Vinnorokom.bd

Vinnorokom.bd ভিন্নরকম.বিডি

11/02/2024

এলএল.বি প্রিলিমিনারী
৫ম পত্র (সংবিধান) সাজেশন
পরীক্ষা : ১৬/০২.২০২৪

বাংলাদেশ সংবিধান....................................
১। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
২। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
৩। নির্বাচন কমিশন
৪। জাতীয় সংসদ ও সংসদ সদস্য
৫। আইন প্রণয়ন পদ্ধতি
৬। জরুরী অবস্থা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার
৭। বাংলাদেশ সংবিধান ও সংশোধন

বৃটিশ সংবিধান............................
১। বৃটিশ সংবিধান ও সাংবিধানিক রীতিনীতি
২। বৃটিশ মন্ত্রী, ম্যাগনাকার্টা
৩। কমন্স সভা ও লর্ড সভা
৪। আইন প্রণয়ন পদ্ধতি

আমেরিকা সংবিধান......................................
১। বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনা
২। ক্ষমতা পৃথকীকরণ বা সাতন্ত্রীকরণ
৩। সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি
৪। প্রেসিডেন্ট ও সিনেট।

12/10/2022

সারা দেশের যে কোন স্থান থেকে Online এ কোর্সটি সম্পন্ন করা যাবে।

08/08/2020

এলএল.বি প্রিলিমিনারী বিষয়সমূহ ও মানবন্টন : ১। এলএল.বি প্রিলিমিনারী বিষয়সমূহের নাম কেন জানতে হবে? ২। এলএল.বি প্রি...

02/05/2020

প্যারোলে মুক্তি:
================
প্যারোল (Parole) এর অর্থ হলো- নির্বাহী আদেশে মুক্তি।
কোনো কয়েদী বা হাজতি আসামীকে শর্তাধীনে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মুক্তি প্রদান করা হলে তাকে প্যারোলে মুক্তি বলে।
প্যারোলে জামিন দেয়া হোক বা মুক্তি দেওয়া হোক তা খুবই সাময়িক সময়ের জন্য। আসামীকে পুলিশের হেফাজতে যেতে দেওয়া হয় এবং উদ্দেশ্য শেষ হলে উক্ত পুলিশ প্রহরায় পুনরায় তাকে জেলে প্রেরণ করা হয়।
ফৌজদারী কার্যবিধিতে প্যারোলে জামিন বলে কোন কথা উল্লেখ নেই। অন্তবর্তীকালীন জামিন হিসাবে ধারা ৪৯৮ এর ব্যাখ্যায় প্যারোলে মুক্তির বিধান নিহিত আছে।
যেমনঃ কোন আসামীর পিতা, মাতা বা কোন নিকট আত্মীয় মারা গেলে তাকে জানাজায় অংশগ্রহণ করার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।
প্যারোলে মুক্তির সময়সীমা সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টা।
এর চেয়ে বেশি সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া যাবে না।
প্যারোলে মুক্তি নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করা নতুন নীতিমালায় এ কথা বলা হয়েছে।
নতুন নীতিমালায় কী কারণে বন্দী প্যারোলে মুক্তি পাবেন, সে সম্পর্কেও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বন্দীর মা–বাবা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুর কারণে প্যারোলে মুক্তি পাবেন।
আগে রক্তের সম্পর্কের অন্য আত্মীয়দের জন্য কারাগারের বন্দীরা প্যারোলে মুক্তি পেতে পারতেন।
নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো অজুহাতেই বন্দীকে ১২ ঘণ্টার বেশি মুক্তি দেওয়া যাবে না।
কারাগারের সামনে থেকে প্যারোলে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রহণ করার পর ১২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে কারাগারে পৌঁছে দিতে হবে।
কেন্দ্রীয়, জেলা বা সাব–জেল কর্তৃপক্ষ প্যারোল অনুমোদন করবে।
তবে আদালত ও সরকারের নির্দেশে কাউকে প্যারোল দেওয়া হলে সে ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুমোদন করবে।

এলএল.বি (LL.B) ভাইভা : প্রয়োজনীয় টিপস্================================সাধারণ বিষয় :------------------** নির্দিষ্ট ড্রেসক...
16/12/2019

এলএল.বি (LL.B) ভাইভা : প্রয়োজনীয় টিপস্
================================
সাধারণ বিষয় :
------------------
** নির্দিষ্ট ড্রেসকোড মেনে ভাইভা বোর্ডে যেতে হবে।
যেমন : কালো কোর্ট, সাদা শার্ট, কালো/সাদা প্যান্ট, কালো টাই, কালো জুতা।
মেয়েরা উপরোক্ত ড্রেসকোড মানবে অথবা সাদা সালোয়ার কামিজের উপর কালো কোর্ট পরলেই চলবে।
** কোন এ্যাডভোকেট এর নাম বলতে হলে প্রথমে ‘লার্নেড’ বলতে হবে। যেমন : লার্নেড এ্যাডভোকেট .............
** কোন অবস্থাতেই কোন বিষয় নিয়ে বাক-বিতন্ডায় জড়ানো যাবে না। অথবা নিজেকে ক্ষমতাবান ব্যক্তি হিসেবে পরিচয় দেয়া যাবে না।

সাধারণ প্রশ্ন :
-----------------
প্রশ্ন : আপনার নাম কি?
উত্তর : সার্টিফিকেট অনুযায়ী নাম বলতে হবে।
প্রশ্ন : আপনার কলেজের নাম কি?
উত্তর : ঢাকা ল’ কলেজ।
প্রশ্ন : আপনার কলেজ কোথায় অবস্থিত?
উত্তর : ২৪/১ তোপখানা রোড, সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
প্রশ্ন : আপনার কলেজের অধ্যক্ষের নাম কি?
উত্তর : লার্নেড এ্যাডভোকেট এ.কেএম. মনিরুজ্জামন।
প্রশ্ন : আপনি কি পাশ করে এসেছেন/আপনার কোর্স এর নাম কি?
উত্তর : এলএল.বি (LL.B)।
প্রশ্ন : এলএল.বি অর্থ কি?
উত্তর : ব্যাচেলর অব লস (Bachelor of Laws)
****** নোট : LL.B লিখতে অনেকেই ভুল করেন। বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে- প্রথম L এর পরে ফুলস্টপ হবে না, দ্বিতীয় L এর পরে ফুলস্টপ হবে।
*** প্রথম L এর পরে ফুলস্টপ না থাকার কারণ :
আমরা জানি – LL.B অর্থ- Bachelor of Laws.
রোমান শব্দ Baccalaureus এবং Legum থেকে Bachelor of Laws এর উৎপত্তি।
Bachelor শব্দটি এসেছে রোমান Baccalaureus থেকে।
আর Laws এসেছে রোমান শব্দ Legum থেকে।
Legum এর ইংরেজি হলো Laws যার বাংলা অর্থ- আইনসমূহ।
রোমান ভাষা অনুযায়ী একবচনমূলক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখতে সেই শব্দের প্রথম অক্ষর ১ বার লিখতে হয়।
আর বহুবচনমূলক শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখতে সেই শব্দের প্রথম অক্ষর ২ বার লিখতে হয়।
Legum যেহেতু বহুবচনমূলক শব্দ, সেহেতু এর সংক্ষিপ্ত রূপ লিখতে প্রথম অক্ষর L দুইবার লিখতে হয়।
অর্থাৎ ২টা L দিয়ে Legum বোঝানো হয়। যারজন্য প্রথম L এর পরে ফুলস্টপ হয় না।

Legum এর একবচন হলো Lex.
Lex এর ইংরেজি Law. যার বাংলা অর্থ- আইন।

প্রশ্ন : বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নাম কি?
উত্তর : মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব আব্দুল হামিদ এ্যাডভোকেট।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের আইনমন্ত্রীর নাম কি?
উত্তর : মাননীয় মন্ত্রী জনাব আনিসুল হক এ্যাডভোকেট।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির নাম কি?
উত্তর : মাননীয় প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসাইন এ্যাডভোকেট।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেলের নাম কি?
উত্তর : লার্নেড এ্যাডভোকেট জনাব মাহবুবে আলম।
প্রশ্ন : বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম কি?
উত্তর : বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট।
প্রশ্ন : সুপ্রিমকোর্ট এর কয়টি অংশ?
উত্তর : সুপ্রিমকোর্ট এর ২টি অংশ। (১) আপীল বিভাগ, (২) হাইকোর্ট বিভাগ।
প্রশ্ন : বাংলাদেশ বার কাউন্সিল ও বার এসোসিয়েশন সম্পর্কে কি জান।
উত্তর :
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল :
------------------------------
সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবীদের সমন্বয়ে গঠিত পরিষদকে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল বলে।
এটি সরকার কর্তৃক গঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। ১৫ জন সদস্য নিয়ে বার কাউন্সিল গঠিত হয়।
পদাধিকার বলে বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। বাকী ১৪ জন সদস্য আইনজীবীদের ভোটে নির্বাচিত হন। নির্বাচিত ১৪ জন সদস্য একজন ভাইস-চেয়াম্যান নির্বাচিত করেন। বার কাউন্সিলের কমিটির মেয়াদ- ৩ বছর।
বর্তমান সহ-সভাপতি- লার্নেড এ্যাডভোকেট জনাব ইউসুফ হোসাইন হুমায়ুন।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সমগ্র বাংলাদেশের আইনজীবীদের সনদ প্রদান করে।
বার কাউন্সিল সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবীদেরও সনদ প্রদান করে।
আবার আইনজীবীদের বহিস্কার করার ক্ষমতাও বার কাউন্সিলের।
বার এসোসিয়েশর :
------------------------
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশের প্রত্যেক জেলার আইনজীবীদের সমিতিকে বার এসোসিয়েশন বলে।
অর্থাৎ প্রত্যেক জেলায় বার এসোসিয়েশন রয়েছে।
ঢাকায় মোট ৩টি বার এসোসিয়েশন রয়েছে। (১) সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশন, (২) ঢাকা বার এসোসিয়েশন, (৩) ঢাকা মেট্রো বার এসোসিয়েশন।
** সুপ্রিমকোর্ট বার এসোসিয়েশনও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীন/নিয়ন্ত্রিত একটি সমিতি।
বার এসোসিয়েশন এর কমিটির মেয়াদ ১ বছর।
প্রশ্ন : এলএল.বি প্রথম পর্ব / প্রথম বর্ষের বিষয়গুলোর নাম বলেন।
উত্তর :
প্রথম পত্র : আইনবিজ্ঞান (Jurisprudence), বিষয় কোড-৫০১
দ্বিতীয় পত্র : চুক্তি আইন ও টর্ট আইন (Law of Contract & Law of Tort), বিষয় কোড-৫০২
তৃতীয় পত্র : মুসলিম আইন (Muslim Law), বিষয় কোড-৫০৩
চতুর্থ পত্র : ইকুইটি আইন, ট্রাস্ট আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ও হিন্দু আইন (Equity Law, Trast Law Specific Relief Act & Hindu Law), বিষয় কোড-৫০৪
পঞ্চম পত্র : সাংবিধানিক আইন (Constitutional Law), বিষয় কোড-৫০৫
ষষ্ঠ পত্র : বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬ (Labour Laws of Bangladesh), বিষয় কোড-৫০৬
সপ্তম পত্র : রাজস্ব আইন (Law of Taxation), বিষয় কোড-৫০৭
প্রশ্ন : এলএল.বি দ্বিতীয় বর্ষ / শেষ বর্ষের বিষয়গুলোর নাম বলেন।
উত্তর :
প্রথম পত্র : সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আইন (Transfer of Property Act. & Intellectual Property Act.), বিষয় কোড-৫১৩১০১
দ্বিতীয় পত্র : দেওয়ানি কার্যবিধি ও তামাদি আইন (The Code of Civil Procedure & The Limitation Act.),বিষয় কোড-৫১৩১০৩
তৃতীয় পত্র : ফৌজদারি কার্যবিধি ও দণ্ডবিধি (The Code of Criminal Procedure & The Penal Code), বিষয় কোড-৫১৩১০৫
চতুর্থ পত্র : সাক্ষ্য আইন (The Evidence Act), বিষয় কোড-৫১৩১০৭
পঞ্চম পত্র : আন্তর্জাতিক আইন (International Law), বিষয় কোড-৫১৩১০৯
ষষ্ঠ পত্র : কোম্পানি আইন ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ী আইন (Company Law & Business Law of Bangladesh), বিষয় কোড-৫১৩১১১
সপ্তম পত্র : ভূমি আইন, রেজিষ্ট্রেশন আইন ও সরকারি দাবী আদায় আইন (Land Law, Registration Law & PDR Act ), বিষয় কোড-৫১৩১১৩
অষ্টম পত্র : (i) ড্রাফটিং এণ্ড প্রফেশনাল এথিকস (ii) ট্রায়াল এ্যাডভোকেসি এণ্ড ভাইভা-ভোসি। বিষয় কোড-৫১৩১১৫
** দ্বিতীয় বর্ষের কোড নাম্বার – ৫১৩ সকল সাবজেক্টে কমন। এর সাথে যথাক্রমে বিজোড় সংখ্যা ১০১, ১০৩, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১১, ১১৩, ১১৫. বসাতে হবে। এখানে কোন জোড় সংখ্যা নেই।

***** মায়ের সম্পদ কে বেশি পাবে?
মায়ের সম্পদ কে বেশি পাবে ? ছেলে নাকি মেয়ে? এ প্রশ্ন করা করা হলে আজও অনেকে দ্বিধায় পড়ে যান।
কেউ বলেন মেয়েরা বেশি পাবে। আবার কেউ বলেন ছেলে-মেয়ে সমান পাবে। কিন্তু এ ধারণা ভুল।
পবিত্র কোরআনের সূরা আন নিসার ১১ নং আয়াতে বলা হয়েছে : “আল্লাহ তোমাদের সন্তান সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন- এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার সমান...।”
এখানে আল্লাহ তায়ালা পিতা বা মাতা যে কোন একজনকে নির্দিষ্ট করে বলেননি। কেউ মারা গেলে তিনি পিতা হোক বা মাতা হোক তার সন্তানগণ “এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার সমান” এই অনুপাতে অংশ পাবে। এটি হলো উপরের আয়াতের মূল বক্তব্য।
সুতরাং কোন পিতা মারা গেলে তার সন্তানগণ যে অনুপাতে সম্পদ পেয়ে থাকেন, মাতা মারা গেলেও তার সন্তানগণ সেই অনুপাতে সম্পদ পাবেন। অর্থাৎ মায়ের সম্পদের ক্ষেত্রেও “এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার সমান” এই অনুপাত প্রযোজ্য হবে। (সূত্র : প্যারামাউন্ট ল’ সহায়িকা-017 456 9999 3, 019 77 38 39 32)
** প্রত্যেক বিষয়ের উপর বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন পড়তে হবে।
এলএল.বি প্রথম বর্ষ ও শেষ বর্ষের বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন ও উত্তরের জন্য ভিজিট করুন-

24/07/2019

মায়ের সম্পদ কে বেশি পাবে?
==================
মায়ের সম্পদ কে বেশি পাবে ? ছেলে নাকি মেয়ে?
এ প্রশ্ন করা করা হলে আজও অনেকে দ্বিধায় পড়ে যান।
সেদিন ক্লাসে যখন এ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হলো তখন ছাত্র-ছাত্রীরা তিনভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। কেউ বললো মায়ের সম্পদ মেয়ে বেশি পাবে, কেউ বললো ছেলে বেশি পাবে। আবার কেউ কেউ বললো ছেলে ও মেয়ে সমান অংশ পাবে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে যারা ল’ পড়েন তাদের মিনিমাম কোয়ালিফিকেশন হলো গ্রাজুয়েশন। সেদিন আমার ক্লাসে যারা ছিল তাদের সকলেই ছিল পোস্ট গ্রাজুয়েট হোল্ডার।
অবাক হতে হলো মাস্টারস কমপ্লিট করা স্টুডেন্টদের ভিন্ন ভিন্ন মত দেখে।

সম্পদ বন্টনের ক্ষেত্রে যিনি ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেছেন বা যার পরিত্যাক্ত সম্পদ বন্টন করা হবে তিনি পুরুষ ছিলেন নাকি নারি ছিলেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং মৃত ব্যক্তির যে সকল ওয়ারিশ জীবিত রয়েছেন তারা কে পুরুষ কে নারি এটা গুরুত্বপূর্ণ।

পবিত্র কোরআনের সূরা আন নিসার ১১ নং আয়াতে বলা হয়েছে : “আল্লাহ তোমাদের সন্তান সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন- এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার সমান...।”

এখানে আল্লাহ তায়ালা পিতা বা মাতা যে কোন একজনকে নির্দিষ্ট করে বলেননি। কেউ মারা গেলে তিনি পিতা হোক বা মাতা হোক তার সন্তানগণ “এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার সমান” এই অনুপাতে অংশ পাবে। এটি হলো উপরের আয়াতের মূল বক্তব্য।

সুতরাং কোন পিতা মারা গেলে তার সন্তানগণ যে অনুপাতে সম্পদ পেয়ে থাকেন, মাতা মারা গেলেও তার সন্তানগণ সেই অনুপাতে সম্পদ পাবেন। অর্থাৎ মায়ের সম্পদের ক্ষেত্রেও “এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার সমান” এই অনুপাত প্রযোজ্য হবে।
(সূত্র : প্যারামাউন্ট ল’ সহায়িকা)

23/07/2019

আদালতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দ
======================
আপীল (Appeal): নিম্ন আদালতের রায়ের পুনর্বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন করা।

আরবিট্রেশন (Arbitration): বিবাদকারী দুই দলের অনুমোদিত নির্দলীয় কোন তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে কলহের বিচার - যার রায় বিবাদকারীরা মানতে স্বীকৃত।

এলিবাই (Alibi): অপরাধ সংঘটিত হবার সময় অভিযুক্তের অন্য কোথাও থাকার দাবী।

ইনটারলোকিউটরি (Interlocutory): অস্থায়ী, অন্তর্বতী কালের জন্য।

উইল (Will) বা ইচ্ছাপত্র: কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার ধনসম্পত্তি কি ভাবে বণ্টন করা হবে - সে বিষয়ে তাঁর ইচ্ছাপত্র।

ইনটেস্টেট (Intestate): যে ব্যক্তি উইল বা ইচ্ছাপত্র না লিখে মারা গেছে - তার স্ট্যাটাস বা অবস্থা।

একস্‌ট্রাডিশান (Extradition): অভিযুক্ত ব্যক্তিকে একটি আইন-এলাকা (রাজ্য, রাষ্ট্র, ইত্যাদি) থেকে অন্য আইন-এলাকায় হস্তান্তরিত করা।

এনট্র্যাপমেন্ট (Entrapment): কাউকে অন্যায় কর্মে প্রণোদিত করা - যাতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।

এফ.আই.আর. (F.I.R.): এটি ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। কোন অপরাধ সংঘটিত হবার পর আক্রান্ত ব্যক্তি বা অন্য কেউ সেই সম্পর্কে থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে অভিযোগ জানালে - অফিসারের দায়িত্ব সেটিকে নথিভুক্ত করা। সেই লিখিত রিপোর্টটি হল এফ.আই.আর। এর ভিত্তিতে পুলিশের তার অনুসন্ধান শুরু করে।

এফিডেভিট (Affidavit): হলফপত্র বা শপথনামা: শপথ দেওয়ানোর ক্ষমতা আছে এমন কোনও লোকের সামনে স্বেচ্ছায় শপথপূর্বক লিখিত বিবৃতি দাখিল করা।

এমবেজেলমেণ্ট (Embezzlement) বা তহবিল তছরুপ: বিশ্বাস ভঙ্গ করে কারোর গচ্ছিত অর্থ বা সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাত করা।

ওয়ারেণ্ট (Warrant): সাধারণ ভাবে কাউকে আটক করা বা কোথাও তল্লাসী চালাবার জন্য পুলিশকে দেওয়া আদালতের হুকুম। আদালতের কাছে থেকে এই ওয়ারেণ্ট বার করার জন্য পুলিশকে আটক বা তল্লাসী চালানোর প্রয়োজনীয়তা তথ্য সহযোগে আদালতে পেশ করতে হয়।

কনটেমপ্ট অফ কোর্ট (Contempt of Court) বা আদালতের অবমাননা: ইচ্ছাকৃত ভাবে বিচারকের আদেশ বা বিচার-বিভাগীয় হুকুম অমান্য করা।

কনভেয়্যান্স (Conveyance): কোনও জমির সত্ব এক বা একাধিক লোকের হাত থেকে অন্য হাতে যাওয়ার দলিল।

করপাস ডেলিকটি (Corpus delicti): যার ওপর অপরাধ সংঘটিত হয়েছে - তার বস্তু-অবশেষ উদ্ধার করা। যেমন, খুনের লাস বা পুড়িয়ে দেওয়া বাড়ির দগ্ধাবেশেষ, ইত্যাদি।

কুইড প্রো কো (Quid pro quo): এই ল্যাটিন শব্দটির অর্থ - 'কিসের জন্য কি' বা 'কিছুর জন্য কিছু'। অর্থাৎ, কিছু পেতে হলে কিছু দিতে হয়। কোন কণ্ট্র্যাক্ট পালন বাধ্যতামূলক হয় যখন দুই পক্ষের মধ্যে মূল্যবান কোন বস্তুর আদান-প্রদান ঘটে। সেইজন্য যখন কোনো কোম্পানী তাদের নতুন তৈরী করা জিনিষ বাজারে বিক্রি করার আগে পরীক্ষা করার জন্য লোকদের ব্যবহার করতে দেয়, তখন তার জন্য সাধারণত টাকা নেয় না। এই জন্য যে, সেই বস্তু কাজ না করলেও তার জন্য ব্যবহারকারীদের আইনত কিছু করার থাকে না।

কোডিসিল (Codicil): উইল বা ইচ্ছাপত্রের সংশোধন।

ক্যাপিটল ক্রাইম (Capital crime): যে অপরাধের দণ্ড হল মৃত্যু।

ক্রিমিন্যাল ইনস্যানিটি (Criminal insanity): ভালো ও মন্দের তফাৎ বোঝার অক্ষমতা; কোনও কিছু করার বা করা থেকে বিরত হবার মানসিক অক্ষমতা।

ক্লাশ একশন (Class action): যে মামলা এক বা একাধিক লোক একটি সমগ্র দলের হয়ে আদালতে আনে।

জয়েণ্ট এণ্ড সেভারেল লায়াবিলিটি (Joint and several liability): আইনের একটি ভাষা, যার অর্থ দুর্ঘটনার জন্য কোন দল দায়ী হলে, সেই দলের প্রত্যেকটি ব্যক্তি আলাদাভাবে পুরো ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে - যদি অন্য কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অসমর্থ হয়।

জয়েন্ট টেনানসি(Joint tenancy): যুগ্মভাবে সম্পত্তির মালিকানা (একে অনেক সময়ে 'সার্ভাইভারশিপ' বলা হয়)। এক্ষেত্রে একজন মালিকের মৃত্যু হলে, অন্যজন সম্পাত্তির পুরো মালিকানা পায়।

জাজমেণ্ট (Judgement) বা রায়: মামলায় দুই পক্ষের বক্তব্য ও সাক্ষ্য প্রমাণ শোনার পর বিচারক তাঁর যে সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে প্রকাশ করেন।

জুভেনাইল ডেলিনকোয়েন্সি (Juvenile delinquency): বালক-বালিকাদের করা অপরাধ।

ডমিসাইল (Domicile): স্থায়ী বাসস্থান।

ডিফেমেশন (Defamation): মানহানি।

ডিসকভারি (Discovery): মামলা শুরু হবার আগে তার সম্পর্কিত ঘটনাসমূহ ও তথ্যাদি জানার উপায়গুলি।

ডিসমিস্যাল (Dismissal): মামলার খারিজ।

নেগলিজেন্স (Negligence): সাধারণভাবে একজন বিচারবুদ্ধি-সম্পন্ন পরিণামদর্শী লোক যে সাবধনতা অবলম্বন করবে সেটা না করা।

নোটারি পাবলিক (Notary Public): সরকারী কর্মচারী যার কাজ হল লোককে শপথ করানো, স্ট্যাম্প পেপারে লিখিত কাগজে কেউ সই করার পর সেটিতে সই করে তাকে প্রামাণিক করা, ইত্যাদি।

পেটেণ্ট (Patent): উদ্ভাবকদের দেয় অধিকার - যার বলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাঁর উদ্ভাবন বিনা অনুমতিতে অন্য কেউ তৈরী, ব্যবহার বা বিক্রি করে লাভবান হতে পারে না।

প্লি (Plea): আদালতে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির নিজের স্বপক্ষে প্রথম উচ্চারিত কথা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের উত্তরে সে নিজেকে, 'দোষী' বা 'নির্দোষী' বলতে পারবে।

প্লি বার্গেইনিং (Plea bargaining): ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সরকারী পক্ষের একটা সমঝোতায় আসার জন্য আলোচনা। এর উদ্দেশ্য দীর্ঘস্থায়ী মামলা (যার ফল অনিশ্চিত) না চালিয়ে দুপক্ষেরই সময় ও অর্থের সাশ্রয় করা। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তি সাধারণত অপেক্ষাকৃত কম অপরাধের জন্য নিজেকে দোষী বলে স্বীকার করে ও সরকার তার অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ ফিরিয়ে নেয়। কিন্তু বিচারক এই সমঝোতা অগ্রাহ্য করে মামলা চালাবার নির্দেশ দিতে পারেন।

পাওয়ার অফ এটোর্নি (Power of attorney): একটি দলিল - যার ভিত্তিতে একজনের হয়ে দলিলে উল্লেখিত বিভিন্ন কাজ অন্য কেউ করতে পারে।

Address

230 New Elephant Road
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vinnorokom.bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Vinnorokom.bd:

Share

Category