NU Global

NU Global NU Global Limited Provides all Types of Visas, Tours & Travel Related Service.

বৈশ্বিক শ্রমিক সংকট ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা। বিশ্বব্যাপী শ্রম সংকট একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা, যা বিভিন্ন খাত এবং অঞ্চলের জন্য ...
16/05/2026

বৈশ্বিক শ্রমিক সংকট ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা।

বিশ্বব্যাপী শ্রম সংকট একটি বৈশ্বিক বাস্তবতা, যা বিভিন্ন খাত এবং অঞ্চলের জন্য একটি গুরুতপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) এর ২০২৪ সালের তথ্য মতে, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৮৫ মিলিয়ন শ্রমিকের ঘাটতি তৈরি হবে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবা, প্রযুক্তি, নির্মাণ, উৎপাদন এবং পর্যটন খাতে এই ঘাটতি সর্বাধিক। যদি উপযুক্ত পদক্ষেপ না নেওয়া হয় আগামী বছরগুলোতে এই ঘাটতি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

শ্রম সংকটের কারণ
ক) বয়স্ক জনসংখ্যা- উন্নত দেশগুলোতে বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার বেড়েছে। যার ফলে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা কমে যাচ্ছে।
খ) দক্ষতার ঘাটতি- প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি হওয়ায় দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। দিন দিন তা তীব্র আকার ধারণ করছে।
গ) মহামারি পরবর্তী পরিবর্তন- কোভিড-১৯-এর পর সারাবিশ্বে শ্রমিকের সংকট আরও বেশি তীব্রতর হয়েছে, যা সামাল দিতে উন্নত দেশগুলো হিমশিম খাচ্ছে।
বিশ্বের যেসব খাতে শ্রমিকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি, তা হলো-

স্বাস্থ্যখাত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্যমতে, বিশ্বব্যাপী ১৫ মিলিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব রয়েছে।
ক) সাব-সাহারান আফ্রিকা- প্রতি ১০,০০০ জনে মাত্র ৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।
খ) উন্নত দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং ইউরোপে বয়স্ক জনসংখ্যার কারণে গেরিয়াট্রিক নার্স ও বিশেষজ্ঞদের চাহিদা বেড়েছে।
গ) মধ্যেপ্রাচ্য- বিভিন্ন দেশে বয়স্কদের সেবা ও নার্সিংয়ের জন্য ব্যাপকভাবে কেয়ার গিভার এর চাহিদা বেড়েছে।
২. প্রযুক্তি খাত- ডিজিটাল রূপান্তর এবং অও, ব্লকচেইন ও সাইবার সিকিউরিটির মতো প্রযুক্তির চাহিদা বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী ৪.৩ মিলিয়ন দক্ষ ওঞ কর্মীর অভাব রয়েছে।
৩. নির্মাণ খাত- বিশ্বব্যাপী ৫ মিলিয়ন শ্রমিকের অভাব রয়েছে, বিশেষত উন্নত অর্থনীতিতে।
৪. উৎপাদন খাত- বৈশ্বিক উৎপাদন প্রক্রিয়া চালাতে ১০ মিলিয়ন দক্ষ শ্রমিকের অভাব রয়েছে।
৫. পর্যটন খাত- বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (UNWTO) অনুযায়ী, ২০১৯ সালে পর্যটন খাতে ৩৩ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছিল, যা বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের প্রায় ৯ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী এই খাতে শ্রমিক সংকটের পরিমাণ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক পর্যটন সংস্থা (UNWTO) এবং অন্যান্য গবেষণা প্রতিষ্ঠানে তথ্য অনুসারে, শুধু ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার মতো দেশে পর্যটন খাতে প্রায় ১.৯ মিলিয়ন শ্রমিকের অভাব রয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (যেমন- থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া), লাতিন আমেরিকায় (যেমন- ব্রাজিল, মেক্সিকো), ভারত-চীনসহ অন্যান্য দেশে পর্যটন খাতে শ্রমিকের অভাব রয়েছে। যেমন- হোটেল কর্মী, রেস্তোরাঁ কর্মী, গাইড, ট্রাভেল এজেন্ট, লজিস্টিকস কর্মী এবং অন্যান্য পর্যটন সংশ্লিষ্ট পেশায় শ্রমিকের সংকট তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি শ্রমিকের চাহিদা যেসব আঞ্চলে রয়েছে

উত্তর আমেরিকা
ক) যুক্তরাষ্ট্রে ১.১ কোটি শূন্য পদ রয়েছে। স্বাস্থ্যসেবায় ২.১ মিলিয়ন এবং খুচরা খাতে ১.৫ মিলিয়ন কর্মীর অভাব।
খ) কানাডায় ১ মিলিয়ন শূন্য পদ, বিশেষত স্বাস্থ্যসেবা ও নির্মাণ খাতে।

ইউরোপ
ক) ইউরোপ সেনজেন ও নন সেনজেন বিভিন্ন দেশে শ্রমিক ঘাটতি ১২ মিলিয়ন। যার মধ্যে ৩.৫ মিলিয়ন স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২.৪ মিলিয়ন কৃষি শ্রমিকের অভাব। শুধু জার্মানিতেই ২০ লাখ দক্ষ কর্মীর ঘাটতি রয়েছে।
খ) ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রায় ১৫ লাখ শ্রমিক সংকট হয়েছে।

ইউরেশীয়া
রাশিয়া, জর্জিয়া, আর্মেনিয়া, বেলারুশ ও কিরগিজস্থানে প্রায় ২৫ লাখ দক্ষ শ্রমিকের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কারণ দেশগুলো সম্প্রতি ব্যাপক শিল্পায়নের প্রসার ঘটিয়েছে।

এশিয়া
ক) চীনের উচ্চপ্রযুক্তি শিল্পে পরিবর্তন আসায় উৎপাদন খাতে ৬ মিলিয়ন দক্ষ শ্রমিকের অভাব দেখা দিয়েছে।
খ) জাপানে ৪ মিলিয়ন খালি পদ রয়েছে, যার মধ্যে ২ মিলিয়ন স্বাস্থ্যকর্মী প্রয়োজন।
গ) দক্ষিণ কোরিয়ায় ১.৮ মিলিয়ন কর্মীর অভাব।

মধ্যপ্রাচ্য
ক) সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) নির্মাণ এবং স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ১৫ লাখ, সৌদি আরবে নির্মাণ, খনন, কৃষি ও স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ২৫ লাখ ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিকের শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে।
খ) কাতারে নির্মাণ খাতে ৬ লাখ, কুয়েতে নির্মাণ, কৃষি এবং পরিষেবা খাতে ৩ লাখ, ওমানে নির্মাণ ও কৃষি খাতে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিকের অভাব রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া
স্বাস্থ্যসেবা খাতে প্রায় ৫ লাখ, নির্মাণ খাতে ১ লাখ, কৃষি খাতে প্রায় ৩ লাখ, প্রযুক্তি খাতে প্রায় ১ লাখ, পর্যটন খাতে প্রায় ৫০ হাজার কর্মীর অভাব রয়েছে।

আফ্রিকা
ক) সাব-সাহারান আফ্রিকায় ৪.৩ মিলিয়ন স্বাস্থ্যকর্মীর অভাব।
খ) কৃষি ও খনিতে ২ মিলিয়ন শ্রমিক প্রয়োজন।

লাতিন আমেরিকা
ব্রাজিলে ২.৫ মিলিয়ন শ্রমিক এবং মেক্সিকোতে ১.২ মিলিয়ন শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে।

উন্নত বিশ্ব শ্রমিক সংগ্রহ করবে কোথা থেকে
এবার দেখা যাক, সব মিলিয়ে ৮৫ মিলিয়ন শ্রমিক সংকট মোটাবিলা করতে কোন কোন দেশের দিকে নজর দিতে হবে।
১) লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর দিকে।
২) আফ্রিকার দরিদ্রতম দেশগুলো থেকে।
৩) দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে।

বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সুযোগ
বাংলাদেশে বর্তমানে বেকারত্বের হার প্রায় ৪ শতাংশ হলেও ৪.২ মিলিয়ন তরুণ বেকার রয়েছে। প্রতিবছর গড়ে ২২ লাখ তরুণ-তরুণী কর্মক্ষম হয়ে শ্রমবাজারে আসছে। দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান হচ্ছে সরকারি-বেসরকারি মিলে ৫/৬ লক্ষ তরুণ-তরুণী। বাকি প্রায় ১৫-১৬ লাখ তরুণ-তরুণীকে বেকারত্ব বরণ করতে হচ্ছে। এই বিশাল যুবসমাজ বিশ্বব্যাপী শ্রম সংকট মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশের করণীয় ও পদক্ষেপ-
১) কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন।
ক) সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
খ) স্বাস্থ্যসেবা ও প্রযুক্তি খাতে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ চালু করতে হবে।
গ) বিশ্বমানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে বিদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলবে হবে।
২) ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি- ইংরেজি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ভাষা যেমন- জার্মান, জাপানি, ম্যান্ডারিন, রাশিয়ান শেখার ব্যবস্থা করতে হবে।
৩) বিশ্ব শ্রমবাজারে প্রবেশের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।
ক) শ্রম ঘাটতির দেশগুলোর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করে বাংলাদেশী কর্মীদের নিয়োগের সুযোগ তৈরি করতে হবে।
খ) বিদেশে কাজের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত বাংলাদেশী ওভারসীজ পার্টনারগুলোকে সঙ্গে নিয়ে উপযুক্ত পরিকল্পনা গড়ে তুলতে হবে।
গ) ইউরোপ মহাদেশীয় সেনজেন ও নন সেনজেন সকল দেশের দূতাবাস বা ভিসা সেন্টার বাংলাদেশে দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করতে হবে।
৪) পর্যাপ্ত তথ্যভাণ্ডার ও প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলবে হবে।
ক) জাতীয় শ্রম শক্তি ডাটাবেজ তৈরি করে দক্ষ যুবকদের তালিকা প্রস্তুত করে তুলবে হবে।
খ) দক্ষ কর্মীদের বিদেশে পাঠাতে বিশেষ প্লেসমেন্ট এজেন্সি গড়ে তুলবে হবে।
৫) সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।
ক) বিদেশে কর্মরত শ্রমিকদের রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
খ) দক্ষতা অর্জন শেষে বিদেশ ফেরত কর্মীদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো যাবে।
গ) শ্রীলঙ্কার দেউলিয়া অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে যেকোনো মূল্যে বিদেশে শ্রমিক রপ্তানি ও পর্যটন আকর্ষণের কৌশলকে উদাহরণ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশের বিশাল যুবসমাজ এবং বিশ্বব্যাপী শ্রম সংকটের বাস্তবতা আমাদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ। যদি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় যথাযথ পরিকল্পনা নিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষা শিক্ষা এবং বিশ্ব শ্রমবাজারে প্রবেশের দ্রুত উদ্যোগ নেয় তাহলে এটি শুধু আমাদের বেকারত্ব হ্রাস করবে না, বরং রেমিটেন্স বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে। এখানে আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো যুব শক্তি। এই শক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে সমন্বিত প্রয়াস, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং বৈশ্বিক সহযোগিতা অপরিহার্য।

লেখক: শহিদুল ইসলাম সাগর, চেয়ারম্যান, বিটিইএ, (জনশক্তি রপ্তানি ও পর্যটন কর্মী)

NU Global সব সময় ই যথাযতভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে কাজে যাওয়া উৎসাহিত করি। সেই লক্ষে @ NU Global এর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কো...
12/05/2026

NU Global সব সময় ই যথাযতভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে কাজে যাওয়া উৎসাহিত করি। সেই লক্ষে @ NU Global এর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কোর্সের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরির কাজ করে যাচ্ছে।
আপনিও পছন্দের যে কোন একটি ট্রেড বেছে নিন, প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রবাসে কাজে যান। বেতন অন্যান্য সুবিধায় এগিয়ে থাকুন।

এক ভদ্রমহিলা অস্ট্রেলিয়া যাবেন, পড়তে।উনার ব্যাংক সলভেন্সি দেখাতে হবে। ভিসা এজেন্সি উনাকে এক ব্যাংকারের নাম্বার দিলো।উনি ...
02/05/2026

এক ভদ্রমহিলা অস্ট্রেলিয়া যাবেন, পড়তে।

উনার ব্যাংক সলভেন্সি দেখাতে হবে। ভিসা এজেন্সি উনাকে এক ব্যাংকারের নাম্বার দিলো।

উনি ব্যাংকারকে হোয়াটসঅ্যাপে নক দিলেন। ব্যাংকার উনাকে আপু আপু করে ভাসিয়ে দিলো।

ব্যাংকার উনাকে বললো ৫৪ লাখ টাকার সলভেন্সি দেখাতে উনাকে ২৭০,০০০ টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হবে। আর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগবে।

মহিলা ব্যাংকারের কাছে খরচের ব্যাপারে ধারণা চাইলেন। ব্যাংকার বললো, প্রতি মাসে ১৫,০০০/- খরচ হবে। এর পাশাপাশি, সরকারের চার্জ আছে বছরে ১০,০০০/-

মহিলা আশ্বস্ত হলেন।

মহিলা কাগজপত্র দিলেন, বাবাকে নিয়ে শাখায় গেলেন। ব্যাংকার বাবার সই-স্বাক্ষর নিলো। একাউন্টে ২৭০,০০০/- টাকা জমা নিলো।

সেদিন রাতে ব্যাংকার মহিলাকে জানালো, পরদিনই মহিলার এফডি হয়ে যাবে। তবে, আর্জেন্ট বেসিসে কাজটা করার জন্য ২৩,০০০/- খরচ লাগবে।

মহিলা ২৩,০০০/- ব্যাংকারের বিকাশ একাউন্টে পাঠিয়ে দিলেন।

ব্যাংকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হোয়াটসঅ্যাপে দিয়ে দিলো। মহিলা সেগুলো এম্বেসিতে জমা দিয়ে দিলেন।

ভিসা প্রসেস চলতে লাগলো।

ছয় মাস পরে ব্যাংকার আবার মহিলাকে ফোন দিলো। বললো, লোন রিনিউ করতে হবে। ১০,০০০/- খরচ লাগবে।

মহিলা ১০,০০০/- ব্যাংকারের বিকাশে পাঠিয়ে দিলেন।

এর দুইমাস পর এক শুভদিনে, শুভক্ষণে মহিলার ভিসা চলে এলো। মহিলা তো খুশিতে আটখানা।

মহিলা কৃতজ্ঞতায় গদগদ হয়ে ব্যাংকারকে নক দিলেন, একাউন্ট ক্লোজ করতে চান।

ব্যাংকার একাউন্ট ক্লোজ করে উনাকে বললো, আপু, একাউন্ট ক্লোজ হয়ে গেছে।

এবার মহিলা বললেন, কতো টাকা খরচ হলো, ভাইয়া?

ব্যাংকার একটা স্টেটমেন্ট পাঠালো- মহিলার বাবার নামের একটা সেভিংস একাউন্টে ১৩,০০০/- আছে।

মহিলার তো মাথায় হাত!

উনি হিসাব করেছিলেন, ৮ মাসে ১২০,০০০ (১৫,০০০*৮) আর সরকারের চার্জ ১০,০০০; মোট ১৩০,০০০/- খরচ হবে। এখন দেখেন, খরচ হয়ে গেছে ২৫৭,০০০/-

মহিলা ব্যাখ্যা চাইলেন ব্যাংকারের কাছে।

ব্যাংকার এবার তার নখদন্ত বের করে ফেললো।

মহিলার প্রবাসী হাজবেন্ড ফোন দিলেন ব্যাংকারের কাছে, ব্যাংকার উলটো উনাকে হুমকি দিয়ে দিলো- দেশে থাকা পরিবারকে দেখে নেবে!

নিরুপায় হয়ে মহিলা গেলেন শাখায়। এইবার, ব্যাংকার মহিলাকে দেখে ভীষণ ক্ষিপ্ত হয়ে গেলো!

সে মহিলাকে হুমকি দিলো, অস্ট্রেলিয়ার এম্বেসিতে মেইল করে জানিয়ে দেবে যে, মহিলা লোন করে ফেইক এফডিআর দেখিয়েছেন। মহিলার ভিসা রিজেক্ট হয়ে যাবে, তিনি পারমামেন্টলি রেড ফ্ল্যাগড হয়ে যাবেন।

মহিলার তো মাথা খারাপ!

তার খরচ হয়ে গেছে দ্বিগুন টাকা।

তার বাবার নামে সেভিংস একাউন্টে শুধু ২৭০,০০০/- জমা হয়েছে। তিনি বিকাশে দুই দফায় যে ৩৩,০০০/- পাঠিয়েছেন, সেই টাকা ব্যাংকার আত্মসাৎ করে ফেলেছে...।

মহিলা আশা করে বসে ছিলেন, ব্যাংক থেকে ১৪০,০০০/- ফেরত পাবেন। সেটা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া গেলে প্রথম মাসের খরচটা চালানো যাবে।
এই ভোগান্তির গল্পটা বাস্তব। গোপনীয়তার স্বার্থে নাম পরিচয় প্রকাশ করলাম না।

বাংলাদেশের মানুষ কেমন পিশাচ, বোঝেন!

ব্যাংক বিশ্বাসের ব্যবসা করে। বিদেশে পড়তে যাবার জন্য সাহায্য চেয়ে একজন ব্যাংকারের কাছে এসেছে।

সে সিস্টেমে গ্রাহকের টাকাপয়সা আত্মসাৎ করে ফেলেছে! আর, এই সার্ভিস সম্পর্কে নিজের জ্ঞান না থাকার কারণে গ্রাহকের আরও অনেক টাকার ক্ষতি করে ফেলেছে।

গ্রাহকের এফডিআর ছিলো তিন মাসের। প্রথমবার গ্রাহক এফডিআর এর পুরো ইন্টারেস্ট পেয়েছেন। এরপরে এফডিআর রিনিউ হয়েছে। ছয় মাস পরে গ্রাহক এফডিআর এর ইন্টারেস্ট পেয়েছেন আবার। লোনের ইন্টারেস্ট দেবার পর উনার নীট এক লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছিলো।

কিন্তু, সাড়ে ৮ মাস পরে ব্যাংকার যখন গ্রাহকের এফডিআর ভাঙিয়ে ফেলেছে, এফডিআর প্রিম্যাচিউর এনক্যাশ করার কারণে এক টাকাও ইন্টারেস্ট পাননি গ্রাহক। লোনের ইন্টারেস্ট পাই-পাই করে দিতে হয়েছে।

ব্যাংকারের এই অজ্ঞানতা কিংবা অসাবধানতার কারণে গ্রাহকের অনেকগুলো টাকা নষ্ট হয়েছে।
আমি নিজে এক-দেড়শো মানুষের ব্যাংক সলভেন্সিতে সাহায্য করেছি।

প্রত্যেক গ্রাহককে খুঁটিনাটি বুঝিয়ে তারপর তার জন্য সুবিধাজনক শাখায় পাঠিয়েছি। ডকুমেন্টস এর চেকলিস্ট দিয়েছি। শাখার ম্যানেজারকে সবিস্তারে ইন্সট্রাকশন দিয়েছি।

গ্রাহককে বিস্তারিত সব বুঝিয়েছি। সময়ে সময়ে স্টেটমেন্ট আর সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।

গ্রাহকের প্রতিটি টাকা ব্যাংক একাউন্টে জমা করতে বলেছি। মেয়াদ শেষে তিনটা একাউন্ট (সেভিংস, এফডিআর, লোন) এর বিস্তারিত স্টেটমেন্ট দিয়েছি।

আমার কাছে যারা একবার সেবা নিয়েছেন, তারা এখন তাদের পরিচিতদের রেফার করছেন আমার কাছে।
ব্যাংকের এই সার্ভিস কিছুটা আনইথিক্যাল- এটা আমি খুব ভালো করে বুঝি। ব্যাংক এমন একজনকে টাকা আছে- সার্টিফিকেট দিচ্ছে, যার আসলে টাকা নেই।

কিন্তু, এই ছোট একটা অনিয়ম করে আমরা ব্যাংকাররা একটা আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল পরিবারের ছেলেকে বিদেশে পাঠাতে পারছি। সে ওখানে প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজের পরিবারকে সাপোর্ট দেবে- এরকম ভেবে সান্তনা পাই।

এই ঘটনা জানার পর আমার যে জিদ লেগেছে!

ভেবেছি, এই সার্ভিস দেওয়াই বন্ধ করে দেবো।

পরে মাথা ঠান্ডা হলো। ভাবলাম, আমি যদি এই সার্ভিস দেওয়া বন্ধ করি, তাহলে নিরুপায় মানুষগুলো নিশ্চয়ই এরকম ফ্রডের কাছে যাবে।

তাই, সলভেন্সি দেখানোর সলিউশন আমি আরও বেশি করে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
(C)

আপনার কিংবা আপনার পরিচিত কারও যদি এরকম সার্ভিস প্রয়োজন হয়, আমাদের NU Global সাথে যোগাযোগ করুন।

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা
14/04/2026

সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা

আইইএলটিএস ছাড়াই আইসিসিআর ফুল ফ্রি স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষা অর্জন করুন ভারতে।  এই স্কলারশিপে কোনো আবেদন ফি নেই। ১৫ এপ্রিল, ২...
09/04/2026

আইইএলটিএস ছাড়াই আইসিসিআর ফুল ফ্রি স্কলারশিপে উচ্চশিক্ষা অর্জন করুন ভারতে। এই স্কলারশিপে কোনো আবেদন ফি নেই। ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ আছে।
ভারতে উচ্চশিক্ষার জন্য অন্যতম জনপ্রিয় একটি বৃত্তি আইসিসিআর। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) প্রোগ্রামের অধীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এই বৃত্তি দেওয়া হয়। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষেও বৃত্তির জন্য আবেদন শুরু হয়েছে। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ আছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের নম্বরপত্র ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে। আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইংরেজিতে না থাকলে ইংরেজিতে অনুবাদ করে জমা দেওয়া যাবে। অনুবাদ ছাড়া কাগজপত্র গ্রহণ করা হবে না। আইসিসিআর বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের বার্ষিক ন্যূনতম ৫ লাখ ভারতীয় রুপির মেডিকেল বিমা করা বাধ্যতামূলক।
প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রায় ২০০ মেধাবী শিক্ষার্থী এই বৃত্তির মাধ্যমে পড়ার সুযোগ পেতেন। তাঁদের মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে ১৪০, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৪০ ও পিএইচডিতে ২০ জন। ২০২১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে ‘সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন’ অনুষ্ঠানে এসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘সুবর্ণজয়ন্তী স্কলারশিপ’ নামের একটি স্কিমের ঘোষণা দেন। এ ছাড়া ‘লতা মঙ্গেশকর ডান্স অ্যান্ড মিউজিক স্কলারশিপ’ নামেও একটি স্কিম আছে আইসিসিআর–এর অধীন। এই স্কিমের আওতায় আরও ৫০০ আসন বৃদ্ধি করা হয়। এই বৃত্তির আওতায় স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডির জন্য আবেদন করা যাবে।
বৃত্তির সুযোগ-সুবিধা:
১. এ বৃত্তি পেতে আবেদন করার জন্য কোনো ফি লাগবে না;
২. শিক্ষার্থীদের কোনো টিউশন ফি দিতে হয় না;
৩. কোর্স অনুসারে শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে স্টাইপেন্ড পাবেন। স্নাতকে ১৮ হাজার রুপি, স্নাতকোত্তরে ২০ হাজার রুপি ও পিএইচডির জন্য ২২ হাজার রুপি;
৪. শিক্ষার্থীরা আবাসন খরচ বাবদ প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ৫০০ রুপি পাবেন বা ভর্তির পর শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলে থাকার সুযোগ পাবেন।
৫. এ ছাড়া চিকিৎসাসহ অন্য সুবিধা পাওয়া যাবে।
_______________________________________________
আসসালামু আলাইকুম প্রিয় ভাই ও বোনেরা। বিদেশে উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত পোস্ট বা লেখা পেতে আমার আইডি Abdul Hakim ও পেজগুলো লাগা বিদেশ , Higher Study Abroad ফলো এবং লাইক দিয়ে রাখতে পারেন। সবাইকে স্বপ্নের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য শুভকামনা। জাযাকাল্লাহু খাইরান।
_______________________________________________
আবেদনের জন্য যোগ্যতা:
১. আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হতে হবে।
২. শিক্ষাগত যোগ্যতা:
Undergraduate: HSC বা সমমান পাশ
Postgraduate: Bachelor ডিগ্রি থাকতে হবে
PhD: Master’s ডিগ্রি থাকতে হবে।
৩. একাডেমিক রেজাল্ট ভালো থাকতে হবে (কমপক্ষে 50–60% বা তার বেশি)।
৪. ইংরেজি দক্ষতা: প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ইংরেজির দক্ষতা প্রমাণের জন্য ৫০০ শব্দে একটি প্রবন্ধ লিখতে হবে। টোয়েফল, আইইএলটিএসের স্কোরও জমা দিতে পারেন। যদিও তা বাধ্যতামূলক নয়।
৫. বয়স সীমা: UG: সাধারণত ১৮–২৫ বছর
PG: ২১–৩০ বছর,
PhD: ৪৫ বছরের মধ্যে (প্রোগ্রামভেদে ভিন্ন হতে পারে)।
৬. মেডিসিন, প্যারামেডিকেল (নার্সিং/ফিজিওথ্যাপারি/অবেদনবিদ), ফ্যাশন, আইন ইত্যাদি সংক্রান্ত কোর্স বাদে ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে।
৭. শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:
🔹 Academic Certificates & Transcripts
🔹 Passport Copy( কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
🔹 Passport Size Photo (সাম্প্রতিক তোলা)
🔹 CV / Resume
🔹 Statement of Purpose (SOP)
🔹2 Recommendation Letter
🔹 English Proficiency Proof : IELTS / TOEFL বাধ্যতামূলক না কিন্তু প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ইংরেজির দক্ষতা প্রমাণের জন্য ৫০০ শব্দে একটি প্রবন্ধ লিখতে হবে।
🔹 Medical Certificate
🔹 Research Proposal (শুধু Master’s by Research / PhD এর জন্য)
আবেদন পদ্ধতি:
আবেদন পদ্ধতিসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে NU Globalর সাথে যোগাযোগ করুনঃ

( ক্রেডিটঃ AHK)

গভীর সমুদ্র থেকে জীবিত ফেরা ছেলেটির  ভাষ্য শুনুনঃ "লিবিয়া থেকে মোট রওনা দিয়েছিল ৪৩ জন; এর মধ‍্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি। ১ জন ক...
29/03/2026

গভীর সমুদ্র থেকে জীবিত ফেরা ছেলেটির ভাষ্য শুনুনঃ

"লিবিয়া থেকে মোট রওনা দিয়েছিল ৪৩ জন; এর মধ‍্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি। ১ জন কিশোরগঞ্জের আর বাকি সবাই সিলেট অঞ্চলের ।

গন্তব্য গ্রীস। চুক্তি হয়েছিলো বড় নৌকায় উঠাবে। কিন্তু সাগর পাড়ে নিয়ে ছোট প্লাস্টিকের নৌকায় উঠিয়ে দেয় ৪৩ জনকে।

২ দিন লাগার কথা ছিল, সেই অনুযায়ী কিছুটা প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু পথ ভুলে গভীর সমুদ্রের দিকে চলে যায়, ফলে দিকভ্রান্ত হয়ে ঘুরতে থাকে। ২ দিন পর পানি ও খাবার ফুরিয়ে যায়। মানুষ সব দূর্বল হতে থাকে।

তৃতীয় দিন থেকে মানুষ ম/ রতে শুরু করে। ছোট নৌকায় ৪৩ জন মানুষ এর মধ‍্যে আবার নিজেদের ভাই ব্রাদারদের মৃত লা /‘শ। নিজের পেটে নাই খাবার, পিপাসায় মরে গেলেও নাই খাবার পানি, রাত দিন সব সমান, এমন অবস্থায় তাদের পরিস্থিতি কেমন ছিল? কল্পনা করেন তো?

এমন পরিস্থিতিতেও ভাই বন্ধুদের লা /^শ কোলের উপর রেখেছে ২ দিন। ইচ্ছে ছিল কিনারায় পৌঁছাতে পারলে কবর দিয়ে দিবে। কিন্তু সমুদ্রের লোনা পানির কারণে দ্রুত প/চে গিয়ে গন্ধ বের হওয়া শুরু হয়।

এদিকে নিজেরা প্রত‍্যেকে দূর্বল হতে শুরু করে। তখন বাধ‍্য হয়ে সব লা/শ পানিতে ফেলে দেয়।

৬দিন এভাবে ঘুরতে থাকার পর গ্রীসের কোস্টগার্ডের নজরে পড়ে, তারা এসে এদের উদ্ধার করে। একে একে ১৮ জন নিজেদের কোলে মা/রা যায়।

এদের সবাইই বাংলাদেশী। ভ/য়/ঙ্কর পার্ট হচ্ছে, এভাবে ইউরোপ পাড়ি দেয়ার জন‍্য লিবিয়া উপকূলবর্তী এলাকায় এখনো হাজার হাজার বাংলাদেশি অপেক্ষা করছে।"

সঠিক পথে বিদেশ যাওয়ার জন্য নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলুন। যে কোন একটি বিদেশি ভাষা ( প্রয়োজনীয়) এর সাথে একটা কাজে প্রশিক্ষন নিয়ে দক্ষতা অর্জন করলে তাকে অসৎ এবং বিপদ সংকুল পথ ধরতে হয় না।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা!
20/03/2026

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা!

 #স্বপ্ন যদি বিদেশে পড়াশোনা করা হয়, তাহলে বিদেশে গিয়ে সত্যিকার অর্থেই পড়াশোনায় মনোযোগ দিন! ভালো ফলাফল অর্জন করে নিজ...
17/03/2026

#স্বপ্ন যদি বিদেশে পড়াশোনা করা হয়, তাহলে বিদেশে গিয়ে সত্যিকার অর্থেই পড়াশোনায় মনোযোগ দিন!

ভালো ফলাফল অর্জন করে নিজের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে অনেকেই পড়াশোনার উদ্দেশ্যে গিয়ে পড়াশোনার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন টাকা উপার্জনের দিকে। সপ্তাহে ১৬ ঘণ্টা কাজের অনুমতি থাকলেও অনেকেই ৩২ ঘণ্টা কাজ করতে চান। ফলাফল পড়াশোনা ধীরে ধীরে গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।

এরপর দেখা যায়, একটি দেশের পড়াশোনা শেষ না করেই অন্য দেশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এম্বাসিতে বলা হয় পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে আসবেন, কিন্তু বাস্তবে অনেকেই দেশে ফেরেন না। এই ধরনের আচরণ শুধু নিয়ম ভঙ্গই নয়, বরং সামগ্রিকভাবে পরিবেশও নষ্ট করে।
এর ফলাফল কী?

ভিসা রিজেকশন। সাম্প্রতিক নেদারল্যান্ডস এম্বাসির ঘটনাই তার একটি বড় উদাহরণ। যখন কোনো দেশ আমাদের জন্য একটু সুযোগ তৈরি করে, তখন আমরা অনেকেই সেই সুযোগের অপব্যবহার করতে শুরু করি।
আপনি যদি স্টুডেন্ট ভিসায় বিদেশে যান, তাহলে সেই ভিসার মর্যাদা রাখার চেষ্টা করুন। নিয়ম মেনে কাজ করুন, সঠিক ও রিয়েল ডকুমেন্ট দিয়ে আবেদন করুন তাহলে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু যখন অসততার আশ্রয় নেওয়া হয়, তখনই সমস্যার সৃষ্টি হয়।

#স্বপ্ন ভেংগে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় তাদের, যারা সত্যিই পড়াশোনার উদ্দেশ্যে বিদেশে যেতে চায়। কিছু মানুষের অনিয়মের কারণে প্রকৃত শিক্ষার্থীরাও সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়।

ধীরে ধীরে অনেক দেশেই আমাদের জন্য সুযোগ সীমিত হয়ে যাচ্ছে। এর দায় আসলে আমাদেরই কারণ আমরা অনেক সময় সচেতন ও দায়িত্বশীল আচরণ করি না।

তাই অনুরোধ থাকবে আপনি যদি বিদেশে পড়াশোনা করতে চান, তাহলে পড়াশোনার উদ্দেশ্য নিয়েই যান।
#স্বপ্ন যদি মূল লক্ষ্য হয় কাজ করা ও অর্থ উপার্জন করা, তাহলে জব ভিসায় যান, বৈধভাবে কাজ করুন।
পরিবেশ ভালো রাখুন, দেশের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার চেষ্টা করুন।
(C)

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা: ফুল-ফান্ডিং ও স্কলারশিপ পাওয়ার গাইড১. ব্যাচেলর বা স্নাতক পর্যায়ের জন্য​ব্যাচেলর কোর্সে বড় স্কলারশিপ...
24/02/2026

আমেরিকায় উচ্চশিক্ষা: ফুল-ফান্ডিং ও স্কলারশিপ পাওয়ার গাইড

১. ব্যাচেলর বা স্নাতক পর্যায়ের জন্য

​ব্যাচেলর কোর্সে বড় স্কলারশিপ পেতে হলে আপনার হাইস্কুলের রেজাল্ট এবং টেস্ট স্কোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
​মেরিট স্কলারশিপ (Merit Scholarship): আপনার SAT/ACT স্কোর যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের গড় স্কোরের চেয়ে বেশি হয়, তবে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি টিউশন ফি-র বড় অংশ মাফ করে দেয়।
​পাবলিক ইউনিভার্সিটি: পাবলিক ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে আপনার একাডেমিক প্রোফাইল যদি তাদের টপ ৫% ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে থাকে, তবে আপনি Merit-based Full Scholarship পেতে পারেন, যা আপনার টিউশন ফি-র পুরোটা কভার করবে।
​আর্লি অ্যাপলিকেশন (Early Application): সাধারণত নভেম্বরের মধ্যে আবেদন করলে স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ অনেক বেড়ে যায়।
​২. মাস্টার্স বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্য

​TA বা RA হওয়া: প্রফেসরদের সাথে যোগাযোগ করে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট (TA) বা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট (RA) হিসেবে কাজ পেলে আপনার পুরো টিউশন ফি ফ্রি হয়ে যেতে পারে এবং আপনি প্রতি মাসে হাতখরচ (Stipend) পাবেন।
​ডিপার্টমেন্টাল ফান্ডিং: মাস্টার্সের টাকা সাধারণত মূল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নয়, বরং নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্ট থেকে আসে। তাই আবেদনের আগেই ঐ ডিপার্টমেন্টের প্রধানের সাথে যোগাযোগ করা জরুরি।
​টিপস:
​রেজাল্ট ভালো রাখা: GPA যত ভালো হবে, সুযোগ তত বাড়বে।
​SAT/GRE দেওয়া: স্কলারশিপের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে এই পরীক্ষাগুলো বড় ভূমিকা রাখে।
​সঠিক ইউনিভার্সিটি নির্বাচন: এমন সব ভার্সিটি খুঁজুন যারা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বেশি ফান্ডিং দেয়।

NU Global এর পরামর্শ:
USA ভ্রমণ বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে ভিসা করতে চাইলে এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন।
✅ আগেভাগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করুন
✅ প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ঠিকভাবে প্রস্তুত রাখুন
NU Global আপনার পাশে আছে —
ভিসা ফাইল প্রস্তুতি থেকে শুরু করে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং পর্যন্ত সম্পূর্ণ সহযোগিতা করি আমরা।
Head Office: Flat- 4F, House- 3/1, Block- F, (Lyceum Building) Opposite of Lalmatia Mohila Collage. Lalmatia, Dhaka.
Jashore Office: 217, West Barandi Para, Kodomtola road, Jashore.
01818640249, 01511-623867,

বর্তমান সময়ে সাইপ্রাস (Cyprus) হতে পারে আপনার ইউরোপ যাত্রার সেরা গেটওয়ে! যেখানে নামমাত্র IELTS বা কম স্কোরেও মিলছে ভিসা।...
21/02/2026

বর্তমান সময়ে সাইপ্রাস (Cyprus) হতে পারে আপনার ইউরোপ যাত্রার সেরা গেটওয়ে!
যেখানে নামমাত্র IELTS বা কম স্কোরেও মিলছে ভিসা।
আর সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, এটি খুব শীঘ্রই সেনজেন (Schengen) এর অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ
✅ কম GPA দিয়েও অ্যাপ্লাই করা যাবে
✅ Student Visa রেশিও প্রায় শতভাগ
✅ কম IELTS স্কোর থাকলেও সুযোগ রয়েছে
✅ পড়াশোনা ও থাকার খরচ পুরোপুরি বাজেটের মধ্যে
✅ দীর্ঘ গ্যাপের পরেও সুযোগ রয়েছে

# আগ্রহী প্রার্থীগন যোগাযোগ করুন:
01511-623867, +8801818640249, +8801712853119
🏪 হেড অফিসঃ ফ্লাট # ৪/এ, প্লট #৩/১( লাইসিয়াম বিল্ডিং), ব্লক # এফ, লালমাটিয়া, ঢাকা।
🏦 যশোর অফিসঃ ২১৭, পশ্চিম বারান্দী পাড়া কদম তলা রোড, যশোর।

Address

Flat/4F, House/3/1, Block/F, (Lyceum Building) Opposite Of Lalmatia Mohila Collage. Lalmatia Dhaka
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NU Global posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to NU Global:

Share