Arif Legal Fusion

Arif Legal Fusion We provide legal consultation about Criminal, Civil and Corporate Law.

07/06/2023

৫ টি শর্তে TIN বাতিল করতে পারবেন। শর্ত গুলো নিম্নরূপ:

১। কোনো করদাতা মারা গেলে।
২। যদি কোনো করযোগ্য আয় না থাকে।
৩। বিশেষ কোনো কারণে TIN গ্রহণ করে থাকলে এবং বর্তমানে করযোগ্য কোনো আয় না থাকলেও বাতিল করা যাবে।
৪। নন-রেসিডেন্ট বিদেশী নাগরিক, যার বাংলাদেশে কোন স্থায়ী ভিত্তি নেই।
৫। ৬৫ বছরের উর্ধ্বে মহিলা ও পুরুষগণ যদি তার করযোগ্য আয় না থাকে (পূর্বে করযোগ্য আয় ছিল বর্তমানে নেই) চাইলেই তারা TIN বাতিল করতে পারবেন।

TIN বাতিলের জন্য এপ্লিকেশন নমুনাঃ

বরাবর,
উপ কর কমিশনার/কমিশনার
সার্কেল-০০, কর অঞ্চল-০০
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, ঢাকা।

বিষয়: TIN বাতিল করার জন্য আবেদন।

মহোদয়,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে বিগত বছর তিনেক আগে টিন সার্টিফিকেট করেছিলাম। আমি আমার একটি ইলেকট্রনিক ব্যবসা পরিচালনার জন্য টিন খুলেছিলাম। কিন্তু ব্যবসাতে আর্থিক ভাবে ক্ষতি হওয়ায় আমার ব্যবসাটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে আমার আয় না থাকা সত্ত্বেও গত তিন বছর ধরে শূন্য রিটার্ণ দাখিল করে আসছি যাহার কপি সংযুক্ত করা হলো। বর্তমানে আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমি আমার TIN, যাহার নাম্বার ............ বন্ধ করতে ইচ্ছুক।

অতএব, আমার করযোগ্য আয় না থাকায় আমার টিন সার্টিফিকেট বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে আপনার সদয় মর্জি হয়।

সংযুক্তি:

১। বিগত তিন বছরের বা পূর্ববর্তী রিটার্নের কপি।
২। TIN সার্টিফিকেট এর কপি।
৩. পূর্ববর্তী আয়কর রিটার্ণের প্রাপ্তিস্বীকারপত্র বা প্রত্যয়ণপত্র।
৪। জাতীয় পরিচপত্রের ফটোকপি।

বিনীত নিবেদক,

মো:............

ঠিকানা:
TIN নম্বর:............
মোবাইল নম্বর:...........

বিঃদ্রঃ- TIN বাতিল না করে যদি রাখা যায় তবে ভালো। কারণ যেকোনো প্রয়োজনে আপনার TIN নাম্বার প্রয়োজন হতে পারে।

আপনার টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে লাগবে। পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত  অনেক শ...
30/04/2023

আপনার টাইমলাইনে শেয়ার দিয়ে রাখুন ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।

পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ তাছাড়া দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে, যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এমনও কিছু শব্দ আছে যা খুব কম ব্যবহার হয়। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য আমার এই লেখাটিঃ-

১. মৌজা = গ্রাম।

২. জে.এল নং = মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩. ফর্দ = দলিলের পাতা।

৪. খং = খতিয়ান।

৫. সাবেক = আগের/পূর্বের বুজায়

৬. হাল = বর্তমান।

৭. বং = বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম
লিখে।

৮. নিং = নিরক্ষর।

৯. গং = আরো অংশীদার আছে।

১০. সাং = সাকিন/গ্রাম।

১১. তঞ্চকতা = প্রতারণা।

১২. সনাক্তকারী = যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩. এজমালী = যৌথ।

১৪. মুসাবিদা = দলিল লেখক।

১৫. পর্চা = বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে
নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬. বাস্তু = বসত ভিটা।

১৭. বাটোয়ারা = বন্টন।

১৮. বায়া = বিক্রেতা।

১৯. মং = মবলগ/মোট

২০. মবলক = মোট।

২১. এওয়াজ = সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে
সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ
বলে।

২২. হিস্যা = অংশ।

২৩. একুনে = যোগফল।

২৪. জরিপ = পরিমাণ।

২৫. এজমালী = কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক
শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা
এজমালী জোত বলে।

২৬. চৌহদ্দি = সীমানা।

২৭. সিট = নকশার অংশ বা মৌজার অংশের
নকশাকে সিট বলে।

২৮. দাখিলা = খাজনার রশিদ।

২৯. নক্সা = ম্যাপ।

৩০. নল = জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১. নাল = চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২. পিং = পিতা।

৩৩. জং = স্বামী।

৩৪. দাগ নং = জমির নম্বর।

৩৫. এতদ্বার্থে = এতকিছুর পর।

৩৬. স্বজ্ঞানে = নিজের বুঝ মতে।

৩৭. সমূদয় = সব কিছু।

৩৮. ইয়াদিকৃত = পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে
শুরু করিলাম।

৩৯. পত্র মিদং = পত্রের মাধ্যমে।



৪০. বিং = বিস্তারিত।

৪১. দং = দখলকার।

৪২. পত্তন = সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩. বদল সূত্র = এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪. মৌকুফ = মাপ।

৪৫. দিশারী রেখা = দিকনির্দেশনা।

৪৬. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে
ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে
থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং
নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮. অধুনা = বর্তমান।

৪৯. রোক = নগদ।

৫০. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে
দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া
গন্য হয়।

৫২. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা
হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে
তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে
লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার
কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে
পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন
তাহাকে খারিজ বলে।
#ভূমিপরামর্শক পেইজে লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন
৫৫. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক
ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয়
তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি
নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম,
খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম,
তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক
দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা,
ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি)
দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ,
হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬. জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই
সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭. এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা
জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত
বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮. অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে
তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর-
অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে
কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে
অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত
প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি
লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম
খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী
স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে
অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২. আলামত = ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর,
মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি
বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩. আমলনামা = কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে
কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া
ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে
আমনামা বলে।

৬৪. আসলি = মূল ভূমি।

৬৫. আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক,
অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ
বলে।

৬৬. ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের
জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা
নেওয়া।

৬৭. ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।

৬৮. ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।

৬৯. এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত
মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে
জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০. ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে
উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১. কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে
এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২. কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো
কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩. কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার
অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪. কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া
ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫. কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি
করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত
বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর
রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬. কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে
জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয়
তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭. কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও
কান্দা বলে।

৭৮. কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯. কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে
কোলা ভূমি বলে।

৮০. কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান
স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে
তাহাকে কোল বলে।

৮১. খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব
রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম
বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২. খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার,
খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩. খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের
অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪. খিরাজ = কর, খাজনা।

৮৫. খানে খোদা = মসজিদ।

৮৬. খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭. গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত
দেওয়া হয় নাই।

৮৮. গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়,
জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত
বলে।

৮৯. গির্বি = বন্ধক।

৯০. চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক
বলে।

৯১. জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।

৯২. চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ
করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি
দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩. চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা
বলে।

৯৪. চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে
চটান বলে।

৯৫. চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬. চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭. জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।

৯৮. জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে
খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯. জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০. জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয়
তাহাকে জজিরা বলে।

১০১. জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং
কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট
বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়,
যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে
ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল
করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২. জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে
জন্মে।

১০৩. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি
উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪. টাভার্স = ঘের জরিপ।

১০৫. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে
দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে
রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা
দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া
জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন
করা।

১০৮. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময়
অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯. তুদাবন্দী = সীমানা নির্দেশ।

১১০. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট
এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত
ফিস।

১১২. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪. তরমিম = শুদ্ধকরণ।

১১৫. তরতিব = শৃংখলা।

১১৬. তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয়
ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে
তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক
নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার
জোতকেও তৌজি বলা হয়।

১১৭. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮. দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন।

১১৯. দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা = দখলদার হিসেবে যে
প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০. দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে
বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২. দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে
সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর
বলে।

১২৩. দরবস্ত = সমুদয়।

১২৪. নথি = রেকর্ড।

১২৫. দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬. দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের
পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭. দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী
একপ্রকার প্রজা।

১২৮. নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের
সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায়
না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে
ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক
লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে
যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন
জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার
নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯. নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক
নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে
প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী
বলে।

১৩০. নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা
জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত
ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬
আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ
করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম
খারিজ বা জাম খারিজ বলে

🟥১.জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট.২.জাতীয় পরিচয় পত্র.৩.একাডেমিক সার্টিফিকেট.৪.পাসপোর্ট. দয়াকরে এই ৪ টি জিনিসে নিজের সবগুলো তথ্য...
16/02/2023

🟥
১.জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট.
২.জাতীয় পরিচয় পত্র.
৩.একাডেমিক সার্টিফিকেট.
৪.পাসপোর্ট.

দয়াকরে এই ৪ টি জিনিসে নিজের সবগুলো তথ্য সমান রাখবেন৷ খুব সাবধানে ফর্ম ফিলাপ এবং বারবার চেক করবেন। অনেকেই সারাজীবন ঝামেলায় পোহান এসব তথ্যে অমিল থাকায়।

# এই প্রয়োজনীয় ডুকোমেন্টস গুলো সঠিকভাবে তৈরি করতে বা পরিবর্তন ও পরিশোধনের প্রয়োজন হলে আমাদের পেইজে যোগাযোগ করুন। আমাদের ডেডিকেট টিম আপনাদের সহযোগিতা করবে।

স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা মামলার শিকার হলে কি করবেন?আপনি যদি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েই যান, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা ...
15/02/2023

স্ত্রী কর্তৃক মিথ্যা মামলার শিকার হলে কি করবেন?

আপনি যদি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েই যান, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটি লড়ে যেতে হবে। মামলা থেকে পালিয়ে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এতে আপনার অনুপস্থিতিতেই সাজা হয়ে যেতে পারে।

মামলা হয়ে গেলে আত্মসমর্পণ করে নিম্ন আদালতে জামিন চাইতে পারেন বা হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিনও চাইতে পারেন। জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হলে হাইকোর্টে আগাম জামিন চাওয়াই বিবাদীর জন্য শ্রেয় ও নিরাপদ।

অনেক সময় কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই পুলিশ এসে আপনাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়। তাই আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করতে হবে। নিম্ন আদালতে জামিন না হলে পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করতে হবে।

যৌতুক নেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যে নিবে বা যারা দিবে তাদের সবারই সাজা হবে। এ জন্য যৌতুক নেওয়ার অপরাধকে বলা হয়েছে জামিন অযোগ্য। যৌতুক নেওয়ার জন্য শাস্তি হবে ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড বা ৫০০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দন্ডই হতে পারে। ২০১৮ সালে পাস হওয়া যৌতুক নিরোধ আইনে এ কথাগুলো বলা আছে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে যদি কেউ মিথ্যা মামলা দায়ের করে, তাহলে তার কি হবে? ‘যৌতুক নিরোধ আইনের ৬ ধারায় বলা হয়েছে, যদি আপনার স্ত্রী কিংবা স্ত্রীর পরিবারের কেউ আপনাকে ক্ষতিসাধনের ইচ্ছায় মিথ্যা যৌতুকের মামলা করেন কিংবা মামলা করাতে সহায়তা করেন, তাহলে তিনি বা তারা ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে এ মামলাটি করতে হবে যখন আপনি মিথ্যা মামলার দায় থেকে বেকসুর খালাস পাবেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০-এর ১৭ ধারায়ও মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তির কথা উল্লেখ আছে। এখানে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি কারও ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এই আইনের অন্য কোনো ধারায় মামলা করার জন্য আইনানুগ কারণ নেই জেনেও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন অথবা করান, তবে সেই অভিযোগকারী অনধিক সাত বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

এবার জেনে নিই, একজন স্ত্রী কখন ও কিভাবে কোথায় মামলা করবেন-

যৌতুকের শিকার হলে কোনো পক্ষ তার কাবিননামাসহ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সরাসরি মামলা করতে পারেন। কাছের থানায় গিয়ে এজাহার করতে পারেন। আর যৌতুকের জন্য মারধরের শিকার হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রথমে থানায় এজাহার করতে পারেন। এজাহার কোনো কারণে পুলিশ না নিলে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ সহকারে মামলা করা যাবে। মারধরের শিকার হলে চিকিৎসা সনদ সহকারে মামলা করা উচিত, না হলে মামলা প্রমাণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তবে স্ত্রী ভরণপোষণ ও দেনমোহর বাবদ কোনো টাকা দাবি করলে তা যৌতুক হিসেবে গণ্য হবে না।

যৌতুকের অভিযোগে যে কেবল স্ত্রীই মামলা করতে পারবেন, তা নয়, স্ত্রী যদি স্বামীর কাছে যৌতুক দাবি করেন, স্বামীও ঐ স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনে মামলা করতে পারেন।

15/02/2023

♦️♦️পুলিশি হয়রানির শিকার হলে কি করবেন ?♦️♦️

পুলিশের বিরুদ্ধে মাঝে মধ্যেই নানা হয়রানির অভিযোগ উঠে। তবে পুলিশ সদস্য কর্তৃক হয়রানির শিকার হলে তার প্রতিকারের ব্যবস্থা আছে; করা যায় অভিযোগ। সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।

কিন্তু অনেকেই জানেন না অভিযোগ কোথায় করতে হয় সেটা।

পুলিশ সদরদপ্তরে স্থাপিত ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন সেল’ ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকে। ২০১৭ সালের ১৩ নভেম্বর ‘আইজিপি কমপ্লেইন সেল’ চালু করা হয়। পুলিশ সদস্যের যেকোনো অপেশাদার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে এই সেলকে জানানো যায়। সরাসরি, কুরিয়ার সার্ভিস কিংবা ডাকযোগে তথ্য জানানো যায়। এছাড়া ০১৭৬৯-৬৯৩৫৩৫ ও ০১৭৬৯-৬৯৩৫৩৬ মোবাইল নম্বরে এবং [email protected] এই ই-মেইলেও অভিযোগ জানানো যায়।

এছাড়া হয়রানির শিকার যে কেউ ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ করতে পারেন।

পুলিশের যেকোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে সেটা সংশ্লিষ্ট ইউনিটে পাঠিয়ে দেয়া হয়। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখে শাস্তির সুপারিশ করে থাকেন। পরে পুলিশ সদর দফতর থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ছাড়াও ফৌজদারি মামলা করা হয়। অভিযোগ প্রমাণিত হলে পুলিশের সব পর্যায়ের সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আপনার পেইজ বুস্টিং এর জন্য অথেনটিক মার্কেটিং এজেন্সি খুজছেন??... আমরা দিচ্ছি অথেনটিক ডলার এ শতভাগ নিরাপদ বুস্টিং সার্ভিস...
09/12/2022

আপনার পেইজ বুস্টিং এর জন্য অথেনটিক মার্কেটিং এজেন্সি খুজছেন??...
আমরা দিচ্ছি অথেনটিক ডলার এ শতভাগ নিরাপদ বুস্টিং সার্ভিস!
আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী। আমাদের সার্ভিসের জন্য ইনবক্স করুন অথবা যোগাযোগ করুন এই নাম্বারে +8801626460282

10/02/2021

Tuition Tuition
Offer: 1047
Tuition Code: KC-07
Class: KG
Subject: All
Days: 6 days per week
Location: Rony Market, Kamrangir Char
Salary: Negotiable
💮💮NO Services Charge Applied 💮💮

Best of Luck Bangladesh Team ❤️
19/01/2021

Best of Luck Bangladesh Team ❤️

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801626460282

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arif Legal Fusion posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arif Legal Fusion:

Share

Category