Barrister Rakib Raihan Robin

Barrister Rakib Raihan Robin Passionate about justice and dedicated to upholding the law in Bangladesh.

Advocating for fairness, equality, and the rights of individuals.

🐯 A Historic Victory for the Tigers! 🇧🇩🏏What a moment for Bangladesh cricket!Bangladesh have defeated Australia by 9 wic...
16/08/2026

🐯 A Historic Victory for the Tigers! 🇧🇩🏏

What a moment for Bangladesh cricket!

Bangladesh have defeated Australia by 9 wickets on Australian soil to register their first ever test match victory in Australia. Unbelievable!!!

This was more than just a victory, it was a statement of belief, resilience, discipline and the fighting spirit of the Tigers.

A massive congratulations to our incredible Team Tigers! 🐯🇧🇩

You have made the entire nation proud.
Keep roaring, Tigers! 🔥

১৫ আগস্ট, জাতির পিতার স্মরণে।১৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গভীর শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ...
14/08/2026

১৫ আগস্ট, জাতির পিতার স্মরণে।

১৫ আগস্ট আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক গভীর শোকের দিন। ১৯৭৫ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মুক্তি ও অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর অবদান ইতিহাসে গভীরভাবে স্মরণীয়। তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিল।

আজকের এই দিনে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৫ আগস্টের সকল শহীদকে।

তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।
শোক থেকে শক্তি, ইতিহাস থেকে শিক্ষা, এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

#১৫আগস্ট #জাতির_পিতা #বঙ্গবন্ধু_শেখ_মুজিবুর_রহমান #শোক_দিবস

মামলা করা কি সবসময় সমস্যার সমাধান?কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে আমাদের প্রথম চিন্তা অনেক সময় হয়, “মামলা করতে হবে।” কিন্তু প্রত...
08/08/2026

মামলা করা কি সবসময় সমস্যার সমাধান?

কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে আমাদের প্রথম চিন্তা অনেক সময় হয়, “মামলা করতে হবে।” কিন্তু প্রতিটি বিরোধের সমাধান কি আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ?

আমার মতে, উত্তরটি সবসময় হ্যাঁ নয়।
মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত প্রতিকার। কোনো ব্যক্তির আইনগত অধিকার লঙ্ঘিত হলে আদালতের শরণাপন্ন হওয়া তার মৌলিক ও স্বীকৃত অধিকার। বিশেষ করে যখন অপর পক্ষ সমঝোতায় আগ্রহী নয়, জরুরি প্রতিকার প্রয়োজন, অথবা বিরোধটি এমন প্রকৃতির যে বিচারিক সিদ্ধান্ত অপরিহার্য, তখন litigation-ই হতে পারে যথাযথ পথ।

কিন্তু এমন অনেক দেওয়ানি বিরোধ রয়েছে যেখানে আদালতের রায়ের পরিবর্তে সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধের স্থায়ী নিষ্পত্তি উভয় পক্ষের জন্য অধিক কার্যকর হতে পারে।

বাংলাদেশের আইনেও Alternative Dispute Resolution বা ADR-এর জন্য সুস্পষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৮৯A অনুযায়ী, নির্দিষ্ট দেওয়ানি মামলায় written statement দাখিলের পর বিরোধ mediation-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়ার বিধান রয়েছে। আদালত নিজে mediation করতে পারেন অথবা Legal Aid Officer, পক্ষগুলোর নিযুক্ত আইনজীবী কিংবা নির্ধারিত mediator-এর মাধ্যমে mediation হতে পারে।

Mediation-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে mediator কোনো পক্ষের ওপর নিজের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেন না; বরং পক্ষগুলোকে নিজেদের সম্মতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া হয়। আইন mediation-কে confidential, non-adversarial এবং consensual dispute resolution process হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আবার, পক্ষগুলো চাইলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে arbitration-এর পথও বেছে নিতে পারে। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯B-তে আদালতে চলমান suit arbitration-এর মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য প্রত্যাহারের ব্যবস্থাও রয়েছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রতিটি মামলাই mediation বা settlement-এর মাধ্যমে শেষ করা উচিত। কিছু বিরোধে আদালতের রায়ই একমাত্র কার্যকর প্রতিকার হতে পারে। বিশেষ করে যেখানে অপর পক্ষ কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নয়, অধিকার রক্ষায় judicial determination প্রয়োজন, অথবা আইনগতভাবে settlement-এর সুযোগ সীমিত, সেখানে মামলা চালিয়ে যাওয়াই যথাযথ হতে পারে।

তাই একজন সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শুধু “আমি কি মামলা করতে পারি?” নয়; বরং তার আগে আরও কিছু প্রশ্ন করা উচিত—
আমার আইনগত অধিকার কী?
আমার কাছে কী প্রমাণ আছে?
মামলা করলে সম্ভাব্য ফলাফল কী?
কতটা সময় ও ব্যয় হতে পারে?
এবং, আদালতে যাওয়া ছাড়া কি আইনসম্মত ও কার্যকর কোনো বিকল্প রয়েছে?

কারণ সব বিরোধের সমাধান মামলা দিয়ে হয় না।
কখনো ন্যায়বিচার পাওয়ার সর্বোত্তম পথ আদালত; আবার কখনো একটি ন্যায্য সমঝোতাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।

বি:দ্র: এই লেখাটি আইনগত সচেতনতা ও পেশাগত মতামতের উদ্দেশ্যে প্রকাশিত। কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার ক্ষেত্রে আইনগত পরামর্শ হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়।

চেক প্রদান করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেনবাংলাদেশে চেক কেবল একটি অর্থ পরিশোধের মাধ্যম নয়; এটি একটি গুরুত্বপ...
05/08/2026

চেক প্রদান করার আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই মাথায় রাখবেন

বাংলাদেশে চেক কেবল একটি অর্থ পরিশোধের মাধ্যম নয়; এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ Negotiable Instrument, যার অপব্যবহার বা অসাবধানতা আপনাকে দেওয়ানি ও ফৌজদারি, উভয় ধরনের আইনি জটিলতার মুখোমুখি করতে পারে।

চেক প্রদান করার আগে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে বিবেচনা করা উচিত।

চেকে স্বাক্ষর করার আগে নিশ্চিত করুন যে চেকের সকল গুরুত্বপূর্ণ অংশ, প্রাপকের নাম, তারিখ এবং টাকার পরিমাণ, যথাযথভাবে পূরণ করা হয়েছে। Blank Cheque বা অসম্পূর্ণ চেকে স্বাক্ষর করা ভবিষ্যতে বিরোধের কারণ হতে পারে।

যে পরিমাণ অর্থের জন্য চেক প্রদান করছেন, সেই পরিমাণ অর্থ নির্ধারিত সময়ে আপনার ব্যাংক হিসাবে থাকবে কি না, তা নিশ্চিত করুন। পর্যাপ্ত অর্থ না থাকলে চেক অসম্মানিত (Dishonoured) হতে পারে এবং Negotiable Instruments Act, 1881-এর অধীনে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

কোনো চেক যদি শুধুমাত্র নিরাপত্তার উদ্দেশ্যে (Security Cheque) প্রদান করা হয়, তবে সে বিষয়ে লিখিত চুক্তি বা প্রাসঙ্গিক দলিল সংরক্ষণ করুন। অন্যথায় পরবর্তীতে সেই চেকের প্রকৃতি নিয়ে বিরোধ দেখা দিতে পারে।

কাউকে কখনোই অপ্রয়োজনীয়ভাবে স্বাক্ষরকৃত চেক বা চেকবই হস্তান্তর করবেন না। একটি স্বাক্ষরিত চেকের দখল অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

চেক প্রদান বা গ্রহণের সঙ্গে সম্পর্কিত চুক্তি, রসিদ, ইনভয়েস বা অন্যান্য প্রাসঙ্গিক দলিল সংরক্ষণ করুন। কোনো বিরোধ দেখা দিলে এসব দলিলই আদালতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মনে রাখতে হবে, প্রত্যেক Dishonoured Cheque-এর জন্য ফৌজদারি দায় সৃষ্টি হয় না, আবার Security Cheque হওয়াও সব ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিটি মামলার ফলাফল নির্ভর করে তার নিজস্ব ঘটনা, পক্ষগুলোর উদ্দেশ্য এবং উপস্থাপিত প্রমাণের উপর।

আইনের দৃষ্টিতে, একটি চেক শুধুমাত্র একটি কাগজের টুকরো নয়; এটি একটি আইনগত প্রতিশ্রুতি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তাই চেক ব্যবহারে সামান্য সতর্কতাই ভবিষ্যতের দীর্ঘ আইনি বিরোধ এড়াতে সহায়ক হতে পারে।

এই লেখাটি শুধুমাত্র আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রকাশিত; এটি কোনো আইনি পরামর্শ নয়।

লিগ্যাল নোটিশ: এটি কি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি?বাংলাদেশে অনেকেই মনে করেন, লিগ্যাল নোটিশ (Legal Notice) পাঠানো মানেই মাম...
03/08/2026

লিগ্যাল নোটিশ: এটি কি শুধু একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি?

বাংলাদেশে অনেকেই মনে করেন, লিগ্যাল নোটিশ (Legal Notice) পাঠানো মানেই মামলা হয়ে গেছে অথবা নোটিশ পেলেই আইনি দায় স্বীকার করতে হবে। বাস্তবে, কোনোটিই সঠিক নয়।

লিগ্যাল নোটিশ হলো একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অন্য পক্ষকে আইনজীবীর মাধ্যমে পাঠানো একটি আনুষ্ঠানিক আইনি যোগাযোগ (Formal Legal Communication)। এর মাধ্যমে একটি দাবী, অভিযোগ বা আইনি অবস্থান অপর পক্ষকে অবহিত করা হয় এবং অনেক ক্ষেত্রে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পূর্বে বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ দেওয়া হয়।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, সব ক্ষেত্রে লিগ্যাল নোটিশ বাধ্যতামূলক নয়। কিছু আইনে মামলা করার আগে নোটিশ দেওয়া আইনগতভাবে আবশ্যক, আবার অনেক ক্ষেত্রে কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সরাসরি মামলা করা যায়। ফলে, নোটিশ পাঠানো বা না পাঠানো নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান ও মামলার প্রকৃতির উপর।

একইভাবে, লিগ্যাল নোটিশকে কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। কারণ, এটি প্রায়ই আদালতে ভবিষ্যৎ আইনি পদক্ষেপের পূর্বাভাস বহন করে। অনেক বিরোধ সঠিক সময়ে যথাযথ উত্তর প্রদান ও আলোচনার মাধ্যমে আদালতের বাইরে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়, যা উভয় পক্ষের সময়, ব্যয় এবং অনিশ্চয়তা কমাতে সহায়ক।

অন্যদিকে, একটি দুর্বল বা আইনি ভিত্তিহীন নোটিশ কেবল অকার্যকরই নয়, বরং পরবর্তী আইনি কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রতিটি নোটিশের ভাষা, আইনি ভিত্তি এবং উদ্দেশ্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নির্ধারণ করা উচিত।

আইনের দৃষ্টিতে, একটি লিগ্যাল নোটিশ কেবল একটি চিঠি নয়; এটি অনেক ক্ষেত্রে একটি সম্ভাব্য মামলার প্রথম আনুষ্ঠানিক ধাপ এবং ভবিষ্যৎ বিচারিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

বি:দ্র: এই লেখাটি শুধুমাত্র আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে প্রকাশিত; এটি কোনো আইনি পরামর্শ নয়।

Today marks a special milestone in my professional journey.I had the privilege of conducting my first bail hearing befor...
22/07/2026

Today marks a special milestone in my professional journey.

I had the privilege of conducting my first bail hearing before the Hon'ble High Court Division of the Supreme Court of Bangladesh, and I am grateful that the application was allowed.

Every first appearance carries its own sense of responsibility, anticipation, and learning. I consider this not merely a successful outcome, but an important step in my continued growth as an advocate.

I remain deeply thankful to my seniors specially Advocate Nirban Ahmed for his trust, guidance, and encouragement. Above all, I am grateful to Almighty Allah for His countless blessings.

20/07/2026

Spain are Champions. 🏆

সি.আর. মামলা: অভিযোগ থেকে রায়। বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলার কথা উঠলেই অনেকের ধারণা, প্রতিটি মামলাই পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে শুর...
19/07/2026

সি.আর. মামলা: অভিযোগ থেকে রায়।

বাংলাদেশে ফৌজদারি মামলার কথা উঠলেই অনেকের ধারণা, প্রতিটি মামলাই পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে শুরু হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আইনে এমন একটি ব্যবস্থাও রয়েছে যেখানে একজন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন। এটিই সাধারণভাবে সি.আর. মামলা নামে পরিচিত।

একটি সি.আর. মামলা কেবল অভিযোগ দায়েরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একাধিক আইনি ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্ত রায়ে উপনীত হয়।
প্রথমে অভিযোগকারী ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০০ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অভিযোগ দাখিল করেন। আদালত অভিযোগকারীকে শপথপূর্বক জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং প্রয়োজনবোধে ধারা ২০২ অনুযায়ী নিজে অনুসন্ধান করতে পারেন অথবা পুলিশ বা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।

যদি আদালতের নিকট অভিযোগের পক্ষে যথেষ্ট ভিত্তি (Sufficient Ground for Proceeding) প্রতীয়মান হয়, তাহলে আদালত সমন বা প্রয়োজনে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। অন্যদিকে, অভিযোগে পর্যাপ্ত ভিত্তি না থাকলে আদালত অভিযোগটি খারিজও করে দিতে পারেন অথবা তদন্তকারী কোন সংস্থাকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিতে পারেন।

তদন্ত প্রতিবেদন ভিত্তিতে আদালত সমন/গ্রেফতার আদেশ দিতে পারেন। আসামি আদালতে হাজির হওয়ার পর বিচারপ্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়। অথবা আসামী পলাতক থাকলে পেপার বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আসামীকে অবগত করণের গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত আছে মর্মে চীফ জুডিশিয়াল/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিচারের জন্য ভিন্ন আদালতে প্রেরণ করেন। এই পর্যায়ে আদালত মূল্যায়ন করেন, আদৌ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মতো যথেষ্ট উপাদান রয়েছে কি না। যদি আদালত সন্তুষ্ট না হন, তবে চার্জ গঠন না করেই আসামিকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন।

অন্যদিকে, আদালত যদি মনে করেন যে বিচার চালিয়ে যাওয়ার যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে, তবে তিনি আসামির বিরুদ্ধে Charge গঠন করেন। এরপর শুরু হয় নিয়মিত বিচার,অভিযোগকারী পক্ষের সাক্ষ্য, জেরা, প্রয়োজনে পুনঃজিজ্ঞাসাবাদ, আসামির ৩৪২ ধারায় জবানবন্দি, আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এবং উভয় পক্ষের চূড়ান্ত যুক্তিতর্ক।

সবশেষে আদালত সাক্ষ্য, প্রমাণ এবং আইন বিশ্লেষণ করে রায় প্রদান করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দণ্ডাদেশ এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করা হয়।

সি.আর. মামলার প্রতিটি ধাপেরই একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য রয়েছে। আইনের লক্ষ্য শুধু অপরাধীকে শাস্তি দেওয়া নয়; বরং নিরপরাধ ব্যক্তিকে অযথা হয়রানি থেকে রক্ষা করা এবং ন্যায়সঙ্গত বিচার নিশ্চিত করাও বিচারব্যবস্থার অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব।

বি.দ্র: এই লেখাটি শুধুমাত্র আইনগত সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশিত। প্রকৃত মামলায় ভিন্ন পদ্ধতি বা ভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করা হয়ে থাকতে পারে। এটি কোনো আইনি পরামর্শ নয়।

সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬।
18/07/2026

সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬।

Address

House No. 18/A, Road No. 44, Gulshan-2
Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801671762580

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barrister Rakib Raihan Robin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Barrister Rakib Raihan Robin:

Shortcuts

Share