MH Law Academy

MH Law Academy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MH Law Academy, Criminal lawyer, Dhaka.

18/02/2025

এককক্ষ সংসদ (Unicameral Legislature) এবং দ্বিকক্ষ সংসদ (Bicameral Legislature) হল সংসদীয় ব্যবস্থার দুটি ভিন্ন ধরন।

এককক্ষ সংসদ (Unicameral Legislature)

এটি এমন একটি আইনসভা যেখানে শুধুমাত্র একটি কক্ষ বা হাউস থাকে, যা আইন প্রণয়ন ও অনুমোদনের কাজ করে। এখানে আলাদা উচ্চকক্ষ (Upper House) বা নিম্নকক্ষ (Lower House) থাকে না।

উদাহরণ:

বাংলাদেশ: জাতীয় সংসদ

চীন: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস

সুইডেন: রিক্সড্যাগ (Riksdag)

নরওয়ে: স্টরটিং (Storting)

দ্বিকক্ষ সংসদ (Bicameral Legislature)

এটি এমন একটি সংসদ যেখানে দুটি কক্ষ থাকে—একটি নিম্নকক্ষ (Lower House) এবং একটি উচ্চকক্ষ (Upper House)। সাধারণত নিম্নকক্ষ সরাসরি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত হয়, আর উচ্চকক্ষ বিভিন্নভাবে মনোনীত বা নির্বাচিত হয়।

উদাহরণ:

ভারত: লোকসভা (Lower House) ও রাজ্যসভা (Upper House)

যুক্তরাষ্ট্র: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (Lower House) ও সিনেট (Upper House)

যুক্তরাজ্য: হাউস অফ কমন্স (Lower House) ও হাউস অফ লর্ডস (Upper House)

এককক্ষ সংসদ সাধারণত ছোট দেশগুলোতে দেখা যায়, যেখানে আইন প্রণয়ন সহজ করতে একক গঠন রাখা হয়। দ্বিকক্ষ সংসদ বড় ও ফেডারেল কাঠামোর দেশগুলোতে জনপ্রিয়, কারণ এটি আইন প্রণয়নে ভারসাম্য রক্ষা করে।

09/02/2025

বাংলাদেশের দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এবং ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ বেশ কয়েকটি ধারায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ ধারাগুলো উল্লেখ করা হলো—

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ (Penal Code, 1860) অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের বিধান:

1. ধারা ১২১ – রাষ্ট্রদ্রোহিতা (যুদ্ধ ঘোষণা বা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা)

2. ধারা ৩০২ – হত্যা (Murder)

3. ধারা ৩০৩ – যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামির দ্বারা হত্যাকাণ্ড

4. ধারা ৩০৫ – আত্মহত্যায় প্ররোচনা (১৮ বছরের কম বয়সী, মানসিক ভারসাম্যহীন বা মাতাল ব্যক্তি)

5. ধারা ৩০৭ – রাষ্ট্রের প্রধান বা রাষ্ট্রপতির ওপর খুনের চেষ্টা

6. ধারা ৩৭৬(২) – সংঘবদ্ধ ধর্ষণ (যদি ধর্ষণের ফলে মৃত্যু ঘটে)

7. ধারা ৩৯৬ – ডাকাতি করতে গিয়ে খুন

8. ধারা ৩৬৪A – অপহরণ করে হত্যা বা গুরুতর ক্ষতি করা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Criminal Procedure Code, 1898) অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের বিধান:

ধারা ৩৬৬ – আদালতের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন

ধারা ৩৭৪ – উচ্চ আদালতের অনুমোদন ব্যতীত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নয়

এছাড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০, এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-তেও বিশেষ কিছু অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

07/11/2024

ফটকা ব্যবসা হলো এমন এক ধরনের ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড, যেখানে লাভের সম্ভাবনায় ঝুঁকি নিয়ে সম্পদ, পণ্য বা মুদ্রা কেনা-বেচা করা হয়। এখানে ব্যবসায়ীরা মূলত বাজারের ভবিষ্যৎ মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্যহ্রাসের পূর্বাভাস দিয়ে দ্রুত লাভ করতে চান। এই ব্যবসায় ঝুঁকি খুব বেশি থাকে, কারণ বাজারের অস্থিরতার কারণে মূল্য উঠানামা করতে পারে।

ফটকা ব্যবসা সাধারণত শেয়ার বাজার, বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়, পণ্য বাজার, রিয়েল এস্টেট বা বন্ডের ক্ষেত্রে দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যবসায়ী যদি মনে করেন যে কোনো শেয়ারের দাম বাড়বে, তবে তিনি সেটি কিনে ভবিষ্যতে বেশি দামে বিক্রির পরিকল্পনা করেন। আবার, দাম কমার আশঙ্কায় কেউ শেয়ার বিক্রি করে ফেলে পরবর্তীতে কম দামে তা কিনে নিতে পারেন।

ফটকা ব্যবসার মূল বৈশিষ্ট্য হলো তাৎক্ষণিক বা স্বল্পমেয়াদী লাভের উদ্দেশ্য এবং উচ্চ ঝুঁকির গ্রহণযোগ্যতা।

‘ল্যাসপেন্সার বা লেসপেন্সার একটি আঞ্চলিক ভাষার শব্দ। টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এ শব্দের ব্যবহার হতে শ...
12/10/2024

‘ল্যাসপেন্সার বা লেসপেন্সার একটি আঞ্চলিক ভাষার শব্দ। টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহসহ উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এ শব্দের ব্যবহার হতে শোনা যায়। এর অর্থ শিষ্য, সাগরেদ, মুরিদ বা অপকর্মের সহকারী। সাধারণত খারাপ কাজের সহযোগী হিসেবে ল্যাসপেন্সার শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

লেসপেন্সার হলো সেই ধূরন্দর ব্যক্তি যে তার ঊর্ধতনের সকল কাজ সমর্থন করেন এবং তা বাস্তবায়নে সহায়তা করেন। প্রকাশ্যে ভালোর মুখোশ পরে থাকলেও কার্যত লেসপেন্সারি করে ঊর্ধতনের সকল অপকর্মকে সমর্থন ও প্রতিষ্ঠা করতে থাকেন।’

19/09/2024

# **ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ারে যা যা করতে পারবে সেনাবাহিনী**

**আগামী দুই মাসের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রুর স্বাক্ষরকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। **

**প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে পরবর্তী ৬০ দিনের জন্য সেনা কর্মকর্তাদের এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। **

**সেনাবাহিনীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে। **

**আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যেসব ক্ষমতা রয়েছে-**

ধারা ৬৪ : ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার বা গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়ার এবং হেফাজতে রাখার ক্ষমতা।

ধারা ৬৫ : গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা বা তার উপস্থিতিতে গ্রেপ্তারের নির্দেশনা যার জন্য তিনি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারেন।

ধারা ৮৩/৮৪/৮৬ : ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।

ধারা ৯৫(২) : নথিপত্র ইত্যাদির জন্য ডাক ও টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের দ্বারা অনুসন্ধান এবং আটক করার ক্ষমতা।

ধারা ১০০ : ভুলভাবে বন্দি ব্যক্তিদের হাজির করার জন্য অনুসন্ধান-ওয়ারেন্ট জারি করার ক্ষমতা।

ধারা ১০৫ : সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যে কোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন।

ধারা ১০৭ : শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

ধারা ১০৯ : ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীর ক্ষমতা।

ধারা ১১০ : ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তা প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

ধারা ১২৬ : জামিনের নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা।

ধারা ১২৭ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দানের ক্ষমতা।

ধারা ১২৮ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য বেসামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।

ধারা ১৩০ : বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি ব্যবহার করার ক্ষমতা।

ধারা ১৩৩ : স্থানীয় উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্র বিশেষ

01/09/2024

আইনবিজ্ঞানের বিবর্তন (Revolution of Jurisprudence )

বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সংখ্যাগতভাবে আইন বিপুল পরিমাণে রয়েছে । কালের পরিবর্তনে
বিভিন্ন অবস্থা ও সমস্যার মধ্য দিয়ে মানুষের সামাজিক ব্যবস্থাও অতিক্রম করতে থাকে এবং
একইসাথে তাদের আইনও পরিবর্তন সাধিত হয়। দেশের মধ্যে যখন সামাজিক প্রয়ােজনীয়তার কারণে নানা পেশা ও বৃত্তির উদ্ভব ঘটতে থাকে এবং এদের মধ্যে বিভিন্ন শাখা প্রশাখার সৃষ্টি হতে থাকে সে সাথে তাল মিলিয়েই সমাজ-চিন্তাধারা ও জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রগতির পথে এগিয়ে যায়। তথন নতুন আইনের উদ্ভব হয়, আইনে সংশোধন আসে এবং আইনের সংখ্যাও স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে; ফলে কোন সমাজের আইনের দর্শন ও বিভিন্ন রূপরেখা পরিপুষ্ট হতে থাকে। কোন সমাজে প্রচলিত আইনের নীতিমালা উক্ত সমাজের প্রভাবশালী লােকদের দ্বারাই যে প্রণীত হয় তা বলা বাহুল্য এবং তাদের দ্বারাই ঐসকল নীতিমালাকে আপাত গ্রহণযোগ্যতা দান বা প্রয়ােজনীয় ভিত্তিমূলের উপর প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রচেষ্টা চলতে থাকে। তারা যে দলের অন্তর্ভূক্ত সে দলের প্রয়োজনের তাগিদে বিদ্যমান বা প্রণীতব্য নীতিমালাকে পরিবর্তন, সংস্কার ও সংশােধন করার প্রয়াস চালিয়ে যায়। এভাবেই নিজেদের প্রয়োজন চরিতার্থ করার লক্ষ্যে নীতিসমূহ আইনের স্বারা বলবৎ করার ব্যবস্থা তারা গ্রহণ করেন, বিধায় সমাজের প্রতাবশালীদের প্রয়োজনে আইন অনুবর্তী ও বশবর্তী হয়ে থাকে। যতক্ষণ পর্যন্ত সমাজ উন্নতি ও সমদ্ধির সিড়িসমূহ অতিক্রম না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আইনও উৎ্কের্ষতা অর্জন করতে পারে না। আইন দর্শনের ইতিহাস পর্যালোেচনায় দেখা যায় যে, প্রাথমিক যুগে বংশের পত্তন ও প্রতিষ্ঠা হতে থাকে এবং এরূপ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আইনের উদ্ভব ও বিকাশ হতে থাকে। অতঃপর উক্ত আইন গােষ্ঠী, গােত্র, বর্ণ ইত্যাদির সাথে সম্পর্ক বিধান করে যুগপরিক্রমায় রাষ্ট্রপতি পর্যায়ের দিকে বিবর্তিত হয়। প্রাথমিক যুগ হতে বর্তমান কাল পর্যন্ত আইনবিজ্ঞানের বিরাট কয়েকটি পরিবর্তন লক্ষ্য
করা যায় । আইনকে জ্ঞানের ফসল হিসেবে গ্রহণ করা হয় বিধায় আইনের মধ্যে মানবিক
অপর্ণতা এবং অদূরদশিতার উপস্থিতি থাকাই স্বাভাবিক। প্রধানত এ কারণে আইনের মধ্যে
বারংবার বিবর্তন, সংস্কার, সংশোধন আনা হয় এবং এভাবে আইনের অগ্রসরমানতা বহাল
ফলে আইন প্রণয়নের সময় অতীতের প্রতি দৃষ্টি রাখাও সম্ভব। কিন্তু ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞান
রাখা এবং দূর ভবিষ্যতর প্রতি পূর্ণ দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখা সম্ভব হয় না বিধায়, কোন যুগে প্রণীত
আইন ভবিষ্যতের নিরিখে অপরিপূর্ণতা থেকে যায় এবং এ কারণে আইনে পরিবর্তন অতি
প্রয়ােজনীয় । মানব সমাজ সর্বদা এবং সর্বত্র পরিবর্তনীয় হওয়ার ফলে পরিবর্তনের সাথে মানুষের আইনও পরিবর্তিত হয়। যুগের দাবীতে এরূপ পরিবর্তন বাঞ্নীয় হওয়া সত্ব্ও অহেতুক
পরিবর্তনীয়তা মানুষের মনকে আইনোর স্থিতি ও মূল্য সম্পর্কে সন্দিহান করে তােলে। তাই
আইনকে দৃড়, স্থির, স্থিতিশীল, যুগােপযােগি ও অনুপেক্ষণীয় হতে হবে মূলত বিশ্লেষণের
মাধ্যমে আইন দার্শনিকগণ এ পরিবর্তনশীলতার মধ্যে ঐক্য আবিস্কার করেন। অবশ্য বিমূত্ত
সূত্রের চেয়ে দৈনন্দিন জীবনে মানুষের সম্মুখবর্তী আইনের সমস্যাসমূহের নিরসনের নীতি
অনুসন্ধান করাই আইন দার্শনিকগণের কর্তব্য। প্রতিদিন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের আদালতে
অসংখ্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়ে থাকে। নিশ্চয়ই কিছু সূত্র বা নীতির উপর ভিত্তি করেই আদালতের
সি্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়। আইন দার্শনিকগণ সে নীতি বা সূত্রের অনুসন্ধান করবেন এটাই
কাঙ্থিত।

13/06/2024

খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ উত্তরাধিকার আইন

মুসলিম ও হিন্দু উত্তরাধিকারের পাশাপাশি খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ উত্তরাধিকার সম্পর্কিত জ্ঞান অতীব জরুরি। প্রচলিত আইনে বৌদ্ধ উত্তরাধিকার সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকলেও খ্রিস্টান উত্তরাধিকার সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। কার্যত খ্রিস্টান উত্তরাধিকার নিয়ন্ত্রিত হয় উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫ অনুসারে। অর্থাৎ বাংলাদেশে বসবাসরত খ্রিস্টধর্মের অনুসারীদের উত্তরাধিকার সংশ্লিষ্ট বিধিনিষেধ নিয়ন্ত্রিত হবে The Succussion Act, ১৯২৫ এর অধীনে। ১৯২৫ সালের ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন যা দেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির ৪৮/৭২নং আদেশ দ্বারা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ হতে বাংলাদেশে বলবৎ হয়েছে। অত্র আইনের ২৪-২৮ এবং ৩২-৪৯ ধারাসমূহে খ্রিস্টান উত্তরাধিকারিত্বের বিধান ও বণ্টনের নিয়ম আলোচিত হয়েছে। বস্তুত খ্রিস্টানরা ২ শ্রেণিতে বিভক্ত। যথা- ক্যাথলিক ও প্রটেস্ট্যান্ট। Succussion Act-এর উপরোক্ত ধারাগুলো উভয় মতের খ্রিস্টানদের জন্য প্রযোজ্য। কোনো খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীর মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত্তি কীভাবে বণ্টন হবে, তা The Succussion Act, ১৯২৫-এর ২৭ ধারাতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। ধারাতে উল্লেখ আছেÑ (ক) উত্তরাধিকারী হিসেবে নারী ও পুরুষ সমান মর্যাদার অধিকারী। কোনো মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হওয়ার ক্ষেত্রে ছেলে এবং মেয়ে একই মর্যাদার অধিকারী হবে। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে তারা সমান অংশ লাভ করবে। (খ) অর্ধরক্ত ও পূর্ণরক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়দের মধ্যে কোনো পার্থক্য থাকবে না। অর্থাৎ কোনো মৃত ব্যক্তির যদি একজন আপন ভাই এবং একজন সৎভাই থাকে, তবে সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দুই ভাই সমান অংশের অধিকারী হবে। (গ) নিকটবর্তী আত্মীয় দূরবর্তী আত্মীয়কে বঞ্চিত করবে। অর্থাৎ রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে যে ব্যক্তি সম্পর্কের দিক থেকে মৃত ব্যক্তির কাছাকাছি অবস্থান করে, সে অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী আত্মীয়কে বঞ্চিত করবে। যেমন- মৃত ব্যক্তির আপন ভাই উত্তরাধিকারের প্রশ্নে তার চাচাতো, মামাতো, খালাতো, ফুফাতো ভাইকে বঞ্চিত করে। (ঘ) মাতৃগর্ভস্থ সন্তানকে উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। যেমন- কোনো খ্রিস্টান ব্যক্তির মৃত্যুর সময় যদি তার স্ত্রীর গর্ভে কোনো সন্তান থাকে এবং পরবর্তীকালে সে সন্তান জীবিত অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়, তাহলে সে তার পিতার সম্পত্তিতে একজন উত্তরাধিকারী বলে বিবেচিত হবে।

কোনো খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বী ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে কতিপয় ব্যক্তি মৃতের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে। এদিক দিয়ে প্রথমত সরাসরি বংশধর, দ্বিতীয়ত জ্ঞাতি শ্রেণিরা উত্তরাধিকারী হয়। সাধারণত সরাসরি বংশধর উপস্থিত থাকলে জ্ঞাতি শ্রেণি উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হয় না। অর্থাৎ সরাসরি বংশধরদের অনুপস্থিতিতে জ্ঞাতি শ্রেণি উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হবে। সরাসরি বংশধর বলতে সাধারণত মৃতের ছেলে বা মেয়েকে অন্তর্ভুক্ত করে। অনুরূপভাবে জ্ঞাতি সদস্যদের মধ্যে রয়েছে চাচা, চাচি, চাচার ছেলে ও মেয়ে, খালা, খালাতো ভাই, মামাতো ভাই, ফুফু এবং এই ধারাবাহিকতায় অন্যরা। উত্তরাধিকার আইন, ১৯২৫-এর ৩৫ ধারানুসারে, স্ত্রীর মৃত্যুর পর স্বামী এবং স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী পরস্পরের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী হবেন। অন্যদিকে অত্র আইনের ৩৩ ধারানুযায়ী একজন স্ত্রী নিম্নলিখিতভাবে স্বামীর রেখে যাওয়া সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে। যেমন-

(১) কোনো সন্তানসন্তুতির উপস্থিতিতে স্ত্রী থাকলে তিনি (স্ত্রী) মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশ পাবেন এবং বাকি ২/৩ অংশ মৃতের সন্তানরা সমানভাবে পাবেন। (২) সরাসরি বংশধরের অবর্তমানে যদি জ্ঞাতি সম্পর্কীয় আত্মীয়রা উপস্থিত থাকেন, তাহলে স্ত্রী মোট সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবেন। অন্যদিকে অবশিষ্ট ১/২ অংশ সম্পত্তি জ্ঞাতি আত্মীয়রা সমানভাবে পাবেন। যেমন ওয়ার্নার তার স্ত্রী ও চাচাতো বোন রেখে মারা গেলেন। ওয়ার্নারের ৬ বিঘা জমি ছিল। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্নারের সম্পত্তির ১/২ অংশ তথা ৩ বিঘা সম্পত্তি স্ত্রী এবং ১/২ অংশ তথা বাকি ৩ বিঘা সম্পত্তি চাচাতো বোন পাবেন। উল্লেখ্য যে, মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান, পিতা-মাতা, ভাইবোন জীবিত থাকলে জ্ঞাতি শ্রেণি উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন না তথা উত্তরাধিকারী থেকে বঞ্চিত হবেন। (৩) সরাসরি বংশধর ও জ্ঞাতি সম্পর্কীয় আত্মীয়দের অবর্তমানে স্ত্রী থাকলে স্ত্রী সমুদয় সম্পত্তি পাবেন।

সন্তানরা মৃত পিতা বা মাতার সম্পত্তিতে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী হয়। (১) পিতা মারা যাওয়ার পর মাতা জীবিত থাকলে অথবা মাতা মারা যাওয়ার পর পিতা জীবিত থাকলে সন্তানরা মৃত পিতা বা মাতার সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে। বাকি ১/৩ অংশ ক্ষেত্রবিশেষ পিতা-মাতা (স্বামী/স্ত্রী) পাবেন। যেমন মার্টিনা মারা যাওয়ার সময় রেখে গেলেন দুই সন্তান ডেভিড ও মেরী এবং স্বামী পিটারকে। মার্টিনার মোট সম্পত্তি ছিল ১২ বিঘা। এ ক্ষেত্রে মার্টিনার দুই ছেলেমেয়ে মোট সম্পত্তির ২/৩ ভাগ অর্থাৎ ১২ বিঘার মধ্যে ৮ বিঘা পাবে। আর স্বামী পিটার পাবেন মোট সম্পত্তির ১/৩ ভাগ অর্থাৎ ৪ বিঘা। এখানে স্ত্রী মারা না গিয়ে যদি স্বামী পিটার মারা যেতেন, তাহলে স্ত্রী মার্টিনা মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশ পেতেন। কেননা এ আইনানুযায়ী সন্তানের পিতা বা মাতা (স্বামী/স্ত্রী) একে অন্যের প্রতিচ্ছবি। (২) মৃত ব্যক্তির সন্তান (পুত্র বা কন্যা) সবসময় তার নানা, নানি, দাদা, দাদি, চাচা, ফুফুদের বঞ্চিত করে। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকলে মৃতের পিতা-মাতা (দাদা/দাদি) বা অন্যান্য রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়রা কোনো সম্পত্তি পাবেন না। যেমন

আলবার্ট ও সায়ন্তিকার দুই ছেলে এবং এক মেয়ে আছে। আলবার্টের পিতা আব্রাহাম এখনো জীবিত। এখন যদি আলবার্ট মৃত্যুবরণ করেন, তাহলে তার সম্পত্তি থেকে তার পিতা আব্রাহাম কোনো অংশ পাবেন না। এখানে আলবার্টের স্ত্রী সায়ন্তিকা পাবেন ১/৩ অংশ এবং সন্তানরা ২/৩ অংশ সম্পত্তি পাবে। একইভাবে যদি আলবার্টের মাতা, ভাই বা বোন থাকত, তাহলেও তারা কোনো সম্পত্তি পেতেন না। (৩) মৃত ব্যক্তির ছেলে এবং মেয়ে সবাই সমান হারে সম্পত্তি পাবেন। কোনো প্রকার বৈষম্য বা ত্রুটির স্থান এ আইনে নেই। যেমন এডিসন ৪ ছেলে এবং ১ মেয়ে রেখে মারা গেলেন। এখানে এডিসনের সম্পত্তি থেকে তারা সমান অংশ পাবেন। অর্থাৎ সবাই ১/৫ অংশ করে সম্পত্তি পাবেন। (৪) কোনো মৃত ব্যক্তির পুত্র ও কন্যার সঙ্গে যদি অন্য মৃত সন্তানের কোনো পুত্র বা কন্যা থাকে, তাহলে তারা তাদের মৃত পিতা বা মাতার স্থলাভিষিক্ত হবেন। অর্থাৎ মৃত সন্তানের পুত্র-কন্যারা সম্পত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে তারা তাদের পূর্বে মৃত পিতা বা মাতার অংশ পাবেন। এ পদ্ধতিকে Doctrine of Representation বা প্রতিনিধিত্ব নীতি বলা হয়।

পিতা কতিপয় ক্ষেত্রে মৃতের রেখে যাওয়া সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়ে থাকেন। যেমন (১) মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান না থাকলে তখনই কেবল পিতা সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। (২) মৃতের স্ত্রীর সঙ্গে পিতা উপস্থিত থাকলে পিতা-পুত্রের সম্পত্তির ১/৩ অংশের উত্তরাধিকারী হন। এ ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর অবশিষ্ট সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবেন। যেমন- স্মিথ তার স্ত্রী ও পিতা রেখে মারা গেলেন। স্মিথের জমির পরিমাণ ১২ বিঘা। এ ক্ষেত্রে স্মিথের স্ত্রী মোট সম্পত্তির ২/৩ অংশ তথা ৮ বিঘা পাবেন। অন্যদিকে পিতা ১/৩ অংশ তথা ৪ বিঘা পাবেন। মাতা কয়েকটি ক্ষেত্রে মৃতের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন। যেমন- (১) মৃতের পিতা ও সন্তানের অবর্তমানে মাতা সম্পত্তি পাবেন। অর্থাৎ মৃতের পিতা বা সন্তান সন্তুতি বেঁচে থাকলে মাতা বঞ্চিত হবেন। (২) মৃত ব্যক্তির মাতার সঙ্গে মৃতের ভাই ও বোন থাকলে তারা সমান সম্পত্তি লাভ করবেন। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি যদি তার মা, ভাই ও বোন রেখে মারা যান, তাহলে মাতা, ভাই ও বোন ওই ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে সমান অংশ মাথাপিছু হারে লাভ করবেন। (৩) কোনো মৃত ব্যক্তির যদি স্ত্রী, সন্তান বা কোনো ভাইবোন না থাকে, তাহলে মাতা সম্পূর্ণ সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবেন। ভাইবোন এবং ভাইবোনের সন্তানরা কতিপয় ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। যেমন-

১. ভাইবোন বা ভাইবোনের পুত্র-কন্যাদের উত্তরাধিকার কেবল তখনই সৃষ্টি হবে, যখন মৃত ব্যক্তির কোনো পুত্র, পুত্রের পুত্র, পুত্রের পুত্রের পুত্র এবং পিতা জীবিত না থাকে। ২. বৈমাত্রেয় ভাই আপন ভাইদের মতোই উত্তরাধিকারী হবে, তথা তারা সম্পত্তিতে সমান অংশ লাভ করবে। ৩. মৃত ব্যক্তির ভাইবোন বা তাদের পুত্র-কন্যাদের সঙ্গে স্বামী বা স্ত্রী থাকলে স্বামী বা স্ত্রী সম্পত্তির ২/৩ অংশ পাবে এবং অন্যরা বাকি ১/৩ অংশ সম্পত্তি সমান হারে পাবে। যেমন জলি তার স্বামী ও ভাই রেখে মারা গেলেন। জলির জমি ছিল ৬ বিঘা। এ ক্ষেত্রে জলির স্বামী পাবে ২/৩ অংশ তথা ৪ বিঘা এবং জলির ভাই পাবে ১/৩ তথা ২ বিঘা। ৪. মৃত ব্যক্তির কোনো ভাইবোন যদি জীবিত না থাকে এবং কেবল ভাইবোনের পুত্র-কন্যারা যদি জীবিত থাকে, তবে সেই সম্পত্তির বণ্টনের ক্ষেত্রে মৃতের ভাইবোনের পুত্র-কন্যারা তাদের নিজ নিজ পিতা-মাতার স্থলবর্তী হয়ে তাদের প্রতিনিধিত্ব করবেন। অর্থাৎ তারা তাদের পিতা বা মাতার অংশ পাবেন। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে যেসব আত্মীয়, সম্পর্কের ধাপ অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির কাছাকাছি অবস্থান করবে, সে অপেক্ষাকৃত দূরবর্তী আত্মীয়কে বঞ্চিত করবে। তবে একই ধাপের একাধিক আত্মীয় থাকলে তারা সবাই মাথাপিছু হারে সমান অংশ পাবে। কার্যত খ্রিস্টান আইনে দত্তকের কোনো বিধান নেই। তাই দত্তক সন্তান দত্তক পিতা-মাতার সম্পত্তিতে কোনোরূপ অধিকার দাবি করতে পারে না।

The Succession Act, ১৯২৫-এর ৩৪ ধারানুসারে যদি কোনো মৃতের বিধবা স্ত্রী বা ক্ষেত্রমতে স্বামী বা সরাসরি বংশধর বা জ্ঞাতি শ্রেণির কেউ না থাকে, তাহলে মৃতের সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে অর্পিত হবে। উল্লেখ্য যে, অত্র আইন অনুযায়ী উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তি তখন বণ্টন হবে, যখন উক্ত সম্পত্তি উইলমুক্ত হবে। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তি কর্তৃক যদি সম্পত্তি উইল করে যাওয়া হয়, তাহলে উক্ত রেখে যাওয়া সম্পত্তি উইলকারী বরাবর অর্পিত হবে, উত্তরাধিকারী বরাবর নয়। অন্যদিকে এ আইনে বিধবা স্ত্রী বা ক্ষেত্রমতে স্বামীকে উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে বসবাসকারী বৌদ্ধরা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে হিন্দু দায়ভাগ আইন দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। যদিও ১৯৫৬ সালে ভারতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী এনে বৌদ্ধদের উত্তরাধিকারের বিষয়টি ভারতীয় উত্তরাধিকার আইন এবং হিন্দু দায়ভাগ আইনের সমন্বয়ে স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে অদ্যবধি তদ্রুপ কোনো সংশোধনী গৃহীত হয়নি। ফলে উত্তরাধিকারের বিষয়ে এ দেশের বৌদ্ধরা পুরোপুরিভাবে হিন্দু দায়ভাগ আইন দ্বারা শাসিত হয়। অর্থাৎ বাংলাদেশে বসবাসরত বৌদ্ধরা সরাসরি হিন্দু দায়ভাগ আইন দ্বারা এবং ভারতীয় বৌদ্ধরা কিছুটা সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে হিন্দু দায়ভাগ আইন দ্বারা শাসিত হয়। তবে আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ব্রহ্মদেশের (মিয়ানমার) বৌদ্ধরা উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে ব্রহ্মদেশীয় বৌদ্ধ আইন দ্বারা পরিচালিত হয়। অর্থাৎ তারা তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট আইন তৈরি করেছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মারুয়া বৌদ্ধরা মারুয়া বৌদ্ধ আইন দ্বারা উত্তরাধিকার প্রশ্ন সুরাহা করে থাকে। অর্থাৎ সংক্ষেপে বলা যায়, বাংলাদেশের মারুয়া বৌদ্ধরা ছাড়া বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের উত্তরাধিকার দায়ভাগ হিন্দু আইনে আওতাভুক্ত এবং ব্রহ্মদেশীয় বৌদ্ধরা ও বাংলার মারুয়া বৌদ্ধরা যথাক্রমে ব্রহ্মদেশীয় বৌদ্ধ আইন ও মারুয়া বৌদ্ধ আইন দ্বারা পরিচালিত।

বস্তুত বৌদ্ধধর্মে উত্তরাধিকার সম্পত্তি বা সংসার জীবনের সহায় সম্পত্তি বণ্টনের বিষয়ে কোনো কিছু উল্লেখ নেই, যেমনটা কোরআনে রয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের স্বপ্নদ্রষ্টা। তিনি শাক্য রাজবংশের এক ক্ষত্রিয়-ব্রাহ্মণ পরিবারে রাজপুত্র হয়ে জন্মগ্রহণ করেন। অর্থাৎ তিনি একটি সম্ভ্রান্ত হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পরে তিনি ধর্মান্তরিত হয়ে স্বতন্ত্র ধর্ম সৃষ্টি করেন; যা বৌদ্ধ ধর্ম নামে পরিচিত। যেহেতু বৌদ্ধ ধর্মের সূত্রপাত ঘটেছে হিন্দুধর্ম থেকে; সেহেতু বৌদ্ধ ধর্মে উত্তরাধিকার সংশ্লিষ্ট বিধান না থাকায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠী হিন্দু আইন অনুযায়ী তাদের উত্তরাধিকার নির্ধারণ করে। তবে বর্তমানে কতিপয় বৌদ্ধভিক্ষু উত্তরাধিকার সংশ্লিষ্ট কিছু নীতিমালা তৈরি করেছেন, যেটা এখনো বৌদ্ধ সম্প্রদায় বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বৌদ্ধ উত্তরাধিকার সংশ্লিষ্ট নীতিমালা গৃহীত হলে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠী তারা তাদের উত্তরাধিকার সংশ্লিষ্ট স্বকীয়তা ফিরে পাবে। তবে অচিরেই উত্তরাধিকার সংশ্লিষ্ট এরূপ একটি বিধান আইনে রূপ নেবে বলেই আইনজ্ঞরা মনে করছেন।

♻️😲যদি বলি মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না, অনেকেই বিশ্বাস করবে না। তবে বি...
24/05/2024

♻️😲যদি বলি মাত্র ১ শতক জমিতে আমাদের নিয়মে সবজি চাষ করলে সারাবছর আপনার সবজি কেনা লাগবে না, অনেকেই বিশ্বাস করবে না।
তবে বিশ্বাস করেন আর না করেন একবার ট্রাই করবেন অবশ্যই।
🎯এই টা এমন একটা মডেল যেখানে আপনি সারা বছর আপনার পছন্দনীয় প্রায় সব গুলো সবজি চাষ করতে পারবেন সম্পূর্ণ বিষমুক্ত ও নিরাপদভাবে। এই মডেলটার জন্য মাত্র এক শতক জায়গা লাগবে।
আমাদের নিয়মে চাষ করলে আপনাকে কোনো রাসায়নিক সার, কীটনাশক দিতে হবে না।
একবার বেড তৈরী করে নিলে আজীবন শাক সবজি খেতে পারবেন।

সারাবছরের সবজি গুলোকে আমরা দুই সিজনে ভাগ করি, গ্রীষ্মকালীন এবং শীত কালীন।
এই মডেল টা ২৪ ফিট বাই ২৪ ফিট। নরমালি সবজির বেড থাকবে ৫ টা (মাঝখানে), তবে দুই মাথায় মাচায় হয় এমন সবজির জন্য আরো দুটি বেড হবে, মোট ৭ টা বেড। মাঝখানের ৫ টা বেড হবে ১৬ ফিট করে লম্বা আর ২ ফুট ৪ ইঞ্চি চওড়া, বেড গুলো হবে উত্তর দক্ষিন মুখি, বেডের মাঝখানে মাঝখানে নালা গুলো হবে ১০ ইঞ্চি চওড়া। দুই মাথায় মাচা গুলো হবে ৩ ফিট চওড়া আর ২৪ ফিট লম্বা।
এবার দেখে নিন কি কি সবজি লাগাবেন।

গ্রীষ্মকালীন সবজিঃ
পূর্ব দিকের মাচায় একদিক থেকে ঝিঙ্গা, কাকরোল, পটল, বরবটি,
মাঝখানের ৫ টা বেডের (পূর্ব থেকে)
প্রথম বেডে টমেটো এবং বেগুন
দ্বিতীয় বেডে মিষ্টি আলু ও কচু
তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ
চতুর্থ বেডে ডাটা শাক, পাট শাক
পঞ্চম বেডে ঢেড়স(ভেন্ডি)
পশ্চিম দিকের মাচায় একদিক থেকে মিষ্টি কুমড়ো, শসা।
উত্তর ও দক্ষিন মাথায় ৩ টি করে মোট ৬ টি পেপে গাছ।

শীতকালীন সবজিঃ
পূর্ব দিকের মাচায় একদিকে লাউ, আরেক দিকে খীরা।
মাঝখানের বেড গুলোর(পূর্ব দিক থেকে)
প্রথম বেডে টেমেটো ও বেগুন,
দ্বিতীয় বেডে মূলা ও গাজর,
তৃতীয় বেডে কাচা মরিচ,
চতুর্থ বেডে লাল শাক ও পালং
পঞ্চম বেডে ফুলকপি ও বাধাকপি
পশ্চিম দিকের মাচায় একদিকে শীম, অন্যদিকে উস্তা করলা। পেপে গাছ গুলোর গোড়ায় পুদিনা, ধনিয়া।

আপনার পরিবারের জন্য বিষমুক্ত নিরাপদ শাক সবজি সর্বরাহের দ্বায়িত্ব আপনার।
নিজে করুন, অন্যকে করতে উৎসাহিত করুন।

19/05/2024

আয়কর কি ?

আয়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সত্ত্বার আয় বা লভ্যাংশরে উপর প্রদেয় কর । আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতায় কর বলতে অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রদেয় আয়কর, অতিরিক্ত কর, বাড়তি লাভের কর, এতদসংক্রান্ত জরিমানা, সুদ বা আদায় যোগ্য অর্থকে বুঝায়। অন্য ভাবে বলা যায় যে, কর হচ্ছে রাষ্ট্রের সকল জনসাধারনের স্বার্থে রাষ্ট্রের ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রদত্ত বাধ্যতামূলক অর্থ।

কোন ব্যক্তি আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত?
র্অথ আইন ২০১৫ এর আওতায় প্রত্যেক ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশী সহ), হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে হলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। তবে
(১) মহিলা এবং ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ বয়সের ব্যক্তি করদাতা আয় ৩,০০,০০০/= টাকা এর উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবনে।
(২) প্রতিবন্ধি করদাতা আয় ৩,৭৫,০০০/= টাকা এর উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।
(৩) গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় সীমা ৪,২৫,০০০/= টাকা এর উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।

আয়করকে কেন প্রগতিশীল কর বলা হয়?
আয়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সত্ত্বার উপর সরকার কর্তৃক আরোপিত কর, যা আয় বা লভ্যাংশের পরিমান ভেদে পরিবর্তিত হয়। প্রগতিশীল কর হচ্ছে সেই কর ব্যবস্থা যাতে করদাতার আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে করহার বৃদ্ধি হয়। আয়কর আরোপিত হয় করদাতার কর পরিশোধ করার ক্ষমতার উপর। তাই আয়করকে প্রগতিশীল কর বলা হয়।

আয়করের জন্য আয়ের খাত কি কি?
আয়কর অধ্যাদশে ১৯৮৪ অনুযায়ী আয়ের খাত সমূহ নম্নিরূপ:

বেতনাদি
নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ
গৃহ সম্পত্তির আয়
কৃষি আয়
ব্যবসা বা পেশার আয়
মূলধনী মুনাফা
অন্যান্য উৎস হতে আয়। তবে রিটার্ন জমা দেয়ার সময় নিম্নলিখিত আয়ের খাতগুলি সম্পৃক্ত হবে।
ফার্মের আয়ের অংশ
স্বামী / স্ত্রী বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের আয়
আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ এর আওতায় কি কি ধরণের কর আরোপ করা হয়?
আয়কর অত্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতার দুই ধরনরে কর আরোপ করা হয়
১) ব্যক্তিগত আয় কর
২) কর্পোরেট আয়কর

ন্যূনতম কর কি?
অর্থ আইন ২০১৫ মোতাবেক সাধারণভাবে করমুক্ত আয়ের সীমা ১৫০০০০/০০। করমুক্ত আয়ের সীমা অতিক্রম করলে করদাতাকে এলাকা ভেদে ন্যূনতম যে কর পরিশোধ করতে হয় তাকে ন্যূনতম কর বলে। ন্যূনতম করের পরিমান যথাক্রমে ৫০০০/০০ (ঢাকা ও চট্রগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এরিয়া), ৪০০০/০০(অন্য সিটিকর্পোরেশন এরিয়া), ৩০০০/০০(সিটিকর্পোরেশন এর বাইরে অন্য যেকোনো এরিয়া)

আয়কর প্রদানের জন্য কোন বয়স সীমা আছে কি?
অর্থ আইন ২০১৫ এর আওতায় প্রত্যেক ব্যক্তি করদাতা উল্লেখ থাকলেও করদাতার সুনির্দিষ্ট বয়সসীমা উল্লেখ নেই। তবে মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তি, প্রতিবন্ধীদের এবং গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তি যোদ্ধাদের কর মুক্তির সীমা ভিন্ন ভাবে উল্লেখ রয়েছে। তাই আয়সীমা ২,৫০,০০০/= টাকা অতিক্রম করলে উক্ত আয়ের উপর কর প্রযোজ্য, সে ক্ষেত্রে বয়স বিবেচ্চ্য নয়।

আয়কর নিবন্ধন কি?
আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতায় ন্যূনতম করমুক্ত আয়ের সীমা অতিক্রম করলে কিংবা ধারা 75(1A) তে বর্ণিত তালিকার ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক না, রিটার্ন দাখিলের জন্য একজন করদাতাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অন্তর্গত কোন আয়কর কমিশনারেটের অধীনে সার্কেলে থেকে ১২ ডিজিটের TIN গ্রহণ করে নবিন্ধতি হতে হয় । একেই আয়কর নিবন্ধন বলে।

আয়করের জন্য নিবন্ধন প্রয়োজন কেন?
একজন করদাতাকে নিবন্ধনের মাধ্যমে করদাতা হিসাবে সনাক্ত করা হয়। ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশী সহ), হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আয়কর আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে হলে নিবন্ধন প্রয়োজন। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ন জমা দেওয়ার মাধ্যমে বাৎসরকি আয়, ব্যয় ও সঞ্চয় র্বণনা করেন।
নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে আয়কর নিবন্ধন প্রয়োজন:

আমদানীর উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলার সময়;
আমদানী রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট পাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদননের সময়;
করপোরেশন বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার সময়;
চুক্তি কার্যকর, পণ্য সরবরাহ বা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দরপত্র দাখিলের সময়;
কোম্পানী আইন, ১৯৯৪-এর আওতায় নিবন্ধনকৃত কোন ক্লাবের সদস্য হবার জন্য আবেদন দাখিল করার সময়;
সাধারণ বীমার সার্ভেয়ার হিসেবে তালিকাভূক্তি বা লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের সময়;
কোন সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদরের কোন পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত ভূমি, ভবন বা এপার্টমেন্টর চুক্তি মূল্য যদি এক লক্ষ টাকার উর্ধ্বে হয়, সেই ক্ষেত্রে ঐ ভূমি, ভবন বা ফ্লাট ক্রয়ের রেজিস্ট্রেশনের সময়।
সিটি কর্পোরেশন এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন ভূমি, ভবন বা কোন এপার্টমেন্টর ক্রেতা বাংলাদেশের অনিবাসী বাংলাদেশী হইলে তার ক্রয়ের রেজিষ্ট্রেশনের সময় (f) এর বিধান কার্যকর হইবে না;
কার, জিপ বা মাইক্রোবাসের মালিকানা পরিবর্তন কিংবা ফিটনেস রেজিষ্ট্রেশন নবায়নের সময়;
কোন বানিজ্যিক ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানী কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার অধিক ঋণ বরাদ্দ দানকালে;
ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর সময়;
ডাক্তার, চার্টার্ড একাউনন্ট্যান্ট, কষ্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউনন্ট্যান্ট, আইনজীবি বা আয়কর পেশাজীবির পেশাদারী লাইসেন্স অনুমোদনের সময়;
কোন কোম্পানীর ডাইরেক্টর বা কোন কোম্পানীর স্পসর শেয়ার হোল্ডার হওয়ার সময়;
বাংলাদেশের নাগরিক নয় এমন অনিবাসীর ক্ষেত্রে (k) এর বিধান কার্যকর হইবে না;
মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ এর আওতায় নিকাহ রেজিষ্ট্রোরের লাইসেন্স প্রদানের সময়। তবে শর্ত থাকে যে, যে ব্যক্তি ইতোমধ্যে নিকাহ রেজিষ্ট্রার হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছে, তার ক্ষেত্রে অত্র বিধান কার্যকর হওয়ার তিন মাসের মধ্যে টি, আই.এন সনদ সংগ্রহ করিতে হইবে;
কোন বানিজ্য সংস্থার মেম্বারশিপ নবায়নে বা মেম্বারশিপ আবেদনকালে;
গৃহসম্পত্তি নির্মাণের নিমিত্ত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চিটাগাং ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সিডিএ), খুলনা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেডিও) এবং রাজশাহী ডেভেলপমেন্ট অথরিটি(আরডিএ) হতে অনুমোদন পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্লান জমা প্রদানের সময়;
ড্রাগ লাইসেন্স ইস্যু করণের সময়;
সিটি কর্পোরেশন, পৌর সভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার মধ্যে বানিজ্যিক ভিত্তিতে গ্যাস সংযোগের আবেদনের সময়;
সিটি কর্পোরেশন, পৌর সভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার মধ্যে বানিজ্যিক ভিত্তিত বিদ্যুৎ সংযোগের আবেদনের সময়;
ভাড়ায় চালিত বাস, ট্রাক, প্রাইমমোভারস, লরী ইত্যাদি রেজিষ্ট্রেসনে, মালিকানা পরিবর্তন, ফিটনেস নবায়নের সময় এবং প্লেইং ফর হায়ারের সময়;
ভাড়ায় চালিত ওয়াটার ভ্যাসেলসহ লঞ্চ, ষ্টীমার, ফিসিং ট্রলার, কার্গো, কোস্টার, ডাম্প-বার্জ ইত্যাদির সার্টিফিকেট প্রদান বা নবায়নের সময়,
ইন্সুরেন্স কোম্পানীর এজেন্ট হিসেবে সার্টিফিকেট রেজিষ্টেশন বা নবায়ন করার সময়;
জেলা প্রশাসকের কার্যালয় কর্তৃক বা পরিবেশ অধিদপ্তর কর্তৃক ইট প্রস্তুতের অনুমতি প্রদান বা অনুমতি নবায়নের সময়;
উপজেলা, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় নির্বাচনের প্রার্থীদের মনোয়য়নপত্র জমা দেয়ার সময়;
কোন সিটি কর্পোরেমন বা জেলা সদরের কোন পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কারিকুলাম অনুযায়ীর ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ছাত্র ভর্তির সময় পিতা/মাতা বা অভিবাবক হওয়ার কারণে।
ই-টিআইএন কি?
ই-টিআইএন মানে ইলেকট্রনকি ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বার, ইহা আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন। ইহা ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর। একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

আমি ই-টিআইএন এর জন্য কীভাবে আবেদন করতে পারি?
আপনি ই-টিআইএন এর জন্য www. incometax.gov.bd এই সাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন এবং নিবন্ধন নিতে পাবেন।

ই-টিআইএন প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট কি লাগে?
ধরনের উপর নির্ভর করবে টিআইএন সার্টিফিকেট পেতে কি কি তথ্য লাগবে নিম্নে ছক আকারে দেওয়া হলোঃ

Individual প্রাপ্ত বয়স্ক: করদাতার নাম, বৈধ্য জাতীয় পরিচয়পত্র, নম্বর, জন্ম তারিখ (জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী)

Individual অপ্রাপ্ত বয়স্ক: করদাতার নাম, অভিবাবকের নাম, অভিবাবকের টিআইএন, করদাতার ছবি( সফট কপি পাসপোর্ট সাইজের)

বিদেশী, বাংলাদেশি without NID: পাসপোর্ট নম্বর, পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ, ভিসা নম্বর, ভিসা ইস্যুর তারিখ, কর দাতার ছবি (সফট কপি, পাসপোর্ট সাইজ)

কোম্পনির নাম (নিবন্ধন অনুযায়ী) নিবন্ধন নম্বর ও তারিখ।

ফার্মে (Registered): ফার্মের নাম (নিবন্ধন অনুযায়ী), নিবন্ধন নম্বর ও তারিখ।

ফার্মে (Unregistered): ফার্মের পার্টনারদের টিআইএন নম্বর এবং তাদের নাম।

Other (AOP, HUF local Authority, AJP: Authorized person / কর্তা ব্যক্তির টিআইএন নম্বর

আমি আমার আয়কর অধীক্ষেত্র কোনটি তা কিভাবে বুঝব?
প্রত্যেক শ্রেণীর করদাতার আয়কর অধীক্ষেত্রে নির্ধারনের কিছু পদ্ধতি রয়েছে যেমন করদাতার কর্মস্থল, করদাতার নিয়োগকারী প্রতিষ্টান, চাকুরির/ব্যবসার ধরন, মূল আয়ের উৎস ইত্যাদির বিবেচনায় কর অধীক্ষেত্রে নির্বাচিত করা হয়। বর্তমানে www.incometax.gov.bd ওয়েব সাইটে গিয়ে Jurisdiction Finder বাটনে ক্লিক করে প্রয়োজনিয় তত্ত্ব প্রদান করিলে ওয়েব সাইটি সয়ংক্রিয় ভাবে করদাতার আধিক্ষেত্র প্রদর্শন করিবে।

এছাড়াও নতুন করদাতা অনলাইনে টিঅইএন আবেদন করিলে টিঅইএন সনদের সঙ্গে কর অঞ্চল ও কর সার্কেল উল্লেখ থাকবে। করদাতাকে স্বশরীরে অধীক্ষেত্র নির্ধারন বা সার্কেলে গিয়ে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।

টিআইএন সনদ কি?
একজন করদাতা কর প্রদানের উদ্দেশ্যে কোন সার্কেলে আবেদন করিলে সংশ্লিষ্ট সার্কেল থেকে উপকর কমিশনার কর্তিক করদাতা সনাক্ত করতে যে সনদ প্রদান করা হয় তাকে টিআইএন সনদ বলে।

আয়কর সনদ কি?
করদাতা পূর্ববর্তী কর বর্ষের আয়কর রিটার্ন জমাদিলে কর সার্কেল কর্তিক যাচাই বাছাই ও মূল্যায়ন শেষে করদাতাকে সংশ্লিষ্ট সার্কেলের উপকর কমিশনার কর্তিক যে সনদ প্রদান করা হয় তাকে আয়কর সনদ বলে।

আমি ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন করতে পারি?
আপনি www.incometax.gov.bd ওয়েব সাইট থেকে খুব সহজে ঠিকানা, মোবাইল নম্বও ও ইমেইল এড্রেস পরিবর্তন করতে পারবেন। উক্ত ওয়েব সাইট Login করে Change Contact মেনুতে ক্লিক করুন। স্ক্রিনে নতুন ফর্ম দেখতে পাবেন।প্রয়োজনীয় পরিবর্তন শেষে নিচে কেন তথ্য পরিবর্তন করেছেন তার কারণ “Update Resoon” বক্সে লিখুন। অত:পর Save বাটনে ক্লিক করুন। আপনার পরিবর্তিত তথ্য ডাটাবেইজে সংরক্ষিত হয়ে যাবে।

আমার আয় আয়কর আরোপযোগ্য সীমার নিম্নে নেমে গেলে আমি কিভাবে আমার নিবন্ধন বাতিল করতে পারি?
আপনার আয় আয়কর আরোপ যোগ্য সীমার নিচে নেমে গেলে এবং যদি আপনার মনেহয় নিকট ভবিষ্যতে আয়সীমা ন্যুনতম আয়কর প্রদানের আওতায় আসবে না তাহলে আপনি সংশ্লিষ্ট সার্কেলের উপকর কমিশনার বরাবর টিআইএন বাতিলেন জন্য কারন ব্যাখ্যা করে আবেদন করতে পারেন। উপকর কমিশনার Inspection বা Hearing এর মাধ্যমে অথবা আবেদনের উপর ভিত্তি করে আপনার টিআইএন এর কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করতে পারেন।

আয়কর আরোপযোগ্য সীমা কি?
সরকার কর্তিক ঘুষিত আয় যা অতিক্রম করিলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। আয়কর আরোপযোগ্য সীমা হচ্ছে:

১) ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশী সহ), হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/= টাকা

(২) মহিলা এবং ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের আয়ের সীমা ৩,০০,০০০/= টাকা

(৩) প্রতিবন্ধি করদাতাদের আয়ের সীমা ৩,৭৫,০০০/= টাকা

(৪) গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তি যোদ্ধাদের আয়ের সীমা ৪,২৫,০০০/= টাকা

ব্যক্তিগত আয়করের জন্য কর হারের কাঠামো কি?
অর্থ আইন ২০১৫ এর আওতায় প্রত্যেক ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশী সহ), হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে হলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। তবে

(১) মহিলা এবং ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তিদের আয়ের সীমা ৩,০০,০০০/= টাকা এর উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন। (২) প্রতিবন্ধি করদাতাদের আয়ের সীমা ৩,৭৫,০০০/= টাকা এর উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।

৩) গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তি যোদ্ধাদের আয়ের সীমা ৪,২৫,০০০/= টাকা উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।

২০১৫-২০১৬ কর বছরের জন্য এরূপ করদাতাদের আয়ের উপর প্রযোজ্য কর হার নিম্নরূপে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছেঃ-



মোট আয়

কর হার

(ক)

প্রথম ২,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর

শূণ্য

(খ)

পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর

১০%

(গ)

পরবর্তী ৫,০০,০০/- টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর

১৫%

(ঘ)

পরবর্তী ৬,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর

২০%

(ঙ)

পরবর্তী ৩০,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর

২৫%

(চ)

অবশিষ্ট মোট আয়ের উপর

৩০%

কোম্পানি আয়করের জন্য কর হারের কাঠামো কি?
পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীর ক্ষেত্রে বিদ্যমান কর হার ২৫% নির্ধারন করা হয়েছে। তাছাড়া পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী ৩০% এর অধিক নগদ লভ্যাংশ প্রদান করলে ১০% হারে কর রেয়াত সুবিধা সংক্রান্ত পূর্বের বিধানটি রহিত করা হয়েছে। অপরদিকে ১০% এর কম লভ্যাংশ ঘোষনা করলে অথবা বাংলাদেশ সিকউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঘোষিত লভ্যাংম প্রদান না করলে পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীর কর হার ৩৫% এ নির্ধারণ করার বিধানও রহিত করা হয়েছে।

তবে, নন-পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানীর করহার গত বছরের ন্যায় ৩৫% বহাল রয়েছে।

২০১৫-২০১৬ কর বছরের জন্য কোম্পানীর আয়করের হার (লভ্যাংশ আয় ও মূলধনী আয় ব্যতীত) নিম্নরূপঃ



কোম্পানীর ধরণ

কর হার

(অ)

নন-পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী (স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভূক্ত নয় এমন কোম্পানী)

৩৫%

(আ)

পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানী (স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কোম্পানী)

২৫%

(ই)

ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ (মার্চেন্ট ব্যাংক ব্যতীত)

(i)পুজিঁবাজারের তালিকাভূক্ত হলে

(ii)পুজিঁবাজারের তালিকাভূক্ত না হলে

(iii)সরকার কর্তৃক ২০১৩ সালে অনুমোদিত ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের করের হার



৪০%

৪২.৫%

৪০%

(C)

মার্চেন্ট ব্যাংক

৩৭.৫%

(উ)

সিগারেট প্রস্তুতকারক কোম্পানী

৪৫%

(E)

মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানী

৪৫%

অন্যান্য কর হারঃ

(অ)

কোন কোম্পানী কর্তৃক প্রাপ্ত লভ্যাংশ আয়ের ক্ষেত্রে/বিদেশী কোম্পানীর মুনাফা প্রত্যাবাসন, যা লভ্যাংশ হিসেবে গণ্য, এর উপর

২০%

(আ)

কোম্পানী ব্যতীত সিগারেট প্রস্তুতকারক অন্যান্য শ্রেণীর করদাতার সিগারেট উৎপাদন পূর্বক বিক্রয় ব্যবসার আয়ের উপর

৪৫%

(ই)

সমবায় সমিতির আয়ের উপর

১৫%

প্রবাসি আয়ের ওপর প্রযোজ্য করহার কত?
অনিবাসী বাংলাদেশী ব্যতীত বাংলাদেশে অনিবাসী এমন ব্যক্তি-করদাতার কর হার ৩০% বলবৎ আছে। তবে অনিবাসী ব্যক্তি-করদাতা বাংলাদেশী নাগরিক হলে তাঁর আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশী নিবাসীদের জন্য প্রযোজ্য হারে অর্থাৎ ০%, ১০%, ১৫%, ২০%, ২৫% ও ৩০% আয়কর এবং সারচার্জ প্রদেয় হবে।

টিডিএস কি?
ট্র্যাক্স ডিডাকসান এটসোর্স (উৎসে কর কর্তন)। করদাতার আয় থেকে উৎসে কর্তনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সত্তা কর্তিক উৎস কর কেটে রাখা হলে তা প্রচলিত রিটার্ন ফরম আইটি-১১গ এর ১৬ নং ক্রমিকে আয়বছরে উল্লেখ করতে হবে। যেমন বেতন, ব্যাংক সুদ, গৃহ-সম্পত্তির বার্ষিক ভাড়া, পেশাগত ফি, ইত্যাদি থেকে উৎসে কেটে রাখা কর এখানে দেখাতে হবে। উৎস কেটে রাখা করের স্বপক্ষে কর কর্তনকারী কর্তৃপক্ষের সার্টিফিকেট রিটার্নের সাথে দাখিল করতে হবে।

আগাম আয়কর কি?
অগ্রিম আয়কর (এআইটি) এক ধরনের কর যা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে আমদানি করা পণ্যের উপর অর্পিত হয়। অনিবন্ধিত আমদানিকারকদের করের আওতায় আনতে ২০০৭ এ এই কর ব্যবস্তা চালু করা হয়। উল্লেখ্য যে, Return জমা দেয়ার সময় এআইটি একই ভাবে withholding tax এর মতই গণ্য হবে।

আগাম আয়কর উৎসে কর্তনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সত্তা কারা?
সরকার বা সরকার কর্তিক অনুমোদিত অন্য কোন কর্তৃপক্ষ
সরকার কর্তিক অনুমোদিত বাক্তি
কর্পোরেশন বা বডি
কোম্পানি
ব্যাংক, বীমা
কো অপারেটিভ ব্যাংক
এনজিও
কাস্টমস্ কমিশনার
বেন্ডরোল বিক্রির জন্য অনোমদিত বাক্তি
সিটি করপোরেশন বা পৌরসভা
কোন কোন সেবা হতে উৎসে আয়কর কর্তনযোগ্য? করের হার কত?
পেশাদারী পরিষেবা জন্য ফি
প্রযুক্তিগত সেবা জন্য ফি
কোন পারিশ্রমিক বা ফি বা কমিশন যে নামেই ডাকাহোক না কেন যা একজন পরিচালক কে প্রদান করা হয়েছে , যা বেতন প্রকৃতিতে নয় এমন আয়
রয়েলিটি
কোন সমষ্টি আয় যা অধ্যায় 28 এর দফা (VA) এ উল্লিখিত যা অসম্পূর্ণ পেমেন্টর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত
ঠিকাদারের আয়ের ওপর প্রযোজ্য করহার কত?
বাড়িভাড়ার আয়ের ওপর প্রযোজ্য করহার কত?
কর অবকাশ কি?
কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা । সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

কোন কোন খাতে কর অবকাশ প্রযোজ্য?
Industrial Undertaking Eligible for Tax holiday :

active pharmaceuticals ingredient industry and radio pharmaceuticals industry;
barrier contraceptive and rubber latex;
basic chemicals or dyes and chemicals;
basic ingredients of electronic industry (e.g resistance, capacitor, transistor, integrator circuit);
bio-fertilizer; (will get tax holiday even it is set up in distict of Dhaka, Narayanganj, Gazipur, Chittagong, introduced in FA 2012)
biotechnology;
boilers;
brick made of made of automatic hybrid Hoffmann kiln technology;
compressors;
computer hardware;
energy efficient appliances;
insecticide or pesticide;
petro-chemicals;
pharmaceuticals;
processing of locally produced fruits and vegetables;
radio-active (diffusion) application industry (e.g. developing quality or decaying polymer or preservation of food or disinfecting medicinal equipment);
textile machinery;
tissue grafting; or
any other category of industrial undertaking as the Government may, by notification in the official Gazette, specify.
Physical Infrastructure Eligible for Tax holiday:

deep sea port;
elevated expressway;
export processing zone;
flyover;
gas pipe line,
Hi-tech park;
Information and Communication Technology (ICT) village or software technology zone;
Information Technology (IT) park;
large water treatment plant and supply through pipe line;
Liquefied Natural Gas (LNG) terminal and transmission line;
mono-rail;
rapid transit;
renewable energy (e.g energy saving bulb, solar energy plant, windmill);
sea or river port;
toll road or bridge;
underground rail;
waste treatment plant; or
any other category of physical infrastructure facility as the Government may, by notification in the official Gazette, specify.
কর প্রণোদনা কি?
কর হ্রাস যার মাধ্যমে কোন বাক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে উত্সাহিত করবে।

কিভাবে কর প্রণোদনা পাওয়া যেতে পারে?
কর অব্যাহতি কি?
২০১৩-১৬ অর্থবছরের কর অব্যাহতির তালিকা কোনটি?
কর নির্ধারণ কি?
কর নিধারন হচ্ছে মোট আয় ও কর পরিগনার একটি পদ্ধতি। আয়বছর শেষে করদাতা দুইটি প্রচলিত পদ্ধতির (সাধারন,সার্বজনীন স্বনির্ধারন) যে কোন একটি পদ্ধতিতে আয়কর দাখিল করতে পারেন।

যদি করদাতা সাধারন পদ্ধতি উল্লেখ করে রিটার্ন জমাদেন সেক্ষেত্রে উপকর কমিশনার শুনানী পূর্বক করনির্ধারন করবেন এবং নিষ্পত্তি করবেন।

যদি করদাতা সার্বজনীন স্বনির্ধারনী পদ্ধতি উল্লেখ করে রিটার্ন জমা দেন সেক্ষেত্রে করদাতা নিজের আয় নিজে নিরূপন করে প্রযোজ্য আয়কর পরিশোধ করবেন। রিটার্ন দাখিলের পর উপকর কমিশনার এর দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা করদাতাকে প্রাপ্তি স্বীকার পত্র প্রদান করবেন। তবে 82BB ধারায় অর্থ আইন ২০১৫ এর মাধ্যমে আনীত সংশোধনী অনুযায়ী উপকর কমিশনার কয়েকটি ক্ষেত্র্রে নির্দ্দিষ্ট ক্রুটি বিচ্যুতি চিহ্নিতকরণ ও এর কারণে কম কর পরিশোধ করা হলে তা আদায়ের লক্ষে রিটার্নটি Process করবেন।

করবর্ষ কি?
সাধারণতঃ আয় বর্ষের পরবর্তী বর্ষকে কর বর্ষ বলা হয়। যেমন, ১লা জুলাই ২০১৪ হতে ৩০ শে জুন ২০১৫ সময়কাল পর্যন্ত উপার্জিত আয়ের আয়বর্ষ হইবে ২০১৪-২০১৫ এবং করবর্ষ হইবে পরবর্তী বর্ষ অর্থাৎ ২০১৫-২০১৬ ।

রিটার্ন দাখিলের পদ্ধতি গুলি কি?
বর্তমানে আয়কর রির্টান দাখিলের দুটি পদ্ধতি প্রচলিত আছে, যথা-

(১) সাধারণ পদ্ধতি এবং

(২) সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি।

সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি কি?
করদাতা তার নিজের আয় নিজে নিরূপন করে প্রযোজ্য আয়কর পরিশোধ করবেন - এটি বিশ্বব্যাপী একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে করদাতা রিটার্ন দাখিলকরনে বিনা প্রশ্নে আয়কর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক রিটার্নটি গৃহীত হয়। রিটার্ন দাখিলের পর উপ কর কমিশনার বা তার দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক করদাতাকে প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকারপত্র কর নির্ধারণী আদেশ হিসেবে বিবেচিত হয়। করদাতা রিটার্ন ফরম পূরণ পর্যায়ে রিটার্নের প্রথম পৃষ্ঠায় সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির ঘরে টিক প্রদান করলে কিংবা রিটার্নের উপরে সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতি উল্লেখ করলে দাখিলকৃত রিটার্নটি সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে আওতায় গৃহীত হবে।

ব্যান্ডরোলে করের বিধান কি?
বিড়ির ব্যান্ডরোল বিক্রয় সম্পর্কিত বিধান:

আয়কর অধ্যাদেশের ধারা 52B এর বিদ্যমান বিধান অনুসারে হাতে প্রস্তুতকৃত সিগারেট, যা বিড়ি নামে পরিচিত, এর ব্যান্ডরোল বিক্রয়কালে ব্যান্ডরোল বিক্রেতা ১০% হারে উৎস কর সংগ্রহ করেন যা উক্ত ব্যবসায় চূড়ান্ত করদায় পরিশোধ হিসেবে বিবেচিত হয়। অর্থ আইন, ২০১৫ এর মাধ্যমে ধারা ৫২ই এর বিদ্যমান বিধানটি ধারা 52B এর উপ-ধারা (1) হিসেবে সংখ্যায়িত করার প্রেক্ষিতে ধারা 82C এর উপ-ধারা (2) এর ক্লজ (d) তে ধারা 52B এর স্থলে ধারা 52B এর উপ-ধারা (1) সংযোজন করা হয়েছে। এর ফলে, বিড়ির ব্যান্ড রোল সরবরাহকালে উৎসে সংগৃহীত কর উক্ত ব্যবসায় আয়ের ক্ষেত্রে পূর্বের ন্যায় চূড়ান্ত করদায় হিসেবে গণ্য হবে।

কর যোগ্য আয় কি?
নিম্নে উল্লিখিত খাতগুলি থেকে যদি ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশী সহ), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে হলে কর যোগ্য আয় বলে বিবেচিত হবে।

খাতগুলি হলো:

১। বেতনাদি

২। নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ

৩। গৃহ সম্পত্তির আয়

৪। কৃষি আয়

৫। ব্যবসা বা পেশার আয়

৬। ফার্মের আয়ের অংশ

৭। স্বামী / স্ত্রী বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের আয়

৮। মূলধনী মুনাফা

৯। অন্যান্য উৎস হতে আয়।

কোন আয় করযোগ্য আয় নয়? / ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের খাতগুলি কি?
ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের কয়েকটি খাত নীচে দেয়া হলোঃ

(ক) সরকারী চাকুরিজীবী করদাতা যদি চাকুরীর দায়িত্ব পালনের জন্য কোন বিশেষ ভাতা, সুবিধা বা আনুতোষিক (perquisite) পান;

(খ) পেনশন;

(গ) অংশীদারী ফার্ম হতে পাওয়া মূলধনী মুনাফার অংশ;

(ঘ) ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্র্যাচুইটি প্রাপ্তি;

(ঙ) প্রভিডেন্ট ফান্ড এ্যাক্ট, ১৯২৫ অনুযায়ী উক্ত ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ;

(চ) স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ;

(ছ) স্বীকৃত সুপারএ্যানুয়েশন ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ;

(জ) বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন) এর আওতায় কোন শ্রমিক কর্তৃক ওয়ার্কার্স পার্টিসিপেশন ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ;

(ঝ) মিউচ্যুয়াল ফান্ড অথবা ইউনিট ফান্ড থেকে প্রাপ্ত ২৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় (সুদ, মুনাফা বা ডিভিডেন্ড);

(ঞ) স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোন কোম্পানী থেকে প্রাপ্ত নগদ লভ্যাংশ খাতের আয় ২৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত;

(ট) সরকারি নিরাপত্তা জামানতের সুদ যা সরকার করমুক্ত বলে ঘোষনা করেছে;

(ঠ) রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ী আদিবাসীর দ্বার এই জেলাগুলোতে পরিচালিত আর্থিক কর্মকান্ডের ফলে প্রাপ্ত আয়,

(ড) রপ্তানী ব্যবসা হতে প্রাপ্ত আয়ের ৫০%;

(ঢ) আয়ের একমাত্র উৎস ‘কৃষি খাত’ হলে কৃষি খাত হতে আয় ২,০০,০০০/- টাকা পর্যন্ত;

(ণ) Software development বা Nationwide Telecommunication Transmission Network (NTTN) বা Informantion Technology Enabled Services (ITES) ব্যবসার আয়;

(ত) হাঁস-মুরগীর খামার হতে অর্জিত আয়। তবে এ ক্ষেত্রে অর্জিত আয় ১,৫০,০০০/- টাকা এর অধিক হলে অর্জিত আয়ের ১০% সরকারী বন্ড ক্রয়ে বিনিয়োগ করতে হবে।এ বিধান কর বছর ২০১৫-২০১৬ এর জন্য প্রযোজ্য। ২০১৬-২০১৭ কর বছর হতে এ খাতের আয়ের করযোগ্যতার বিষয়ে ১৬/০৮/২০১৫ খ্রিস্টাব্দ তারিক একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারী করা হয়েছে;

(থ) হাঁস-মুরগী, চিংড়ী ও মাছের হ্যাচারী (hatchery) এবং মৎস চাষ হতে অর্জিত আয় এর ক্ষেত্রে প্রথম ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘শূন্য ‘হারে, পরবর্তী ১০ লক্ষ টাকা আয়ের উপর ৫% হাওে এবং অবশিষ্ট আয়ের উপর ১০% হাওে কর প্রদেয় হবে;

(দ) কতিপয় ক্ষেত্র ব্যতীত ব্যক্তি-করদাতা কর্তৃক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পনীর শেয়ার বিক্রয় হতে অর্জিত মূলধনী মুনাফা;

(ধ) হস্তশিল্পজাত দ্রব্যাদি রপ্তানী থেকে উদ্ভুত আয় ;

(ন) জিরো কুপন বন্ড থেকে উদ্ভুত আয়;

(প) ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ড বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ইইএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, পাউন্ড স্টার্লিং প্রিমিয়াম বন্ড, পাউন্ড স্টার্লিং ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, ইউরো প্রিমিয়াম বন্ড ও ইউরো ইনভেস্টমেন্ট বন্ড হতে প্রাপ্ত সুদ আয়।

(ফ) পেনশনার সঞ্চয়পত্র থেকে প্রাপ্ত সুদ, যেখানে বছরে সর্বমোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৫,০০,০০০/- টাকা অধিক নয়।

করমুক্ত আয়সমূহ করদাতার মোট আয়ের অন্তর্ভূক্ত হবে না। এটি রিটার্নের ১৮ নং ক্রমিকে করমুক্ত আয়ের কলামে প্রদর্শন করতে হবে।

কোন ধরনের বিনিয়োগ বা দান কর রেয়াত পাওয়ার উপযুক্ত?
একজন করদাতা নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে বিনিয়োগ কিংবা দান করলে তিনি বিনিয়োগ ও দানকৃত অংকের ১৫% সরাসরি আয়কর রেয়াত পাবেন।

বিনিয়োগের খাত: একজন করদাতার বিনিয়োগ ও দানের খাতের তালিকা নীচে দেয়া হলো:

জীবন বীমার প্রিমিয়াম।
সরকারি কর্মকর্তার প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা।
স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদা।
কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বীমা তহবিলে চাঁদা
সুপার এনুয়েশন ফান্ডে প্রদত্ত চাঁদা।
যে কোন তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট পেনমন স্কীমে বার্ষিক সর্বোচ্চ ৬০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ।
সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বিনিয়োগ
বাংলাদেশের ষ্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কোম্পানীর শেয়ার, স্টক, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ।
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ট্রেজারী বন্ডে বিনিয়োগ;
নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ক্রয়ে বিনিয়োগ।
দান:

যাকাত তহবিলে দান।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কোন দাতব্য হাসপাতালে দান।
প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানে দান।
মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে প্রদত্ত দান।
আগাঁ খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কে দান।
আহসানিয়া ক্যান্সার হাসপাতালে দান।
ICDDRB তে প্রদত্ত দান
CRP, সাভার এ প্রদত্ত দান।
সরকার কর্তৃক অনুমোদিত জনকল্যাণমূলক বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দান।
এশিয়াটিক সোসাইটি , বাংলাদেশ এ দান।
ঢাকা আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে দান।
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের কোন প্রতিষ্ঠানে অনুদান।
জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষার্থে নিয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে অনুদান।
** কর রেয়াতের জন্য এরূপ বিনিয়োগ ও দানের পরিমান মোট আয়ের (স্বীকৃত --- তহবিলে --- চাদা, ৮২ সি ধারায় নির্ণিত চুড়ান্ত করদায় এবং হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এমন আয় থাকলে তা বাদে) ৩০ % অথবা ১,৫০,০০,০০০/= টাকা অথবা প্রকৃত বিনিয়োগ এ তিনটির মধ্যে যেটি কম তার বেশি হতে পারবেনা

কোম্পানি কর রেয়াতের তালিকা কোনটি?
কোন ধরণের বিনিয়োগ কর রেয়াত পাওয়ার উপযুক্ত?
কর রেয়াত পাওয়ার উপযুক্ত বিনিয়োগের খাত:

করদাতার বিনিয়োগ খাতের তালিকা নীচে দেয়া হলো:

জীবন বীমার প্রিমিয়াম।
সরকারি কর্মকর্তার প্রভিডেন্ট ফান্ডে চাঁদা।
স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিলে নিয়োগকর্তা ও কর্মকর্তার চাঁদা।
কল্যাণ তহবিল ও গোষ্ঠী বীমা তহবিলে চাঁদা
সুপার এনুয়েশন ফান্ডে প্রদত্ত চাঁদা।
যে কোন তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট পেনমন স্কীমে বার্ষিক সর্বোচ্চ ৬০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ।
সঞ্চয়পত্র ক্রয়ে বিনিয়োগ
বাংলাদেশের ষ্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কোম্পানীর শেয়ার, স্টক, মিউচ্যুয়াল ফান্ড বা ডিবেঞ্চারে বিনিয়োগ।
বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত ট্রেজারী বন্ডে বিনিয়োগ;
নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ক্রয়ে বিনিয়োগ।
বাবার মৃতুর পর তার সম্পত্তি সন্তানের হিসাবে কিভাবে অর্ন্তভুক্ত করবে?
বাবার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি সন্তানদের মধ্যে উত্তরাধিকার সূত্রে বন্টন হবে। এ ক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তি উত্তরাধিকারী দের সম্পত্তি হিসাবে অন্তরভূ্ক্তি করিতে প্রমানপত্র হিসাবে বন্টন নামা দলিল বা দানপত্র দলিল বা অন্য কোন যৌক্তিক প্রমান পত্র থাকতে হবে। যেহেতু উক্ত সম্পত্তি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত তাই এই সম্পদের উপর কোন কর ধার্য হইবে না। এ ক্ষেত্রে উপকর কমিশনার সর্বশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহন করবেন।

বাবার মৃতুর পর তার টিআইএন বাতিল করার প্রয়োজনীয়তা আছে কি?
বাবার মৃত্যুর পর টিআইএন বাতিল করার প্রয়োজনীয়তা নির্ভর করে তার উত্তরাধিকারীদের উপর। যদি এমন কোন ব্যবসা বাবার নামে থাকে যা টিআইএন বাতিল করিলে ব্যবসা সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র বাতিল করে নতুন করে করতে হয় কিংবা বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হয় সে ক্ষেত্রে টিআইএন বাতিল না করে উত্তরাধিকারীরা প্রতিবছর বাৎসরিক রিটার্ন জমা দিয়ে Assessment করাতে পারবেন। আর যদি টিআইএন এর কোন প্রয়োজনীয়তা না থাকে তাহলে উত্তরাধিকারীরা উপকর কমিশনার বরাবর টিআইএন বাতিলের জন্য আবেদন করিতে পারেন। উপকর কমিশনার Inspection বা Hearing এর মাধ্যমে অথবা আবেদনের উপর ভিত্তি করে আপনার টিআইএন এর কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করতে পারেন।

কোথায় আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়?
প্রত্যেক শ্রেণীর করদাতার রির্টান দাখিলের জন্য আয়কর সার্কেল নির্দিষ্ট করা আছে। যেমন : A, B এবং C অক্ষরগুলো দিয়ে ঢাকা সিভিল জেলার অবস্থিত যে সকল বেসামরিক সরকার কর্মকতা/কর্মচারী ও পেনশনভুক্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারীর নাম শুরু হয়েছে তাদেরকে কর অঞ্চল-৪, ঢাকা এর কর সার্কেল-৭১ এ রিটার্ন জমা দিতে হবে। পুরোনো করদাতারা তাদের বর্তমান সার্কেলে রিটার্ন জমা দেবেন। নতুন করদাতারা তাদের নাম, চাকুরীস্থল বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঠিকানার ভিত্তিতে নির্ধারিত সার্কেলে ১২ সংখ্যার টিআইএন (e-TIN) উল্লেখ করে আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন। করদাতারা প্রয়োজনে কাছাকাছি আয়কর অফিস বা কর পরামর্শ কেন্দ্র থেকে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত সার্কেল অফিস সম্পর্কে জানতে পারবেন।

কোন সময়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়?
কোম্পানী ব্যতীত অন্যান্য সকল শ্রেণীর করদাতার ক্ষেত্রে প্রতি বছর ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর এই ৩ মাস সময়সীমার মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা সম্বব না হলে একজন করদাতা রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য উপযুক্ত কারণ উল্লেখ করে উপ কর কমিশনারের কাছে সময়ের আবেদন করতে পারেন। সময় মঞ্জুর হলে বর্ধিত সময়ের মধ্যে সাধারণ অথবা সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব।

আমি নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে কী ধরণের ব্যবস্থা গৃহীত হবে?
নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করিলে, সংশ্লিষ্ট করদাতাকে আত্মাপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যে আবশ্যিকভাবে ধারা-১৩০ মোতাবেক নোটিশ প্রদান সাপেক্ষে খেলাপী করদাতার সর্বশেষ আরোপিত আয়করের ১০% অথবা কমপক্ষে ১,০০০.০০ টাকা ও পরবর্তী প্রতি খেলাপী দিবসের জন্য ৫০.০০ টাকা, এ দু’টি মধ্যে যেটি বেশী, উপ-কর কমিশনার কর্তৃক তাহা জরিমানা আরোপ করিতে পারিবেন। শর্ত থাকে যে-

(১) উপ ধারা-124(1) অনুযায়ী কোন নতুন ব্যক্তি-করদাতা, যাহার আয়ের উপর ইতোপূর্বে কখনো করারোপিত হয় নাই, তাঁহার ক্ষেত্রে আরোপযোগ্য মোট জরিমানা পরিমান ৫,০০০/- টকার বেশি হইবে না;

(২) উপ ধারা -124(1) অনুযায়ী কোন নতুন ব্য

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MH Law Academy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share