আইন ও আইনগত অধিকার

আইন ও আইনগত অধিকার It is page for Law students,teacher,Legal practitioners and who is an interest in Law.This page will serve latest views and news regarding Law and Justice.

আইন ও আইনগত অধিকার নামে আমাদের এই পেজ টি খোলা হয়েছে মানুষ কে আইন সম্পর্কে ধারনা দেওয়া এবং আইনি প্রতিকার তুলে ধরার জন্য ।ন্যায়বিচারের জন্য প্রয়োজন সঠিক আইন জানা যা আমরা নিশ্চিত করতে চাই

এই পেজ টি সকল আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী , শিক্ষক ,এডভোকেট সহ সকল মানুষের জন্য কাজে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি । এখানে সকল আইন , মামলার রেফারেন্স , আইনের নিবন্ধ ,লিগ্যাল জার্নাল ও আইনি খবর আপডেট করা হবে ।

আপনাদের মূল্যবান মতামত ও সহযোগিতা এই পেজ কে আরও উন্নত করবে ।

আইন যখন সবার জন্য সমান।
16/01/2018

আইন যখন সবার জন্য সমান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অবৈধ ঘোষণা করে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল শুনানি�...

15/01/2018
ক্ষতিপূরণ মামলায় একটি ল্যান্ডমার্ক রায়।
03/12/2017

ক্ষতিপূরণ মামলায় একটি ল্যান্ডমার্ক রায়।

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চলচ্চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৪ কোটি ৬১ লাখ হাজার ৪৫২ টাকা দেওয়?...

আইন বিষয়ে যে কোন সমস্যা আমাদের ইনবক্সে জানান।আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবীগণ আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিবেন।
25/10/2017

আইন বিষয়ে যে কোন সমস্যা আমাদের ইনবক্সে জানান।
আমাদের বিজ্ঞ আইনজীবীগণ আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিবেন।

It is page for Law students,teacher,Legal practitioners and who is an interest in Law.This page will serve latest views and news regarding Law and Justice.

23/10/2017

বাড়ি ভাড়া আইন...........

কাদের চৌধুরী ঢাকার উত্তর কমলাপুর এলাকার একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। বাড়িভাড়া বাবদ তার কাছ থেকে বাড়ির মালিক প্রতি মাসে ৩০ হাজার টাকা বুঝে নেন। কমলাপুরে তিন রুমের একটি বাসায় এ পরিমাণ ভাড়া অনেক বেশি। বাড়ির মালিক তাকে সর্বক্ষণ পানি-বিদ্যুৎ সরবরাহ, লিফটের সুবিধা এবং নিরাপত্তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেই জনাব কাদের চৌধুরী এত বেশি টাকায় এ বাসাটি ভাড়া নিয়েছেন। কিন্তু বাসায় ওঠার কয়েক মাসের মধ্যেই দেখা গেল, লিফট অচল; অথচ মালিক তা ঠিক করছেন না। আবার পানির ট্যাঙ্ক দীর্ঘদিন পরিষ্কার না করায় পানিতে প্রচুর পরিমাণ ময়লা আসে। ফলে খাওয়ার পানিতে প্রচন্ড দুর্গন্ধ থাকে এবং এ পানিতে গোসল করলে শরীরে খোসপাঁচড়া তৈরি হয়। সর্বক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহের কথা থাকলেও দেখা যায়, প্রায়ই জেনারেটর নষ্ট থাকে এবং বিদ্যুৎ প্রদান করা হয় না। জনাব কাদের চৌধুরী এখন কী করতে পারেন? একটি বাসা পরিবর্তন করে ফেলা কম ঝক্কির নয়। আবার নতুন বাসায় গিয়ে উঠলেও যে ভালো বাড়ির মালিক পাবেন, তার নিশ্চয়তা নেই।

বাড়ি মালিক তার বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখতে আইনত বাধ্য। বাড়ির মালিক ইচ্ছা করলেই ভাড়াটিয়াকে বসবাসের অনুপযোগী বা অযোগ্য অবস্থায় রাখতে পারেন না। স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বসবাসের উপযোগী করে বাড়িটি প্রস্তুত রাখতে বাড়ির মালিকের উপর এই বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ২১নং ধারায় বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। অর্থাৎ ভাড়াটিয়াকে পানি সরবরাহ, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালী নিষ্কাশন ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করতে হবে। এমনকি প্রয়োজনবোধে লিফটের সুবিধাও দিতে হবে। কিন্তু উক্তরূপ সুবিধা প্রদানে বাড়ি মালিক অনীহা প্রকাশ করলে কিংবা বাড়িটি মেরামতের প্রয়োজন হলেও ভাড়াটিয়া নিয়ন্ত্রকের কাছে দরখাস্ত করতে পারবেন।

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯১-এর ১০ ও ২৩ ধারা মোতাবেক বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রকের লিখিত আদেশ ছাড়া অন্য কোনোভাবেই বাড়ি মালিক তার ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে অগ্রিম বাবদ এক মাসের বাড়ি ভাড়ার অধিক কোনো প্রকার ভাড়া, জামানত, প্রিমিয়াম বা সেলামি গ্রহণ করতে পারবেন না। তা হলে দ-বিধি ২৩ ধারা মোতাবেক তিনি দণ্ডিত হবেন।

আপনার পরিশোধকৃত বাড়ি ভাড়ার রসিদ সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক বা তার প্রতিনিধি দিতে বাধ্য।

মানসম্মত ভাড়া সম্পর্কে আইনের ১৫ (১) ধারায় বলা হয়েছে, ভাড়ার বার্ষিক পরিমাণ সংশ্লিষ্ট বাড়ির বাজার মূল্যের শতকরা ১৫ ভাগের বেশি হবে না। বাড়ির বাজার মূল্য নির্ধারণ করার পদ্ধতিও বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ১৯৬৪ তে স্পষ্ট করা আছে। এটাকে সর্বস্তরে গ্রহণযোগ্য করতে ঢাকা সিটি করপোরেশান ঢাকা মহানগরীকে দশটি রাজস্ব অঞ্চলে ভাগ করে ক্যাটেগরিভিত্তিক সম্ভাব্য বাড়ি ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছে।

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৬ ধারায় স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানসম্মত ভাড়া কার্যকরী হবার তারিখ হতে দুই বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। দুই বছর পর মানসম্মত ভাড়ার পরিবর্তন করা যাবে।

এই আইনের ৮ ধারা এবং ৯ ধারায় বর্ণিত রয়েছে যে, মানসম্মত ভাড়া অপেক্ষা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অধিক বাড়ি ভাড়া আদায় করলে সে ক্ষেত্রে প্রথমবারের অপরাধের জন্য মানসম্মত ভাড়ার অতিরিক্ত যে অর্থ আদায় করা হয়েছে তার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে বাড়ি মালিক দণ্ডিত হবেন এবং পরবর্তী প্রত্যেক অপরাধের জন্য এক মাসের অতিরিক্ত যে ভাড়া গ্রহণ করা হয়েছে তার তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ডে বাড়ি মালিক দণ্ডিত হবেন।

বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৮নং ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, ১৮৮২ সনের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বা ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের বিধানে যাই থাকুক না কেন, ভাড়াটিয়া যদি নিয়মিতভাবে ভাড়া পরিশোধ করতে থাকেন এবং বাড়ি ভাড়ার শর্তসমূহ মেনে চলেন তাহলে যতদিন ভাড়াটিয়া এভাবে করতে থাকবেন ততদিন পর্যন্ত উক্ত ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। এমনকি ১৮(২) ধারা মতে বাড়ির মালিক পরিবর্তিত হলেও ভাড়াটিয়া যদি আইনসম্মত ভাড়া প্রদানে রাজি থাকেন তবে তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না।

আইনের ১২ নং ধারায় বলা হয়েছে, কোনো বাড়ি ভাড়ার জন্য বা তার নবায়ন বা মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য কোনো ব্যক্তি তার আসবাবপত্র ক্রয়ের কোনো শর্ত আরোপ করতে পারবেন না। অর্থাৎ কোনো বাড়ির মালিক তার বাড়ি ভাড়া বাবদ ভাড়াটিয়ার আসবাবপত্র ক্রয় করতে পারবেন না। তদুপরি ভাড়া নবায়ন কিংবা মেয়াদ বৃদ্ধির শর্ত যদি বাড়ি ভাড়া চুক্তিতে থেকেও থাকে তা সত্ত্বেও ভাড়াটিয়া বাড়ি ভাড়া নবায়ন না করে, তাহলেও বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়ার আসবাবপত্র আটক বা ক্রয় করতে পারবেন না।

অনেক বাড়িওয়ালা আছেন, চুক্তিপত্রের মাধ্যমে কোনো কিছু সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াকে অহেতুক ঝামেলাপূর্ণ মনে করেন। ফলে তাঁরা এই বিষয়টিকে এড়িয়ে চলেন। ভাড়াটিয়াও একটি সুন্দর বাড়িতে মাথা গোঁজার ঠাঁই পাওয়ার লোভে চুক্তিপত্র সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে উৎসাহী হন না। এর ফলে কোনো ঝুটঝামেলা দেখা দিলে তা নিয়ে অহেতুক হয়রানির শিকার হন। অনেক সময় বাড়িওয়ালাও না জেনে শুনেই ভাড়াটিয়াকে বাড়ি ভাড়া দিয়ে ফেঁসে যান, যখন তিনি দেখতে পান ওই ভাড়াটিয়া তাঁর বাড়িতে অবৈধ কিংবা বেআইনি কোন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব সমস্যা সমাধানের জন্য যে কেউ বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১-এর আওতায় রেন্ট কোর্টের আশ্রয় নিতে পারেন।

এ আইনের ৭ ধারা মতে, কোনো বাড়ি ভাড়া মানসন্মত ভাড়ার অধিক বৃদ্ধি করা হলে ওই অধিক ভাড়া কোনোভাবেই আদায়যোগ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে মানসম্মত ভাড়া বলতে উপযুক্ত ভাড়াকেই বোঝানো হয়েছে। এ ভাড়া বাড়ির মালিক ও ভাড়টিয়ার মধ্যে আপসে নির্ধারিত হতে পারে। আবার ঘর ভাড়া নিয়ন্ত্রকও এ ভাড়া নির্ধারণ করতে পারেন। ভাড়াটিয়া কর্তৃক ভাড়া পরিশোধ করা হলে বাড়ীর মালিক তৎক্ষণাৎ ভাড়া প্রাপ্তির একটি রশিদ বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফরমে স্বাক্ষর করিয়ে ভাড়াটিয়াকে প্রদান করবেন। বাড়ী মালিক ভাড়ার রশিদের একটি চেক মুড়ি সংরক্ষণ করবেন। বিনা রশিদে কোন ভাড়া প্রদান করে থাকলে ভাড়াটিয়া কোন মজুরা পাবে না। অগ্রীম ভাড়া হিসাবে এক মাসের ভাড়ার অতিরিক্ত টাকা দাবী বা গ্রহণ করতে পারবেন না। মান সম্মত ভাড়া অপেক্ষা অধিক হারে বাড়ী ভাড়া বৃদ্ধি করা হয়ে থাকলে এবং এই মর্মে কোন চুক্তি থাকলেও তা কার্যকর হবে না। অর্থাৎ মান সম্মত ভাড়া অপেক্ষা অধিক হারে ভাড়া কোন অবস্থাতেই আদায় করা যাবে না। তবে ভাড়া দেওয়ার পর বাড়ী মালিক নিজ খরচে বাড়ীটির কিছু উন্নয়ন সাধন করলে কিংবা আসবাবপত্র সরবরাহ করলে যা বাড়ী উন্নয়ন বলা যাবে-সে ক্ষেত্রে বাড়ী মালিক ও ভাড়াটিয়া এক মত হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া ধার্য্য করতে পারবেন। বাড়ী মালিক যদি কোন কারণে কিংবা ভাড়াটিয়ার সাথে সম্পর্কের অবনতির কারণে ভাড়া টাকা নিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ভাড়াটিয়া ডাকযোগে মানি অর্ডার করে ভাড়ার টাকা পাঠানোর পর বাড়ী মালিক যদি তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন তখন ডাক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফেরত পাওয়ার এক পক্ষকাল (১৫দিন) এর মধ্যে ভাড়াটিয়া উক্ত টাকা ভাড়া নিয়ন্ত্রক (আদালত) এর নিকট জমা দিতে পারবে। এই শর্ত পূরণ হলে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। শর্ত পূরণ না হলে ভাড়াটিয়া খেলাপকারী বলে গণ্য হবে এবং উচ্ছেদ হতে রক্ষা পাবে না। ভাড়াটিয়াকে বাড়ী মালিক ইচ্ছানুযায়ী যে কোন অনুপযোগী বা বসবাসের অযোগ্য অবস্থায় রাখতে পারবে না। আশংকামুক্ত অবস্থায় স্বাস্থ্য সম্মতভাবে বসবাসের জন্য বাড়িটি যে অবস্থায় প্রস্তুত রাখা উচিৎ তাই বাড়ী মালিক করতে বাধ্য। নতুবা ভাড়াটিয়া বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রকের নিকট আবেদন করতে পারেন। শুনানীক্রমে বাড়ী বাড়া নিয়ন্ত্রক বাড়ী মালিককে নির্দেশ দিবেন। বাড়ি মালিক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করতে ব্যর্থ হলে ভাড়াটিয়া নিয়ন্ত্রককে জ্ঞাত করিয়ে তিনি নিজে মেরামত করে নিতে পারবেন। তবে খরচ এক বৎসরের মোট ভাড়ার ছয় ভাগের এক ভাগ এর বেশী হবে না। ভাড়ার মেয়াদ বৃদ্ধি করার কারণে কোনো ব্যক্তি ভাড়ার অতিরিক্তি প্রিমিয়াম, সালামি, জামানত বা অনুরুপ কোনো অর্থ দাবি বা গ্রহণ করার লক্ষ্যে ভাড়াটিয়াকে প্রদানের জন্য বলতে পারবেন না (ধারা ১০)। ১২ ধারানুযায়ী, কোনো ব্যক্তি কোন বাড়ির আসবাব-পত্র ক্রয়ের জন্য শর্ত রাখতে পারবেন না। ১৩ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো বাড়ির মালিক ভাড়াটিয়াকে ভাড়া গ্রহণের লিখিত রসিদ প্রদানে বাধ্য থাকবেন। এ রসিদ বিধি দ্বারা নির্বাচিত ফরমে স্বাক্ষর করে ভাড়াটিয়াকে প্রদান করতে হবে। বাড়ির মালিক ভাড়ার রসিদের একটি চেকমুড়ি সংরক্ষণ করবেন। এ রসিদ সম্পন্ন করার দায়-দায়িত্ব বাড়িওয়ালার। রশিদ প্রদানে ব্যর্থ হলে ২৭ ধারানুযায়ী ভাড়াটিয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে আদায়কৃত টাকার দ্বিগুণ অর্থদন্ড হবেন। এ আইনে বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ এবং সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার নির্দিষ্ট এলাকার জন্য কোনো ব্যক্তিকে নিয়ন্ত্রক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারে। এ নিয়ন্ত্রক কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে দরখাস্তের শুনানি করতে পারবেন। প্রয়োজনে বাড়ির মালিক ও ভাড়াটিয়ার প্রতি নোটিশ জারি করতে পারবেন। প্রয়োজন হলে কোনো বাড়িতে প্রবেশ ও পরিদর্শণের ক্ষমতা থাকবে নিয়ন্ত্রকের। ১৫ ধারামতে, নিয়ন্ত্রক বাড়ির মালিক বা ভাড়াটিয়ার আবেদনের ভিত্তিতে বাড়ি ভাড়া এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন, যেন এর বার্ষিক পরিমাণ বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে স্থিরকৃত ওই বাড়ির বাজার মূল্যের ১৫ শতাংশের সমান হয়। বাড়ির মালিক বা ভাড়াটিয়ার দরখাস্তের ভিত্তিতে দুই বছর পর পর নিয়ন্ত্রক মানসম্মত ভাড়া পুনর্নিধারণ করতে পারবেন। চুক্তি অনুযায়ী ভাড়া পরিশোধ করে থাকলে ভাড়াটিয়াকে হঠাৎ করেই কিংবা ইচ্ছা করেই উচ্ছেদ করা যায় না। চুক্তি পত্রের অবর্তমানে যদি কোনো ভাড়াটিয়া প্রতি মাসের ভাড়া পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করেন, অথবা ঘরভাড়া নিয়ন্ত্রকের কাছে জমা করতে থাকেন, তাহলে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে না। ভাড়াটিয়া ভাড়া পরিাশোধে ব্যর্থ হলে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে উচ্ছেদের আদেশ দিতে পারেন। সাধারণত বাড়িভাড়া আইনের আওতায় যেসব কারণে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যায়, তা হলো :

১. ভাড়াটিয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের আওতায় ১০৮ ধারা পরিপন্থী কাজ করলে। এ ধারাতে উল্লেখ আছে, ভাড়াটিয়া সম্পত্তির দখল নেয়ার সময় যে অবস্থায় ছিল, সেরূপ ভালো অবস্থায় রাখবে এবং মেয়াদ শেষে পূর্বাবস্থায় ফেরত দিবে। এ ধারামতে আরও উল্লেখ অছে, ভাড়াটিয়া কর্র্তৃক ভাড়া ঘরের কোনো ক্ষতি হলে বাড়িওয়ালা তাকে সে সম্পর্কে নোটিশ দেবেন। ভাড়াটিয়া নিয়মিত ভাড়া প্রদান করলে যতদিন মেয়াদ আছে ততদিন পর্যন্ত নির্বিঘ্নে দখল করতে পারবে। ভিন্নরূপ কোনো চুক্তির অবর্তমানে ভাড়াটিয়া বাড়িওয়ালার লিখিত সম্মতি ছাড়া বাড়ির কোনও অংশ উপ-ভাড়া দিলে কিংবা ভাড়াটিয়া যদি এমন আচরণ করে যার দরুণ পার্শ্ববর্তী বাড়ির দখলকারীদের কাছে উৎপাত বা বিব্রতকর মনে হয় এবং ভাড়াটিয়া চুক্তিপত্রে উল্লেখ না থাকা সত্বেও বাড়ির কোনও অংশ অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন বা করতে অনুমতি দেন তাহলে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে। বাসাবাড়ি, দোকানঘর, অফিস, গুদাম প্রভৃতি যদি মাসিক ভাড়ায় ব্যবহার করা হয়, সে ক্ষেত্রে ১৫ দিনের নোটিশে ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যায়।

চুক্তি যদি বার্ষিক ইজারা হয় বা শিল্পকারখানা হয়, তবে ছয় মাসের নোটিশে উচ্ছেদ করা যায়। চুক্তিপত্রের মেয়াদ শেষ হলেও বাড়িওয়ালা যদি ভাড়া দিয়ে থাকেন, তাহলে ধরে নেয়া হবে যে, বাড়িওয়ালা চুক্তিপত্রটি নবায়ন করেছেন। ভাড়াটিয়া নিয়মিত বাড়ী ভাড়া পরিশোধ করা অবস্থায় যদি বাড়িওয়ালা তাঁকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করেন, তাহলে আইনের আশ্রয় নেয়ার অধিকার ভাড়াটিয়ার রয়েছে। সাধারণত বাড়িওয়ালা ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে উচ্ছেদ ও ক্ষতিপূরণের মামলা করে থাকেন। অপরদিকে ভাড়াটিয়া বাড়িওয়ালার বিরুদ্ধে ঘরভাড়া ফেরত, নিষেধাজ্ঞা, অগ্রিম টাকা ফেরত পাওয়া, নিষেধাজ্ঞাসহ ভাড়া ধার্যের মোকদ্দমা করে থাকেন।

বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণের আইনটি কার্যকর না থাকার ফলে সমস্যা দিন দিন বাড়ছে। বাড়িওয়ালা-ভাড়াটিয়া কেউই মানছেন না এ আইন। শুধু বসতবাড়ি নয়, অফিস, দোকানসহ নানা ক্ষেত্রেই এ আইনটি প্রযোজ্য। তাই বাড়িভাড়া নিয়ে বিরোধ নিরসনের ক্ষেত্রে আইন মেনে চলাটাই উচিত। না হলে এ সমস্যা আরও প্রকট হবে। আদালতের মাধ্যমে প্রতিকার না চাইলে চুক্তি কার্যকরসহ বিভিন্ন বিষয়ে সালিস মীমাংসা কিংবা আপসের মাধ্যমেও এ ধরণের বিরোধ নিষ্পত্তির দিকে সচেষ্ট থাকতে হবে। যদি কেউ বিরোধ নিষ্পত্তি করতে চান, তবে মামলা চলা অবস্থাতেও এ ধরনের বিরোধ প্রত্যাহার করা সম্ভব।
(সংগ্রহীত সিরাজ প্রামাণিক)

22/10/2017

তালাক, একে-অপরের বিরুদ্ধে মামলা ও তার ফলাফল........................

আইনের ভাষায় তালাক হচ্ছে ‘বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করা অর্থাৎ স্বামী স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক যদি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, একত্রে বসবাস করা উভয়ের পক্ষেই বা যে কোন এক পক্ষের সম্ভব হয় না, সেক্ষেত্রে তারা নির্দিষ্ট উপায়ে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।’

সুমির (ছদ্ম নাম) দাম্পত্য জীবনে এমনটিই ঘটেছিল। অবশেষে তিনি তার স্বামীকে তালাক প্রদান করেন। কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া ছিল। সেই অধিকারের ভিত্তিতে সুমী স্থানীয় কাজি অফিস থেকে তালাকের যাবতীয় প্রক্রিয়া শেষ করে তালাকনামা স্বামীর বরাবর পাঠিয়ে দেন। কিন্তু স্বামীর বসবাসরত স্থানীয় চেয়ারম্যান অফিসে পাঠানো হয়নি কোনো তালাকের কপি। সুমীর এ বিষয়টি জানা ছিল না। স্থানীয় কাজি অফিস থেকেও পাঠানো হয়নি কোনো কপি।

কিন্তু আইন অনুযায়ী স্বামী বা স্ত্রী যে কেউ একে অপরকে তালাক দিতে চাইলে তাকে যে কোন পদ্ধতির তালাক ঘোষণার পর যথাশীঘ্রই সম্ভব স্থানীয় ইউপি/পৌর/সিটি মেয়রকে লিখিতভাবে তালাকের নোটিশ দিতে হবে এবং তালাক গ্রহীতাকে উক্ত নোটিশের নকল প্রদান করতে হবে। চেয়ারম্যান/মেয়র নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ হতে নব্বই দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো তালাক বলবৎ হবে না। কারন নোটিশ প্রাপ্তির ত্রিশ দিনের মধ্যে চেয়ারম্যান/মেয়র সংশ্লিষ্ট পক্ষদ্বয়ের মধ্যে আপোষ বা সমঝোতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সালিশী পরিষদ গঠন করবে এবং উক্ত সালিশী পরিষদ এ জাতীয় সমঝোতার (পুনর্মিলনের) জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থাই অবলম্বন করবে।

সুমী তালাকনামায় যেদিন স্বাক্ষর করেন, সেদিন থেকে পার হয়ে যায় দুই মাস। এর মানে ৯০ দিন ইদ্দতকাল পালন হতে হলে আর মাত্র এক মাস অপেক্ষা করতে হবে। সুমীর স্বামী আইনি দুর্বলতার সুযোগে এরই মধ্যে সুমীকে তার কাছে ফিরে পেতে পারিবারিক আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এই মামলাটির নাম দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলা। এই মূল মামলাটি করার এক সপ্তাহ পর সুমীর স্বামী একই আদালতে একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন এই মর্মে যে, সুমী যাতে অন্য কোথাও বিয়ে না করতে পারেন।

এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত সুমী ও তার বাবাকে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আপত্তি দাখিলের জন্য ১০ দিনের সময় দিয়ে তাদের ঠিকানায় সমন পাঠিয়ে দেয়।
সমন হাতে পেয়ে সুমীর চেহারায় দুশ্চিন্তা আর অস্থিরতার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠে। তার বাবাও হয়ে পড়ে বিধ্বস্ত। কারন এক মাসে দুটি সমন তারা পান। একটি দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য, আরেকটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আপত্তি দাখিলের জন্য।
দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলায় বিবাদী করা হয়েছে তিনজনকে। প্রথম বিবাদী সুমীর বাবা, দ্বিতীয় বিবাদী তার মা এবং তৃতীয় বিবাদী সুমী নিজে। আরজিতে সুমীর স্বামীর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে জোর করে তালাক দিতে বাধ্য করেছেন তার বাবা। এখন তিনি তাকে নিয়ে ঘর করতে চান। কিন্তু সুমীর ভাষায়, তার স্বামী দুশ্চরিত্রের লোক। নানাভাবে অত্যাচার করত। বাইরে মদ আর নারী নিয়ে ব্যস্ত থাকত। জুয়া খেলত। স্ত্রী আর তার মেয়ের প্রতি কোনো খেয়াল রাখত না। এমন পাষণ্ড আর নির্দয় লোকের সঙ্গে ঘর করার চেয়ে একা থাকা ভালো-এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বাধ্য হয়ে তাকে তাকে তালাক দিই।

সুমী যাতে অন্য কোথাও বিয়ে না করতে পারেন এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনে সুমীর স্বামীর অভিযোগ ‘বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজশে অন্যায় ও বেআইনিভাবে ৩ নম্বর বিবাদীকে অর্থাৎ তার স্ত্রীকে ইদ্দতকালীন সময়ের মধ্যেই অন্যত্র পুনঃবিবাহ দেওয়ার জোর অপতৎপরতায় লিপ্ত হইয়া জনৈক চাকুরীজীবী পাত্র নির্বাচন করিয়া ফেলিয়াছেন এবং যেকোন সময় তার স্ত্রীকে উক্ত পাত্রের সহিত বেআইনীভাবে পুনঃবিবাহ সংঘটন করিতে পারেন।’

কিন্তু আইনের প্রশ্ন হচ্ছে, পারিবারিক আদালতে দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন চলে কি না। মকবুল মাজেদ বনাম সুফিয়া খাতুন মামলায় (৪০ ডিএলআর ৩০৫, এইচসিডি) মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত এরকম যে, ১৯৮৫ সালে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা হয়। পারিবারিক আদালতের অধ্যাদেশে করা সর্বপ্রথম মামলাটিতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উত্থাপিত হয়। এতে স্বামী তাঁর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের ওপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রার্থনা করে। আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদন অগ্রাহ্য করেন। পরে জেলা জজ আদালতে আপিল করা হলে আপিল নামঞ্জুর হয়। পরে হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ তার রায়ে বলেন, ‘পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশে ২০ ধারা অনুযায়ী দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা প্রয়োগ যোগ্য নয়।

অবশেষে সুমীর স্বামীর দায়ের করা মামলাটির শুনানি হলো। আদালত আদেশ দিলেন, ‘ইদ্দতকাল পর্যন্ত অর্থাৎ ৯০ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত স্ত্রী অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হইতে পারিবে না এ মর্মে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর।’ সাধারণত আইন অনুযায়ী তালাকের নোটিশ প্রেরণের পর ইদ্দতকাল পর্যন্ত, অর্থাৎ ৯০ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত তালাক কার্যকর হয় না। এ সময় অন্যত্র বিয়ে করার ক্ষেত্রে আইনে নিষেধ আছে। আদালত ইদ্দতকাল পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এ আইনের কার্যকারিতা আরও পাকাপোক্ত করলেন।

এখানে প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে মূল মামলাটির অর্থাৎ দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার মামলাটির কী হবে?’ সহজেই বলা যায়, মূল মামলার জবাব দিতে হবে। মামলায় লড়তে হবে। শুনানিতে সুমী আদালতে উপস্থিত হয়ে বললেন, কাবিননামার ১৮ নম্বর ঘরে তার তালাক প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া আছে। তিনি স্বেচ্ছায় এবং স্বজ্ঞানে তার স্বামীকে তালাক দিয়েছেন। আর তিনি তার স্বামীর ঘর করতে চান না। বিজ্ঞ আদালত ওই দিনই মামলাটি খারিজ করে দিলেন। আইনত সুমীর মেয়েটি সাবালিকা হওয়া পর্যন্ত মায়ের হেফাজতেই থাকবে।

১৯৩৯ সালের মুুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনে অত্যন্ত— সুষ্পষ্টভাবে বলা হয়েছে কি কি কারণে একজন স্ত্রী আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারবে।
কারণগুলো হলো
১. চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে।
২. দুই বৎসর স্বামী স্ত্রীর খোরপোষ দিতে ব্যর্থ হলে।
৩. স্বামীর সাত বৎসর কিংবা তার চেয়েও বেশী কারাদ- হলে।
৪. স্বামী কোন যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিত তিন বছর যাবৎ দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে।
৫. বিয়ের সময় পুরষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বজায় থাকলে।
৬. স্বামী দুই বৎসর ধরে পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠ ব্যাধিতে বা মারাত্মক যৌন ব্যধিতে আক্রান্ত থাকলে।
৭. বিবাহ অস্বীকার করলে। কোন মেয়ের বাবা বা অভিভাবক যদি ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে মেয়ের বিয়ে দেন, তাহলে মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙ্গে দিতে পারে, তবে যদি মেয়েটির স্বামীর সঙ্গে দাম্পত্য সর্ম্পক (সহবাস) স্থাপিত না হয়ে থাকে তখনি কোন বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারে।
৮. স্বামী ১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লংঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে।
৯. স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে।
উপরে যে কোন এক বা একাধিক কারণে স্ত্রী আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারে। অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব স্ত্রীর। প্রমাণিত হলে স্ত্রী বিচ্ছেদের পক্ষে ডিক্রি পেতে পারে, আদালত বিচ্ছেদের ডিক্রি দেবার পর সাত দিনের মধ্যে একটি সত্যায়িত কপি আদালতের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানের কাছে পাঠাবে।
১৯৬১ সনের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী চেয়ারম্যান নোটিশকে তালাক সংক্রান্ত নোটিশ হিসেবে গণ্য করে আইনানুযায়ী পদক্ষেপ নিবে এবং চেয়ারম্যান যেদিন নোটিশ পাবে সে দিন থেকে ঠিক নব্বই দিন পর তালাক চূড়ান্তভাবে কার্যকর হবে।
স্বামীর আদালত স্বীকৃত নিষ্ঠুর ব্যবহার সমূহ
ক) অভ্যাসগতভাবে স্ত্রীকে আঘাত করলে বা নিষ্ঠুর আচরণ করলে, উক্ত আচরণ দৈহিক পীড়নের পর্যায়ে না পড়লেও, তার জীবন শোচনীয় করে তুলেছে এমন হলে।
খ) স্বামী খারাপ মেয়ের সাথে জীবনযাপন করলে।
গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করলে।
ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করলে।
ঙ) স্ত্রীকে ধর্মপালনে বাধা দিলে।
চ) একাধিক স্ত্রী থাকলে সকলের সাথে সমান ব্যবহার না করলে।
ছ) এছাড়া অন্য যে কোন কারণে (যে সকল কারণে মুসলিম আইনে বিয়ের চুক্তি ভঙ্গ করা হয়)।( কপিড)

21/10/2017

নোটিশ
------------------
এই পেজের এডমিনগণ বার কাউন্সিলের পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত থাকার দরুন নিয়মিত আইন বিষয়ক পোস্ট দিতে পারেন নাই বলে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
আজ থেকে আবার নিয়মিত পোস্ট দেওয়া হবে।
ধন্যবাদ সবাই কে।
সাথে থাকুন।

"""""""""" ফোনে আড়িপাতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা """"""""""""""""""""'বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে প্রাইভেসি রাইটস বা ব্য...
26/09/2017

"""""""""" ফোনে আড়িপাতা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তা """"""""""""""""""""'

বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে প্রাইভেসি রাইটস বা ব্যক্তির তথ্য সুরক্ষা ও গোপনীয়তা মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। ওই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনের দ্বারা আরোপিত বিধিনিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের যোগাযোগের উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার থাকবে। জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ঘোষণার ১৭ নাম্বার ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তির নিজস্ব গোপনীয়, পরিবার, বাড়ি ও অনুরূপ বিষয়কে অযৌক্তিক বা বেআইনি হস্তক্ষেপের লক্ষ্যবস্তু বানানো যাবে না, তেমনি তার সুনাম ও সম্মানের ওপর বেআইনি আঘাত করা যাবে না। এছাড়াও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণা (অনুচ্ছেদ ১২), জাতিসংঘের কনভেনশন অন মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স (অনুচ্ছেদ ১৪) এবং শিশু অধিকার সনদ (অনুচ্ছেদ ১৬)-তে ‘ব্যক্তিগত গোপনীয়তা’কে অধিকার হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইনেও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।

তবে এখানে লক্ষণীয় যে গোপনীয়তার এই অধিকারের ওপর আইনের মাধ্যমে বিধি-নিষেধ আরোপ করার সুযোগ দেয়া হয়েছে রাষ্ট্রকে। জনস্বার্থ, রাষ্ট্রের সংহতি প্রভৃতি কারণে রাষ্ট্রকে এই সুযোগ দেয়ার প্রয়োজন পড়তে পারে। আমাদের দেশেও বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১-এর মাধ্যমে সরকারকে প্রয়োজনে আড়িপাতার বৈধতা দেয়া হয়েছে।

আড়িপাতা আইনে যা আছে
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১-এ সরকারকে টেলিফোনে আড়িপাতার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে এ আইনের ৯৭ক ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন বা অন্য কোনো আইনে ভিন্নতর যা কিছুই থাকুক না কেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা জনশৃঙ্খলার স্বার্থে যে কোনো টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা ও কথোপকথন প্রতিহত, রেকর্ড ধারণ বা তৎসম্পর্কিত তথ্যাদি সংগ্রহের জন্য সরকার সময় সময় নির্ধারিত সময়ের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থার কোনো কর্মকর্তাকে ক্ষমতা দিতে পারবে এবং এ কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তা প্রদানের জন্য টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারীকে নির্দেশ দিতে পারবে এবং পরিচালনাকারী ওই নির্দেশ পালন করতে বাধ্য থাকবে।’ এই আইনে ‘সরকার’ বলতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বোঝানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমেই এ ধারা প্রযোজ্য হবে।

সরকারের তৎপরতা
বাংলাদেশে ল্যান্ডফোন, মোবাইল ও তারবিহীন পিএসটিএনসহ সব ধরনের টেলিফোন গ্রাহকের কথোপকথন, ভয়েস ও ডাটা রেকর্ড করা হচ্ছে। তবে তা সংরক্ষিত থাকছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য। সরকারের নির্দেশে ৬টি মোবাইল অপারেটর, বিটিসিএল ও ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জগুলো (আইসিএক্স) বাধ্যতামূলকভাবে এ রেকর্ড করছে। আন্তর্জাতিক কলের আদান-প্রদান রেকর্ড করছে আইসিএক্স। অভ্যন্তরীণ কলগুলো রেকর্ড করছে সংশ্লিষ্ট অপারেটর। একই সঙ্গে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থাও প্রতিদিন গড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার টেলিফোনের কথোপকথন ও ডাটা রেকর্ড করছে। এজন্য তাদের নিজস্ব মেশিনপত্র ও সরঞ্জমাদি রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এসব টেলিফোনে আড়িপাতছে গোয়েন্দারা। এজন্য একটি গোয়েন্দা সংস্থার কার্যালয়ে সাময়িকভাবে স্থাপন করা হয়েছে আড়িপাতার যন্ত্রপাতি। সেখানে পুলিশ, এসবি, এনএসআই আলাদা কক্ষে মুঠোফোন ও টিঅ্যান্ডটি ফোনে আড়িপাতছে। আড়িপাতার এই প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে আলাদা দপ্তরও করা হয়েছে।
সরকারের প্রয়োজনে রেকর্ডকৃত এসব ডকুমেন্ট থেকে সংশ্লিষ্টদের তথ্য প্রতিনিয়ত যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এসব ডকুমেন্টের সঙ্গে সরকারবিরোধী কোনো কর্মকা-, বোমাবাজি সংক্রান্ত কোনো কথা, জঙ্গি সংগঠন ও আন্তর্জাতিক পাচারকারী ও চোরাকারবারির সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। এছাড়া কথোপকথন ও এসএমএসগুলোতে অপহরণ, চাঁদাবাজি ও খুনের পরিকল্পনার সঙ্গে কারও কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সরকারি কর্তৃত্ব ছাড়া আড়িপাতা দণ্ডনীয়
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইনে কেবল সরকারকেই জনস্বার্থে আড়িপাতার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারের অনুমতি বা কর্তৃত্ব ছাড়া এ ধরনের কাজ করলে সেটি বেআইনি এবং দ-নীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। টেলিফোনে আড়িপাতার দ- সংক্রান্ত ৭১ ধারায় বলা হয়েছে, ব্যক্তি যদি অপর দুজন ব্যক্তির টেলিফোন আলাপে ইচ্ছাকৃতভাবে আড়ি পাতেন তাহলে প্রথমোক্ত ব্যক্তির এই কাজ হবে একটি অপরাধ এবং তার জন্য তিনি অনধিক ৬ মাস কারাদ-ে বা অনধিক ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

২০০৬ সালে এ ধারায় সংশোধনী এনে এর সঙ্গে অপর একটি প্যারা জুড়ে দিয়ে বলা হয়েছে, ‘তবে শর্ত থাকে যে, ধারা ৯৭ক-এর অধীন সরকার হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থার কোনো কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধান প্রযোজ্য হবে না।’ অর্থাৎ সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে সংস্থা বা যে কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেবে সে সংস্থা বা সে ব্যক্তি টেলিফোনে আড়িপাততে পারবেন।

আড়িপাতা আইনের প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ
বাংলালিকস নামের একটি ওয়েবসাইটে মাঝেমধ্যেই তুলে ধরা হচ্ছে নানা ধরনের টেলিফোন সংলাপ। বিভিন্ন রাজনীতিক ও সেলিব্রেটিদের টেলিসংলাপ ফাঁস করা হচ্ছে, যা আইনের চোখে গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি। টেলিযোগাযোগ আইন বিশেষজ্ঞ তানজীব-উল আলম একটি জাতীয় দৈনিকে এ ব্যাপারে তার অভিমত প্রকাশ করে বলেন, বাংলালিকস বা এ ধরনের সাইটগুলো যা করছে তা শতভাগ ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনে অপরাধ। তারা এসব অডিও কোথায় পাচ্ছে, সে বিষয়ে অনুসন্ধান প্রয়োজন। আড়িপাতার মাধ্যমে অন্যের টেলিফোন কথোপকথন রেকর্ড করার অধিকার সংশ্লিষ্ট সংস্থা ছাড়া অন্য কারো সুযোগ নেই।

আড়িপাতার বিষয়টির অপপ্রয়োগ নিয়ে চিন্তিত আইনজ্ঞ ও মানবাধিকারকর্মীরা। তাদের মতে, অন্যায়ভাবে কোনো ব্যক্তিগত বিষয়ে গোপনে অনুপ্রবেশ বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আড়িপাতা গ্রহণযোগ্য নয়। একটি জাতীয় দৈনিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান জানান, আড়িপাতার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট বিধিমালা থাকা উচিত। কখন কার টেলিফোনে আড়িপাতা হবে, সে সিদ্ধান্ত দেয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষ থাকতে হবে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রিতভাবে হতে হবে।

এদিকে টেলিফোনে আড়িপাতা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্বয়ংসম্পূর্ণ পৃথক দপ্তর করা হলেও তা এখনো চালু হয়নি। ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) নামে নতুন এ সংস্থাটি এখনও যাত্রা শুরু করতে পারেনি। ইতোমধ্যে এ দপ্তরের পদ সৃষ্টিসহ নিয়োগবিধি প্রণয়ন চূড়ান্ত হয়েছে।

দেশে দেশে আড়িপাতা
আড়িপাতার বিষয়টি নিয়ে বিশ্বব্যাপীও বিতর্ক রয়েছে। ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জৈল সিং রাষ্ট্রপতি ভবনের টেলিফোনে আড়িপাতার জন্য রাজীব গান্ধী সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলেন। ১৯৯০ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কথাবার্তা যখন চলছিল, সেই সময় চন্দ্রশেখরের টেলিফোনে আড়িপাতার অভিযোগ উঠেছিল। ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি নামে পরিচিত টেলিফোনে আড়িপাতার ঘটনায় ১৯৭৪ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে বিদায় নিতে হয়েছিল। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ন্ত্রণমূলক কাঠামো রয়েছে। একটি বিশেষ আদালতের অনুমতি ছাড়া সেখানে আড়িপাতা আইনত নিষিদ্ধ। এছাড়া রয়েছে সিনেটরদের নিয়ে গঠিত সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটি।

যুক্তরাষ্ট্রে যেসব বিতর্কিত আইনের ধারায় নাগরিকদের ফোনে আড়িপাতা ও তথ্য সংগ্রহের ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে চলতি বছরের মে মাসে। মার্কিন সিনেটে এ ব্যাপারে নতুন করে মতৈক্য না হওয়ায় আড়িপাতাসংক্রান্ত আইনের মেয়াদ নবায়ন সম্ভব হয়নি। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার পর জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাকে (এনএসএ) আবারো কোনো সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা এড়াতে ফোনে আড়িপাততে অনুমতি দিয়েছিল কংগ্রেস। প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট নামে পরিচিত ওই আইনের ২১৫ ধারাসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ধারার মেয়াদ ৩১ মে শেষ হয়ে যায়। ফলে আপাতত মার্কিন নাগরিকদের ফোনে আড়িপাতা বন্ধ রয়েছে।

কৃতজ্ঞতা : মারুফ আল্লাম

24/05/2016

এই পোষ্টে ১ মার্ক কনফার্ম করা হবে।

আন্তর্জাতিক দিবস মনে রাখার মজার কৌশলঃ

মে মাসঃ

ফর্মুলাঃ

৮ টি লাল ফুলের ১৮ টি জাদু দেখে অবাক ৩১ টি তামাক পাতা।

ব্যাখ্যাঃ

৮ মে= রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট দিবস

১৮ মে = আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস

৩১ মে = বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস

এবার আসি জুন জুলাই আগস্টে।

ফর্মুলাঃ

২৬ জন মাতাল ও ১১ জন জনগন, মাত্র ৯ আদিবাসীর সাথে হেরে গেল।

ব্যাখ্যাঃ

২৬ জুন = আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস

১১ জুলাই = বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস

৯ আগস্ট = বিশ্ব আদিবাসী দিবস

আরেকটা মাসে যাই,

সেপ্টেম্বরঃ

ফর্মুলাঃ

৮ বছরে স্বাক্ষর শিখে ১৬ বছরে বাড়ে ওজন,
২১ বছর শান্তি পায় নাই,২৮ এর তথ্যক্যাডার সুজন।

ব্যাখ্যাঃ

৮ = স্বাক্ষরতা দিবস
১৬ = ওজোন দিবস
২১= বিশ্ব শান্তি দিবস
২৮ = তথ্য জানার অধিকার দিবস।

মার্চ এপ্রিলের আরো কিছু দিবস কবিতা আকারে

৮ ই মার্চে নারী, গায়ে দিয়ে শাড়ি,

২১ শে মার্চে বর্ণ, মিছিলের অরন্য।

২২ মার্চে পানি, চাইল সুজনের নানী

২৩ মার্চের হাওয়া, নৌকা দুলে বাওয়া।

২৭ মার্চের নাট্য, ২ এপ্রিলের পাঠ্য।
এপ্রিলের সংবাদ কলাম!
মেধাস্বত্বের ২৬ গোলাম।

স্বাস্থ্য সেবায় ৭ কড়ি,
এপ্রিল মাস দিল ভরি,

হিমোফিলিয়া আর ম্যালেরিয়া
একে একে সামাল দিয়া,
পাড়া পড়শির এল বান
১৭- ২৫ এপ্রিল ঘুম যান।

হঠাৎ ঘুম ভাঙে হল খানখান
অনুভবে ২২ এপ্রিল, ধরিত্রীর টান।

২৩ শে এপ্রিলে গ্রন্থখানা, মাথায় দিল হেচকা টানা।

এপ্রিল মাস তবে হল শেষ
নৃত্য আমি জানি বেশ।

নৃত্য করি ২৯ পাক
মুখস্ত বিদ্যা নিপাত যাক।

অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বরঃ

অক্টোবরঃ

এল পহেলা অক্টোবর
চল নিই প্রবীনদের খবর।
দুই তারিখে গুনে গুনে
অহিংসা রাখ মনে।

তিন তারিখে হাসি এলে
মনের কোনে রেখোনা ফেলে।

ছেড়ে দাও বনের প্রানী
৪ তারিখ প্রানী দিবস মানি।

৫ তারিখে শিক্ষাগুরু
প্রথম সোমবার প্রতিবেশ শুরু।

৯ তারিখে এল ডাক
অক্টোবরে ঠেলা বাপ।

মনে রেখো খাদ্য দিবস খানা
দাগাতে হবে ষোল আনা।

১৭ তারিখ চেয়ারম্যান বাড়ি
দারিদ্র‍্যনির্মূল ব্যানার ছাড়ি,
পাঠাইতে হইবে উন্নত তথ্য
নাইলে দিবে গালি ২৪ কথ্য।

নভেম্বরে তাই থাকিও সহিষ্ণু
১৬ তারিখে পুজোরে বিষ্ণু।

আছে যত শিক্ষার্থী পুরুষ
১৭- ১৯ তাগড়া কুরুশ,

২০ শিশুর নিরাপত্তাবোধ
২৫ নারীর নির্যাতন প্রতিরোধ।

২৯ তারিখে প্যালেস্টাইন সংহতি ছাড়ি
৩০ কম্পিউটারের নিরাপত্তা চাই নারি।

এইডসের নিয়েছ কি খবর
দিবস তাহার পয়লা ডিসেম্বর।

দাস প্রথা গিয়াছ ভুলি
২ তারিখে মার গুলি।

প্রতিবন্ধি দেখিলেই ভাই
আদরে তিনটি গোলাপ চাই।

৫ তারিখে ডিসেম্বরে
মৃত্তিকার অপশনটি দিও ভরে।

৯ তারিখের ডিসেম্বর
দুর্নীতি মুক্ত বিশ্ব গড়।

১০ তারিখের অধিকার
বিশ্ব মানবধিকার।

অভিবাসী ভাই ডিসেম্বরে
১৮ তারিখ এল ঘুড়ে।

মানব সংহতি চাই চাই
২০ তারিখ দেখি মাররে ভাই।

গুরুত্বপুর্ন কিছু তারিখ বাদ পড়ে থাকলে কমেন্টে লেখুন। কবিতায় অ্যাড করে দিতে হবে। ধন্যবাদ।

Address

Dhaka
2233

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন ও আইনগত অধিকার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আইন ও আইনগত অধিকার:

Share