Adv.Rafiqul Islam palash

Adv.Rafiqul Islam palash বর্তমান পেশা : সরকারি কর্মকর্তা

09/11/2024

********রিভিশন সংক্ৰান্ত:********

১.অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ভ্যাকেট হলে- রিভিশন
২.অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে - রিভিশন
৩.অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বাতিল হলে - রিভিশন
৪.নালিশী মাললা খরিজ হলে - রিভিশন
৫.আপীল রিজেক্ট হলে - রিভিশন
৬.ডিক্রী রদ হলে - রিভিশন.
৭.তামাদি আইন এ - রিভিশন নেই
৮.অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ প্রতিকার = রিভিশন।
৯.ম্যাজি: মামলা নিতে অস্বীকার করলে রিভিশন দায়রা
আদালতে।
১০.সকল আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে রিভিশন হাইকোর্ট এ
১১.জেলা জজ ,অতিরিক্ত জেলা জজ এর আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন হাইকোর্ট এ
১২.সহকারী জজ , সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ন জেলা জজ এর আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন জেলা জজের নিকট
১৩.যেখানে আপিল চলে না সেখানে --রিভিশন
১৪.অর্থদণ্ড ২০০ টাকার কম হলে - রিভিশন
১৫.সোলে ডিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিকার - রিভিউ এবং রিভিশন
১৬.মধ্যস্থতার মাধ্যমে প্রদত্ত ডিক্রি - আপীল বা রিভিশনযোগ্য নয়
১৭.রিভিশন মামলা দায়ের করার প্রধান কারণ?আইনগত ভুল ও
ন্যায়বিচারে বিঘ্ন ঘটা
১৮.রিভিশন ও আপিল দায়ের করতে হয়--উচ্চ আদালতে
১৯.দেওয়ানি মামলায় --দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যায় কিন্তু
দ্বিতীয় আপিল করা যায় না
২০.দেওয়ানী রিভিশন বার বার।
২১.ফৌজদারী রিভিশন ১ বার।
২২.জেলা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ২০০৩ সালে।
২৩..রিভিউ দরখাস্ত না মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার- রিভিশন
২৪..আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করলে, আসামীর করণীয় - রিভিশন
২৫.ফৌজদারি রিভিশন নিষ্পতি হয় ৯০ দিনে
২৬.রিভিউ না মঞ্জুর করা হলে?= রিভিশন
২৭.মোকাদ্দমা স্থানান্তরের আদেশের বিরুদ্ধে = রিভিশন
২৮.নারাজী মঞ্জুর বা না-মঞ্জুর হলে?= রিভিশন
২৯.প্লিডিংস মঞ্জুর বা না - মজুর হলে?= রিভিশন।

28/10/2024

আপনার স্বামী কিংবা স্ত্রী আপনার সন্তানকে দেখা করার সুযোগ না দিয়ে আপনার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে রাখলে করনীয়:

দাম্পত্য সম্পর্ক যখন এতটাই খারাপ হয় যে বিবাহবিচ্ছেদ ছাড়া আর কোন উপায় থাকেনা তখন উভয়ের সম্মতিতে অথবা একপক্ষীয়ভাবে তালাক প্রদান করা হয়। কিন্তু সদ্য বিবাহবিচ্ছেদ প্রাপ্ত দম্পতির যদি কোনো বাচ্চা থাকে তাহলে সমস্যা আরও গুরুতর হয়। তখন বাচ্চাকে নিয়ে শুরু হয় তাদের নতুন যুদ্ধ। এ যুদ্ধ বাচ্চাকে পাওয়ার যুদ্ধ, এই যুদ্ধ স্নেহের যুদ্ধ, এ যুদ্ধ সন্তানের প্রতি ভালোবাসার যুদ্ধ।

সন্তানের প্রতি ভালোবাসার এই যুদ্ধে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে বাচ্চাকে দেখা করার সুযোগ দিতে অস্বীকার করে। এক পক্ষ বাচ্চাকে অন্য পক্ষের কাছ থেকে আড়াল করে রাখে। অনেক সময় এরকম হয় যে অপরপক্ষ বাচ্চাকে নিয়ে ঠিক কোথায় আছে সেটাও নির্ণয় করতে পারে না।
যেহেতু বাচ্চা উভয় পক্ষের সেহেতু বাচ্চাকে দেখার সুযোগ উভয়পক্ষেরই আছে সুতরাং এক পক্ষকে বঞ্চিত করে বাচ্চাকে আড়াল করে রাখার আইনি কোনো ভিত্তি নেই।

যদি এমনটি ঘটে থাকে তাহলে খুবই দ্রুত প্রতিকারের জন্য বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করা যাবে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনে রিট পিটিশন দায়ের করলে ৭-১৫ দিনের ভিতরেই বাচ্চার সাথে দেখা করা সম্ভব। এবং দেখা করার সুযোগ অবিরত ভাবে চলতে থাকবে।
এবং এই আদেশ যদি কেউ অমান্য করে তাহলে তাকে শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।

09/08/2024

প্রথমেই ড. আসিফ নজরুল স্যারের প্রতি অভিনন্দন ও শুভ কামনা কারণ প্রত্যাশিতভাবেই তিনি একটা গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। স্যার নিজেই এত বছর যাবত মিডিয়ায়, সেমিনার এবং বিভিন্ন জায়গায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন। অনেক সময় বিচার বিভাগের সংস্কার হিসেবে সুপারিশ ও করেছেন। কিন্তু স্যারের তো তখন দায়িত্ব বা ক্ষমতা যাই বলি না কেন তা ছিল না। কিন্তু এবার তিনি দায়িত্ব পেয়েছেন উনার বক্তব্য এবং সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য। আমার দৃষ্টিকোণে বিচার বিভাগের যেসব কাজ করা প্রয়োজন বলে মনে করি তাই লিখলাম। যেমন -
* সুপ্রিম কোর্টের বিচারক (বিচারপতি)নিয়োগে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন করা। এক্ষেত্রে দলীয় রাজনীতি, স্বজনপ্রীতি, জৈষ্ঠ্যতা লঙ্ঘন একেবারেই অগ্রহণযোগ্য।
* অধস্তন আদালতে বিচারক সংখ্যা বৃদ্ধি করা, পর্যাপ্ত আদালত + ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করা, আদালতসমূহে প্রয়োজনীয় স্টাফ নিয়োগ দেওয়া।
* অধস্তন আদালতের বিচারকদের বেতন বৃদ্ধি, নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া।
* অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট তৈরি করা।
* অধস্তন আদালতে বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা।
* বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনে সিজেএম, সিএমএম, উচ্চ আদালত এবং অধস্তন আদালতের আইনজীবী রাখা। ভাইবা বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য নিয়োগ দেওয়া।
* বার সমৃদ্ধ করতে বার কাউন্সিলকে সহযোগিতা করা, যাতে বার নিজেই বেঞ্চ কে শক্তিশালী করতে পারে।
* অধস্তন আদালত কে অন্যান্য সংস্থার অধীন হতে মুক্ত করা।
* বিচার বিভাগের দুর্নীতি দূরীকরণে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন বা বিচার প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এর অধীনে এনফোর্সমেন্ট সংস্থা অনুমোদন দেওয়া।

আপাতত এইগুলা মাথায় আসছে। আপনার কোন কিছু যুক্ত বা বাদ দেওয়া প্রয়োজন মনে করলে মন্তব্য করতে পারবেন। 😊

18/06/2024

আমরা সকলেই জানি যে, সংবিধানকে রক্ষা করার দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের তথা বিচার বিভাগের। Constitutional Supremacy কে বিচার বিভাগ দুই ভাবে রক্ষা করে।
১) Judicial Enforcement
২) Judicial Review
1) Judicial Enforcement: আইন বিভাগের/সরকারের কোন কাজ যদি মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে তখন আদালত যে ক্ষমতাবলে মৌলিক অধিকারকে রক্ষা করেন সেটাই হচ্ছে Judicial Enforcement.
এখানে মুখ্য বিষয় হচ্ছে মৌলিক অধিকার রক্ষা করা।
2) Judicial Review: আইন বিভাগ বা সরকার বা সরকারী কোন অঙ্গ যদি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেন, যা সংবিধানের পরিপন্থী। এটা যেকোন ধরনের কাজ। যেমন সংবিধান রাষ্ট্রের একটি Organ কে তার ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে দিয়েছে। যদি সেই Organ তার বাইরে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তবে আদালত যে ক্ষমতাবলে উক্ত কাজকে অসংবিধানিক বা অবৈধ ঘোষনা করেন তাকেই Judicial Review বলা হয়।
এখানে মুখ্য বিষয় হচ্ছে রাষ্ট্রের কোন অঙ্গ ক্ষমতার অপব্যবহার করলেই জুডিশিয়াল রিভিউ আসবে। (Ultra Vires)

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী...সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দ...
16/06/2024

শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন।
নতুন দলিল লিখতে ক্রেতা বা গ্রহিতার যে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরী...
সম্পত্তির দলিল লেখার জন্য ‘দলিল লেখক' এর কাছে দায়িত্ব দিয়েই ক্রেতার দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। কেননা পরবর্তীতে দলিলে ভুল পরিলক্ষিত হলে দলিল লেখক নয় এর মাশুল গুনতে হবে ক্রেতাকেই। তাই এতে ক্রেতার সচেতনতা আবশ্যক। সম্পত্তির দলিল লেখার ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত বিষয়ে ক্রেতার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:

১। দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন কি না, আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত কি না তা যাচাই করে নিতে হবে৷

২। দলিলের ধরন যেমন- (ক) সাফ কবলা (খ) বায়না পত্র (গ) দানপত্র (ঘ) হেবার ঘোষনাপত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে৷

৩। ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমির পরিমাণ, বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) ইত্যাদি দেখে নিতে হবে।

৪। পক্ষ পরিচয় তথ্য যেমন- দলিল গ্রহীতা/প্রথম পক্ষ, দলিল দাতা/দ্বিতীয় পক্ষ, উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি। দলিল গ্রহীতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দাতার ক্ষেত্রে আগত খতিয়ান (সর্বশেষ জরিপ/নামজারি খতিয়ান) এর সাথে মিল রেখে নাম ঠিকানা লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।

৫। স্বত্ত্বের বর্ণনা যেমন- জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ, পর্চা/খতিয়ান নম্বর ইত্যাদি৷

৬। জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগসূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে৷

৭। দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন- জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, জেএল নম্বর, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর এবং জমির শ্রেণি আগত খতিয়ানের সাথে মিল আছে কি না দেখে নিতে হবে। জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং অত্র বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্যে কত একর বা শতাংশ জমি বিক্রয় করা হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে৷ তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না৷

৮। ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কি না অর্থাত্‍ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

৯। জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কি না তা দেখতে হবে৷ এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন৷ তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়৷

১০। জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন। এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

১১। দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে৷

এছাড়াও জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে- বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়৷ এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে৷ প্রয়োজনে খতিয়ানের সইমোহর নকল সংগ্রহ করতে হবে।

যেকোনো সময় প্রয়োজন হতে পারে তাই শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রেখে দিন এবং অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন। ধন্যবাদ। ©

02/06/2024

#জুডিশিয়ারির প্রস্তুতি;
#ছানি মোকদ্দমা কি?
উত্তর. অনুপস্থিতির কারণেই কোনো মোকাদ্দমা খারিজ বা একতরফা decree হলে একই আদালত উক্ত মোকাদ্দমা পুর্নবহালের আবেদনকে ছানি মোকদ্দমা বলে। এগুলোকে মিসকেস বা miscellaneous case ও বলে।
#বাদী ও বিবাদী উভয় অনুপস্থিতির কারণে মামলা খারিজ হলে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ 9(4 ) মতে ছানি মোকাদ্দমা করতে হয়।
#বাদীর অনুপস্থিতির কারণে মামলা খারিজ হলে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ 9 অনুসারে ছানি মোকদ্দমা করতে হয়
ছানি মোকদ্দমা সিদ্ধান্ত আদেশ। পুর্নবহালের আবেদন নামঞ্জুর হলে দেওয়ানী কার্যবিধির 104 ধারার অধীনে উচ্চ আদালতে বিধীধ আপিল করতে হবে।
#ঘোষণামূলক মামলা কি?
উত্তর. কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় এবং সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারের ভিত্তিতে ঘোষণামূলক মামলা করা যায়। 1877 সালে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের 42 ধারায় বলা হয়েছে কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় এবং সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকার যদি অন্য কেউ
অস্বীকার করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করা যায়। কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করে তার আইনগত পরিচয় বা চরিত্র বা সম্পত্তিতে সত্য রক্ষা করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলা আনুষঙ্গিক প্রতিকার প্রাপ্য হলে অবশ্যই চাইতে হবে। তা নাহলে ঘোষণামূলক মামলা ব্যর্থ হয়ে যাবে।
কি?
উত্তর. দেওয়ানী কার্যবিধিতে প্রকাশ্ বা ডিসকভারি অর্থ হল এক পক্ষ অন্য পক্ষকে তার দখলে বা এখয়িয়ারে রয়েছে তা প্রকাশ করতে বাধ্য করা। দেওয়ানী কার্যবিধি ধারা 30 এবং আদেশ 11 তে ডিসকভারি এর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। প্রকাশ দুইভাবে হতে পারে
# প্রশ্ন দ্বারা কোন ঘটনা বা বিষয় প্রকাশ করা (Discovery by interrogatories),
# কোন দলিল প্রকাশ করা( discovery of documents)।
Regarding the author
Rafiqul Islam palash

28/05/2024

🕹️🎇🕹️17 BJS Written Exam: CPC-Summon

"স্ত্রী যদি মামলার বিবাদী হয় তার স্বামীর উপর সমন জারি বৈধ হবেনা যদি না সে তার স্ত্রীর স্বীকৃত এজেন্ট (recognised agent) না হয়।"

Reference: Abdur Rahman vs. Shamsunnahar Begum and Ors. 7 BLT (AD) 125

Collected by:
Nurullah Siddiki Niloy
Assistant Judge & Judicial Magistrate
Bangladesh Judicial Service (BJS)

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?➥১. পর্চা বা খতিয়ান। ➥২. দলিল। ➥৩. ম্যাপ বা নকশা।এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া ...
22/05/2024

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?
➥১. পর্চা বা খতিয়ান।
➥২. দলিল।
➥৩. ম্যাপ বা নকশা।
এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।
নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।
➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

➤জেলা ডিসি অফিস
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।
➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।
১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?
উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?
উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

সংগৃহীত পোস্ট।
#শিক্ষা_ও_তথ্য_কেন্দ্র।

21/05/2024

💥দেনমোহরের আদ্যোপান্ত💥
পারিবারিক আইন (BJS Exam Note)
মোহরানা বা দেনমোহর বা কাবিনের টাকা বা কাবিন স্বত্ব যে নামেই আমরা ডাকি না কেন, বিয়ের সময় আমরা বৈধ ভাবে অফিসিয়ালি যে আর্থিক লেনদেন করে থাকি, তাকেই মূলত দেনমোহর বলে থাকে। তবে, দেনমোহরের যথোপযুক্ত সংজ্ঞা দিতে গিয়ে ডিএফ মোল্লা বলেন, ‘মোহর বা মোহরানা হল কিছু টাকা বা অন্য কিছু সম্পত্তি যা বিয়ের প্রতিদান স্বরূপ স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রী পাওয়ার অধিকারিণী। তাছাড়া, মোহরানা হচ্ছে স্ত্রীর প্রতি সম্মানের প্রতীক’।
তাছাড়া দেনমোহরকে আরও বেশি বাধ্যতামূলক করতে এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে আদায় যোগ্য করার জন্য ২১ ডিএলআর ২১৩ তে বলা হয়েছে যে, বিয়ে রেজিস্ট্রি হোক বা না হোক স্ত্রী দেনমোহর পেতে অধিকারিণী। তবে, রেজিস্ট্রি হয়নি এমন বিয়ের বৈধতা সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি করে।
আমাদের সমাজে বিয়ের অন্যান্য বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের যখন কোন খটকা বা দ্বিমত থাকে না, ঠিক তখনি বিপত্তি সৃষ্টি হয় বিয়ের দেনমোহর নিয়ে। দেনমোহর হচ্ছে স্ত্রীর হক। স্ত্রীকে দেনমোহর প্রদান করা স্বামীর উপর ফরজ। আল্লাহ তা’আলা সূরা নিসার ৪ নাম্বার আয়াতে বলেন, “আর তোমাদের স্ত্রীদের তাদের দেনমোহর দিয়ে দাও খুশী মনে। অবশ্য স্ত্রী চাইলে দেনমোহর কিছু অংশ কিংবা অংশ ছেড়ে দিতে পারে।” স্ত্রী যদি মাফ করে দেয় বা দেনমোহর খুশী মনে ছেড়ে দেয়, তাহলে তো কোন সমস্যা নাই, কিন্তু এর জন্য স্ত্রীকে কোন ভাবে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না। আমাদের দেশে যেহেতু বিয়ের সময় পুরো দেনমোহর পরিশোধ করা লাগে না, কিছু অংশ উশুল হিসেবে দিয়ে বাকিটা বকেয়া রাখা যায়, সেহেতু কেউ যদি আবার মনে করে যে, বাকী অংশ সে পরিশোধ করবে না, তাহলে এই হাদিসটি তার জন্য, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তির কোন মেয়েকে দেনমোহর দেওয়ার ওয়াদায় বিয়ে করেছে কিন্তু দেনমোহর দেওয়ার ইচ্ছে নেই, সে কেয়ামতের দিন আল্লাহ্‌র নিকট ব্যভিচারী হিসেবে দাঁড়াতে বাধ্য হবে- মুসনাদে আহমাদ। অতএব, দেনমোহর নিয়ে কোন প্রকারের চালাকি চলবে না। তাই, স্ত্রীকে হালাল ভাবে উপভোগ করতে দেনমোহর যখন দিতেই হবে, সেহেতু কোন প্রকার প্রতারণা ছাড়াই সেটি পরিশোধ করা উচিত।
বর পক্ষ যখন দেনমোহর পরিশোধ করতে উৎসাহী তখন সেখানে ঝামেলা পাকায় কণে পক্ষের লোকজন। অতি উচ্চ মাত্রায় দেনমোহর দাবী করে বসে যা কিনা বরের সামর্থ্যের বাহিরে। তাই ধর্ম দেনমোহর নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে, কণের বোন, খালা বা ফুফুদের বিয়ের সময় নির্ধারিত দেনমোহরের পরিমাণকে বিবেচনা করা উচিত। আবার, কণের পিতার আর্থিক এবং সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতেও বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বলা বাহুল্য, আমাদের সমাজে এখন একটা কথা প্রচলিত যে, ‘মার্কেটে এখন এতো কাবিনই চলছে বা এর নীচে কেউই দেনমোহর নেয় না’ ইত্যাদি বিভিন্ন কথা বলে থাকে যেখানে নারীর সম্মান বৃদ্ধি পায়ই না বরং নারীকে পণ্যের ন্যায় তুলনা করা হচ্ছে। এসব চিন্তা বাদ দিয়ে আমাদেরকে বিয়েতে উভয়ের স্বার্থ এবং মর্যাদা বজায় রাখার চেষ্টা করা উচিত।
এবার আসুন দেনমোহর পরিশোধ নিয়ে কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর জানি। একটা প্রশ্ন অনেকেই করে থাকেন যে, স্ত্রী যদি নিজ থেকে স্বামীকে তালাক দেয়, তাহলে কি স্বামীকে দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে? উত্তর হচ্ছে, জি হ্যাঁ। দেনমোহর যেহেতু স্ত্রীর হক, সেহেতু তালাক যে পক্ষ থেকেই দেওয়া হোক না কেন, স্বামী দ্বারা স্ত্রীকে স্ত্রীর প্রাপ্য হক আদায় করতে হবে। অর্থাৎ, স্ত্রী তালাক দিলে স্বামীকে আর দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতে হবে না বলে আমাদের সমাজে যে ভ্রান্ত ধারনা রয়েছে, তা ভুল, অসত্য, অবান্তর। মনে রাখতে হবে, দেনমোহর হচ্ছে স্ত্রীর অধিকার যা কিনা পরিশোধ করার পূর্ব পর্যন্ত তা স্বামীর জন্য ঋণ।
আরেকটি বিষয় নিয়ে আমাদের মাঝে বিতর্ক রয়েছে যে, বিয়ে হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে বা সন্তান জন্ম দেওয়ার আগে তালাক বা বিচ্ছেদ বা স্বামী মারা গেলে স্ত্রী কি স্বামীর কাছ থেকে দেনমোহরের পুরো টাকা দাবি করতে পারবেন কিনা?– বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে পুরো দেনমোহরের টাকা পাওয়ার জন্য পূর্ণ হকদার। তবে, আরও স্পষ্ট করে বললে বলবো, যদি স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের পর সহবাস তথা শারীরিক সম্পর্ক সম্পন্ন হয়, তাহলেই স্বামী তার স্ত্রীকে দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করতেই হবে। কেননা আইনানুসারে, বিয়ের পর স্বামী স্ত্রীর মাঝে সহবাস সম্পন্ন হওয়ার আগেই যদি তালাক বা বিচ্ছেদ বা স্বামী মারা যায়, তবে স্বামীকে দেনমোহরের পুরো টাকা পরিশোধ করতে হবে না। সেক্ষেত্রে স্বামীকে কেবল দেনমোহরের অর্ধেক টাকা পরিশোধ করতে হবে।
এবার আসুন দেনমোহর পরিশোধের প্রক্রিয়া সম্বন্ধে জানি। বিবাহ বলবত থাকাবস্থায় যেকোনো সময় যেমন দেনমোহর আদায় করা যাবে, তেমনি বিবাহ বিচ্ছেদ বা স্বামীর মৃত্যুর পরও দেনমোহর আদায় করা যায়। এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় এবং প্রচলিত হচ্ছে, বিবাহ বিচ্ছেদের পর দেনমোহর আদায় প্রক্রিয়া। এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হচ্ছে, ঘরোয়া পরিবেশে উভয় পক্ষ বসে দেনমোহরের টাকার পরিমাণ অপরিবর্তিত রেখে বা নিজেদের মাঝে সমঝোতার ভিত্তিতে নির্ধারণ করে এককালীন বা কয়েক দাপে পরিশোধ করতে পারবে। আর যদি ঘরোয়া পরিবেশে সমঝোতা না হয় তবে আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে। সেক্ষেত্রে, দেনমোহরের মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে স্ত্রী কিন্তু ভালো সময় পাবেন। স্বামী স্ত্রীর মাঝে তালাক হওয়ার দিন থেকে বা স্বামীর মৃত্যুর ৩ বছরের মধ্যে পারিবারিক আদালতে দেনমোহর আদায়ের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে। অনেকেই মনে করেন যে, স্বামী মারা গেলে তার কাছ থেকে কিভাবে দেনমোহরের টাকা আদায় করবে? আরে ভাই, আপনি যদি কারো কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মারা যান, তাহলে আপনার সাথে সাথে আপনার ঋণের চ্যাপ্টারও কি ক্লোজ হয়ে যাবে? বা আরও সহজ করে ভাবুন, আপনি একটা লোকের কাছে টাকা পাবেন, সেই লোক টাকা পরিশোধ করার আগেই মারা গেছে, আপনি কি ঐ টাকা আদায় করতে তার পরিবার তথা উত্তরাধিকারের কাছে যাবেন না? ঠিক তেমনি, স্বামী দেনমোহরের টাকা পরিশোধ না করে মৃত্যুবরণ করলে, স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে বা তার উত্তরাধিকারদের এটা পরিশোধ করতেই হবে। অনেক সময় যখন স্বামীর উত্তরাধিকার বলতে কোন সন্তান না থাকে, তখন স্বামীর ভাই বোন বাবা মা উত্তরাধিকার হয়ে থাকে। তারা যদি মৃত ব্যক্তির ঋণ বা স্ত্রীর দেনমোহরের হক পরিশোধ না করে তবে স্ত্রী চাইলে উত্তরাধিকারদের বিরুদ্ধেও মামলা করতে পারবে। একই ভাবে যদি স্ত্রীর মারা যায় দেনমোহরের হক আদায় না করে, তবে স্ত্রীর উত্তরাধিকাররাও মামলা করে দেনমোহরের হক আদায় করে নিতে পারবে। কারণ, দাতা বা গ্রহীতার মৃত্যুতে এই ঋণ বিলুপ্ত হবে না; একমাত্র স্ত্রী কর্তৃক না-দাবী বা মাফ করে দেওয়ার ব্যতীত।
সবশেষে বলতে চাই, আমাদের সমাজে এখন বিয়ে হয়ে গেছে কঠিন, যার ফলে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তথা ব্যভিচার হয়ে গেছে সহজ। অথচ, হওয়ার কথা ছিল উল্টো। অর্থাৎ, বিয়ে হওয়ার কথা ছিল সহজ, তখন ব্যভিচার, পরকীয়া, লিভ টুগেদার এসব হয়ে যেত কঠিন। আসুন বিয়েকে সহজ করি এবং সমাজে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার চেষ্টা করি।

11/05/2024

: হাজবেন্ড যখন চেয়ারম্যান কে ডিভোর্স নোটিশ পাঠায়,চেয়ারম্যান নোটিশ হাতে পাওয়ার ৯০ দিন অতিক্রান্ত হলে তখন ডিভোর্সটা কার্যকর হয়। ★এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ৯০ দিনের ইদ্দতকালীন সময় হাসবেন্ড ওয়াইফের Marital Status কি থাকে? তাদের বিয়েটা কি বলবত থাকে নাকি ভেঙে যায়?

: যতক্ষণ পর্যন্ত না ডিভোর্সটা কার্যকর হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক বলবত আছে বলে আইন ধরে নেয় অর্থাৎ ৯০ দিনের এই ইদ্দতকালীন সময় স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক বলবৎ থাকে।
★The parties in law will continue to remain husband and wife in till divorce is confirmed. [46 DLR 700]

Author:
Rafiqul Islam palash

06/05/2024

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ এর ৮ ধারা অনুযায়ী
যদি কোন ব্যাক্তি নারী বা শিশুর নগ্ন ছবি, ভিডিও ইত্যাদি নিজের কাছে রাখেন বা তা কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে বা মেসেন্জারের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন তাহলে তিনি এই ধারা মোতাবেক শাস্তি পাবেন:

(১) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফি উৎপাদন করিলে বা উৎপাদন করিবার জন্য অংশগ্রহণকারী সংগ্রহ করিয়া চুক্তিপত্র করিলে অথবা কোন নারী, পুরুষ বা শিশুকে অংশগ্রহণ করিতে বাধ্য করিলে অথবা কোন নারী, পুরুষ বা শিশুকে কোন প্রলোভনে অংশগ্রহণ করাইয়া তাহার জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে স্থির চিত্র, ভিডিও চিত্র বা চলচ্চিত্র ধারণ করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করিলে বা ভয়ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

02/05/2024

#হেবা_দলিলের_বিস্তারিত_শর্ত_খরচ_ও_বাতিল_করার_নিয়ম
আসুন প্রথমেই জানি, হেবা দলিল কি? হেবা দলিলের শর্ত কি কি? কে কাকে সম্পত্তি হেবা করে দিতে পারবে? এবং খরচ কত এগুলো জানি।

বাংলায় ‘দান’, ইংরেজিতে ‘Gift’ এবং আরবিতে ‘হেবা’ কিছুটা সমার্থক শব্দ হলেও এদের মধ্যে কিছু পার্থক্য রয়েছে। কারণ দান বা Gift যে কাউকে করা গেলেও ‘হেবা’ শুধুমাত্র নিকটাত্মীয় কে করা যায় এবং এর রেজিষ্ট্রেশন খরচ মাত্র ১০০ টাকা। দূরবর্তী আত্নীয় কে কোন সম্পত্তি হেবা করা যায় না এবং দূরবর্তী আত্নীয়কে সম্পত্তি দানে রেজিষ্ট্রেশন খরচ সম্পত্তি মূল্যের উপর ৮%।

অন্য ভাবে বলা যায়, স্বেচ্ছায়, সুস্থ মস্তিষ্কে এবং কোন প্রতিদান ছাড়ায় কোন সম্পত্তি নিকটাত্মীয় কে দান করায় হলো হেবা।

হেবা হতে হলে ৩ টি প্রধান শর্ত রয়েছে। শর্তগুলো নিম্নরূপঃ

ঘোষণার মাধ্যমে হতে হবে। তবে এই ঘোষণা যেমন নিজেও দিতে পারবেন তেমনি Power of Attorney নিয়োগ করেও দিতে পারবেন।

যার বরাবর হেবা করছেন তাকে উক্ত হেবা টি গ্রহণ করতে হবে।

Delivery of the possession অর্থাৎ হেবাকৃত সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দিতে হবে।
উপরোক্ত ৩ টি শর্ত ছাড়া হেবা হয় না।

এবার আসুন কে কাকে হেবা করতে পারবে?
✍️আপনি আপনার পূর্ব পুরুষ (১ম প্রজন্ম) যেমন বাবা মায়ের নামে হেবা করতে পারবেন।
✍️আপনি আপনার পরবর্তী ১ প্রজন্ম যেমন ছেলে মেয়ের নামে হেবা করতে পারবেন।
✍️আপনার পূর্ববর্তী ২য় প্রজন্ম পুরুষ যেমন দাদা দাদী, নানা নানির নামে হেবা করতে পারবেন।
✍️আপনি আপনার পরবর্তী ২য় প্রজন্ম পুরুষ যেমন ছেলে বা মেয়ের ঘরে নাতি নাতনির নামে হেবা করতে পারবেন।
✍️স্বামী-স্ত্রী, ভাই-বোন একে অপরের নামে হেবা করতে পারবেন।
মোট ১৪-১৫ শ্রেণীর মানুষকে হেবা করা যায়।

হেবার খরচ কত?
হেবার সরকারি খরচ খুবই কম মাত্র ১০০ টাকা। অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ সহ মোট খরচ ১০০০ থেকে ১২০০ এর মধ্যে।

এবার আসুন জানি, হেবা দলিল বাতিল করা যায় কি না? আর করা গেলে তার পদ্ধতি কি?

বাংলাদেশের রেজিষ্ট্রেশন আইন অনুযায়ী, কোন দলিল রেজিষ্ট্রেশন করার সময় যদি যথাযথ বৈধ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তবে কোন দলিলই বাতিল করা যায় না তা হেবা দলিল হোক, সাব কওলা দলিল হোক আর অন্য যেকোন দলিলই হোক।

তবে, কোর্টে মামলা দায়ের করে এবং মামলার ডিক্রি নিয়ে হেবা দলিল বাতিল করা যাবে।

Address

থানা রোড
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv.Rafiqul Islam palash posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share