UKIL BARI

UKIL BARI অ্যাডভোকেট, ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালত
(দেওয়ানী, ফৌজদারী ও আয়কর আইনজীবী)
যোগাযোগ- ০১৭১৬০8৯১৯৬ (পরামর্শ ফি প্রযোজ্য)

28/04/2026

আমাদের সমাজে এখনো একটি বড় ভুল ধারণা প্রচলিত আছে—
অনেকে মনে করেন, কাবিননামার ১৮ নং কলামে স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা (তালাক-এ-তাফওয়ীজ) না থাকলে স্ত্রী কখনো স্বামীকে তালাক দিতে পারেন না।
বাংলাদেশের প্রচলিত পারিবারিক আইন অনুযায়ী, কাবিননামায় ক্ষমতা না থাকলেও একজন স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে বৈধভাবে বিবাহবিচ্ছেদ করতে পারেন। এর জন্য তাহাকে পারিবারিক সহকারী সিভিল জজ আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করতে হবে পারিবারিক আইন আদালত ২০২৩ অনুযায়ি।
নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন—
#স্বামীর সাত বছর বা তদূর্ধ্ব কারাদণ্ড হলে
#স্বামী চার বছর ধরে নিরুদ্দেশ বা নিখোঁজ থাকলে
#স্বামী দুই বছর ভরণপোষণ প্রদান না করলে
#স্বামীর শারীরিক অক্ষমতা বা দাম্পত্য জীবন পালনে অযোগ্যতা থাকলে
#নিষ্ঠুর আচরণ, নির্যাতন বা বৈবাহিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করলে।কাবিননামার ১৮ নং কলাম না থাকলেও স্ত্রী আইনের দৃষ্টিতে অসহায় নন।
আদালতের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ তার আইনগত অধিকার।

#অ্যাডভোকেট মোকিম উদ্দিন
জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ঢাকা।

25/04/2026

ডিভোর্স দেওয়ার পর ৯০ দিন পার হয়ে গেলে পরবর্তীতে পূনরায় বিয়ে করার আইনগত করনীয় কী?? চলুন জেনে নিই
=================================

🇧🇩ডিভোর্স কার্যকর হওয়ার ৯০ দিন বা ইদ্দতকাল অতিবাহিত হওয়ার পর পুনরায় বিয়ে করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখা জরুরি।
🇧🇩এটি নির্ভর করে আপনি আপনার সাবেক জীবনসঙ্গীকে পুনরায় বিয়ে করতে চাচ্ছেন, নাকি নতুন কোনো ব্যক্তিকে।
🇧🇩​নিচে বিস্তারিত আইনি পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হলো:
🇧🇩​১. নতুন কোনো ব্যক্তিকে বিয়ে করতে চাইলে:
​যদি ৯০ দিন অতিবাহিত হয়ে যায় এবং ডিভোর্স চূড়ান্তভাবে কার্যকর হয়ে থাকে (চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকে সার্টিফিকেট প্রাপ্তি সাপেক্ষে), তবে আপনি সাধারণ নিয়মেই যেকোনো ব্যক্তিকে বিয়ে করতে পারেন।
🇧🇩​কাবিননামা ও নিবন্ধন: নতুন বিয়ের ক্ষেত্রে আগের ডিভোর্স পেপার বা তালাকনামার কপি এবং চেয়ারম্যান কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ডিভোর্স কার্যকর হওয়ার প্রত্যয়নপত্র সাথে রাখা ভালো। নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) এই নথিগুলো যাচাই করে নতুন বিয়ের নিবন্ধন করবেন।
🇧🇩​২. সাবেক জীবনসঙ্গীকেই পুনরায় বিয়ে করতে চাইলে:
​৯০ দিন পার হয়ে গেলে তালাকটি 'বায়েন' বা চূড়ান্ত হয়ে যায়। এক্ষেত্রে মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী করণীয় হলো:
🇧🇩​পুনরায় বিয়ে (নিকাহ): যেহেতু ৯০ দিন পার হওয়ার পর আগের বিয়ের আইনি অস্তিত্ব আর থাকে না, তাই আপনারা চাইলে নতুন করে দেনমোহর ধার্য করে এবং নতুন বিয়ের নিবন্ধনের মাধ্যমে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন।
🇧🇩​হিল্লা বিয়ের আবশ্যকতা নেই: বাংলাদেশের প্রচলিত মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ৭(৬) ধারা অনুযায়ী, পুনরায় বিয়ের ক্ষেত্রে মাঝখানে অন্য কোথাও বিয়ে হওয়া (যা লোকমুখে 'হিল্লা বিয়ে' নামে পরিচিত) জরুরি নয়, যদি না তালাকটি তিনবার পূর্ণ (তালাকে মুগাল্লাজা) না হয়। অর্থাৎ, আপনারা সরাসরি একে অপরকে পুনরায় বিয়ে করতে পারেন।
🇧🇩​৩. প্রয়োজনীয় নথিপত্র:
​আইনি জটিলতা এড়াতে বিয়ে নিবন্ধনের সময় নিচের কাগজগুলো সংগ্রহে রাখা উচিত:
​সাবেক স্বামী/স্ত্রীর ক্ষেত্রে: ডিভোর্স কার্যকরের সার্টিফিকেট এবং পূর্বের তালাকনামার কপি।
​জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ।
​নতুন বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সাক্ষী ও দেনমোহর নির্ধারণ।
🇧🇩​একটি গুরুত্বপূর্ণ নোট:
ডিভোর্স পেপার নোটিশ পাঠানোর পর ৯০ দিন পার হলেই যে ডিভোর্স কার্যকর হয়ে যায় তা নয়; বরং এই ৯০ দিনের মধ্যে কোনো সালিশি বৈঠক বা আপোষ নিষ্পত্তি না হলেই কেবল এটি কার্যকর হয়।
🇧🇩 বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন বা ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে "তালাক কার্যকর হওয়ার সনদপত্র" সংগ্রহ নিশ্চিত করুন।

❤️❤️বিঃদ্রঃ আইনী পরামর্শের জন্য প্রাথমিক আলোচনা ফি প্রয়োজন। তবে দুঃস্থ এবং অসহায়দের জন্য ফ্রী।

এই সংশোধনীর মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকার নিচের চেক সংক্রান্ত মামলাসমূহ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার করার সিদ্ধান্ত বর্তমান পরিস্থি...
17/04/2026

এই সংশোধনীর মাধ্যমে ৫ লক্ষ টাকার নিচের চেক সংক্রান্ত মামলাসমূহ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার করার সিদ্ধান্ত বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে যুক্তিসঙ্গত হলেও এর বাস্তব প্রয়োগে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

দীর্ঘ ৭/৮ বছর ধরে মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন এবং অনেক ক্ষেত্রে রায়ের পর্যায়ে থাকা মামলাসমূহ বদলির মাধ্যমে পুনরায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হচ্ছে, যার ফলে বিচারপ্রার্থীদের জন্য চরম ভোগান্তি ও সময়ক্ষেপণ তৈরি হয়েছে। এই বদলী নথি গুলো ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে পাঠানোর প্রসেসিং করতে প্রায় ১ বছর সময় লেগে যাবে।

যদি সংশোধনীতে একটি সুস্পষ্ট saving clause সংযোজন করা থাকতো যেমন-পূর্বে দায়েরকৃত মামলাসমূহ পূর্ববর্তী আইনের অধীনেই পরিচালিত হবে। তাহলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত বদলী পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব ছিল। আইনের প্রবর্তন এবং বাস্তব প্রয়োগের কথা না ভেবে এমন সিদ্ধান্ত সত্যিই বিচারপ্রার্থীদের জন্য ভোগান্তির।

বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা ও জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির স্বার্থে বাস্তবমুখী নির্দেশনা এবং পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ব্যক্তিগত সুরক্ষা আইন ২০২৬
16/04/2026

ব্যক্তিগত সুরক্ষা আইন ২০২৬

CrPC সংশোধনি ২৬
16/04/2026

CrPC সংশোধনি ২৬

সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬
15/04/2026

সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৬

15/04/2026

অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু আইনি পরামর্শঃ-
* নিজের জমিতে কাউকে থাকতে দিবেন না;
* খালি ব্যাংক চেক কাউকে দিবেন না;
* সহধর্মিণী আপনাকে তালাক দিলেও সে দেনমোহর এর টাকা পাবে;
* নাবালকের সম্পত্তি কিনবেন না;
* ডকুমেন্ট ছাড়া কাউকে টাকা দিবেন না;
* সন্তান পিতা-মাতার ভরণপোষন দিতে বাধ্য এবং
* বাবা মারা গেলে দাদা বেঁচে থাকলে নাতী
বাবার ন্যায় দাদার সম্পত্তি পাবে।

14/04/2026

আজ জমে উঠেছে বিরামপুরে ভৈরব রাজার ৩২২ বছরের ঐতিহ্যবাহী মির্জাপুর মন্ডপ মেলা

দিনাজপুরের বিরামপুর পৌরশহরের উপকন্ঠে ২ কিঃমি দক্ষিণে ৮ নং ওয়ার্ড মির্জাপুর নামক স্থানে বাংলা এগারো’শ এর গোড়ার দিকে রাজা ভৈরব চন্দ্রের জামলেশ্বর কাচারী ছিল। সে কাচারীতে এলাকার প্রজাদের থেকে খাজনা আদায় করতো। রাজা তাঁর প্রজাদের সুখ শান্তির লক্ষ্যে মনোরম পরিবেশে কাচারীর ৫০ ফুট উঁচু টিলার উপর ১১১১ বাংলা সনে ব্যয়বহুল এ শিব মন্দির নির্মাণ করেন ও সেখানে ৫ ফুট দীর্ঘ শিব লিঙ্গ স্থাপন করেন যা অত্র অঞ্চলের হিন্দুদের নিকট তীর্থস্থান হিসেবে বিবেচিত হত।

যতদূর জানা যায়, মোঘল আমলের পূর্বে এই এলাকায় হিন্দুদের স্বাধীন রাজ্য ছিল ও এখানে একটি কাঁসা ও পিতলের কারখানা ছিল। বর্তমানে তা বিলুপ্ত হয়ে গেছে। বর্তমানে মন্ডপের নীচে পূর্ব পার্শ্বে মুদিদোকান, চায়ের স্টলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বেশ কিছু দোকান বসেছে ।

তৎকালীন রাজা তার এই মন্ডপে বাংলা বছরের চৈত্র সংক্রান্তির দিনে পূজার প্রচলন করেন। প্রজাদের আগমনে পূজার দিনটি মেলায় রূপান্তর ঘটে এবং কালক্রমে একদিনের মেলাটির স্থায়িত্ব হয় সপ্তাহব্যাপী। সেই থেকে ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছর এখানে হিন্দু সম্প্রদায় সেই দিনে পূজা অর্চনার পাশাপাশি বিশাল মেলা বসায় ।

মেলাটি কাঠের আসবাবপত্র, কৃষি ও গৃহস্থালি দ্রব্যাদি, মিষ্টি আলু, তুলা, হলুদ, রকমারী মিষ্টি, জিলাপী, খাজা- বাতাসা, খিরা, মিষ্টি ঘোল, ধনিয়া ও মৌসুমী ফলের খ্যাতি লাভ করে। পুরণো চৈত্র সংক্রান্তির মেলাটিতে প্রতিবছর বিভিন্ন জেলার দূর দূরান্ত থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থী, ক্রেতা-বিক্রেতা ও পূজারীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে।

12/04/2026

বিষয়: অর্থঋনের মামলায় কিস্তিতে টাকা পরিশোধের পদ্ধতি।

#১ বছরে ৪টি সমকিস্তিতে ডিক্রির টাকা পরিশোধ করা যাবে।

#আদালত চাইলে অথবা বিবাদী-দায়িকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৩ বছরে ১২টি সমকিস্তিতে টাকা পরিশোধ করা যাবে। এক্ষেত্রে বাদী-ডিক্রিদারের সম্মতি প্রয়োজন।

#১ বছরে ৪ কিস্তির ক্ষেত্রে কারও সম্মতির প্রয়োজন নেই। আদালত চাইলে এই আদেশ দিতে পারবে।

#১ বছরে ১২ কিস্তির ক্ষেত্রে বাদী ডিক্রিদারের সম্মতি প্রয়োজন।

#কোনো একটি কিস্তি বকেয়া হওয়া মাত্রই সমুদয় বকেয়া তখনই পরিশোধিতব্য হবে। অর্থাৎ কিস্তিতে টাকা পরিশোধের সুবিধা বাতিল হয়ে যাবে।

#অর্থনৈতিক বিশেষ সমস্যার কারণে কিস্তি পরিশোধ করতে পারেন নাই মর্মে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারলে পুনরায় কিস্তিতে ডিক্রির টাকা পরিশোধের সুযোগ পাওয়া যায়।

#জারি মামলা দায়েরের পরও বিবাদী দায়িক কিস্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।

#কিন্তু জারি মামলায় সম্পত্তি নিলামে বিক্রয় হওয়ার পর ডিক্রির টাকা কিস্তিতে পরিশোধের আর সুযোগ থাকে না।

12/04/2026

#ঋনের বিপরীতে #চেকের মামলার ফলাফল কি?

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঋণের জামানতি চেক 'বিনিময়যোগ্য দলিল' নয় এবং এর অপব্যবহার করে মামলার সুযোগ নেই।

#ঋণের বিপরীতে চেকের মামলা ও হাইকোর্টের ৫৬১ক-এর নজীর:

মামলা স্থগিত ও স্থিতি: ২০২২ সালের নভেম্বরে বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের হাইকোর্ট বেঞ্চ জানায়, ঋণ আদায়ে চেক ডিজঅনার মামলা না করে অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে হবে।

৫৬১ক (561A) বা মামলার কার্যক্রম বাতিল (Quashment):

জামানতি চেক: যদি প্রমাণিত হয় চেকটি শুধুমাত্র ঋণের বিপরীতে জামানত হিসেবে নেওয়া হয়েছিল, বিনিময়যোগ্য দলিল (Negotiable Instrument) হিসেবে নয়, তবে ৫৬১ক ধারায় মামলা বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে।

প্রতারণা ও জালিয়াতি: ঋণের চুক্তিভঙ্গ হলেই তা ক্রিমিনাল অপরাধ নয়। চেক ডিজঅনারের মামলা যদি হয় অন্যায্য, ব্লাঙ্ক চেকে জালিয়াতি, বা হয়রানিমূলক। তবে হাইকোর্ট ৫৬১ক ধারার অধীনে মামলার কার্যধারা বাতিল (Quash) করতে পারে।

নজীর১: Abdul Bari vs State (53 DLR 410) এ বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ঋণের টাকা পরিশোধে ব্যর্থতা বা অস্বীকৃতি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে না।

নজীর২: Md. Arifur Rahman vs Santosh Kumar (14 BLD (AD) 78) অনুযায়ী, যদি prima facie (প্রাথমিক প্রমাণ) অপরাধ থাকে, তবে ৫৬১ক-তে মামলা বাতিল করা যাবে না।

মূল্যায়ণ:
ঋণের বিপরীতে নেওয়া ব্লাঙ্ক চেক বা জামানতি চেক দিয়ে চেক ডিজঅনারের মামলা করা হাইকোর্টের রায়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
বর্তমানে ব্যাংকগুলো এনআই অ্যাক্ট ১৩৮ ধারায় মামলা চালাতে পারছে, কিন্তু ৫৬১ক ধারার অধীনে মামলার ভুয়া বা হয়রানিমূলক প্রকৃতি প্রমাণ করতে পারলে হাইকোর্ট তা স্থগিত বা বাতিল করতে পারে।

পরামর্শ: যদি ঋণের বিপরীতে নেওয়া চেকটি ব্লাঙ্ক বা সিকিউরিটি চেক হয়, তবে উপযুক্ত প্রমাণসহ ৫৬১ক ধারায় হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে, বিশেষ করে যদি অর্থঋণ আদালতে ইতোমধ্যে কোনো কার্যক্রম চলমান থাকবে!

12/04/2026

কর ফাঁকির অভিনব ও ভয়াবহ উদাহরণগুলো জানলে সত্যিই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়, যা দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিচ্ছে । এনবিআর-এর তথ্য ও সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসা ১০টি প্রধান কর ফাঁকির উপায় নিচে দেওয়া হলো:

১. সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য গোপন: গুলশান-তেজগাঁওয়ের মতো অভিজাত এলাকায় বাণিজ্যিক ও আবাসিক স্পেস কেনাবেচায় সরকারি দলিলমূল্য অত্যন্ত কম দেখিয়ে আসল দাম গোপন করা।

২. ভুয়া ভ্যাট চালান: পণ্য না কিনেই বা ভ্যাট না দিয়েও ভুয়া চালান ব্যবহার করে ভ্যাট রেয়াত নেওয়া।
৩. আয় গোপন বা কম দেখানো: আয়ের চেয়ে কর ফাইলে বাৎসরিক আয় অনেক কম দেখিয়ে কর ফাঁকি দেওয়া।

৪. ব্যক্তিগত খরচকে ব্যবসার খরচ দেখানো: ব্যক্তিগত গাড়ি, সংসার বা ভ্রমণের খরচকে প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয় হিসেবে দেখিয়ে কর কমানো।

৫. অফশোর ব্যাংকিং বা বিদেশে অর্থ পাচার: দেশের উপার্জিত অর্থ বিদেশে পাচার করে কর ফাঁকি দেওয়া।

৬. জাল নথিপত্র: আয়কর ফাইলে ভুয়া দান (Gift) বা কাল্পনিক ঋণ দেখিয়ে আয়কে বৈধ করার চেষ্টা।

৭. বেনামী সম্পদ: নিজের নামে সম্পদ না রেখে কর্মচারী বা আত্মীয়ের নামে বেনামে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রাখা।

৮. পণ্য আমদানিতে কম ইনভয়েস (Under-invoicing): পণ্য আমদানির সময় কম দামের ভুয়া ইনভয়েস দেখিয়ে কাস্টমস ডিউটি ও ট্যাক্স কম দেওয়া।

৯. সবুজ ক্লিয়ারেন্স বা এনওসি-তে ফাঁকি: পরিবেশ বা অন্যান্য ছাড়পত্রের তথ্য গোপন করে কর দায় এড়ানো।

১০. টিন (TIN) থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন না দেওয়া: ব্যবসার বড় লেনদেন থাকলেও টিন ব্যবহার না করে বা রিটার্ন দাখিল না করে কর এড়ানো ।
সংগৃহীত!

09/04/2026

#প্রশ্ন: বাবা ছেলেকে সম্পত্তি উইল করে দিয়ে গেছেন এখন ছেলে আদালত থেকে কিভাবে স্বীকৃতি নিবেন??

বাবা যদি ছেলের নামে উইল (Will) করে রেখে যান, তাহলে সেই উইল কার্যকর করতে সাধারণত আদালত থেকে প্রোবেট (Probate) বা লেটার অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন নিতে হয় "উত্তরাধিকারী আইন ১৯২৫ এর ২৭৬ "ধারায় বিধান মতে।
প্রবেট নিতে হলে যাহা প্রয়োজন :-
১.আগে নিশ্চিত হোন উইল বৈধ ও লিখিত কিনা?
২.উইলদাতার (বাবার) স্বাক্ষর আছে কিনা?
৩.কমপক্ষে ২ জন সাক্ষীর স্বাক্ষর আছে কিনা?

যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হয়—
মূল উইল (Original Will)/বাবার মৃত্যু সনদ (Death Certificate)/উত্তরাধিকারীদের তালিকা/ম্পত্তির কাগজপত্র/আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র
/সাক্ষীদের তথ্য/আদালতের নির্ধারিত কোর্ট ফি।

আদালতের প্রক্রিয়া
১. আইনজীবীর মাধ্যমে প্রোবেট আবেদন দাখিল
২. আদালত নোটিশ প্রকাশ করবে (অন্যান্য উত্তরাধিকারীদের জানানো হবে)
৩. কেউ আপত্তি না করলে শুনানি শেষে আদালত প্রোবেট অনুমোদন দেয়
৪. আদালতের প্রোবেট সার্টিফিকেট ইস্যু হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
উইল আদালত থেকে প্রবেট না নিলে আইনগতভাবে পরিপূর্ণতা পায় না।

Address

Mohammadpur
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when UKIL BARI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category