M Hossain Chamber

M Hossain Chamber Advocacy & Consulting farm

10/08/2026

#গ্রাম আদালতে কি সব মামলা করা যায়?

অনেকে মনে করেন, গ্রামের যেকোনো ঝামেলা বা জমি-জমার বিরোধ গ্রাম আদালতে নিয়ে গেলেই সমাধান হবে!

এটি সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

বাংলাদেশের গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর তফসিলে নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে কোন ধরনের ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিরোধ গ্রাম আদালতে বিচারযোগ্য।

গ্রাম আদালতে যে ২০ ধরনের বিষয় আসতে পারে

ক. ফৌজদারি বিষয়

১️. সাধারণ আঘাতের অভিযোগ
দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৩২৩

২️. সম্পত্তির ক্ষতি করার অপরাধ ধারা ৪২৬

৩️. বেআইনিভাবে অন্যের সম্পত্তিতে প্রবেশ ধারা ৪৪৭

৪️. নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে বেআইনি সমাবেশ ধারা ১৪৩ ও ১৪৭ আইনে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে

৫️. জনসমক্ষে মারামারি/হাতাহাতি ধারা ১৬০

৬️.গুরুতর আঘাত নয় এমন অপরাধে জোর প্রয়োগ ধারা ৩৩৪

৭️. বেআইনিভাবে পথরোধ ধারা ৩৪১

৮️. বেআইনিভাবে আটক ধারা ৩৪২

৯️. আক্রমণ বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ ধারা ৩৫২

10. আক্রমণের চেষ্টা বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের নির্দিষ্ট ঘটনা ধারা ৩৫৮

১️১️. ইচ্ছাকৃত অপমান ও শান্তিভঙ্গের প্ররোচনা ধারা ৫০৪

১️২ অপরাধমূলক ভয়ভীতি প্রদর্শনের নির্দিষ্ট অভিযোগধারা ৫০৬-এর প্রথম অংশ

১️৩. অন্যের ধর্মীয়/সামাজিক অনুভূতিতে নির্দিষ্ট ধরনের আঘাতের অভিযোগ ধারা ৫০৮

১️৪️. নারীর শালীনতাসংক্রান্ত নির্দিষ্ট অপরাধ ধারা ৫০৯

১️৫️. মাতাল অবস্থায় প্রকাশ্যে অসদাচরণ ধারা ৫১০

১️৬️ গবাদিপশু সংক্রান্ত নির্দিষ্ট চুরি দণ্ডবিধি ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ আইনে নির্ধারিত মূল্যসীমা ও শর্তসাপেক্ষে

১️৭️. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ ধারা ৪০৩ আইনে নির্ধারিত অর্থসীমার মধ্যে

১️৮️ বিশ্বাসভঙ্গ ধারা ৪০৬ আইনে নির্ধারিত অর্থসীমার মধ্যে

১️৯️ প্রতারণা ধারা ৪১৭ ও ৪২০, আইনে নির্ধারিত অর্থসীমার মধ্যে

দেওয়ানি বিষয়ে

চুক্তি, রসিদ বা অন্য কোনো দলিলের ভিত্তিতে পাওনা টাকা আদায়, অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধার/মূল্য আদায়, গবাদিপশুর দ্বারা ক্ষতিসাধন এবং আইনে নির্ধারিত অন্যান্য দেওয়ানি বিরোধ।

বর্তমান সংশোধিত আইনে তফসিলের নির্দিষ্ট দেওয়ানি দাবির ক্ষেত্রে **৩ লাখ টাকা পর্যন্ত সীমা প্রযোজ্য।

কোন বিষয়গুলো গ্রাম আদালতে সাধারণত যাবে না?

বড় অঙ্কের জটিল দেওয়ানি দাবি, জটিল স্বত্ব বা মালিকানা নির্ধারণের মামলা
গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ, শিশুর স্বার্থ জড়িত নির্দিষ্ট দেওয়ানি বিরোধ
চুক্তিতে সালিশ/বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকা নির্দিষ্ট দেওয়ানি বিরোধ
সরকার, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মচারী পক্ষ হলে নির্দিষ্ট দেওয়ানি বিরোধ

এসব ক্ষেত্রে গ্রাম আদালতের এখতিয়ার সীমিত বা আইনগতভাবে বাদ পড়ে। গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬-এর ধারা ৩ এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে।

জমির মামলা নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা

গ্রাম আদালত কিছু ক্ষেত্রে সম্পত্তি বা দখল ফেরত দেওয়ার আদেশ দিতে পারে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে গ্রাম আদালত সব ধরনের জটিল জমির স্বত্ব ঘোষণা, মালিকানা নির্ধারণ বা টাইটেল স্যুট বিচার করতে পারে।

আইনের ধারা ৭ অনুযায়ী গ্রাম আদালতের ক্ষমতা মূলত তফসিলে নির্ধারিত অর্থের সীমার মধ্যে ক্ষতিপূরণ এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সম্পত্তি/দখল ফেরত দেওয়ার আদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অপরাধ সংঘটনের ৩০ দিনের মধ্যে এবং অধিকাংশ দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে কারণ উদ্ভবের ৬০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করতে হয়। এটি ধারা ৬ক-এর গুরুত্বপূর্ণ বিধান।

গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল?

হ্যাঁ, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আপিলের সুযোগ আছে।

ধারা ৮ অনুযায়ী ৩:২ সংখ্যাগরিষ্ঠতার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফৌজদারি বিষয়ে এখতিয়ারসম্পন্ন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এবং দেওয়ানি বিষয়ে এখতিয়ারসম্পন্ন সহকারী জজ আদালতে আপিল করা যায়।

মনে রাখবেন, গ্রাম আদালত আছে মানেই সব মামলা গ্রাম আদালতে হবে” এটি ভুল।

মামলার প্রকৃতি আইনের তফসিল অর্থের সীমা পক্ষদের অবস্থান মামলার সময়সীমা যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোথায় মামলা করা যাবে।

05/08/2026

সাধারণ আইন সব সময় বিশেষ আইনের উপর প্রাধান্য পাবে।
[ 44 DLR (AD), Page- 260-263]

02/08/2026

কর নির্ধারণ-৭৩

ধারা ৭৩-এর উদ্দেশ
যখন কমিশনার বা ধারা ৮৬ অনুযায়ী যথোপযুক্ত কর্মকর্তা মনে করেন যে কোনো নিবন্ধিত ব্যক্তি সঠিকভাবে কর পরিশোধ করেননি, দাখিলপত্রে ভুল বা মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন, অথবা অন্য কোনো অনিয়ম করেছেন, তখন এই ধারার অধীনে কর নির্ধারণ (Assessment) করা হয়।
১. কোন কোন ক্ষেত্রে কর নির্ধারণ করা যাবে?
কমিশনার বা যথোপযুক্ত কর্মকর্তা প্রাথমিক কারণ দর্শানো নোটিশ (Show Cause Notice) প্রদান করতে পারবেন যদি—
(ক) দাখিলপত্রে অনিয়ম পাওয়া যায়
✔ উৎপাদ কর, সম্পূরক শুল্ক বা সমন্বয় সম্পর্কে মিথ্যা ঘোষণা।
✔ টার্নওভার করের ক্ষেত্রে টার্নওভার সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য।
(খ) দাখিলপত্র নির্ধারিত সময়ে দাখিল না করলে
(গ) প্রদেয় কর
• পরিশোধ না করলে,
• কর ফাঁকি দিলে,
• কর পরিহার করলে।

(ঘ) অবৈধভাবে অর্থ ফেরত (Refund) বা প্রত্যর্পণ গ্রহণ করলে
২. কর নির্ধারণের পূর্বে করদাতার অধিকার
যদি করদাতা—
✅ নির্ধারিত সময়ে লিখিত আপত্তি দাখিল করেন,
তাহলে—
• শুনানির সুযোগ দিতে হবে।
• আপত্তি বিবেচনা করতে হবে।
৩. চূড়ান্ত কর নির্ধারণের সময়সীমা
কমিশনারকে চূড়ান্ত কর নির্ধারণ করতে হবে—
যদি আপত্তি দাখিল করা হয়

আপত্তি পাওয়ার ১২০ দিনের মধ্যে
যদি আপত্তি না করা হয়

কারণ দর্শানো নোটিশ জারির ১২০ দিনের মধ্যে
(করদাতার আবেদনে অনুমোদিত অতিরিক্ত সময় ১২০ দিনের গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।)
৪. চূড়ান্ত কর নির্ধারণ নোটিশে কী থাকবে?
(ক)কর নির্ধারণের কারণ
(খ)প্রদেয় করের পরিমাণ
(গ)কোন ভিত্তিতে কর নির্ধারণ করা হয়েছে
(ঘ)কর পরিশোধের শেষ তারিখ নোটিশ জারির কমপক্ষে ১৫ কার্যদিবস পরে হতে হবে।
(ঙ)আপিল কোথায় এবং কত দিনের মধ্যে করা যাবে

৫. একই নোটিশে জরিমানা আরোপ
যদি—
• অনিয়ম,
• ব্যর্থতা,
• কর ফাঁকি প্রমাণিত হয়, তাহলে

ধারা ৮৫ অনুযায়ী জরিমানা
একই কারণ দর্শানো নোটিশে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে এবং
কর নির্ধারণের সঙ্গে সঙ্গে জরিমানাও চূড়ান্ত করা যাবে।

৬. কত বছরের মধ্যে কর নির্ধারণ করা যাবে? সাধারণ নিবন্ধিত ব্যক্তি ৫ বছরের মধ্যে শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প ৩ বছরের মধ্যে

৭. কখন ৫/৩ বছরের সীমা প্রযোজ্য হবে না?
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সময়সীমা প্রযোজ্য হবে না—
✔ ইচ্ছাকৃত অবহেলা
✔ প্রতারণা
✔ রিটার্ন দাখিল না করা
✔ প্রতারণার মাধ্যমে Refund দাবি
✔ তথ্য গোপন করা
✔ মিথ্যা Tax Invoice ইস্যু করা
✔ কর ফাঁকির উদ্দেশ্যে তথ্য বিকৃত করা
✔ আদালত, আপিল ট্রাইব্যুনাল বা VAT কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য
৮. সুদ ও জরিমানা (Sec. 73(4))
এই ধারার কিছুই কমিশনারকে বাধা দেয় না—
✔ সুদ আরোপ করতে
✔ জরিমানা আদায় করতে
বিশেষত—
• কর দেরিতে পরিশোধের ক্ষেত্রে
• ভুলভাবে Refund গ্রহণের ক্ষেত্রে
৯. উপকরণ কর রেয়াতে অনিয়ম (Sec. 73(5))
দাখিলপত্র পরীক্ষায় যদি—
• Input Tax Credit (উপকরণ কর রেয়াত) অথবা
• হ্রাসকারী সমন্বয়ে
অনিয়ম ধরা পড়ে,
তাহলে
সহকারী কমিশনারের নিচে নন এমন কর্মকর্তা ধারা ৭৩(২)-এর পদ্ধতি অনুসরণ করে কর নির্ধারণ করতে পারবেন।
সময়সীমা মনে রাখুন
• সাধারণ নিবন্ধিত ব্যক্তি = ৫ বছর
• ১০০% Export Industry = ৩ বছর
• আপত্তি নিষ্পত্তি = ১২০ দিন
• কর পরিশোধের ন্যূনতম সময় = ১৫ কার্যদিবস
মনে রাখুন: "মিথ্যা তথ্য, রিটার্ন না দেওয়া, কর না দেওয়া বা ভুল রিফান্ড—এই চার কারণে কর নির্ধারণ শুরু হয়; আপত্তি থাকলে শুনানি হবে, ১২০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত হবে, আর প্রয়োজনে একই নোটিশে জরিমানাও আরোপ করা যাবে।"

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর নির্দেশনায় কর অঞ্চলসমূহের বিশেষ টিম দেশব্যাপী উৎসে কর কর্তন মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার ...
25/07/2026

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর নির্দেশনায় কর অঞ্চলসমূহের বিশেষ টিম দেশব্যাপী উৎসে কর কর্তন মনিটরিং ও যাচাইকরণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪৭ এর অধীনে কর কর্মকর্তাদের কর্মপরিধি সম্পর্কে সচেতন থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
আয়কর আইন, ২০২৩ এর ধারা ১৪৭ অনুসারে কর কর্মকর্তাগণ যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন:

25/07/2026

#আয়কর আইনে এবার ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।

ক) আপীল এর ক্ষেত্রেঃ

উপকর কমিশনারের কর নির্ধারণের ভিত্তিতে যে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়(১৭৩) এর মধ্যকার পার্থক্যের ১% পরিশোধ করতে হবে।

খ) আপীল ট্র্যাইবুনাল এর ক্ষেত্রেঃ

#আপীল পরবর্তী কর নির্ধারণের ভিত্তিতে যে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়(১৭৩) এর মধ্যকার পার্থক্যের ৩% পরিশোধ করতে হবে।

গ) হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স এর ক্ষেত্রেঃ

#আপীল ট্র্যাইবুনাল পরবর্তী কর নির্ধারণের ভিত্তিতে যে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়(১৭৩) এর মধ্যকার পার্থক্যের ১০% পরিশোধ করতে হবে।

Muhammed Monir Hossain Shaon Law and jurists M Hossain Chamber M M Hossain M M Hossain Shaon Muhammed Hossain

25/07/2026

টার্নওভার কি আয়? নাকি শুধু বিক্রয়ের পরিমাণ?

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ২০২৭ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ২০২৬-২০২৭ করবর্ষে সকলকেই বার্ষিক প্রাপ্তি বা টার্নওভারের ওপর ১% হারে কর পরিশোধ করতে হচ্ছে।

কিন্তু একটি মৌলিক প্রশ্ন থেকে যায়।
ধরুন, একজন ব্যবসায়ীর বার্ষিক টার্নওভার ২০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা। এই টাকার পুরোটা কি তার আয়? মোটেও না।

এই টার্নওভারের মধ্য থেকেই পরিশোধ করতে হয় পণ্যের ক্রয়মূল্য, পরিবহন ব্যয়, দোকান বা অফিস ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিল, ব্যাংক চার্জ, ঋণের সুদ এবং অন্যান্য পরিচালন ব্যয়। এসব ব্যয় বাদ দেওয়ার পর যে অর্থ অবশিষ্ট থাকে, সেটিই প্রকৃত আয় বা মুনাফা।

অনেক ব্যবসার লাভের হার মাত্র ২% থেকে ৫%। সে ক্ষেত্রে ২০ লক্ষ টাকা টার্নওভারে প্রকৃত লাভ হতে পারে মাত্র ৪০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা। অথচ একই টার্নওভারের ওপর ১% কর হলে করের পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ হাজার টাকা। অর্থাৎ, প্রকৃত লাভের একটি বড় অংশই কর হিসেবে চলে যেতে পারে। লাভের হার আরও কম হলে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

কর অবশ্যই দিতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কর অপরিহার্য। কিন্তু করব্যবস্থাও হতে হবে ন্যায়সংগত, বাস্তবসম্মত এবং আয়ভিত্তিক।
টার্নওভারের ওপর কর নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যবসার প্রকৃতি, লাভের হার এবং প্রকৃত আয়কে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তবেই করনীতি হবে ব্যবসাবান্ধব, স্বচ্ছ এবং টেকসই।

আসুন, এমন একটি করব্যবস্থার পক্ষে কথা বলি যেখানে করের বোঝা নয়, ন্যায্যতা হবে মূলনীতি।

আয়কর আইন ২০২৩ এর ১৬৩ ধারায় সকল ধরনের ব্যবসার ওপর ১% টার্নওভার ট্যাক্স—ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য এটি সত্যিই একটি ভয...
25/07/2026

আয়কর আইন ২০২৩ এর ১৬৩ ধারায় সকল ধরনের ব্যবসার ওপর ১% টার্নওভার ট্যাক্স—ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য এটি সত্যিই একটি ভয়ংকর ব্যবস্থা।

ধরা যাক, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বার্ষিক বিক্রয় ৪০ লাখ টাকা। গত বছর তাঁর GP ছিল ১৫%। সব খরচ বাদ দিয়ে তাঁর কর দাঁড়িয়েছিল ৫,০০০ টাকা—তিনি ৫,০০০ টাকা কর দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলেন।

এবার ১% টার্নওভার ট্যাক্সের কারণে তাঁকে দিতে হবে ৪০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ, প্রকৃত কর ৫,০০০ টাকা হলেও অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা কর দিতে হবে।

এখন তিনি যদি বলেন—
“আমার অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা ফেরত দিন”—তাহলে ফেরতযোগ্য কর সৃষ্টি হবে, ১৮৩ ধারায় অ্যাসেসমেন্টের সম্ভাবনা তৈরি হবে, অডিটে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।

আবার যদি বলেন—
“থাক, ফেরত চাইব না; পুরো ৪০,০০০ টাকাই হিসাবের মধ্যে সমন্বয় করে নিই”—তাহলে তাঁর GP বেড়ে যেতে পারে।

আর GP বেড়ে গেলে পরের প্রশ্ন—

“এ বছর GP এত বেশি কেন? তাহলে গত বছর কম দেখিয়েছিলেন কেন?”

এরপর ২১২ ধারায় আগের বছরের হিসাব পুনরায় উন্মোচনের পরিকল্পনা শুরু হতে পারে!

অর্থাৎ—

কর দিলে সমস্যা,
কর ফেরত চাইলে আরও সমস্যা,
আর কর ফেরত না চাইলে ভবিষ্যতে নতুন সমস্যা!

এভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর চাপ বাড়তে থাকলে তারা ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ হারাবেন। উদ্যোক্তা কমবে, ব্যবসা সংকুচিত হবে—আর দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আদায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিক্রয় কখনোই লাভ নয়। করব্যবস্থার উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায়; কিন্তু রাজস্বের স্থায়ী ভিত্তি হলো ব্যবসা ও উদ্যোক্তাকে বাঁচিয়ে রাখা। ব্যবসা বাঁচলে রাজস্ব বাড়বে। উদ্যোক্তা বাঁচলে করদাতা বাড়বে।

নির্বিচারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সব ব্যবসার বিক্রি বা টার্নওভারের উপর ১% কর বসাই দিলে কি, প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ে কি এত টাকা লাভ হয়???
অবাস্তব আইন করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে,তাহা দ্রুত সময়ে এস আরও দিয়ে এবং অনলাইন আপডেট দিলে উপকৃত হবেন সকলে,
পরামর্শ আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনাদের।

 #ব্যবসা বা পেশার আয় নির্ধারণে কোন কোন ব্যয় বিয়োজনযোগ্য নয়?আয়কর আইন, ২০২৩ | ধারা ৫৫অনেক করদাতা মনে করেন, ব্যবসার সব খরচই...
23/07/2026

#ব্যবসা বা পেশার আয় নির্ধারণে কোন কোন ব্যয় বিয়োজনযোগ্য নয়?

আয়কর আইন, ২০২৩ | ধারা ৫৫

অনেক করদাতা মনে করেন, ব্যবসার সব খরচই কর নির্ধারণে বিয়োজনযোগ্য। বাস্তবে আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫৫ অনুযায়ী বেশ কিছু ব্যয় কোনো অবস্থাতেই (বা নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত) বিয়োজনযোগ্য নয়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

✅ উৎসে কর (TDS) বা অংশ-৭ এর বিধান যথাযথভাবে পরিপালন না করলে সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ ফার্ম/ব্যক্তিসংঘের অংশীদার বা সদস্যকে প্রদত্ত সুদ, বেতন, কমিশন বা পারিতোষিক বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ কোম্পানির স্পন্সর, ডিরেক্টর বা প্লেসমেন্ট শেয়ারহোল্ডারকে প্রদত্ত কমিশন বা ডিসকাউন্ট বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ কর্মচারীকে প্রদত্ত পারকুইজিটের ২০ লক্ষ টাকার অতিরিক্ত অংশ বিয়োজনযোগ্য নয় (আইনে বর্ণিত ব্যতিক্রম ব্যতীত)।

✅ রয়্যালটি, লাইসেন্স ফি, কারিগরি সেবা ফি ইত্যাদি ব্যবসায়িক টার্নওভারের ৬% অথবা নীট ব্যবসায় মুনাফার ১৫%—যেটি কম, তার অতিরিক্ত অংশ বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ বিদেশি (বাংলাদেশে নিবন্ধিত নয়) কোম্পানির হেড অফিস/ইন্ট্রা-গ্রুপ ব্যয়ের নীট ব্যবসায় মুনাফার ১০%-এর অতিরিক্ত অংশ বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ বিদেশ ভ্রমণ ব্যয় সাধারণভাবে ব্যবসায়িক টার্নওভারের ০.৫%-এর বেশি হলে সীমাবদ্ধতা প্রযোজ্য (যৌক্তিকতা প্রমাণিত হলে ব্যতিক্রম হতে পারে)।

✅ আপ্যায়ন ব্যয় আইন নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত হলে বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ ফ্রি স্যাম্পল বিতরণ ব্যয় শিল্পভেদে নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত হলে বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ বিজ্ঞাপন ছাড়া অন্যান্য প্রচারণামূলক ব্যয় ব্যবসায়িক টার্নওভারের ০.৫%-এর অতিরিক্ত হলে বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ কর্মচারীর বেতন-ভাতা (চাকরি হতে আয়) এবং ভাড়া যদি আইন অনুযায়ী ব্যাংকিং মাধ্যমে পরিশোধ না করা হয়, তবে সংশ্লিষ্ট বিয়োজন বাতিল হতে পারে।

✅ কাঁচামাল ব্যতীত অন্যান্য ব্যয়ের ৫০%-এর বেশি ব্যাংকিং মাধ্যম ছাড়া পরিশোধ হলে নগদে পরিশোধিত অংশের ২৫% বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রদানে বাধ্য ব্যক্তিকে প্রমাণ ছাড়া অর্থ প্রদান করলে নির্ধারিত শর্তে সেই ব্যয় বিয়োজনযোগ্য নয়।

✅ মূলধনি ব্যয়, ব্যক্তিগত ব্যয়, অনির্দিষ্ট দায়, ব্যবসার সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যয়, IFRS অনুযায়ী Right of Use Asset-এর অবচয় ও সুদ (আইনে বর্ণিত ব্যতিক্রম ব্যতীত), Impairment Loss, অনুমোদনবিহীন তহবিলে অনুদান এবং প্রমাণকবিহীন ব্যয় বিয়োজনযোগ্য নয়।

পরামর্শ:
ব্যবসার হিসাব, উৎসে কর, ব্যাংকিং লেনদেন এবং প্রয়োজনীয় দলিলপত্র সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে অপ্রয়োজনীয় করঝুঁকি ও বিয়োজন বাতিলের সমস্যা অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।
Muhammed Monir Hossain Shaon Law and jurists Advocate Muhammed Monir Hossain Shaon

 #উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত কমিটি ও এর কার্যাবলী।...
23/07/2026

#উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ সংক্রান্ত কমিটি ও এর কার্যাবলী।

#স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
স্মারক নং-৪৬.০০.০০০০.০১৭.৯৯.০০৪.১৫-৫৪2 তারিখঃ ১৮ আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ / ১০ জুলাই, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ।

বিস্তারিতঃ
বিষয়: উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এর অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ।

উপর্যুক্ত বিষয়ে জানানো যাচ্ছে যে, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর দ্বিতীয় তফসিলের ২২ নম্বর ক্রমিকে ইউনিয়নে নতুন বাড়ি, দালান নির্মাণ বা পুন:নির্মাণ এবং বিপজ্জনক দালান নিয়ন্ত্রণে ইউনিয়ন পরিষদ এর দায়িত্ব রয়েছে। এ প্রেক্ষিতে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত কমিটি গঠন করা হলো:

০২. উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা-বহির্ভূত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ বিষয়ক কমিটি'র গঠন:

১. চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ -সভাপতি
২. উপজেলা নির্বাহী অফিসার- সদস্য
৩. সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদস্য
৪. উপজেলা প্রকৌশলী, এলজিইডি - সদস্য
৫. সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান - সদস্য
৬. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর প্রতিনিধি - সদস্য
৭. ইনস্টিটিউট অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
৮. ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস, বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
৯. বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্লানারস এর প্রতিনিধি - সদস্য
১০. ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অব বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি - সদস্য
১১. সহকারী প্রকৌশলী/উপসহকারী প্রকৌশলী (সহকারী প্রকৌশলী না থাকলে) -সদস্য সচিব

৩. কমিটির কার্য পরিধি:
(ক) উক্ত কমিটি Building Construction Act. 1952 3 Bangladesh National Building Code-1993 সহ অন্যান্য প্রচলিত বিধি-বিধান অনুসরণ করবে।

(খ) উক্ত কমিটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসমূহের আওতা বহির্ভুত উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের অধিক্ষেত্রাধীন এলাকায় সুউচ্চ নয় এমন ভবনের [৭ তলা বা ৭৫ ফুট পর্যন্ত] নকশা অনুমোদন করবে।

(গ) প্রতি তিন মাসে কমিটির ন্যূনতম একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে।

(ঘ) কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম গঠিত হবে এবং কোরাম গঠনের জন্য ৫-৯ নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত কারিগরি ব্যক্তিদের ন্যূনতম ০২(দুইনের উপস্থিতি প্রয়োজন হবে।

(ঙ) কমিটি উহার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে, প্রয়োজনে, অন্য যে কোন প্রতিষ্ঠান বা অভিজ্ঞ কোন পেশাজীবি কর্মকর্তা/বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করতে পারবে।

(চ) ইমারত/স্থাপনার নকশা অনুমোদন এবং ভবনের গুণগতমান নিশ্চিতকরণ বিষয়ে নিম্নবর্ণিত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ করতে হবে:

(১) ইমরত নির্মাণের জন্য ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ১৯৯৬ এর তফসিল-১ এ উল্লিখিত আবেদন পত্রে

আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্র দাখিলের পর কমিটি সকল কাগজ এবং নকশা প্রণেতার যথাযথ যোগ্যতা সকল কিছু পরীক্ষা করে লে-আউট প্ল্যানের অনুমোদন প্রদান করবে।

(২) আবেদন পত্রের সাথে কমপক্ষে নিম্নলিখিত দলিলাদি সংযুক্ত না থাকলে আবেদন গ্রহণ করা যাবে না।

(ক) BNBC (Bangladesh National Building Code) অনুযায়ী কীপ্ল্যান (প্রযোজ্যক্ষেত্রে), সাইট প্ল্যান, বিল্ডিং প্ল্যান, সার্ভিস প্ল্যান, স্পেসিফিকেশন এবং নির্মাণ তদারকি কাজে নিয়োজিত প্রকৌশলীর সম্মতিপত্র।

(খ) সাত ফর্দ নকশা।

(গ) জমির মালিকানা প্রমাণের জন্য দলিল, (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পর্চা, হালসনের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের প্রমানপত্র ইত্যাদি।

(ঘ) যোগ্যতা সম্পন্ন প্রকৌশলী কর্তৃক মাটির ভার বহন ক্ষমতার সনদ।

(ঙ) প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র।

(৩) ভবন নির্মাণের পূর্বে নির্মাতা প্ল্যান প্রণয়ন ও সুপারভিশন প্রকৌশলী নিয়োগ করবেন এবং Architectural & Structural Design অনুযায়ী নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করবেন। নিয়োজিত প্রকৌশলী নির্মাণ কাজ সুপারভিশন করবেন। এ বিষয়ে সকল দায়-দায়িত্ব ভবন নির্মাতা/ নিয়োজিত প্রকৌশলীর উপর বর্তাবে মর্মে অঙ্গীকারনামা কমিটির নিকট দাখিল করতে হবে।

(8) নকশা প্রণয়নকারীর যথাযথ কারিগরী যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রতিটি নকশায় প্রণেতার স্বাক্ষর, পেশাদারী সংগঠনের দেয়া পরিচিতি নম্বর এবং মালিকের স্বাক্ষর থাকতে হবে। নকশা প্রণয়নকারীর যোগাযোগের ঠিকানা থাকতে হবে। কমিটি নকশা প্রণয়নকারীসহ অন্যান্য স্বাক্ষরকারীর সঠিকতা যাচাই করার পর পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

(৫) প্ল্যান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তাবৃন্দ কোন অবস্থাতে প্ল্যান প্রণয়নের সাথে জড়িত থাকতে পারবে না।

(৬) ভবন নির্মাণের অনুমতিপত্র পাওয়ার পর ভবনের লে-আউট প্রদানের সময় ভবনের মালিক সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের উপস্থিত থাকা নিশ্চিত করবেন। স্লিন্থ লেভেল পর্যন্ত নির্মাণের পর সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার এবং ভবনের মালিকের যৌথ স্বাক্ষরে নির্ধারিত ফরমে একটি প্রতিবেদন কমিটি বরাবর প্রেরণ করবে।

(৭) কমিটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর সরেজমিন পরিদর্শনে অনুমোদিত প্ল্যানের সাথে কোন প্রকার বিচ্যুতি ধরা পড়লে মালিক ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারকে তা সংশোধন করতে সুনির্দিষ্ট করে লিখিতভাবে জানাবে। ভবন মালিক সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে অবৈধ অংশ অপসারণ কিংবা অনুমতিপত্র বাতিল করার আদেশ প্রদান করবে।

(৮) প্রতিটি ফ্লোরের ছাদ ঢালাই করার পর মালিক ও সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ারের যৌথ স্বাক্ষরে একটি করে কার্য সম্পাদন প্রতিবেদন কমিটির সভাপতি বরাবর দাখিল করতে হবে।

(৯) নির্মাণ চলাকালীন পার্শ্ববর্তী ভবন, অবকাঠামো এবং জনগণের কোন প্রকার ক্ষতিসাধন করা যাবে না।

(১০) BNBC (Bangladesh National Building Code) এর কোড অনুযায়ী ইমারত সেবা (Building Service) যথা পানি সরবরাহ পয়ঃনিস্কাশন, ড্রেনেজ, গ্যাস সরবরাহ, বৈদ্যুতিক স্থাপনা, শীতাতাপ নিয়ন্ত্রণসহ অন্যান্য সকল ইমারত সেবা বাস্তবায়ন করতে হবে।

(১১) সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ইউনিয়ন পরিষদ প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করতে পারবে। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ প্যানেল প্রণয়ন (Panel of Experts) করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্ল্যান অনুমোদন, ভবন নির্মাণ, পুনঃনির্মাণ, অপসারণ ইত্যাদির ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(১২) ভবনের মালিক/ডেভেলপার Architectural, Structural, Electrical, Plumbing & Fire fitting নক্সা বিশেষজ্ঞ স্বপতি, প্রকৌশলী অথবা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সম্পাদনের মাধ্যমে কমিটির নিকট দাখিল করবেন। কমিটি এতদসংশিষ্ট বিশেষজ্ঞ স্বপতি, প্রকৌশলী অথবা পরামর্শক

#প্রতিষ্ঠানের স্বাক্ষর ও প্রত্যয়ন যাচাই করবে।

(১৩) ইমারত আংশিক বা সম্পূর্ণ নির্মাণ সম্পন্ন হবার পর বসবাস বা ব্যবহার সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে। এজন্য নির্ধারিত ফরমে অবেদন করতে হবে। আবেদনের সাথে নিম্নলিখিত দলিল এবং নকশাদি সংরক্ষণের জন্য দাখিল করতে হবে। যথাঃ

(ক) সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার কর্তৃক প্রদত্ত সমাপ্ত প্রতিবেদন;

(খ) কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত স্থাপত্য নকশার ভিত্তিতে নির্মিত ইমারতের নকশা;

(গ) ইমারত সেবা সংক্রান্ত সকল নকশা; এবং

(ঘ) ইমারতের নির্মাণ সংক্রান্ত Test Report যেমন: Cylinder Test Report এবং MS রড Test Report সহ প্রতিবেদন।

উলেখিত নকশার অপর্যাপ্ততা ও উপযুক্ততার যাবতীয় দায়ভার সংশিষ্ট পেশাজীবিদের (স্থাপতি ও প্রকৌশলী) উপর বর্তাবে।

(১৪) নবনির্মিত ভবনটি পরিদর্শন করে কমিটি ভবন ব্যবহারের অনুমতিপত্র প্রদান করবে;

(১৫) যে উদ্দেশ্যে ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে সে উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশ্যে ভবন ব্যবহার করা যাবে না।

19/07/2026

আয়কর আইনে এবার ৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে।

ক) আপীল এর ক্ষেত্রেঃ উপকর কমিশনারের কর নির্ধারণের ভিত্তিতে যে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়(১৭৩) এর মধ্যকার পার্থক্যের ১% পরিশোধ করতে হবে।

খ) আপীল ট্র্যাইবুনাল এর ক্ষেত্রেঃ আপীল পরবর্তী কর নির্ধারণের ভিত্তিতে যে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়(১৭৩) এর মধ্যকার পার্থক্যের ৩% পরিশোধ করতে হবে।

গ) হাইকোর্ট বিভাগে রেফারেন্স এর ক্ষেত্রেঃ আপীল ট্র্যাইবুনাল পরবর্তী কর নির্ধারণের ভিত্তিতে যে ধার্যকৃত কর এবং করদাতার স্বীকৃত করদায়(১৭৩) এর মধ্যকার পার্থক্যের ১০% পরিশোধ করতে হবে।

বিস্তারিত আয়কর আইন, ২০২৩ (অর্থ আইন, ২০২৬ অনুযায়ী সর্বশেষ হালনাগাদকৃত)... বইতে পাবেন। অর্ডার করতে ইনবক্স করুন...

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when M Hossain Chamber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share