Advocate Mehedi Hasan Raju

Advocate Mehedi Hasan Raju একবার সফল হয়ে দেখো,
সবাই তোমার ব্যর্থতার গল্প ভুলে যাবে।

হে মহাবীর, হে মহানায়ক আপনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ❤️❤️
15/08/2026

হে মহাবীর, হে মহানায়ক
আপনার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ❤️❤️

কর্ম দিবস শেষ , এখন বাড়ি ফেরার পালা।দেখা হচ্ছে কাল নড়াইলে সবার সাথে।
13/08/2026

কর্ম দিবস শেষ , এখন বাড়ি ফেরার পালা।
দেখা হচ্ছে কাল নড়াইলে সবার সাথে।

ঢাকা জেলার সকল মৌজার নাম লিস্ট। BDS জরিপ বেশ কয়েকটি উপজেলায় চলমান। #বিডিএস
13/08/2026

ঢাকা জেলার সকল মৌজার নাম লিস্ট। BDS জরিপ বেশ কয়েকটি উপজেলায় চলমান।
#বিডিএস

শুভ সকাল ❤️ন্যায় ও সত্যর পথে হোক আমাদের পথ চলা।এডভোকেট ,মেহেদী হাসান রাজুজেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।
13/08/2026

শুভ সকাল ❤️
ন্যায় ও সত্যর পথে হোক আমাদের পথ চলা।

এডভোকেট ,
মেহেদী হাসান রাজু
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ঢাকা/নড়াইল।

হিন্দু আইনে দত্তক সন্তান কি নিজের সন্তানের সমান অধিকার পায়? সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের ঐতিহাসিক রায়![ 31 DLR (AD), Pag...
13/08/2026

হিন্দু আইনে দত্তক সন্তান কি নিজের সন্তানের সমান অধিকার পায়? সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের ঐতিহাসিক রায়!

[ 31 DLR (AD), Page- 312 ]

13/08/2026

সাধারণ আইন সব সময় বিশেষ আইনের উপর প্রাধান্য পাবে।

[44 DLR (AD) , Page - 260-263]

নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে চলতে হবে সবার , আইনপেশার ভরাডুবি অবস্থা।
12/08/2026

নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে চলতে হবে সবার , আইনপেশার ভরাডুবি অবস্থা।

 #হিন্দু_উত্তরাধিকার 🇧🇩বাংলাদেশের হিন্দু দায়ভাগ আইনমতে, মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে শাস্ত্র মতে যারা পিন্ড দানের অধিকারী তারাই...
12/08/2026

#হিন্দু_উত্তরাধিকার 🇧🇩
বাংলাদেশের হিন্দু দায়ভাগ আইনমতে, মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে শাস্ত্র মতে যারা পিন্ড দানের অধিকারী তারাই মৃত ব্যক্তির সপিন্ড এবং তারাই উত্তরাধিকারী।

★ দায়ভাগ মতে ৫ জন মহিলাসহ সপিন্ডের সংখ্যা ৫৩ জন।

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সপিন্ডের তালিকাঃ
১) পুত্র,
২) পৌত্র,
৩) প্রপৌত্র,
৪) স্ত্রী,
৫) কন্যা (কুমারী কন্যার দাবী প্রথম। তৎপর পুত্রবতী কন্যা বা পুত্র সম্ভবা কন্যাদের দাবী। বন্ধ্যা কন্যা, পুত্র সন্তানহীনা বিধবা কন্যা এবং যে সব কন্যাদের কেবলমাত্র কন্যা সন্তান আছে তারা ওয়ারিশ হতে বঞ্চিত হবে),
৬) কন্যার পুত্র, ৭) পিতা, ৮) মাতা, ৯) ভ্রাতা (প্রথমে সহোদর তৎপর বৈমাত্রেয়), ১০) ভ্রাতুষ্পুত্র (প্রথমে সহোদর তৎপর বৈমাত্রেয়), ১১) ভ্রাতুষ্পুত্রের পুত্র, ১২) ভাগিনেয়, ১৩) পিতামহ,,,,,, ইত্যাদি।

★ কোন হিন্দুর মৃত্যুর পরপরই উত্তরাধিকারী হয় তার নিকটতম সপিণ্ড। পরে কোন উত্তরাধিকারী জন্মিতে পারে সেই ভরসায় সম্পত্তির উত্তরাধিকারত্ব ঠেকিয়ে রাখা যায় না।

★ দায়ভাগমতে স্ত্রী, কন্যা, কিংবা মাতা অসতীত্বের কারণে উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে।

★ কোন হিন্দু ব্যক্তি ধর্মচ্যুত হলে উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে (১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে)।

★ জন্মগতভাবে অন্ধ, বধির, মুক, পুরুষত্বহীন, হাবা, পাগল ব্যক্তি উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে। তবে তৎ ওয়ারিশগণ উত্তরাধিকার হবে।

★ কোন হত্যাকারী উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে। তার ওয়ারিশগণও বাদ যাবে।

★ কোন হিন্দু সন্ন্যাসী হয়ে সংসার ধর্ম ত্যাগ করলে তাকে মৃত ধরা হয় এবং উত্তরাধিকার হতে বঞ্চিত হবে।

★ বিধবা, বিধবা পুত্রবধূ এবং প্রপৌত্রবধু একত্রে এক পুত্রের সমান অংশ জীবনস্বত্ব পাবে। পরবর্তীতে তাদের মৃত্যুতে স্বামীর নিকটতম সপিণ্ডরা ঐ অংশ পাবে।

★ কন্যার পুত্রগণ প্রত্যেকে সমান অংশ পাবে। যেমন- মৃত ব্যক্তির ২ কন্যা থাকলে এবং তাদের যথাক্রমে ১ ও ২ জন পুত্র থাকলে প্রত্যেকে সমান ১/৩ অংশ করে পাবে।

★ হিন্দু কোন মহিলা মারা গেলে স্ত্রীধন তার নিজস্ব ওয়ারিশদের উপর বর্তাবে। ওয়ারিশসূত্র ছাড়া কোন মহিলা কুমারী, বিবাহিতা বা বিধবা অবস্থায় যেকোন ভাবেই সম্পত্তি অর্জন করে তাকে বলা হয় স্ত্রীধন।

অর্পিত সম্পত্তি "খ তফসিল" বাতিলে: আপিল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ রায়সাইটেশন: 28 BLC (AD), P- 88Civil Petition for Leave to A...
11/08/2026

অর্পিত সম্পত্তি "খ তফসিল" বাতিলে: আপিল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ রায়

সাইটেশন: 28 BLC (AD), P- 88

Civil Petition for Leave to Appeal No. 2310 of 2018

কেন এই রায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

এই রায়টি বাংলাদেশে অর্পিত সম্পত্তি (Vested Property) সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের আইনি অস্পষ্টতা দূর করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করেছে যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এবং ১৯৭৪ সালের আইনের পর নতুন করে কোনো সম্পত্তিকে 'শত্রু সম্পত্তি' বা 'অর্পিত সম্পত্তি' হিসেবে তালিকাভুক্ত করার কোনো বৈধতা নেই। এছাড়াও, এটি বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা এবং পারস্পরিক সম্পর্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।

মামলার পটভূমি (Facts of the Case):

একজন বাংলাদেশি নাগরিক হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন, যেখানে তিনি ১৯৭৬ সালের একটি অধ্যাদেশ এবং ২০০১ সালের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন-এর ৬ ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন।

তার মূল বক্তব্য ছিল যে, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হিন্দু সংখ্যালঘুদের সম্পত্তিকে 'শত্রু সম্পত্তি' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিশেষ করে, ১৯৭৪ সালের পর নতুন করে সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা এবং সরকারি দখলে রাখা এই মামলার প্রধান বিরোধের বিষয় ছিল।

আইনি ইস্যু (Legal Issues)

একজন নাগরিকের এই আইনকে চ্যালেঞ্জ করার ল্যোকাস স্ট্যান্ডি (Locus Standi) বা মামলা করার আইনি অধিকার আছে কি না।

২৩ মার্চ ১৯৭৪-এর পর কোনো সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা বৈধ কি না।

হাইকোর্ট বিভাগ সরকার বা সংসদকে কোনো নির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিতে পারে কি না।

উভয় পক্ষের যুক্তি:

রিট আবেদনকারীর যুক্তি

রিট আবেদনকারীর বক্তব্য ছিল যে, ১৯৭৪ সালের পর এবং বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর নতুন করে কাউকে 'শত্রু' হিসেবে গণ্য করে তার সম্পত্তি রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়া মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। এছাড়া, ২০০১ সালের আইনের কিছু ধারা প্রকৃত মালিকদের সম্পত্তি ফিরে পাওয়ার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

সরকারের যুক্তি:

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, রিট আবেদনকারী সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নন, ফলে তার মামলা করার আইনগত অধিকার নেই। আরও বলা হয়, ১৯৭২ সালের President's Order No. 29 সংবিধানের প্রথম তফসিলে সুরক্ষিত থাকায় সেটিকে চ্যালেঞ্জ করা যায় না।

আদালতের সিদ্ধান্ত:

আপিল বিভাগ হাইকোর্ট বিভাগের দেওয়া অধিকাংশ পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা Expunge করে দেয়।

তবে আদালত পুনরায় সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করে যে, ২৩ মার্চ ১৯৭৪-এর পর কোনো সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা আইনগতভাবে অবৈধ।

আদালত ২০০১ সালের অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন (২০১৩ সালে সংশোধিত) বহাল রাখে এবং মত প্রকাশ করে যে, এই আইনের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের জন্য যথাযথ প্রতিকারের ব্যবস্থা বিদ্যমান।

আদালতের সিদ্ধান্তের কারণ:

১. আইন প্রণয়নের ক্ষমতা

আদালত বলেন, কোন আইন প্রণয়ন করা হবে বা একটি আইনের উদ্দেশ্য কী হবে, তা আইনসভার নীতিগত সিদ্ধান্ত। বিচার বিভাগ সংসদকে কোনো আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিতে পারে না।

২. বিদ্যমান প্রতিকারের ব্যবস্থা

যেহেতু ২০০১ সালের আইনে নির্দিষ্ট ট্রাইব্যুনাল, আবেদন করার সময়সীমা এবং প্রতিকার পাওয়ার পদ্ধতি নির্ধারিত রয়েছে, তাই আদালতের অতিরিক্ত নির্দেশনার প্রয়োজন নেই।

৩. ল্যোকাস স্ট্যান্ডি

আদালত পুনর্ব্যক্ত করেন যে, জনস্বার্থে কিংবা সরকারি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার ক্ষেত্রে একজন নাগরিক, যদি তিনি প্রকৃত অর্থে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি (Aggrieved Person) হন, তাহলে তিনি রিট আবেদন করতে পারেন।

গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ:

আদালত মন্তব্য করেন যে, ১৯৬২ সালের পাকিস্তানের সংবিধান জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রণীত না হওয়ায় তার গণতান্ত্রিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।

আদালত ১৯৭৪ সালের Enemy Property (Repeal) Act-এর আইনগত প্রভাব সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ প্রদান করেন।

আদালত পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং সংবিধানের মূলনীতির আলোকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।

প্রতিষ্ঠিত আইনি নীতি (Legal Principle Established):

এই রায়ের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে,

২৩ মার্চ ১৯৭৪-এর পর যেকোনো সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা আইনত অবৈধ এবং অকার্যকর।

এছাড়া, এই সময়সীমা অমান্য করে কোনো প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে তা উপযুক্ত ক্ষেত্রে বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আসতে পারে।

নাগরিক ও আইনজীবীদের জন্য ব্যবহারিক গুরুত্ব

নাগরিকদের জন্য :

নতুন করে কোনো সম্পত্তিকে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার আশঙ্কা আইনগতভাবে দূর হয়েছে।

যারা ২৩ মার্চ ১৯৭৪-এর পর বেআইনিভাবে তালিকাভুক্তির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা বিদ্যমান আইনের অধীনে প্রতিকার চাইতে পারবেন।

আইনজীবীদের জন্য :

অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে এই রায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেছে।

Locus Standi বিষয়ে আপিল বিভাগের আধুনিক ও বিস্তৃত ব্যাখ্যা ভবিষ্যতের সাংবিধানিক মামলাগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হবে।

চূড়ান্ত সারসংক্ষেপ:

এই রায়ের মাধ্যমে আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছে যে, অর্পিত সম্পত্তি আইন বাংলাদেশের একটি জটিল ঐতিহাসিক বাস্তবতার অংশ হলেও এর বর্তমান প্রয়োগ অবশ্যই সংবিধান, ন্যায়বিচার এবং আইনের শাসনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

রাষ্ট্র দাবিহীন অর্পিত সম্পত্তি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা করতে পারবে, কিন্তু ২৩ মার্চ ১৯৭৪-এর পর কোনো সম্পত্তিকে নতুন করে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার কোনো আইনগত সুযোগ নেই।

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Mehedi Hasan Raju posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Advocate Mehedi Hasan Raju:

Shortcuts

Share