M Hossain Chamber

M Hossain Chamber Advocacy & Consulting farm

 #আয়কর রিটার্ন: দায়িত্ব, সচেতনতা ও আপনার আর্থিক নিরাপত্তার একমাত্র সঠিক পথবাংলাদেশে এখনও অনেকেই মনে করেন “রিটার্ন মানেই ...
22/11/2025

#আয়কর রিটার্ন: দায়িত্ব, সচেতনতা ও আপনার আর্থিক নিরাপত্তার একমাত্র সঠিক পথ
বাংলাদেশে এখনও অনেকেই মনে করেন “রিটার্ন মানেই ঝামেলা, টাকা দেওয়া, অথবা অযথা সময় নষ্ট করা।”
এই ভুল ধারণার ফলেই দেখা যাচ্ছে-
অগনিত মানুষ রিটার্ন জমা দেন না।
৯৫% করদাতা অন্যকে দিয়ে রিটার্ন করান,
কিন্তু ৯০% রিটার্নে ভুল,
যার কারণে আজ শত শত নোটিশ পাঠাচ্ছে আয়কর অফিস।
ভুল রিটার্ন কখনোই সুফল দেয় না; বরং ভবিষ্যতে ডেকে আনে অযথা হয়রানি, জরিমানা ও আইনি জটিলতা।

#রিটার্নের সবচেয়ে বড় ভুল—“ডিফারেন্স শূন্য করলেই সব ঠিক!”
অনেক করদাতা মনে করেন-
“যা আয় তাই ব্যয় দেখালাম, হাতে নগদ-সম্পদ, ডিফারেন্স শূন্য তাই রিটার্ন ঠিক আছে।”
রিটার্ন বলতে অনেকেই বোঝেন যে ভাবেই হোক ডিফারেন্স শূন্য করা। উনাদের যক্তি হল- ডিফারেন্স তো শূন্য হয়েছে এবং রিটার্ণ তো জমা নিয়েছে। তখন তো কোন আপত্তি করেনি। অর্থাৎ ফাইল ঠিক আছে। এটাই সর্ববৃহৎ ভুল।
#অনেক ভাবেই ডিফারেন্স শূন্য করা যায়। ডিফারেন্স শূন্য করা মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়,
বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল – যিনি রিটার্ন করছেন তিনি একাউন্টিং প্রিন্সিপ্যাল, আয়কর আইন, ধারা, নির্দেশিকা, অডিট নির্দেশনা, পরিপত্র, দানকর আইন, এসআরও প্রভৃতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানেন কিনা, রিটার্ন-পরবর্তী সমস্যা হলে সহায়তা দিতে পারবেন কিনা।

#রিটার্ন একটি আর্থিক বিবরণী—এখানে আপনার আয়, ব্যয়, সম্পদ, দায় ও বিনিয়োগের বাস্তবিক মিল থাকতে হবে। শুধু ডিফারেন্স শূন্য করলেই আইনসম্মত হয় না। সাপোর্টিং প্রমাণ/ডকুমেন্টস সঠিকভাবে উপস্থাপন না করা হলে, পূর্ববর্তী বছরের সাথে ফাইলের ধারাবাহিকতা বজায় না থাকলে অডিটের ঝুঁকি বাড়ে।
একটি বাস্তব উদাহরণ:
একজন করদাতার-
• আয় ৬০০০০০লাখ
• ব্যয় ৩.৩০ লাখ
• বিনিয়োগ ২ লাখ
• ব্যাংকে আছে মাত্র ১০০০০ হাজার
কিন্তু রিটার্নে দেখানো হলো—হাতে নগদ ৮০ লাখ!
এভাবে চললে অচিরেই তার হাতে নগদ ১ কোটি টাকায় পৌঁছে যাবে -যা আয়কর আইনের কাছে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য।

অদক্ষ হাতে রিটার্ন করান, নোটিশ হাতে পেয়ে কর অফিসের পিয়নের মাধ্যমে আপীলও করান, যখন নৌকা ডুবু ডুবু, আমাদের স্মরণাপন্ন হওয়া। এসব ভুলের ফলে অডিট ফেস করা ভীষণ কঠিন চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে।
একজন করদাতার ছোট ভুলে জরিমানা হয়েছে ১৩ হাজার টাকা, আরেকজনের করমুক্ত আয়ের স্থলে জরিমানা হয়েছে ২৭ হাজার টাকা—শুধু ভুল রিটার্নের কারণে, চরম হতাশাজনক। সম্মানিত করদাতাকে জরিমানার হাত থেকে রেহাই দিতে না পারাটা যে কত বড় কষ্টের, ব্যার্থতার এবং হতাশার তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না ।
এই সময় সবচেয়ে কষ্ট হয়— করদাতার অসহায় অবস্থা দেখে।
যখন রিটার্ন ভুল হয়, আইন, ধারা অনুযায়ী না হয়, তখন আইনকে সম্মান করে জরিমানাটাই মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না।

#রিটার্ন: দেখতে সহজ, কিন্তু বাস্তবে ‘নাপিতের টিউমার অপারেশনের’ মতো জটিল
অনেকে কয়েকটি ঘর পূরণ করেই রিটার্ন জমা দেন। রিটার্ন দেখতে খুবই সহজ, কিন্তু আয়কর বিধি, ধারা অনুযায়ী সঠিকভাবে না করলে, জটিলতার ঝুঁকি থেকেই যায়।

#প্রফেশনালদের দায়িত্ব—রিটার্ণ পূরণ নয়, ভবিষ্যত রক্ষা করা
একজন পেশাদার ট্যাক্স কনসালট্যান্ট/ল’ইয়ার এর দায়িত্ব:
একজন দক্ষ সার্জন যেমন অপারেশনের আগে রোগীর সব পরীক্ষা করে নেন, ঠিক তেমনি একজন আয়কর আইনজীবীও আপনার আয়, বিনিয়োগ ও কর তথ্য বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত করেন- আপনার রিটার্ন হবে আইনসম্মত, নির্ভুল এবং কর রেয়াতসহ সর্বাধিক সুবিধাজনক।
#পেশাদার ট্যাক্স ল'ইয়ার/আইটিপি/এক্সপার্টগনের দায়িত্ব শুধুমাত্র ফর্ম পূরণ করে জমা দেওয়াই নয় বরং
- যথাযথ আইন বিধি মেনে ও অভিজ্ঞতার আলোকে নির্ভুল রিটার্ণ তৈরী করা।
- প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ও ব্যাখ্যাসহ আয়কর অফিসে দাখিল করা।
- ভবিষ্যত অডিট, ফাইল পূন: উন্মোচন মামলার মোকাবিলার পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করে সকল পরিস্থিতির জন্য তৈরী থাকা।
-এছাড়াও আইনি কৌশল ও ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভবিষ্যতে কর কমানোর পরিকল্পনা করা।
১।আয়ের উৎস যাচাই ও আইন অনুযায়ী হিসাব নির্ধারণ, আয় ও বিনিয়োগের সঠিক শ্রেণিবিন্যাস
২। কর ছাড়, কর রেয়াত ও কর অব্যাহতির যথাযথ প্রয়োগ
৩। উৎসে কর্তিত কর (TDS) যাচাই
৪। কর সমন্বয় ও জমার সঠিক মিল
৫। প্রযোজ্য ধারা, SRO ও বিধি অনুসারে ট্যাক্স নিরূপণ
৬।ভবিষ্যত অডিট ও মামলা মোকাবিলার জন্য ব্যাকআপ ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখা
৭। আইনসঙ্গত কর পরিকল্পনা (Tax Planning) তৈরি করা- এগুলিই আইনপেশার মর্যাদা।
অনেকেই মনে করেন—আয়কর রিটার্ন মানেই “সরকারকে টাকা দেওয়া” বা “অযথা ঝামেলায় জড়ানো”।
#রিটার্ন শুধু একটা ফর্ম নয়, এটি একটি আর্থিক পরিচয়ের পূর্ণাঙ্গ বিবরণী, আয়, ব্যয়, বিনিয়োগ সম্পদ ও দায়ের স্বচ্ছ পূর্ণাঙ্গ বিবরণী। রিটার্ণে না বুঝে উলটাপালটা তথ্য দিলে ভবিষ্যতে কী ধরনের বিপদ হয়, তা কেবল ভুক্তভোগীরা-ই জানেন ।
তাই বলি, শুরু থেকেই বুঝে শুনে, সঠিকভাবে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দিন। একটা সামান্য ভুলই আপনাকে ফেলতে পারে বিশাল আর্থিক, মানসিক ও সামাজিক ঝামেলায়।

#বাংলাদেশে রিটার্ন নিয়ে প্রচলিত ধারণা ও সঠিক তথ্য
প্রচলিত ধারণা: রিটার্ন না দিলে কিছু হয় না।
সঠিক তথ্য-আয়কর আইন–২০২৩ অনুযায়ী
#রিটার্ন না দিলে জরিমানা, বিলম্ব সুদ, এবং সরকারি সেবা গ্রহণে বাধা পর্যন্ত হতে পারে।
#অনেকেরই আয়ের সাথে পরিসম্পদের বিবরনীর কোন মিল নেই, অনেকেই রিটার্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে করা। কোন সাপোর্টিং ডকুমেন্টস দেয়নি, অনেক ক্ষেত্রেই প্রাথমিকভাবে ডকুমেন্টস যাচাই করা হয় না, এই দূর্বলতার সুযোগ নিয়েছে অনেকেই।
ভুল রিটার্ন তৈরী কারী কবি’রা এখন একেবারের নীরব, করাদাতাগন হন দিশেহারা।
প্রচলিত ধারণা: রিটার্ন দিলে সরকারকে টাকা দিতে হবে।
সঠিক তথ্য- রিটার্ন মানে কর দেওয়া নয়- এটি আপনার বার্ষিক আয়, ব্যয় ও সম্পদের হিসাব।
অনেকের করযোগ্য আয়ই থাকে না। বরং রিটার্ন হলো বৈধ আয়ের দলিল, যা ভবিষ্যতে ব্যাংক লোন, বিদেশ যাত্রা বা ব্যবসায়িক অনুমোদনে প্রয়োজন হয়।
প্রচলিত ধারণা: আমার তো আয় নেই—রিটার্ন দিতে হবে না।
সঠিক তথ্য- আয়কর আইন, ২০২৩ অনুসারে আপনার TIN আছে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট আছে, সঞ্চয়পত্র আছে, গাড়ি/ফ্ল্যাট কিনেছেন, পাসপোর্ট/টেন্ডার/ভিসার জন্য TIN ব্যবহার করেছেন—এগুলোর কোনো একটিও থাকলে রিটার্ন বাধ্যতামূলক
করযোগ্য না হলে “কর পরিশোধ ছাড়াই রিটার্ন” জমা দিতে পারেন।
এটি একদিকে আইনি বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে ভবিষ্যতের আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ।
প্রচলিত ধারণা -রিটার্ন দিলে ঝামেলা বাড়ে।
সঠিক তথ্য-রিটার্ন অত্যন্ত সহজ; দক্ষ ট্যাক্স কনসালটেন্টের মাধ্যমে ঘরে বসেই দাখিল করা যায়।
বরং রিটার্ন না দিলে ভবিষ্যতে জমি/ফ্ল্যাট কেনা বা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ, ব্যাংক লোন, পাসপোর্ট, টেন্ডার-সর্বত্র সমস্যা হয়।
একজন করদাতা ভেবেছিলেন- “বেতনের কর তো অফিসই কেটে দেয়।”
রিটার্ন না দেওয়ায় তিনি ব্যাংক লোন পাননি।
রিটার্ন দেওয়ার পর লোন সহজেই অনুমোদন হয়।
রিটার্ন শুধু আইনি দলিল নয়— বাস্তব জীবনের প্রয়োজন।
প্রচলিত ধারণা -রিটার্ন শুধু ধনী বা ব্যবসায়ীদের জন্য।
সঠিক তথ্য-শিক্ষক, ডাক্তার, চাকরিজীবী, ছাত্র, ফ্রিল্যান্সার—সবাই আয়কর আইনের আওতায়।
রিটার্ন আপনাকে “বৈধ করদাতা” হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।

#রিটার্ণ না দিলে কী হবে?
#রিটার্ন না দিলে “কিছুই হবেই না” ভাবাটাই চরম ভুল। সুবিধা ও সেবা (অনলাইনে কিছু সরকারি সুবিধা, ব্যাংকারি প্রক্রিয়া) হারাতে পারেন। অনেকে জিজ্ঞেস করেন-“রিটার্ণ না দিলে আসলে কী হয়?”
খুব বেশি কিছু নয়, শুধু...
১.আপনার নামে কোন বৈধ ফাইল থাকবে না
২.কেউ কোন অর্থ/সম্পদ উল্লেখ না করলে তা অবৈধ হয়ে যায়।
৩.ব্যাংক বা বিনিয়োগে অতিরিক্ত ট্যাক্স কাটবে
৪.ভবিষ্যতে সম্পদ বৈধ প্রমাণে সমস্যা হবে
৫.সরকারি ৪৪টি সেবা পাবেন না
৬.ভবিষ্যতে বাধ্য হয়ে রিটার্ণ দিতে গেলে জরিমানা ও সুদের হাত থেকে রেহাই পাবেন না
*এই রকম তুচ্ছ কিছু ঘটনা ঘটবে, এই আর কি....

আপনার সিদ্ধান্ত এখন আপনার হাতে
আপনি নিজেই রিটার্ন দাখিল করতে পারেন,
কিন্তু যদি চান—
ভবিষ্যতে কোনো জটিলতা না হোক,
সঠিক কর ছাড় ও রেয়াত পান,
এবং নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন,
তাহলে একজন যোগ্য আয়কর আইনজীবীর মাধ্যমে রিটার্ন দাখিল করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
#রিটার্ন করতে হলে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
• একাউন্টিং প্রিন্সিপ্যাল
• আয়কর আইন ও ধারা
• এসআরও, পরিপত্র, নির্দেশিকা
• অডিট নির্দেশনা
• সাপোর্টিং ডকুমেন্টস তৈরির সঠিক পদ্ধতি
এগুলো না জানলে ভুল রিটার্নের ঝুঁকি বাড়ে।
নিজে করতে পারলে ভালো, না পারলে যোগ্য ট্যাক্স কনসালটেন্ট/ল’ইয়ার/আইটিপি-কে দায়িত্ব দিন।

** শেষ কথা
আয়কর রিটার্ন মানে “কর দেওয়া” নয়;বরং আপনার নিজের আর্থিক পরিচয়কে সুন্দর, বৈধ ও স্বচ্ছ করে গড়ে তোলা।
একটা ভুল রিটার্ন ভবিষ্যতে-
• আর্থিক ক্ষতি
• মানসিক চাপ
• আইনি জটিলতা
সবই তৈরি করতে পারে।
#অনেক করদাতা রিটার্ন এ অনেক আয় গোপন করেন বা আয়কর আইনজীবীকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট দেন না, সেক্ষেত্রে জরিমানা হতে পারে।
শুরু থেকেই বুঝে-শুনে সঠিকভাবে রিটার্ন জমা দিন।
ডকুমেন্টস নিয়ে সরাসরি এসে আলোচনা করতে পারেন,
অথবা অনলাইনে তথ্য পাঠালেও নির্ভুল রিটার্ন প্রস্তুত করে দেওয়া হবে।
এবং মনে রাখবেন— রিসিট ছাড়া কখনোই কাউকে ট্যাক্স বাবদ টাকা দেবেন না।
নিজেদের দায়িত্বজ্ঞ্যানহীনতার জন্য ফাইল অডিটে পড়লে বা আইনগত জটিলতাতে পড়লে সেজন্য আইন পেশাকে দোষারোপ করবেন না, প্লিজ।
***সঠিকভাবে রিটার্ন পূরন করে জমা দিন, অনাকাঙ্ক্ষিত কর, সুদ ও জরিমানা এড়িয়ে চলুন।
আমাদের মাধ্যমে প্রস্তুত রিটার্নে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা হলে সম্পূর্ণ দায়ভার আমাদের।
#করদাতা হিসেবে আপনার সম্মান রক্ষায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিন
*ফ্রি পরামর্শ নিতে পারেন, তবে ফাইল করাতে অভিজ্ঞদেরই দায়িত্ব দিন
বি:দ্র:স্বশরীরে সাক্ষাৎ করে রিটার্ন বুঝে নিন–মেধা, সময়, শ্রমের সম্মান করুন।
#আয়কর আইন ২০২৩, গেজেটেড এস.আর.ও. সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা না থাকলে,
রিটার্ন তৈরি করবেন না।

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত User Manual ....e-Return
18/10/2025

অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল সংক্রান্ত User Manual ....
e-Return

  বিশেষ ঘোষণাএখন থেকে সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক তবে নিচের করদাতারা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ অ...
11/08/2025

বিশেষ ঘোষণা
এখন থেকে সব করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক
তবে নিচের করদাতারা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রসহ অফলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন —

*বয়স ৬৫ বছর বা তার বেশি
*শারীরিকভাবে অক্ষম বা বিদেশে চিকিৎসাধীন (প্রমাণপত্রসহ)
*বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি
*যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আইনজীবী প্রিন্সিপাল
* বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান বেআইনি পন্থায় বিক্রয় করা অবৈধ ফেইসবুক গ্রুপ, পেইজ ও ও...
16/05/2025

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান বেআইনি পন্থায় বিক্রয় করা অবৈধ ফেইসবুক গ্রুপ, পেইজ ও ওয়েবসাইটগুলো বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে।

24/04/2025

কেন এবং কিভাবে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করবেন?

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর ৫ ধারা অনুযায়ী নিম্মোক্ত ৫টি কারণে পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করা যায়।
যেমনঃ-

১. বিবাহ বিচ্ছেদ
২. দাম্পত্য সর্ম্পক পুনরুদ্ধার
৩. মোহরানা
৪. ভরণপোষণ
৫. সন্তানের অভিভাকত্ব ও তত্ত্বাবধান
কোন আদালতে মামলা দায়ের করবেন?
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর ৬ ধারা অনুযায়ী;
১. নালিশের কারণটি যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে উদ্ভূত হয়েছে;

২. যে আদালতের স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে মামলার পক্ষগণ বসবাস করেন অথবা সর্বশেষ একসঙ্গে বসবাস করেছিলেন। তবে শর্ত হচ্ছে যে, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর অথবা ভরণপোষণের মামলার ক্ষেত্রে যে এলাকায় স্ত্রী সাধারণত বসবাস করছে সেই এলাকার আদালতেও মামলা করা যাবে৷
মামলার আরজিতে কি কি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে?
আরজিতে বিরোধ সম্মন্ধীয় বিষয়ের বিস্তারিত তথ্যসহ একটি তফসিল দিবে হবে যেখানে আরজির সমর্থনে সাক্ষ্য দিতে ইচ্ছুক সাক্ষীগনের সাম ও ঠিকানা অর্ন্তভূক্ত থাকবে৷ তবে শর্ত থাকে যে,বাদী মামলা প্রমানের প্রয়োজনে আদালতের অনুমতিক্রমে মামলার যে কোন স্তরে যে কোন সাক্ষী ডাকতে পারে যদি আদালত ন্যায়বিচারের স্বার্থে উক্ত সাক্ষ্য নেয়া উপযুক্ত বলে মনে করেন৷
এছাড়া মামলার আরজিতে যে বিষয়গুলির উল্লেখ থাকতে হবে-

১. যে আদালতে মামলা দায়ের করা হচ্ছে সে আদালতের নাম:

২. বাদীর নাম, বর্ণণা ও বাসস্থান;

৩. বিবাদীর নাম, বর্ণণা ও বাসস্থান;

৪. বাদী বা বিবাদী নাবালক অথবা অপ্রকৃতিস্থ হলে সে সর্ম্পকিত বর্ণণা;

৫. নালিশের কারণ সর্ম্পকিত তথ্য সহ, যে স্থানে ও যে তারিখে কারণের উদ্ভব হয়েছিলো তার বিবরণ;

৬. সংশ্লিষ্ট আদালতের যে মামলাটি পরিচালনার এখতিয়ার আছে সে সর্ম্পকিত তথ্য;

৭. বাদীর প্রার্থিত প্রতিকার;

৮. বাদী তার দাবীর সমর্থনে যদি কোন দলিলের উপর নির্ভর করে এবং দলিলটি যদি তার দখলে থাকে তবে আরজি উত্থাপনের সময় দলিলটি আদালতে পেশ করতে হবে৷ দলিলটির অবিকল ফটোকৃত প্রতিলিপি আরজির সারথ নথিভূক্তির জন্য দিতে হবে;

৯. বাদী তার দাবীর সমর্থনে এমন কোন দলিলের উপর নির্ভর করে এবং দলিলটি যদি তার দখলে না থাকে সেক্ষেত্রে দলিলটি কার দখলে বা আয়ত্বাধীনে আছে সে বিষয়টি উল্লেখকরত আরজি দাখিল করতে হবে;

১০. মামলার বিবাদীগনের উপর জারীর জন্য বিবাদীগণের সংখ্যার দ্বিগুণ সংখ্যক তপসিলসহ আরজির সত্যায়িত প্রতিলিপি এবং দলিলের তালিকা দ্বিগুণ পরিমাণ আরজির সাথে থাকবে৷
যে সকল কারনে আরজি অগ্রাহ্য বা নাকচ হতে পারেঃ

১. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫ এর ৬ এর ৭ উপধারা অনুযায়ী যেক্ষেত্রে আরজির সাথে তপসিল দেয়া হয়নি৷

২. যেক্ষেত্রে সমন জারীর খরচ এবং নোটিশের জন্য পোস্টাল খরচ পরিশোধ করা হয়নি৷

৩. যেক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত কোর্ট ফি দেয়া হয়নি৷
রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচারঃ
মামলা দায়েরর পর বিবাদী পক্ষকে নোটিশ/সমন প্রদান, বিবাদী পক্ষের জবাব দেবার পর মামলাটি বিচারের জন্য ধার্য্য হয়। পারিবারিক আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই অধ্যাদেশের অধীনে মামলার সম্পূর্ণ বিচার কার্যক্রম বা যে কোন অংশে রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠিত করতে পারেন৷ যে বিষয়সমূহ নিয়ে পারিবারিক আদালতে বিচারকার্য পরিচালিত হয় সেই বিষয়গুলো স্বাভাবিকভাবে ভিন্ন প্রকৃতির এবং সেই ভিন্ন প্রকৃতির কারণে পারিবারিক আদালতের বিচার ভিন্ন অবস্থায় হতে পারে৷ স্বামীর সাথে স্ত্রী, স্ত্রীর সাথে স্বামীর বা সন্তানের সাথে পিতামাতার বিরোধ অনেক সময় জনসমক্ষে প্রকাশ করা বিব্রতকর হয়ে পড়ে৷ এ সমস্ত কারণে আইন এই মামলা রুদ্ধদ্বার কক্ষে বিচারের ব্যবস্থা রেখেছে৷ আপোস বা পুনর্মিলনের জন্য আদালত খাস কামরায় উভয় পক্ষকে বা যে-কোনো পক্ষকে ডেকে চেষ্টা করতে পারেন অথবা আদালত কোনো মহিলা সাক্ষীর সাক্ষ্য খাস কামরায় গ্রহণ করতে পারেন৷ আদালত নিজের ইচ্ছায় রুদ্ধদ্বার কক্ষে বা খাস কামরায় বিচারানুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে পারেন না৷ এজন্য আদালতকে উভয় পক্ষ কর্তৃক অনুরোধ করতে হবে৷ পক্ষগণ আদালতের কাছে আবেদন না করলে আদালত খাস কামরায় সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন না৷
বিচার সমাপ্তিঃ
সাক্ষ্য প্রমাণ গ্রহণ করার পর রায় ঘোষণার পূর্বে পারিবারিক আদালত পক্ষগণের মধ্যে শেষ পর্যায়েও আপোষ মীমাংসার জন্য প্রচেষ্টা গ্রহণ করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে৷ যদি অনুরূপ আপোষ বা পুনর্মিলন সম্ভবপর না হয়, তা হলে আদালত তখনই অথবা ভবিষ্যতে অনধিক সাত দিনের মধ্যে যে-কোনো দিনে রায় ঘোষণা করবেন এবং ডিক্রি প্রদান করবেন৷
আপোষমূলক ডিক্রিঃ
পারিবারিক আদালতে মামলা নিষ্পত্তির দুটি পদ্ধতি আছে৷ প্রথমটি হচ্ছে আপোস, দ্বিতীয়টি বিচার৷ আপোস বা মীমাংসার মাধ্যমে কোনো বিরোধের সমাপ্তি হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সম্পাদিত আরোষ মীমাংসার আলোকে আদালত মামলার ডিক্রি বা সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন৷
রায় লিপিবদ্ধকরণঃ
পারিবারিক আদালতের রায় বিচারক নিজেই লিখবেন৷ তার লেখার কোনো অসুবিধা হলে তিনি ডিক্টেশন দিবেন এবং অন্য কেউ লিখে দিবে৷ অতঃপর তিনি সেটি প্রকাশ্য আদালতে ঘোষণা করবেন এবং তারিখসহ স্বাক্ষর করবেন৷ রায় আদালতের ভাষায় লিখতে হবে৷ আপিলযোগ্য সকল রায় ও আদেশ সমূহের ক্ষেত্রে রায় লিপিবদ্ধকরণে পারিবারিক আদালতের বিচারের বিষয়বস্তু, সিদ্ধান্ত ও তার যুক্তি এবং কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে৷

আপিলঃ

পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে আপিল করা যাবে৷ জেলা জজ আদালত দেওয়ানি আদালত বিধায় দেওয়ানি কার্যবিধি আইন এই আপিল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে৷
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল চলে নাঃ

১. স্বামী যদি স্ত্রীর সম্পত্তি হস্তান্তর করেন বা উক্ত সম্পত্তির ওপর স্ত্রীর আইন সম্মত অধিকার প্রয়োগে বাধা দেন৷ এই অভিযোগে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করলে এই কারণে ব্যতীত অন্য কোনো কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের রায় বা ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না৷

২. মোহরানার টাকা ৫ হাজার টাকার উর্ধ্বে না হলে আপিল চলবে না৷ আপিল দায়েরের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের সময় হতে এ সব কপি সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়ে ৩০ দিনের মধ্যে দায়ের করতে হবে৷ তবে জেলা জজ যথেষ্ট কারণের জন্য উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারেন
Advocate Muhammed Monir Hossain Shaon




04/12/2024

একটি বিল্ডিং এর ( A to Z)
শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কাজের ধাপ সমূহ:
সিভিল ইঞ্জিনিয়াররা টাইমলাইনে শেয়ার করে রাখতে পারেন।
১। সীমানা নির্ধারন
২। লে-আউট, রাজউক সেট ব্যাক চেক
৩। পাইলিং
ক) পাইল পয়েন্ট সেন্টার করা
খ) বোরিং করা
গ) খাচা বাধা
ঘ) ব্লক দেওয়া
ঙ) ওয়েল্ডিং করা
চ) খাচা ঢুকানো
ছ) ঢালায়
৪। মাটি কাটা
৫। ড্রেসি, লেভেলিং, কম্পেকশন
৬। সোলিং, সিসি ঢালায়
৭। সাটারিং রড বাধায় সহ পাইল ক্যাপ বা ফুটিং ঢালায়
৮। সাটারিং রড বাধায় সহ সট কলাম, ম্যাট ঢালায়
৯। সাটারিং রড বাধায় সহ অন্ডার গ্রাউন্ড পানির ট্যাংক ঢালায়
১০। মাটি, বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১১। লেভেলিং, সোলিং, সাটারিং রড বাধায় সহ গ্রেডবীম ঢালায়, কিউরিং
১২। বালি ভরাট ও কম্পেকশন
১৩। গ্রাউন ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৪। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৫। গ্রাউন ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৬। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর কলাম ও লিফ্ট ওয়াল
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
১৭। কলামে চট মোড়ানো, কিউরিং
১৮। ফাস্ট টু সিক্স ফ্লোর বীম ছাদ বা ফ্লাট ছাদ
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
চ) ইলেকট্রিক পাইপ চেক
ছ) ঢালায়
জ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
১৯। চিলাকুটার কলাম
ক) রড বাইন্ডিং
খ) সাটারিং
গ) সল চেক
ঘ) ঢালায়
২০। লিফ্ট মেশিন রুম অভার হেড পানি ট্যাংক
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) বীম ও ছাদে রড
ঙ) আউট লাইন চেক
ঙ) ঢালায়
চ) ছাদে পানি বেধে দেওয়া
২১। জলছাদ
ক) ছাদ চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) চুন ফোটানো
ঘ) চুন চালা
ঙ) খোয়া, সুরকি, চুন দিয়ে
শুকনা অবস্থায় কাটা
চ) রসুন, তেতুল, চিটাগুড়
মেশানো পানি দিয়ে
ভেজানো
ছ) কম পক্ষে সাতটা কাটা
দেওয়া
জ) ভাল ভাবে পচানো
ঝ) রেইন ওয়াটার পাইপের
দিকে ঢাল দিয়ে বিছানো
ঞ) ভাল ভাবে পিটানো
ট) হালোট দেওয়া
ঠ) সিমেন্ট ও চুন দিয়ে
তালের ব্রাস দিয়ে
ফিনিশিং দেওয়া
ড) খড়, কচুরী পানা চট দিয়ে
পানি দিয়ে ছাদ ঠান্ডা
রাখা
ঢ) প্যরাপেট গাথুনী ও প্লাষ্টার
২২। গাথুনী করা
ক) গাথুনীর লে- আউট দেওয়া
খ) ক্লাইন্ট লেন্ডওনার দিয়ে চেক
গ) ইট ভেজানো
ঘ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঙ) কিউরিং করা
২৩। লিন্টেল
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৪। ফলস স্ল্যাব
ক) সাটারিং
খ) রড বাইন্ডিং
গ) লেভেলিং
ঘ) ঢালায়
ঙ) কিউরিং
২৫। লিন্টেল, ফলস স্ল্যাবের উপর গাথুনী
২৬। চৌকাঠ, গ্রীল, রেলিং ফিটিং
ক) সল চেক
২৭। ইলেকট্রিক ওয়াল পাইল ও ইস্টীল বক্স ফিটিং
ক) গুরুপ কাটা
খ) পাইপ জ্যাম
গ) ইস্টীল বক্স ফিটিং
২৮। প্লাষ্টার
ক) গাথুনী পরিষ্কার ও ভেজানো
খ) বালি চালা ও ধৌয়া
গ) সঠিক অনুপাতে মসলা
মিশানো
ঘ) সিলিং, বীম, কলাম চিপিং
ঙ) প্লাষ্টার
চ) কিউরিং
২৯। টাইলস চয়েজ ক্লাইন্ট, ল্যান্ডওনার
৩০। ওয়াল টাইলস
ক) স্যানিটারী ইন্টারনাল ওয়ারিং
খ) পেসার চেক
গ) ভাটিক্যাল পাইপ
ঘ) টাইলস ফিটিং
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩১। ফ্লোর টাইলস
ক) চিপিং
খ) পানি দিয়ে ধোয়া
গ) ডিস টেলিফোন ক্যাবল দেওয়া
ঘ) বাথ রুমের ফ্লোরে স্লোপ দেওয়া
ঙ) কিউরিং
চ) পয়েন্টিং
৩২। বেসিন সিংক ফিটিং
৩৩। মার্বেল গ্রানাট ফিটিং
৩৪। রং
ক) পাথর ও ৩২০ পেপার দিয়ে ঘোষা
খ) পরিষ্কার
গ) সিলার
ঘ) পুটি
ঙ) ঘোষা
চ) ফাস্ট কোট
ছ) সেকেন্ড কোট
জ) ফাইনাল কোট
৩৫। পলিশিং
ক) ভাল ভাবে ঘোষা
খ) আস্তর দেওয়া
গ) পুটি কাটা
ঘ) পলিশ করা
৩৬। থাই ফিটিং
ক) আউটার লাগানো
খ) গ্লাস পাল্লা ফিটিং
গ) সিলিকন গাম দেওয়া
৩৭। দরজার পাল্লা ফিটিং
৩৮। ইলেকট্রিক ক্যাবল টানা
৩৯। সুইচ সকেট, ব্রকার লাগানো
৪০। গ্রাউন্ট ফ্লোরে ৬"~৮" লাইন টানা
৪১। পিট করা, মিটার পিট, মাষ্টার পিট করা
৪২। বাউন্ডারী ওয়াল করা
৪৩। মেন গেইট লাগানো
৪৪। কোম্পানীর নাম সহ লোগো লাগানো
৪৫। বাগান করা
৪৬। স্যানিটারী ফিটিং ফিকসার লাগানো
৪৭। লিফ্ট, সাব ইস্টেশন, জেনারেটর ফিটিং
৪৮। ওয়াসা কানেকশন
৪৯। ইলেকট্রিক কানেকশন
৫০। ধোয়া মোছা, পরিষ্কার করে আনুষ্ঠানিক ভাবে হেন্ড ওভার দেওয়া.....
ধন্যবাদ

04/12/2024

ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

বাড়ির হিসাব ঢালাইয়ের সংক্ষিপ্ত এস্টিমেট  A to Zনতুন যারা আছেন নিজেকে আপডেট করুন, টাইমলাইনে সংরক্ষণ করে রেখে দিন প্রয়োজ...
30/11/2024

বাড়ির হিসাব
ঢালাইয়ের সংক্ষিপ্ত এস্টিমেট A to Z
নতুন যারা আছেন নিজেকে আপডেট করুন,
টাইমলাইনে সংরক্ষণ করে রেখে দিন প্রয়োজন হবে।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন
টপে এক্সট্রা রড ড্রইং অনুযায়ী,, 10mm & 12 mm
২/৩ শ কেজি বাড়তে পারে।

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)ছাদ ঢালাইয়ের হিসাব।

১৫০০ বর্গ ফিট একটি ছাদ ঢালাই এর ইট, বালু, সিমেন্ট এবং রড এর পরিমান বের করার হিসাব

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট
ছাদের পুরুত্ব= ৫ ইঞ্চি

তাহলে ছাদের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ = ৫০ X ৩০ = ১৫০০ বর্গ ফিট
এবং ছাদের আয়তন = দৈর্ঘ্য X প্রস্থ X পুরুত্ব = ৫০ X ৩০ X ০.৪১৬৬ (৫/১২ ইঞ্চি কে ফিট হিসেবে)
= ৬২৪.৯ বা ৬২৫ ঘনফিট/সিএফটি

আদ্র অবস্থায় আয়তন মোট আয়তনের চেয়ে দেড়গুন বেড়ে যায় তাই
আদ্র আবস্থায় আয়তন = ৬২৫ X ১.৫ = ৯৩৭.৫ বা ৯৩৮ ঘনফিট/সিএফটি

সিমেন্ট বালু ও খোয়ার অনুপাত = সিমেন্ট: বালু: খোয়া = ১: ২: ৪
অনুপাতের যোগফল = ১+২+৪ = ৭

সিমেন্ট এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X সিমেন্ট অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ১) ÷ ৭ = ১৩৪ ঘনফিট/সিএফটি
= ১০৮ ব্যাগ (১.২৫ ঘনফিট/সিএফটি = ১ ব্যাগ)

বালু এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X বালুর অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ২) ÷ ৭ = ২৬৮ ঘনফিট/সিএফটি

খোয়া এর পরিমান = (আদ্র অবস্থায় আয়তন X খোয়ার অনুপাত) ÷ অনুপাতের যোগফল
= (৯৩৮ X ৪) ÷ ৭ = ৫৩৬ ঘনফিট/সিএফটি
= ৭৮৮২.৩ বা ৭৮৮৩ টি ইট থেকে তৈরি খোয়া (১ টি ইট = ০.০৬৮ ঘনফিট/সিএফটি)

রড এর পরিমান = শুকনো অবস্থায় আয়তন X ২২২ X ১.৫% (রডের একক ওজন ২২২কেজি/ সিএফটি)
= ৬২৫ X ২২২ X (১.৫ ÷ ১০০)
= ২০৮১.২৫ বা ২০৮২ কেজি
= ২.০৮২ টন

আয়তন, রড বসানোর দুরত্ব ও রডের মিলিমিটার অনুসারে রডের হিসাব
ছাদে সাধারনত ১০ মিলিমিটার, ১২ মিলিমিটার, ১৬ মিলিমিটার রড ব্যবহার করা হয়
এবং ছাদে রড থেকে রডের দুরত্ব ৫ ইঞ্চি থেকে ৭ ইঞ্চি হয়ে থাকে

মনেকরি ছাদের দৈর্ঘ্য = ৫০ ফিট
এবং ছাদের প্রস্থ = ৩০ ফিট

আমরা যদি ৫ ইঞ্চি পর পর রড বসাই তাহলে

৫০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৫০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৬০০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ১২০+১
= ১২১ পিস (প্রতি পিস ৩০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৩০ ফিট

৩০ ফিট এ মোট রডের পরিমান
= ৩০ফিট/ ৫ ইঞ্চি +১
= ৩৬০ ইঞ্চি / ৫ ইঞ্চি +১
= ৭২+১
= ৭৩ পিস (প্রতি পিস ৫০ ফিট দৈর্ঘের)
= ৩৬৫০ ফিট

মোট রডের পরিমান = ৩৬৩০ ফিট+ ৩৬৫০ ফিট
=৭২৮০ ফিট

রডের ওজন = D²/৫৩২.২ কেজি (D হল রডের ডায়া বা মিলিমিটার)
= ১২²/ ৫৩২.২ কেজি (১২ মিলিমিটার রড এর ক্ষেত্রে)
= ০.২৭ কেজি (প্রতি ফিট এ)

মোট ওজন= ৭২৮০ X ০.২৭ কেজি
= ১৯৬৫.৬ বা ১৯৬৬ কেজি
= ১.৯৬৬ টন (আরও ৫-১০% অপচয় এর জন্য বাড়তি রডের দরকার হবে)
= ২০৬৪.৩ বা ২০৬৫ কেজি(৫% বাড়তি ধরে)

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিলইঞ্জিনিয়ারিং)→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ জল  লাগে ২১ লিটার →১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১...
02/10/2024

বিল্ডিং নির্মাণে যে তথ্য গুলো জানা উচিত(সিভিল
ইঞ্জিনিয়ারিং)
→১ ব্যাগ সিমেন্ট এ জল লাগে ২১ লিটার
→১ স্কয়ার ফুট গাথুঁনিতে ১:৪ অনুপাতে সিমেন্ট
লাগে ০.০২১ ব্যাগ, বালু লাগে ০.১২ ঘনফুট।
→১ স্কয়ার ফুট ইটের গাথুঁনিতে ১:৫ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.০২০ ব্যাগ, বালু ০.১২৪ ঘনফুট।
→ ১ ঘনফুট ঢালাইয়ের জন্য ১:২:৪ অনুপাতে
সিমেন্ট লাগে ০.১৭২ ব্যাগ,বালু লাগে ০.৪৫ ঘনফুট,
খোয়া লাগে ০.৮৮ ঘনফুট।
* গাথুনীর প্লাষ্টারে ১:৫ অনুপাতে সিমেন্ট
দিতে হয়।
বি.দ্র :- প্লাস্টারের ফ্রেশ সাইডে মসলার পুরুত্ব
আধা ইন্চি এর রাফ সাইডে মসলার পুরুত্ব পনে এক
→০৫” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১’ (স্কয়ার ফিট)
গাথুনীতে ০৫ টি ইট লাগে
→১০” ওয়াল গাথুনীতে প্রতি ০১ সিএফটি গাথুনীতে
১০ টি ইট লাগে।
→ সিলিং এ প্রতিস্কয়ার ফুট এর জন্য ০৩ টি ইট লাগে
→ ০৯ টি পিকেট ইট দিয়ে ১ সিএফটি খোয়া হয়।
→ ১ টি ইটে খোয়া হয় ০.১১ ঘনফুট

ইঞ্চি বা ১৫ মিমি . . সিলিং প্লাষ্টারে (১:৩ বা ১:৪)
অনুপাতে সিমেন্ট দেয়া যায় । এবং মসলার পুরুত্ব 6 মিমি বীম এবং কলাম সিলিং এর জন্য ।
→ প্রতি এস,এফ,টি নিট ফিনিশিং করতে =
০.০২৩৫ কেজি সিমেন্ট লাগে।

ইটের মাপ:- প্রচলিত নিয়মে
————++-———++—-—
→ মসলা ছাড়া (৯.৫” x৪.৫” x২.৭৫”)
→ মসলাসহ = (১০” x৫” x ৩”)

কনভার্ট এর জন্য:-
——–++—–——-
10 mm =1 cm
100 cm = 1 m
1″ = 25.4 mm
1″ = 2.54 cm
39.37″ = 1 m
12″ = 1′ Fit
3′ = 1 Yard (গজ)
1 Yard = 36″
72 Fit = 1 bandil.

-> 10" ওয়াল গাথুনিতে প্রতি স্কয়ারফিটে ইট লাগে 10টা।

->প্রতি ঘনফিট/সিএফটি গাথুনিতে ইট লাগে 12টা।

# রডের ওজন বের করার সূত্র-

1. {(Dia×Dia)÷162.2}= kg/m
2.{(Dia×Dia)÷532}= kg/ft
3. {(Suta)²÷24}= lb/ft
——————————————————–
৮ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১২০ কেজি।
১০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.১৮৮ কেজি।
১২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.২৭০৬ কেজি।
১৬ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৪৮১২ কেজি।
২০ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৭৫১৮ কেজি।
২২ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন = ০.৯০৯৭ কেজি।
২৫ মিলি মিটার এক ফুট রডের ওজন =১.১৭কMIEB.

# রডের হিসাব
———————————————
1″ = 8 suta
1/2″ = 4 suta
1/4″= 2 suta
1/8″ = 1 suta
বি.দ্র:- ১ সুতো= ৩.২০ মিলি প্রায়।

জেনে নিন গিয়ার লিভারের P, R, N, D, S/L এর মিনিং ☑️ P (Park)★ গিয়ার লকড হয়ে যাবে।★চাকা সামনে পেছনে কোন রোটেশন করবেনা।★ গা...
13/03/2024

জেনে নিন গিয়ার লিভারের P, R, N, D, S/L এর মিনিং

☑️ P (Park)
★ গিয়ার লকড হয়ে যাবে।
★চাকা সামনে পেছনে কোন রোটেশন করবেনা।
★ গাড়ি পার্ক করা থাকলে, জ্যামে আটকে থাকলে এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ R (Reverse)
★ চাকা পেছনের দিকে ঘুরবে।
★গাড়িকে পেছনের দিকে মুভ করতে ব্যাবহার করা হয়।

☑️ N (Neutral)
★ চাকা সামনে পেছনে যে কোন দিকে ঘুরতে পারবে ইভেন ইঞ্জিন অফ থাকলেও।
★ খুব অল্প সময়ের জন্য ট্রাফিকে থাকলে অথবা গাড়িকে কিছুক্ষণ ইঞ্জিন চালু অবস্থায় স্থির রাখতে হলে এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ D (Drive)

★ সোজা কথায় গাড়ি চালানোর জন্য এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ S (Sport)

★লো ট্রান্সমিশনে হাই টর্ক আউটপুট দেয়।
★নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে গাড়ি স্পোর্টলি চালাতে এটা ব্যাবহার করা হয়।

☑️ L (Low)

★ ট্রাকশন কন্ট্রোল বেড়ে যায়।
★ অল্প স্পীডে বেশী পাওয়ারের দরকার হলে এটা ব্যাবহার করা হয় যেমন কোন গর্ত থেকে গাড়িকে টেনে তুলতে।

☑️ OD (Over Drive)

★ খুব রাফলি চালাতে হলে OD অন করতে হয়।
★ 60 কিমি বেশী স্পীডে চললে OD অন রাখতে পারেন এটা গাড়িকে ইনস্ট্যান্ট স্পীড দিবে।

✨রানিং অবস্থায় D থেকে সরাসরি R দিলে কি হবেঃ
এরকম কোনোদিন হবে না। কারণ ব্রেকে পা না রাখলে গিয়ার লিভার কাজ করবে না। চলন্ত অবস্থায় শুধু D এবং S এর মাঝে যেকোনো একটায় শিফট করা যায়, অন্যগুলোতে শিফট করা যায় না।

✨OD অনেক গাড়িতে দেখা যায়না কেনোঃ কারন এখন অনেক গাড়িতে অটোমেটিক OD আসে। গাড়ি নিজেই ঠিক করে নেয় কখন OD তে চলে

05/02/2024

জমির_দলিলে_ভুল_হলে_সহজে_সংশোধনের_উপায়=====
****সাধারণ নাগরিকগণ এখনও মনে করে থাকে যে, জমির দলিল একবার ভুল হয়ে গেলে তা আর সংশোধন করা যায়-এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা – জমির দলিলে দাগ নম্বর ভুল হলে সংশোধনের উপায় ====
***দলিল সংশোধনের উপায় কি? দলিল রেজিষ্ট্রির পর তাতে দাগ, খতিয়ান, মৌজা, চৌহদ্দি বা নামের বানানে কোন প্রকার ভুল ধরা পড়লে ৩ বছরের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা করতে হবে। ৩ বছর পর এই ধরনের মামলা তামাদির কারণে বারিত হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে সংশোধন মামলা করা যায় না, তবে তখন ঘোষণামূলক মামলা করা যায়। এক্ষেত্রে আদালত কর্তৃক প্রদানকৃত মামলার রায়ই হচ্ছে সংশোধন দলিল। রায়ের একটি সার্টিফাইড কপি আদালত থেকে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিষ্টার এর কাছে পাঠানো হলে সাব-রেজিষ্টার উক্ত রায়ের আলোকে সংশ্লিষ্ট ভলিউম সংশোধন করে নিবেন। এক্ষেত্রে আর নতুন করে কোন দলিল করার প্রয়োজন নেই।

****সংশোধন করলে নতুন করে দলিল করতে হয়? জমি রেজিস্ট্রি করার পর অনেক সময় দেখা যায় দলিলে কোন জায়গার হয়তো ভুল হয়েছে। এ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। দলিল রেজিস্ট্রির পর তাতে দাগ, খতিয়ান, মৌজা, চৌহদ্দি বা নামের বড় ধরনের কোন ভুল ৩ বছরের মধ্যে ধরা পড়লে তা খুব সহজেই সংশোধন করা যায়। এরূপ ভুল হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে দলিল সংশোধনের মামলা করতে হবে। ৩ বছর পর এরূপ মামলা তামাদির দ্বারা বারিত হয়ে যায়। তাই তখন আর সংশোধন মামলা করা যায় না, তবে ঘোষণামূলক মামলা করা যায়। এরূপ মামলার রায়ই হল সংশোধন দলিল। রায়ের ১ কপি আদালত হতে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার এর নিকট পাঠানো হলে সাব-রেজিস্ট্রার উক্ত রায়ের আলোকে সংশ্লিষ্ট ভলিউম সংশোধন করে নিবেন, ফলে নতুন করে কোন দলিল করার আর কোন প্রয়োজন নেই (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৩১ ধারা)।

****দলিলের ছোটখাট ভুল কি এসিল্যান্ড সংশোধন করতে পারেন? সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক সংশোধন: দলিল রেজিস্ট্রির পর তাতে দাগ, খতিয়ান বা নামের ছোট-খাটো কোন ভুল ধরা পড়লে এবং যে ভুল সংশোধন করলে দলিলের মূল কাঠামো বা স্বত্বেও কোন পরিবর্তন ঘটবে না সেরূপ ভুল সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার বরাবরে আবেদন করা যাবে। সাব-রেজিস্ট্রার এই ধরনের ছোট-খাটো ভুল সংশোধন করতে পারেন।

****দলিলের সরকারি নমুনা অনুসরণ করে দলিল তৈরি করা হলে ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায় / দলিল প্রুফ বা দলিল একাধিকজনকে দিয়ে প্রুফ রিডিং করালে বড় ধরনের ভুলত্রুটি থাকে না। দক্ষ ও অভিজ্ঞ দলিল লেখক নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তার আপনার জমির দলিল লেখক তালিকাভূক্ত কিনা তা যাচাই করে নিবেন।
দলিল লেখার সময় ক্রেতাকে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে:

১. দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্কে সম্পন্ন কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে ৷

২. পুরাতন দলিল এবং নতুন দলিলের বিভিন্না জায়গা যেমন (ক) শিরোনাম (খ) সাফ কবলা (গ) বায়না পত্র ইত্যাদি খেয়াল করতে হবে ৷
৩. ক্রেতা যে জমিটি কিনতে যাচ্ছেন সেই প্রস্তাবিত জমিটির পরিমাণ বিক্রয় মূল্য (বায়না দলিল হলে বায়নায় পরিশোধিত টাকা এবং বাকী টাকা) পক্ষ পরিচয় তথ্য (১) দলিল গ্রহীতা (২) দলিল দাতা অথবা (ক) প্রথম পক্ষ (খ) দ্বিতীয় পক্ষ উভয় পক্ষের পূর্ণ নাম, ঠিকানা, পেশা, ধর্ম ইত্যাদি
স্বত্ত্বের বর্ণনা: জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ পর্চা/খতিয়ান ইত্যাদি ৷

৪. জমির বিক্রেতা যদি জমিটি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়ে থাকে তাহলে মূল মালিকের সাথে বিক্রেতা যোগ সূত্র/সম্পর্ক সঠিক আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে ।

৫. দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, দাগ নং খতিয়ান নম্বর জমিটি কোন শ্রেণীর যেমন ভিটা, নাকি দলা, নাকি ডাঙ্গা নাকি জলাভূমিতে তা দেখতে হবে ।

৬. ক্রেতা যে জমিটি ক্রয় করতে চাচ্ছে সেই জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কিনা অর্থাৎ উত্তর, দক্ষিণ পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে।

৭. জমি বিক্রেতা বা দলিল দাতা দলিলের ১ম পৃষ্ঠার উপরের ডান পাশ্বের নীচ থেকে উপরের দিকে তার নিজ নাম স্বাক্ষর করবেন অথবা নিরক্ষর হলে নিজ নামের উপরে টিপ সহি প্রদান করেছেন কিনা তা দেখতে হবে। এছাড়াও জমি বিক্রেতা বা দাতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে স্বাক্ষর বা টিপ সহি করবেন। তবে দলিলের প্রতি পৃষ্ঠায় দাতার স্বাক্ষর বা টিপ সহি দিলে ভালো হয়।

৮. জমির বিক্রেতা দলিলের শেষ পৃষ্ঠার নীচে যে জায়গায় তার নিজ নাম স্বাক্ষর বা টিপ সহি করেছেন ঠিক তার নীচে উক্ত দলিলটির লেখক তার নাম স্বাক্ষর করবেন; এরপর কমপক্ষে ২ জন সাক্ষী এবং অপর একজন জমির বিক্রেতাকে সনাক্ত করে সনাক্তকারী হিসাবে স্বাক্ষর করবেন।

৯. দলিলে যতদূর সম্ভব কাটাকাটি, ঘষামাঝা, অষ্পষ্টতা এড়াতে হবে তবুও যদি কোনরূপ ভুল ক্রটি ঘষামাঝা কাটাকাটি হয়েও যায় তাহলে সেক্ষেত্রে উক্ত কাটাকাটি বা ঘষামাঝা যুক্ত লাইন ও শব্দের ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত লিখে দলিল লেখককে তার নীচে স্বাক্ষর করতে হবে।

১০. জমির তফশিল লেখার সময় প্রত্যেক দাগে মোট জমির পরিমাণ কত এবং আদ্যকার বিক্রয় দলিলে উক্ত দাগের মধ্য হতে কত একর বা শতাংশ জমি দেয়া হচ্ছে তা প্রতি ক্ষেত্রে লিখে নিতে হবে। তবে উল্লেখ্য যে, কোন অবস্থাতেই কয়েকটি দাগের জমি একত্রে যোগ করে একর/শতাংশ লেখা উচিত হবে না।

১১. জমির ক্রেতাকে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হলো বিভিন্ন জরিপের দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর,যাতে দলিল লেখকের মাধ্যমে সঠিকভাবে লিখানো হয়। এজন্য জমির ক্রেতাকে জমি ক্রয় করার পূর্বেই তহসিল অফিস হতে জমির সঠিক দাগ নম্বর ও খতিয়ান নম্বর জেনে নিতে হবে।
প্রয়োজনে যোগাযোগ করেন

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M Hossain Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share