One Stop Legal Service Bangladesh

One Stop Legal Service Bangladesh যেকোন আইনি সহযোগিতা প্রদান করা হয়

রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল ১ মাস।
01/12/2022

রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় বাড়ল ১ মাস।

যে কোন আইনগত কাজে সাহায্য প্রদান করায় আমাদের লক্ষ্য।

04/08/2020

আপনার ব্যবসায় শুরু করতে কি কি লাগবে?
১. সুন্দর একটি নাম
২. লিঃ কোম্পানি / একক মালিকানা / পাটনারশীপ
৩. অফিস ঠিকানা
৪. ট্রেড লাইসেন্স
৫. TIN সাটর্ফিকেট
৬. Vat সাটর্ফিকেট
৭. ট্রেড মার্ক
৮. মেম্বার শীপ ( যদি লাগে)
৯. IRC/ ERC ( যদি লাগে)

04/08/2020

আমাদের কাজ, যারা ব্যবসার বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে যেমন ধরুন কোম্পানি রেজিষ্ট্রেশন, ট্রেডমার্ক, ইনকাম ট্যাক্স ফাইল জমা ইত্যাদি ইত্যাদি
👥 Company & Partnership Firms Registration.
👥 Helps to Get Share Transfer, IRC/ ERC, BOI, Trade Mark, Income Tax Matters.
এছাড়াও আয়কর (ব্যক্তি ও কোম্পানি) রিলেটেড যে সকল সেবা আমরা প্রদান করে থাকি।
🔲 ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ও জমাদান।
🔲 ট্যাক্স এ্যাসেসমেন্ট ও টেক্স শুনানি।
🔲 ট্যাক্স আপিল ও ট্রাইবুনাল আপিল।
🔲 কোম্পানি করদাতা ট্যাক্স বেইজ হিসাব তৈরি করা।
🔲 ব্যক্তি/কোম্পানি করদাতা কর পরিকল্পনা তৈরি।
🔲 ট্যাক্স সার্টিফিকেট ও সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করা।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ধার্যকৃত ট্রেড লাইসেন্স এর জরিমানা মওকুফ করেছেন । ( যারা ২০১৯-২০২০ অর্থ বছ...
09/07/2020

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের ধার্যকৃত ট্রেড লাইসেন্স এর জরিমানা মওকুফ করেছেন । ( যারা ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে ট্রেড লাইসেন্স হালনাগাদ করেনি তাদের জন্য প্রযোজ্য ) ।

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার  প্রক্রিয়াপ্রথমধাপ: ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে লগইন করে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে যুক্ত হতে হবে।দ্বিতীয় ...
28/06/2020

ই-ক্যাবের সদস্য হওয়ার প্রক্রিয়া

প্রথমধাপ:

ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে লগইন করে ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে যুক্ত হতে হবে।

দ্বিতীয় ধাপ:

ই-ক্যাবের ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট দিয়ে ফরমপূরন করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ:

সবতথ্য ঠিক থাকলে আপনার আবেদন গৃহিত হবে। এবং আপনার কাছে ই-মেইল আসবে।

চতুর্থ ধাপ:

ইউজার নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আপনার মেম্বার প্রোফাইলে গিয়ে অনলাইন থেকে পেমেন্ট করে দিতে হবে।

পঞ্চম ধাপ:

দিলেই আপনি পেয়ে যাবেন মেম্বাশিপ নাম্বার ও মেম্বারশিপ সার্টিফিকেট।

ই-ক্যাবের সদস্য হতে যেসব দলিলপত্র লাগে

১. প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স

২. মালিক বা প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র

৩. টিআইএন সার্টিফিকেট

৪. মালিক ও প্রতিনিধির ছবি

৫. ঠিকানা প্রমানের জন্য ইউটিলিটি বিলের কপি।

৬. মালিক ও প্রতিনিধির স্বাক্ষরের অনুলিপি

৭. কোম্পানীর লোগো

৮. অফিসের ছবি

মেম্বাশিপ ফি: ৫২০০ টাকা।

বার্ষিক রিনিউ ফি; ২২০০ টাকা

অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন - প্রোপ্রাইটরশীপ ব্যবসায়আপনি অনলাইনে নতুন ভ্যাট নিবন্ধন নিতে বা বর্তমানে চালু ব্যবসার জন্য পুনঃনিব...
15/06/2020

অনলাইনে ভ্যাট নিবন্ধন - প্রোপ্রাইটরশীপ ব্যবসায়

আপনি অনলাইনে নতুন ভ্যাট নিবন্ধন নিতে বা বর্তমানে চালু ব্যবসার জন্য পুনঃনিবন্ধন গ্রহণ করতে চাচ্ছেন? তাহলে আপনি নিচের বিষয়গুলো মনে রাখুন এবং মেনে আবেদন করুন, তাৎক্ষণিকভাবে নিবন্ধন পেয়ে যাবেন।

১। www.vat.gov.bd ওয়েবসাইটে যান।

২। প্রথমে Sign-Up করুন। সাইন-আপ হলো ভ্যাট অনলাইন সিস্টেমের সাথে আপনার পরিচিতি তৈরি করা। একটি একাউন্টি তৈরি করা। এ একাউন্ট দিয়ে ভ্যাট নিবন্ধন, দাখিলপত্র পেশসহ সব কাজ করা হবে। এখানে আপনি সিস্টেমে প্রবেশের জন্য User ID এবং Password পাবেন।
সাইন-আপের সময় একটি বিষয় খেয়াল রাখবেন: একটি প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন গ্রহণের জন্য Register as Taxpayer (Headquarter) নির্বাচন করবেন। কেন্দ্রীয় নিবন্ধনের আওতায় শাখা নিবন্ধন নেয়ার পর সেই শাখার কাজ করার সময় Register as Taxpayer (Branch) নির্বাচন করে সাইন-আপ করতে হবে। অপর দিকে কোনো স্টাফকে কাজ করার দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে Register as Taxpayer’s Employee হিসাবে সাইন-আপ করতে হবে।

৩। সাইন-আপ ফরমে ডাটা প্রদানের করার পর Check বাটন চাপুন। কোনো ভুল থাকলে নির্দেশনা অনুসরণ করে সংশোধন করে Submit বাটন চেপে Submit করুন।

৪। ইমেইল পাবেন। ইমেইলের নির্দেশনা অনুসরণ করে www.vat.gov.bd ওয়েবসাইটে যেয়ে লগইন করুন। প্রথম লগইন এর সময় নির্দেশনা অনুযায়ী পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে নিন।

৫। ভ্যাট নিবন্ধনের জন্য Forms হতে Mushak-2.1 Form নির্বাচন করুন।

৬। লক্ষ্য করুন, মূসক-২.১ ফরমের প্রথম ঘরে আপনার টিআইএন এবং দ্বিতীয় ঘরে টিআইএন সনদে বিদ্যমান আপনার নাম দেখাচ্ছে। এ নামটি আপনার নিজের নাম। এবার মূসক-২.১ ফরমে অন্যান্য তথ্য দিন এবং ক্রমিক ৩ এর পদ্ধতিতে প্রথমে Check বাটন চাপুন। কোনো ভুল থাকলে নির্দেশনা অনুসরণ করে সংশোধন করে Submit বাটন চেপে Submit করুন।

৭। নির্দেশনা অনুসরণ করুন। আপনার নিজের নামে ৯ ডিজিটের একটি Business Identification Number (BIN) সংবলিত মূসক-২.৩ ফরমে একটি সনদ তৈরি হয়ে গেল। এটি আপনার ই-মেইলেও যাবে। আপনার নিজের নামে তৈরিকৃত এই Business Identification Number (BIN) টি মাস্টার বিআইএন হিসেবে বিবেচিত। এ বিআইএন এর জন্য আপনাকে কোনো কর প্রদান বা দাখিলপত্র পেশ করতে হবে না।

৮। এবার আপনার ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের নামে একটি বিআইএন গ্রহণের জন্য মূসক-২.২ ফরম পূরণ করুন। এখানে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম লিখুন। এই নামে আপনার নতুন শাখা বিআইএন ও সনদ তৈরি হবে। এ নামে আপনাকে কর প্রদান করতে হবে, হিসাব রাখতে হবে এবং দাখিলপত্র পেশ করতে হবে।

৯। আপনার যদি একাধিক নামে একাধিক ব্যবসায় থাকে তাহলে প্রতিটির জন্য একটি করে মূসক-২.২ পূরণ করে একই নিয়মে সেগুলোর জন্য আলাদা বিআইএন নিন। সবগুলোর জন্যই কর দিতে হবে এবং দাাখিলপত্র পেশ করতে হবে।

১০। ব্রাঞ্চের জন্য আলাদা লোককে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে Register as Taxpayer (Branch) হিসাবে সাইন-আপ করা একজনকে সে দায়িত্ব দিন। কোনো শাখার জন্য কোনো স্টাফকে কাজ করার দায়িত্ব প্রদানের ক্ষেত্রে Register as Taxpayer’s Employee হিসাবে সাইন-আপ করা কোনো স্টাফকে দায়িত্ব দিন।

১১। উদাহরণ: ধরা যাক মি. হাসানের ২টি প্রোপ্রাইটরশীপ ব্যবসা আছে, যথা: (ক) মাসুমা ট্রেডার্স এবং (খ) সোনার বাংলা ট্রাভেলস। তিনি তার নিজের টিআইএন ব্যবহার করে সাইন-আপ করবেন এবং প্রথমে মূসক-২.১ ফরম পূরণ করে মি. হাসান নামে একটি নিবন্ধন নিবেন। এটি মাস্টার বিআইএন। অতপর মূসক-২.২ ব্যবহার করে মাসুমা ট্রেডার্স নামে একটি এবং সোনার বাংলা ট্রাভেলস নামে আরেকটি বিআইএন নিবেন। তার বিআইএন ৩টি হলেও ব্যবসায় ২টি। কর প্রদান করতে হবে ২টির এবং দাখিলপত্রও পেশ করতে হবে ২টির। নিজের নামেরটির জন্য কিছু করতে হবে না।

১২। টিআইএন এর সাথে বিআইএন সমন্বয় করার জন্য এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

e-Tin প্রাপ্তির নিয়মকরদাতা হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন করদাতা হিসাবে (e...
12/06/2020

e-Tin প্রাপ্তির নিয়ম

করদাতা হিসাবে রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজতর করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ই-টিআইএন করদাতা হিসাবে (e-TIN) রেজিষ্ট্রেশন পদ্ধতি প্রবর্তন করেছে। এ পদ্ধতিতে কয়েকটি সহজ ধাপ পেরোনেরার মাধ্যমে আপনি পেতে পারিন ১২ ডিজিটের একটি নতুন টিআইএন। বর্তমানে যাদের টিআইএন আছে, তাঁদেরকেও নতুন পদ্টধতির টিআইএন এর জন্য রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এক্ষেত্রে জাতীয় চরিচয়পত্র, মোবাইল ফোন নম্বর ও কোম্পানীর ক্ষেত্রে RJSC এর নিবন্ধন নম্বর প্রয়োজন হয়।

নতুন পদ্ধতিতে টিআইএন রেজিস্ট্রেশন ও রি-রেজিস্ট্রেশনের শুরুতে প্রত্যেককে প্রথমে অ্যাকাউন্ট তৈরী করতে হবে। অ্যাকাউন্ট তৈরীর নিয়ম নিম্নরূপঃ

www.incometax.gov.bd ওয়েবসাইটটে প্রবেশ করুন।
• হোমপজের Register বাটনে ক্লিক করলে ‘রেজিস্ট্রেশন’ ফরম ওপেন হবে। ফরমের নির্ধারিত শুন্যস্থানগুলো পূরণ শেষে Register বাটনে ক্লিক করুন।
• ফরমে প্রদানকৃত আপনার মুঠোফোন নম্বরে তাৎক্ষনিকভাবে একটি কোর্ড পৌছে যাবে। পর্দায় প্রদর্শিত ডায়ালগ বক্সে মুঠোফোনে প্রেরণকৃত কোডটি প্রদান করুন। এরপর Register বাটনে ক্লিক করলেই পর্দায় দেখতে পাবেন।“Welcome to Taxpayer’s Identification Number (TIN) Registration/Re- Registration”

বাংলাদেশী নাগরিকের জন্য টিআইএন রেজিস্ট্রেশন ও রি-রেজিষ্ট্রেশনের নিয়মঃ

• TIN Application মেন্যুতে ক্লিক করুন। এবার Registration/Re- Registration ফরমে প্রদর্শিত শূন্যস্থান পূরণ করে Go to Next চাপুন।নূতন করদাতাগণ Registration বাটনে এবং পুরাতন করদাতাগণ যাদের TIN নম্বর আছে তারা Re- Registration বাটনে ক্লিক করতে হবে।
• Basic Information ফরমে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করুন এবং Go to Next বাটনে ক্লিক করুন।
• Final preview তে ফরমে প্রদর্শিত আপনার দেয়া তথ্যগুলো সঠিক আছে কিনা , তা শেষবারের মতো যাচাই করুন । সবকিছু ঠিক থাকলে, Final preview এর একেবারে নীচে চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিন।
• এরপর Submit Application বাটনে ক্লিক করলেই রেজিস্ট্রেশন/রি-রেজিস্ট্রেশনকারী নতুন ১২ ডিজিটের টিআইএন। তবে প্রাপ্তবয়স্ক ও অপাপ্তবয়স্ক আবেদনকারী , যার জাতীয় পরিচিতি নম্বর নেই এবং যিনি পাসপোর্টের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন/রি-রেজিস্ট্রেশন করতে চান, তিনি একটি Ticket পাবেন। Ticket প্রিন্ট করে তাতে উল্লিখিত নিয়ম অনুসরন করে টিকেটে উল্লেখিত আয়কর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে।
লিমিটেড কোম্পানীসহ রেজিষ্টার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানীজ এন্ড ফার্মস ( RJSC) এ রেজিষ্ট্রেশনকৃত এবং অ-রেজিস্ট্রেশনকৃত ফার্মের ক্ষেত্রে টিআইএন রেজিষ্ট্রেশন ও রি-রেজিষ্ট্রেশনের নিয়মঃ

• RJSC তে নিবন্ধিত কোম্পানী/ফার্ম এর টিআইএন রেজিষ্ট্রেশনের জন্য করদাতা প্রতিষ্ঠানের নাম, পদবী, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা এবং ফার্মের প্রত্যেক অংশীদারের নবপ্রবর্তিত ১২ ডিজিটের টিআইএন।
• RJSC তে রেজিষ্ট্রেশনকৃত নং এরূপ ফার্মের টিআইএন রেজিষ্ট্রেশনের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম, পদবী, মোবাইল নম্বর ফ্যাক্স ও ই-মেইল ঠিকানা এবং ফার্মের প্রত্যেক অংশীদারের নবপ্রবর্তিত ১২ ডিজিটের টিআইএন।
• Final preview তে ফরমে প্রদর্শিত আপনার দেয়া তথ্যগুলো সঠিক আছে কিনা , তা শেষবারের মতো যাচাই করুন । সবকিছু ঠিক থাকলে, Final preview এর একেবারে নীচে চেক বক্সে টিক চিহ্ন দিন।
• সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে আবেদনকারী কোম্পানী/ফার্ম নতুন টিআইন সম্বলিত সার্টিফিকেট পাবেন।
অধিকতর তথ্যের জন্য ওয়েবসাইট www.nbr-bd.org.bd ব্যবহার করুন।

 #ট্রড_লাইসেন্স পৃথিবীর প্রত্যেকটি স্বীকৃত কাজের জন্য অনুমতির প্রয়োজন হয়।এ সকল অনুমোদন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ক...
12/06/2020

#ট্রড_লাইসেন্স
পৃথিবীর প্রত্যেকটি স্বীকৃত কাজের জন্য অনুমতির প্রয়োজন হয়।এ সকল অনুমোদন বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনুমতি নেয়া হয়।

ব্যবসায় কাজের প্রথম ধাপ হলো ট্রেড লাইসেন্স।ট্রেড লাইসেন্স এর অনুমোদন রাষ্ট্রের থেকে নেয়ে হয়। ট্রেড লাইসেন্স করার নিয়মাবলী না জানার কারণে প্রায়শঃ সকলকে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই কিভাবে এটি করতে হয় এবং ট্রেড লাইসেন্স কি?

এ সম্পর্কে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে জেনে নিন বেশ কিছু তথ্যঃ-

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স কি এবং কেন প্রয়োজন (What is Trade License and why it is required)?

উত্তরঃ সিটি কর্পোরেশন কর বিধান – ১৯৮৩ এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ট্রেড লাইসেন্সের সুচনা ঘটে। এই লাইসেন্স উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে প্রদান করা হয়ে থাকে। ব্যবসার প্রথম এবং অবিচ্ছেদ্য একটি ডকুমেন্ট হচ্ছে ট্রেড লাইসেন্স (Trade Licence)। আমাদের দেশে এমন অনেক সফল উদ্যোক্তা/ব্যবসায়ী আছেন যারা ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা করছেন কিন্তু এটা সম্পুর্ণ অবৈধ এবং আইন বিরোধী।

Trade মানে হচ্ছে ব্যবসা আর Licence মানে হচ্ছে অনুমতি অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স মানে হচ্ছে ব্যবসার অনুমতিপত্র। এই ট্রেড লাইসেন্স বাংলাদেশ সরকার সিটি কর্পোরেশন কর বিধান– ১৯৮৩ (City Corporation Taxation Rules, 1983) এর অধিনে ইস্যু করে থাকে। যেহেতু এই ট্রেড লাইসেন্স সরকারী প্রতিষ্ঠান হতে ইস্যু করা হয় তাই আপনার ব্যবসার বৈধতার প্রতীক হচ্ছে এই ট্রেড লাইসেন্স।

প্রশ্নঃ কোন জায়গা/প্রতিষ্ঠান থেকে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় (Places / Institutions to get Trade Licenses)?

উত্তরঃ ক) সিটি করর্পোরেশন, খ) পৌরসভা, গ) ইউনিয়ন পরিষদ এর যেকোন এক স্থান থেকে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ কিভাবে ট্রেড লাইসেন্স করতে হয় (How to do Trade License)?

উত্তরঃ নির্ধারিত আবেদন ফর্মে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়। উদ্যোক্তার আবেদনের ভিত্তিতে এই লাইসেন্স প্রদান করা হয়ে থাকে। আবেদন ফরম এর সাথে উদ্যোক্তাকে কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হয়। ব্যবসার ধরনের উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য আবেদন এবং প্রয়োজনীয়কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স করতে কী কী কাগজপত্র জমা দিতে হয়?

উত্তরঃ প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স করতে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হয় তার তালিকাঃ

ক) সাধারণ ব্যবসার ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (General Business License)
১. নির্দিষ্ট আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে।
২. ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর স্থান ব্যক্তিগত হলে সিটি কর্পোরেশনের হালনাগাদ হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ, নিজের দোকান হলে ইউটিলিটি বিল এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাড়ায় হলে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে ভাড়ার চুক্তিপত্রে সত্যায়িত ফটোকপি।
৩. আবেদনকারীর ৩ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৪. ব্যবসা যদি যৌথভাবে পরিচালিত হয় তাহলে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে পার্টনার শিপের অঙ্গীকারনামা/শর্তাবলী জমা দিতে হবে।

খ) ফ্যাক্টরির ট্রেড লাইসেন্স এর ক্ষেত্রে (in case of a Factories)
১) পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের কপি।
২) প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পার্শ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার বিবরণসহ নকশা/লোকেশন ম্যাপ।
৩) প্রস্তাবিত ফ্যাক্টরি/কারখানার পাশ্ববর্তী অবস্থান/স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামা।
৪) ফায়ার সার্ভিস এর ছাড়পত্র।

গ) সি.এন.জি ষ্টেশন/দাহ্য পদার্থ ব্যবসার ক্ষেত্রে (CNG Station / Combustible Materials Business) বিস্ফোরক অধিদপ্তর/ ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র/অনুমতিপত্র।

ঘ) ক্লিনিক/প্রাইভেটহাসপাতালএর ক্ষেত্রে (in case of Clinic / Private Hospitals)
ডিরেক্টর জেনারেল – স্বাস্থ্য, কর্তৃক অনুমতিপত্র।

ঙ) লিমিটেড কোম্পানির ক্ষেত্রে (In Case of Limited Company) কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেল অথবা সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন।

চ) প্রিন্টিং প্রেস এবং আবাসিক হোটেল এর ক্ষেত্রে (in case of Printing Press and Residential Hotel) ডেপুটি কমিশনার, কর্তৃক অনুমতিপত্র।

ছ) রিক্রুটিং এজেন্সির ক্ষেত্রে (In case of Recruiting Agencies) মানব সম্পদ রপ্তানী ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স।

জ) অস্ত্র ও গোলাবারুদ এর ক্ষেত্রে (In case of Weapons and Ammunition)
অস্ত্রের লাইসেন্স।

ঝ) ঔষধ ও মাদকদ্রব্যের ক্ষেত্রে (In case of Medicines and Drugs Case) ড্রাগ লাইসেন্স এর কপি।

ট) ট্রাভেলিং এজেন্সির ক্ষেত্রে (In case of Travel Agencies) সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অনুমতি।

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স করতে কতো টাকা (ফি) লাগে (How do you need money (fees) for Trade License )?

উত্তরঃ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় এর স্থানীয় সরকার বিভাগ, পৌর- ১ শাখা হতে বিশেষ প্রজ্ঞাপন এর মাধ্যমে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারণ করা হয়। ব্যবসার ধরণ এর উপর ভিত্তি করে ট্রেড লাইসেন্স এর ফি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে তথ্য জানা যাবে।

প্রশ্নঃ কারা ট্রেড লাইসেন্স করতে পারবেন (Who can get the Trade License)?

উত্তরঃ নারী, পুরুষ উভয়ই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে তবে অবশ্যই তাকে কোন না কোন ব্যবসার সাথে জড়িত থাকতে হবে। বয়স ১৮ বছর এর উপরে হতে হবে।

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যবসায় ব্যবহার করা যায় (Does a Trade License allow to use for multiple business)?

উত্তরঃ না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একটি ব্যবসার জন্যই প্রযোজ্য অর্থাৎ যে ব্যবসা পরিচালনার জন্য ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয় শুধু সেই ব্যবসা পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা যাবে অন্য কোন ধরনের ব্যবসার জন্য ব্যবহার করা যাবে না। নতুন কোন ব্যবসা শুরু করলে তার জন্য নতুন ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে।

প্রশ্নঃ একটি ট্রেড লাইসেন্স কি একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারবেন (Would a license allow to use more than one person)?

উত্তরঃ না একটি ট্রেড লাইসেন্স শুধু মাত্র একজন ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তা ব্যবহার করতে পারবেন অর্থাৎ যে ব্যবসায়ী/উদ্যোক্তার নামে ট্রেড লাইসেন্সটি করা হয়েছে এটি শুধু তার জন্যই প্রযোজ্য। এটা কোনভাবেই হস্তান্তর যোগ্য নয়।

প্রশ্নঃ ট্রেড লাইসেন্স কিভাবে এবং কোথা থেকে নবায়ন করতে হয় (How and Where from to renew license)?

উত্তরঃ যে অফিস থেকে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়, সেখান থেকেই ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হয়। ট্রেড লাইসেন্স সাধারণত ১ বছরের জন্য ইস্যু করা হয়। প্রতি বছর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়। পুরানো ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে নতুন করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়।
আমি প্রথমমেই ব্যবসা শুরুতে ট্রেড লাইসেন্স করা কে বেশি জোর দিয়েছিলাম কারণ আমি মোহাম্মাদপুর এর মেইল রোড এ দুটো প্রতিষ্ঠান চালাবো। তাই কোন রকম হয়রানি মুলক ঘটনা যেন না ঘটে তাই।
পরবর্তি তে ইনভয়েজ, ব্যাংকের ডোকমেন্ট,টিন সার্টিফিকেট নিয়ে আলোচনা করবো।

কিভাবে ই- কমার্স ব্যবসায়ের ট্রেড লাইসেন্স করবেনঃ ট্রেড লাইসেন্স হল যেকোনো ব্যবসায়ের জন্য প্রথম অনুমোদন, সেটা ই কমার্স হো...
06/06/2020

কিভাবে ই- কমার্স ব্যবসায়ের ট্রেড লাইসেন্স করবেনঃ

ট্রেড লাইসেন্স হল যেকোনো ব্যবসায়ের জন্য প্রথম অনুমোদন, সেটা ই কমার্স হোক বা অন্য কোন ব্যবসা। তার মানে হল, আপনি যদি এটাকে ব্যবসা মনে করেন বা ব্যবসা হিসেবে নিতে চান, তাহলে অবশ্যই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে। এটা কিন্তু খুব কঠিন কোন কাজ নয়। প্রথমে আপনাকে আপনার ব্যবসায়ের স্থানটি কোন সিটি কর্পোরেশনের কোন অঞ্চলে পড়েছে, তা নির্ধারণ করতে হবে। তারপরে, সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন করবেন। এখন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করে, চলে যান আপনার নির্ধারিত সিটি কর্পোরেশন অফিসে। লাইসেন্স ফি সিটি কর্পোরেশন ২০১৬ গেজেট দ্বারা নির্ধারিত হবে।

ই কমার্স ব্যবসায় ট্রেড লাইসেন্স করার সময় অনেকেই লাইসেন্সের ক্যাটাগরি নির্বাচনে ভুল করেন। লাইসেন্স করার পূর্বে, আপনার পছন্দের ক্যাটাগরি গেজেটে আছে কিনা, তা নিশ্চিত করে নিন।

অনলাইন বা ই কমার্স ব্যবসায় ট্রেড লাইসেন্সের ক্যাটাগরি হবে "আইটি ব্যবসা" এবং ক্যাটাগরি তালিকায় এর ক্রমিক নাম্বার ২৫৩।

আইনি বৈধতার বাইরে ট্রেড লাইসেন্স আর কি কি কাজে লাগে?

একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নানা কাজে লাগে এই লাইসেন্স। যেমন-

ব্যাংক ঋণ নিতে।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব খুলতে। মনে রাখবেন ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব দিয়ে আপনি ব্যবসায়িক লেনদেন করতে পারবেন না।
ব্যবসা সংক্রান্ত কাজে ব্যবসায়ীর বিদেশে যেতে হলে।
কোনো ব্যবসায়িক এসোসিয়েশন এর সদস্য হতে হলে।
এছাড়া ভ্যাট ও টিন এর জন্যও ট্রেড লাইসেন্স অপরিহার্য।

ট্রেড লাইসেন্স করতে কি কি লাগে ?

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্থানটি নিজের হলে সিটি করপোরেশনের হালনাগাদ করের রশিদ এবং ভাড়ায় হলে ভাড়ার চুক্তিনামা বা রশিদ আবেদনপত্রের সঙ্গে দাখিল করতে হবে।
আবেদনপত্রের সঙ্গে তিন কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নির্ধারিত নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে অঙ্গীকারনামা দাখিল করতে হবে।
জাতীয় পরিচয় পত্রের কপি
TIN সার্টিফিকেট
বাড়ির ইউটিলিটি বিলের কপি
যে বাড়ীতে ব্যবসায় পরিচালনা করছেন তার হোল্ডিং ট্যাক্স হালনাগাদ করণের রশিদ
প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি লিমিটেড হলে মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস ও সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরেশন দিতে হবে। আর পার্টনারশিপ ব্যবসার ক্ষেত্রে পার্টনারশিপ ডিডের কপি দিতে হবে।
যদি কারখানা দিতে চান; প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠান, কারখানা বা কোম্পানির পার্শ্ববর্তী অবস্থান বা স্থাপনার নকশাসহ ওই স্থাপনার মালিকের অনাপত্তিনামাও দাখিল করতে হবে।
এসব ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দিতে হয়। যেমন-
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওপরের সব দলিলের সঙ্গে পরিবেশসংক্রান্ত অনাপত্তিপত্র, প্রতিষ্ঠানের অবস্থান চিহ্নিত মানচিত্র ও অগ্নিনির্বাপণ প্রস্তুতিসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।
ক্লিনিক বা ব্যক্তিগত হাসপাতালের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অনুমোদন, ছাপাখানা ও আবাসিক হোটেলের ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনারের অনুমতি
রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য মানবসম্পদ রপ্তানি ব্যুরো কর্তৃক প্রদত্ত লাইসেন্স, অস্ত্র ও গোলাবারুদের জন্য অস্ত্রের লাইসেন্স
ট্রাভেল এজেন্সির ক্ষেত্রে সিভিল এ্যাভিয়েশনের অনুমতিপত্র
সিএনজি স্টেশন বা দাহ্য পদার্থের ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদপ্তর বা ফায়ার সার্ভিস ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র।

ট্রেড লাইসেন্স করতে কোথায় যাবো?

আপনি সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সিটি কর্পোরেশন অথবা পৌরসভায় গিয়ে ট্রেড লাইসেন্স বানাতে পারেন।

ঢাকায় কিভাবে পাবো?
ঢাকা সিটি করপোরেশন (উত্তর ও দক্ষিণ) তার নাগরিকদের সেবা দেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনকে কতগুলো অঞ্চলে বিভক্ত করেছে। এর মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনের পাঁচটি এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পাঁচটি অঞ্চল রয়েছে। আপনার প্রতিষ্ঠানটি যে অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত, ওই অঞ্চলের অফিস থেকেই লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে।

আজকাল অনেক কনসালটেন্সি ফার্ম আছে যারা নির্দিস্ট সার্ভিস চার্জ এর বিনিময়ে এসব কাজ করে দিয়ে থাকে। নিজে ঝামেলা পোহাতে না চাইলে তাদের হেল্প নিতে পারেন।

ট্রেডমার্কস রেজিষ্ট্রেশন কি এবং কিভাবে করতে হয়!ট্রেডমার্ক বা ব্যবসা স্বত্ত্ব হল একটি প্রতীক যা দ্বারা একটি উৎস থেকে আগত ...
06/06/2020

ট্রেডমার্কস রেজিষ্ট্রেশন কি এবং কিভাবে করতে হয়!

ট্রেডমার্ক বা ব্যবসা স্বত্ত্ব হল একটি প্রতীক যা দ্বারা একটি উৎস থেকে আগত পণ্য বা সেবা থেকে অন্য উৎসের পণ্য বা সেবা পৃথক করা যায়। একজন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা যেকোন আইন সিদ্ধ সত্ত্বাই ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হতে পারে। সাধারণত ট্রেডমার্ক পণ্যের মোড়কের গায়ে, চালানপত্রে অথবা পণ্যের রসিদে অঙ্কিত থাকে। এছাড়া স্বত্বাধিকারীর ব্যবসায়িক স্থাপনায়ও এই প্রতীক প্রদর্শিত হয়ে থাকে।

ব্যবহার:
স্বতন্ত্র পণ্যের মালিকানা স্বত্ব দাবি করার জন্য সাধারণত ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হয়। সত্ত্বধিকারী ব্যতীত অন্য কেউ কোন পণ্যের ট্রেডমার্ক নিয়ে ব্যবসা করলে বা বিজ্ঞাপন দিলে তা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী হওয়া ছাড়াও এটি লাইসেন্সের মাধ্যমে ব্যবহার করা যেতে পারে। সচরাচর খেলনা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানসমূহ ট্রেডমার্কের লাইসেন্স করার মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা ও বিপণন করে থাকে।

ট্রেডমার্কের অবৈধ ব্যবহার করে নকল পণ্য বা সেবা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ব্রান্ড পাইরেসি বলা হয়। ব্রান্ড পাইরেসির শিকার হলে ট্রেডমার্কের স্বত্বাধিকারী আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। অধিকাংশ দেশেই স্বত্ত্বধিকারীকে আইনি সহায়তা পেতে হলে ট্রেডমার্কের নিবন্ধন করইয়ে নিতে হয়। অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের স্বত্ত্বধিকারীরাও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। অনিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীরা সাধারণত নিবন্ধিত স্বত্বাধিকারীদের চেয়ে কম আইনি সহায়তা পেয়ে থাকেন।

ট্রেডমার্ক বোঝাতে সাধারণত নিম্নের প্রতীক গুলো ব্যবহার করা হয়:
✤ ইংরেজি অক্ষর TM বা ট্রেডমার্ক হল অনিবন্ধিত ট্রেডমার্কের প্রতীক। এটি কোন পণ্য বা ব্র্যান্ডকে মানুষের সাথে পরিচিত করানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
✤ ইংরেজি অক্ষর SM বা সার্ভিস মার্ক। এটিও কোন পণ্য বা ব্র্যান্ডকে মানুষের সাথে পরিচিত করানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
✤ একটি বৃত্তের মাঝে R যার অর্থ হল এটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক।

সাধারণত ট্রাডমার্ক একটি ছবি, বর্ন, অক্ষর অথবা প্রতীক হয়ে থাকে। যদি কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান শুধুমাত্র সেবা প্রদান করে তাহলে ট্রেডমার্কের বদলে সার্ভিস মার্ক কথাটিও ব্যবহার করা যায়।

সাধারণত ব্যবসার ক্ষেত্রে কোনো পণ্যকে অন্য পণ্য থেকে আলাদা করার জন্য ট্রেডমার্ক ব্যবহার করা হয়। ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা খুবই জরুরি। সাধারণত ট্রেডমার্ক নিবন্ধন দেওয়া হয়ে থাকে সাত বছরের জন্য। তবে নবায়ন করা যায়।

কিভাবে আাবেদন করবেন:
বাংলাদেশের পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরের রেজিস্ট্রার বরাবরে পণ্যের ধরন অনুযায়ী নিবন্ধনের আবেদন করতে হবে। আবেদন পাওয়া যাবে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpdt.gov.bd)। আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আবেদন ফি জমা করতে হয়। কত ধরনের পণ্য বা সেবার জন্য নিবন্ধন চাওয়া হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে নিবন্ধন ফি কত হবে। তবে প্রথমেই পণ্য ও সেবার আন্তর্জাতিক শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী আপনার পণ্য কোন শ্রেণীভুক্ত তা আবেদনে লিখতে হবে। আন্তর্জাতিক নাইস (NICE) অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী পণ্যের শ্রেণী জেনে নিতে হবে।

আবেদন জমা দেওয়ার পর পরীক্ষা করে দেখা হয়। আবেদন ত্রুটিপূর্ণ বা আপত্তিকর হলে লিখিত জানিয়ে দেওয়া হবে। আপনি জবাব প্রদান এবং শুনানির সুযোগ পাবেন। জবাব সন্তোষজনক না হলে আপনার আবেদন প্রত্যাখ্যাত হবে। আপনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলেও আবেদনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে। আবেদনের বিষয়ে কোনো আপত্তি না থাকলে বা আপত্তির ক্ষেত্রে প্রদত্ত জবাব সন্তোষজনক হলে আবেদনটি জার্নালে প্রকাশের সিদ্ধান্ত হবে। আপনাকে তখন জার্নাল ফি জমা দিতে বলা হবে।

আবেদনের বিরোধিতা:
জার্নাল প্রকাশের দুই মাসের মধ্যে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি আবেদনটির বিরোধিতা করতে পারেন। বিরোধিতা হলে একটি বিরোধিতার মামলা হবে। মামলার ফলাফল নিবন্ধন আবেদনকারীর বিপক্ষে গেলে নিবন্ধনের আবেদনটি প্রত্যাখ্যান করা হবে। এবং ফলাফল নিবন্ধন আবেদনকারীর পক্ষে হলে নিবন্ধন প্রদানের লক্ষ্যে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

যেসব মার্ক নিবন্ধন করা যাবে না:
কুৎসামূলক বা দৃষ্টিকটু মার্ক; বিদ্যমান কোনো আইনের পরিপন্থী মার্ক, প্রতারণামূলক বা বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী মার্ক, সাদৃশ্যপূণ মার্ক, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত সৃষ্টি করতে পারে এমন মার্ক; কোন দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা বা অফিসের নাম, মনোগ্রাম, মানচিত্র, পতাকা, জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো মার্ক, রাসায়নিক পণ্য প্রভৃতি মার্কের জন্য আবেদন করা যাবে না।

ট্রেডমার্ক নকল করলে প্রতিকার:
ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ অনুযায়ী কোনো নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক নকল করলে ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের জন্য মামলা করা যাবে। আর যদি কোনো অনিবন্ধিত ট্রেডমার্ক নকল করা হয় তাহলে পাসিং অফের (অন্যের পণ্য নিজের নামে চালানো) মামলা করা যাবে। এসব মামলা করতে হয় জেলা জজ আদালতে। এ ছাড়া মিথ্যা ট্রেডমার্ক ব্যবহারের জন্য প্রথম শ্রেণীর বিচারিক হাকিম বা মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে মামলা দায়ের করা যাবে। দায়ী ব্যক্তির সর্বনিম্ন ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত জেল বা সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

সেবার পরিধি: সরকারি সেবা, মন্ত্রনালয়: শিল্প মন্ত্রনালয়,
সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান: রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড মার্কস অফিস,
ফরম সংগ্রহ: রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড মার্কস অফিস থেকে অথবা
এই লিংক: https://goo.gl/qCxhTe বা https://goo.gl/ADjt4M

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
✤ পে-অর্ডারের মাধ্যমে ফি জমা দেওয়ার ডকুমেন্ট।
✤ মনোগ্রাম সংযুক্তি (নয় কপি)

ফি: পণ্যের পরিমাণের উপর ফির পরিমাণ নির্ভর করে:
[ক্রমিক – পণ্যর পরিমান – আবেদন ফি – নবায়ন ফি]
(১) – ১ টি পণ্য – ১,৫০০ টাকা – ৫,০০০ টাকা
(২) – ২-৪ ট পণ্য – ২,৫০০ টাকা – ১০,০০০ টাকা
(৩) – ৪ এর অধিক পণ্য – ৩,৫০০ টাকা – ১৫,০০০ টাকা

রেজিষ্ট্রেশনের সময়সীমা: ৭ বছর। এরপর ১০ বছরের জন্য নবায়ন করা যায়।

বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগের ঠিকানা:
রেজিষ্ট্রার অব ট্রেড মার্কস অফিস
ডিপার্টমেন্ট অব পেটেন্ট, ডিজাইন এন্ড ট্রেড মার্কস
শিল্প মন্ত্রনালয় (৬ষ্ঠ তলা)
৯১ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা।
ফোনঃ ৯৫৬০৬৯৬, ৩৫৫৬৭০৩, ৭১৬৯৮১৫,
ওয়েব: www.dpdt.gov.bd
ফরমের লিংক: https://goo.gl/qCxhTe বা https://goo.gl/ADjt4M

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট

06/06/2020

ট্রেড লাইসেন্স, ট্রেড মার্ক, কোম্পানী রেজিষ্ট্রেশন, ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশন সহ যেকোনো কোন আইনি সহযোগিতা করা হয়

বিষয়: আমাদের সুপ্রিম কোর্ট কি ঘুমে? দেশের চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তার ...
30/04/2020

বিষয়: আমাদের সুপ্রিম কোর্ট কি ঘুমে?
দেশের চারটি বেসরকারি হাসপাতালকে করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে এভার কেয়ার হসপিটাল, স্কয়ার হসপিটাল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল। এই পরীক্ষার জন্য সরকার ফিস নির্ধারণ করে দিয়েছে tk.3500/- সাড়ে তিন হাজার টাকা। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ইন্ডিয়াতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনাভাইরাস এর পরীক্ষা সম্পূর্ন ফ্রি করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে প্রাইভেট হাসপাতালেও া কিন্তু আমরা কি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে কিছু শিখতে পারলাম না। এখানে আমাদের সুপ্রিম কোর্টের ইন্টারফেয়ারেন্স লাগবে কিন্তু পরিতাপের বিষয় আমাদের সুপ্রিম কোর্ট বর্তমানে তার কার্যক্রম স্থগিত আছে। আমাদের মাননীয় বিচারপতি মহোদয়গণের এই বিষয়ে নজরে আনার ব্যবস্থা কি তারা কি নিজ উদ্যোগে সুয়োমোটো রুল জারি করতে পারে না এই বিষয়ে?

According to the Supreme Court, tests relating to Covid-19 whether in approved government laboratories or approved private laboratories shall be free of cost.

Address

Ground Floor. 40 Court House Street ( Agarbati Goli), Khotowali
Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when One Stop Legal Service Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category