আইনবিদ ইনস্টিটিউট

আইনবিদ ইনস্টিটিউট আইনবিদ ইন্সটিটিউট, একটি আইন গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বার কাউন্সিল ও বিজেএস পরীক্ষার্থীদের বিশেষভাবে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।

কোন কোম্পানীর ফ্ল্যাট কেনা নিরাপদ? কোন কোম্পানীর ফ্ল্যাট কেনা আপনার জন্য নিরাপদ সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অবশ্যই মনোযোগ দ...
15/03/2026

কোন কোম্পানীর ফ্ল্যাট কেনা নিরাপদ?

কোন কোম্পানীর ফ্ল্যাট কেনা আপনার জন্য নিরাপদ সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে এই লেখাটি পড়ুন।

ফ্ল্যাট কেনা আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। হয়তো আপনার জীবনের সঞ্চিত সবটুকু অর্থ দিয়েই আপনি ফ্ল্যাট কিনছেন। তাই শুধুমাত্র কোন কোম্পানীর চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে কিংবার কোম্পানির বড় বড় শো ডাউন দেখে ফ্ল্যাট কেনার মত এত বড় সিদ্ধান্ত আপনি নিবেন না। কোম্পানির সুনাম, অতীত রেকর্ড, কাজের ধরণ এবং বিশেষ করে ফ্ল্যাটের সকল দলিলাদি সঠিকভাবে যাচাই করে ফ্ল্যাট কেনার সিদ্ধান্ত নিন।

কোম্পানী নির্বাচন-

ফ্ল্যাট কেনার আগে কোম্পানী নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একটি ভাল কোম্পানী নির্বাচন করতে পারলেই আপনি ফ্ল্যাট কিনে সফল হবেন ইনশাআল্লাহ। তাই সঠিক কোম্পানী নির্বাচনের জন্য নিচের বিষয়গুলি অবশ্যই বিবেচনা করুন।

১। কোম্পানীর ফ্ল্যাট নির্মাণ কৌশল।

২। কোম্পানীর ইতিপূর্বের ফ্ল্যাট হস্তান্তরের রেকর্ড।

৩। ফ্ল্যাটের কাগজপত্র।

এই বিষয়গুলো নিজে নিশ্চিত হয়ে নিন। নিজে নিশ্চিত হতে না পারলে একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নিন। তবে আইনজীবীর সহায়তা নিলে হবে না। যিনি ভূমি এবং ফ্ল্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ এমন একজন আইনজীবীর সহায়তা নিতে হবে।

এই বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়ে যারা কোম্পানী সিলেক্ট করতে পারছেন না এবং ভূমি ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে অভিজ্ঞ আইনজীবীও পাচ্ছেন না তারা সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমি নিজে এবং আমার টিম কোম্পানী নির্বাচনে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকি। এই ক্ষেত্রে আপনাকে ফ্ল্যাট দেখানো থেকে শুরু করে সমস্ত কাগজপত্র যাচাই করা, কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া, লোন নিতে সহায়তা করা, দলিল লেখা, রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে দলিল রেজিস্ট্রি করে দেওয়া এবং সর্বশেষ ফ্ল্যাটের দখল বুঝিয়ে দেওয়া এই সব কিছুই আমি নিজে অথবা আমার সরাসরি তত্ত্বাবধানে আমার টিম মেম্বার দ্বারা আপনাকে করে দিব ইনশাল্লাহ।

আমি ভূমি ও ফ্ল্যাট সংক্রান্ত বিষয়ে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী এবং খ্যাতিমান রিয়েল এস্টেট কোম্পানীর লিগ্যাল এডভাইজার। আমি ভূমি ও ফ্ল্যাট এক্সপার্ট হওয়ায় সকল আইনি জটিলতা এড়িয়ে কোম্পানী নির্বাচন থেকে শুরু করে আপনার ফ্ল্যাটে ওঠা পর্যন্ত সকল সহযোগিতা পাবেন আমার কাছে।

আর এই সকল কাজের প্রতি স্টেপে আমার কাছে আইনি সেবা পাবেন সম্পূর্ণ ফ্রি ইনশাআল্লাহ।

তাই নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার জন্য ফ্রি লিগ্যাল এডভাইজার হিসাবে আমাকে পেতে চাইলে যোগাযোগ করুন নিচের ঠিকানায়-

এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)
এলএল.বি, এলএল.এম, এমবিএ
১২, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র রোড, বাংলামোটর, শাহবাগ, ঢাকা।
মোবাইল: 01711068609 (Whatsapp)

আয়কর আইনজীবী পরীক্ষা ২০২৬ এর নোটিশ
09/03/2026

আয়কর আইনজীবী পরীক্ষা ২০২৬ এর নোটিশ

দলিল লেখা এবং রেজিস্ট্রি কাকে দিয়ে করানো উচিৎ এডভোকেট নাকি দলিল লেখকদলিল লেখা ও রেজিস্ট্রি করার ক্ষেত্রে কাকে বেছে নেবে...
06/03/2026

দলিল লেখা এবং রেজিস্ট্রি কাকে দিয়ে করানো উচিৎ এডভোকেট নাকি দলিল লেখক

দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রি করার ক্ষেত্রে কাকে বেছে নেবেন একজন বিজ্ঞ অ্যাডভোকেট নাকিএকজন দলিল লেখক সেটি নির্ভর করে জমির কাগজপত্রের জটিলতা এবং আইনি নিরাপত্তা উপর।

নিম্নে উভয়ের কাজের পরিধি এবং পার্থক্য তুলে ধরা হলো-
নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ ভাল করে মনোযোগ দিয়ে পড়লে আপনি সঠিক সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ-

১। অ্যাডভোকেট (Advocate/Lawyer)
একজন বিজ্ঞ আইনজীবী সারা দেশের যেকোন আদালতে মামলা মোকদ্দমা পরিচালনা সহ সকল আইনি সেবা প্রদানের জন্য সরকারীভাবে লাইসেন্স প্রাপ্ত উচ্চ শিক্ষিত বিজ্ঞজন। তারা আইন বিষয়ে বিশেষভাবে ডিগ্রিধারী এবং জমির মালিকানার ধারাবাহিকতা (Chain of Ownership) পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করার ক্ষমতা রাখেন।

কখন বিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে যাবেন-
জমির মূল্য অনেক বেশি হলে, জমি বায়না করা থাকলে, আম-মোক্তারনামা (Power of Attorney) এর মাধ্যমে ক্রয় করা হলে, কিংবা কোনো কোম্পানি বা ট্রাস্টের জমি হলে।

নিরাপত্তা-
বিজ্ঞ আইনজীবী বিশেষভাবে অভিজ্ঞ বিধায় তিনি সি.এস থেকে শুরু করে মালিকার চেইন যাচাই করে দলিল লিখে থাকেন। বিধায় ইহা ক্লায়েন্টের জন্য নিরাপদ।

২। দলিল লেখক (Deed Writer)-
দলিল লেখকগণ সাধারণত নির্দিষ্ট এলাকায় শুধুমাত্র দলিল লেখা এবং দলিলটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থাপন করার জন্য লাইসেন্স প্রাপ্ত। আইনগত বিষয়ে তারা অভিজ্ঞ নয়। বিধায় দলিলে আইনগত কোন ভুল থাকার সম্ভাবনা থাকে। যাহা পরবর্তীতে বিশাল ক্ষতির কারণ হতে পারে।

কখন দলিল লেখকের কাছে যাবেন-
জমিটি একেবারে ঝামেলামুক্ত এবং ছোট খাট দলিল হলে কিংবা কাগজপত্রের বা আইনি কোন জটিলতা না থাকলে দলিল লেখকের দ্বারা কাজটি করানো যেতে পারে।


নিরাপত্তা-
দলিল লেখক বিশেষভাবে অভিজ্ঞ নয় বিধায় জটিল ক্ষেত্রে মালিকার চেইন যাচাই ভুল হতে পারে। বিধায় ইহা ক্লায়েন্টের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়।

বিজ্ঞ আইনজীবী এবং দলিল লেখকের কাজের তুলনামূলক পার্থক্য-


বিষয় অ্যাডভোকেট দলিল লেখক
মূল ফোকাস মালিকানা যাচাই, আইনি সুরক্ষা, দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রেশন করা শুধুমাত্র দলিল লেখা ও জমা দেওয়া
দক্ষতা আইনি বিশ্লেষণ ও ড্রাফটিং দাপ্তরিক ফরমালিটি
জটিল জমি অধিক নিরাপদ ঝুঁকি থাকতে পারে
ফি কাজের ধরণ ও জটিলতা অনুযায়ী ভিন্ন হয় সাধারণত নির্ধারিত থাকে

কোনটি সেরা মাধ্যম-
সার্বিক বিশ্লেষণে বলা যায় যে, বিজ্ঞ আইনজীবীর ফি একটু বেশি হলেও একজন বিজ্ঞ অ্যাডভোকেটকে দিয়ে দলিল লেখা এবং রেজিস্ট্রি করিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যমে। কারণ বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে আপনার দলিল রেজিস্ট্রেশন সুন্দরভাবে সম্পন্ন হচ্ছে এবং জমির মালিকানাও সুরক্ষিত থাকছে। তবে আইনজীবী নির্বাচন করার সময় অবশ্যই জমি-জমা বিষয়ে অভিজ্ঞ (Land Expert) আইনজীবীকে নির্বাচন করুন।

প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

যোগাযোগ
আইনবিদ ল’ চেম্বার (Ainbid Law Chamber)
সার্বিক পরিচালনায়- এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)
এলএল.বি, এলএল.এম, এমবিএ
ভূমি ও আয়কর বিশেষজ্ঞ (Land & Tax Expert)
২/১, কোর্ট হাউজ স্ট্রিট, ঢাকা জজ কোর্ট, কোতোয়ালী, ঢাকা।
অথবা
রোড-৫, ব্লক-এ, বনশ্রী, রামপুরা, ঢাকা
ফোন- 01711068609 / 01540105088
ওয়েবসাইট- www.ainbid.com

27/02/2026
হ্যাঁ / না ভোটের ফলাফলের গেজেট ২০২৬
14/02/2026

হ্যাঁ / না ভোটের ফলাফলের গেজেট ২০২৬

সংসদে উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ কি ? আইন প্রণেতাগণ যেখানে বসে আইন প্রণয়ন করেন সেটাই হচ্ছে আইনসভা বা সংসদ (Legislature)। সংস...
14/02/2026

সংসদে উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ কি ?

আইন প্রণেতাগণ যেখানে বসে আইন প্রণয়ন করেন সেটাই হচ্ছে আইনসভা বা সংসদ (Legislature)। সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্র পরিচালনার সুবিধার্থে আইনসভাকে অনেক ক্ষেত্রে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। দুই ভাগে বিভক্ত আইনসভাকে বলা হয় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা (Bicameral legislature)। এই দুটি ভাগের নামই হচ্ছে উচ্চকক্ষ (Upper House) এবং নিম্নকক্ষ (Lower House)।

উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষের মধ্যে পার্থক্য ও কাজ-

১। নিম্নকক্ষ (Lower House)-
নিম্নকক্ষের আসন সংখ্যা নির্ধারিত থাকে। যেমন বাংলাদেশের আসন সংখ্যা ৩০০টি। প্রত্যেকটি আসনের জন্য একজন জনপ্রতিনিধি বা সংসদ সদস্য (Member of Parliament or MP) জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়। নির্বাচিত এই প্রতিনিধিদের নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হয়।

কাজ-
১। বাজেট পাস করা।
২। আইন প্রনয়ন করা।
সাধারণত অর্থ সংক্রান্ত বিষয়ে নিম্নকক্ষের ক্ষমতা বেশি থাকে। সরকার গঠন ও টিকিয়ে রাখার জন্য এই কক্ষের সমর্থন সবচেয়ে বেশি জরুরি।

উদাহরণ:
ভারতের লোকসভা,
যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্স,
যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস।

২। উচ্চকক্ষ (Upper House)-
মূলত অভিজ্ঞ ব্যক্তি, বিশিষ্ট নাগরিক অথবা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয়। উচ্চকক্ষের সদস্য সরাসরি ভোটের মধ্যমে নির্বাচিত করা হয় না, বরং নিম্ন কক্ষের নির্বাচিত প্রতিনিধিগণ পরোক্ষ নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক হারে নির্ধারণ করেন।

কাজ-
১। নিম্নকক্ষ থেকে পাস হওয়া আইনগুলো পর্যালোচনা করা এবং
২। তাড়াহুড়ো বা ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কি না তা তদারকি করা।

স্থায়িত্ব: উচ্চকক্ষ সাধারণত একেবারে সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যায় না। একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর কিছু সদস্য পর্যায়ক্রমে অবসর নেন।

উদাহরণ:
ভারতের রাজ্যসভা,
যুক্তরাজ্যের হাউস অফ লর্ডস,
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট।

বাংলাদেশের সংসদ-
বাংলাদেশে এতদিন এক কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ ছিল। যেটি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। বাংলাদেশে পৃথক কোনো 'উচ্চকক্ষ' বা 'নিম্নকক্ষ' ছিলনা। ২০২৪ সালের রক্তক্ষয়ী জুলাই বিপ্লবের পর থেকে ঐক্যমত্য কমিশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা চালু হলে বাংলাদেশের বিদ্যমান এক কক্ষ বিশিষ্ট সংসদই নিম্নকক্ষ হিসাবে পরিচালিত হবে এবং নতুন উচ্চ কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠন করা হবে।

বাংলাদেশের উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষের আসন সংখ্যা-
নিম্ন কক্ষের আসন সংখ্যা- ৩০০টি।
উচ্চ কক্ষের আসন সংখ্যা- ১০০টি।

উচ্চকক্ষ এবং নিম্নকক্ষের মধ্যে পার্থক্য-

১। সদস্য সংখ্যা-
নিম্ন কক্ষের সদস্য সংখ্যা ৩০০ জন এবং উচ্চ কক্ষের সদস্য সংখ্যা ১০০ জন।
২। নির্বাচন পদ্ধতি-
নিম্ন কক্ষের সদস্যগণ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। উচ্চ কক্ষের সদস্যগণ সংখ্যানুপাতিক হারে মনোনয়ন করা হবে।
৩। প্রধান কাজ
নিম্ন কক্ষের কাজ আইন তৈরি বা প্রণয়ণ করা। উচ্চ কক্ষের কাজ আইন পর্যালোচনা ও পরামর্শ দেওয়া।
৪। গুরুত্ব-
নিম্ন কক্ষ রাজনৈতিকভাবে বেশি শক্তিশালী। উচ্চ কক্ষ গুণগত মান বজায় রাখতে সহায়ক।

লেখক-
এডভোকেট মুহাম্মদ মহীউদ্দীন (শিশির)
01711068609

06/02/2026

শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকান্ডের তদন্তের দায়িত্ব জাতিসংঘকে দিলে অসুবিধা কোথায়?

06/02/2026

নির্বাচন উপলক্ষে যারা টুপি পাঞ্জাবী পড়ছে আর সবসময় যারা টুপি পাঞ্জাবী পড়ে এদের মধ্যে কারা ধর্মকে ব্যবহার করছে?

31/01/2026

২০২৫-২০২৬ কর বর্ষের ট্যাক্স রিটার্ন দাখিলের সময় ২৮/০২/২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। সকল সমাধান অনলাইনে । যোগাযোগ-01711068609

2025-2026 কর বর্ষের আয়কর রিটার্নের মেয়াদ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
31/01/2026

2025-2026 কর বর্ষের আয়কর রিটার্নের মেয়াদ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।

I've just reached 7K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗...
31/12/2025

I've just reached 7K followers! Thank you for continuing support. I could never have made it without each one of you. 🙏🤗🎉

16/12/2025

OPC, LTD & PLC company সম্পর্কে জানতে হলে ভিডিওটি দেখুন

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনবিদ ইনস্টিটিউট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আইনবিদ ইনস্টিটিউট:

Share

Category