যে—চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ সন্তোষজনকভাবে সম্পন্ন করার পর এবং একই ক্যাটাগরির কর্মচারীদের আত্তীকরণের পূর্ব অভিজ্ঞতা/চর্চা থাকলে, কর্মচারীদের স্থায়ী হওয়ার প্রত্যাশা সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত।

🔴যেহেতু একই ধরনের তথ্যের ভিত্তিতে পূর্ববর্তী রিট মামলাগুলোতে অন্য কর্মচারীরা অনুকূল রায় পেয়েছেন, তাই আইনগত সমতার নীতি অনুযায়ী বর্তমান আবেদনকারীদেরও একই প্রতিকার পাওয়া উচিত।

✅​আদালতের চূড়ান্ত রায় (Final Judgment & Order)
​১৩ই নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ রায় ঘোষণা করেন:

✅​Rule is made absolute


✅​Respondents (বিশেষ করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে) নির্দেশ দেওয়া হলো—অন্য কোনো আইনি অযোগ্যতা না থাকলে, ২৯.০১.২০২০ তারিখের স্মারক (বিপি/পাকশী/আত্মীকরণ/অঙ্গনবল/২০২০) অনুযায়ী আবেদনকারীদের বাংলাদেশ রেলওয়ের শূন্য পদে রাজস্ব বাজেটে যত দ্রুত সম্ভব আত্তীকরণ/নিয়মিত (Absorb/Regularize) করতে নির্দেশ প্রদান করা হয়।

Writ Petition No. Petition No. 7639 of 2021 o এর রায় থেকে তথ্য গৃহীত।

যেকোনো মতামত, সংশোধনী, পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। যাচাই-বাছাই পূর্বক সংশোধন করা হবে।

অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মিয়া
লেক্সজোন ল' চেম্বারস
(অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার ও লিগ্যাল কনসালটেন্টস)ঐ
ঠিকানা: রুম নং ৪০৮ এ, ৪র্থ তলা, বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদ ভবন, তোপখানা, ঢাকা (মেট্রোরেল সচিবালয় স্টেশন এর উত্তর পাশে)।

মোবাইল: 01841700461, 01724700461
Email: [email protected]
www.Lexzonelawchambers.com

#আইনি_পরামর্শ
©️2026Adv Adv Monirul Islam Miah

ালত, ,


​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​

পুলিশ ভেরিফিকেশন কথা বলে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা যায় না,  পুলিশ ভেরিফিকেশন অখণ্ড দলিল নয়’—পিএসসির সুপারিশের ৩ বছর পর রায়,প...
03/10/2026

পুলিশ ভেরিফিকেশন কথা বলে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা যায় না, পুলিশ ভেরিফিকেশন অখণ্ড দলিল নয়’—পিএসসির সুপারিশের ৩ বছর পর রায়,পিটিশনারকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে 'ব্যক্তিগত কর্মকর্তা' (Personal Officer) পদে নিয়োগপত্র ইস্যু করার স্পষ্ট নির্দেশ। চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে হাইকোর্টের যুগান্তকারী আদেশ!। হাইকোর্ট বিভাগে নিষ্পত্তি হওয়া মুজাহিদুল ইসলাম আরিফ বনাম বাংলাদেশ সরকার এবং অন্যান্য মামলার রায় আইনের শিক্ষার্থী, গবেষণা, আইনজীবী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও সাধারণ নাগরিকদের জানার সুবিধার্থে আলোচনা করবো।

🔴রায় প্রদানের তারিখ: ০২/১১/২০২২

🔴 বিচারপতি কাশেফা হোসেন (Kashefa Hussain, J.)
​বিচারপতি কাজী জীনাত হক (Kazi Zinat Hoque, J.)

✅মামলার মূল ঘটনা (Facts of the Case): ​পিটিশনার মুজাহিদুল ইসলাম আরিফ (পিতা: শাহ আহমদ আলী, জেলা: কিশোরগঞ্জ) বিপিএসসি (BPSC) কর্তৃক আয়োজিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে বাংলাদেশ সচিবালয়ের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে 'ব্যক্তিগত কর্মকর্তা' (Personal Officer) পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও মনোনীত হন।

🔴​যাচাই-বাছাই ও পুলিশ রিপোর্ট: লিখিত, মৌখিক পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তাঁর পুলিশ ভেরিফিকেশন করা হয়। পুলিশ প্রতিবেদনে পিটিশনারের নিজের স্বভাব-চরিত্র, অতীত রেকর্ড ও নাগরিকত্ব শতভাগ নিষ্কলঙ্ক ও পরিচ্ছন্ন পাওয়া যায়।

🔴​তবে ভেরিফিকেশন রিপোর্টের মন্তব্য কলামে তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখ করেন যে, পিটিশনারের পিতা কটিয়াদী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত বিএসসি শিক্ষক এবং তিনি "শিক্ষকতা করাকালীন জামায়াত শিবির করতেন"।

🔴পরবর্তীতে পিতার বিরুদ্ধে আনা এই অস্পষ্ট অভিযোগের অজুহাতে সমপর্যায়ের অন্যান্য প্রার্থীরা নিয়োগ পেয়ে চাকরিতে যোগ দিলেও পিটিশনার আরিফকে দীর্ঘ ৩-৪ বছর ধরে কোনো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, আবার নিয়োগ বাতিলও করা হয়নি।

✅​মামলার কারণ (Cause of Action): ​পিটিশনারের নিজের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার অপরাধ বা বিরূপ তথ্য না থাকা সত্ত্বেও এবং বিপিএসসি-এর সুস্পষ্ট সুনির্দিষ্ট সুপারিশ থাকা সত্ত্বেও—কেবল পিতার অতীতের কথিত অস্পষ্ট রাজনৈতিক পরিচয়ের দোহাই দিয়ে বছরের পর বছর নিয়োগপত্র আটকে রেখে বৈষম্যমূলক আচরণ করা এবং চাকরির বয়সসীমা পার করে দেওয়ার মাধ্যমে সংক্ষুব্ধ করায় এ মামলার আইনি বিরোধ বা Cause of Action-এর সৃষ্টি হয়।

✅​রিট পিটিশন দায়ের (Filing of Writ Petition): ​প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তায় সংক্ষুব্ধ হয়ে ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় মুজাহিদুল ইসলাম আরিফ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে এই Writ Petition No. 5399 of 2019 দায়ের করেন।

✅​রুল জারি ও প্রাথমিক আদেশ (Rule Nisi and Interim Order): ​আবেদনটির প্রাথমিক শুনানি শেষে মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগ বিবাদীগণের (সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের) প্রতি একটি Rule Nisi জারি করেন।
To issue Rule nisi calling upon the ​respondents to show cause as to why the inaction and failure of the respondents to issue appointment letter to the petitioner in spite of being selected and nominated by Bangladesh Public Service Commission as Personal Officer in Legislative and Parliamentary Affairs Division under the Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs, Bangladesh Secretariat, Dhaka in a discriminatory manner wherein all other incumbents being selected similarly with the petitioner has been issued appointment letter and working in their respective post should not be declared to have been done without lawful authority and of no legal effect and why the respondents should not be directed to issue appointment letter in favour of the petitioner to the post of Personal Officer in Legislative and Parliamentary Affairs Division under the Ministry of Law, Justice and Parliamentary Affairs, Bangladesh Secretariat, Dhaka as had been nominated and recommended for appointment by the Bangladesh Public Service Commission and/or such other or further order or orders passed as to this Court may seem fit and proper.

✅আইনজীবীদের বক্তব্য (Submissions of Learned Counsel): ​পিটিশনারের আইনজীবী​বিজ্ঞ আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, প্রার্থীর নিজের চরিত্র ও অতীত রেকর্ড সম্পূর্ণ নিষ্কলঙ্ক। সংবিধান অনুযায়ী প্রার্থীর ব্যক্তিগত কোনো অপরাধ না থাকলে পরিবারের কারও বিরুদ্ধে করা ঢালাও মন্তব্যের কারণে তাঁকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা যায় না।

🔴​তারা উল্লেখ করেন, পুলিশ রিপোর্টে পিতার ব্যাপারে এক লাইনের যে অস্পষ্ট মন্তব্য করা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। কারণ স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই সভাপতি এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কটিয়াদী উপজেলা কমান্ডের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডারের দেওয়া প্রত্যয়নপত্রে (Annexures J, K, L) স্পষ্ট বলা হয়েছে—পিতা কখনো দেশবিরোধী বা রাজনৈতিক অপতৎপরতায় যুক্ত ছিলেন না।

🔴​আরও বড় প্রমাণ হলো (Annexure-M), একই পিতার দুই সহোদর ভাই ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কর্মরত রয়েছেন (একজন সচিবালয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং অন্যজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক)। সুতরাং, কেবল এই পিটিশনারকে বাদ দেওয়া সম্পূর্ণ অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (malafide) ও বৈষম্যমূলক।

✅​রেসপন্ডেন্ট/রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য (Mr. Noor Us Sadik Chowdhury, DAG): ​রাষ্ট্রপক্ষের বিজ্ঞ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রুলের বিরোধিতা করে বলেন, পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট অত্যন্ত গোপনীয় দলিল। যেহেতু রিপোর্টে প্রার্থীর পিতার "জামায়াত শিবির" করার উল্লেখ ছিল, তাই রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এমন পরিবার থেকে স্পর্শকাতর পদে নিয়োগ দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ এবং সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়।

✅​আদালতের পর্যবেক্ষণ (Court's Observation with Citations): ​মাননীয় বিচারপতি কাশেফা হোসেন এবং বিচারপতি কাজী জীনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নথিপত্র ও আইনি দিক বিশ্লেষণ করে নিম্নোক্ত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তসমূহ প্রদান করেন:

🔴​'জামায়াত শিবির' মন্তব্যের অসংগতি (Paragraph 14): আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, 'জামায়াত' হলো মূল রাজনৈতিক দল এবং 'শিবির' হলো তার ছাত্র সংগঠন। পুলিশ রিপোর্টে 'জামায়াত শিবির' বলাটি চরম অনিশ্চিত ও অসংগত, কারণ একই সাথে একজন ব্যক্তি মূল দল ও ছাত্র সংগঠন দুটি সত্তার সাথেই যুক্ত থাকবেন—তা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও যুক্তিবহির্ভূত (defies all reasoning)।
​ভেরিফিকেশন রিপোর্ট চূড়ান্ত বা অখণ্ড নয় (Paragraph 15), আদালত স্পষ্ট জানান—"Police verification report is not a sacrosanct piece of document" (পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট কোনো অখণ্ড বা অলঙ্ঘনীয় দলিল নয়)। রিট এখতিয়ারে আদালতের দায়িত্ব হলো কথিত অভিযোগের কোনো বস্তুগত বা আইনি প্রমাণ রয়েছে কি না তা পরীক্ষা করা।

🔴​পুলিশ রিপোর্টে কোনো তারিখ, সময়, পদ বা স্থান উল্লেখ ছাড়া যে এক লাইনের ঢালাও মন্তব্য করা হয়েছে, তার কোনো দাপ্তরিক প্রমাণ নেই। পক্ষান্তরে, স্থানীয় স্বাধীনতাকামী নেতৃত্ব ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ইতিবাচক প্রত্যয়নপত্র এবং প্রার্থীর অপর দুই ভাইয়ের সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার তথ্য প্রমাণ করে যে, পিতার রাজনৈতিক যুক্ততার অভিযোগটি factual basis বা তথ্যের ভিত্তিহীন।

🔴​পিটিশনারের নিজের রেকর্ড সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ, যা পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্টেও স্পষ্টভাবে স্বীকার করা হয়েছে।
​
✅আদালতের রায় ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (Judgment of the Court): ​০২ নভেম্বর ২০২২ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগ সর্বসম্মতিক্রমে মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন:

🔴​রুল অ্যাবসোলিউট (Rule Absolute): পিটিশনারের পক্ষে জারি করা Rule Nisi-কে চূড়ান্ত বা Absolute ঘোষণা করেন।
​
🔴বিপিএসসি কর্তৃক মনোনীত হওয়া সত্ত্বেও পিটিশনার মুজাহিদুল ইসলাম আরিফকে নিয়োগপত্র না দেওয়ার প্রশাসনিক নিষ্ক্রিয়তা ও বৈষম্যমূলক আচরণকে আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত (without lawful authority) এবং আইনগত প্রভাবহীন (of no legal effect) ঘোষণা করেন।

🔴​সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে পিটিশনার মুজাহিদুল ইসলাম আরিফকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগে 'ব্যক্তিগত কর্মকর্তা' (Personal Officer) পদে নিয়োগপত্র ইস্যু করার স্পষ্ট নির্দেশ প্রদান করা হয়।


Writ Petition No. 5399 of 2019 এর রায় থেকে তথ্য গৃহীত।

যেকোনো মতামত, সংশোধনী, পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। যাচাই-বাছাই পূর্বক সংশোধন করা হবে।

অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মিয়া
লেক্সজোন ল' চেম্বারস
(অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার ও লিগ্যাল কনসালটেন্টস)ঐ
ঠিকানা: রুম নং ৪০৮ এ, ৪র্থ তলা, বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদ ভবন, তোপখানা, ঢাকা (মেট্রোরেল সচিবালয় স্টেশন এর উত্তর পাশে)।

মোবাইল: 01841700461, 01724700461
Email: [email protected]
www.Lexzonelawchambers.com

#আইনি_পরামর্শ
©️2026Adv Adv Monirul Islam Miah

ালত, ,


​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​
​

The respondents are hereby directed to necessary steps to pay the MPO salary of the petitioners institution and the resp...
26/09/2026

The respondents are hereby directed to necessary steps to pay the MPO salary of the petitioners institution and the respondents are also hereby directed to release the MPO of the petitioners institution and to the respective teachers and employees subject to them having the requisite qualifications following the MPO pattern and the relevant Rules and laws within a period of 2(two) months of receiving of this judgment.

জোরপূর্বক পদত্যাগ বেআইনি: কালিয়াকৈরের প্রধান শিক্ষককে বকেয়াসহ স্বপদে বহালের হাইকোর্টের নির্দেশ। হাইকোর্টের রায় আজ আলোচনা...
11/09/2026

জোরপূর্বক পদত্যাগ বেআইনি: কালিয়াকৈরের প্রধান শিক্ষককে বকেয়াসহ স্বপদে বহালের হাইকোর্টের নির্দেশ। হাইকোর্টের রায় আজ আলোচনা করবো। আইনের শিক্ষার্থী, গবেষণা, আইনজীবী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও সাধারণ নাগরিকদের জানার সুবিধার্থে আলোচনা করবো।

🔴রায় প্রদানের তারিখ: ২০/০৮/২০২৬

🔴মাননীয় বিচারপতি মো. ইকবাল কবির
এবং মাননীয় বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলাম।

✅​মামলার ঘটনা (Facts of the Case): ​মামলার প্রধান পক্ষ জনাব মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত 'গোলাম নবী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়'-এর প্রধান শিক্ষক। তিনি আইন ও বিধিবিধান মেনে যথানিয়মে উক্ত পদে নিযুক্ত হন। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে গত ১৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে একদল দুষ্কৃতকারী জোরপূর্বক এবং সম্পূর্ণ ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁর কাছ থেকে একটি পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর নেয়।

✅​ঘটনার পরপরই তিনি ১৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে কালিয়াকৈর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং ৩৩৮) দায়ের করেন। পরবর্তীতে ২৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) এবং বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (Managing Committee) সভাপতি বরাবর ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত আবেদন জমা দেন। একই সাথে তিনি জেলা শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকেও বিষয়টি অবহিত করে আইনি প্রতিকার ও হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেন।

✅​শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড বিষয়টি তদন্ত করে এবং তদন্তে জোরপূর্বক পদত্যাগের সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় (০৪/০১/২০২৬) এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড (০৮/০১/২০২৬) থেকে জনাব আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে বকেয়া বেতন-ভাতাদিসহ স্ব পদে পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি (রেসপন্ডেন্ট নং ৮) প্রশাসনিক নির্দেশ উপেক্ষা করে তাঁকে স্বপদে বহাল করতে অস্বীকৃতি জানান।

✅​মামলার কারণ (Cause of Action): ​জোরপূর্বক পদত্যাগপত্র গ্রহণ সম্পূর্ণ বেআইনি হলেও, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি (বিশেষ করে রেসপন্ডেন্ট নং ৮) জনাব আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে পুনর্বহাল না করায় এবং তাঁর আইনগত অধিকার ক্ষুণ্ন করায় এই রিট আবেদনের মূল কারণ উদ্ভব হয়।

✅​রিট পিটিশন দায়ের (Filing of Writ Petition):
​উচ্চ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ও আদেশের কোনো কার্যকর প্রয়োগ না দেখে বাধ্য হয়ে জনাব মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে এই রিট পিটিশন (নম্বর: ১২২০৫/২০২৪) দায়ের করেন।

✅রুল নিসি জারি ও প্রাথমিক আদেশ (Issuance of Rule Nisi & Interim Order): মামলাটির প্রাথমিক শুনানিতে হাইকোর্ট বিভাগ (বিচারপতি মো. ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ) বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে Rule Nisi জারি করেন।

This Rule Nisi was issued calling upon the respondents to show cause as to why the respondents should not be directed to take proper and necessary steps to withdraw or cancel the forceful resignation as taken from the petitioner from his service as the Head Master of Golam Nabi Model Pilot High School, Kaliakore, Gazipur from 14.08.2024 (Annexure-B) by taking into consideration the letter of the Government dated 27.08.2024 as contained in Memo No. 37.00.0000.061.018.16.2016-193 and also the letter dated 03.09.2024 contained in Memo No. 37.00.0000.061.018.16.2016-199 issued under the signature of the Deputy Secretary, Ministry of Education, Administration and Establishment Branch, Secondary and Higher Education Division, Ramna, Dhaka (Annexure-H & I) should not he declared to have been done without any lawful authority and is of no legal effect and/or pass such other or further order or orders as to this Court may seem fit and proper.

✅​প্রাথমিক আদেশ (Interim Order): রুল জারির পাশাপাশি আদালত ওই জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রের কার্যকারিতা ৩ (তিন) মাসের জন্য স্থগিত (Stay) করেন।

✅​আবেদনকারীর আইনজীবীর বক্তব্য (Submissions of Petitioner's Counsel): ​আবেদনকারীর পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী জনাব মো. জহুরুল ইসলাম মুকুল (সাথে ছিলেন জনাব মানবেন্দ্র রায়) আদালতে যুক্তি তুলে ধরেন:
​রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতকারীরা জোরপূর্বক এই পদত্যাগপত্রটি আদায় করেছিল।

✅​পদত্যাগপত্রের আবেদনটি সঠিক নিয়মে ব্যবস্থাপনা কমিটি বরাবর না দিয়ে ভুল বানানে ‘উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার’ বরাবর পেশ করা হয়েছিল, যা প্রমাণ করে এটি চাপ সৃষ্টি করে নেওয়া।

✅​শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বোর্ডের নিজস্ব তদন্তে পদত্যাগটি জোরপূর্বক নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে এবং বোর্ড তাঁকে স্বপদে বহাল ও বকেয়া বেতন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

✅​ব্যবস্থাপনা কমিটির নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই বোর্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করার; তাদের নীরবতা বা অস্বীকৃতি সম্পূর্ণ বেআইনি ও স্বেচ্ছাচারী।

✅​রেসপন্ডেন্টের বক্তব্য (Submissions of Respondent's Counsel): ​৮ নম্বর রেসপন্ডেন্টের পক্ষে অ্যাডভোকেট জনাব এস.এম. রেজাউল ইসলাম যুক্তি দেন যে: ​পদত্যাগটি জোরপূর্বক নেওয়া হয়েছে কি না—তা একটি বিতর্কিত বিষয় (Disputed Question of Fact), যা প্রমাণের জন্য সাক্ষ্য প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে।

✅​যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন (Sub-judice) ছিল, তাই প্রশাসনিকভাবে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া সহজ ছিল না।

✅​আদালতের পর্যবেক্ষণ (Court’s Observation with Citation): ​বিচারপতি মো. ইকবাল কবির (যাঁর সাথে একমত পোষণ করেন বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলাম) রায়ে কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি পয়েন্ট ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন:

✅​আদালত Recognized Non-Government Secondary School Teachers Terms and Conditions of Service Regulations, 1979-এর Section 10 উল্লেখ করে জানান যে, একজন স্থায়ী শিক্ষকের পদত্যাগের ক্ষেত্রে ১ থেকে ৩ মাসের লিখিত নোটিশ দেওয়া বাধ্যতামূলক। বর্তমান মামলায় কোনো নোটিশ বা সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

The Recognized Non-Government Secondary School Teachers (Board of Intermediate and Secondary Education, Dhaka) Terms and Conditions of Service Regulations, 1979 govern the service conditions of teachers. Section 10 of the said Regulations specifically deals with resignation.

"10. Resignation.- (1) Unless otherwise decided by the Managing Committee in special circumstances-
(a) a teacher on confirmed appointment shall not resign without giving-
(i) one month's previous notice in writing of his intention to do so if the resignation is to be effected during the first half of the academic year; and
(ii) three months' previous notice in case the resignation is to be effected during the last half of the academic year; and (b) a teacher on probation shall not resign without giving one month's notice in writing of his intention to do so. (2) Any contravention of the provisions of Sub-regulation (1) shall entail forfeiture of pay for the period by which the notice falls short of the requirement or such disciplinary action as may be taken for the said contravention."

✅নথিপত্র (Annexure-A-1) পর্যালোচনা করে আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, পদত্যাগপত্রে আবেদনকারীর নাম ভুল লেখা ছিল এবং সার্বিক ঘটনা প্রথ্মদৃষ্টেই (Prima Facie) প্রমাণ করে যে আবেদনকারী স্বেচ্ছায় বা সজ্ঞানে পদত্যাগ করেননি। বলপ্রয়োগ (Coercion or Force) করে নেওয়া পদত্যাগের কোনো আইনি ভিত্তি বা কার্যকারিতা নেই।

✅আদালত বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ ও দায়িত্ব হস্তান্তরের জন্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ডেকে রেজুলেশন পাস করতে হয়, যা এখানে ৮ নম্বর রেসপন্ডেন্ট দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাছাড়া, ব্যবস্থাপনা কমিটির সম্মতি ছাড়া ৮ নম্বর রেসপন্ডেন্ট সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আদালতে মামলা পরিচালনা করেছেন।

✅মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনেই স্কুল কমিটি পরিচালিত হয়। শিক্ষা বোর্ডের আদেশ অমান্য করা সরাসরি 'Bad Intention', 'Disobedience' এবং 'Colorable Exercise of Power' (ক্ষমতার অপব্যবহার) হিসেবে গণ্য হয়, যা প্রাকৃতিক বিচারনীতির (Principles of Natural Justice) পরিপন্থী।

✅আদালতের রায় (Court's Final Judgment/Order):
​আদালত উভয় পক্ষের শুনানি ও নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদেশ দেন: ​পুনর্বহালের নির্দেশ: ৮ নম্বর রেসপন্ডেন্টসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে জনাব মো. আলকাছ উদ্দিন আহমেদকে 'গোলাম নদী মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়'-এর প্রধান শিক্ষক পদে পুনর্বহাল (Reinstate) করার নির্দেশ দেওয়া হলো।

✅​যদি ৮ নম্বর রেসপন্ডেন্ট বা কমিটি এই নির্দেশ অমান্য করে, তবে রেসপন্ডেন্ট ২ থেকে ৫ (মন্ত্রণালয় ও বোর্ড কর্তৃপক্ষ) অবিলম্বে উক্ত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি বাতিল (Dissolution of Managing Committee), সভাপতিকে অপসারণ এবং সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির এমপিও (MPO) বন্ধকরণসহ আইনি ও প্রশাসনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

রিট পিটিশন নং ১২২০৫/২০২৪ থেকে তথ্য গৃহীত।

যেকোনো মতামত, সংশোধনী, পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। যাচাই-বাছাই পূর্বক সংশোধন করা হবে।

অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মিয়া
লেক্সজোন ল' চেম্বারস
(অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার ও লিগ্যাল কনসালটেন্টস)ঐ
ঠিকানা: রুম নং ৪০৮ এ, ৪র্থ তলা, বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদ ভবন, তোপখানা, ঢাকা (মেট্রোরেল সচিবালয় স্টেশন এর উত্তর পাশে)।

মোবাইল: 01841700461, 01724700461
Email: [email protected]
www.Lexzonelawchambers.com

#আইনি_পরামর্শ
©2026Adv Adv Monirul Islam Miah

ালত, ,


তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া ও জবাবের পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত। তদন্ত প্রতিবেদন সহ 2nd notice না দিয়ে বা জবাব ...
28/08/2026

তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া ও জবাবের পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত। তদন্ত প্রতিবেদন সহ 2nd notice না দিয়ে বা জবাব প্রদানের পর্যাপ্ত সুযোগ না দিয়ে dismiss করা অবৈধ। এস. এম. জাহিদ হাসান (সাবেক উপ-ব্যবস্থাপক, বেসিক ব্যাংক লিমিটেড বনাম সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় (সংস্থাপন/ ব্যাংকিং বিভাগ), সচিবালয় ভবন, রমনা, ঢাকা অন্যান্য এই সংক্রান্ত রায় আইনের শিক্ষার্থী, গবেষণা, আইনজীবী ও ব্যাংক কর্মকর্তা- কর্মচারী ও সাধারণ নাগরিকদের জানার সুবিধার্থে আলোচনা করবো।

♈রায়ের তারিখ : ২৩ জুন, ২০২৬

♈এস. এম. জাহিদ হাসান (সাবেক উপ-ব্যবস্থাপক, বেসিক ব্যাংক লিমিটেড বনাম সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয় (সংস্থাপন/ ব্যাংকিং বিভাগ), সচিবালয় ভবন, রমনা, ঢাকা অন্যান্য

♈বিচারপতি মোঃ ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এস এম সাইফুল ইসলাম।
​
✅মামলার ঘটনা (Fact of the Case): রিটর​পিটিশনকারী জনাব এস. এম. জাহিদ হাসান ১৯৯৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর বেসিক ব্যাংক লিমিটেডে (রেসপন্ডেন্ট নং ৩) অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার গ্রেড-২ হিসেবে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি পদোন্নতি পেয়ে উপ-ব্যবস্থাপক (Deputy Manager) হন।

🔴​২০১৪ সালের ১৭ এপ্রিল ব্যাংক কর্তৃপক্ষ (রেসপন্ডেন্ট নং ৪) তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। উক্ত বরখাস্তের বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে ২০১৪ সালের ৩৯৬০ নম্বর রিট পিটিশন দায়ের করেন।

🔴মামলাটি বিচারাধীন থাকা অবস্থাতেই ব্যাংকের অভ্যন্তরে তার বিরুদ্ধে একটি বিভাগীয় শৃঙ্খলা মামলা (Departmental Proceeding) শুরু হয় এবং ২৮/০৪/২০১৪ তারিখে ১০/১১টি অভিযোগ তুলে একটি চার্জশিট দেওয়া হয়। তিনি ২৭/০৫/২০১৪ তারিখে তার বিরুদ্ধে আনা প্রতিটি অভিযোগের বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও জবাব দেন। ​পরবর্তীতে, ০১/০১/২০১৫ তারিখে ব্যাংক তাকে ২য় কারণ দর্শানোর নোটিশ (2nd Show-Cause Notice) প্রদান করে এবং ৭ দিনের মধ্যে চাকরি থেকে কেন বরখাস্ত করা হবে না তার জবাব চায়।

🔴কিন্তু রহস্যজনকভাবে এই নোটিশের সাথে তদন্ত কর্মকর্তা (Inquiry Officer)-এর প্রতিবেদনটি (Inquiry Report) সংযুক্ত করা হয়নি। পিটিশনকারী ০৫/০১/২০১৫ তারিখে সময় আবেদন করলে ব্যাংক ০৮/০১/২০১৫ তারিখে তা নামঞ্জুর করে। ১১/০১/২০১৫ তারিখে পিটিশনকারী চিঠির মাধ্যমে জানান যে, তদন্ত প্রতিবেদন না পেলে তার পক্ষে ২য় কারণ দর্শানোর কার্যকর জবাব দেওয়া সম্ভব নয়। ব্যাংক ১১/০১/২০১৫ তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন ডাকযোগে পাঠায় এবং পিটিশনকারী সেটি পান ১৩/০১/২০১৫ তারিখে। কিন্তু তাকে কোনো জবাব দেওয়ার ন্যূনতম সময় না দিয়েই, ঠিক তার পরদিনই (১৪/০১/২০১৫) ব্যাংক তাকে চাকরি থেকে চূড়ান্ত বরখাস্ত (Dismissed) করে।

✅​মামলার কারণ (Cause of Action): ​মূল কারণ হলো natural justice বা প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতি লঙ্ঘন এবং ব্যাংকের নিজস্ব চাকুরি বিধিমালার ব্যাঘাত ঘটানো:
​২য় কারণ দর্শানোর নোটিশের সাথে তদন্ত প্রতিবেদন (Inquiry Report) সরবরাহ না করা।

🔴​তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর জবাব দেওয়ার কোনো সুযোগ না দিয়ে তড়িঘড়ি করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত করা।

🔴রিট ​পিটিশনার এর নথি অনুযায়ী, পরিচালনা পর্ষদ (Board of Directors) ২য় নোটিশ জারির আগেই (১১/১২/২০১৪ তারিখে) তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছিল—যা প্রমাণ করে পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল Pre-determined (পূর্বনির্ধারিত) ও Mala-fide (অসদুদ্দেশ্যপ্রণোদিত)।

✅​রিট পিটিশন দায়ের ও রুল ইস্যু (Writ Petition & Rule Nisi): ​চাকরিচ্যুত হয়ে সংক্ষুব্ধ জনাব এস. এম. জাহিদ হাসান সংবিধানের ১০২ ও ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করেন।
​প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ Rule Nisi জারি করেন!

🔴​রিট পিটিশনার এর আইনজীবীদের বক্তব্য (Submissions of Learned Advocates): ​পিটিশনকারীর পক্ষে বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী সাবমিশন রাখেন যে, ২য় কারণ দর্শানোর নোটিশের সাথে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয়নি। রিপোর্ট পাওয়ার পরদিনই বরখাস্ত করায় পিটিশনকারী আত্মপক্ষ সমর্থনের কার্যকর সুযোগ পাননি।

🔴​ব্যাংকের নিজ সাক্ষী—শাখা প্রধান (PW-2)—নিজে সব দায় স্বীকার করেছেন এবং পিটিশনকারীকে কোনোভাবে অভিযুক্ত করেননি। অন্য সাক্ষীরাও পিটিশনকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন। কিন্তু তদন্ত কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে এসব সাক্ষ্য উপেক্ষা করে তাকে 'সহযোগী' (Accomplice) বানিয়ে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

🔴​যে অভিযোগে পিটিশনকারীকে "আংশিক প্রমাণিত" বলা হয়েছে, সেখানেও তাকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, যা প্রমাণের আইনি মানদণ্ড পূরণ করে না।

🔴​পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত: বোর্ড ২য় নোটিশ দেওয়ার আগেই ১১.১২.২০১৪ তারিখে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, যা স্পষ্টত অসদুদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

🔴​রেসপন্ডেন্ট ব্যাংকের পক্ষে বিজ্ঞ সিনিয়র আইনজীবী বলেন, পিটিশনকারী তৎকালীন বরখাস্তকৃত শাখা প্রধান জনাব শিপার আহমেদের সাথে যোগসাজশ করে জামানত যাচাই ও ভৌত পরিদর্শন না করেই মেসার্স খাদিজা অ্যান্ড সন্স, ইএফএস এন্টারপ্রাইজসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানকে ৫৭৪ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে সহায়তা করেছেন।

🔴ব্যাংক যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই তদন্ত পরিচালনা করেছে এবং চার্জ গঠনে সহযোগিতার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
​বিকল্প যুক্তি: যদি প্রক্রিয়াগত ত্রুটি থাকেও, ব্যাংককে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর থেকে (২য় নোটিশ পর্যায় থেকে) নতুন করে আইনানুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হোক।

✅আদালতের পর্যবেক্ষণ: (Court's Observation with Citation): ​মাননীয় আদালত উভয় পক্ষের যুক্তি, নথিপত্র এবং পূর্ববর্তী উচ্চ আদালতের নজির (Precedents) গভীর পর্যবেক্ষণ করেন:

🔴​স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের নীতি: আদালত পরিষ্কার জানান, ২য় নোটিশের মূল উদ্দেশ্যই হলো তদন্ত রিপোর্টে তদন্তকারী কর্মকর্তা যে ভুল বা অসঙ্গতি করেছেন, তা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরা। রিপোর্ট না দিলে কর্মচারী সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন।

🔴​ব্যাংকের নিজস্ব বিধি: বেসিক ব্যাংক লিমিটেড কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকরি বিধিমালা, ২০১৫-এর বিধি ৭.৮.৬ উদ্ধৃত করে আদালত বলেন, এখানে ২য় শোকজের সাথে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা ব্যাংক লঙ্ঘন করেছে।

🔴​আদালত এই প্রসঙ্গে একাধিক ল্যান্ডমার্ক নজির বা সাইটেশন উল্লেখ করেন:

✅​Government of Bangladesh vs. Md. Tariqul Islam [25 BLC (AD) 131]: আপীল বিভাগ রায় দিয়েছেন যে, বিভাগীয় মামলায় ২য় কারণ দর্শানোর নোটিশের সাথে তদন্ত রিপোর্ট সরবরাহ করা Natural Justice-এর মৌলিক নীতি।

✅​Golam Mostafa (Md) vs. Bangladesh Jute Mills Corporation [52 DLR 299]: হাইকোর্ট বিভাগ রায় দেন যে, তদন্ত রিপোর্ট সরবরাহ করা কোনো সাধারণ আনুষ্ঠানিকতা (idle formality) নয়, এটি আইনের বাধ্যবাধকতা।

✅​Khulna Telecommunication Region vs. Sheikh Nazrul Islam [90 BLT (AD) 91]: তদন্ত রিপোর্ট না দিয়ে বরখাস্ত করায় প্রশাসনিক আপীল ট্রাইব্যুনালের বরখাস্তের আদেশ বাতিল ও চাকুরিতে পুনর্বহালের সিদ্ধান্তকে আপীল বিভাগ বহাল রাখেন।

✅​Nazma Akhtar vs. GM, Rural Electrification Board [10 BLC 669]: তদন্ত প্রতিবেদন না দেওয়ায় পুরো শৃঙ্খলা প্রক্রিয়া এবং বরখাস্তের আদেশ আইনগতভাবে বাতিল ও কার্যকারিতাহীন (no legal effect) ঘোষণা করা হয়।

✅​Md. Torab Ali vs. Bangladesh Textile Mills Corporation [1989 BLD 383 / 41 DLR 138]: ২য় নোটিশের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্টের ভুল ধারণা দূর করার শেষ সুযোগ অভিযুক্তের থাকে, তাই রিপোর্ট দেওয়া বাধ্যতামূলক।

✅​আদালতের চূড়ান্ত রায় (Judgment of the Court):
​বিচারপতি মোঃ ইকবাল কবির এবং বিচারপতি এস. এম. সাইফুল ইসলাম-এর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ সার্বিক বিচার বিশ্লেষণ শেষে নিম্নরূপ রায় প্রদান করেন:

✅​জারি করা রুলটি চূড়ান্ত Rule Absolute করা হয়।
রিট পিটিশনকারীকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার ১৪/০১/২০১৫ তারিখের বিতর্কিত আদেশটি বাতিল (Set aside) করা হলো।

✅​রিট পিটিশনার জনাব এস. এম. জাহিদ হাসানকে অবিলম্বে চাকুরিতে পুনর্বহাল (Reinstate) করার নির্দেশ দেওয়া হলো।

✅​বরখাস্তের তারিখ থেকে চাকুরিতে পুনর্বহালের মধ্যবর্তী সময়কালটি "বিনা বেতনে ছুটি" (Leave without pay) হিসেবে গণ্য হবে। এই সময়ের জন্য তিনি কোনো বকেয়া বেতন বা আর্থিক সুবিধা (Back wages) পাবেন না।

✅​ব্যাংক কর্তৃপক্ষের নতুন করে বিভাগীয় মামলা শুরু করার আবেদন নাকচ করা হলো এবং মামলার খরচের বাবদ কোনো আদেশ দেওয়া হলো না (No order as to costs)!

রিট পিটিশন নম্বর: ৪০৩৮/২০১৫

যেকোনো মতামত, সংশোধনী, পরামর্শ প্রদান করতে পারেন। যাচাই-বাছাই পূর্বক সংশোধন করা হবে।

অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মিয়া
লেক্সজোন ল' চেম্বারস
(অ্যাডভোকেট, ব্যারিস্টার ও লিগ্যাল কনসালটেন্টস)
ঠিকানা: রুম নং ৪০৮ এ, ৪র্থ তলা, বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদ ভবন, তোপখানা, ঢাকা (মেট্রোরেল সচিবালয় স্টেশন এর উত্তর পাশে)।

মোবাইল: 01841700461, 01724700461
Email: [email protected]
www.Lexzonelawchambers.com

#আইনি_পরামর্শ
©2026Adv Adv Monirul Islam Miah

​

Address

Topkhana Road
Dhaka
1100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lexzone Law Chambers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share