আইন আদালত ও বিচার Law Court & Justice

আইন আদালত ও বিচার Law Court & Justice এই পেইজটি আইনি সহায়তায়, ন্যায় বিচারপ্রার্থী অসহায় মানুষদের কল্যাণে।
This Page is For Legal Aid, For The Welfare of Indigent People Who Seeking Justice.
(3)

04/05/2026
জাল দলিল বা ভুয়া দলিল দিয়ে কারো সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হলে তিনি আদালতের মাধ্যমে সেই দলিল বাতিল করে সম্পত্তি যেভাবে ফিরে ...
26/04/2026

জাল দলিল বা ভুয়া দলিল দিয়ে কারো সম্পত্তি আত্মসাৎ করা হলে তিনি আদালতের মাধ্যমে সেই দলিল বাতিল করে সম্পত্তি যেভাবে ফিরে পেতে পারেন।

(১) জাল দলিল বা প্রতারনার মাধ্যমে সৃষ্ট অন্য যে কোন দলিল বাতিলের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুসারে উপযুক্ত দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে হবে।
(২) সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪০ ধারা মোতাবেক দলিল আংশিক বাতিলের জন্যও মামলা করা যাবে।
(৩) জাল দলিল বাতিল না হলে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন অর্থাৎ সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই কেবল এ মামলা করতে পারবেন।
(৪) কোন জাল দলিল রেজিস্ট্রি সম্পর্কে বা কোন জাল দলিল সম্পর্কে জানার বা অবগত হওয়ার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের জন্য মামলা করতে হবে। নচেৎ তা তামাদি দোষে বাতিল হবে।(তামাদি আইনের ১ম তফসিলের অনুচ্ছেদ ৯২)
(৫) যিনি কোন দলিলকে জাল বা জবরদস্তিমূলক সম্পাদিত বলে দাবি করবেন তাকেই তার দাবির সত্যতা আদালতে প্রমাণ করতে হবে( সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা)
(৬) দলিল বাতিলের মামলার এ্যাডভেলোরেম কোর্ট ফি দলিল মূল্যের ২% এবং এই ২% এর উপর ১৫% ভ্যাট। তবে সর্বোচ্চ কোর্ট ফি ৪০,০০০/- টাকা এবং ভ্যাট ৬,০০০/- টাকা। অর্থাৎ দলিল বাতিলের মামলার সর্বোচ্চ কোর্ট ফিঃ ভ্যাটসহ ৪৬,০০০/- টাকা। এছাড়া বিজ্ঞ আইনজীবীর পারিশ্রমিক বা ফিস, আলোচনা করে ঠিক করে নিতে হবে।
(৭) আদালত বিচার শেষে যে ডিক্রি প্রদান করবেন তার একটি নকল বা কপি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে হবে। রায়ের কপি পেয়ে রেজিস্ট্রি অফিসার সংশ্লিষ্ট বালামে দলিল বাতিলের বিষয়টি মামলার রেফারেন্সসহ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।
৮। এছাড়া জাল দলিল বাতিলের মামলা ছাড়াও দলিল জালকারীর শাস্তি দাবি করে ফৌজদারি আদালতে মামলা করা যাবে।

একটি চেক ডিসঅনার মামলা দায়ের করতে আদালতে যে সকল কাগজ পত্র জমা দিতে হবে(১) চেক ইস্যুর তারিখ(২)- ইস্যুকারির নাম ও তথ্য / ...
26/04/2026

একটি চেক ডিসঅনার মামলা দায়ের করতে আদালতে যে সকল কাগজ পত্র জমা দিতে হবে
(১) চেক ইস্যুর তারিখ
(২)- ইস্যুকারির নাম ও তথ্য / কোন কোম্পানি হলে তার বিস্তারিত তথ্য
(৩)- চেক ডিজঅনার হবার তারিখ
(৪)- চেকের বিস্তারিত তথ্য [ব্যাংকের নাম, শাখা, হিসেব নাম্বার, চেক নাম্বার]
(৫)- উল্লেখিত টাকার পরিমান
(৬)-মূল চেক
(৭)- ডিজঅনারের রসিদ
(৮)-আইনি নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তির কপি
(৯)-পোস্টাল রসিদ – প্রাপ্তি রসিদ
(১০)- চেক লেনদেন সম্পর্কিত তথ্য [যদিও সব সময় জরুরী নয়]

22/10/2025

#জমির মিউটেশন (নামজারি) মিস কেসে বাতিল হয়ে গেলে আপনি এখনো আইনগতভাবে কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন। নিচে ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করছি —

১️❗ প্রথমে বুঝে নিন কেন “মিস কেস” হয়েছে

মিউটেশন বাতিলের সাধারণ কারণগুলো হলো:

1️⃣দলিল বা খতিয়ানের তথ্য মিল না থাকা

2️⃣জমির দখল প্রমাণ না থাকা

3️⃣একাধিক পক্ষের দাবি থাকা (বিতর্কিত মালিকানা)

4️⃣কাগজপত্র অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্য

#মিউটেশন অফিস (তহসিল অফিস বা AC Land অফিস) থেকে অর্ডার কপি (বাতিলের আদেশের অনুলিপি) সংগ্রহ করুন।
এখানে বাতিলের কারণ বিস্তারিতভাবে লেখা থাকে।

⚖️ ২️❗ #আপিল করার সুযোগ (Appeal)

যদি আপনি মনে করেন সিদ্ধান্তটি ভুল বা অন্যায্য হয়েছে, তাহলে—

✴️ সংশ্লিষ্ট এসি (ল্যান্ড)-এর আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারেন:

আপিল কর্তৃপক্ষ: উপজেলা নির্বাহী অফিসার (UNO) বা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)

আপিল করার সময়সীমা: ৩০ দিনের মধ্যে (আদেশ পাওয়ার পর থেকে)

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

1️⃣আবেদনপত্র

2️⃣পূর্বের মিউটেশন কেস নাম্বার ও অর্ডার কপি

3️⃣দলিল, খতিয়ান, পর্চা, ট্যাক্স রশিদ

4️⃣দখলের প্রমাণ (প্রয়োজনে সাক্ষ্য বা সার্টিফিকেট)

⚖️ ৩️❗ #আপিলেও বাতিল হলে — রিভিশন (Revision)

আপিলেও যদি মিউটেশন না হয়, তাহলে আপনি ডিসি (Deputy Commissioner) অফিসে রিভিশন আবেদন করতে পারেন।
এটি প্রশাসনিক সর্বশেষ স্তর।

🏛️ ৪️❗ #প্রশাসনিক পর্যায়েও সমাধান না হলে

শেষ উপায় হলো —
সিভিল কোর্টে (জেলা জজ আদালত) মামলা করা।
মামলার ধরন হবে:

“ঘোষণামূলক মামলা” বা “দখল ও মালিকানা স্বীকৃতির মামলা”

19/06/2025

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন আদালত ও বিচার Law Court & Justice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share